08/07/2024
উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি তে মানুষজন যে সাধারণ ভুলটি করে থাকে-
।
উচ্চশিক্ষার জন্য মানুষ যে প্রথম ধাপটা নেয় সেটা হলো GRE-IELTS স্কোর তোলা। এরপর বাকি যা আছে কোনোমতে বানিয়া টানিয়ে এপ্লাই করা। এতে করে তার প্রোফাইল তৈরি হয় CGPA-GRE-IELTS এর উপর নির্ভর করে। কিন্তু CGPA, GRE, IELTS যেমন গুরুত্বপূর্ণ একটা এডমিশন কমিটির কাছে Publication-SOP-LOR গুলাও তেমনই গুরুত্বপূর্ণ। একটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন তো আপনার লক্ষ্য হলো উচ্চশিক্ষার জন্য উন্নত বিশ্বে আসা। তাহলে আপনি ১ম বর্ষ থেকে CGPA তে অনেক নজর দিয়ে ফোর আউট অফ ফোর পেলেন আর আরেকজন ১ম বর্ষ থেকে CGPA ও রিসার্চ ২ টা তে মনযোগ দিলো। ধরলাম সে CGPA পেলো ৩.২৫+ আর তার পাবলিকেশন থাকলো ৫-৬ টা। এডমিশন কমিটির কাছে কে এগিয়ে থাকবে। অবশ্যই যার ২ টা বস্তুই আছে। ৩.২৫ কে কিন্তু একটা প্রথম সারির CGPA হিসেবেই ধরে থাকেন এডমিশন কমিটি। তাই আপনি সারাজীবন যদি শুধু CGPA এর পিছনে পরে থেকে তার জন্য যা যা করা লাগে করলেন এতে আপনার কিন্তু তেমন লাভ হলো না। আরেকটা বিষয় বলি SOP বিষয়টা হলো Statement of Purpose. আয়মান সাদিক একটা কথা বলে না নিজের CV টা ১ম সেমিস্টার থেকে বানাও। তার মত আমারো কথা যে এই SOP টা ১ম সেমিস্টার থেকে বানাও। ১ম সেমিস্টারে যারা আছো বা যারা রানিং বিভিন্ন সেমিস্টারে আছো। এখন থেকেই SOP বানাও। অনেকগুলো SOP sample দেখো। নিজে খুজে না পেলে আমাদের পেজ এ নক দেও। আমাদের পেজ ম্যানেজার ১০-১৫ টা SOP বিশিষ্ট একটা লিংক দিয়ে দিবে তোমাকে। সেগুলো দেখে দেখে এখন থেকেই SOP লিখো। প্রতিদিন ১ লাইন ২ লাইন করে লিখো যে কেনো তুমি PhD করতে চাও, তুমি কিভাবে একজন PhD স্টুডেন্ট হিসেবে সে ডিপার্টমেন্ট এ value add করতে পারবে।তোমার PhD এর মোটিভেশান কি, কিভাবে তৈরি হলো এগুলো লিখো। মানুষকে দিয়ে রিভিও করাও। রিভিও অনুযায়ী ঠিক করো। তারপর LOR নিতে হলে অনেক সময় প্রোফেসররা একটা ড্রাফট চায়, যেটা তারা নিজের মত মডিফাই করে ইডিট করে চেঞ্জ করে দেয়। এখন থেকেই সেই LOR ড্রাফট গুলো লিখো। আমি নিজে এগুলো লিখা শুরু করেছিলাম ৩য় বর্ষ থেকে। দেখবে এটা অনেক সাপোর্ট দিবে এপ্লাই এর সময়। সাথে সাথে তোমার এই রাইটিং গুলোও গুছানো থাকবে। তুমি অবশ্যই কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবে অন্য ক্যান্ডিডেট থেকে।
।
ধন্যবাদ
নিউটন নিয়োগী
গ্র্যাডুয়েট টিচিং এসিস্টেন্ট
সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটি
সিরাকিউজ, নিউইয়র্ক।