ABC of Accounting

ABC of Accounting

Share

Assalamualaikum, It’s a page for learning Accounting easily. Learn Accounting with pleasure.

06/05/2022


এসএসসি-২০২২ পরীক্ষা জুনে। আর মাত্র ১ মাস বাকি।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই হিসাববিজ্ঞান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। আপনি যদি এসএসসি পরীক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে পোস্টটি আপনার জন্য।

আপনাদের হিসাববিজ্ঞান শর্ট সিলেবাসে যে অধ্যায়গুলো আছে,

অধ্যায়-১ : হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি
অধ্যায় -২: লেনদেন
অধ্যায়-৩ : দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি
অধ্যায়-৪: মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেন
অধ্যায়-৫: হিসাব
অধ্যায়-৬: জাবেদা
অধ্যায়-৭: খতিয়ান
অধ্যায়-৯: রেওয়ামিল
অধ্যায়-১০: আর্থিক বিবরণী।

শুধু বাদ পড়েছে অধ্যায়-৮ (নগদান বই), অধ্যায়-১১: (পণ্যের ক্রয়মূল্য, উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্য) এবং অধ্যায় -১২ ( পারিবারিক ও আত্মকর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগের হিসাব)।

এই ৯ টা অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসবে ১১ টা (সৃজনশীল) আপনাকে ৪ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এখানে বুঝাই যাচ্ছে যে প্রতিটি অধ্যায় থেকে সর্বনিম্ন ১ টি করে প্রশ্ন থাকবে।
👇
আপনি শর্টকাট পড়তে চাইলে আমি বলবো আপনি জাবেদা, খতিয়ান পড়ুন। জাবেদা যিনি ভালোভাবে বুঝতে পারবেন তার আর কোনো সমস্যা হবে না মাধ্যমিক হিসাববিজ্ঞানে।
👆

আপনি সৃজনশীলের জন্য পড়তে পারেন

👉অধ্যায় (৩,৪,৬,৭,৯) 👈 এইগুলো ছোট ছোট অধ্যায়। এই অধ্যায়গুলো থেকে কমন পাবেন ইনশাআল্লাহ।
আর্থিক বিবরণী দেওয়া বাধ্যতামূলক কিনা সেটা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছি না। তাই আপনারা আর্থিক বিবরণীর কিছু ধারণা নিয়ে গেলে ভালো হবে।

আর MCQ আসবে ৩০ টা দিতে হবে ১৫ টা।
৪৫+১৫=৫৫ মার্কস এর পরীক্ষা।

MCQ যেটা আপনি পারেন ঐটা দিবেন।
👇👇
সবশেষে কথা হচ্ছে, আপনি অধ্যায় ৩, ৪,৫,৬,৭,৯ এই অধ্যায়গুলো দেখেন।
আর অধ্যায় ১০ সম্পর্কে কিছু ধারণা নিয়ে যাবেন যদি বাধ্যতামূলক দেয়।
👆👆

👇👇
আরো শর্ট করতে চাইলে আমি বলবো আপনি জাবেদা আর মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেন ভালোভাবে পড়েন। জাবেদা ভালোভাবে বুঝতে পারলে অন্য সব অধ্যায় উত্তর করা আপনার অন্য সহজ হবে
👆👆

শুভকামনা রইল

07/04/2022

-----চলতি সম্পদ----

যে সম্পদগুলো ১ বছর বা তার কম সময়ের মধ্যে নগদে রূপান্তর করা যায় তাকে চলতি সম্পদ বলে।
অন্যান্য সম্পদগুলো থেকে চলতি সম্পদকে সবচেয়ে দ্রুত নগদে রূপান্তর করা যায়।
নিম্নে চলতি সম্পদের উদাহারণ দেওয়া হলো-

নগদ তহবিল/ হাতে নগদ, ব্যাংক জমা/ ব্যাংক উদ্বৃত্ত/ ব্যাংক ব্যালেন্স, ব্যাংক জমার ডেবিট উদ্বৃত্ত/ ব্যালেন্স

# যত ধরনের প্রাপ্য আছে সবগুলো চলতি সম্পদ
প্রাপ্য নোট, প্রাপ্য বিল, প্রাপ্য হিসাব/ দেনাদার/ বিবিধ দেনাদার , প্রাপ্য সুদ, প্রতিনিধির নিকট হতে প্রাপ্য, বিমা কোম্পানি হতে প্রাপ্য

# যত ধরনের বকেয়া আয়/ প্রাপ্য আয় / অনাদায়ী আয় আছে সবগুলো চলতি সম্পদ
সব ধরনের প্রাপ্য আয়/ বকেয়া আয়/ অনাদায়ী আয় ( বিনিয়োগের অনাদায়ী সুদ, প্রাপ্য সুদ, প্রাপ্য ভাড়া, প্রাপ্য কমিশন ইত্যাদি ),

# যত ধরনের অগ্রীম ব্যয় আছে সব চলতি সম্পদ
সব ধরনের অগ্রীম ব্যয় ( অগ্রীম ভাড়া, অগ্রীম বেতন, অগ্রীম কর, অগ্রীম বিমা সেলামি ইত্যাদি ) ,

সমাপনী মজুদ পণ্য, স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ, মনিহারি মজুদ, সাপ্লাইজ , অব্যবহৃত মনিহারি, চালানি পণ্য, ভ্যাট চলতি হিসাবের ডেবিট উদ্বৃত্ত/ ব্যালেন্স, প্রদত্ত ঋণ ও অগ্রীম ইত্যাদি।

উপরিউক্ত সম্পদগুলো দ্রুত নগদে রূপান্তর করা যায় বলে এদেরকে চলতি সম্পদ বলে।

04/04/2022

----স্থায়ী সম্পদ----

যে সকল সম্পদ ১ বছরের অধিক সময়কালে ব্যবহারের জন্য ক্রয় করা হয় তাকে স্থায়ী সম্পদ বলে।
স্থায়ী সম্পদ চিনার উপায় হলো, এ জাতীয় সম্পদের স্থায়ীত্ব বেশি থাকে অন্যান্য সম্পদের তুলনায়।

যেমন- ( ভূমি/জমি, দালানকোঠা/ বিল্ডিং , আসবাবপত্র/ ফার্নিচার , যন্ত্রপাতি/ মেশিন , কলকব্জা, যন্ত্রাংশ, সরঞ্জাম/ সাজসরঞ্জাম/ অফিস সরঞ্জাম/ অফিস ইকুইপমেন্ট ,

মোটরগাড়ি, ভূমি উন্নয়ন , নিষ্কর বা দায়মুক্ত সম্পত্তি, ভ্যান /ডেলিভারি ভ্যান , প্রিমিসেস/ ব্যবসায়ের আঙ্গিনা ইত্যাদি। )

উপরিউক্তগুলো হচ্ছে স্থায়ী সম্পদের মধ্যে স্পর্শনীয় সম্পদ।
স্পর্শনীয় সম্পদ হচ্ছে যে সকল সম্পদ স্পর্শ করা যায়।

আরেক ধরনের স্থায়ী সম্পদ রয়েছে । একে বলে অস্পর্শনীয় সম্পদ ।
অস্পর্শনীয় সম্পদ হচ্ছে যে সকল সম্পদ স্পর্শ করা যায় না ।

যেমন- ( পেটেন্ট/ কৃতিস্বত্ব , ট্রেডমার্ক/ ট্রেড লাইসেন্স/ বাণিজ্য চিহ্ন , কপিরাইট/ গ্রন্থস্বত্ব/ মেধাস্বত্ব , সুনাম , ইজারা সম্পত্তি ইত্যাদি। )

এগুলো হচ্ছে স্থায়ী সম্পদ যা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘকাল ব্যবহৃত হয়।

30/03/2022

-------সম্পদ------

সম্পদ হলো প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোনো বস্তু যা প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যৎ সুবিধা প্রদান করে।
সম্পদকে ইংলিশে Asset বলে। যাকে হিসাব সমীকরণে সংক্ষিপ্ত রূপে A লিখা হয়। A = Asset .

সম্পদ সাধারণত তিন প্রকারের হয়ে থাকে।
১/ স্থায়ী সম্পদ
২/ চলতি সম্পদ
৩/ অলীক সম্পদ

# স্থায়ী সম্পদ হলো যা প্রতিষ্ঠানে ১ বছরের অধিক কাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বা হবে। যেমন- আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা, মেশিন, ভূমি/জমি, দালানকোঠা ইত্যাদি।

স্থায়ী সম্পদ তিন ধরণের হয়ে থাকে। যথা- স্পর্শনীয় সম্পদ , অস্পর্শনীয় সম্পদ, বিনিয়োগ (যদি ১ বছরের অধিক হয়)।

# চলতি সম্পদ হচ্ছে যে সম্পদগুলো ১ বছরের মধ্যে নগদে রূপান্তর করা যাবে বা এক বছরের মধ্যে তার উপযোগিতা শেষ হয়ে যাবে সেগুলোই চলতি সম্পদ । যেমন- হাতে নগদ, বিনিয়োয়ের অনাদায়ী সুদ, ব্যাংক জমা ইত্যাদি।

বিনিয়োগের মেয়াদ যদি ১ বছরের কম তাহলে তা চলতি সম্পদ বলে গণ্য হবে।

# অলীক সম্পদ হলো সে সকল সম্পদ যার কোনো বর্তমান বাজারমূল্য নেই তাকে অলীক সম্পদ বলে।
যেমন- প্রাথমিক খরচ, বিলম্বিত বিজ্ঞাপন ইত্যাদি।

পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা পাবেন ইনশাআল্লাহ।

23/03/2022

হিসাব -

সমজাতীয় লেনদেনগুলোকে উপযুক্ত শিরনামে সাজিয়ে যে সংক্ষিপ্ত বিবরণী প্রস্তুত করা হয় তাকে হিসাব বলে।

দুই ধরণের পদ্ধতিতে হিসাব রাখা হয়। যথা-
১. সনাতন পদ্ধতি , ২. আধুনিক পদ্ধতি ।

বর্তমানে হিসাব রাখা হয় আধুনিক পদ্ধতিতে । তাই আধুনিক পদ্ধতির আলোচনা আগে করা হচ্ছে।

হিসাবের আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাব থাকে পাঁচ ধরনের। যথা-

১. সম্পদ হিসাব
২. দায় হিসাব
৩. মালিকানা স্বত্ব হিসাব
৪. আয় হিসাব
৫. ব্যয় হিসাব।

অনেকে উত্তোলনকেও আলাদা হিসাব বিবেচনা করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে উত্তোলন হচ্ছে মালিকানা স্বত্বের উপাদান। তাই একে আলাদা ভাবে বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই।

আর সনাতন পদ্ধতিতে হিসাব ২ ধরনের । যথা-
১. ব্যক্তিবাচক হিসাব ২. অব্যক্তিবাচক হিসাব ।

অব্যক্তিবাচক হিসাব আবার দুই ধরনের ।
১. সম্পত্তিবাচক হিসাব ২. নামিক হিসাব।

অর্থাৎ , সনাতন পদ্ধতির হিসাব তিন ধরনের ।
১. ব্যক্তিবাচক হিসাব ২. সম্পত্তিবাচক হিসাব ৩. নামিক হিসাব।

বর্তমানে সনাতন পদ্ধতির প্রচলন নেই। আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাব রাখা হয়।

আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাব রাখা সনাতন পদ্ধতির তুলনায় সহজ এবং বাস্তবসম্মত ।
আধুনিক পদ্ধতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা শীঘ্রই করবো ইনশাআল্লাহ।
জেনে রাখার জন্য সনাতন পদ্ধতিরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাবে।

15/03/2022

মুনাফা জাতীয় প্রদান ও মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য-

১. ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কার্য সম্পাদনের জন্য যেসব ব্যয় নির্দিষ্ট সময় পর
পর সংঘটিত হয় তাকে মুনাফা জাতীয় ব্যয় বলে।

বিগত, চলতি , পরবর্তী বছরের জন্য যেসব মুনাফা জাতীয় ব্যয়
সংঘটিত হয় তাকে মুনাফা জাতীয় প্রদান বলে।

২. মুনাফা জাতীয় ব্যয় , মুনাফা জাতীয় প্রদানের একটি অংশ।

কিন্তু, মুনাফা জাতীয় প্রদান, মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের অংশ না।

৩. মুনাফা জাতীয় প্রদান সংঘটিত হয় বিগত, চলতি, পরবর্তী বছরের
মুনাফা জাতীয় ব্যয় নিয়ে।

মুনাফা জাতীয় ব্যয় শুধু চলতি বছরে সংঘটিত হয়।

৪. মুনাফা জাতীয় প্রদান , মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের তুলনায় দীর্ঘ হয়।

মুনাফা জাতীয় ব্যয়, মুনাফা জাতীয় প্রদানের তুলনায় স্বল্প হয়।

যেমন- ভাড়া প্রদান ৫০০০ টাকা। যার মধ্যে ৩০০০ টাকা পরবর্তী বছরের।
এখানে মুনাফা জাতীয় প্রদান ৫০০০ টাকা আর মুনাফা জাতীয় ব্যয় ( ৫০০০ - ৩০০০ ) বা, ২০০০ টাকা।

09/03/2022

মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি ও মুনাফা জাতীয় আয়ের মধ্যে পার্থক্য-

১. যে সকল প্রাপ্তি নিয়মিত আদায় হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই
উপযোগিতা শেষ হয়ে যায় তাকে মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি বলে।

অপরদিকে, মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি থেকে যে আয় হয় তাকে মুনাফা
জাতীয় আয় বলে।

২. সকল মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি মুনাফা জাতীয় আয় হয় না।

কিন্তু, সকল মুনাফা জাতীয় আয় মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি হয়।

৩. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি মুনাফা জাতীয় আয়ের তুলনায় দীর্ঘমেয়াদি হয়।

কিন্তু, মুনাফা জাতীয় আয় মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তির তুলনায়
স্বল্পমেয়াদি হয়।

৪. যেমন- ২০২২ সালে ভাড়া প্রাপ্তি ৩০০০ টাকা। তন্মধ্যে ১০০০ টাকা
২০২৩ সালের।
এখানে, ৩০০০ টাকা মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি ।

এবং, মুনাফা জাতীয় ব্যয় হবে (৩০০০-১০০০) বা, ২০০০ টাকা।

তাহলে উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো পড়ে আমরা এ সিন্ধান্তে উপনীত হলাম যে, মুনাফা জাতীয় আয় শুধু চলতি হিসাবকালের আয়।
অপরদিকে মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি হচ্ছে (বিগত + চলতি + পরবর্তী ) হিসাবকালের আয়।

03/03/2022

মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি এবং মূলধন জাতীয় আয় এর মধ্যে পার্থক্য-

১. যে সকল প্রাপ্তি অনিয়মিত , টাকার অঙ্কে বড় এবং অধিক সময় সুবিধা ভোগ করা যায় তাকে মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি বলে।

অপরদিকে, যে সকল আয় অনিয়মিত , টাকার অঙ্কে বড় এবং অধিক সময় সুবিধা ভোগ করা যায় তাকে মূলধন জাতীয় আয় বলে।

২. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি হচ্ছে বিগত + চলতি + পরবর্তী বছরের আয়

অপরদিকে , মূলধন জাতীয় আয় হচ্ছে শুধু চলতি বছরের আয়।

৩. সকল মূলধন জাতীয় আয়, মূলধন জাতীয় প্রাপ্তির একটি অংশ।

অপরদিকে, সকল মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি , মূলধন জাতীয় আয়ের অংশ না।

৪. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তির উদাহারণ হলো মূলধন আনয়ন, ঋণ গ্রহণ
( কারণ মূলধন , ঋণ এগুলো বিগত + চলতি + পরবর্তী বছরের জন্য হয়ে থাকে। )

অপরদিকে, মূলধন জাতীয় আয়ের উদাহারণ হলো আসবাবপত্র বিক্রয় , যন্ত্রপাতি , অফিস সরজ্ঞাম, মেশিন, ভূমি/জমি, কলকব্জা ইত্যাদি বিক্রয় ।
( কারণ এগুলো শুধু চলতি বছরে সংঘটিত হয়। )

সুতরাং, যে সকল মূলধন জাতীয় লেনদেন একাধিক বছরের আয় নির্দেশ করে তা হচ্ছে মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি।

আবার, যে সকল মূলধন জাতীয় লেনদেন শুধু চলতি বছরের আয় নির্দেশ করে তা হচ্ছে মূলধন জাতীয় আয়।

01/03/2022

মুনাফা জাতীয় ব্যয় এবং বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য-

১. মুনাফা জাতীয় ব্যয় হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংঘটিত ব্যয় । অপরদিকে বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় হচ্ছে নির্দিষ্ট বছরে সীমাবদ্ধ নয়া থেকে একাধিক বছরের জন্য সংঘটিত ব্যয়।

২. মুনাফা জাতীয় ব্যয় বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের অংশ না। অপরদিকে, বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়, মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের একটি অংশ।

৩. মুনাফা জাতীয় ব্যয় শুধু চলতি বছরের ব্যয় নির্দেশ করে। অপরদিকে, বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় চলতি বছরসহ একাধিক বছরকে নির্দেশ করে।

৪. মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের উপযোগিতা স্বল্পমেয়াদে নিঃশেষ হয়ে যায়। অপরদিকে বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় স্বল্পমেয়াদে নিঃশেষ হয়ে যায় না।

যদি নামের দিকে লক্ষ্য করেন "বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়" এই নামের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে পার্থক্য বোঝা সহজ হবে।

বিলম্ব মানে দেরি বা দীর্ঘ । তাহলে বোঝাই যাচ্ছে যে, যে সব মুনাফা জাতীয় ব্যয় নিঃশেষ হতে দেরি করবে তা-ই বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

যেমন- নতুন পণ্য তৈরির জন্য গবেষণা ব্যয় ও পরীক্ষা ব্যয়,
বিজ্ঞাপন খরচ এককালীন বড় অঙ্কের ব্যয়,
ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর বাবদ ব্যয় ।

01/03/2022

বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় -

যে সকল মুনাফা জাতীয় ব্যয় নির্দিষ্ট হিসাব বছরে সীমাবদ্ধ না থেকে একাধিক বছর এর সুবিধা ভোগ করা যায় তাকে বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় বলে।

এ সকল ব্যয় মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের-ই একটি অংশ । কিন্তু এই ব্যয়গুলোর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা ভোগ করা যায়।

যেমন- নতুন পণ্য তৈরির পূর্বে গবেষণা ব্যয় ও পরীক্ষা ব্যয়, বিজ্ঞাপন বাবদ এককালীন বড় অঙ্কের ব্যয়, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর ব্যয়।

উপরিউক্ত সবগুলোই মুনাফা জাতীয় লেনদেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় এটি বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়।

27/02/2022

মুনাফা জাতীয় লেনদেনের শ্রেণীবিভাগ-

যে সকল লেনদেন হতে স্বল্পমেয়াদি (১ বছরের কম) সুবিধা ভোগ করা যায়, লেনদেন নিয়মিত সংঘটিত হয় , টাকার পরিমাণ ছোট তা হচ্ছে মুনাফা জাতীয় লেনদেন।

মুনাফা জাতীয় লেনদেন বিশদ আয় বিবরণীতে আসে কিন্তু আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে আসে না।

মুনাফা জাতীয় লেনদেন দুই প্রকার । যথা-

১ মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি ও আয়
২ মুনাফা জাতীয় প্রদান ও ব্যয়

মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি ও আয় -
যে সকল প্রাপ্তি নিয়মিত ( নির্দিষ্ট সময় পর পর ) আদায় হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এর উপযোগিতা শেষ হয়ে যায় তাকে মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি বলে।
যেমন- পণ্য বিক্রয়লদ্ধ অর্থ , প্রাপ্ত বাড়ি ভাড়া , প্রাপ্ত কমিশন ইত্যাদি।

মুনাফা জাতীয় আয় হলো মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি থেকে যে আয় হয় তা-ই মুনাফা জাতীয় আয়।

যেমন- ২০২২ সালে বাড়ি ভাড়া পাওয়া গেল ৪০,০০০ টাকা। এর মধ্যে ২০,০০০ টাকা পরবর্তী বছরের অর্থাৎ ২০২৩ সালের।

এখানে ২০২২ সালের মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি হবে ৪০,০০০ টাকা কিন্তু মুনাফা জাতীয় হবে (৪০,০০০-২০,০০০) বা, ২০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ শুধু চলতি বছরের প্রাপ্তি হচ্ছে মুনাফা জাতীয় আয় আর মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি পুরোটাই (চলতি বছর + পরবর্তী বছর) ।

এটি বিশদ আয় বিবরণীতে প্রাপ্ত ভাড়া নামে অন্যান্য আয় শিরোনামে যাবে।

মুনাফা জাতীয় প্রদান ও ব্যয় -

যে সকল ব্যয় নিয়মিত (নির্দিষ্ট সময় পর পর )সংঘটিত হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরেই উপযোগিতা নিঃশেষ হয়ে যায় তাকে মুনাফা জাতীয় প্রদান বা ব্যয় বলা হয়।

যেমন- পণ্য ক্রয় , বেতন প্রদান, ভাড়া পরিশোধ, প্রদত্ত কমিশন, বিজ্ঞাপন খরচ ইত্যাদি।

এগুলো বিশদ আয় বিবরণীতে বিক্রীত পণ্যের ব্যয় , পরিচালন ব্যয় , অন্যান্য ব্যয় শিরোনামে বসে।

মুনাফা জাতীয় ব্যয় মুনাফা জাতীয় প্রদানের-ই একটি অংশ।
মুনাফা জাতীয় ব্যয় হচ্ছে শুধু মুনাফা জাতীয় প্রদানের চলতি বছরের ব্যয়। আর বিগত বছর + চলতি বছর + পরবর্তী বছরের ব্যয়গুলো মুনাফা জাতীয় প্রদান।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Sylhet