Ummah Treatment
Join with us and gain your knowledge.
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি,namajer somoy suchi,namaz samay,আজকের নামাজের সময়সূচী,today namaj,নামাজের সময়,নামাজের সময়সূচি ২০২৫,ajker namajer somoy suchi 2025,namazer somoy suchi,পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী ২০২৫,fajr namaz samay suchi,আজ ফজরের ওয়াক্ত শুরু ও শেষ,আজানের সময় সূচি,ফজরের নামাজের সময় সূচি,আজকের নামাজের সময়সূচী ২০২৫,ফজরের আজান কয়টা বাজে দেয়,ফজরের আজান কয়টা বাজে দেয়,নামাজের সময়সূচি,ফজরের আজান কয়টা বাজে দেয় ২০২৫ ফেব্রুয়ারি
প্রশ্নঃ ঈমান এবং আকিদার মধ্যে পার্থক্য কি? এবং ঈমান পরিপূর্ণ কিভাবে হয়?
প্রশ্নঃ ইমান ও ইসলামের শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ কি? এবং বোখারী শরীফে বর্ণিত হাদিসে জিবরীলে। হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কে “ আখবিরনি “ সিগাহ আমর ব্যবহার করে সম্বোধন করেছেন। এটি কি আদবের খেলাফ নয়? যদি আদবের খেলাফ হয়ে থাকে তাহলে এর ব্যাখ্যা কি?
আর তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে, যে অবশ্যই বিলম্ব করবে। সুতরাং তোমাদের কোন বিপদ আপতিত হলে সে বলবে, ‘আল্লাহ আমার উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সাথে উপস্থিত ছিলাম না’। ( সূরা নিসাঃ ৭২ )
আর তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন অনুগ্রহ এসে পৌঁছলে অবশ্যই সে বলবে যেন তোমাদের ও তার মধ্যে কোন হৃদ্যতা ছিল না, ‘হায়! যদি আমি তাদের সাথে থাকতাম, তাহলে আমি মহাসফলতা অর্জন করতাম। ( সূরা নিসাঃ ৭৩ )
সুতরাং যারা আখিরাতের বিনিময়ে দুনিয়ার জীবন বিক্রয় করে তারা যেন আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করে। আর যে আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করবে অতঃপর সে নিহত হোক কিংবা বিজয়ী, অচিরেই আমি তাকে দেব মহা পুরস্কার। ( সূরা নিসাঃ ৭৪ )
আর তোমাদের কী হল যে, তোমরা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করছ না! অথচ দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুরা বলছে, ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে বের করুন এ জনপদ থেকে যার অধিবাসীরা যালিম এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন অভিভাবক নির্ধারণ করুন। আর নির্ধারণ করুন আপনার পক্ষ থেকে একজন সাহায্যকারী। ( সূরা নিসাঃ ৭৫ )
যারা ঈমান এনেছে তারা লড়াই করে আল্লাহর রাস্তায়, আর যারা কুফরী করেছে তারা লড়াই করে তাগূতের পথে। সুতরাং তোমরা লড়াই কর শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে। নিশ্চয় শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল। ( সূরা নিসাঃ ৭৬ )
মধুর কণ্ঠে সুরা ইব্রাহিম তেলাওয়াত
হে ঈমানদারগণ! ইয়াহুদী ও নাসারাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। ওরা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের যে ওদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তো ওদেরই। নিশ্চয়ই আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না। -সূরা মায়িদা ৫ : ৫১
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মর্যাদাবানের পুত্র মর্যাদাবানের পুত্র মর্যাদাবানের পুত্র মর্যাদাবান ইউসুফ ইবনু ইয়াকুব ইবনি ইসহাক্ব ইবনি ইবরাহীম ‘আলাইহিমুস সালাম। তিনি বলেনঃ ইউসুফ (‘আঃ) যত কাল কারাগারে ছিলেন আমি যদি তত কাল কারাগারে থাকতাম এবং অতঃপর রাজদুত আমার নিকট এসে আহবান জানাতো তাহলে আমি তার (তার আহবানে) সাড়া দিতাম। তারপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পরেন (অনুবাদ) : “রাজদুত যখন তার নিকট উপস্থিত হল, তখন সে বলল, তুমি তোমার মনিবের নিকট ফিরে যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস কর –যে নারীরা নিজেদের হাত কেটেছিল তাদের অবস্হা কি’’ (সূরা ইউসুফ ৫০)? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ লুত (‘আঃ) –এর উপর আল্লাহ্র রহমত বর্ষিত হোক। তিনি মজবুত দুর্গে আশ্রয় গ্রহনের আকাংখা করতেন। “সে বলল, তোমাদের উপর যদি আমার জোর খাটত অথবা যদি আমি কোন সুদৃঢ় দুর্গে আশ্রয় নিতে পারতাম’’।-(সূরা হূদ ৮০)। তাঁর পরে আল্লাহ ঐ জাতির মর্যাদাবান গোষ্ঠীর মধ্য থেকেই নবীগণকে পাঠিয়েছেন। যিরওয়াহ , শব্দের পরিবর্তে “সারওয়াহ “ শব্দে বর্ণিত হাদীসটি হাসান : সহীহাহ (১৬১৭, ১৮৬৭) , বুখারী ,মুসলিম।
একজন ভাইয়ের প্রশ্নঃ দোয়া কবুল হলে গাজায় ইসরাইলের বোমা ফুটতনা তাইনা? কোটি কোটি মুসলমান দোয়া করতেচে।
উত্তরঃ পৃথিবীর সবকিছু আল্লাহর হুকুমে হচ্ছে। আল্লাহ চাইলে ইসরাঈল মুসলমানদের কিছুই করতে পারতোনা। এখানে মূলত হচ্ছে পরীক্ষা। এই দুনিয়া পরীক্ষার স্থল, আর এই যুদ্ধ পরীক্ষার একটি অংশ মাত্র। আল্লাহ এর মাধ্যমে দেখাতে চাচ্ছেন যে, কে সত্যের পক্ষে আর কে মিথ্যার পক্ষে। সত্যের পক্ষের লোকেরা সফল হবে কেয়ামতের দিন, আর মিথ্যাবাদিরা লাঞ্ছিত হবে। আমাদের কাজ সত্যবাদিদের সাথে থাকা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী। আল্লাহ আমাদেরকে এর প্রতিদান দিবেন। ইন শা আল্লাহ।
আর পৃথিবীতে সত্যের বিজয় হবেই হবে একদিন। চাই আপনি,আমি সত্যের পক্ষে থাকি কিংবা না থাকি। আল্লাহ বলেছেনঃ " হে নবী আপনি বলুন! সত্য এসেছে, মিথ্যা পরাভূত হয়েছে। নিশ্চয় বাতিল পরাভূত হবারই। ''
সুতরাং ইসরাঈলিদের অত্যাচার-বর্বরতা দেখে ভয় পাওয়ার কিংবা হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। ফিলিস্তিনিদের বিজয় হবেই হবে একদিন। বায়তুন মুকাদ্দাস পুনরায় মুসলমানরা পাবেই পাবে একদিন ইন শা আল্লাহ।