Uddokta Madrasah / উদ্যোক্তা মাদরাসা

Uddokta Madrasah / উদ্যোক্তা মাদরাসা সৎ যোগ্য ব্যবসায়ীদের খুঁজে.. 🎙️

আমরা সবাই মিলে করতে চাই ব্যবসা, যে ব্যবসার উদ্দেশ্য দেশকে উন্নত করা
(1)

25/09/2024

১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে ৩০ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী করা ছেলেটাকে আজকের সমাজের সবাই বলে,
"হ্যাঁ ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু ৩ লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করার পর ,যেই ছেলেটা সমপরিমাণ টাকা উপার্জন করে, অর্থাৎ ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করা ছেলেটাকে আজকের এই সমাজ বলে, ছেলেটা এখানো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারলো না, শেষ পর্যন্ত .."ব্যবসা"।

যেই ছেলেটা তার উপার্জন শুরুই করে হারাম দিয়ে, সেই সমাজ তাকে করে পুরস্কার।

আর যেই ছেলেটা তার উপার্জন শুরু করে হালাল দিয়ে, সেই সমাজ তাকে করে তিরস্কার।

বর্তমান সমাজ হারামকে মূল্যায়ন করে, হালালকে নয় ।

অথচ "ইবাদত কবুলের পূর্ব শর্তই হলো হালাল উপার্জন। "

এই জন্য হালাল উপার্জন করা ছেলের সঙ্গে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া প্রতিটি বাবা মায়ের জন্য কর্তব্য।

লেখা: সংগৃহীত

প্রিয়নবী (সা.) এর ব্যবসায়িক জীবন: এক আদর্শ উদ্যোক্তার জীবন কাহিনীমক্কার বালুকাময় মরুভূমিতে একদিন এক সূর্যের মতো উজ্জ্ব...
25/09/2024

প্রিয়নবী (সা.) এর ব্যবসায়িক জীবন: এক আদর্শ উদ্যোক্তার জীবন কাহিনী

মক্কার বালুকাময় মরুভূমিতে একদিন এক সূর্যের মতো উজ্জ্বল নুর জন্মগ্রহণ করেছিল। সেই নুরই ছিলেন আমাদের প্রিয় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা, যার জীবনকাহিনী অনন্তকালের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

কিশোর বয়স থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের জগতে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। চাচা আবু তালেবের সঙ্গে বিভিন্ন দেশে বাণিজ্য সফরে যান। সততা, বিশ্বস্ততা ও কর্মদক্ষতার কারণে তিনি খুব দ্রুত সবার প্রিয় হয়ে ওঠেন। তাঁর সততা এত পরিচিত ছিল যে, লোকেরা তাঁকে ‘আল-আমিন’ অর্থাৎ বিশ্বস্ত বলে ডাকত।

খাদিজা (রা.) নামে এক সমৃদ্ধ ব্যবসায়ীর সাথে তাঁর বিবাহ হয়। খাদিজা (রা.) তাঁর বিশ্বস্ততা ও কর্মদক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে নিজের বাণিজ্যিক কাজে সঙ্গী করেন। মহানবী (সা.) তাঁর বিশ্বাস ভাঙেননি। বরং তাঁর ব্যবসাকে আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

তিনি কেবল ব্যবসায়ীই ছিলেন না, ছিলেন একজন দক্ষ পরিচালকও। মুদারাবার ধারণা অনুযায়ী তিনি ব্যবসা করতেন। অর্থাৎ লাভ উভয় পক্ষের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হতো। এই সিস্টেম আজকের দিনেও ব্যবসায়িক জগতে প্রচলিত।

নবুয়তপ্রাপ্তির পরেও তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে গিয়েছিলেন। তবে এবার তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামের প্রচার। তিনি ব্যবসাকে ইসলামের সাথে মিলিয়ে নতুন এক পথ দেখিয়েছিলেন।

আজও যখন আমরা ব্যবসায়িক জগতের জটিলতা আর প্রতিযোগিতার মধ্যে হাবুডুবু খাই, তখন মনে পড়ে যায় মহানবী (সা.) এর সরলতা আর নিষ্ঠার কথা। তিনি শুধু ব্যবসা করেননি, তিনি ব্যবসাকে একটি নৈতিকতা দিয়েছিলেন। তাঁর জীবনকাহিনী আমাদেরকে শিখিয়েছে যে, ব্যবসা কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি উপায়।

তিনি ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী, একজন মহান নেতা এবং সর্বোপর একজন মানবতাবাদী। তাঁর জীবন আমাদের জন্য এক আদর্শ। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরাও সফল ব্যবসায়ী হতে পারি এবং একই সাথে সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করতে পারি।

আমরা সবাই মহানবী (সা.) এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে সফল ব্যবসায়ী হতে পারি এবং একই সাথে সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করতে পারি। আসুন আমরা সবাই মিলে তাঁর আদর্শকে জীবনে বাস্তবায়িত করি।

24/09/2024

আপনার চোখের গড়িয়ে যাওয়া প্রতি ফোঁটা অশ্রু আর রাতের আঁধারে মোনাজাতে বসে বার বার আকুতি মিনতি করে যাওয়া একটা শব্দ ও বিফলে যাবেনা, ওয়াল্লাহি!

আপনার রব আপনার আকুতি ভরা কন্ঠ বার বার শুনতে খুব পছন্দ করেন বলেই তিনি আপনাকে ডাকার সুযোগ করে দিচ্ছেন। আর একটু সময় অপেক্ষা করুন!

আরশে আজীম থেকে উত্তম ফয়সালা আসবেই, আসবে ইংশাআল্লাহ।

18/09/2024

সিজদা!

জিজ্ঞেস করা হলো, সিজদার ক্ষমতা কতটুকু?

জবাবে বলা হলো, "সাড়ে ছয়শ পাখা থাকা সত্ত্বেও জিবরাইল আ. যে দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হননি কখনো; বান্দার এক সিজদা অনায়াসেই সেই দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম!"❤️‍🩹

30/06/2024

🔶 আমি আসলে কোথায় যাচ্ছি❓

কোথায় গিয়ে থামবো? বেতন ১ লাখ টাকা হলে থামবো? কিন্তু আমি তো দেখতেছি যার বেতন ১ লাখ, সেও অস্থির! সেও যেন কোথায় যাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে! সে চায় কী?

৪ লাখ টাকা বেতন পাওয়া লোকটা ঠিক কোন কারণে কলিগের পেছনে লাগে? সে আর কী চায়?

ঢাকায় আমার একটা বাড়ি হলে থামবো? আমি তো ঢাকার বাড়িওয়ালাকেও স্থির দেখি না। সেও ছুটছে আরেকটা বাড়ি করার উদ্দেশ্য‼️

৩ টা বাড়ির মালিক কেন চাচাতো ভাইয়ের জমি দখল করে? সে আর কী চায়?

আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরশাদ করেন,

لَوْ أَنَّ لاِبْنِ آدَمَ وَادِيًا مِنْ ذَهَبٍ أَحَبَّ أَنْ يَكُوْنَ لَهُ وَادِيَانِ، وَلَنْ يَمْلأَ فَاهُ إِلاَّ التُّرَابُ، وَيَتُوْبُ اللهُ عَلَى مَنْ تَابَ-

যদি আদম সন্তানকে এক ময়দান ভর্তি স্ব-র্ণ দেওয়া হয়, তাহলে সে দুই ময়দান ভর্তি স্বর্ণের আকাংখা করবে। আর তার মুখ কখনোই ভরবে না মা-টি ব্যতীত (অর্থাৎ কবরে না যাওয়া পর্যন্ত)। বস্তুতঃ আল্লাহ তওবাকারীর তওবা কবুল করে থাকেন। [বুখারী হা/৬৪৩৯, মুসলিম হা/১০৪৮, মিশকাত হা/৫২৭৩]

[সংগৃহীত]

সময়ের চাহিদা বুঝে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস আইডিয়া! ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছে আমাদের দেশের কম বেশি প্রায় সবারই থাকে। কিন্তু সাধ আর ...
25/05/2024

সময়ের চাহিদা বুঝে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস আইডিয়া!

ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছে আমাদের দেশের কম বেশি প্রায় সবারই থাকে। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় সবার পক্ষে করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। এই ইলিশ মাছ বিক্রেতা সাধ্যের সমন্বয় করতে অভিনবত্ব এনেছেন তার ব্যবসার কৌশলে। মাছ এনেছেন কেটে পরিস্কার করে টুকরো বানিয়ে। যার যে কয় পিস লাগবে কিনে ওজন করে নিতে পারবেন।

সাথে অভিনবত্ব হচ্ছে স্বাদে মাছটি কেমন হাতে নাতে টেস্ট করে নেয়ার ব্যবস্থা আছে! ভাবছেন কাঁচা মাছ আবার টেস্ট করবো কেমনে? না! ছবিতে পাশেই দেখেন কেরোসিনের স্টোভ আছে। তাতে টেস্ট নিয়ে আপত্তি করলে তৎক্ষনাৎ মাছ ভেজে খেয়ে চেক করে নিবেন। কথার সাথে স্বাদে মিললে নিবেন না হলে ফেরত দিয়ে দিবেন।

মজার বিষয় হচ্ছে এক দুজন সত্যিই ভেজে খেয়েছেন, আর তাতেই বিক্রি চড়মে। কারণ সবাই তাদের কাছেই এবার রিভিউ চাচ্ছে -ভাই কেমন টেস্ট? তারাই বলছে দাম অনুযায়ী যথেষ্ট ভালো। ব্যাস মানুষ জন বলছে দেন আমাকে চার টুকরো আমাকে তিন টুকরো। তাকিয়ে দেখি অধিকাংশই মনেহয় পরিবারের সদস্য গুনে গুনে মাছ কিনছেন, যাদের বেশিরভাগ নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। যারা পুরো একটা ইলিশ কিনতে হিমসিম খান অথচ পরিবারে ইলিশ খাওয়াতে মনে মনে খুব চান।

দারুন বিজনেস আইডিয়া। ইচ্ছেমতো কেনার সুযোগ। কাটাকাটি আর পরিস্কার করার ঝামেলা নেই। সরাসরি টেস্ট চেখে দেখার সুযোগ। মন চাইলে এক পিস ভেজে খাওয়ার ইচ্ছে পূরণ।

কোনো পেশাই ছোট নয়, যদি তা হালাল হয়ে থাকে। সুতরাং উপার্জনের ইচ্ছে থাকলে কেবল চাকুরির পিছে না ছুটে হালাল পথে ব্যবসা এবং তার বহুবিধ কৌশল খুঁজে আল্লাহর নামে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। ইনশাআল্লাহ হয়তো সফলতা আপনাকে স্বাগত জানাতে আপনার দুয়ারে অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে।

Collected

12/05/2024

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে দরিদ্রতা থেকে পানাহ চেয়েছেন। তিনি আল্লাহর কাছে দু'আ করেন:

"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কুফর এবং দারিদ্র‍্য থেকে।" [সুনানে আবু দাউদ: ৫০৯০]

পাশাপাশি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে ধনাঢ্যতার জন্যও দু'আ করেন:

"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, চারিত্রিক নিষ্কলুষতা ও ধনাঢ্যতা চাইছি।" [সহীহ মুসলিম: ৬৭৯৭]

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিভিন্ন হাদীস থেকে জানা যায়, তিনি স্বাবলম্বী হতে উৎসাহ দিয়েছেন, মানুষকে দান করতে উৎসাহ দিয়েছেন।

12/04/2024

অসম্ভব বলতে কিছু নেই। আপনার কাছে যেটা অসম্ভব আল্লাহর কাছে সেটা শুধু "কুন" বলে দেওয়া।

তাই কোনোকিছুকে অসম্ভব না ভেবে দো'আ করে যান। আপনার কাছে অসম্ভব মনে হতে পারে কিন্তু সেই সত্তার কাছে তো অসম্ভব বলে কিছু নেই।

শুধুমাত্র একটি "কুন" বলার অপেক্ষায়।

19/02/2024

যেদিন আপনি এটা বুঝে যাবেন অথবা এক্সপেরিয়েন্স করবেন যে...

মৃত্যুর পর সেই মৃত মানুষটাকে জীবিত মানুষগুলা কতো জলদি ভুলে যায়, সেদিন থেকে এই যে মানুষকে ইমপ্রেস করার এতো প্রচেস্টা যা করে বেরান, এগুলা আর কোনটাই করবেন না বা করতে ইচ্ছা করবে না।

বাড়ির ভেতরে লাশ রেখে বাড়ির বাইরে হাসাহাসি করতে দেখেছি বহুবার। জানাজা শেষ করে বিরিয়ানী নিয়ে ঝগড়া করতে দেখেছি!!

আর আমি, আপনি নিজের মনের শান্তি, ঘরের শান্তি, ঈমান সব নস্ট করে দিচ্ছি এই চিন্তা করে

“মানুষ কি বলবে?”

19/02/2024

একজন আলেম প্রতিদিন ৫০০ কেজি আটা দান করতেন। ৫০০ কেজি আটা দিয়ে ৫,০০ মানুষ পেটভরে খেতে পারতো।

একবার আটার দাম বেড়ে গেলো। সবাই ভাবলো এবার তিনি দান করা কমিয়ে দিবেন। ৫০০ কেজির পরিবর্তে হয়তো ৩০০ কেজি দিবেন।

সবাইকে ভুল প্রমাণ করে তিনি প্রতিদিন ১,০০০ কেজি আটা দান করা শুরু করেন!

কারণ, আগে যারা গরীব ছিলো, তারা আটা নেবার জন্য আসতো। আটার দাম বেড়ে যাওয়ায় তো অনেক মধ্যবিত্ত বিপদে পড়বে। কিনতে পারবে না।

দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়া সত্ত্বেও যেই আলেম তাঁর দানের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন, তাঁর নাম আবু উবাইদুল্লাহ আল-ওয়াযীর রাহিমাহুল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ, তাদের দানের পরিমাণ এরকমই ছিল। আর আমরা শুধু গরিবী হালের কথাই শুনে আসছি...

17/02/2024

রিযক কী?

উচ্চ বেতন, ভালো ব্যবসা আর বাড়ি-গাড়িই কি রিযক?

রিযক হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার প্রদত্ত বান্দার উপকারী সব কিছু। সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, ভালো দাম্পত্য বন্ধন, সুসন্তান, ভালো বন্ধু, পিতা-মাতা, উপকারী জ্ঞান, এমনকি ইবাদতের স্পৃহা ও ইবাদত করতে পারাও রিযক।

রিযককে কেবল বেতন বা লাভের অংকে পরিমাপ করা বোকামি।

কাজেই অন্যের বেতনের অংক শুনে হতাশ না হয়ে আল্লাহর দেয়া সমুদয় রিযককে স্মরণ করুন।

খুশিতে বলুন 'আলহামদুলিল্লাহ'।

রিযকের কন্সেপ্ট আত্মস্থ করতে পারলে কোনোরূপ দুনিয়াবি কারণে হতাশ হওয়ার কথা নয়।

বিল গেটসের চেয়ে ছয়গুন ধনী ছিলেন আব্দুর রহমান ইবনে আওফ ( রা:) সাহাবীদের জীবনে শুধু কষ্ট আর কষ্ট, তারা না খেয়ে থাকছেন। তার...
16/02/2024

বিল গেটসের চেয়ে ছয়গুন ধনী ছিলেন আব্দুর রহমান ইবনে আওফ ( রা:)

সাহাবীদের জীবনে শুধু কষ্ট আর কষ্ট, তারা না খেয়ে থাকছেন। তারা অনেক বেশি গরিব ছিলেন, আমরা একের পর এক এগুলোই শুনে আসছিলাম এতদিন।

অথচ সাহাবারা যে কোটিপতি ছিলেন। তারা যে তাদের জীবনে ব্যবসা করে ধনী হয়েছেন, সেগুলো কয়জন জানি। যে আবু হুরায়রা (রা:) সম্পর্কে আমরা গরিব সাহাবী ট্যাগ লাগিয়েছি, তিনি ও যে শেষ বয়সে কোটিপতি ছিলেন, সেটা কি আমরা জানি।

প্রকৃতপক্ষে সাহাবা তাদের প্রত্যেকের জীবনে বিজয়ী ছিলেন, সফল ছিলেন, তারা দুনিয়া ও আখিরাতে সফল ছিলেন। তারা ছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু তারা এই দুনিয়ার সফলতাকে অন্তরে জায়গা দেননি। তাদের হাতে ছিল টাকা পয়সা, অন্তরে ছিলেন শুধুই আল্লাহ।

দুনিয়ার সফলতা, বিলাসিতার প্রতি তারা ফিলিংস রাখেন নি। যারজন্য আমরা তাদের প্রাথমিক জীবনের কিছু করুণ কাহিনী শুনে ধরেই নিয়েছি, তারা কষ্টে ছিলেন, গরিব ছিলেন ইত্যাদি।

বিশ্বের ধনী ব্যাক্তিদের মধ্যে বিলগেটসের সর্বমোট সম্পদের পরিমান ( $১০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার )৷ আর আমাদের প্রিয় কোটিপতি সাহাবা আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রা:) এর সম্পদের পরিমান ছিল ( $৬০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ) -১

অর্থাৎ বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী বিল গেটসের চেয়ে ছয়গুন বেশি ধনী ছিলেন আমাদের ব্যবসায়ী কোটিপতি সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রা:)। সুবহানাল্লাহ

ইসলাম তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে বিজয়ী করেছে। তারা দুনিয়া ও আখিরাতে ছিলেন সফলকাম। পরিপূর্ণ মুমিনরা বিজয়ী হবেই হবে সেটা কোর'আনে আল্লাহ আমাদের সাথে ওয়াদাই করেছেন।
~ সূরা আল ইমরান, আয়াত - ১৩৯

আর আজ আমরা ইসলামের ভূল ব্যাখা করে মানুষকে ভুলভাবেই ইসলাম উপস্থাপন করছি। এতে মানুষরা দুনিয়ায় বিজয়ী হতে ইসলাম মানা বাদ দিয়ে তারা তাদের নিজস্ব সিস্টেম বানিয়েছে পৃথিবীতে কোটিপতি হতে।

অথচ প্রকৃতপক্ষে ইসলাম পরিপূর্ণ মানলে একজন মানুষের জীবনে প্রকৃত সুখ শান্তি অবধারিত। দুনিয়া ও আখিরাতে বিজয় সুনিশ্চিত।

আজ ও বর্তমান সময়ে যারা এই যুগেও পরিপূর্ণ ইসলাম মেনে জীবনযাপন করছেন, আপনি তাদের জীবনের চলাফেরা দেখুন, তারা কত সুন্দর উন্নত জীবনযাপন করতেছেন। তাদের জীবনে দুশ্চিন্তা বলতে কোনো শব্দই আপনি খুজে পাবেন না।

সালাফদের অনুসরণ করে পরিপূর্ণ ইসলাম মেনেই যদি পৃথিবীতে প্রশান্তিময় জীবন পরিচালনা করা যায়, তাহলে সাহাবারা কিরকম প্রশান্তিময় ছিলেন পৃথিবীতে কল্পনা করুন।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন ❤️

তথ্যসূত্র কমেন্ট চেক করুন।

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uddokta Madrasah / উদ্যোক্তা মাদরাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Uddokta Madrasah / উদ্যোক্তা মাদরাসা:

Shortcuts

Share

Category