23/02/2024
কম্পিউটারর ভাষা সেটিং করাত গেলে এড ভাষাত সেলিটি ভাষা স্বতন্ত্র হিসাবে ফাইবা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zakariyya Bakor, Tutor/Teacher, Sheliya Bazar, Beanibazar, Sylhet.
23/02/2024
কম্পিউটারর ভাষা সেটিং করাত গেলে এড ভাষাত সেলিটি ভাষা স্বতন্ত্র হিসাবে ফাইবা
22/01/2024
আজ থেকে বিকাশ বয়কট করলাম।
আপনিও শুরু করুন।
টাকা থাকলে ক্যাশ আউট করে ফেলুন।
অন্য কোম্পানি ইউজ করুন।
#বয়কটবিকাশ
22/01/2024
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুদ ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে BRAC এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
ট্রান্সজেন্ডার ইত্যাদি প্রমোট করার ক্ষেত্রে BRAC University এর ভূমিকাও আমাদের জানা। তাই এসব এড়িয়ে চলুন।
আমরা নিজ নিজ জায়গা থেকে এই হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করানোর চেষ্টা করি।
দুই মুফতী দুই রকম বলেন, #কোনটি_মানবো ?
এ বিষয়ে মুফতী শফী রহ.-এর একটি কথা বড় সুন্দর। যা মূলতঃ কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সারনির্যাস।
তাঁকে একবার কেউ জিজ্ঞেস করেছিল,
হযরত! বিভিন্ন মাসআলায় দুই মুফতী দুই রকম বলেন। এখন আমরা কোন পথে যাবো? কোনটার ওপর আমল করবো?
#জবাবে তিনি বলেছিলেন,
"তুমি খুঁজো তোমার আখিরাত বাঁচবে কোনটায়; যেটায় তোমার আখেরাত তুমি সেটাই গ্রহণ করো।"
- সংগৃহীত
দেশের সর্বস্থরের উলামায়ে কেরামের দীর্ঘদিনের আশা আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি জাতীয় ফতোয়া বোর্ড গঠন। যার নেতৃত্বে নতুন সৃষ্ট সকল মাসআলার সমাধান দেয়া হবে। আল হামদুলিল্লাহ আল-হ্যাইয়্যাতুল উলয়ার নেতৃত্বে সম্প্রতি গঠিত হয়েছে "জাতীয় ফতোয়া বোর্ড"। সদর হিসাবে থাকবেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেব দা.বা. এবং সদস্য সচীব হিসাবে আছেন মুফতি আব্দুল মালিক সাহেব দা. বা. আমাদের সিলেটের শিক্ষাবোর্ড "আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তা'লীম বাংলাদেশের" প্রতিনিধি হিসাবে মুফতী মুজীবুর রহমান দা. বা. কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, আল হামদুলিল্লাহ।
আগামীকাল ১৩ জানুয়ারী '২৪ঈ শনিবার উক্ত "জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের" প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে" এতে টান্সজেন্ডার ফিতনা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
আল্লাহ তায়ালা এই বোর্ডকে কবুল করুক।
প্রিয় মুশতাক এসে বলল, হুজুর জামিআতুল উলূম আশ-শারইয়্যাহ এবং তার উস্তাদদের জন্য অটোমেটিক মন থেকে দোয়া আসে। আলহামদুলিল্লাহ জামিআ শরিয়্যাহর উস্তদদের মেহনতের ফলে আজ আমি কিতাব অনেক সহজে বুঝতে পারি, আরবী কিতাব মুতালায়া করতে আমার বেগ পেতে হয়না। ক্লাসের মেধাবী ছাত্ররা আমার সাথে তাকরার করতে আগ্রহী, তারা আমার কাছে অনেক সময় সবক বুঝতে আসে। আমাদের ক্লাসে ৩ গ্রুপে তাকরার হয়, এক গ্রুপে আমি একা তাকরার করি, আমার গ্রুপে ২০ জন ছাত্র। আর অন্য দুই গ্রুপে ২০ জন। তারা আগামী বৎসর জামিআ শাওরিয়্যাহ-এ ভর্তি হতে আগ্রহী।
বলছিলাম আমাদের ছাত্র মুশতাকের কথা এখন সে জামিয়া দরগাহে পড়ে। আমাদের জামিআয় আদবসহ কিতাব বিভাগে শরহে জামি জামাত পর্যন্ত পড়েছে। স্নেহের মুশতাককে আল্লাহ তাআলা কবুল করুন।
ইকবাল হাসান জাহিদ ভাইর সুন্দর বিশ্লেষণ।
সিলেটের ফুলতলী পীর রহ. এর ছোট ছেলে মাওলানা হুসাম উদ্দিন কেন তাঁর পিতার "মানা" সত্বেও নির্বাচনে গেলেন?
ফুলতলি রহ. এর ছোট ছেলে মাওলানা হুসাম উদ্দিন সিলেটের জকিগঞ্জ-কানাইঘাট থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিশেবে নির্বাচন করছেন এবং মানুষের কাছে তিনি দ্বীন ইসলামের খেদমতের কথা বলে ভোট চাইছেন।
তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলছেন, ইসলামের স্বার্থে, দ্বীনের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে আমাকে নির্বাচিত করুন। ইজ্জত সম্মান নিয়ে যেন এই নির্বাচনে বিজয় লাভ করি।
তিনি বিভিন্ন জায়গায় এ-ও বলছেন, দ্বীনের স্বার্থে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সকল দলের, সকল মসলকের ওলামায়ে কেরাম আমার সাথে আছেন। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন।
তাঁর অনুসারীরা ভোট চাইতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বলছেন, আমাদের ছোট সাহেব কিবলা পাঠ্যপুস্তকের আপত্তিকর অংশ পরিবর্তনে বিশাল ভূমিকা রেখেছেন, এখন সংসদে গিয়ে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আরও ভূমিকা রাখনবেন, এজন্যে তাঁকে সংসদে পাঠান। ব্লা ব্লা...
কিন্তু মাওলানা হুসাম উদ্দিন এবারের নির্বাচনের আগে কি দর্শন লালন করতেন, নির্বাচন নিয়ে তাঁর কি মত ছিলো এই নিয়ে তাঁর কিছু বক্তব্য তুলে ধরব!
অনলাইনে আমরা মাওলানা হুসাম উদ্দিনের একটা ভিডিও পেয়েছি। তিনি নির্বাচন নিয়ে তাঁর শ্রদ্ধেয় পিতা পীরে কামেল আব্দুল লতিফ ফুলতলি রহ এর কিছু নির্দেশ বিভিন্ন মাহফিলে জনসাধারণের মাঝে বয়ান করে থাকেন। এমনই এক বক্তব্যে তিনি কি বলেছেন,ভিডিওর লিংক কমেন্ট বক্সে দেব।
তিনি ভিডিওটিতে বলেছেন-
"আমরার লাগি এমপির টিকেটতো সবচে বড় মে'রাজ! নামাজ, রোজা বন্দেগী, জান্নাত চাই না, মাগার এমপির টিকেট চাই!
আমারে ডাকিয়া নিয়া প্রধান মন্ত্রীয়ে এমপির টিকেট দিছলা, আমি কইলাম, আমি মাফ চাইরাম, আমি পারতাম নায়, প্রধানমন্ত্রীয়ে কইলা কেনে? বুলে আমার বাবায় মানা করছইন। সাইয়িদিনা আলি রা. তান বেটা অকলোরে কইয়া গেছইন, যখন দ্বীন আর দুনিয়ার মাঝে অপশন আইবো, লাড়াই আইবো, তখন তুমি দ্বীন কবুল করিও দুনিয়ারে ছাড়িদিও!
তখন আমারে প্রধানমন্ত্রীয়ে জিকাইলা যে ইটার মাধ্যে দ্বীন দুনিয়া আছেনি? আমি কইলাম, জি আছে! আমারে কইলা যে, শতকরা ৯৯জন নেয়ার জন্যে পাগল আর আপনারে দিতে চাই, আপনি নিতে চান না! আমি কইলাম, এইটাইতো কারণ, আমি ফুলতলি ছাবর ছেলে! যাইহোক আমার কথাটা শেষ করিলাই। দুনিয়াত এমপির টিকেট আরাইলাইছি, দুনিয়ার সব কিছু আরাইলেও তুমি কামিয়াব।"
এই ছিলো মাওলানা হুসাম উদ্দিনের এবারের নির্বাচনে যাওয়ার আগের বক্তব্য। এত্ত স্বচ্ছ ও ক্লিয়ার বক্তব্যের পরেও তিনি নির্বাচনে গেছেন। কি এমন আলাদিনের চেরাগ রয়েছে এবারের নির্বাচনে?
এত স্পষ্ট বক্তব্যের পরেও তিনি নির্বাচনে যাওয়ার ফলে জনসাধারণের মনে জেগেছে কিছু প্রশ্ন।
প্রশ্নগুলো কি?
১- পীর সাহেবের ছেলে কেন তাঁর পিতা সাহেব কিবলার "মানা সত্বেও নির্বাচনে এলেন?
২- তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলছেন "সব ঘরানার আলেম ওলামা আমার সাথে আছেন, আমি-আমরা অতীতে তাদের সাথে ছিলাম।" আসলেই কি তিনি বা তারা অতীতে কারও সাথে ছিলেন? ১৯৯৬, ২০০১, কিংবা ২০১৮ সালের কোনো নির্বাচনে কি তারা অন্যান্য আলেম প্রার্থীকে সাপোর্ট করেছিলেন?
৩- এই সরকারের আমলে তিনি সংসদে গেলে ইসলামের কোন স্বার্থ উদ্ধার করতে পারবেন?
৪- এখন পর্যন্ত তাঁর মাসলাক বা তাঁর দলের সকল তাঁর সাথে ঐক্যমত্যে পৌছাতে পারেননি, এমনকি সাহেব কিবলার অন্যান্য ছেলেরাও তাঁর এই সিদ্ধান্তের উপর সন্তুষ্ট নয়" এমন খবর শোনা যাচ্ছে। এটা কি আসলেই সত্য?
৫- তিনি কি মাওলানা শাহীনূর পাশার বক্তব্যের মতো "কোনো অদৃশ্য চাপে" স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, যা প্রকাশ্যে বলতে পারছেন না।
৬- এই নির্বাচনে ফেইল করলে তাঁর-তাঁদের পারিবারিক ঐতিহ্যে, সম্মানে বা প্রভাব প্রতিপত্তিতে কোনো প্রভাব পড়বে কি?
উত্তর -১ তিনি স্পষ্ট বলেছেন, তাঁর পিতা তাঁকে বহু বছর আগে মানা করে গেছেন, ফলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এমপির টিকিট অর্থাৎ শিওর এমপি হওয়ার ইংগিত দেয়ার পরও তাঁর একমাত্র পরহেজগারী তাঁকে সংসদে যাওয়া থেকে বিরত রেখেছে। এ যেন এক জীবন্ত সাহাবীর প্রতিচ্ছবি। দুনিয়ার মেরাজ হাতে টিকিট পেয়েও তিনি রাজি হননি। এবং তিনি গর্ব করে বলেছেন এইনা হলো ফুলতলী সাহেব কিবলার ছেলে।
কিন্তু এখন তিনি কোন জান্নাতের টিকিট কিনতে তাঁর বাবার মানা সত্ত্বেও দুনিয়ার মেরাজের উদ্দেশ্যে বালাই হাওর থেকে বায়তুল সংসদে যাত্রা শুরু করছেন? জাতি তার হারানো সেই তাক্বওয়ার বর্তমান অবস্থা জানতে চায়।
আরও জানতে চায় তারা, প্রধানমন্ত্রী যখন নিজ থেকে এমপির টিকিট দিয়েছিলেন, তখন তিনি বলেছিলেন আমি দুনিয়া চাই না, এখন যদি প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করেন, কেয়া বাত হ্যা মৌলভী, আপকা আখেরাত কাহা? কাহা আপকা তাকওয়া? এই কিছুদিনের ভেতরেই কি সব তাকওয়া ফিনিশ? এই প্রশ্ন রইল ছোট ছাহেবের কাছে।
উত্তর-২ তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলছেন, সব ঘরানার ও মসলকের আলেমরা তঁর সাথে। এটা অসত্য। তিনি আরও বলছেন, অতীতে আমি অন্য মাসলাকের ওলামায়ে কেরামের সাথে ছিলাম, এবার তারা আমার সাথে থাকবেন!
এই কথাও মিথ্যা। ১৯৯৬ সালে যখন খেলাফত মজলিসের মাওলানা উবায়দুল হক সাহেব নির্বাচনে দাড়ান তখন তারা দাড় করিয়েছেন, ইসামতির মাওলানা হাবিবুর রহমানকে। তারা কেউই উবায়দুল হক সাহেব রহ.র সাথে ছিলেন না।
২০০১ এ যখন কানাইঘাট থেকে মাওলানা ফরিদ উদ্দিন নির্বাচন করেন, তখনো তারা সরাসরি চার দলীয় জোটের বিপক্ষে গিয়ে আওয়ামীলীগের পক্ষে কাজে ছিলেন।
২০১৮ এ যখন কানাইঘাট থেকে জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক নির্বাচনে দাড়ান তখন বৃহত্তর সিলেটের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম (মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি, মাওলানা আব্দুশ শহীদ রহ.সহ অনেক ওলামায়ে কেরাম,ছবি কমেন্টে)তাঁর বাড়িতে গিয়ে সাহায্য চান, তিনি বা তারা বাজারি আশ্বাস দিয়ে পরের দিনই আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাফিজ মজুমদারের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে তাকে সমর্থন করেন।
তিনি বলেন, "আমরা বৃহত্তর সিলেটে মহাজোটের প্রার্থীদের সাথে আছি। জকিগঞ্জ কানাইঘাটে আমরা মহাজোটের প্রার্থী হাফিজ আহমদ মজুমদারকে সাপোর্ট করেছি। এজন্যেই করেছি যে তিনি সৎ এবং যোগ্য প্রার্থী।
তাঁর এই সিদ্ধান্ত ও সমর্থনে সামান্য ভোটের জন্যে পরাজিত হন কানাইঘাট তথা বৃহত্তর সিলেটের অন্যতম আলেম শাইখুল হাদীস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক।
এরপরও হুসাম উদ্দিন নির্বাচনের বিভিন্ন সভায় বলছেন তারা নাকি আলেমদের সাথে ছিলেন।
উত্তর-৩ এই সরকারের আমলে তিনি ইসলামের স্বার্থ উদ্ধারের কথা বলছেন। কিন্তু তাঁর কি এই সাধারণ জ্ঞান নেই যে, সংসদে বিল পাশ করতে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি লাগে। আর সংসদের বাইরে প্রভাব কাটাতে হলে সেই প্রভাব তো এখনই আছে। এটাকেও কেন নষ্ট করতে মাঠে নাম্লেন।
উত্তর-৪ তিনি এ কেমন সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তাঁর দলের নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত তার এই সিদ্ধান্তকে অন্তর থেকে সাধুবাদ জানাতে পারছেন না, কেন তার ভাইয়েরা এখনও এই ব্যাপারে নাখোশ? আমাকে সিলেটের আল ইসলাহর এক নেতা ফোন করে জানালেন ভাই আমরা বড়ই লজ্জিত। তামাশার নির্বাচনে আমাদের নেতা। কিছুই বলার নেই। শুধুই লজ্জা।
উত্তর-৫ তার উপর নির্বাচন করার জন্যে সরকারি চাপ থাকার কোনো সম্ভাবনাই নেই। যা তাঁর অনেক ভক্তবৃন্দ বলতে চাইছেন। কারণ এখানে আওয়ামী পার্থী ছাড়াও হেভিওয়েট প্রার্থী ড. আহমদ আল কবির আছেন। যিনি ইতিমধ্যে পাশ করার মতো মাঠ তৈরি করেছেন বলে অনেকেই মনে করছেন।
উত্তর-৬ মাওলানা হুসাম উদ্দিন ফেইল করলে তার প্রতি ফুলতলী মাসলাকের প্রচুর মানুষের ধারণা পাল্টে যাবে। পাশাপাশি তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তাদের প্রভাব প্রতিপত্তির যে কাহিনী মানুষের মুখে মুখে শোনা যেত তাও ফিনিশ হয়ে যাবে।
মাওলানা হুসাম উদ্দিন এখন মেরাজের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন বালাই হাওর থেকে বায়তুল সংসদের দিকে।
আল্লামা আব্দুল লতিফ পীর সাহেব কিবলার ছেলেকে আল্লাহ রহম করুন। তার বাবার "মানা করা" অসিওতের ব্যাপারে তাকে আরও সতর্ক থাকার তাওফিক দিন...
04/12/2023