Science বিজ্ঞান

Science বিজ্ঞান

Share

আসুন আমরা অজানাকে জানি রহস্য উন্মোচন করি�

03/12/2025

লেখক : Sharafat Hossain

মন ভা‌লো রাখার টিপস

⛵ এই সাত‌টি টিপস আপনার মন‌কে ভা‌লো রাখ‌তে সাহায্য কর‌বে
✒️ ১. যে‌হেতু শরীর ও মন একে অপ‌রের প‌রিপূরক সুতরাং মন ভা‌লো রাখ‌তে হ‌লে অবশ্যই আপনা‌কে শরী‌রের প্র‌তি যত্নবান হ‌তে হ‌বে । নিয়‌মিত শরীরচর্চা করুন এবং পু‌ষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন ।
✒️ ২. প‌রিষ্কার প‌রিচ্ছন্ন থাকুন । কারণ নোংরা বা দুগন্ধ আপনার মন‌কে ভা‌লো রাখ‌তে বাধা দেয় । তাই আপনার প‌রি‌ধিত ছেঁড়া জামাটিও যেন নোংরা না থা‌কে ।আপনার শরীর যেন সব সময় প‌রিচ্ছন্ন থা‌কে ।
✒️ ৩. আপ‌নি য‌দি স‌ত্যিই মন‌কে ভা‌লো রাখ‌তে চান ত‌বে এক‌টি অভ্যাস করুন , তা হ‌লো কখ‌নোই পুরা‌নো ভুল‌কে টে‌নে এনে আফ‌সোস কর‌বেন না । কো‌নো দুর্ঘটনার ঘ‌টে গে‌লে তার সমধান খুঁজুন বর্তমান থে‌কে , অর্থাৎ যে অবস্থা‌নে আপ‌নি এখন আছেন সেই অবস্থান থে‌কে কীভা‌বে স‌র্বোচ্চ ভা‌লোটা কর‌া যায় । সহজ ভা‌বে বল‌তে গে‌লে , আপ‌নি হয়‌তো কো‌নো একটা বড় ভু‌লের জন্য ভাব‌তে শুরু কর‌লেন যে আপনার সব কিছু শেষ হ‌য়ে গি‌য়ে‌ছে । অতী‌তে ঐ কাজ‌টি না কর‌লে ভুল‌টি হ‌তো না ... । এটা না ভে‌বে এমনটা ভাবুন যে আপ‌নি এখনও বেঁ‌চে আছেন , সুতরাং যতক্ষণ বেঁ‌চে আছেন ততক্ষণ কিছুই শেষ হয়‌নি । এখন কী করা যায় , কীভা‌বে সব‌চে‌য়ে ভা‌লোটা করা যায় বা আগের সু‌যোগটা শেষ হ‌য়ে গে‌লে কীভা‌বে ভিন্ন ‌কিছু করা যায় তা ভাবুন ।
✒️ ৪. প্রকৃ‌তি‌কে উপ‌ভোগ কর‌তে শিখুন । কখ‌নো কি এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা খে‌তে খে‌তে জানালা দি‌য়ে বাই‌রের প‌রি‌বেশটা দে‌খে‌ছেন ? নীল আকা‌শে এক‌টি পা‌খির উড়ে চলা গভীরভা‌বে পর্য‌বেক্ষণ ক‌রে‌ছেন ? কিংবা বৃ‌ষ্টির দি‌নে টিপ‌টিপ বৃ‌ষ্টি আর অল্প ঠান্ডা আবহাওয়ায় নি‌জের অজা‌ন্তেই কো‌নো ক‌বিতার লাইন রচনা ক‌রে‌ছেন ? আপ‌নি য‌দি আপনার দৃ‌ষ্টি‌কে এমনভা‌বে প্রসা‌রিত কর‌তে পারেন , ত‌বে আপনার মন ভা‌লো থাক‌তে বাধ্য হ‌বে ।
✒️ ৫. স্ব‌ল্পে তুষ্ট থাকুন । আপ‌নি য‌দি প‌রিশ্রমী হন ত‌বে ভা‌লো থাকার ম‌তো টাকা আপনি অবশ্যই উপার্জন কর‌তে পার‌বেন , ত‌বে লোভ প‌রিহার করুন ।
✒️ ৬. স্রষ্টার প্র‌তি বিশ্বাস দৃঢ় করুন । কো‌নো অবস্থা‌তেই নামায (মুস‌লিম হ‌লে) ত্যাগ কর‌বেন না । এতে আপ‌নি জীব‌নের প্র‌তিক্ষে‌ত্রে স্রষ্টার সাহায্য অনুভব কর‌তে পার‌বেন , স্রষ্টা‌কে অনুভব করতে পার‌বেন । আর আপনার ম‌নে এমন একটা অনুভূ‌তি কাজ কর‌বে তা সব কিছু হারা‌নোর ভয় থে‌কে আপনা‌কে দূ‌রে রাখবে ।
✒️ ৭. মন ভা‌লো রাখ‌তে সব‌চে‌য়ে বে‌শি প্র‌য়োজন যে‌টি তা হ‌লো সততা । সততা গু‌ণের অধিকারী হ‌লে আপনার জীবন থে‌কে সকল হতাশা দূ‌রে পালা‌বে । পাশাপা‌শি আপ‌নি হ‌বেন সাহসী এবং আত্ম বিশ্বাসী ।

24/11/2025

নাস্তিকরা কোনো ধর্মকে পছন্দ করে না কিন্তু বাউলদের খুব পছন্দ করো।
আহমেদ শরিফ নাস্তিকদের গুরু বাউলদের নিয়ে বিরাট একখানা বই লিখেছে বিরাট ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও করেছে এবং তাদের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে শুধু তাই নয় বাংলাদেশের যারা নাস্তিক, সেকুলার ফেমিনিজম এরা সব সময় বাউলদের প্রোমোট করে।
লালন আখরায় শত শত মানুষ প্রকাশ্যে গাঁজা খাইতেছে।
আর এগুলো প্রথম সারির সব মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করে বলবে এখানে ওরশ হচ্ছে ওরশ হচ্ছে।
এই মাতৃভূমিতে আলেমরা লক্ষ লক্ষ মানুষকে নিয়ে মাহফিল করবে সেটা কোনো টেলিভিশনের পর্দায় জায়গা পাবে না।
বি়ভিন্ন পর্যায়ে দেশের ক্রান্তি লগ্নে আলেম ওলামা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে মানুষের পাশে দাড়াবে সেটা কোনো জায়গা নিউজ হবে না।
আলেম ওলামা বিভিন্ন আন্দোলনে জীবন দিবে সেটার কোনো কদর থাকবে না।

এরা ক্রমাগতভাবে আমার আপনার রবকে এবং প্রিয় হাবিবকে নিয়ে মকারিং করবে, অবমাননা করবে, কটুক্তি করবে।
কিন্তু আপনি কিছু বলতে পারবেন না। যদি সোস্যাল মিডিয়া কিছু লিখেন তাহলে শাহাবাগের দাউদ হায়দার, আহমেদ শরিফ, আসাদ নূর এবং তাসলিমা নাসরিনের বংশধরেরা বলবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর জন্য উস্কানি দিচ্ছে।
নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ভঙ্গুর রাষ্ট্র ব্যবস্থা কোনো সমাধান দিবে না। যখন তৌহিদি জনতার বাঁধ ভেঙ্গে যাবে তখন তারা নাস্তিকদের শায়েস্তা করার জন্য রাস্তায় নামবে। তখন দেখবেন একসাথে সবার চেতনা জাগ্রত হবে তৌহিদি জনতার বিরুদ্ধে।
তখন এরা মক্কা বিজয়ের পরে প্রিয় হাবিবের ভাষন সামনে নিয়ে আসবে।
কেউ কেউ আবার কিছু হাদিসও পেশ করবে কিন্তু তারা কখনই বলবে না নাস্তিকদের বিরুদ্ধে প্রিয় হাবিবের ম্যান্ডেট কি ছিল

21/11/2025

ব্রিটিশরা আমাদের প্রায় ২০০ বছর ধরে শাসন করেছিল,
লন্ডনে এসে প্রমাণ পেলাম।
আমাদের ভিসা দিয়ে আনলো,
৫ বছর পরে ILR(Indefinite Leave to Remain) citizenship পাবো ।
৩-৪ বছর কামলা কাটিয়ে,ট্যাক্স নিয়ে,
এখন বলে ১০,১৫,২০ বছর।।
এই ১০,১৫,২০ বছর থাকতে গেলে visa extension করার সময় আবার দালাল কে ৩৫-৪০ লাখ দিতে হয় প্রতিবার।
মানে যা ইনকাম করলায় দালাল রে দেও,ভিসা ফি দেও,
ট্যাক্স দেও।।। ৩-৪ বছরে অলরেডি অনেক পরিবার ৭০-৮০ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছে, কারো আরও বেশি হবে,শুধু ILR আশায়।
দেশের মানুষেরা অনেকেই মনে করেন, ইতায় কিতা করইন,খালি কইন টাকা নাই । টাকা পাবে কিভাবে সব দালাল আর ব্রিটিশ সরকার কে দিয়ে জান নিয়ে মানুষ আছে।saving নাই,future নাই। 👏👏👏
দালাল আর ব্রিটিশ সরকার নতুন আসা মানুষদের রক্ত চুষে খাওয়ার বাকি রইছে। । ।

তারপর ও সবাই ইন শা আল্লাহ সফল হবেন। একটু সময় লাগবে হয়তো।। ২০১১ এ তে যারা এসেছিলেন, তারা এখন যেভাবে সফল আছেন।। হোক ব্রিটেন অথবা ইউরোপের যেকোনো দেশ।

02/11/2025

অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দেওয়ার সবচেয়ে বড় উপায় হলো আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখা।
যখন কেউ আল্লাহর উপর ভরসা করে, তখন তার মন শান্ত হয়ে যায় ।এতে মন ভালো থাকে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

অতিরিক্ত চিন্তা করলে মন থেকে শান্তি চলে যায়, দুশ্চিন্তা বাড়ে, আর শয়তান খারাপ ভাবনা ঢুকিয়ে দেয় মনের ভিতর।আল্লাহর উপর ভরসা করলে আপনার অতিরিক্ত চিন্তা অনেকটাই কমে যাবে, এমনকি পুরোপুরি চলে যেতে পারে ইন শা আল্লাহ।
আপনি শুধু আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন, তারপর

আল্লাহকে বলুন -
হে আল্লাহ! আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী যতটুকু পারি সব করেছি, আমি বিশ্বাস করি আমার জন্য যা ভালো তাই আপনি আমাকে দিবেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেন -
আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন। কার্যনির্বাহীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট।[৩৩:৩]

25/10/2025

ঘড়ি পিছিয়ে ঘুমের বাড়তি সময় — এক শতাব্দী আগে শুরু হওয়া ঐতিহ্য বজায় রাখছে ব্রিটেন

রবিবার ভোর ২টায় যুক্তরাজ্যে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে—অর্থাৎ দেশটি ফিরবে গ্রিনিচ মান সময়ে (GMT)। অনেকের জন্য এটি মানে ঘুমানোর বাড়তি এক ঘণ্টা, কিন্তু অন্যদের জন্য এটি ঘুমের ছন্দ বা সার্কাডিয়ান রিদমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে, যা ঠিক হতে সপ্তাহও লেগে যায়।

“ডেলাইট সেভিং” ধারণার জনক ছিলেন কেন্টের ধনী নির্মাতা উইলিয়াম উইলেট। ১৯০৭ সালে এক গ্রীষ্মের সকালে ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়ে তিনি দেখেন, মানুষ পর্দা টেনে ঘুমিয়ে আছে, অথচ বাইরে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়েছে। তখনই তাঁর মাথায় আসে, যদি গ্রীষ্মে ঘড়ি এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে মানুষ দিনের আলোয় বেশি সময় কাটাতে পারবে।

তিনি তাঁর ধারণা ব্যাখ্যা করে “দ্য ওয়েস্ট অব ডেলাইট” নামে একটি পুস্তিকা লেখেন। এতে তিনি বলেন, সূর্যোদয়ের সময় এগিয়ে আনলে মানুষ বেশি সময় আলোয় কাজ করতে পারবে, বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। তাঁর ভাবনায় সমর্থন দেন ডেভিড লয়েড জর্জ, উইনস্টন চার্চিল ও আর্থার কোনান ডয়েলসহ অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি।

যদিও প্রস্তাবটি প্রথমে গ্রহণ করা হয়নি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জ্বালানি সাশ্রয় ও উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনে ১৯১৬ সালে জার্মানি প্রথম এটি চালু করে, এবং কয়েক সপ্তাহ পর ব্রিটেনও তা অনুসরণ করে। দুর্ভাগ্যবশত, উইলেট ১৯১৫ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জায় মারা যান, ফলে তিনি নিজের ধারণার বাস্তবায়ন দেখতে পাননি।

গ্রিনিচ রয়্যাল অবজারভেটরির সময়কিউরেটর ড. এমিলি অ্যাকারম্যানস জানান, বসন্তে যখন ঘড়ি এগিয়ে দেওয়া হয়, তখন মানুষ মনে করে এক ঘণ্টা ঘুম কমে গেছে; আর শরতে ঘড়ি পিছিয়ে দিলে মনে হয় এক ঘণ্টা ঘুম বাড়ল। বাস্তবে কেউ সময় হারায় না বা পায়ও না—বরং শুধু দিনের আলোর পরিমাণ বদলে যায়। গ্রীষ্মে যেখানে ১৬ ঘণ্টা সূর্যের আলো থাকে, শীতে তা নেমে আসে ৮ ঘণ্টায়। তাই বছরের বিভিন্ন সময় আলোর সর্বোত্তম ব্যবহার করতেই ঘড়ির এই পরিবর্তন।

তাঁর মতে, বসন্তের সময় পরিবর্তন শরতের তুলনায় মানুষের শরীরঘড়িতে বেশি প্রভাব ফেলে—কারও ক্ষেত্রে এটি দ্রুত মানিয়ে যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে ঘুমের ছন্দ ঠিক হতে বেশ কয়েক সপ্তাহ লাগে।

06/10/2025

ভাইরে ভাই..এমন ঘটনা ঘটানোও সম্ভব..সিনেমার ঘটনাও ফেল..
যাস্ট অবিশ্বাস‍্য..
ঘটনা মানিকগঞ্জ শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে..

সেখানের..অভিজুয়েলার্সে-র মালিক শুভর দোকানে গতকাল রাত ১১টার দিকে ডা-কা-তি হয়..মোটর সাইকেল যোগে ৬জন ডা-কা-ত এসে স্বর্ণের দোকান লু-টপাট করে..এসময় মালিক শুভর পিঠে ধা-রা-লো অ-স্ত্র দিয়ে বেশ কয়েতটি আ-ঘা-ত করে..

ডা-কা-ত দল চলে যাবার পর আশেপাশের মানুষ ছুটে এসে মালিক শুভকে হাসপাতালে পাঠায় ও পুলিশে ফোন দেয়..

ঘটনা এখানে শে-ষ হলে হতে পারতো..কিন্তু মুল ঘটনা অন‍্য জায়গায়..

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসি ক‍্যামেরার ফুটেজ দেখে অপারোশনে নামে..এবং কয়েকঘন্টার মধ‍্যে আসামীদের ধরে ফেলে..আসামীদের মধ‍্যে রয়েছে আমান..মিলন..শরিফ..নয়ন ও সোহাগ..

ওদিকে আহত শুভর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে ঢাকা পাঠানো হয়..
শহরে উত্তেজনা বাড়তে থাকে..
পুলিশ আসামীদের ধরে থানায় নিয়ে এসে উত্তম মাধ‍্যম দিলে ঘটনার মোড় অন‍্যদিকে চলে যায়..

আসামীরা যা বলে তা আপনি হয়তো আগে কোনদিন শুনেন নি
আসামীরা জানায়..তারা কোন ডা-কা-ত নয়..তাদের দিয়ে নাটক করিয়েছে স্বয়ং শুভ..অর্থাৎ ঐ দোকানের মালিক..

এবং এই ঘটনা ঘটানোর জন‍্য তাদের নগদ পাঁচ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে..
এবং..ঘটনার সত‍্যতা প্রমাণ করার জন‍্যই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শুভর পিঠে ছু-রি মা-রা হয়েছে..

অর্থাৎ..পুরো ঘটনা পরিকল্পনা অনুযায়ী পারফেক্টলি শে-ষ করেছে..
এবার প্রশ্ন হল..শুভ এমন কাজ করতে গেল কেন..
এটা শুনলে মানুষের উপর থেকে আপনার বিশ্বাস উঠে যাবে..

বিষয়টি হচ্ছে..শুভর দোকান বেশ বড় দোকান..তার দোকানে অনেক স্বর্ণ জমা থাকে..অনেকে গহনা বানানোর জন‍্যও অনেক স্বর্ণ জমা রাখে..সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে তার দোকানে ৩৯ ভরি ৭ আনা সোনা জমা ছিল..

শুভর টার্গেট ছিল..দোকানে ভয়াবহ ডা-কা-তি হয়ে সব লুটপাট করে নিয়ে গেছে খবর ছড়িয়ে সকলের আমানত রাখা স্বর্ণ আত্মসাত করা..

এবার চিন্তা করেন..একজন প্রতিষ্ঠিত স্বর্ণ ব‍্যবসায়ী যদি এমনটা করে তাহলে বিশ্বাস করবেন কাকে..
পুলিশ সম্পূর্ন স্বর্ণ উদ্ধার করেছে..

মানুষের সচেতনতার জন‍্য পোস্টটি শে-য়া-র করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন..

ছবি..কিছুক্ষণ আগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সমস্ত ঘটনার বিবরণ জানান 🙂

06/10/2025

আবার স্বর্ণে ফিরে আসি। আজ দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে। শুনলাম স্বর্ণের দোকানে প্রচন্ড ভিড়। দাম বাড়তেই থাকবে বলে হুড়োহুড়ি কিনছে সবাই। জানেন তো স্বর্ণের উপর পাইপাই করে যাকাত দিতে হয়। কিনলেন, কিনে দিলেন, প্রতি বছর যাকাত দেবে তো!! যাকাত দেয়ার ক্ষমতা আছে তো!! স্বর্ণের কিন্তু আয় নেই, যাকাত আপনাকে দিতেই হবে। মূল্য ধরে লাখে আড়াই হাজার।

স্বর্ণের যাকাত নিয়ে এক সত্য ঘটনা বলে শেষ করছি। মেয়ের বিয়েতে তার বাপ মা স্বর্ণ উপহার দিয়েছে প্রায় একশত ভরি। এটা অনেক আগের কথা। পরের পছর যাকাত দিতে হবে। মেয়ে তার সব স্বর্ণ মায়ের কাছে গচ্ছিত রেখে আসলো।

মেয়ে এক পয়সাও যাকাত দেয়নি। মেয়েকে কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলল, সোনা তো সব মায়ের কাছে। আমার কাছে এক রতি সোনাও নেই। তাই যাকাত দেইনি।

মেয়ের মাকে জিজ্ঞেস করা হলে মায়ের উত্তর, আমি কেন যাকাত দেব!! স্বর্ণ তো সব মেয়ের। আমার তো নয়।

চমৎকার! কাউকেই আর যাকাত দিতে হল না!! কী বুদ্ধি!

আম্মারা আব্বারা স্বর্ণের যাকাত প্রতি বছর গুনেগুনে প্রদান করেন তো!!

বিয়ে হোক স্বর্ণ ছাড়া। কল্যাণ বয়ে আসুক সংসার জীবনে। এই কারণে অনেকের বিয়ে হচ্ছে না। সিস্টেম চেঞ্জ করুন প্লিজ! মানুষ পারে না এমন কিছু নেই।

04/10/2025

04/10/2025

বাংলাদেশে শিক্ষার মান তলানিতে 👍

29/09/2025

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দুই কলম লেখার আগে আমার সাথে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটা পড়ে নিবেন।

পাহাড়িদের সকলকে নিরিহ ভাবার কোন কারণ নাই, একটা সময় পর্যন্ত আমিও ভাবতাম। এরপর নিজের সাথে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় আমার চিন্তার পরিবর্তন হয়েছে, এই ঘটনা শুনলে আপনারও পরিবর্তন হবে।

২০১৫/২০১৬ সাল। আমি তখন আমেরিকায় থাকি। খাগড়াছড়ি অঞ্চলে এক বড় ধরনের ঝামেলা হয়। আমি পাহাড়ীদের অধিকারের পক্ষে বেশ কয়েকটা পোস্ট লিখি। একটা পোস্ট বেশ ভাইরাল হয়। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে। ঐ এলাকার বেশ কিছু ফলোয়ার আসে লিস্টে। তাদের মধ্যে একটি মেয়ে ছিল বেশ সুন্দরী।

বয়সে ২৪/২৬ হবে। আমার পোস্টে কমেন্ট করে, পাশাপাশি অন‍্যদের কমেন্টের জবাব দিতে থাকে।

এরপর বন্ধু লিস্টে ঢুকে, অন‍্য সাধারণ পোস্টেও কমেন্ট করতে থাকে।

২দিন পরে ইনবক্সে নক করে প্রশংসা করতে থাকে। বলতে থাকে, আপনি অনেক ভালো, আমাদের পক্ষে কথা বলছেন, ঢাকার মানুষ তো এসব করে না, তারা আমাদের ঘৃণা করে, ইতা‍্যদী ইত্যাদি।

আমি বললাম, আমি শুধু আপনাদের অধিকারের পক্ষে না পৃথিবীর সকল স্থানের নির্যাতিত মানুষের পক্ষে থাকার চেষ্টা করি, ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি।

এরপর নিয়মিত চ‍্যাট হতে থাকে। তবে যেহেতু মেয়ে আইডি সেহেতু আমি ফেক আইডি মনে করে দুরত্ব বজায় রেখেই কথা বলি। সে বুঝতে পেরে একদিন ভিডিও কল দেয়।

তখন দেখলাম যে, না ফেইক না। আইডিতে যেই ছবি মেয়েটিও সেই, আসল আইডি।

কয়েকদিন কথা বলার পর একদিন তার মায়ের সাথে কথা বলিয়ে দিলো। তার মা আমাকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দিলো। তারা বেশ প্রভাবশালী লোক, টাকা পয়সা, বাড়ি গাড়ি, বেশ কয়েকটি বাগান ইত‍্যাদি আছে।

তারা আমাকে পুরো পাহাড় ঘুরিয়ে দেখাবে ইত‍্যাদি নানা আলাপ হলো, মেয়েটিও মাঝে মধ‍্যে ফোন দিয়েও জিজ্ঞেস করতো কবে আসতেছেন?

এরপর আসে ঘটনার ক্লাইম‍্যাক্স।

একদিন মেয়েটি আমাকে তার এক স‍্যারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। কনফারেন্স কল করে স‍্যার আমার সাথে অনেক কথা বললো। কি করি? কবে থেকে লেখালেখি করি? কি বিষয়ে লিখি ইত‍্যাদি।

কথা শেষের ঘন্টা খানেক পর আমাকে তাদের একটি হোয়াটসআপ গ্রুপে এড করা হলো।

গ্রুপে ঢুকে আমার মাথা আউলায়ে গেল। বিশাল গ্রুপের সবাই পাহাড়ি অঞ্চলের। গ্রুপে সারাদিন নানা ধরনের পোস্ট আসতে থাকে। যে কোন কাটা-ছেড়া, ভাঙা-ভাঙি, আ/গু/ন, ম/রা মানুষের ছবি এসব আসতেই থাকে। এবং, এই সব ঘটনার সবকিছুর দায় সাধারন বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ, এই গ্রুপে সবাই ছবি ভিডিও দিয়ে কাহিনি বানায়, এবং সেই বানানো কাহিনি সবাই নিজেদের ফেসবুক, স্থানীয় পত্রিকায় ছড়িয়ে দেয়।

আমি তো সেখানে অতিথির মত, তাই জিজ্ঞেস করার চেষ্টা করিনি যে, এসব ঘটনার সত‍্যতা কোথায়? জিজ্ঞেস করলে হয়তো সাথে সাথে গ্রুপ থেকে বের করে দিতো।

এবং, ঐ যে স‍্যার আমার সাথে কথা বলেছিল, সে মাঝে মধ‍্যে ছেলে মেয়েদের মোটিভেট করে ভিডিও দিতো। সেই ভিডিও সবাই শেয়ার দিতো।

বেশ কয়েকদিন গ্রুপে থাকার পর বুঝলাম যে, এই স‍্যারেরও বড় স‍্যার আছে। সে গ্রুপে নাই তবে মাঝে মধ্যে তার বাণী গ্রুপে ছাড়া হয়। সেখানে লাভের হিরিক পরে যায়।

এবং তাদের সকলের কথার নির্যাস হচ্ছে, পাহাড় বাংলাদেশের আন্ডারে থাকা উচিত না। এর দুইটা মুল কারনঃ
1. সমতলের মানুষদের অধিকাংশের ধর্ম মুসলমান
2. বাংলাদেশ দুর্বল রাষ্ট্র

তাহলে সমাধান কি?
পার্শ্ববর্তী দেশ অনেক শক্তিশালী, তাদের সাথে থাকলে আমরাও শক্তিশালী হবো, পাশাপশি তারা হিন্দু যা পাহাড়ীদের কালচারের কাছাকাছি কালচার।

তাই, তাদের সকলের মিশন ও ভিশন একটাই, সেটা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পুরোটাই ভারতের আন্ডারে নিয়ে যাওয়া।

এবং, এজন‍্য যা যা করা দরকার তারা সব করতে প্রস্তুত আছে।

তারই পদক্ষেপ হিসেবে ঐ অঞ্চলে সবসময় অরাজকতা বজায় রাখা।

একদিন, পাহাড়ে কয়েকজন সেনাবাহিনীর সদস‍্যের সাথে গ্রামের কয়েকজন মহিলার মারামারির ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। গ্রামের একেবারে নিম্ন শ্রেণীর এক নারী বিলাপ করে দাবী করছে যে, সেনা সদস‍্যরা তাকে ধ/র্ষ/ণ করছে।

মেয়েটি সেই ভিডিয়ো আমাকে পাঠিয়ে বলে যে, এইটা শেয়ার দেন। আমি বললাম, ঠিক আছে দেবো, কিন্তু ঘটনা আরেকটু স্টাডি করে নেই। সৎ‍্য মিথ্যা যাচাই করে নেই। কিন্তু মেয়েটির ধৈর্য্য থাকল না। বার বার অনুরোধ করতে লাগলো।

তখন আমি কল দিলাম, বললাম তাদের গ্রুপের বিষয়ে।

বললাম, আমার কাছে তো বিষয়টা নরমাল মনে হচ্ছে না। তোমরা আসলে কি চাচ্ছো বলো।

তখন মেয়েটি অনেকটা স্পষ্ট করেই বলে দিলো, আমার বাপ-দাদারা অনেক আগে থেকেই চেয়ে আসছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতের সাথে যুক্ত হয়ে যাক। সেই চেষ্টা করে সবাই।

জিজ্ঞেস করলাম, কিন্তু কেন? এমনটা কেন চাও?

তখন ঐ উপরের দুই পয়েন্ট বললো।

আমি বললাম, যদি এত সমস‍্যা মনে করো বাংলাদেশের সাথে থাকা, তাহলে স্বাধীন অঞ্চলের জন‍্য কথা বলো, সেই অনুযায়ী কাজ করো। আরেক দেশের সাথে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করা তো খারাপ। এটাকে তো কোন দেশ মেনে নিবে না। আমিও বা আমাদের মত যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে তারা কেউই মেনে নিবে না।

তোমরা ইয়াং জেনারেশন, তোমাদেরও উচিত না এসব পথে পা বাড়ানো। বরং, তোমরা যদি সত্যিই মনে করো তোমাদের উপর কোন অন‍্যায় করা হচ্ছে, তাহলে ঢাকার সাথে আর্গুমেন্ট করো। সেটা নিয়ে আন্দোলন করো, দেখবা আমরা সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী তোমাদের পক্ষে থাকবে। সারা বিশ্ব তোমাদের পক্ষে থাকবে।

আর এসব না করে যদি পিছনের দরজা দিয়ে নিজ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করো তাহলে কোনদিন সফল হতে পারবে না, শুধুশুধু তোমাদের জেনারেশনটাকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করবা। এবং, দেশে একটা গন্ডগোল বাঁধিয়ে রাখবা, যার বলি হবে কিছু নিরিহ পাহাড়ি।

এই ধরনের অনেক কথা বলার পর মনে হচ্ছিল মেয়েটা বুঝতে পেরেছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে দেখলাম আমাকে সব জায়গা থেকে ব্লক করে দিছে।

সেখান থেকে বুঝেছিলাম যে, পাহাড়িদের মধ্যে বিশাল একটা অংশ আছে যারা প্রকাশ‍্যে এই মিশনের অংশ হয়ে কাজ করে, এবং তারাই পাহাড়ে আ/গু/ন লাগায়, হ/ত‍্যা করে। তারা পাহাড়কে অশান্ত রাখে।

পাহাড়কে শান্ত রাখতে পাহাড়ি-বাঙালি মিলে এই গ্রুপটাকে প্রতিহত করতে হবে, এর বিকল্প আর কোন পথ নাই।

Photos from Science বিজ্ঞান's post 29/09/2025

হাসিখুশি থাকা সবসময় ভালো চাওয়া আত্বীয়দের মাঝেই লুকিয়ে থাকে মুখোশধারী, যিনি সবসময় আপনার সফলতায় হিংসা করবে নজর দিবে।

আপনি টের ও পাবেন না তিনিই আপনার জীবনে অশান্তির বীজ বুনছে।

বলছিলাম এক মামার কথা।

ভুক্তভুগীর কথা:

আমার বিয়ে হয়েছে ১৩ মাস। বিয়ের পর ভালোই কাটছিলো, শ্বশুর ও শাশুড়ী ও যথেষ্ট ভালো।

আমার স্বামী একটি মাত্র ই ছেলে তাদের,
ছোট থেকেই ভিষণ পরিস্রম করে বড় হয়েছেন। মায়ের বাধ্যগত সন্তান। মা যা বলবে বিনা বাক্যে তা মেনে নিবে।

অনেক বছর বিদেশ থেকে অনেক সম্পদ গড়েছে দেশে আমার স্বামী। সে যখন একবারে বিদেশ থেকে চলে এসেছিলো শুনেছি সবাই তার উপর কেমন অখুশি ছিলেন।
ধিরে ধিরে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়।

প্রবাস থেকে ফিরে ৪ মাসের মাথায় হটাৎ করেই আমাদের বিয়েটা হয়ে যায়।শুনেছি কেউ রাজি ছিলেন না। একমাত্র ছেলের কথা রাখতে সবাই বিয়েটা মেনে নেন।

যাইহোক সব কিছু স্বাভাবিক থাকলেও বিয়ের ১ বছরের মাথায় আমার দুইবার গর্ভপাত হয়েছে। ডাক্তারের কাছে গেলে জানায় সবকিছু নরমাল আছে।

আমরা আবার চেষ্টা করলাম এবার চার মাসের মাথায় হঠাৎ করেই একদিন ঘুম এর ভিতর খারাপ স্বপ্ন দেখে চিৎকার দিয়ে উঠি।
কিছুক্ষন পর ই আমার ব্লা*ড যাওয়া শুরু করে,, ডাক্তার এর কাছে গেলে আমার আবারো গর্ভপাত হয়ে যায়।

ডাক্তার আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। আমার শরীর এর অবস্থা অনেক বেশি খারাপ ছিল বারবার গর্ভপাত হওয়ায়।

এই সময় অনেক টাকা দরকার ছিলো, আগে দুইবার গর্ভপাত এর সময় হসপিটাল বিল আমার খাবার দাবার যাবতীয় সবকিছুর পিছনে অনেক খরচ হয়ে গিয়েছিলো।

এখন টাকার শর্টেজ পরায় আমার হাজব্যান্ড যখন ব্যাংকে যায় তখন দেখে তার টাকা তুলে ফেলেছেন তার মা,, সে জানতে চাইলে কোনো কিছু বলেন না।

তার কাছে টাকা থাকলেও দিতে রাজি হন না। মায়ের বাঁধ্যগত সন্তান বলে সে আর কথা বাড়ায়নি। তখন আমার বাবাই সব খরচ করেন।

তারপর তিনি তার কিছু জমি বিক্রি করতে চাইলে তার মার কাছে জমির দলিল চান। তার মা সেটা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে। এক পর্যায়ে হাসবেন্ড উত্তেজিত হয়ে যায়।
ঘরের সব ভা**ঙচুর করতে থাকে।

একপর্যায়ে তার মা বলে ওঠে তার কোন সম্পদ নেই। সে যেন আর জমির দলিল বা টাকা না চায়।
আমার স্বামী যখন শুনে তখন ভয়ংকর ভাবে শকড হয়ে যান।
তিনি জানতে চান এতো এতো টাকা কি করেছে জমির দলিল সব কোথায়।

তার মা তাকে শান্ত ভাবে উত্তর দেয় সব জমি তার মামা তার নামে করেছে, ব্যাংক এর টাকাও তার মামার কথায় তোলা হয়েছে।

আমার স্বামী শুনে হাউমাউ করে কান্না করা শুরু করে। সে এক পর্যায় হার্ট অ্যাটাক করে বসে। আমার বাবা এবং তার বাবা সবাই মিলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান।

এত কিছুর পরেও তার মায়ের মনে তার জন্য অনুতাপ ছিল না। সে ছিলো নির্বিকার। এর পাচ থেকে ছয়দিন এর এক কাছের আত্বীয় দেখতে আসেন সে জানান তার মা এবং মামাকে প্রায়ই গ্রামের এক কবিরাজ এর কাছে যেতে দেখেন।
এই কথা জানার পর আমার স্বামী তার মাকে আ**ত্বহ***ত্যার হুমকি দিয়ে সব স্বিকার করান।

আমার শাশুড়ী জানান ছেলে বিদেশ যাওয়ার পর বেশিরভাগ টাকা তার মামা নিয়ে নিতেন। জমি ও নাকি বিভিন্ন কৌশল এ তার নামে করে নেন।

আমি এসব নিষেধ করলে আমাকে হ**ত্যা**র হুমকি দিত আর বলতো ছেলেকে কিছু জানালে তাকেও কুফরি করে মে**রে ফেলা হবে। সেই ভয়ে আমি কিছু বলার সাহস পাইনি।

আমার স্বামী বিদেশ থেকে আসায় নাকি তার মামা ক্ষিপ্ত ছিলো আর এই জন্য ছেলের বউকে কুফরী করে তার পেটের সন্তান নষ্ট করে। এবং কালো জাদু করে রাখে।

একটি সুখের সংসারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এমন শোকাবহ সত্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সবসময় হাসিমুখে পাশে থাকা মানুষও কখনো কখনো জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাতের কারণ হতে পারে।

©️collected

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sylhet