08/01/2026
A place of knowledge, skills, discipline, and dreams.
Sylhet Polytechnic Institute(SPI)
Cradit: Naim Rahman
Sylhet polytechnic institute, Sylhet
সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আপনাকে স্বাগতম
সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত অন্যতম বৃহত্তর কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে অন্যতম সুপরিচিত ও প্রাচীন এই সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও সেবা মূলমন্ত্রের এই প্রতিষ্ঠানটি
08/01/2026
A place of knowledge, skills, discipline, and dreams.
Sylhet Polytechnic Institute(SPI)
Cradit: Naim Rahman
15/12/2025
Today, we pause to remember the brave men and women who fought, suffered, and sacrificed so that we could live in a free Bangladesh. Their courage turned hope into independence and shaped the nation we call home.
As we honor their memory, let us carry forward their spirit through honesty, unity, and a genuine commitment to building a better future for our country.
Happy Victory Day❤️
28/09/2025
🌟 পঞ্চাশ দশকের সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট 💖
Sylhet Polytechnic Institute(SPI)
সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এর অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন আজ গর্বের সাথে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। 🌍🏛️
📌 প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস:
-ভবন নির্মাণ: ১৯৫৯ সাল
-নকশাকারী: স্থপতি মাজহারুল ইসলাম ও স্ট্যানলি টাইগারম্যান
১৯৫৫ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ঢাকা, রংপুর, বগুড়া, পাবনা ও বরিশালের সাথে সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে।
📖 শুরুতে এখানে পাঠদান করা হতো যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটি(OSU) পাঠ্যক্রম অনুসারে ৩ বছর মেয়াদি কোর্স। যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞান কোর্সে প্রকৌশলে স্নাতককারীদের বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট প্রদান করত তৎকালীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
✨ এই স্থাপত্য কীর্তি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, বরং শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে আজও আমাদের জাতীয় গৌরবকে বহন করে চলেছে। 🇧🇩❤️
Credit by Naim Rahman
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীদের চলমান সংকট নিরসনে আমাদের করণীয়
বাংলাদেশের প্রকৌশল খাতকে অগ্রসর করতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সকল দেশেই একটি টেকনিক্যাল ইকো সিস্টেম পরিচালিত হয়।এই ইকোসিস্টেমটির কোন একটি উপাদান যদি কার্যকরী না হয় বা কাজ না করে তাহলে সেই ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি প্রকৌশল খাতের অন্যতম ও সর্বাধিকার প্রাপ্ত একটি খাত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং। এই খাতের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা একজন বিএসসি প্রকৌশলীর সহযোগিতা নিয়ে মিডলেভেল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে দেশের প্রকৌশল খাতের শতকরা ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে। তাদের কাজ মূলত সুপার ভিশন করা, তদারকি করা এবং প্রজেক্ট এর ফিজিক্যাল বাস্তবায়ন করা। অন্যদিকে একজন ডিগ্রিধারী প্রকৌশলী মূলত প্লান বা পরিকল্পনা তৈরি, পরিকল্পনা মাফিক প্রকল্পের আয় ব্যয়, কতটুকু উন্নত করা যায় ও কিভাবে নতুনত্ব সৃষ্টি করা যায় ইত্যাদি কাজ বাস্তবায়ন করা। এজন্য বাংলাদেশে ডিগ্রীধারি প্রকৌশলীদের নবম গ্রেডে সরাসরি প্রথম শ্রেণীতে যোগদান করে এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা ১৯৭৮ ও ১৯৯৪ এর গেজেট অনুযায়ী অনেক পর্যালোচনা, নিরীক্ষা ও মীমাংসিতভাবে তাদেরকে দশম গ্রেড প্রদান করা হয়।
কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংকট/দ্বন্দ্ব চলছে। মূলত চাকরির সুযোগ, পদোন্নতি, মর্যাদা এবং একাডেমিক ধারাবাহিকতা নিয়ে এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।
এই ধরনের সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য আমার পরামর্শ গুলো হল
১. শিক্ষা নীতি সংস্কার করা
• ক্রেডিট ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করা যাতে ডিপ্লোমা → বিএসসি-তে সহজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।
• কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সমন্বিত পাঠ্যক্রম তৈরি করতে পারে।
২. চাকরি কাঠামো সংস্কার
• ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য আলাদা ক্যারিয়ার ল্যাডার তৈরি করা।
যেমন → উপ-সহকারী প্রকৌশলী → সহকারী প্রকৌশলী (অভিজ্ঞতা/পরীক্ষার মাধ্যমে)
• অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা।
৩. প্রফেশনাল বডির ঐক্য
• IEB ও IDEB-এর মধ্যে সমন্বয় কমিটি গঠন করা।
• একই ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবার হিসেবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখা।
৪. গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়ন
• ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য Continuous Professional Development (CPD) কোর্স চালু করা।
• বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য Applied Training বাধ্যতামূলক করা।
৫. শিল্পখাতের সম্প্রসারণ
• সরকারি চাকরির বাইরে বেসরকারি ও শিল্পখাতে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।
• বিদেশি শ্রমবাজারে ডিপ্লোমা ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের আলাদা সার্টিফিকেশন দিয়ে প্রেরণ করা যেতে পারে।
সর্বোপরি এর মূল সমাধান হলো শিক্ষা ব্যবস্থায় সংযোগ তৈরি + চাকরিতে বৈষম্য হ্রাস + প্রফেশনাল ঐক্য।
এভাবে ডিপ্লোমা ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে পরিপূরক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ। ভালো থাকুক প্রকৌশল খাত। তাহলেই আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্টেক হোল্ডারের একজন অংশ হিসেবে নিজের সাথে সবাইকেই অনেক উপরে দেখতে পাবো।
দেশ গড়ার হাতিয়ার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার।
মোহাম্মদ রিহান উদ্দিন
অধ্যক্ষ
সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ।
16/07/2025
SPI
16/04/2025
শিক্ষার্থীদের উপর গাড়ি চালা
না হয় গুলি করবো।
-সেনাবাহিনী
24/03/2025
22/03/2025
সম্প্রতি সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রশিক্ষণের ভাতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সবার সামনে তুলে ধরা হলো-
সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে টাকা সরকারিভাবে সরকারি কোষাগার থেকে নির্দিষ্ট কোডের বিপরীতে আসে এবং এই টাকা যতক্ষণ না পর্যন্ত মন্ত্রণালয় থেকে ছাড় দেয়া হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এটা পাওয়া সম্ভব হয় না, আর টাকা পাওয়া সম্ভব না হলে তা প্রদান করাতেও অনেক কালক্ষেপণ হয়ে থাকে। বাংলাদেশের ৫০ টা সরকারি পলিটেকনিকের পাশাপাশি পাঁচ শতাধিক বেসরকারি পলিটেকনিক আছে তাদের প্রত্যেকটিতে অষ্টম পর্বের শিক্ষার্থীদের এই প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়। তাদের প্রশিক্ষণ শেষে এই প্রশিক্ষণ ভাতার টাকাগুলো মূলত আমরা পর্ব সমাপনী পরীক্ষার রেজাল্ট অনুযায়ী আলফাবেটিক আকারে যেমন সিরিয়ালি রেজাল্ট সাজানো হয় ঠিক তেমনি অর্থছাড়ের ক্ষেত্রেও এই ভাবেই প্রতিষ্ঠানসমূহে ছাড় প্রদান করা হয়। সেই ক্ষেত্রে সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অনেকটাই পিছিয়ে আছে।
এবার আসি বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে ইনস্টিটিউট প্রশাসন থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও এখনো পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই প্রশিক্ষণ ভাতা ইনস্টিটিউটের ফান্ডে এসে জমা হয়নি ( পার্শিয়াল অর্থ ছাড়প্রদান করা হয়েছে) বা অর্থের ছার পাওয়া যায়নি। তারপরেও যেহেতু শিক্ষার্থীদের পর্ব সমাপনী পরীক্ষার রেজাল্ট হয়ে গিয়েছে এবং সামনে একটি ঈদ উৎসব রয়েছে এজন্য অধ্যক্ষ মহোদয় প্রশাসনিক কাউন্সিলের সকলের সহযোগিতায় এবং উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানের অন্য খাত থেকে টাকা আপাতত লোন নেবার মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করা হয়েছে যা পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড় পেলে এই লোন পরিশোধ করা হবে।
বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ ভাতা ১২০০০ টাকা না ১৩০০০ টাকা এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে গেলে বলতে হয় একজন শিক্ষার্থীর জন্য ১৩০০০/- টাকা বরাদ্দ থাকে ১৩ হাজার টাকার মধ্যে ১২০০০ টাকা শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ ভাতা ৬০০ টাকা ইন্ডাস্ট্রির প্রশিক্ষণ ব্যয় ও সম্মানী এবং ৪০০ টাকা প্রতিষ্ঠানের লগ বই ও ইন্টারনাল কস্ট নির্বাহ করার জন্য। এখন কোন শিক্ষার্থী যদি ইন্ডাস্ট্রিতে ৬০০ টাকা নিজ থেকে দিয়ে আসে এবং তার জামানতের টাকাটা অর্থ থাকা স্বপক্ষে যদি প্রশিক্ষণ ভাতার সাথে একসাথে দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তাকে ১৩০০০/= হাজার টাকা দেয়া সম্ভব আর যদি কোন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ ভাতা পূর্বেই না দিয়ে এসে থাকে তাহলে সে ১২ হাজার ৪০০ টাকা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্য।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে জামানতের ৪০০ টাকা কবে পাবো আমাদের প্রত্যেকের নিজ নিজ একাউন্টে ১২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে ঠিক একই ভাবে টাকা ছাড় পেলে জামানতের সেই ৪০০ টাকাও একই পন্থায় নিজ নিজ একাউন্টে প্রেরণ করা হবে।
পলিটেকনিকে এখন দাবি আদায়ের উত্তাল একটি মুহূর্ত চলছে। একটি কুচক্রী মহল এই আন্দোলনকে অন্যদিকে ডাইভার্ট করার জন্য এই ধরনের প্রোপাগান্ডা ও মিসগাইড করার চেষ্টা করছে। সুতরাং প্রকৃত অর্থেই মূল বিষয় না জেনে অযথা অযৌক্তিক ভাবে কাউকে কলুষিত করা এটা শুধু প্রতিষ্ঠান নয় প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষকদেরকে অবমাননা বা অপমানের শামিল।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভাতা এটা চাক্ষুষ একটি বিষয় এবং সবার সামনে দৃশ্যমান, সুতরাং এই বিষয়কে সকলের দৃষ্টিগোচর করে অর্থ আত্মসাৎ করা এটা কোনভাবেই এবং কোনো ক্রমেই সম্ভব নয় সুতরাং একটি বোকাও বোঝে এই লেনদেনের বিষয়টি
আশা করছি সকলের জন্য বিষয়টি বোধগম্য হবে।
24/02/2025
অত্র ইনস্টিটিউটে প্রকৌশল ডিপ্লোমা পাঠ্যক্রমে ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বে অধ্যয়নরত সকল টেকনোলজির (উভয় শিফট) ছাত্র-ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইন্সটিটিউটের যাবতীয় আদায় কার্যক্রমে ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রকেট হিসাব খোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এমতাবস্থায়, আগামী ০৩/০৩/২০২৫ খ্রি. হতে ০৬/০৩/২০২৫ খ্রি. তারিখের মধ্যে ডাচ-বাংলা রকেট ব্যাংকিং-এর নিজ নিজ হিসাব নম্বর খোলার নির্দেশ প্রদান করা হলো। উল্লেখ্য, উক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত তারিখসমূহে ইন্সটিটিউটে ডাচ-বাংলা রকেট ব্যাংকিং-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
ডাচ-বাংলা রকেট ব্যাংকিং-এর নিজ নিজ হিসাব নম্বর খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। ভোটার আইডি কার্ড
২। ভোটার আইডি কার্ডধারীর ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৩। নিজ নিজ মোবাইল ফোন
নিম্নোক্ত তারিখ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
29/01/2025
আদেশ স্থগিত, কারিগরির সাড়ে ৩ হাজার জনের নিয়োগে বাধা নেই