05/02/2026
গভীর শোক ও অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে আমরা স্মরণ করছি।
আমাদের গ্লোবাল মেডিকেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, সিলেট-এর সম্মানিত প্রিন্সিপাল, প্রিয় শিক্ষক ও মানবিক অভিভাবক ডা. আলী মোঃ মাইনুল স্যারকে।
তাঁর ইন্তেকাল আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
আজ তাঁর জানাজায় উপস্থিত হয়ে আমরা শুধু একজন গুণী চিকিৎসককেই নয়,
একজন আদর্শ মানুষ, দিকনির্দেশনাদানকারী শিক্ষক ও অসংখ্য শিক্ষার্থীর অনুপ্রেরণাকে বিদায় জানিয়েছি।
তাঁর জীবন, আদর্শ ও সেবার আলো আমাদের হৃদয়ে চিরকাল জ্বলজ্বল করবে।
এ শোকাবহ মুহূর্তে গ্লোবাল মেডিকেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক ও ডাইরেক্টরবৃন্দসহ উপস্থিত ছিলেন
ডা. আব্দুল্লাহ ছাইদ, মোঃ হোসেন রাজা, এস. এম. এবাদুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ আশরাফ হোসেন এবং আরও অনেক সম্মানিত ব্যক্তি, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ী।
সকলের উপস্থিতি প্রমাণ করে—ডা. আলী মোঃ মাইনুল স্যার কতটা ভালোবাসা ও সম্মানের মানুষ ছিলেন।
মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন, তাঁর কবরকে নূরে ভরিয়ে দেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।
25/12/2025
সুদীর্ঘ ১৮ বছর পর জনাব তারেক রহমান স্বপরিবারে দেশে ফিরেছেন। প্রিয় জন্মভূমিতে আপনাকে সুস্বাগতম। দেশের কল্যাণে নিবেদিত হোক আপনার এই প্রত্যাবর্তন। মসৃণ হোক আপনার আগামীর পথচলা।
07/12/2025
অসুখ হলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে কিন্তু কোন ধরনের সমস্যায় কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে, তা নিয়ে দ্বিধায়ও পড়েন কেউ কেউ।
একজন মানুষের নানান রকম শারীরিক সমস্যা হতে পারে, আবার একই সময়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সমস্যা হতে পারে। আপনি জানেন না, আপনার কি রোগ হয়েছে, আপনি আপনার শারীরিক কষটগুলো চিকিৎসককে জানানোর পর আপনার রোগ নির্ণয় হবে। বুঝে উঠতে পারছেন না, কোন সমস্যা নিয়ে কার কাছে গেলে সমাধান পাবেন?
কারও মাথা ঘোরানোর কারণ হলো রক্তচাপ, কারও রক্তশূন্যতা আবার কানের সমস্যায়ও মাথা ঘোরায়। আপনি তাহলে যাবেন কার কাছে? মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ না কি নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ? আবার একজন রোগীর যে কেবল একটি উপসর্গই থাকে, তা–ও নয়। একাধিক উপসর্গের প্রতিটির জন্য কি তাহলে আলাদা আলাদা চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?
ঘাবড়াবেন না। সমস্যায় না পড়ে যেন সহজে বুঝতে পারেন, কোন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে, তার জন্যই এই লেখা।
১| হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক : যদি হঠাৎ করে প্রচণ্ড পেট ব্যথা, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি, হঠাৎ জ্ঞান হারানো, কোনও অঙ্গ অবশ হয়ে পড়া, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারানো, প্রস্রাব আটকে যাওয়া, প্রচুর বমি বা ডায়রিয়া, আঘাত পাওয়া বা শরীরের হাড় ভাঙা, অস্বাভাবিক রক্তপাত,
রক্তবমি কিংবা আকস্মিক দুর্ঘটনা, বিষক্রিয়া ইত্যাদি হয়, তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে হবে শুরুতেই। এসব পরিস্থিতিতে দ্রুত হাসপাতালের জরুরি বিভাগের শরণাপন্ন হতে হবে। গভীর রাত কিংবা ছুটির দিনেও জরুরি সেবা অব্যাহত রাখেন চিকিৎসকেরা। পরবর্তীতে চেকআপের প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাওয়া যেতে পারে।
২| মেডিসিন বিশেষজ্ঞ- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দেহের প্রতিটি অংশের চিকিৎসা দিতে পারেন (সার্জারি বা অপারেশন বিষয়াদি বাদে)। জ্বর, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, কাশি, পেটব্যথা ইত্যাদি নানাবিধ উপসর্গ নিয়েই তাঁদের কাছে যাওয়া যেতে পারে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হলেন একজন ডাক্তার যিনি যেকোনো রোগের প্রাথমিক অবস্থা নির্ণয় ও চিকিৎসা করে থাকেন। তবে প্রয়োজনে তাঁরা আপনাকে নির্দিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠিয়েও দিতে পারেন।
২| গ্যাস্ট্রোলজি, হেপাটোলজি বা লিভার বা যকৃৎ বিশেষজ্ঞ- জন্ডিস, গ্যাসের সমস্যা, পেট ফোলা, হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস, লিভার সিরোসিস, খাদ্যনালি/
24/11/2025
1. রাগের সময় কোনো উত্তর দেবেন না।
2. খুশির সময় কাউকে ওয়াদা দেবেন না।
3. দুঃখের সময় কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।
03/10/2025
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমানে গোল্ডেন সুযোগ চলছে অস্ট্রেলিয়ায়। বাংলাদেশকে এখন লেভেল-ওয়ান অ্যাসেসমেন্ট দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
28/09/2025
অতিরিক্ত অস্থিরতা 😢
মানসিক টেনশন ছাড়াও বিভিন্ন রোগের কারনে রোগী অস্থির হয়ে উঠতে পারে।প্রয়োজন যথেষ্ট মনোযোগ ও সঠিক পরিচর্যা।
যেসব কারনে একজন ব্যক্তি অস্থির হয়ে উঠতে পারেন:
💥 প্রস্রাবের ইনফেকশন বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া
💥 মাথায় ইঞ্জুরি বা ইনফেকশন
💥ডিমেনশিয়া বা ভুলে যাওয়া রোগ
💥খনিজ লবণের তারতম্য
💥সেপসিস বা মারাত্মক ইনফেকশন
💥সুগার কমে যাওয়া ( হাইপোগ্লাইসেমিয়া)
💥খিচুনির পর
💥অক্সিজেন মাত্রা কমে আসা
💥ড্রাগ ওভারডোজ বা বেশি মাত্রায় ওষুধ সেবন করা
💥ব্রেইন টিউমার
💥গর্ভাবস্থায় প্রেসার বেড়ে যাওয়া
💥টক্সিন বা বিষের প্রভাব
💥থাইরয়েড হরমোন কমে আসা বা বেড়ে যাওয়া
💥ইয়াবা সেবন ও বিভিন্ন মাদক
💥মদপান
💥সিজোফ্রেনিয়া
💥বাইপোলার ডিজঅর্ডার
💥অতিরিক্ত উদ্বেগ
💥বিষন্নতা
💥অটিজম
💥অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা স্ট্রেস
💥ঘুমের ব্যাঘাত
💥মাসিকের আগে হরমোনের পরিবর্তন
প্রকৃত কারন জেনে পর্যাপ্ত কাউন্সেলিং ও চিকিৎসার মাধ্যমে অস্থিরতা কমানো সম্ভব। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চালিয়ে নিতে হয়।