Jamea Suffah জামেয়া সুফফাহ

Jamea Suffah জামেয়া সুফফাহ

Share

উন্নত মেধা রুচিশীল মনন ও কর্মমুখী শিক্ষাদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ!

18/10/2025

✨ তাবীজ ও তামিমা: শরীয়তের আলোকে গবেষণামূলক বিশ্লেষণ

ভূমিকা

মুসলিম সমাজে একটি সাধারণ বিভ্রান্তি হলো— “তাবীজ পড়া কি শিরক?”।
এ বিভ্রান্তির প্রধান কারণ হলো, কিছু মানুষ হাদীসে বর্ণিত ‘তামিমা’ (تميمة) শব্দকে বিকৃত করে বাংলায় ‘তাবীজ’ অনুবাদ করেছেন। অথচ তাবীজ (تعويذ) এবং তামিমা (تميمة) — এ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।

তামিমা হলো— জাহেলিয়াতের যুগে প্রচলিত হাড়, দানা, চামড়া, পাথর, সুতা ইত্যাদি কুসংস্কারপূর্ণ বস্তু, যা আল্লাহ ছাড়া অন্য শক্তিতে বিশ্বাসের প্রতীক।

তাবীজ হলো— কুরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম, বা শরীয়তসম্মত দোয়া লিখে ঝুলানো, যা আল্লাহর কালামের বরকতের জন্য করা হয়।

১.✨ তাবীজ ও তামিমার মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো:

তাবীজ (تعويذ):

এটি কুরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম বা শরীয়তসম্মত দোয়া লিখে করা হয়।

উদ্দেশ্য: আল্লাহর বরকত ও সাহায্য প্রার্থনা।

তামিমা (تميمة):

এটি হাড়, চামড়া, দানা, সুতা বা অন্য কোনো কুসংস্কারময় বস্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্য শক্তিতে বিশ্বাসের প্রতীক।

উদ্দেশ্য: বস্তুকে শক্তিধর মনে করা।

সর্বসম্মতভাবে হারাম ও শিরক।

২.✨ হাদীসে তামিমার নিষেধাজ্ঞা

হাদীস ১

রাসূল ﷺ বলেন:
"إِنَّ الرُّقَى وَالتَّمَائِمَ وَالتِّوَلَةَ شِرْكٌ"
“শিরকীয় ঝাড়ফুঁক, তামিমা এবং তিওয়ালা শিরক।”
— আবু দাউদ: 3883; ইবন মাজাহ: 3530

হাদীস ২

রাসূল ﷺ বলেন:
"مَنْ عَلَّقَ تَمِيمَةً فَلَا أَتَمَّ اللَّهُ لَهُ"
“যে তামিমা ঝুলালো, আল্লাহ তার উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেন না।”
— মুসনাদ আহমাদ: 17440

হাদীস ৩

"مَنْ عَلَّقَ تَمِيمَةً فَقَدْ أَشْرَكَ"
“যে তামিমা ঝুলালো, সে শিরক করলো।”
— মুসনাদ আহমাদ: 16969; হাকিম: 4/417

📌 দ্রষ্টব্য: এখানে تميمة (তামিমা) দ্বারা বোঝানো হয়েছে জাহেলিয়াতের কুসংস্কারময় বস্তু, তাবীজ নয়।

৩. ✨সাহাবাদের আমল: কুরআনযুক্ত তাবীজ

আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ)

“তিনি তার প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দিতেন, আর ছোটদের জন্য কুরআনের কিছু আয়াত লিখে গলায় ঝুলিয়ে দিতেন।”
— মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক: 7924; হাকিম: 4/417

এটি প্রমাণ করে যে কুরআনযুক্ত তাবীজ সাহাবাদের আমল।

৪.✨ ইমামদের বক্তব্য : তাবীজ সম্পর্কে

১. ইমাম আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ)

"كان يعلّق على أعناق أولاده آيات من القرآن" — موسنّف عبد الرزاق: 7924
“তিনি তার সন্তানদের গলায় কুরআনের আয়াত ঝুলাতেন।”

২. ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (রহ.)

"لا بأس في التعويذ بالقرآن" — مسائل الإمام أحمد: 444

“কুরআনযুক্ত তাবীজে কোনো সমস্যা নেই।”

৩. ইমাম বুখারী (রহ.)

"باب تعويذ المريض" — أداب المفرّد

“রোগীর জন্য কুরআন লিখিত তাবীজ জায়েজ।”

৪. ইমাম নববী (রহ.)

"التعويذ بالقرآن أو باسم الله جائز" — شرح مسلم

“কুরআন বা আল্লাহর নামযুক্ত তাবীজ জায়েজ।”

৫. ইমাম মালিক (রহ.)

"إن كتب القرآن على التعويذ جائز" — فتح القادير 10/260

“কুরআন লেখা থাকলে তাবীজ জায়েজ।”

৬. ইমাম ইবন তাইমিয়াহ (রহ.)

"التعويذ بالقرآن جائز، وما سوى ذلك حرام" — مجموع الفتاوى 19/64

“কুরআনযুক্ত তাবীজ জায়েজ, অন্য কিছু হারাম।”

৭. ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)

"الرقي والتعويذ بالقرآن صحيح" — الجواب الكافي ص. 120

“কুরআন দ্বারা ঝাড়ফুঁক ও তাবীজ বৈধ।”

৮. ইমাম শাওকানী (রহ.)

"التعويذ بما فيه من القرآن جائز" — نيل الأوطار 9/85

“যে তাবীজে কুরআনের আয়াত আছে, তা জায়েজ।”

৯. ইমাম সুয়ূতি (রহ.)

"التعويذ بالقرآن جائز" — الدرر المنثور 1/227

“কুরআনযুক্ত তাবীজকে জায়েজ।”

১০. ইমাম ইবন আবেদীন (হানাফি)

"التعويذ بالقرآن جائز إذا لم يكن فيه إساءة" — ردّ المحتار 6/364

“কুরআনের তাবীজ জায়েজ, অসম্মান না হয়।”

১১. ফতাওয়ায়ে হিন্দিয়া (হানাফি)

"إذا فيه القرآن جائز، وإن فيه كفر حرام" — فتاوى هندية 5/355

“কুরআন থাকলে জায়েজ, কুফরী থাকলে হারাম।”

১২. ইমাম কুরতুবী (রহ.)

"التعويذ بالقرآن جائز" — الجامع لأحكام القرآن 10/316

“কুরআনযুক্ত তাবীজ ব্যবহার করা বৈধ।”

১৩. ইমাম বাইহাকী (রহ.)

"إن كان فيه اسم الله فالتعويذ جائز" — شعب الإيمان 5/439

“আল্লাহর নাম থাকলে তাবীজ বৈধ।”

১৪. ইমাম বায়যাবী (রহ.)

"التعويذ بالقرآن جائز" — تفسير البيضاوي 4/180

“কুরআন দ্বারা লিখিত তাবীজ বৈধ।”

১৫. ইমাম শিবলী (হানাফি)

"التعويذ بالقرآن جائز" — عقائد الشيبلي ص. 214

“কুরআনযুক্ত তাবীজ বৈধ।”

৫. ✨উপসংহার

১. তামিমা: জাহেলিয়াতের কুসংস্কার— সর্বসম্মতভাবে হারাম ও শিরক।
২. তাবীজ: কুরআন/আল্লাহর নামযুক্ত হলে — সাহাবাদের আমল দ্বারা প্রমাণিত

📌 যারা “তামিমা-কে তাবীজ” অনুবাদ করে, তারা সুন্নাহ বিকৃত করছে এবং সাধারণ মুসলিমদের বিভ্রান্ত করছে।

✨ আল্লাহ আমাদেরকে শিরক থেকে বাঁচিয়ে রাখুন এবং তাঁর কালামের বরকত দ্বারা উপকৃত হবার তাওফীক দিন। আমীন।

06/09/2025

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ❣️

03/08/2025

‘ভুলে যাওয়া’ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার এক বিশেষ নেয়ামত। তিনি যদি আমাদের এই নিয়ামত না দিতেন, বেঁচে থাকাটা যে কী ভীষণ দুঃসহ হয়ে উঠত তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

প্রিয় কোন মানুষ যখন মারা যায়, প্রথম কিছুদিন আমাদের অসম্ভব খারাপ লাগে। সারাটা দুনিয়াটাকেই কেমন রঙহীন, বিস্বাদ আর বিরক্ত লাগে কিছুদিন।

কিন্তু, সময় যত গড়ায়, আমরা আস্তে আস্তে সেই শোক আর ক্ষতটা সেরে উঠি। সময়ের সাথে সাথে প্রিয় মানুষের স্মৃতিগুলোও ধূসর হতে থাকে আমাদের মানসপটে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যদি আমাদেরকে এই ‘ভুলে যাওয়ার’ ক্ষমতাটুকুনা দিতেন, ভাবুন তো কেমন হতো আমাদের জীবনটা? একবার শুধু চিন্তা করুন, আপনার মা মারা যাওয়ার দিন যে কষ্ট আপনার অনুভূত হবে, পাঁচবছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যদি আপনার ঠিক একইরকম কষ্ট লাগে, আপনি কি আদৌ বেঁচে থাকতে পারবেন?

আবার, ভবিষ্যত না জানাও একরকম নিয়ামত।

ধরুন, আজ রাতে যদি কোনোভাবে আপনি জেনে যান যে, আপনার ফুটফুটে সন্তানটা আগামি বছরের ঠিক আজকের দিনটায় মারা যাবে, আপনার দ্বারা কি সম্ভব হবে আজ থেকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করে যাওয়া? আপনি কি খেতে পারবেন ঠিক মতো? ঘুমোতে পারবেন এই ভবিষ্যত জেনে নিয়ে?

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নির্ধারিত প্রত্যেকটা বিষয় এমনই হিকমাহপূর্ণ। তিনি যখন বান্দাকে কোনোকিছু দেন না বা জানান না, সেটা বান্দার কল্যাণের জন্যেই৷ আবার, তিনি যখন বান্দাকে কোনোকিছু ভুলিয়ে দেন, সেটাও বান্দার কল্যাণের জন্যেই।

11/04/2025

সংক্ষেপে ইয়াহুদাদের ইতিহাস

ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।

হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।

হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।

ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!

৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।

এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।

মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।

তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।

তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।

তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।

কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।

তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।

বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!

ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।

বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।

১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।

যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।

তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।

তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!

জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।

ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!

আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!

আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!

03/04/2025

মরনের পরে আমার নাম হবে লাশ

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে আগে লিখে যাওয়া একজন মৃতপ্রায়ের কিছু অনুভূতি -.......

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে।

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে।

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে।

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে।

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে।

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে।

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না।

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো।

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো।

كِتَابِي

আমার বইপত্র।

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ।

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো।

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে।

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না; অপেক্ষাও করবে না।

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না।।

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে।

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে।

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে।

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে।

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান;(সবকিছুর হিসাব)।।

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসি ঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।

16/03/2025
14/02/2025

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অর্ধ-শাবানের রাতে অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে তার সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।
ইবনে হিব্বানের হাদিস-৫৬৬৫

শবে-ই বরাত হোক বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি মুক্ত।
ইবাদত ও দোআর মাধ্যমে কাটুক বরকতময় এই রজনী।

23/01/2025

শীতের সকাল।সুবহান-আল্লাহ!

23/11/2024

যদি দিনের আলোতে বাদশাহী করতে চাও -তবে রাতের আঁধারে মিসকিনের মত আল্লাহর কাছে চাও।

তারা চক্রান্ত করেছিল এবং আমিও প্লান করেছিলাম।কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি। অতএব,দেখ তাদের চক্রান্তের পরিনাম…
-(সুরা আন-নামল:৫০)

সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহর পরিকল্পনা কতই না নিখুঁত! অথচ আমরা অল্পতেই হতাশ হয়ে পড়ি।

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী’
[সূরা আনফাল : আয়াত : ৩০]

পৌঁছে দাও কালিমার দাওয়াত.
لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللّٰهِ.(ﷺ)
তুমি যাদেরকে ভালোবাসো তাদের সাথেই তোমার কেয়ামত হবে।
🌺【বুখারী শরীফ:-৩৬৮৮】🌺

সুবহানাল্লাহ! আল্লাহর পরিকল্পনা কতই না নিখুঁত! অথচ আমরা অল্পতেই হতাশ হয়ে পড়ি।

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী’
[সূরা আনফাল : আয়াত : ৩০]

❝অচিরেই তোমার প্রতিপালক তোমাকে এত দেবেন যে, তুমি খুশী হয়ে যাবে❞
____ আদ-দুহা:৫

আপনি কাজ করতে থাকুন। সময় হলে চেয়ার আপনাকে খুঁজে নিবে
ঠিকই।
যোগ্য লোকেরা চাকরি এবং চেয়ারের পেছনে ঘোরে না,চাকরি এবং চেয়ার যোগ্য লোকদের পেছনে পেছনে ঘোরে।

আল্লাহ বলেন, পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয় তুমি তো ভূ-পৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই পর্বত প্রমাণ হতে পারবে না। (সুরা ইসরা: ৩৭)

28/09/2024

সাইয়েদুল ইস্তেগফার ক্ষমা প্রার্থনা চাওয়ার সব থেকে ভালো দোয়া। তাই সাইয়েদুল ইস্তেগফার দোয়াটির আরবী বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ দেওয়া হয়েছে।

সাইয়েদুল ইস্তেগফার আরবী উচ্চারণ।
اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا صَنَعْتُ، أبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْلِىْ، فَإِنَّهُ لاَيَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ

সাইয়েদুল ইস্তেগফার বাংলা উচ্চারণ।

আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ছানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।

সাইয়েদুল ইস্তেগফার বাংলা অর্থ।

‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ’তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই’।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sylhet

Opening Hours

Monday 09:00 - 15:00
Tuesday 09:00 - 15:00
Wednesday 09:00 - 15:00
Thursday 09:00 - 15:00
Saturday 09:00 - 15:00
Sunday 09:00 - 15:00