18/09/2020
IBA-DU 1st Asian team to reach finals with Harvard, Cambridge, Yale at prestigious HWS debate
Sajid Khandaker and Sourodip Paul from IBA-DU A, share their experience of becoming one of the best debate teams in the world.
07/09/2019
বিশ্বের যে কোনো খবর পেতে পেইজটি লাইক করুন।
05/09/2019
My Online School
ইউটিউবে অপপ্রচার বন্ধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাত....
03/09/2019
তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলা, আদেশ কাল
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে ইসলামকে ব্যঙ্গ করার অভিযোগে বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে করা মামলার আদেশ আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে। আজ সোমবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ স ম জগলুল হোসেন এ দিন নির্ধারণ করেন। মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আজ এ মামলার আদেশ দেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক আজ মামলার আদেশ প্রস্তুত করতে না পারায় আগামীকাল এ আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।
Advertisement
এর আগে গতকাল রোববার বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ স ম জগলুল হোসেনের আদালতে আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই দিন বিচারক বাদীর জবানবন্দি শুনে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান। মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল আরজিতে উল্লেখ করেন, আসামি একজন ভণ্ড। তিনি নিজেকে মুফতি দাবি করলেও ইসলাম সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান নিয়ে সন্দেহ আছে। ওয়াজ-মাহফিলে আসামি ভক্তদের নিয়ে নেচে গান গাওয়া শুরু করেন। তাঁর এসব কর্মকাণ্ড ইসলামে বিদআত বলে গণ্য। তিনি ইসলাম ধর্মের অপপ্রচারকারী, ভণ্ড ও প্রতারক। আরজি থেকে জানা গেছে, গত শনিবার সকাল ১০টায় বাদী ইব্রাহিম খলিল চেম্বারে এসে মেঘনা টিভি সিএম নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেখতে পান, ওয়াজে ইসলামকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। ওয়াজ করছিলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে ইসলামকে ব্যঙ্গ করার অভিযোগে করা মামলার আরজিতে বলা হয়, যেহেতু বাদী একজন বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক, পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, অত্যন্ত শান্তশিষ্ট, সহজ-সরল, দেশপ্রেমিক, আইন মান্যকারী একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক বটে। অপরদিকে আসামি (তাহেরী) একজন ভণ্ড, প্রতারক, স্বার্থপর, ধর্ম ব্যঙ্গ প্রচারকারী।
#সংগৃহীত
01/09/2019
ঘুম ঠিকঠাকমতো না হওয়ার ৫ ক্ষতি
ঘুম জরুরি। ঘুমের অসুবিধা হলে মন ও শরীরের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এমনকি নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়ার কিছু ক্ষতির বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি। আসুন, জানি সেগুলো।
১. মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব ফেলে রাতে ভালোভাবে ঘুম না হলে পরের দিন ক্লান্তি ভাব হয় এবং মনোযোগের অভাব ঘটে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়ায় মস্তিষ্কের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই মস্তিষ্ক ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান। ২. হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য জরুরি। ঘুমের অসুবিধা হৃদরোগ তৈরি করে। গবেষণায় বলা হয়, ঘুমের সমস্যা রক্তচাপ বাড়ায় এবং স্নায়ুর কার্যক্রম কমিয়ে দেয়। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত ঘুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ঠাণ্ডা, ফ্লু ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুমালে। ৪. বিষণ্ণতা ঘুমের সমস্যার সঙ্গে বিষণ্ণতার সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, বিষণ্ণতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের অনেক সময় ছয় ঘণ্টারও কম ঘুম হয়। আপনি বিষণ্ণতায় ভুগলে এবং ঘুমের অসুবিধা নিয়মিত হতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ৫. ত্বকের ক্ষতি মাত্র একটি রাত ঠিকঠাকমতো না ঘুমালে চোখ ফোলা ভাব, চোখের নিচে কালো দাগ, ত্বক মলিন হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। তাহলে একটু ভাবুন, মাত্র এক রাত ঠিকমতো না ঘুমালে কতটা ক্ষতি হয়! ঘুম কম হলে এটি সরাসরি ত্বকের নমনীয়তার ওপর প্রভাব ফেলে। অনেক সময় মানসিক চাপের কারণে ঘুম কম হয়। মানসিক চাপের সময় করটিসল হরমোন বের হয়। এই হরমোন ত্বকের প্রোটিনকে ভেঙে ফেলে, এতে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
01/09/2019
সুস্থ থাকতে মেনে চলুন ছয় নিয়ম
সুস্বাস্থ্যই জীবনের সকল সুখের মূল। সুন্দর আর সুস্থ জীবনের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাওয়া আর পর্যাপ্ত ব্যায়াম যেমন প্রয়োজন, তেমনি দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখাও অতি গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো একটি কমবেশি হলেই দেখা দিতে পারে সমস্যা। সুস্থ থাকতে ভালো খাবারের পাশাপাশি শরীরচর্চাতেও বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। সুস্থ জীবনধারার দীর্ঘমেয়াদি সুফল পেতে ছয়টি নিয়ম জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
১. ধৈর্য ধরে খান যখন খিদে পাচ্ছে, তখন খাচ্ছেন নাকি যখন ইচ্ছে হচ্ছে তখন খাচ্ছেন, এই দুইয়ের পার্থক্য বোঝা খুব দরকার। যখন প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন বা রেগে রয়েছেন বা প্রচণ্ড আনন্দেও থাকেন তখন খাবার খাওয়া থেকে সতর্ক থাকুন। কারণ, এই সময় আপনি অনিয়ন্ত্রিতভাবে খেয়ে ফেলতে পারেন। এ ছাড়া খাবার খাওয়ার সময় টিভি দেখা বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না। মন দিন খাবারে আর খাওয়ায়। কী খাচ্ছেন তাতে মনোনিবেশ না করলে বেশি খেয়ে ফেলবেন।২. সময়সূচি মেনে ব্যায়াম নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শরীরের জন্যই উপকারী নয়, মনের জন্যও ভালো। নিয়মিত যোগাভ্যাস ও ব্যায়াম ভালো থাকার হরমোনগুলোর প্রবাহ বাড়ায়। সে জন্য নিজের কাজ, মিটিং বা অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য সময় ঠিক করেন, তেমনই ব্যায়ামের জন্যও প্রতিদিন কিছু সময় বের করুন।৩. খাবার বাদ দেবেন না ওজন কমানোর তাড়াহুড়োয় প্রতিদিনের খাবার এড়িয়ে যাবেন না। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যেমন শরীরে যাবে না, তেমনই আপনার বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণও হয়ে উঠবে এই খাবার না খাওয়ার অভ্যাস। একবার খাবার না খাওয়া মানেই দ্বিতীয়বার খাবার সময় বেশি খেয়ে ফেলা। তার থেকে বরং নিয়মিত খান। সবজি আর নিয়ন্ত্রিত শর্করার মাত্রা বজায় রাখুন খাদ্য তালিকায়।৪. অন্য পানীয়ের বদলে পানি খান কোমলপানীয় পান করতে সবারই ভালো লাগে। তবে চেষ্টা করুন এগুলোর বদলে পানি খেতে। পানির উপকারিতা অসংখ্য। কোনো রকম ক্যালরির অদলবদল না ঘটিয়ে পানি আপনাকে সতেজ রাখে।৫. কিছু খাবার বাদ দিন জাঙ্কফুড ও চকলেটের জন্য লোভ হওয়া স্বাভাবিক। মনে রাখবেন, সুস্থ জীবনযাত্রা চালাতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু জিনিস বাদ দেওয়া ভালো। কোনো বিশেষ উপরক্ষে মাঝেমধ্যে এসব খেতে পারে, তবে বাদ দেওয়াটাই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।৬. অংশ নিয়ন্ত্রণ খাবারের টেবিলে বসে সবকিছুই চেখে দেখা ভালো ব্যাপার। তবে মনে রাখুন, সব চেখেই দেখলেও লোভে পড়ে বেশি খেয়ে নেবেন না। কতটা খাচ্ছেন তার ওপরেই ক
01/09/2019
স্ট্রবেরি খেলে কী হয়?
স্ট্রবেরি ফল দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি এর পুষ্টিগুণও যথেষ্ট। স্ট্রবেরির খোসা থেকে বীজ পুরো ফলই গুণাগুণে ভরা। হার্টের অসুখ, স্থূলতার মতো নানা সমস্যাতেই স্ট্রবেরি অন্যতম পথ্য হয়ে উঠতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই স্ট্রবেরি রাখা উচিত। স্ট্রবেরিকে প্রতিদিন ফল হিসেবে খেলে বা সালাদে মেশালে তার উপকারিতা অনেক। অনেকে পানি ঝরানো টক দইয়ের সঙ্গে এর শাঁস ও বীজ মিশিয়ে খায়, সেটিও উপাদেয়। তবে স্ট্রবেরি ফ্লেভারের কিছু খাওয়া মানে স্ট্রবেরির পুষ্টিগুণ পাচ্ছি, এমন ভাবা ঠিক নয়। সেখানে কেবলই গন্ধ ও সামান্য স্বাদের আভাসটুকুই মেলে। ডায়েটে প্রতিদিন স্ট্রবেরি রাখার উপকারিতার কথা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
ভিটামিন সি-এর প্রাচুর্য স্ট্রবেরির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ ছাড়া প্রচুর ভিটামিন এ, ফসফরাস ও ম্যাঙ্গানিজের জোগান দেয় এই ফল। তাই শরীরে ভিটামিন সি ও এ-র ঘাটতি মেটাতে ডায়েটে স্ট্রবেরি রোজ রাখতে পারেন।
স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। গরমে শরীরে পানির অভাব দূর করতে এই ফল অনেক কার্যকর।
স্ট্রবেরির বীজে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। হার্ট ভালো রাখতে ও খারাপ কোলেস্টেরলকে বের করে দিতে কাজে আসে এই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।
স্ট্রবেরির অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ও প্লান্ট কম্পাউন্ড রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ফল খুবই উপকারী।
শরীরের ফ্রি র্যাডিক্যালসকে বাড়তে দেয় না এই ফল, তাই ক্যানসারের শঙ্কা কমে।
01/09/2019
খালি পেটে চা খান? জেনে নিন ক্ষতি
যাপিত জীবনের সঙ্গে ওত প্রোত মিশেভাবে থাকা নাম চা। শরীরে চনমনে ভাব আনতে চা পছন্দ করেন অনেকেই। অবসর সময়ে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা পান যেন সময়কে উপভোগ্য করে তোলে। সকালে চোখ মেলেই চায়ের কাপে চুমুক দেওয়া অনেকের পুরোনো অভ্যাস। খালি পেটে চায়ে চুমুক দিতে বেশ পছন্দও করেন কেউ কেউ। কিন্তু সাবধান! ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজের এক প্রতিবেদনে খালি পেটে চা পানের ক্ষতিকর কিছু দিক তুলে ধরা হয়েছে। শখের এ অভ্যাস কীভাবে জীবনযাপনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, চলুন জেনে নেওয়া যাক :
* খালি পেটে কালো চা পান করলে পেট ফেঁপে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর ফলে পেটের মধ্যে অস্বস্তিবোধ তৈরি হয়। * খালি পেটে চা পানের অভ্যাস আপনাকে ফেলতে পারে অ্যাসিডিটি বা অম্বলের সমস্যায়। আর জানেনই তো, জীবনকে বিষিয়ে তুলতে অম্বলের জুড়ি মেলা ভার। * প্রাত্যহিক জীবনে গ্যাস্ট্রিকের সঙ্গে সখ্য হতে পারে খালি পেটে চা পানে। * খালি পেটে চা পানে বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে। চায়ে থাকা ট্যানিন শরীরে এক ধরনের অস্বস্তির উদ্রেক ঘটায়। * পরিমিত পরিমাণের বাইরে গিয়ে চা পান এমনিতেই ক্ষতিকর। সেইসঙ্গে তা যদি হয় খালি পেটে, তাহলে তো রোগের পোয়াবারো। দিনে চার থেকে পাঁচ কাপের বেশি চা খেলে পুরুষের প্রোটেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। * সুস্থতার জন্য শরীরে প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের সক্রিয়তা জরুরি। কিন্তু খালি পেটে চা পান পুষ্টি উপাদানগুলোর সক্রিয়তা হ্রাস করে। ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে ভোগে। * খালি পেটে কড়া লিকারের চা পানের অভ্যাস থাকে অনেকেরই। এবার সেই অভ্যাসের ধারাবাহিকতা নিয়ে নিশ্চয়ই ভাবতে শুরু করবেন অনেকে। কেননা, এ অভ্যাস আলসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। * আদা মিশ্রিত চা পান করতেও পছন্দ করেন কেউ কেউ। কিন্তু এ অভ্যাস আর গ্যাস্ট্রিককে নিমন্ত্রণ করা একই কথা।
01/09/2019
প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ এ আদেশ দেন।
Advertisement
সালমান শাহ হত্যা মামলার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ এনটিভি অনলাইনকে জানান, আজ মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন করে দিন ধার্য করেছেন। এদিকে আজ ঢাকার সিএমএম আদালতের সামনে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও বিচারের জন্য মানববন্ধন করেন সালমান শাহের ভক্তরা। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ নিহত হন। সে সময় তাঁর বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছিলেন। ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই সালমানের বাবা তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ এনে মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে একটি অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিএমএম আদালত অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যার অভিযোগটি একসঙ্গে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে একই বছরের ৩ নভেম্বর সিআইডি ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করে সিআইডি। একই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত সিআইডি পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। সিআইডির দাখিল করা প্রতিবেদনে সালমানের বাবা সন্তুষ্ট না হয়ে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করেন। ওই রিভিশন মামলার ওপর শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি ফের বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। এরপর ১২ বছর ধরে এ মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট সিএমএম বিকাশ কুমার সাহার কাছে মহানগর হাকিম ইমদাদুল হক বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনেও সালমান শাহের মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তী সময়ে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালতে আরেকটি নারাজি দাখিল করেন। এর শুনানি শেষে বিচারক মামলাটি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।