27/09/2021
আপনারা যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পড়ছেন পড়াশোনার পাশাপাশি আর কোন কোন কোয়ালিটিজ আপনাকে একজন আলাদা মানুষ করে গড়ে তুলবে তা নিয়ে কি ভাবছেন?
পড়াশোনা শেষ করে কতজন ভাবছেন চাকুরী করবেন?
যদি আপনার উদ্দেশ্য শুধুই একটি স্নাতক ডিগ্রী না হয়ে থাকে তবে আমাদের পরামর্শগুলো নিয়ে ভেবে দেখতে পারেন।
১.বই পড়তে ভালো লাগে এমন ছেলে-মেয়ের সংখ্যা খুব কম।আপনি জানেন কি বই পড়ার অভ্যাস আপনাকে যেকোনো বিষয় গুছিয়ে বলতে এবং লিখতে সাহায্য করে,যুক্তিশীল করে তুলে এবং চিন্তা-ভাবনাকে সম্প্রসারিত করে।ফলে যেকোনো চাকুরির পরীক্ষার ক্ষেত্রে আপনি ফোকাস রাইটিং এর মতো বিষয়গুলো অনায়াসে উতরে যেতে পারেন।
বই পড়তে ভালো লাগে না। কি করবো? আপনার জন্যে সমাধান হচ্ছে বই পড়া শুনতে থাকুন।you tube এ গেলে গল্পকথন by কল্লোল নামে একটি চ্যানেল পাবেন।সেখানে গিয়ে সৈয়দ মুজতবা আলির ছোটগল্প শুনুন। শুরুটা এইভাবে অল্প দিয়ে করুন।আস্তে আস্তে তা পড়ার অভ্যাসের দিকে নিয়ে যাবে।তবে মনের ইচ্ছাটাকে প্রবলভাবে আকড়ে থাকতে হবে।ভালো অভ্যাস তৈরি করা কষ্টসাধ্য বটে।
২. কয়েকজন ব্যক্তিকে ফলো করতে পারেন যারা নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বিষয়ক তথ্য দিয়ে থাকেন।তাদের মধ্যে অন্যতম একজন Dr Md Shajedur Rahman Shawon
৩.বিতর্ক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা চর্চার মাধ্যমে আপনাকে সাহসী, বাকপটু এবং অত্যন্ত যুক্তিশীল মানুষ করে গড়ে তুলবে। বিতার্কিকেরা আত্মবিশ্বাসী হয়।
৪.ইংরেজি এর দক্ষতা বাড়ান।ইংরেজি বই পড়ার চেষ্টা করুন।কিছু না বুঝলেও ১ মাস নিয়মিত আধা ঘন্টা করে পড়েই দেখুন না কি হয়। একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না -Consistency is the key to success! ইংরেজি দক্ষতা কেন প্রয়োজন তা আশা করি আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
৫.বই পড়ার শেষে সামারি লেখার অভ্যাস করুন।অনেক দ্রুত আপনার ফ্রী -হ্যান্ড -রাইটিং এর দক্ষতা তৈরি হবে।
৬.নিয়মিত কবিতা শুনুন।কবিতা মেডিটেশনের কাজ করে।
সব কিছুর পাশাপাশি নিয়মিত নিজের সাবজেক্টে ভালো দক্ষতা রাখুন।পড়াশোনা করুন।রেজাল্ট ভালো না হলে এই গুণগুলো ফিকে পড়ে যায় কিন্তু। 🙂