04/11/2025
অদ্য ০৪/১১/২৫ ইং মঙ্গল বার বিকাল ২.৩০ ঘটিকায় লালাবাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে লালাবাজার ইউনিয়ন এডুকেশন ট্রাস্ট ইউ, কে - এর উদ্যোগে লালাবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১১০ জন ছাত্র/ ছাত্রীকে ৫০০০/= টাকা করে মোট ৫,৫০,০০০/= ( পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ সহায়তা তহবিল বিতরন করা হয়। লালাবাজার ইউনিয়ন এডুকেশন ট্রাস্ট -এর উপদেষ্টা ও ল্যান্ডমার্ক শপিং মলের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল আহাদ - এর সভাপতিত্বে, ফাহিম মাহমুদ ফুরুক ও কাজী আব্দুল মালিক স্যার এর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জনাব, সারোয়ার আলম, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি জনাব, মাসুদ রানা, বিশেষ অতিথি হিসাবে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিন সুরমা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি, দক্ষিন সুরমা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা,( অত্র প্রতিষ্টানের সভাপতি) , প্রতিষ্টানের অধ্যক্ষ মহোদয়, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনাব আব্দুল জলিল, জনাব ফালাকুজ্জামান চৌধুরী জগলু, জনাব লোকমান আহমদ,জনাব আমিনুর রহমান চৌধুরী শিফতা, জনাব আব্দুল মুহিত,জনাব আব্দুল হক জগলু, জনাব জাহেদ আহমদ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
28/10/2025
✍️ সরকারের লাভ
👉 বাংলাদেশে মোট এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় করণের সমীকরণঃ-
★★★ কলেজঃ ৪,০০৭ টি।
মাধ্যমিকঃ ১৯,৮৪৮ টি।
মাদরাসাঃ ৯,৩৪১ টি।
সর্বমোট এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠান ৩৯,০৯২ টি।
★★★ শিক্ষকের সংখ্যাঃ-
কলেজঃ ১,১৭,৩৩৭ জন।
মাধ্যমিকঃ ২,৪৩,৫৫৩ জন।
মাদরাসাঃ ১,১৩,৩৬৮ জন।
কারিগরিঃ ৩২,৩৭৮ জন।
★★★ ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ
কলেজ ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ ৩৭,৬৭,৭৮৪ জন।
মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ ৯১,৬০,৩৬৫ জন।
মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ ২৪,৬০,৩০৫ জন।
কারিগরি ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ ৮,৭৫,২৭০ জন।
*মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা সর্বমোট ১,৬২,৬৩,৭২৪ জন।
★★★ প্রতি শিক্ষার্থী মাসিক ২০ টাকা হিসেবে বেতন দিলে বার্ষিক আয় হবে (১.৬২.৬৩.৭২৪*২০*১২)= ৩৯০ কোটি টাকা।
★★★ ভর্তি ফি/ সেশন ফি শিক্ষার্থী প্রতি গড়ে ৪০০ টাকা হলে গড় আয় হবে(১,৬২,৬৩,৭২৪*৪০০)= ৬৫০ কোটি টাকা।
★★★ অন্যান্য আয় প্রতি প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ৫০ হাজার ধরে ( ৩৯,০৯২*৫০,০০০)= ২০০ কোটি টাকা।
★★★ সরকার এমপিও বাবদ বর্তমানে বার্ষিক দেয় ১৪২৫ কোটি টাকা।
আর জাতীয়করণ করলে লাগবে ২৫০০ কোটি টাকা।
*** সরকারের বার্ষিক আয় হবে ( ১৪২৫+৩৯০+৬৫০+২০০)=২৬৬৫ কোটি টাকা।
*** সরকারের বার্ষিক উদ্বৃত্ত থাকবে ((২৬৬৫-২৫০০))=১৬৫ কোটি টাকা।
মাননীয় প্রধানউপদেষ্টা
আপনি সরল হিসেব অনুযায়ী এমপিও ভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করুন। তাতে আপনার সরকারের অতিরিক্ত কোন ফান্ড বা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না। শুধু আপনার সদিচ্ছার প্রয়োজন। একটা কথা মনে রাখবেন আপনিও কোন না কোন শিক্ষকের ছাত্রী ছিলেন।
16/09/2025
লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে চান্স প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা এখন পযর্ন্ত ভর্তি সম্পন্ন করোনি তারা আগামী ১৭/০৯/২০২৫ তারিখ বেলা ৪ ঘটিকার মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে ।
06/09/2025
লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরে তা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
24/08/2025
লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি ও কলেজ শাখার প্রতিষ্ঠাতা জনাব আলহাজ্ব ফজলুল গণি চৌধুরী এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়
অনুষ্ঠানে তাঁর শিক্ষা উন্নয়নে অসামান্য অবদান, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও দানশীলতার দিকগুলো তুলে ধরা হয়, পাশাপাশি আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও কুরআনে খতম পড়া হয়
এ আয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
31/07/2025
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য অভিভাবক সমাবেশের কিছু স্থির চিত্রঃ
🥰🥰বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সম্মানিত অভিভাবকদের, যারা সময় বের করে এখানে উপস্থিত হয়েছেন এবং সন্তানের শিক্ষাজীবনে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হয়েছেন। এই ধরণের সহযোগিতা আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও সফল করে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।
11/07/2025
📖 ফলাফল: বিপর্যয় না আলোর পথ
বর্তমানে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এক সংকটময় সময়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। নানা সামাজিক ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনেও এসেছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে ‘ফলাফল’ কেবলই নম্বর নয়, বরং সেটি সমাজ ও জাতির ভবিষ্যত দিক নির্দেশক। আজ আমরা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বিশ্লেষণ করব, যা এই ফলাফলের গতিপথ নির্ধারণ করছে।
📱 ১. স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ?
বর্তমান প্রজন্মের হাতে স্মার্টফোন থাকা খুব স্বাভাবিক বিষয়। একদিকে এটি জ্ঞান আহরণের সহজ মাধ্যম হলেও, অন্যদিকে এটি শিক্ষার্থীদের সময় নষ্টের সবচেয়ে বড় কারণ।
অনেক শিক্ষার্থী পড়ালেখার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া, গেমস ও ইউটিউবে অধিক সময় ব্যয় করছে। এর ফলে পড়ালেখায় আগ্রহ কমে যাচ্ছে এবং ফলাফলের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।
সমাধান:
শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহারে সময় নির্ধারণ এবং শিক্ষামূলক অ্যাপ ও ভিডিও দেখার প্রতি আগ্রহী করা প্রয়োজন।
📜 ২. শিক্ষকের শাসনের বিরুদ্ধে আইন: শিক্ষার শৃঙ্খলায় প্রভাব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একসময় শিক্ষকের শাসন শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবোধ তৈরি করত। বর্তমানে নানা আইনি বিধিনিষেধের কারণে শিক্ষকরা অনেক সময় প্রয়োজনীয় শাসনও করতে ভয় পান। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুশাসন কমে যাচ্ছে এবং পড়ালেখায় উদাসীনতা বাড়ছে।
সমাধান:
শিক্ষকের শাসন যেন মানবিক ও গঠনমূলক হয় — এই বিষয়ে নীতিমালা তৈরি এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষক পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে সচেতনতা কার্যক্রম প্রয়োজন।
👨👩👦 ৩. অভিভাবকের অসচেতনতা: সন্তানের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে
অনেক অভিভাবক সন্তানের পড়ালেখার খবর নেন না বা নিয়মিত খোঁজ রাখেন না। ফলে সন্তানের পড়াশোনা বা মানসিক অবস্থার অবনতি হলেও তা অজানাই থেকে যায়। এই উদাসীনতা ফলাফলের নেতিবাচক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখছে।
সমাধান:
অভিভাবকদের সচেতন করতে স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত অভিভাবক সভা এবং কাউন্সেলিং সেশন আয়োজন করা জরুরি।
🌟 সঠিক মূল্যায়নে ফিরছে শিক্ষা
😊এই সংকট কাটিয়ে উঠতে হলে প্রয়োজন সঠিক মূল্যায়ন। শুধুমাত্র নম্বর নয়, শিক্ষার্থীর মেধা, আচরণ, সৃজনশীলতা ও মানসিক স্বাস্থ্যও মূল্যায়নের আওতায় আনতে হবে। বর্তমান শিক্ষা নীতিতে ইতোমধ্যে এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা চলছে।🥰
আশা করা যায়, সঠিক মূল্যায়ন ও সচেতনতার মাধ্যমে শিক্ষা আবার আলোর পথেই ফিরবে এবং শিক্ষার্থীরা হবে জাতির যোগ্য ভবিষ্যৎ নির্মাতা।🥰
✨ শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড। একে রক্ষা করা ও উন্নত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। প্রযুক্তি, আইন ও অভিভাবকের ভূমিকাকে সঠিকভাবে সমন্বয় করলে ফলাফল হবে আলোর পথের দিশারি।👌
10/07/2025
আলহামদুলিল্লাহ
এস.এস.সি পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন!
এই বছর মোট ৬৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে:
- 🅰️ গ্রেড পেয়েছে: ২০ জন
- 🅰️− গ্রেড পেয়েছে: ৭ জন
- 🅱️ গ্রেড পেয়েছে: ১৭ জন
- 🅲 গ্রেড পেয়েছে: ২২ জন
পাসের হার ৮৭.৬৭%! 🎯
এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষকদের নিবেদন এবং অভিভাবকদের সহানুভূতির ফল।
তোমাদের এই অর্জন ভবিষ্যতের পথ আরও উজ্জ্বল করুক — এই কামনা রইল। ✨