School of History

School of History

Share

ইতিহাস পাঠের বিকল্প স্কুল ।

14/06/2025

কুরআন ও হাদিসের কাসাস বা কাহিনিগুলোকে কী বলা যায়—ইতিহাস, মিথ, লিজেন্ড, না অন্য কিছু?

কোনও ঘটনা ইতিহাস হতে হলে, তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ডকুমেন্টেড হতে হয়।

অবিশ্বাসী বা সেক্যুলার-লিবারেল দুনিয়া ধর্মীয় কাহিনিকে মিথ (পুরাণ) বা লিজেন্ড (কিংবদন্তি) হিসেবে বিবেচনা করে।

বিশ্বাসীদের কাছে তো এগুলো বাস্তব সত্য এবং ইসলামের ইতিহাস।

কিন্তু আধুনিক একাডেমিয়াগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ডকুমেন্ট না থাকলে সেসবকে ইতিহাস হিসেবে গণ্য করে না; বরং মিথ বা লিজেন্ড ঘরানায় অভিহিত করে।

আমরা যদি জোর খাটিয়ে ইতিহাস বলি, তাহলেও সমস্যা থেকেই যায়।

কারণ, ইতিহাস বাস্তব সত্য নাও হতে পারে, ডকুমেন্টেশনে ভুল থাকতে পারে।
এছাড়া, ইতিহাস নিয়ে সন্দেহ করা যায়, আপত্তি বা প্রশ্ন তোলা যায়—এমনকি অস্বীকারও করা যায়।

বিপরীতে, বিশ্বাসীরা এগুলোকে বাস্তব ও প্রামাণ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

ধর্মীয় কাহিনির বৈশিষ্ট্য কী?

আসলে, ধর্মীয় কাহিনিগুলো ডকুমেন্ট-সাপেক্ষ নয়, বরং পরম্পরা বা সিলসিলা-নির্ভর।

বিশ্বাসীরা এইগুলোর সত্য-মিথ্যা ডকুমেন্ট দিয়ে যাচাই করে না; বরং প্রধান ধর্মগ্রন্থে ঠিকঠাক আছে কি না, সেটাই বিবেচ্য হয়।

ধর্মগ্রন্থে সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকলে, একাডেমিয়ায় ডকুমেন্টেশনের প্রশ্নটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।

তাহলে ধর্মীয় কাহিনিগুলোকে আমরা কোন ঘরানা বা ধারায় ফেলব?

উত্তর হলো: থিওহিস্ট্রি।
থিওলজি বা ধর্মতত্ত্বের ‘থিও’ এবং হিস্ট্রি বা ইতিহাস—এই দুই মিলে হয় থিওহিস্ট্রি।

সুতরাং বলা যায়, থিওহিস্ট্রি হলো কিতাবে বর্ণিত কাহিনি বা কাসাস।

ইসলামের ক্ষেত্রে, কুরআন ও হাদিসের কাহিনিগুলোই থিওহিস্ট্রি।

Helal Hamam

20/12/2024

ইতিহাস পাঠের বিকল্প পাঠশালায় আমরা ইতিহাস পড়ি, ইতিহাস বলি ও আগামীর ইতিহাস গড়তে কাজ করি।

এই কাজে আপনার শরিকানা প্রত্যাশা করি আমরা।

আধুনিক ইউরোপের মন ও উত্তরাধুনিকতার দিকে যাত্রা। Toufikul Islam Rasel | Speech | School of History 18/11/2024

সভ্যতার দিকে ইউরোপের শুরুর যাত্রা ও আধুনিকতা থেকে উত্তরাধুনিকতার দিকে পথচলা নিয়ে তৌফিক রাসেলের নির্মোহ আলোচনা।

আধুনিক ইউরোপের মন ও উত্তরাধুনিকতার দিকে যাত্রা। Toufikul Islam Rasel | Speech | School of History আধুনিক ইউরোপের মন ও উত্তরাধুনিকতার দিকে যাত্রা: ক্রুসেডের সময় থেকে ইউরোপীয় চিন্তাধারার বিবর্তণ এই বক্তৃতায় তৌফ.....

জুলাই বিপ্লব, সংগ্রামের সিলসিলা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ | Helal Hamam | Jamil |Delta Podcast| Ep. 01 13/11/2024

দেখুন, শুনুন.....

জুলাই বিপ্লব, সংগ্রামের সিলসিলা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ | Helal Hamam | Jamil |Delta Podcast| Ep. 01 এই এপিসোডে, **স্কুল অব হিস্ট্রির চেয়ারম্যান হেলাল হামাম** আলোচনা করেছেন **জুলাই-আগস্ট বিপ্লব** পরবর্তী বাংলাদেশের ভব...

12/11/2024

রেকর্ড করা হয়েছিল জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের ঠিক পরপরই৷ সম্পাদনায় হাত দেওয়া হয়নি অনেকদিন। অবশেষে, School of History এর ক্রিয়েটিভ টিমের সদস্যরা কাজে হাত দিয়েছে।

ইনশাআল্লাহ, পুরো পডকাস্টটি ইউটিউব-ফেসবুকে পাওয়া যাবে এ সপ্তাহের মধ্যেই।

15/10/2024



আঁকিয়ে || রুকাইয়া হাবিবা

#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

12/10/2024

‘'ফিলিস্তিন সমস্যা আমাদের; আমাদেরকেই এর সমাধান করতে হবে। অস্ত্র ধরে প্রতিরোধে নামতে হবে। আরবের কোন দেশ বা আন্তর্জাতিক শক্তি সাহায্য করতে আসবে না।’’
– শেখ আহমেদ ইয়াসিন

হুইলচেয়ারে বসে ইসরাইলের ভিত কাঁপানো সংগঠন হামাসের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শেখ আহমেদ ইয়াসিন। তাঁকে শায়খুল মুকাওমাহ (প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতা) বলা হয়। শেখ আহমেদ ইয়াসিন ১৯৩৬ সালের ২৮শে জানুয়ারি আসকালানের জুরাহ নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম আব্দুল্লাহ ইয়াসিন এবং মাতার নাম সা'দা আল হাবেল। তিন বছর বয়সে পিতার মৃত্যুতে তিনি এতিম হয়ে পড়েন। আব্দুল্লাহ ইয়াসিনের চার ছেলে ও দুই মেয়ে ছিলো।

১৯৪৮ সাল। জায়োনিস্ট ইসরাঈল কর্তৃক বিপর্যয় ‘আল নাকবা’য় মজলুম ফিলিস্তিনিরা হত্যা, লুন্ঠন ও বাধযতামূলক দেশছাড়া হচ্ছেন। গ্রামের পর গ্রাম ইসরাঈল কর্তৃক ধ্বংস ও দখল হচ্ছে। এইসময় শেখ ইয়াসিনের গ্রামও ইসরাইল দখল করে নেয়। নিজ দেশেই উদ্বাস্তু হয়ে তারা আশ্রয় নেন গাজার আল শাতিঈ শরণার্থী শিবিরে। শরণার্থী শিবিরে প্রচন্ড কষ্টের মধ্যে তাদের জীবন কাটতে থাকে। শৈশবেই নিজ দেশে পরবাসী হওয়ার যে কষ্ট, যে বেদনা– তা শেখ ইয়াসিনের মনে ইসরাঈলি হানাদার বাহিনীর প্রতি তীব্র ঘৃণা জন্মায়।

বালক বয়স থেকে তিনি খুব সাহসী ছিলেন। বন্ধুদের সাথে প্রায়ই কুস্তি খেলতেন। শরণার্থী শিবিরে থাকাকালীন, ১২ বছর বয়সে, বন্ধু আব্দুল্লাহর সাথে কুস্তি খেলতে গিয়ে মেরুদণ্ডে প্রচন্ড আঘাত পান। সেই থেকে আহমেদ ইয়াসিন সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যান। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতা সত্ত্বেও তাঁর মধ্যে জ্ঞানের প্রচন্ড স্পৃহা ছিল।

উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি কায়রোর আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। কিন্তু ক্রমান্বয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তিনি গাজায় ফিরে আসেন। তবে তিনি দমে যাননি। বাড়িতে বসেই দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও ধর্মীয় নানা বিষয়ে পারদর্শী হন।

কর্মজীবনের শুরুতে নিজ এলাকার মসজিদে ইমামতি করতেন। জুমার খুতবায় তিনি ফিলিস্তিনি জাতির মুক্তির জন্য নানা বিষয় আলোচনা করতেন। বিশেষ করে তরুণরা তাঁর কথায় খুব আকৃষ্ট হত। পাশাপাশি তিনি একটি স্কুলেও শিক্ষকতা করতেন। ১৯৬০ সালে শেখ আহমেদ ইয়াসিন হালিমা নামক তার এক আত্মীয়কে বিয়ে করেন। ইয়াসিন-হালিমার সংসারে এগারো জন সন্তান জন্ম নেয়। গাজার এই প্রিয় নেতা সাদাসিধে জীবন-যাপন করতেন।

মিসরের ইখওয়ানুল মুসলিমিনের আন্দোলন দেখে তিনি ফিলিস্তিনে প্রতিরোধ আন্দোলনের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ হন। সেই লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালে তিনি ফিলিস্তিনে ‘আল মু’জামা আল ইসলামিয়াহ’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠন জনসেবা ও সমাজসেবামূলক কাজ করতে থাকে। ১৯৮০ সালে সংগঠনটি ‘আল মুজাহিদ আল ফিলিস্তিনিয়্যুন’ নামে পরিবর্তীত হয়।

'মাজদ'- এই সাংকেতিক নামে শত্রুদের উপর হামলা চালাতে থাকে তাঁর শিষ্যরা। তিনি ১৯৯৪ সালে ইসরাইল কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। তাকে ১৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়। কিন্তু ১৯৮৫ সালে বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে মুক্তি পান। ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদার (গণ-অভ্যুত্থান) সময় আহমেদ ইয়াসিন ছয়জন সঙ্গী নিয়ে 'হারাকাত আল মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া' (হামাস) প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত এটি করা হয়েছিল প্রতিরোধ আন্দোলনের অংশ হিসাবে। আহমেদ ইয়াসিন তখন এই সংগঠনের আধ্যাত্মিক নেতা হন।

১৯৮৮ সালে গৃহীত হয় 'হামাস চার্টার', যার লক্ষ্য ছিলো অধিকৃত ফিলিস্তিন থেকে দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো। এরপর হামাসের সামরিক শাখাও গড়ে তোলা হয়। ১৯৮৯ সালে ইসরাইল কর্তৃক তিনি আবার গ্রেপ্তার হন এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু ১৯৯৭ সালে জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে একটি চুক্তির অংশ হিসাবে মুক্তি পান।

শেখ আহমেদ ইয়াসিনকে শত্রুরা হত্যা করার জন্য বহুবার চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়। অবশেষে ২০০৪ সালের ২২শে মার্চ ভোরে হুইলচেয়ারে করে ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় ৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইসরাইল। এতে শেখ আহমেদ ইয়াসিন শাহাদাতবরণ করেন। সাথে তাঁর দুই ছেলে ও কয়েকজন সহকর্মী শাহাদাতবরণ করেন।

এভাবে সারাজীবন আন্দোলন-সংগ্রাম করে ফিলিস্তিনিদের মুক্তির পথ দেখিয়ে এ মহানায়ক দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংগঠন এখনও ইসরাঈলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

মারুফ আহমদ ||

#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

12/10/2024

"OUR FREEDOM IS INCOMPLETE WITHOUT THE FREEDOM OF PALESTINE."

আঁকিয়ে || রুকাইয়া হাবিবা

#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

10/10/2024

ফ্রি পেলেস্টাইন!!!

আঁকিয়ে: তানজিনা রুহি

#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

08/10/2024

School of History আয়োজিত ফিলিস্তিন #ফিলিস্তিন_সংহতি_সপ্তাহ গতকাল শেষ হলো।
কিন্তু ফিলিস্তিনের প্রতি আমাদের সংহতি অব্যাহত থাকবে।
আমরা আগ্রাসনকারীদের সকল মিথ্যার জাল ধূলিস্যাৎ করে ইতিহাসের সঠিক বয়ান আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

07/10/2024

ফিলিস্তিনে ইজরাইলি আগ্রাসনের এক শতাব্দী ||

৭ অক্টোবর || স্কুল অব হিস্ট্রি

#ফিলিস্তিন_সংহতি_সপ্তাহ
#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

07/10/2024

"যে কাঁদে কাঁদুক তবু লিখি ফুটনোট,
ফুল তুই তেল আবিবে বোমা হয়ে ফোট!
[ ইমতিয়াজ মাহমুদ ]

আঁকিয়ে || সাইয়্যিদা মাইমুনা

#ফিলিস্তিন_সংহতি_সপ্তাহ
#ইন্তিফাদা_জিন্দাবাদ

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sylhet