Quarterly Sabah-ত্রৈমাসিক সাবাহ

Quarterly Sabah-ত্রৈমাসিক সাবাহ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quarterly Sabah-ত্রৈমাসিক সাবাহ, Educational Research Center, 425 West Sonarpara, Shahhjalal Uposhohor, Sylhet.

19/03/2026

একটি চমৎকার হাদিস পড়লাম।

মূলত এটি হাদিসে কুদসি। মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে ৬টি প্রশ্ন করেছিলেন। এর মধ্যে একটি প্রশ্ন নিয়ে মূলত আলোচনা। হাদিসটি বায়হাকি, শুআবুল ঈমান গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসের রাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.)। এটি মারফু এবং মুত্তাসিল সনদে বর্ণিত। অধ্যাপক মফিজুর রহমান হাফি. তাঁর ‘নির্বাচিত দারসুল হাদিস’ গ্রন্থে এই হাদিসের চমৎকার ব্যাখা এনেছেন। প্রাসঙ্গিক কুরআনের আয়াত ও হাদিস চয়ন করেছেন।

৬টি প্রশ্নের মধ্যে ৫নং প্রশ্ন ছিল, মুসা (আ.) আল্লাহ তায়া’লাকে প্রশ্ন করেছিলেন—প্রভু, আপনার বান্দাদের মধ্যে কে বেশি ধনী? আল্লাহ তায়া’লা উত্তরে বললেন, আমি যা দিয়েছি তাতে যে বান্দা পরিতুষ্ট থাকে, সেই সবচেয়ে বেশি ধনী। একটি বিষয় চিন্তা করুন। আল্লাহ তায়া’লা কিন্তু উত্তরে বলেননি যে, যার সম্পদ বেশি সে সবচেয় বেশি ধনী। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি তাঁর মালিকের থেকে প্রাপ্ত জিনিস তথা সম্পদের ওপর পরিতুষ্ট সেই সবচেয়ে ধনী। আমরা সম্পদ অর্জনের জন্য কত লালায়িত থাকি। এর জন্য আমরা হারাম-হালালের বাছ-বিচার করি না। অথচ আল্লাহ তায়া’লা বলেছেন, নিজের কাছে যা আছে, তাতেই পরিতুষ্ট থাকো। এটাই তোমার ধনী হওয়ার কারণ হবে।

একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘প্রকৃত ঐশ্বর্য মানুষের হৃদয়ে’। এটা ঠিক—যে মানুষ অন্তরের দিক থেকে ধনী, তার মতো ঐশ্বর্যশালী আর কেউ হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে আমার খুব মনে পড়ছে উস্তাদ নোমান আলী খানের একটি কথা। তিনি বলেছেন, আমি ১৫ বছর কুরআন নিয়ে গবেষণা করেছি। কিন্তু কোথাও সুখ শব্দ খোঁজে পাইনি। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম যে, আল্লাহ তায়া’লা এমন একটি বিষয় কেন এড়িয়ে গেলেন। তবে আমি যেটা পেয়েছি, সেটা হচ্ছে—তুষ্ট থাকো। অর্থাৎ, আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তাতেই খুশি থাকো। সন্তুষ্ট থাকো।
হাদিসটি সবার জন্য একটি শিক্ষা হতে পারে। ধরুন, কোনো একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরি করছে! কিন্তু তার আফসোস, সে কেন কলেজের শিক্ষক হলো না। অথচ তার এটা ভাবা উচিত ছিল যে, অসংখ্য মানুষ সেই চাকুরিই পাচ্ছে না। তার বরং নিজের অবস্থান নিয়ে খুশি থাকা উচিত ছিল। এটাই হয়তো তার প্রাচুর্যবান হওয়ার আলামত হিসেবে থাকতো। অথচ সে সবসময় নিজের অবস্থান নিয়ে সবচেয়ে নাখুশি। এটা তাকে মানসিক দিক থেকে আরও বেশি গরিব করে তুলে। এমনিভাবে প্রত্যেক মানুষেরই উচিত নিজের অবস্থান নিয়ে খুশি থাকো। সবসময় নিজের চেয়ে কম অবস্থাসম্পন্ন মানুষের দিকে তাকালে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতায় মনটা ভরে যাবে। আসুন, আল্লাহ তায়া’লা আমাদেরকে যা দিয়েছেন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকি। এর মাধ্যমে নিজেদেরকে আত্মিকভাবে ধনী ও বিত্তবান হিসেবে গড়ে তুলি। আল্লাহ আমাদেরকে সেই তৌাফিক দান করুন।
----ক্বারী আব্দুল বাছিত

08/03/2026

প্রফেসর ড. সৈয়দ মুহাম্মদ নকিব আল আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ (১৯৩১-২০২৬)। বিংশ শতাব্দীতে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ, দার্শনিক, আলেম, সভ্যতা বিশারদ ও শিক্ষাবিদ। গত শতাব্দীর ইসলামী জ্ঞানের পুনর্জাগরণের অন্যতম নক্ষত্র এবং মুতাফাক্কির তিনি। এই মহান ব্যক্তিত্ব আজ ৮ মার্চ ২০২৬-এ (রোবার, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬:৪৭ মিনিট) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ইন্তিকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। সোমবার সকালে কুয়ালালামপুরের বুকিত কিয়ারা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

ড. আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ সমকালীন মুসলিম বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কিংবদন্তি। জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তাঁর ছিল অসাধারণ দখল। বিশেষ করে আকিদা, দর্শন, মেটাফিজিক্স, ইতিহাস ও সাহিত্য বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ছিল বিস্ময়তুল্য। তাঁর মনীষাচৈতন্য সম্পর্কে সমকালীন যুগের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ এবং স্কলাররা মূল্যায়নপূর্বক বক্তব্য রেখেছেন।

ড. আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল জ্ঞানকে উপনিবেশায়নের প্রভাব থেকে মুক্ত করা। তিনি হাকিকতভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র জ্ঞানচর্চার ধারা প্রতিষ্ঠা করে জ্ঞানকে প্রয়োগিক করে তুলেছিলেন। তিনি এক্ষেত্রে অগ্রণী এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর চিন্তা ও গবেষণা সমকালীন মুসলিম বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং ইসলামী জ্ঞানতত্ত্বের পুনর্জাগরণে তিনি রেখে গেছেন অবিস্মরণীয় অবদান। অর্থাৎ, আধুনিক যুগে 'ইসলামাইজেশন অব নলেজ' ধারণার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে সুনাম ও প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

ড. আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ-এর প্রস্তাবিত জ্ঞানের ইসলামায়ন, ইসলামী দর্শন, আখলাক প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর অসামান্য অবদান মুসলিম উম্মাহকে সমৃদ্ধ করেছে দীর্ঘ এক শতক যাবত। শুধু তাই নয়, তাঁর চিন্তাদর্শন আরও শতাব্দীর পর শতাব্দী মুসলিম উম্মাহকে পথ দেখাবে নিঃসন্দেহে।

ড. আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ তাঁর জীবদ্দশায় মালে সভ্যতা, ইসলামী ইতিহাস, দর্শন বিষয়ে ৩০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। এছাড়া অসংখ্য অগণিত গবেষণা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি হিসেবে জ্ঞানের ইসলামায়নের ওপর বক্তব্য রেখেছেন। ভালোবাসা অর্জন করেছেন অসংখ্য অগণিত ইসলামিক চিন্তাবিদ এবং স্কলারের। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মাঝে রয়েছে: ১. Islam and Secularism, ২. Historical Fact and fiction, ৩. The Concept of Education in Islam: A Framework for an Islamic Philosophy of Education, ৪. Prolegomena to the Metaphysics of Islam, Islam: The Covenants Fulfilled প্রভৃতি। এসব গ্রন্থে তিনি আধুনিকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, শিক্ষা ও ইসলামী বিশ্বদৃষ্টির সম্পর্ক নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁর লেখালেখিতে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়—ইসলাম শুধু একটি ধর্মীয় আচারব্যবস্থা নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সভ্যতা ও জ্ঞানব্যবস্থা। তিনি মুসলিম সমাজকে আত্মপরিচয়, জ্ঞানচর্চা ও সভ্যতাগত আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর চিন্তাধারা মুসলিম চিন্তাবিদদের জন্য অনুপ্রেরণা ও পথনির্দেশক হয়ে থাকবে।

ড. আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন মালয়েশিয়ার একটি রাজপরিবারের সন্তান। ১৯৩১ সালে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে এক সম্মানিত মুসলিম পরিবারে তাঁর জন্ম। তাঁর বংশধারা আরব ও মালয় ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল। পারিবারিক পরিবেশেই তিনি ইসলামী জ্ঞান, আধ্যাত্মিকতা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হন। সত্যিকার অর্থেই তিনি একটি রাজকীয় জীবন অতিবাহিত করেছেন। একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম হিসেবে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল সুন্দা ও জোহরের রাজপরিবারের সাথে। যৌবনের শুরুতেই তিনি রয়েল স্যান্ডহার্টস মিলিটারি একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেন। এরপর মালয় ইউনিভার্সিটি, ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি ও সোয়াস ইউনিভার্সিটিতেও অধ্যয়ন করেছেন। তিনি লন্ডনের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (SOAS) থেকে পিএইচডি (PhD) ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। তিনি এ.জে. আরবেরি এবং মার্টিন লিংসের তত্ত্বাবধানে 'দ্য মিস্টিসিজম অফ হামজাহ ফানসুরি' (The Mysticism of Hamzah Fansuri) শীর্ষক দুই খণ্ডের থিসিসের উপর এই ডক্টরেট সম্পন্ন করেন। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র ছিল ইসলামী দর্শন, সভ্যতা, ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষাতত্ত্ব। এছাড়া তিনি ধর্মতত্ত্ব ও ম্যাটাফিজিক্স নিয়ে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন। যা তাঁকে শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্কলারে পরিণত করেছিল। তিনি জ্ঞানকে কেবল বাহ্যিক বেশভূষায় রূপ দিতে রাজি ছিলেন না; বরং পরিভাষা ও অর্থবহতা এবং বাস্তবিক ও প্রায়োগিক অনুশীলনের মধ্য দিয়ে ইসলামীকরণের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি মূলত মুসলিম সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেছেন। তাঁর মতে, ঔপনিবেশিক যুগের প্রভাব এবং পাশ্চাত্য চিন্তার একচেটিয়া আধিপত্য মুসলিম সমাজকে নিজেদের জ্ঞানতাত্ত্বিক ভিত্তি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তিনি 'ইসলামাইজেশন অব নলেজ' বা জ্ঞানের ইসলামায়নের ধারণা সামনে আনেন। তাঁর দৃষ্টিতে জ্ঞানকে ইসলামী বিশ্বদৃষ্টি, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার আলোকে পুনর্গঠন করা জরুরি। সে জন্য শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক পুনর্জাগরণের লক্ষ্যে তিনি ১৯৮৭ সালে মালয়েশিয়ায় জীবন্ত সভ্যতা হিসেবে আন্দালুসিয়ার আলোকে গড়ে তুলেছিলেন ISTAC. তাঁর অনন্য ও অসাধারণ কীর্তি হচ্ছে International Institute of Islamic Thought and Civilization (ISTAC) প্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে তিনি নিজেকে সভ্যতা বিশারদ হিসেবে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়ের মধ্যেই ইসলামী দর্শন ও সভ্যতা বিষয়ক গবেষণার একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে। মুসলিম বিশ্বের বহু গবেষক ও চিন্তাবিদ এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা লাভ করেছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় চার দশক ধরে ইসলামী চিন্তা, গবেষণা এবং সভ্যতার আলোকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ড. আত্তাস রাহিমাহুল্লাহ-এর ইন্তেকালে মুসলিম উম্মাহ একজন মহান দার্শনিক, দূরদর্শী চিন্তাবিদ, আলেম, সভ্যতা বিশারদ, জ্ঞানসাধক, প্রাজ্ঞ বুদ্ধিজীবী ও রাহবারকে হারালো। তাঁর মতো স্কলার আর পৃথিবীতে আসবেন কি না সন্দেহ আছে। তিনি শুধু একজন আলেম নন; বরং ছিলেন এক দূরদর্শী চিন্তাবিদ, যিনি ইসলামী জ্ঞানতত্ত্ব ও শিক্ষার পুনর্গঠনের প্রশ্নে একটি শক্তিশালী ধারার সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁর রচনা, চিন্তা ও ইলমি উত্তরাধিকার বহু বছর ধরে জ্ঞান ও হিকমতের পথে চলা মানুষদের আলোকিত করতে থাকবে। তাঁর চিন্তাদর্শন এবং জীবনকর্ম উম্মাহকে যুগের পর যুগ ধরে আলোকিত দিনের বার্তা দেবে। তিনি বেঁচে থাকবেন ইসলামপ্রিয় ইলমে ওহির পিপাসু ব্যক্তিত্বের মাঝে। আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা দান করুন, তাঁর সকল খিদমত কবুল করুন এবং তাঁর রেখে যাওয়া জ্ঞানের আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার তাওফিক আমাদেরকে দান করুন। আমিন।

28/02/2026

আল্লামা ইকবাল বলেছিলেন,
শের কি সার পে বিল্লি খেল রাহি
ক্যায়সা হ্যায় মুসলমাঁ কা বদ নসিব
শা/হা/দা/ত কি তামান্না ভুল গ্যায়ি
তাসবিহ কা দানুঁ মে জান্নাত ঠুড রহি।
‘সিংহের মাথার উপর বসে খেলা করছে বিড়াল
এ কেমন মুসলমানের দুর্ভাগ্য
শাহাদাতের আকাঙ্ক্ষা চলে গেছে
তাসবিহের দানার মধ্যে খুঁজছে জান্নাত।’

মুসলিম ছিল সিংহ। সেই সিংহ আজ বিড়াল থেকেও নীচুস্তরে নেমে গেছে। প্রতিনিয়তই গোলামি করে যাচ্ছে তা/গু/তের। কিন্তু পুরো বিশ্বে একটি সিংহ বেঁচে আছে। প্রতিনিয়তই হুংকার দিচ্ছেন তা/গু/তের বিরুদ্ধে। সেই সিংহ হচ্ছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি কুফফারদের কাছে মাথা না নুইয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন সংগ্রা/ম। বর্তমান দুনিয়ায় এই মানুষটির নাম স্মরণ হতেই এক অদ্ভুত শিহরন কাজ করে। তাঁর চেহারা দেখলেই মনে হয়, আহ! এমনই বুঝি ছিলেন আমাদের সালফে সালিহিনরা!

আল্লাহ! এই মানুষটিকে সুস্থ রাখুন, নিরাপদে রাখুন। তোমার কুদরতের দৃষ্টি যেন প্রতিটি মুহূর্ত তাঁকে ঘিরে রাখে। রামাদানের এই পবিত্র ও বরকতি সময়ের দোয়া কবুল করুন।

15/02/2026

আজ সোনালী কাবিন খ্যাত বিশ্বাসের কবি আল মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি পৃথিবীর মায়া ছেড়ে অনন্তকালের দিকে পাড়ি জমান। যেই অনন্তকালের কথা তিনি উল্লেখ করেন ‘আমাদের মিছিল’ কবিতায়। কবি আল মাহমুদ ছিলেন বিরল প্রতিভার অধিকারী এক মহান মনীষা। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।

কবি আল মাহমুদ ছিলেন বামপন্থী একজন কবি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে তাঁর চিন্তাধারায় ইসলামী ধ্যান-ধারণা প্রবল হয়ে ওঠে। তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যায়। তিনি ইসলামকে উপজীব্য করে তাঁর রচনা লেখা শুরু করেন। অবশ্য তিনি তাঁর এ অবস্থানকে এভাবে ব্যক্ত করেন, ‘আমি যে পরিবারে জন্মেছি তারা সবাই ছিল খুবই ধর্মপ্রবণ লোক। কীভাবে যেন তাদের মধ্যেই যে রয়েছে সত্যিকারের পথের ঠিকানা এটা আমাকে দূর থেকে ইশারায় ডাকতো’। অবশেষে তিনি সত্যকে ধারণ করেই তাঁর জীবনের সফর শেষ করেন।

কবি আল মাহমুদ বলতেন, ‘কবির কাজ স্বপ্ন দেখানো। আমি এ জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছি’। ঠিকই তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ এবং উপন্যাসে স্বপ্ন, আশা ও আত্মবিশ্বাস স্থান পেয়েছে নানা অনুষঙ্গে। তিনি বিশ্বাসী কবিদের আদর্শ। এছাড়া তিনি সেইসব কবিদেরও আদর্শ যারা ধর্মনিরপেক্ষ, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, বলশেভিকবাদ, পুঁজিবাদ-সহ নানা মানবরচিত মতবাদকে ধারণ করে সাহিত্যরচনায় ব্রতী হয়ে থাকে। তাঁর সাহিত্যসাধনার দিকে তাকালে তারাও একটি সহজিয়া পথের সন্ধান পেতে পারেন।

বাংলাসাহিত্যের এই দিকপাল কবি আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু রেখে গেছেন তাঁর বিশাল সৃষ্টিকর্ম। এই সৃষ্টিকর্ম হতে পারে আমাদের জন্য প্রেরণার দীপশিখা। তিনি যেই বিশ্বাসের শিখা সাহিত্যের মাধ্যমে আমাদের হাতে দিয়ে গেছেন, তা ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাঁর সাহিত্য পঠন-পাঠনের মাধ্যমে আমাদের সাহিত্যচিন্তাও সৌন্দর্যময় হয়ে উঠুক। কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে আল্লাহর কাছে তাঁর মাগফিরাত কামনা করছি। আমিন।

10/09/2024

ইসলামপন্থীদের জন্য একটি কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এটা দুঃশাসনের নয়, বুদ্ধিবৃত্তিকতার। বিস্তারিত আসছে.....

08/05/2023

স্বপ্ন যদি দেখতেই হয়, বড় স্বপ্ন দেখো; রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখো! অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যার বলেন, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়!
স্বপ্ন যদি দেখো কেরানি হবার
তোমার একজীবনে পিয়ন হবার ভাগ্যও হয়তো হবে না। রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখলে হয়তো মন্ত্রী কিংবা এমপি হয়ে যেতে পারো! কিংবা কোনো ভালো পজিশনে পৌঁছতে পারবে!
কোনো একটি অফিসের সামান্য কর্মকর্তা হওয়ার মধ্যেই যার সফলতা, তার দৌড় এখানেই শেষ হয়ে যায়! তার পক্ষে নতুন করে ভাবার কোনো সুযোগ থাকে না!
বড় স্বপ্ন দেখতে হলে বড় মানুষের সঙ্গে চলতে হয়। তাদের সংস্পর্শে যেতে হয়! যার নিত্যদিনই কেরানির সঙ্গে বসবাস, তার মনমানসিকতা কেরানির মতোই হবে! আমি কারো পেশাকে ছোট করে দেখছি না! সব পেশার মানুষের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আছে! আমি স্বপ্ন দেখার কথা বলেছি। স্বপ্নের পেছনে দৌড়াবার কথ বলেছি।
হ্যাঁ আমি রাষ্ট্রপতি হবার স্বপ্ন দেখি, প্রধানমন্ত্রী হবার স্বপ্ন দেখি! জানি না এই দুটো পারবো কি না, কিন্তু হয়তো মন্ত্রী কিংবা এমপিও হয়ে যেতে পারি!
হ্যাঁ আমি স্বপ্ন দেখি। কারণ, আমি মন্ত্রীদের সঙ্গে উঠাবসা করেছি, এমপিদের সঙ্গে উঠাবসা করেছি। জাতীয় নেতাদের সঙ্গে ঘুরেছি। একসাথে বসে চা পান করেছি। ডিনার করেছি। লাঞ্চ করেছি। একজন মেয়র এবং একজন এমপি প্রার্থীর নিউজ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছি। এ সময় আমি সংস্পর্শে এসেছি এমন মানুষের, যারা একটি সময়ে এমপি ছিলেন, মন্ত্রী ছিলেন!
হ্যাঁ আমি মিশেছি অসংখ্য সচিব, প্রফেসর এবং দেশ-বিদেশের জ্ঞানী-গুণীদের সঙ্গে! তাঁদের সঙ্গই আমার স্বপ্নের ভিতকে তৈরি করেছে। হ্যাঁ আমার স্বপ্ন বড় হওয়াই স্বাভাবিক!
হ্যাঁ আমি জানি, এই স্বপ্নই আমাকে পৌঁছে দেবে আমার কাঙ্ক্ষিত মনজিলে! আর হ্যাঁ, এই স্বপ্নই আমাকে ঘুমাতে দেয় না, আমি জেগে থাকি; আমার অন্তরও এই স্বপ্নের সাথে পাখা মেলে উড়ে বেড়ায় দিকদিগন্তে!

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


425 West Sonarpara, Shahhjalal Uposhohor
Sylhet