30/07/2017
শুভ সকাল
আজ রোববার
৩০ জুলাই ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ
০৫ জিলকদ ১৪৩৮ হিজরী
১৫ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
এখন বর্ষাকাল
আজকের সূর্যোদয় ০৫:২৭ ও সূর্যাস্ত ৬:৪২ মিনিটে
সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন
আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন
28/07/2017
কুড়িয়ানা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ডিগ্রী কলেজের এইচ এস সি ২০১৭ এর ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী : ১১৫ জন
কৃতকার্য : ৪২ জন
অকৃতকার্য : ৭৩ জন
কৃতকার্যের হার ৩৬.৫২%
25/07/2017
জেনে নিন আপনার শিশুর টিকা দেওয়ার সময়সূচি । :)
24/07/2017
শুভ সকাল
আজ সোমবার
২৪ জুলাই ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ
২৯ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
০৯ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
এখন বর্ষাকাল
আজকের সূর্যোদয় ০৫:২১ ও সূর্যাস্ত ৬:৪৮ মিনিটে
সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন
আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন
20/07/2017
বাংলা টাইপিং এ যারা দুর্বল তাদের কাজে লাগবে।
===========================
১. ক্ষ = ক+ষ
২. ষ্ণ = ষ+ণ
৩. জ্ঞ = জ+ঞ
৪. ঞ্জ = ঞ+জ
৫. হ্ম = হ+ম
৬. ঞ্চ = ঞ+চ
৭. ঙ্গ = ঙ+গ
৮. ঙ্ক = ঙ+ক
৯. ট্ট = ট + ট
১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ক + ষ + ম
১১. হ্ন = হ + ন
১২. হ্ণ = হ + ণ
১৩. ব্ধ = ব + ধ
১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)
১৫. গ্ধ = গ + ধ
১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)
১৭. ক্ত = ক + ত
১৮. ক্স = ক + স
১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান,
উত্থাপন)
২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর,
সত্তর)
২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য)
নিচের যুক্তবর্ণের
তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে ল
িখতে সহায়ক হতে পারে।
এখানে বাংলায় ব্যবহৃত
২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর
বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়
প্রচলিত নয়।
ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ
গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,
অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য,
গ্র্যাজুয়েট
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ,
ব্যঙ্গ্যোক্তি
ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম
(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ
ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য:
অত্যন্ত বিরল)
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
দ্দ্ব
স্ত্রী = n g k z Shift+d
বউ = n g+s
হৃদয় = i a l Shift+w
সর্ব = n h Shift+a
পর্ব = r h Shift+A
ঋতু = g+a k s
বর্ষা = h Shift+N Shift+A f
র্যাব = v Shift+z f h
কৃষক = j a Shift+n j
চাক = y f j g
সুগন্ধা = n s o b+g Shift+L f
পর্যন্ত = r w Shift+A b g k
বন্ধু = h b g Shift+L s
কম্পিউটার = j d m g r g s t f v
পৃথিবী = r a d Shift+K h Shift+D
চন্দ্রবিন্দু = y b g l z d h b g l s
সমৃদ্ধশালী = n m a l Shift+L Shift+m f Shift+v Shift+D
জ্ঞান = u g Shift+i f b
কৃষ্ণ = j a Shift+N g Shift+B
স্বপ্ন = n g h r g b
22/06/2017
সাাপের কামড় নিয়ে কিছু কথা।
=====================
অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে সাপ ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মুলত সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই কম এবং ঘরে গিয়ে দংশন করার প্রশ্নই আসে না।
কোথায়ও সাপকে দেখলে তাকে তাকে চলে যেতে সুযোগ দিন, কোন সমস্যা হবে না।
ঘরে সাপ থাকার সম্ভাবনা থাকলে বিশেষ করে ইদুরের গর্ত থাকলে শুকনা মরিচ আগুনে পোড়া দিন। তাছাড়া বাজারে কার্বোলিক এসিড আছে, এগুলি বাড়িতে এনে বোতলসহ ঘরের মধ্যে রাখুন, সাপ চলে যাবে।
কাউকে সাপে দংশন করলে ওঝা বা বুদ্ধের কাছে না গিয়ে ১০০০ টাকা দিয়ে সাপের এন্টিভ্যানম ইনজেকশন দিন। সুস্থ্য হবে নিশ্চিত।
দংশিত ব্যাক্তির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাহস দেয়া। প্রয়োজনীয় সাহস না দিতে পারলে, রোগী হার্ট এটাকে মারা যাবে।
সাপে দংশন করার পর ৭/৮ ঘন্টা পর্যন্ত রোগী বেঁচে থাকে, তাই ধৈর্য্য ধারণ করে দ্রুত ইনজেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
কোন সাপে কামড় দিয়েছে সেটার পরিচয় জানা গেলে চিকিৎসায় কিছুটা সুবিধা হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন বেশী সময় নষ্ট না হয়।
বাংলাদেশের বিষাক্ত প্রায় সকল সাপের বিষ নষ্ট করার ইনজেকশন আবিস্কার হয়েছে। শুধুমাত্র রাসেল ভাইপার বা শংখচুড় সাপের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে। আর এই সাপ বাংলাদেশের রাজশাহী ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না।
মনে রাখতে হবে, ওঝা বৈদ্য নয় সচেতনতাই পারে অনেকের জীবন বাঁচাতে।
এ মূহুর্তে সাপেরা ঠান্ডা বাতাসের জন্য বেশী বিচরণ করবে, তাই এ সময়ে মানুষ বেশী দংশিত হয়।
আমার এ পোস্টটি যে কোনভাবে মানুষদের জানিয়ে দিন। হতে পারে এভাবেই একটি মানুষ সচেতন হবে, এমনকি কেহ বেঁচেও যাবে।
06/06/2017
কোন ফলে কোন এসিড :
১. লেবু → সাইট্রিক এসিড
২. আপেল → ম্যালিক এসিড
৩. তেতুল → টারটারিক এসিড
৪. পেয়ারা → এসকরবিক এসিড
৫. আমড়া → এসকরবিক এসিড
৬. টমেটো → ম্যালিক এসিড
৭. কমলা → এসকরবিক এসিড
৮. কামরাঙ্গা →এসকরবিক এসিড
৯. আমলকি → অক্সালিক এসিড
১০.আঙ্গুর → টারটারিক এসিড
শেয়ার করে রাখুন।।
08/03/2017
চার দেয়ালে বন্দি না থেকে খুলে দাও সম্ভাবনার আকাশ। বাঁধাহীন ডানা মেলে হাসিমুখে ছুঁয়ে যাও তোমার স্বপ্ন। নারী দিবসে, অপরাজিতা নারী, তোমাকে শুভেচ্ছা।
04/03/2017
যারা ভুল উত্তর দিয়েছেন তাদের জন্য এই পোষ্টঃ
৯৬% ভুল উত্তর দিয়েছেন।
I am Happy এর বাংলা অর্থ কী?
ক) আমি সুখি খ) আমি সুখী
গ) আমি হ্যাপি ঘ) আমি হই সুখী।
প্রশ্নের ফাঁদঃ
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এ মানসিক দক্ষতার অংশ। প্রশ্ন দেখা মাত্র আপনি মুচকি হেসে বললেন ক্লাস টু এর প্রশ্ন। অপশন ক দেখেই দাগাতে যাবেন, ঠিক এমন মুহুর্তে খ অপশনে গিয়ে আটকে গেলেন। কারণ দুটোর বাংলায় একই শুধু একটা শব্দের বানান "সুখি", অন্যটি "সুখী "। এবার আপনি দ্বিধায় পড়ে গেলেন উত্তর ক হবে নাকি খ হবে। অনেক ভাবে অপশন হয়তো ক/খ দিয়ে আসলেন আর যথারীতি পিএসসি'র প্রশ্ন ফাঁদে পা দিয়ে বসলেন। প্রথম অপশন দুটি একই রেখে বানান চেঞ্জ করে দেয়ার অর্থই হচ্ছে আপনার দৃষ্টি যেন অপশন ১ম দুটির মধ্যেই থাকে। অথচ উত্তর কোনটিই না। উত্তর হল গ) আমি হ্যাপি। এখানে Happy অর্থ সুখি বুঝায়নি, বুঝালো কারো নাম। আর তাই তো শব্দটির ১ম অক্ষর বড় হাতের। কারো নামের ১ম অক্ষর বড় হাতের হয়।
28/02/2017
#ঘটনাঃ
ইংলিশ ম্যাডাম যখন দ্যা কাউ রচনা পড়িয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, 'কারো কোনো প্রশ্ন আছে কিনা!'
এক পিচ্চি দাড়িয়ে বলেছিল 'মিস, কাল একটা দ্যা কাউ ক্লাস এ নিয়ে আসা যায়না? আমি কখনো দ্যা কাউ দেখিনি।'
#বাস্তবতাঃ
প্রাইমারি এন্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন সিস্টেম এ জাপান নাম্বার ওয়ান কিভাবে হলো? অবশ্যই বছরের পর বছর গবেষণা আর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। বলা বাহুল্য পরিশ্রমটা করেছেন তারাই, যারা এই সিস্টেমটা প্রণয়ন করেছেন।
বিশ্বের নাম্বার ওয়ান এডুকেশন সিস্টেম এর মধ্যে ক্লাসে কারো কোনো রোল নাম্বার নেই। শুধু মাত্র পুঁথিগত বিদ্যা আর অসুস্থ্য কম্পিটিসন থেকে মুক্তি দেবার জন্য এটা করা হয়েছে। আজিব লাগছে না ব্যাপারটা? লাগলেও এটাই সত্য।
জাপানে কোনো পেরেন্টস গর্ব করে বলতে পারবেনা, আমার ছেলে বা মেয়ে ওই ক্লাসে ফার্স্ট। যা শুনে পাশে বসে থাকা ভদ্রমহিলার মনে জীদ চেপে যাবে, 'গায়ে শুধু হাড্ডি থাকলেও ফার্স্ট হবি, কিসের ছাইপাশ ক্রিকেট খেলা বা দৈনিক বিকাল করে মাঠে খেলতে যাওয়া ?'
মাফ করবেন, কিন্তু, আমাদের দেশের বেশীরভাগ মহিলারা আসলে দুই কারণে জিনিস কিনে:
১. পাশের বাসার ভাবীর এইটা আছে।
২. পাশের বাসার ভাবীর এইটা নেই।
আমাদের বেশীরভাগ মায়েরাও সন্তানদের পড়া লেখায় চাপ সৃষ্টিটা এই ভাবেই করে যাচ্ছেন:
১. পাশের বাসার ছেলে বা মেয়েটা ফার্স্ট, তোকেও ফার্স্ট হতে হবে।
২. পাশের বাসারটা একটা গাধা, সো তোকে ফার্স্ট হয়ে দেখিয়ে দিতে হবে আমরাই সুপেরিয়র।
জাপানে সিটি অফিস থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে ইন্টারনেট সিকিউরিটি সিস্টেম এর ক্লাস নেয়। কোনো একদিন হয়তো বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন সাইট থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসে, এসবই হাতে কলমে শেখানোর জন্য। স্কুল থেকে বরাদ্দকৃত জমিতে ক্লাস ওয়ান এর পিচ্চি গুলো মিষ্টি আলু এর চারা বুনে, সময় হলে আবার সেই আলু উঠিয়ে বাসায় নিয়ে আসে। এর চেয়ে মজার পড়ালেখা আর কিভাবে হতে পারে?
আমাদের হাত্তিমাতিমদের মাঠে ডিম পাড়িয়ে, আগডুম বাগডুম ঘোড়ার ডিম মুখস্ত করিয়ে, পড়ালেখা যে একটা উপভোগ্য বিষয়, তা ওদেরকে আমরা কখনোই বুঝতে দেইনা। এই প্রজন্ম তাই বড় হচ্ছে ধান গাছ,পাট গাছ আর সরিষা ক্ষেত না দেখে। না থাকছে মাটির সাথে কোনো সম্পর্ক, না শিখতে পারছে ভালো কোনো টেকনোলজি কিংবা সাহিত্য। সাধারণ জ্ঞান তো বাদই দিলাম !!
আমরা শিখতে পারছিনা কেনো? আমাদের মেধা কম? মোটেও না।
কিন্তু আপনিতো আমাদের শিখিয়েছেন GPA-5 কিভাবে নিতে হয়। আসল “পড়াটা” তাহলে কে শিখাবে ?
22/02/2017
যখন আমরা ছোট ছিলাম:
♡ হাতগুলো জামার মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম, আমার হাত নেই।
♡ একটা পেন ছিল, যার চার রকম কালি, আর আমরা তার চারটে বোতাম একসাথে টেপার চেস্টা করতাম।
♡ দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকতাম কেউ এলে চমকে দেব বলে, সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম।
♡ ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি, চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে
♡ সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স করার চেষ্টা করতাম।
♡ দু -ফোটা জল ফেলে রেস করাতাম, কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে
♡ ইচ্ছা করে ঘুমিয়ে পড়ার ভান করে থাকতাম, যাতে কেউ কোলে তুলে বিছানায় তুলে দ্যায়।
♡ বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম, দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না।
♡ তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল, সেটা হল স্কুলব্যাগ
♡ ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম, পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে।
♡ ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম৷ ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত।
♡ মনে আছে? যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতনা যে কবে বড় হব, আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম !
✔️Childhood was the best part of our life.