Humans of Soil Science - GSSC

Directions

Humans of Soil Science - GSSC "Humans of Soil Science" is a vibrant initiative stemming from the Soil Science Alumni Association at Government Shaheed Suhrawardy College.

This project intricately weaves together the narratives of current students and alumni, highlighting their diverse

🇧🇩 ১৬ ডিসেম্বর | মহান বিজয় দিবস 🇧🇩মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় আমাদের জাতীয় ইতিহাসের গৌরবময় ভিত্তি। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধা...
16/12/2025

🇧🇩 ১৬ ডিসেম্বর | মহান বিজয় দিবস 🇧🇩

মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় আমাদের জাতীয় ইতিহাসের গৌরবময় ভিত্তি। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাঁদের আত্মত্যাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বিজয়ের চেতনা আমাদের দায়িত্ব, ঐক্য ও নৈতিকতার মাধ্যমে একটি টেকসই ও প্রগতিশীল দেশ গড়ার প্রেরণা দেয়।

মহান বিজয় দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

#মহান_বিজয়_দিবস #১৬ডিসেম্বর #বাংলাদেশ #মুক্তিযুদ্ধ #স্বাধীনতা #জাতীয়গৌরব

Celebrating World Soil Day 2025 with a renewed commitment to soil health, sustainable agriculture, and environmental ste...
05/12/2025

Celebrating World Soil Day 2025 with a renewed commitment to soil health, sustainable agriculture, and environmental stewardship.
Healthy soils are essential for food security, biodiversity, and climate solutions.
Let’s act now for a resilient future.

Today’s theme reminds us that soil is not just a natural resource — it is a living system that sustains communities, economies, and ecosystems.
With increasing land degradation and climate risks, investing in soil restoration has never been more important.
Together, through research, innovation, and responsible land management, we can protect the foundation that supports all life.

ঘোরা-ফেরা আর বই পড়ার নেশা আমার ছোটবেলা থেকেই। নতুন কিছু শেখা, নতুন জায়গা দেখা—এসব আগ্রহ থেকেই ছোটবেলা থেকেই একটা স্বপ্ন...
01/09/2025

ঘোরা-ফেরা আর বই পড়ার নেশা আমার ছোটবেলা থেকেই। নতুন কিছু শেখা, নতুন জায়গা দেখা—এসব আগ্রহ থেকেই ছোটবেলা থেকেই একটা স্বপ্ন গড়ে উঠেছিল, একদিন ঢাকায় আসব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব। আমার কাছে এটা শুধু পড়াশোনার স্বপ্ন ছিল না—বরং নিজের সীমাবদ্ধতা ভেঙে নতুন এক আমিকে আবিষ্কার করার ইচ্ছে ছিল।

আমার জন্ম জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার একটি ছোট্ট গ্রামে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে, মাঠে খেলার আনন্দে, আর চোখভরা স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠেছি আমি। শিক্ষাজীবনের শুরু স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।পরে ভর্তি হই দ্বীপশিখা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। সপ্তম শ্রেণিতে সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩য় স্থান অর্জন করেছিলাম। সেটাই আমার জীবনের প্রথম বড় সাফল্য। তখনই নিজের ভেতরে বিশ্বাস জন্মায়—আমিও পারি। সেই মুহূর্ত আমার শিক্ষাজীবনের এক নতুন মোড়। এরপর ভর্তি হই একটি প্রাইভেট স্কুলে। এখানে আমার মাধ্যমিক জীবন কাটিয়েছি বন্ধুদের হাসি-আড্ডা, শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা আর পড়াশোনার মধ্যে। জেএসসিতে GPA 5 পেলেও নবম-দশমে কিছুটা পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়। তবুও এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করি।

তখন থেকেই ঢাকায় কলেজে পড়ার স্বপ্ন ছিল প্রবল। কিন্তুভুল EIIN কোড বসানোয় ভর্তি হয়ে যাই গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজে।গোপালগঞ্জের হোস্টেল জীবন আমাকে ভিন্ন এক বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। সেখানে থেকে শিখেছি কিভাবে সীমিত টাকায় দিন চালাতে হয়, রান্না করতে হয়, নিজের খরচ ম্যানেজ করতে হয়। অনেক সময় একঘেয়ে খাবার, দূরযাত্রা আর মেসের কষ্টকর জীবন সয়ে চলেছি। এই সময়টা আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছে। এর মধ্যেই এলো করোনা—সবকিছু থেমে গেল। অনিশ্চয়তায় ভরা দিনগুলো আমার জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়ে আছে।

কলেজ শেষে শুরু হলো ভর্তি যুদ্ধ। লক্ষ্য ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দিনের পর দিন পড়াশোনা, রাত জেগে প্রস্তুতি—সবকিছুই ছিল সেই লক্ষ্য ঘিরে। কোচিং, প্রাইভেট টিউটরের ব্যাচ—কোনো কিছুই বাদ দিইনি। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফলাফল এলো না। প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যর্থ হলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়ে সুযোগ হাতছাড়া হলো, গুচ্ছ পরীক্ষাতেও ব্যর্থ হলাম। আমার বাবা, যিনি সাধারণত গ্রামের বাইরে যান না, সেদিন আশায় আমার সঙ্গে গুচ্ছ পরীক্ষার হলে গিয়েছিলেন। তাঁর মুখের আশাভরা দৃষ্টি আজও মনে আছে। কিন্তু সেই আশা পূর্ণ হয়নি। একের পর এক ব্যর্থতা দেখে ভেঙে পড়েছিলাম।তবে আমার পরিবার হাল ছাড়েনি। তাদের অনুপ্রেরণায় আবার চেষ্টা করি। শেষ পর্যন্ত ৭ কলেজে পরীক্ষা দিয়ে বাংলা কলেজে ইকোনমিকসে ভর্তি হই। পরে মাইগ্রেশনের মাধ্যমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে সুযোগ পাই। এখান থেকেই শুরু হয় আমার অনার্স জীবন। বর্তমানে আমি দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি।

ঢাকায় এসে প্রথম কিছু মাস হতাশায় কেটেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি কিছুই করতে ইচ্ছে করত না। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝলাম, ভাগ্য বদলাবে না যদি নিজে থেকে কিছু না করি।
প্রথমে টিউশনি শুরু করি, কিন্তু তাতেও আত্মতৃপ্তি পাইনি। হঠাৎ ফেসবুকে চোখে পড়ে একটি ডেন্টাল চেম্বারে অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। আবেদন করি। তিনদিনের ট্রেনিং শেষে কাজ শুরু করি। শুরুতে ছোট কাজ পেলেও ধীরে ধীরে পুরো একটি চেম্বারের দায়িত্ব আমার হাতে আসে।
আজ প্রায় ১ বছর ধরে আমি একাই একটি বড় চেম্বার পরিচালনা করছি। এটি শুধু আমাকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করেনি, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছে।

এই কাজের মাধ্যমে প্রতিদিন নানা মানুষের সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে। তাদের জীবন-সংগ্রাম, দৃষ্টিভঙ্গি থেকে শিখছি অনেক কিছু। আগে আমি কিছুটা অন্তর্মুখী ছিলাম, এখন মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাই, কথা বলতে ভালো লাগে। পড়াশোনা ও চাকরি—দুটো একসঙ্গে সামলানো সহজ নয়, তবুও আমি চেষ্টা করছি। পাশাপাশি বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপে অংশ নিয়ে জ্ঞান বাড়াচ্ছি।ভবিষ্যতে দেশের বাইরে মাস্টার্স করতে চাই। তবে তার চেয়েও বড় ইচ্ছে, একদিন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে আমার মতো দিকহারা শিক্ষার্থীরা নতুন পথ খুঁজে পাবে। কারণ আমি জানি পথ না পাওয়া কতটা কঠিন।

From a spark of an idea to a thriving community — Humans of Soil Science turns ONE today! What began just a year ago as ...
18/08/2025

From a spark of an idea to a thriving community — Humans of Soil Science turns ONE today!

What began just a year ago as a simple dream to share the untold journeys of Soil Science students has now blossomed into a platform of stories, struggles, and successes. Over the past 365 days, HOSS has celebrated voices, created bonds, hosted sessions, and connected hearts through the power of narratives. This milestone reflects the dedication, effort, and vision that made HOSS more than just a name — it became a movement. As we step into our second year, we carry forward the promise to tell more stories, inspire more lives, and keep growing together.

Humans of Soil Science – Project 08We’ve successfully wrapped up the interview session for Project 08, featuring our spe...
15/08/2025

Humans of Soil Science – Project 08

We’ve successfully wrapped up the interview session for Project 08, featuring our special guest Raju Mia (Batch-17). This marks a significant step in our workflow, where every phase is carefully executed to bring authentic stories to life.

Following the interview, we moved on to the next stage of our process — the photography session, capturing portraits and candid moments to visually represent the narrative. These behind-the-scenes (BTS) shots offer a glimpse into our dedication, teamwork, and the creative process that shapes each story.

We’re excited to share the full story very soon. Until then, here’s a sneak peek of how we work behind the camera to make “Humans of Soil Science” happen.

"তুমি তো লেখাপড়ায় অনেক ভালো। বড় হয়ে নিশ্চয়ই ডাক্তার হবে, ইঞ্জিনিয়ার হবে।”এই বাক্যটিই যেন আমার বেড়ে ওঠার পথচলায় অবিচ্ছেদ...
27/07/2025

"তুমি তো লেখাপড়ায় অনেক ভালো। বড় হয়ে নিশ্চয়ই ডাক্তার হবে, ইঞ্জিনিয়ার হবে।”
এই বাক্যটিই যেন আমার বেড়ে ওঠার পথচলায় অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। স্কুল কলেজ জীবনে এবং আশপাশের সবাই আমাকে এই কথাটাই বলে এসেছে একাধিক বার । বাবা-মা দুজনেই শিক্ষক, স্বাভাবিকভাবেই তাদের স্বপ্ন ছিল আমি পড়াশোনায় সেরা হবো আর একদিন সমাজে প্রতিষ্ঠিত কেউ হয়ে উঠব—ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু আমার মন কথা শুনতো না। ছোটবেলা থেকেই আমি খুঁজে ফিরতাম ভিন্ন কিছু যা এই বাঁধাধরা সাদা এপ্রোন, ইঞ্জিনিয়ারের মেশিনের বাইরে।

আমার স্কুলজীবন শুরু হয় মাদারীপুরের এক সরকারি স্কুলে। মায়ের হাত ধরে প্রথম দিন স্কুলে যাই। বাবা-মার চাপে ছোট থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলাম। ক্লাস ৫-এ বৃত্তি পাই—এটা ছিল আমার প্রথম বড় সাফল্য।কিন্তু ক্লাস ৬ থেকে আমার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমতে থাকে। ক্লাসে বসে থাকলেও মন থাকত বাইরের জগতে। তারপরও বাবা-মার ইচ্ছায় মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি হই মাদারীপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখানে কিছুটা গুছিয়ে নিই। ক্লাস ৮-এ JSC দিই কিন্তু বৃত্তি পাই না। পাশের বাসার আন্টির কটাক্ষ আজও কানে বাজে। সেখান থেকে একরকম জেদ চেপে যাই। ৯ম-১০ম শ্রেণিতে কষ্ট করে আবার নিজেকে তৈরি করি আর SSC তে ভালো ফল করি।SSC পাশ করার পর আমার ইচ্ছা ছিল কমার্স নিয়ে পড়ার। কারণ সায়েন্স আমার কাছে কঠিন আর আমার ভালো লাগতো না। কিন্তু বাবা-মা শিক্ষক বলেই তাঁরা চাইলেন আমি বিজ্ঞান নিয়েই পড়ি। আমি তাঁদের ইচ্ছা অগ্রাহ্য করতে পারিনি। তাই ভর্তি হই মাদারীপুর সরকারি কলেজে, বিজ্ঞান বিভাগে। এভাবে HSC পাশ করে ঢাকায় অসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য।

এরপর ভাবলাম, নতুনভাবে চেষ্টা করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষা দিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ নানা জায়গায়, কিন্তু কোথাও সুযোগ পাই না। ভেঙে পড়ি তবে আমার ইচ্ছাকেও আমি আমার ভেতরে লালন পালন করতে থাকি তখনও। লাস্টলি শুনি আমার নাম সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে এসেছে। মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভগে।আগে কোনো ধারণাই ছিল না কলেজটা কেমন। গিয়ে দেখি বড় শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্তু সুযোগ সুবিধা এখানেও কম। বলা ভালো, বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন আমার অনেক পুরোনো। কিন্তু IELTS-এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন একটা অধ্যায় ছিল। ইংরেজিতে আমার দুর্বলতা ছিল—স্পিকিং, রাইটিং, এমনকি লিসনিংয়েও। একেকটা রেজাল্ট পেয়ে মনে হতো সব শেষ। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। নিজের মতো সব করে করে গেছি৷ কল সেন্টারে চাকরি করতাম, সেখান থেকে বেতন পেতাম নিজের খরচ চালাতাম আর রাতে বাড়ি ফিরে পড়তাম। অনার্স এর পড়ার সাথে সাথে IELTS কোর্স করতে থাকি, নিজে নিজে প্র‍্যাকটিস করি, নিজের ভুলগুলো খুঁজি। ধীরে ধীরে উন্নতি হতে থাকে। এরপর একে একে চেষ্টা করি বেলজিয়াম, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস—সব জায়গা থেকে রিজেকশন পাই। হতাশ হয়েছিলাম কিন্তু থামিনি।

অবশেষে আমার কাঙ্ক্ষিত সুযোগ আসে লন্ডনের University of Bedfordshire তে Sustainable Management নিয়ে মাস্টার্স করার। সেই দিনটা আমার জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তগুলোর একটি। এখানে এসে বুঝলাম—আসলে শিক্ষা মানে মুখস্থ না, মানে হলো বুঝে শেখা। আমি এখানে প্রতিটি ক্লাস উপভোগ করি, শেখার প্রতি আগ্রহ আগের চেয়ে শতগুণ বেড়েছে।আমি মাদারীপুরের এক ছোট স্কুলে পড়েছি ঠিকই, কিন্তু স্বপ্ন সবসময় বড় দেখতাম। যেখানেই পড়েছি না কেন, চেষ্টায় ঘাটতি রাখিনি। আজ আমি লন্ডনে মাস্টার্স শেষ করে জব করি একটা ভালো পজিশনে। নিজেই জীবন কে নিজের মতো করে উপভোগ্য করে তুলেছি। নিজেকে প্রমান করেছি "আমি কোথা থেকে এসেছি সেটা বড় কথা নয়, বরং আমি কতদূর যেতে চাই সেটাই আসল।
ছোট প্রতিষ্ঠানে পড়ো কিন্তু স্বপ্ন দেখো বিশাল। পরিশ্রম করো, সময় নাও, হাল ছেড়ো না। কারণ সাফল্য—সে ধৈর্যবানদের প্রতিদান দিতে কখনোই ভুল করে না।

সর্বশেষ, আমি কোনো উপদেশ দিতে চাই না, শুধু কিছু কথা ভাগ করে নিতে চাই। আমাদের জীবন একটাই, আর আমার দৃষ্টিতে সেটাই সবচেয়ে মূল্যবান। তাই বলবো—জীবনকে সীমাবদ্ধ করে দেখবেন না। এই বিশাল পৃথিবী আমাদের জন্যই সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টিকর্তা। শুধু একটি দেশেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখার প্রয়োজন নেই।উন্নত দেশের মানুষের জীবনধারা, তাদের চিন্তাভাবনা ও অভ্যাসগুলো পর্যবেক্ষণ করুন, শিখুন এবং প্রয়োগ করুন নিজের জীবনে। দেখবেন, আপনি ধীরে ধীরে আত্মতৃপ্তি ও উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। কারণ তারা অনেক দিক থেকেই আমাদের চেয়ে এগিয়ে আছে—এবং শেখার মতো অনেক কিছুই আছে তাদের কাছে।

নিজের জন্য সর্বোত্তমটিই ভাবুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন। সাফল্য ধীরে ধীরে ধরা দেবেই। সবকিছুর ভিত্তি হলো—আপনি কতটা গভীরভাবে কিছু চান এবং সেটির জন্য কতটা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন।আপনার জীবনের দায়িত্ব একমাত্র আপনারই। তাই নিজেকে ভালোবাসুন, উন্নতির জন্য প্রস্তুত থাকুন, এবং বিশ্বকে দেখার মানসিকতা গড়ে তুলুন।

ধন্যবাদ।

পরিবর্তনই প্রকৃতির নিয়ম। সবার জীবনেই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিবর্তন আসে। আমার জীবনে এই রঙ বদলের খেলা শুরু হয়েছিল একদম ছোট...
06/07/2025

পরিবর্তনই প্রকৃতির নিয়ম। সবার জীবনেই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিবর্তন আসে। আমার জীবনে এই রঙ বদলের খেলা শুরু হয়েছিল একদম ছোটবেলা থেকেই। এক দিকে বাবার কর্মস্থান পরিবর্তন হতো, আর অন্যদিকে আমার স্কুল। আমার জন্মস্থান ময়মনসিংহের শেরপুর জেলায়।আমার শৈশব, কৈশর কাটিয়েছি এই শহরেই। আমার শিক্ষা জীবনের শুরুটাও হয় সেখানেই। তবে বাবার চাকরিসূত্রে কয়েক বছর পর পরই স্কুল চেঞ্জ করতে হয়েছে আমার। চিরচেনা মুখ, ক্লাসরুম, খেলার মাঠ সবই বদলে যেত। কিন্ত এতো সব পরিবর্তনের মধ্যেও আমার চঞ্চলতা কখনো মলীন হয়নি। আমার এই চঞ্চলতা ও মিশুক স্বভাবের কারণেই খুব সহজে নতুন পরিবেশে, নতুন মানুষদের সাথে মানিয়ে নিতাম আমি। আরও একটি জিনিস অপরিবর্তিত ছিল। তা হলো আমার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক, আমার মা। না উনি পেশায় শিক্ষক ছিলেন না, কিন্তু আমার পড়াশুনায় হাতে খড়ি থেকে শুরু করে ক্লাস টেনের বোর্ড পরীক্ষা পর্যন্ত পুরো সময়টা তে আমার মাই আমার শিক্ষকের ভূমিকা পালন করে গিয়েছিলেন। এই সময় টাতে এক্সট্রা কোনো টিউটরের প্রয়োজন হয়নি আমার।

ছোটোবেলা থেকে ক্লাস 8 পর্যন্ত পড়াশোনায় খুব একটা আগ্রহ ছিলো না আমার। মূলত মায়ের শাসন আর সাপোর্টের কারনেই পড়াশোনা টা করতাম আমি। মজার বিষয় হলো মাঝে মাঝে আমাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য মা তাঁর বেলনের সাহায্যও নিতেন। তবে ক্লাস 9 এ ওঠার পর বোধোদয় হয় আমার। নিজ তাগিদে ভালো কিছু করার ইচ্ছা জেগে উঠে আমার মধ্যে। সেই ইচ্ছা পূরণের জন্য পরিশ্রম করেছি অনেক, সফলও হয়েছিলাম। ক্লাস 9-10 এ সর্বোচ্চ এটেনডেন্স ও সর্বোচ্চ নাম্বার এর দুটো মেডেলই আমি নিজের করে নিয়েছিলাম। সেই ধারায় আত্মবিশ্বাস অর্জন করি, মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন দেখতে থাকি। এইচএসসি এর পর মেডিকেলের প্রিপারেশন নেই। কিন্তু আশানুরূপ ফল করতে পারিনি। হতাশ হয়েছিলাম, কিন্তু ভেঙে পরিনি। কারণ আমি সৃষ্টিকর্তার সিদ্ধান্তে বিশ্বাস রেখেছিলাম। ঢাকায় পড়াশুনা করার প্রবল ইচ্ছা ছিলো বলেই ৭ কলেজের পরীক্ষায় অংশগ্রহন করি এবং সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে চান্স পাই। ছোটো ক্যাম্পাস, ডিপার্টমেন্ট রুম আর ল্যাবের দুর্বল অবস্থা দেখে প্রথমে কিছুটা হতাশ হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই মানিয়ে নিয়েছিলাম নিজেকে।এই ছোটো ক্যাম্পাসটা কেই আপন করে নিয়ে বিভিন্ন চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে অনার্স জীবন শেষ করি।

অনার্সের শেষে সবাই যেখানে বিসিএস এর প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত সেখানে আমার ইচ্ছা ছিলো ভিন্ন কিছু করার। ছোটোবেলা থেকেই নতুন নতুন মানুষদের সাথে মিশতে, কথা বলতে ভালো লাগতো আমার। বেশ দক্ষতাও ছিলো এই বিষয়ে। এই দক্ষতাকেই আমি কাজে লাগাতে চাইছিলাম। এরই মধ্যে আমি HR পদ সম্পর্কে জানতে পারি। একজন HR এর কাজের বৃত্তান্ত জানার পর আমার মনে হলো আমি এই পেশায় যাওয়ার জন্যই তৈরি হয়েছি। আমি HR হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিধান্ত নেই। তাই United International University এর Human Resource Management বিষয়ের মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হই। পাশাপাশি Shomvob প্ল্যাটফর্মের HR হিসেবে যুক্ত হই। প্রাইভেট জব হওয়ায় অনেকেই অনেক কথা বলে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমার মায়ের, আমার পরিবারের সাপোর্ট থাকায় আমি কখনো মনোবল হারায়নি। আমি বর্তমানে ছোট থেকে শুরু করেছি ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যতে আমি নিজেকে HR হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেখতে চাই। আর এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে রাজি আছি।

পরিশেষে এটাই বলতে চাই সব পরিবর্তন খারাপ হয় না। আমার জীবনে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন গুলোর কারণেই আমি আমার আগ্রহ সম্পর্কে জানতে পেরেছি এবং সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিবর্তন আমাদের শেখার সুযোগ দেয়। আমাদের সকলের উচিত জীবনে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন গুলো থেকে শিক্ষা নেয়া এবং সেই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে জীবনকে আরো সুন্দর ভাবে গড়ে তোলা।

📚 "মৃত্তিকা বিজ্ঞান থেকে পেশাগত উৎকর্ষের পথে — The Professional Pursuit" 🌱Soil Science Alumni-দের জন্য একটি নতুন পেশাগত ...
11/06/2025

📚 "মৃত্তিকা বিজ্ঞান থেকে পেশাগত উৎকর্ষের পথে — The Professional Pursuit" 🌱
Soil Science Alumni-দের জন্য একটি নতুন পেশাগত দিগন্ত।

https://forms.gle/8A6w5MEUZo5p4GUD9

Eid Mubarak Wishing you and your family a joyful, peaceful and prosperous Eid.May this sacred occasion strengthen bonds,...
06/06/2025

Eid Mubarak

Wishing you and your family a joyful, peaceful and prosperous Eid.
May this sacred occasion strengthen bonds, inspire compassion and bring success in all endeavors.

🌍 Happy World Environment Day!Let’s be the change our planet needs — reduce waste, plant more trees, and protect what gi...
05/06/2025

🌍 Happy World Environment Day!
Let’s be the change our planet needs — reduce waste, plant more trees, and protect what gives us life.
Every small action counts. 💚🌱

আমি এমন এক পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে স্বপ্ন দেখার সুযোগ ছিল সীমিত কিন্তু স্বপ্ন দেখা থেমে থাকেনি। ছোটবেলা থেকেই মনে হতো—...
15/05/2025

আমি এমন এক পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে স্বপ্ন দেখার সুযোগ ছিল সীমিত কিন্তু স্বপ্ন দেখা থেমে থাকেনি। ছোটবেলা থেকেই মনে হতো—আমি নিজেকে এমন এক জায়গায় দেখতে চাই যেখানে থেকে আমি নিজের পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করতে পারি। সেই ইচ্ছা থেকেই শুরু হয় আমার যাত্রা।
পটুয়াখালীর একটি প্রত্যন্ত গ্রামে আমার স্কুলজীবনের শুরু। প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হতো। রোদ-বৃষ্টি কিছুই আমাকে থামাতে পারেনি। এসএসসি পাশ করার পর পড়াশোনার জন্য বরিশাল সরকারি কলেজে ভর্তি হই। তারপর ঢাকায় আসার সিদ্ধান্ত নিই। কারণ আমি জানতাম বড় কিছু করতে হলে বড় পরিসরে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়।
ঢাকায় এসে ইউসিসিতে ভর্তি হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি নেই। অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিই কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি। অনেকেই বলেছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কিন্তু আমার স্বপ্ন ছিল আরও বড়। আমি সিদ্ধান্ত নিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেব।
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় আমার মেধাক্রম ছিল ৫০১২। তখন মনে হয়েছিল সব শেষ কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে আমি যেই বিভাগটিকে প্রথম পছন্দ হিসেবে দিয়েছিলাম Soil Science, সেখানেই সুযোগ পাই। যদিও বিষয়ে পূর্ব ধারণা ছিল না তবু বিশ্বাস ছিল শিখতে পারব, মানিয়ে নিতে পারব।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুটাও ওতো সহজ ছিল না। মানসিক চাপ, রাজনৈতিক চাপ, নতুন পরিবেশসবকিছুর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়েছে ধীরে ধীরে। কিন্তু আমি কখনো ক্লাস মিস করিনি, নিজের লক্ষ্যে অটল থেকেছি। মাঝে মাঝে আর্থিক সমস্যাও এসেছে তখন আমি কল সেন্টারে পার্ট-টাইম চাকরি করি। সেখান থেকেই শুরু হয় আমার বাস্তব জীবন শিক্ষার এক নতুন অধ্যায়।এই চাকরি আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়, কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হয়, কীভাবে ইতিবাচক থাকতে হয়। পাশাপাশি টিউশনি করেছি এবং সবসময় শেখার প্রতি আগ্রহী থেকেছি। যে সুযোগ পেয়েছি, কাজে লাগিয়েছি। কম্পিউটার, কমিউনিকেশন, টাইম ম্যানেজমেন্টসহ নানা বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলেছি।
এই সবকিছু মিলিয়ে আমি বুঝতে পেরেছি—সফলতা কোনো একদিনে আসে না বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট সংগ্রাম, শেখা আর সিদ্ধান্ত মিলেই গড়ে তোলে বড় সাফল্য।
আজ আমি স্পষ্টভাবে জানি আমার লক্ষ্য বিসিএস ক্যাডার হওয়া। এটি শুধু একটি চাকরি নয় এটি একটি সম্মান, একটি দায়িত্ব। আমি এমন একজন মানুষের কথা জানি যিনি রিকশা চালিয়ে হলেও নিজের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন এবং তিনি আজ একজন পুলিশ ক্যাডারে এসপি হিসেবে কর্মরত। তার জীবন কাহিনি আমাকে শিখিয়েছে ইচ্ছা থাকলে কঠিনতম পথও পেরিয়ে
যাওয়া যায়।

আমি জানি, আমি যে পথে চলেছি সেখানে সফল হতে হলে প্রচণ্ড অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা আর মানসিক দৃঢ়তা লাগে। আমি নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলছি। আমি সময় ব্যবস্থাপনা শিখেছি, নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝেছি এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস করতে শিখেছি।
কারণ আমি বিশ্বাস করি—যদি লক্ষ্য পরিষ্কার থাকে এবং মন থেকে চেষ্টা করা যায়, তবে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।
আমি এখনও পথ চলছি, এখনও নিজেকে গড়ে তুলছি। জানি, অনেক রাত পড়তে হবে অনেক কষ্ট করতে হবে, অনেক পরীক্ষা দিতে হবে। কিন্তু তবুও আমি থামবো না।

Address

Laxmibazar
Sutrapur
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Humans of Soil Science - GSSC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category