#গল্পঃ_অনুতাপ
#পর্বঃ_০২ (সমাপ্ত)
#লেখাঃ | মাহবুবা আরিফ
----------------------------------
ভাইয়ার সামনেই ভাবিকে উদ্দেশ্য করে বললাম,
-- 'যার সন্তানের এমন সমস্যা সে এত বড়ো গলায় কথা বলে কোন সাহসে..? ভাবি তো নিজের ভাই- বোনদের সাথেও চলতে পারে না, আমাদের নিয়েও চলতে পারে না। এমনকি নিজের স্বামীও তাকে দেখতে পারে না তার স্বভাবের দোষে। রোজ রোজ যে নিজের স্বামীর সাথে তর্ক হয় তা তো আমরা সবাই দেখতেই পাই। এই মাহির হলো তার মায়ের পাপের ফল।'
সেদিনের তর্কে আমি জিতেছিলাম।.. আমার বুদ্ধিমত্তা, কথা আর কৌশলের কাছে ভাবি হেরে গিয়েছিলেন।... সবাই আমার পক্ষও নিয়েছিল সেদিন। মাহিরকে বুকে জড়িয়ে পরাজিত, একাকী, নিস্তব্ধ ভাবী কাঁদতে কাঁদতে নিজের শোবার ঘরে চলে গিয়েছিলেন। তবুও আমার শান্তি হয়নি। মাকে ভয় দেখিয়ে বললাম,
-- 'তোমরা ভালো থেকো। আমি আর ঝামেলা বাড়াতে আসব না এ বাড়িতে।'
ভাইয়া আমার কথা শুনে বললেন,
-- 'তুই অবশ্যই আসবি শোভা। তুই তো কোনো অন্যায় করিসনি। সামনের মাসে ওদের নিয়ে বরং আমি বাসা ছেড়ে চলে যাব।'
পরদিন আমি রাগ দেখিয়ে ঢাকা নিজের হোস্টেলে চলে এলাম। মা খুব কাঁদলেন।
যাবার আগে কাছের কিছু আত্মীয় স্বজনের কাছে মাহির যে কী পরিমান বিরক্তিকর তা বুঝিয়ে বলে এলাম।
..মাহিরের মতো শিশুরা বাইরের মানুষের আদর, ভালোবাসা পাবার কপাল নিয়ে আসে না। ভাগ্য ভালো থাকলে হয়ত নিজের কাছের হাতে গোণা কিছু মানুষের আদর, মমতা ওরা পায়। নিজ হাতে মাহিরের সেই একটি রাস্তাও বন্ধ করতে আমার একটুও বিবেকে বাধলে না।
আমার ধারণা ছিল ভাবি পরের মাসেই বাসা ছেড়ে চলে যাবেন। কিন্তু এত অপমানের পরও ভাবি আরও ছয় মাস আমাদের বাসায় থাকলেন। আসলে মাহির তার দাদির অন্ধভক্ত ছিল। সে কিছুতেই মাকে ছেড়ে যেতে চাইছিল না।...আর পুত্রস্নেহের কাছে ভাবির আত্মসম্মানবোধ পরাজিত হয়েছিল।
বড়ো ভাইয়া বাসা ছেড়ে চলে যাবার কয়েক মাস পর তপুর সাথে আমার ধুমধাম করে বিয়ে হয়ে গেল। তবে পুরো বিয়ের অনুষ্ঠানে ভাবি মাহিরকে নিয়ে দূরে দূরে থাকলেন। আমিও কাছে ডাকলাম না তাদের। অভিমানে তিনি এমনিতেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। শুনেছি মাহিরকে নিয়ে আজকাল নাকি তিনি কোনো পার্টি বা অনুষ্ঠানে যান না। সবাইকে এড়িয়ে চলেন।
কাছাকাছি থাকলেও আলাদা হয়ে যাবার পর থেকে আমাদের বাসাতেও ভাবি মাহিরকে নিয়ে খুব একটা আসতেন না। কেবল মা দেখতে চাইলে মাহিরকে দেখিয়ে নিয়ে যেতেন। আর আমি এসেছি জানলে তিনি কখনোই আসতেন না। তাতে অবশ্য আমার কিছুই যায় আসে না। মাহির বা ভাবির জীবন যুদ্ধের কাহিনি জানতে আমি কখনোই আগ্রহবোধ করি না। আমি তো এমন মাহিরবিহীন নির্ঝঞ্ঝাট জীবনই চেয়েছিলাম।
তবে আজকাল প্রায়ই আমি একটা অদ্ভুত দুঃস্বপ্ন দেখি। আমি দেখি, বছর দু'য়ের অসম্ভব মায়া কাড়া চেহারার একটা বাচ্চা আমাকে মা, মা বলে ডাকছে। আমি কাছে যেতেই সে কোলে উঠবার জন্য দুই হাত বাড়িয়ে দেয় আমার দিকে।...তবে স্বপ্নের খারাপ অংশটা হলো, স্বপ্নে দেখা বাচ্চাটির হাত-পা অপুষ্ট, শক্তিহীন।.. তার মুখ দিয়ে লালা ঝরছে।
ভয়ের ব্যাপার হলো আমি নিজেও এখন মা হতে চলেছি। সাত মাস চলছে।
প্রতি রাতে সেই একই দুঃস্বপ্ন দেখার ভয়ে ইদানীং আমি প্রায় প্রতি রাত নির্ঘুম কাটাই। কী এক অজানা আশংকায় আমার বুক কাঁপে। তপু নানা ভাবে আমায় বোঝায় এসব নাকি আমার মনের ভুল।... এ সময় মন দুর্বল থাকে আর অনেকেই নাকি আমার মতো এমন দুঃস্বপ্ন দেখে। তবুও আমি ঘুমাতে পারি না।
অবশেষে সেই দিন এলো যেদিন আমি ফুলের মতো ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তানের মা হলাম। বাবুকে কোলে নিয়ে আমার সব দুশ্চিন্তার অবসান হলো। আমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। কী সব আজেবাজে কথা ভেবেছি এতদিন ভেবে নিজের মনেই হাসলাম। আমার মেয়ের হাত, পা সব ঠিক আছে। ঐ তো, কী সুন্দর বড়ো বড়ো চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে সে... । আনন্দে আমার চোখে পানি এসে যায়।
'
'
'
'
'
একমাস, দুইমাস করে বাবুর বয়স এখন প্রায় দুই বছর।
আমি আশ্চর্য হয়ে দেখি, আমার মেয়ে কথা বলা দূরে থাক এখনো ঠিক মতো দাঁড়াতে পর্যন্ত পারে না। ওর সমবয়সি অন্য সব বাচ্চারা যখন হাঁটে, কথা বলে ভয়ানক কষ্টে আমার বুকটা ফেটে যায়। আমি মানসিক রুগির মতো আচরণ করি। তবে আমার ভাগ্য একদিকে ভালো। তপু আমার ভাইয়ার মতো নয়। সে সব সময় আমার পাশে থাকে, ভরসা দেয়।
আমি মেয়েকে নিয়ে নিজের বাসা ছেড়ে একটু মানসিক সাপোর্ট, সহযোগিতার আশায় মায়ের বাসায় এসে থাকতে শুরু করলাম। তপু বাধা দিলো না।
আজকাল মেয়েকে নিয়ে খুব একটা বাইরে কোথাও যাই না আমি। সবাইকে এড়িয়ে চলি। কখনো বাইরে গেলে লোকজন কৌতুহলী চোখে তাকিয়ে থাকে আমার মেয়ের দিকে, আমার সহ্য হয় না। মনে হয়... আমি তাদের চোখে এক ধরনের তাচ্ছিল্য , অবজ্ঞা দেখতে পাই। ... কী জানি হয়ত আমার মনের ভুল! তবে আমি উপলব্ধি করি, আমার মেয়েকে ভালোবাসবার মতো, সহানুভূতি দেখানোর মতো মানুষের বড্ড অভাব।
ভাবির একাকী করা লড়াইটা আজকাল আমার খুব মনে পড়ে। মাহিরের মুখটাও.....।
এক সন্ধ্যায় মা আমার রুমে ঢুকলেন। আমার ঘুমন্ত মেয়ের মুখের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন। তাকে দেখে মনে হলো, তিনি কিছু বলতে চাইছেন কিন্তু সাহস করে উঠতে পারছেন না।
আমি মাকে বললাম,
-- 'কিছু বলবে মা?'
মা মৃদু কণ্ঠে বললেন,
-- 'একবার তোর ভাবির কাছে মাফ চাস শোভা। মাহিরকে কাছে টেনে আদর করিস।'
আমি নিজের জেদ বজায় রেখে গম্ভীর কণ্ঠে বললাম,
-- 'মাফ চাইতে কেন হবে মা? আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। তাছাড়া তোমরা সবাই তো সেদিন আমার পক্ষে ছিলে,কেউ তো বলোনি আমি ভুল করেছিলাম..?'
মা দীর্ঘশ্বাস ফেলে উঠে চলে গেলেন ।
আমি বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম। বাইরে ভীষণ অন্ধকার, স্পষ্ট কিছুই দেখা যাচ্ছে না।
তবুও... আমি সেই প্রচণ্ড অন্ধকারের দিকেই তাকিয়ে থাকি অপলক।
সেদিন মাহির হেরে গিয়েছিল। আমার বুদ্ধি, কৌশল, যুক্তি আর সবার বিচারে পরাজিত হয়ে অপমান নিয়ে এই বাসা ছেড়ে চলে গিয়েছিল সে।
..কিন্তু আসলেই কি হেরে গিয়েছিল ?
আমি আমার সন্তানের মুখের দিকে তাকাই।... ভীষণ কষ্টে দুই হাতে মুখ ঢাকি। উত্তরটা আজ আমার জানা।
.."স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে করা অসম্মান সহ্য করেন না।"
দুনিয়ার মানুষের করা বিচারে সেদিন আমি জিতেছিলাম ঠিকই। কিন্তু, সেই বিচারই যে শেষ বিচার নয়। সব বিচারকের উপরে যে বিচারক। যার বিচার কখনো ভুল হয় না। সেই সর্বশক্তিমানের বিচারে অনেক আগেই হেরে গিয়েছিলাম আমি।
আর তাঁর করা বিচারের মুখোমুখি আজ নয়তো কাল সবাইকে হতেই হবে।
সমাপ্ত ~ #অনুতাপ
(সবার গঠনমূলক মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকবো, ধন্যবাদ)
জ্ঞান চর্চা
█║▌│█│║▌║││█║▌║▌║
Verified� Official Page 2013
মধ্যরাতে খট্ খট্ খট্ ধরনের একটা শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে গেল। আমি বিছানা থেকে নেমে দরজা খুলে দেখি, এতরাতে বসার ঘরের মেঝেতে বসে মাহির খেলছে। মাহির আমার বড়ো ভাইয়ের ছেলে। তার হাতে একটা স্টিলের চামচ । মাহির সেই চামচ দিয়ে একটা কাঠের বাক্সে আঘাত করে করে শব্দ করছে । ভাবি ক্লান্ত, বিষণ্ণ দৃষ্টি নিয়ে বসে আছেন ওর সামনে। বার বার চেষ্টা করেও মাহিরকে থামানো যাচ্ছে না।
আমি চরম বিরক্তি নিয়ে ভাবিকে বললাম,
-- ঘটনা কী ভাবি ? তোমাদের জ্বালায় কি বাসায় এসে একটু শান্তিতে ঘুমাতেও পারব না নাকি ?
ভাবি অসহায় চোখে আমার দিকে তাকালেন,
-- কী করব বলো তো শোভা ..!? মাহিরের সমস্যার কথা তো তোমাদের অজানা নয়। দেখো না কত চেষ্টা করছি কিন্তু ওকে থামাতে পারছি না । কিছুতেই কথা শুনছে না সে আজ।
আমি চরম ঘৃণা আর বিরক্তি নিয়ে মাহিরের দিকে তাকালাম। সে এখনো আগের মতোই মনের আনন্দে এক নাগাড়ে শব্দ করে যাচ্ছে।
-- শোনো ভাবি, তুমি মাহিরের মা.... তোমার হয়ত কষ্ট হয় না এসব সহ্য করতে।... হওয়া উচিতও নয়। কিন্তু ওর জন্য গুষ্ঠীসহ আমরা সবাই তো আর সারা রাত জেগে থাকতে পারি না, তাই না..? মা'র এখন বয়স হয়েছে মাহিরের যন্ত্রণায় তো তাকে পাগল বানিয়ে ছাড়বে তোমরা দেখছি ।
ভাবি শান্ত চোখে আমার দিকে তাকালেন। আমার মনে হলো তিনি আমার চোখের ঘৃণা স্পষ্ট দেখতে পেলেন।
দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,
-- চেষ্টা তো আর কম করছি না। দেখছ তো ওর ঘুমও কম। প্রায় রাতেই এভাবে অনেক রাত অব্দি আমাকে জেগে কাটাতে হয়। বাবা বিয়ের আগে আমার নামে কিছু টাকা রেখেছিলেন ব্যাংকে , সেই জমানো টাকা ভেঙে পর্যন্ত মাহিরের চিকিৎসা করছি। তোমার ভাই তো কোনো খরচই করতে চায় না ।
কথা খুবই সত্য। ভার্সিটি বন্ধ , ছুটিতে বাসায় এসেছি বেশ কিছুদিন হলো। প্রায় সময় ভাইয়া- ভাবির রুম হতে চেচামেচির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। সেসব ঝগড়া যে মাহির এবং তার চিকিৎসা সংক্রান্ত তা তাদের কথা হতেই স্পষ্ট বোঝা যায়। আসলে মাহিরের সমস্যা ধরা পরবার পর থেকেই ভাইয়া কেমন যেন মাহিরের প্রতি উদাসীন হয়ে গিয়েছেন । ভাবিকে সাহায্য করা দূরে থাক, ওর চিকিৎসাও করাতে চান না।
আমি তীব্র বিতৃষ্ণা নিয়ে বললাম,
-- তোমাদের জ্বালায় নিজের বাড়িতে আসাই তো বন্ধ করতে হবে দেখছি। ওকে ঘরে নিয়ে যাও, প্লিজ । নিয়ে গিয়ে পারলে বেঁধে রাখ। আমাদের একটু শান্তিতে ঘুমাতে দাও।
কয়েক মুহূর্তের জন্য আমার মনে হলো ভাবি আমার কথার অর্থ ঠিক বুঝতে পারছেন না। তারপরই দেখলাম প্রচণ্ড কষ্টে, অপমানে তার চোখ দু'টো ভিজে উঠল।
আমি পাত্তা না দিয়ে নিজের ঘরে এসে দরজা লাগিয়ে দিলাম । তা না হলে দেখা যাবে মাহিরটা রুমে ঢুকে আমার কোলে উঠে বসতে চাইছে।
এই যে আমি মাহিরকে এত অপছন্দ করি, তার কাজ দেখে বিরক্ত হই , তাকে ঘৃণা করি...,
বোকা মাহির সেটা বুঝতে পারে না। সে বার বার আমারই রুমে ঢুকে জোর করে আমার গা ঘেঁষে আদর পেতে চায়। আর এমন একটা বাচ্চা জন্ম দেবার অপরাধে আজকাল ভাবিকেও আমার অপয়া বলে মনে হয়।
মাহিরের বয়স চার বছর । অথচ এখনও সে কথা বলতে পারে না। টয়লেটে যাবার কথা ঠিকঠাক বোঝাতে পারে না। অনেক কিছু বুঝে না। দুষ্টামি করে পুরো ঘর লণ্ডভণ্ড করে রাখে। ভাবি অনেক চেষ্টা করেও মাঝে মাঝে ওকে ঠান্ডা করতে পারেন না।
তিন বছর বয়সে ডাক্তার দেখিয়ে সমস্যার ব্যাপারে নিশ্চিত হবার পর ভাইয়া মাহিরের প্রতি অনেকটা আগ্রহ হারিয়ে ফেললেন । আর ভাবি ভীষণ রকম ভেঙে পড়লেন। প্রথম প্রথম সে সময় সারাক্ষণ তিনি কাঁদতেন। ঐ সময় কয়েক মাস নিজের বাবার বাড়িতেও ছিলেন ভাবি মাহিরকে নিয়ে। হয়তো ভেবেছিলেন নিজের আপনজনের কাছাকাছি থাকলে তাঁর ভালো লাগবে, মানসিক শক্তি পাবেন। কিন্তু সেখানেও ছেলেকে নিয়ে বেশি দিন টিকতে পারেননি তিনি। কী হয়েছিল পুরোপুরি জানা না গেলেও এই মাহিরকে নিয়েই যে নিজের ভাই, বোনদের সাথে কোনো সমস্যা হয়েছিল সেটা জেনেছিলাম তার এক ফোনালাপ শুনে । একদিন ফোনে ভাবি তার এক বান্ধবীকে বলছিলেন,
--" সব সহ্য করা যায় কিন্তু সন্তানের অপমান না। তারা মাহিরকে,.. আমাকে আরও চরম অপমান করার আগেই চলে এলাম। দুঃসময়ে যখন নিজের আপন মানুষগুলোকে নিজের পাশে পাব বলে আশা করেছিলাম তখনই তাদের আসল রূপটা আমি ধরতে পারলাম। তারা কেউ আমার পাশে দাঁড়াল না। এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে ছেলেকে নিয়ে কতদিন এভাবে একা লড়াই করে টিকতে পারব জানি না।"
..দিনে দিনে মাহিরের প্রতি আমার বিরক্তি কেন যেন বেড়েই চলেছে । তপুর( হবু বর) সাথে কয়েকদিন ধরে এমনিতেই কথা কাটাকাটি চলছে মন মেজাজ ভালো নেই আমার, এর মধ্যে মাহিরের উৎপাত রীতিমতো অসহ্য।
আগে ছুটিতে বাড়ি এলে মা আমাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। আজকাল দেখি তিনি মাহিরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন । আসলে মাহিরটা মা'র অন্ধ ভক্ত। এই এতো বড়ো দুনিয়ায় অসংখ্য মানুষের ভিড়ে তাকে সত্যিকারের ভালোবাসবার মানুষ খুব কম... হয়ত সে নিজেও সেটা বুঝতে পারে। মাহির হয়তো বুঝে এই দুনিয়ায় নিজের মায়ের পর সে একমাত্র তার দাদিরই সত্যিকারের স্নেহ, ভালোবাসা পেয়েছে। তাই সব সময় তার পেছন পেছন ঘুর ঘুর করে । দাদিকে সে ভরসা পায়, প্রচণ্ড ভালোবাসে।
যদিও মাহির আমাকে অপছন্দ করে না, কোনো ক্ষতি করে না। সে নিষ্পাপ শিশু মাত্র। সে যা কিছু অপরাধ করে তা কেবলই না বুঝে করে, তবুও আমার তাকে দেখে অসহ্যবোধ হয়। আমি সুযোগ পেলেই মাকে বুঝাই ভাবিকে বলো, ' যেন দুটো বা তিনটে যা লাগে কাজের লোক রাখে। আর নিজেই মাহিরকে দেখে। এভাবে ওর পেছনে খাঁটলে তুমি তো অসুস্থ হয়ে যাবে। '
আমি মনেপ্রাণে চাই তারা বাসা ছেড়ে চলে যাক ।
একদিন হঠাৎ ভাবির সাথে আমার ভয়াবহ ঝগড়া বেঁধে গেল। আমি দুপুরে ভাত খেতে বসেছিলাম । কোথা থেকে মাহির এসে সামনে রাখা বড়ো বাটি থেকে তরকারির ঝোল চামচ দিয়ে উঠিয়ে খাওয়া শুরু করল। আমি রাগে, ঘৃণায় থরথর করে কাঁপছি। মা এসে আলাদা বাটিতে ওকে ঝোল তুলে দিলেন । আমি নিজের ঘৃণা গোপন না করে মুখ বাঁকিয়ে বললাম,
-- ছি, ছি! ভাত খাওয়ার ইচ্ছেটাই মরে গেল । এ খাবার কি আর মুখে তোলা যাবে ?
ভাবি চুপচাপ সবই দেখলেন।
কিন্তু সে রাতেই ভাবির সাথে আমার ভয়াবহ ঝগড়া লেগে গেল। ভাবি আমার উপর রাগ করে মাহিরকে অনেক মারলেন। অবুঝ মাহির কিছু না বুঝে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। আমরা দুইজন কেউ কাউকে ছাড় দিলাম না। দিনের পর দিন সবার অপমান আর কথা সহ্য করতে করতে ভাবির হয়তো সেদিন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। একা একা ঘরে- বাহিরে যুদ্ধ করতে করতে তিনি ভেতরে ভেতরে হাঁপিয়েও উঠেছিলেন বোধহয় ।
ছেলের অসুস্থতা, ভবিষ্যৎ চিন্তা আর কাছের মানুষদের নিষ্ঠুরতা তাকে পাগল প্রায় করে তুলেছিল।
তিনি সেদিন আর না পেরে ভয়ানক কষ্টে মাহিরকে বুকে জড়িয়ে ধরে ভীষণ চিৎকার করে কাঁদছিলেন। নিজের দোষ ঢাকতে আমি মাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বললাম,
-- দেখেছ মা, কী ঢং করছে তোমাদের বউমা ! আসলে সে চায় না আমি আর এ বাড়িতে আসি। আমাকে তাড়াতে নিজেই ছেলেকে মেরে এখন কত অভিনয় করছে দেখো ।
মা-ও সেদিন আমার পক্ষ নিয়ে ভাবিকে অনেক কথা শুনালেন।
-- বৌমা, আমার মেয়েটা তো বছরের বেশিরভাগ সময় হোস্টেলে থাকে। দুইদিনের জন্য একটু বেড়াতে এসেছে সেটাও তোমার সহ্য হচ্ছে না নাকি ? ওঁকে তাড়াতে এতো আয়োজন ?
আমি ভাইয়াকে ডেকে আনলাম। তার বউ যে কত বেয়াদব সেটা আমরা মা, মেয়ে মিলে বুঝিয়ে বললাম।
ভাইয়ার সামনেই ভাবিকে উদ্দেশ্য করে বললাম,
-- যার সন্তানের এমন সমস্যা সে এত বড়ো গলায় কথা বলে কোন সাহসে..? ভাবি তো নিজের ভাই- বোনদের সাথেও চলতে পারে না, আমাদের নিয়েও চলতে পারে না। এমনকি নিজের স্বামীও তাকে দেখতে পারে না তার স্বভাবের দোষে । রোজ রোজ যে নিজের স্বামীর সাথে তর্ক হয় তা তো আমরা সবাই দেখতেই পাই । এই মাহির হলো তার মায়ের পাপের ফল।
সেদিনের তর্কে আমি জিতেছিলাম।.. আমার বুদ্ধিমত্তা, কথা আর কৌশলের কাছে ভাবি হেরে গিয়েছিলেন ।... সবাই আমার পক্ষও নিয়েছিল সেদিন। মাহিরকে বুকে জড়িয়ে পরাজিত, একাকী, নিস্তব্ধ ভাবী কাঁদতে কাঁদতে নিজের শোবার ঘরে চলে গিয়েছিলেন । তবুও আমার শান্তি হয়নি। মাকে ভয় দেখিয়ে বললাম,
-- তোমরা ভালো থেকো । আমি আর ঝামেলা বাড়াতে আসব না এ বাড়িতে।
ভাইয়া আমার কথা শুনে বললেন,
-- তুই অবশ্যই আসবি শোভা। তুই তো কোনো অন্যায় করিসনি। সামনের মাসে ওদের নিয়ে বরং আমি বাসা ছেড়ে চলে যাব।
পরদিন আমি রাগ দেখিয়ে ঢাকা নিজের হোস্টেলে চলে এলাম। মা খুব কাঁদলেন।
যাবার আগে কাছের কিছু আত্মীয় স্বজনের কাছে মাহির যে কী পরিমান বিরক্তিকর তা বুঝিয়ে বলে এলাম।
..মাহিরের মতো শিশুরা বাইরের মানুষের আদর, ভালোবাসা পাবার কপাল নিয়ে আসে না। ভাগ্য ভালো থাকলে হয়ত নিজের কাছের হাতে গোণা কিছু মানুষের আদর, মমতা ওরা পায়। নিজ হাতে মাহিরের সেই একটি রাস্তাও বন্ধ করতে আমার একটুও বিবেকে বাধল না।
আমার ধারণা ছিল ভাবি পরের মাসেই বাসা ছেড়ে চলে যাবেন । কিন্তু এত অপমানের পরও ভাবি আরও ছয় মাস আমাদের বাসায় থাকলেন। আসলে মাহির তার দাদির অন্ধভক্ত ছিল। সে কিছুতেই মাকে ছেড়ে যেতে চাইছিল না।...আর পুত্রস্নেহের কাছে ভাবির আত্মসম্মানবোধ পরাজিত হয়েছিল।
চলবে-
সামনে পর্বে শেষ
ছোট_গল্প
# অনুতাপ ( দুই পর্বের গল্প)
১ম পর্ব
১৷ টেকসই উন্নয়ন কি?
= টেকসই উন্নয়ন বলতে ঐ ধরণের
উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডকে বুঝায় যার
মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাও নিশ্চিত হয়
আবার প্রকৃতি এবং আমাদের
ইকোসিস্টেমেও কোন বাজে প্রভাব না
পারে৷
২৷ টেকসই উন্নয়নের ব্যাপারটা প্রথম
আলোচনায় আসে কখন, কিভাবে?
= ১৯৮৭ সালে, Brundtland Commission
এর Report এ৷
৩৷ SDG বা Sustainable Development Goal
বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা কি?
= টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) হলো
ভবিষ্যত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত
একগুচ্ছ লক্ষ্যমাত্রা৷
৪৷ SDGs বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা কয়টি?
= ১৭ টি৷
৫৷ SDGs-এর ১৭ টি লক্ষমাত্রার পাশাপাশি
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য কয়টি রয়েছে?
= ১৬৯টি৷
৬৷ SDGs বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রার ১৭ টি
লক্ষমাত্রা কি কি?
=
১. দারিদ্র্য বিমোচন৷
২. ক্ষুধা মুক্তি৷
৩. সু স্বাস্থ্য৷
৪. মানসম্মত শিক্ষা৷
৫. লিঙ্গ সমতা৷
৬. সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা৷
৭. নবায়নযোগ্য ও ব্যয়সাধ্য জ্বালানী৷
৮. কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি৷
৯. উদ্ভাবন ও উন্নত অবকাঠামো৷
১০. দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তঃরাষ্ট্রীয়
বৈষম্য হ্রাস ৷
১১. টেকসই নগর ও সম্প্রদায়৷
১২. সম্পদের দায়ীত্বপূর্ণ ব্যবহার৷
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ৷
১৪. টেকসই মহাসাগর৷
১৫. ভূমির টেকসই ব্যবহার৷
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান৷
১৭. টেকসই উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব৷
৭৷ SDGs-এর মেয়াদ কত বছর?
= ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত৷
৮৷ SDGs-এর লক্ষ্যগুলো প্রণয়ন ও প্রচার
করেছে কে?
= জাতিসংঘ৷
৯৷ SDGs কত সালে নির্ধারণ করা হয়?
= সেপ্টেমবর, ২০১৫৷
১০৷ ২০১৫ সালে SDGs-এর লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণে 'UN Sustainable Development
Summit' নামক সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত
হয়?
= নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র৷
১১৷ SDGs কি প্রতিস্থাপিত করেছে?
= MDG বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা৷
১২৷ MDGs-এর মেয়াদ শেষ হয়েছে
কবে?
= ২০১৫ সালে৷
Vocabulary :
Take(টেইক)=লওয়া/ নেওয়া।
Talk(টক)=কথা বলা।
Taste(টেইসট)=স্বাদ গ্রহণ করা।
Teach(টীচ)=শিক্ষা দেওয়া।
Tear(টেআ)=ছিঁড়ে ফেলা।
Test(টেসট)=পরীক্ষা করা।
Thank (থ্যানক)=ধন্যবাদ দেওয়া।
Think(থিনক)=চিন্তা করা।
Tie(টাই)=বাঁধা।
Touch(টাচ)=স্পর্শ করা।
Trust(ট্রাসট)=বিশ্বাস করা।
Try(ট্রাই)=চেষ্টা করা।
Turn(ঘুরানো)=ঘুরানো।
Tackle(ট্যাকেল) =মোকাবেলা / আক্রমণ করা।
Tag(ট্যাগ)=পিছু নেওয়া/ জোড়া দেওয়া।
Tame(টেইম)=পোষ মানানো।
Tap(ট্যাপ)=টোকা দেওয়া।
Task(টাস্ক) =কাজের ভার দেওয়া।
Say(সেই)=বলা।
Sound(সাউন্ড)=ধ্বনিত করা।
Speak(স্পীক)=কথা বলা।
Stand(স্ট্যান্ড)=দাঁড়ানো।
Start(স্টা:ট)=যাত্রা করা।
Stay( স্টেই)=অবস্থান করা।
💕তুমি ছাড়া আমার জীবন অর্থহীন।
My life is meaningless without you.
💕আমি তোমার জন্য পাগল।
I'm crazy for you.
💕তুমি কি আমার জীবন সঙ্গি হবে?
Will you be my life partner?
💕আমি শুধু তোমার জন্যই বেঁচে আছি।
I'm living only for you.
💕মরণ পযর্ন্ত আমার সঙ্গে থেকো।
Stay with me till my death.
💕প্রথম দেখাতেই আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।
I loved you at first sight.
💕আমি সবসময় তোমার কাথাই ভাবি।
I think of you all the time.
💕তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না।
My love for you will never end.
💕মরণ পযর্ন্ত আমি তোমাকে ভালোবেসে যাবো।
I will love you till my death.
💕শেষ নিঃশ্বাস পযর্ন্ত আমি তোমাকে ভালোবাসবো।
I will love you till my last breath.
💕আমি চিরকাল তোমার হাসি দেখতে চাই।
I want to see your smile forever.
💕তুমি আমার জীবনের ভালোবাসা।
You are the love of my life.
💕তুমি আমার সবকিছু।
You are all to me.
💕তুমি ছাড়া আমি শেষ।
I'm lost without you.
💕তোমাকে আমার অনেক দরকার।
I need you very much.
কিছু মনে রাখার বিষয়:-
∆ Sick & ill
অল্প সময়ের জন্য অসুস্থ হলে sick আর দীর্ঘ সময়ের জন্য হলে ill হবে।
∆ Cool & cold
আরামদায়ক ঠান্ডা হলে cool আর কষ্টদায়ক হলে cold হয়।
∆ Hot & warm
আরামদায়ক গরম হলে warm
আর কষ্টদায়ক হলে Hot হবে ।
∆ Handsome & beautiful
ছেলেরা Handsome আর মেয়েরা beautiful হয় ।
∆ In time & on time
ঠিক সময়ে হলে on time
আর ঠিক সময়ে না হলে in টাইম ।
∆ low & short
ব্যক্তির ক্ষেত্রে short আর বস্তুর ক্ষেত্রে low হয় ।
∆ Put & keep
অল্প সময়ের জন্য রাখলে put আর দীর্ঘ সময়ের জন্য বুঝালে keep হয়।
∆ drown & sink
প্রাণী ডুবলে drown আর বস্তু ডুবলে সিনক
∆ Hope & wish
বাস্তব আশার ক্ষেতে hope & অবাস্তব আশার ক্ষেত্রে wish হয়।
∆ Revenge & Avenge
নিজের প্রতি অন্যায়ের প্রতিশোধ নিলে revenge & অন্যের প্রতি অন্যায়ের প্রতিশোধ নিলে Avenge হয়।
প্রয়োজনীয় শব্দসমূহঃ
✪ As - কারন, যেহেতু✪ Say- ধরা যাক✪ So - অতএব , সুতরাং✪ Who - কে, যে, কাকে✪ And - এবং ,ও✪ But - কিন্তু, তথাপি✪ That - যে , যা, যাতে, ফলে✪ Even - এমনকি✪ At first - প্রথমত✪ Often - প্রায়ই , মাঝে মাঝে✪ More - আরো , অধিকতর✪ Which - যেটি , যা✪ As if - যেন✪ Although - যদিও, যাতে , সত্বেও✪ While - যখন✪ Similarly - অনুরূপভাবে, একইভাবে✪ Therefore - অতএব , সুতরাং✪ So that - যাতে , যেন✪ First of all - প্রথমত✪ Rather - বরং, চেয়ে✪ Such as - তেমনই✪ However – যাইহোক✪ Indeed – প্রকৃতপক্ষে✪ Whereas – যেহেতু✪ Usually - সাধারনত✪ Only – শুধু, কেবল, একমাত্র✪ Firstly - প্রথমত✪ Finally - পরিশেষে✪ Moreover - তাছাড়া, অধিকন্তু, উপরন্তু✪ But also - এমনি , এটিও✪ As well as – এবং, ও, পাশাপাশি✪ Furthermore - অধিকন্তু✪ Regrettably - দুঃখজনকভাবে ।✪ in fact – আসলে✪ Hence - অত:পর/সুতরাং✪ Such as - যথা/যেমন✪ Notably – লক্ষণীয়ভাবে✪ Consequently – অতএব✪ On the whole – মোটামুটি✪ Either - দুয়ের যে কোন একটি✪ Neither - দুয়ের কোনটি নয়✪ In any event - যাহাই ঘটুক না কেন✪ Additionally - অতিরিক্ত আরো✪ In this regard – এ বিষয়ে✪ As a matter of fact -বাস্তবিকপক্ষে/প্রকৃতপক্ষে ✪ Including - সেই সঙ্গে✪ Nonetheless - তবু✪ Nevertheless - তথাপি , তবুও , তারপরও✪ Lest - পাছে ভয় হয়✪ Whether - কি ...না , যদি✪ Comparatively - অপেক্ষাকৃত✪ To be honest - সত্যি বলতে✪ Come what may - যাই ঘটুক না কেন✪ If you do care - যদি আপনি চান✪ Next to nothing - না বললেও চলে✪ As far as it goes - এ ব্যাপারে যতটুকু বলা যায় ।✪ As far as I’m concerned - আমার জানা মতে ।✪ Why on earth - (বিরক্তি প্রকাশার্থে)- কেন যে?✪ On the other hand - অন্যদিকে ।✪ In this connection - এ বিষয়ে ।✪ In addition - অধিকন্তু, মোটের উপর✪ Infact - প্রকৃতপক্ষে✪ To be frank - খোলাখুলি ভাবে বলা যায় ।✪ Sincerely speaking - সত্যিকার ব্যাপার হলো ।✪ To sum up - সংক্ষেপে বলতে গেলে✪ Though - যদিও, সত্বেও✪ Incidentally - ঘটনাক্রমে✪ Then - তারপর ,তখন✪ Than - চেয়ে , থেকে✪ For a while - কিছুক্ষণের জন্য✪ In order to - উদ্দেশ্যে, জন্যে✪ Suddenly - হঠাৎ✪ Unless - যদিও না✪ Above all - সর্বপরি✪ For example - ঊদাহরনস্বরূপ✪ Yet - তথাপি, তবুও✪ Actually - প্রকৃতপক্ষে✪ After that - তারপর✪ Instead of - পরিবর্তে✪ Thus - এইভাবে✪ Unfortunately - দূর্ভাগ্যবশত✪ Once - একদা✪ Gradually - ধিরে ধিরে✪ Since - কারন, যেহেতু✪ Sometimes - মাঝে মাঝে✪ Above all - সর্বপরি✪ As a result - ফলে✪ In that - কারন✪ Till - পর্যন্ত✪ As long as - যতক্ষন পর্যন্ত✪ Until - যতক্ষন পর্যন্ত না✪ As though - যেন , যেন মনে হয়✪ Even though - এমন যদিও হয়ও✪ No sooner - হতে না হতেই✪ Sooner or later - আজ না হোক কাল✪ No more buts - আর কোন কিন্তু নয়✪ On the occasion of - উপলক্ষ্যে✪ From a reliable source - বিশ্বস্ত সূত্রে✪ As you know - আপনারা জানেন✪ Due to - কারণে✪ Without hesitation - বিনা দিদ্বায়✪ Surprisingly - আশ্চর্যজনকভাবে✪ Strangely enough - আশ্চর্যের ব্যাপার হলো✪ Truly speaking - সত্য বলতে কি !------------✪ Although I could, but - যদিও পারতাম, কিন্তু✪ So long as - যদি না/ এই শর্তে যে✪ This very man - এই লোকটিই✪ For good – চিরতরে|✪ Even if - এমনটি যদিও✪ Coming back to - মূল কথায় ফিরে আসলে✪
✅
ইংরেজি সঠিক উচ্চারণ যা আমরা প্রায় সময় ভুল করি।
১ । ভুল উচ্চারণ: Biscuit -বিস্কুট
সঠিক উচ্চারণ: বিস্কিট
২ । ভুল উচ্চারণ: Ticket -টিকেট
সঠিক উচ্চারণ: টিকিট
৩ । ভুল উচ্চারণ: Example -এগজাম্পল
সঠিক উচ্চারণ: ইগজাম্পল
৪ । ভুল উচ্চারণ: They -দে
সঠিক উচ্চারণ: দেই
৫ । ভুল উচ্চারণ: Information -ইনফরমেশন
সঠিক উচ্চারণ: ইনফরমেইশন
৬ । ভুল উচ্চারণ: Nature-নেচার
সঠিক উচ্চারণ: নেইচার
৭ । ভুল উচ্চারণ: patient-পেশেন্ট
সঠিক উচ্চারণ: পেইশেন্ট
৮ । ভুল উচ্চারণ: May- মে
সঠিক উচ্চারণ: মেই
৯ । ভুল উচ্চারণ: Baby - বেবি
সঠিক উচ্চারণ: বেইবি
১০ । ভুল উচ্চারণ: Said--সেইড
সঠিক উচ্চারণ: সেড
মশলা সূমুহের ইংরেজি জেনে নেওয়া যাক:
1.Cloves: (ক্লোভস)-লবঙ্গ
2.Corn: (কির্ন)-শস্য
3.Cardamom: (কার্ডামম)-এলাচি
4.Cinnamon: (সিনামন)-দারচিনি
5.Garlic: (গার্লিক)-রসুন
6.Ginger: (জিনজার)-আদা
7.Crop: (ক্রপ)-ফলস
8.Chilly: (চিলি)-মরিচ
9.Lentil: (লিনটিল)-মসুর
10.Mustard: (মাস্টার্ড)-সরিষা
11.Nutmag: (নাটমেগ)-জায়ফল
12.Onion: (ওনিঅন)-পিঁয়াজ
13.Red pepper: (রেড পীপার)-গোল মরিচ
14.Salt: (সল্ট)-লবণ
15.Saffron: (স্যফ্রন)-জাফরান
16.Turmeric: (টারমারিক)-হলুদ
17.Mint: (মিন্ট)-পুদিনা
18.Capsicum: (ক্যাপসিকাম)-মরিচ
19.Cumin seed: (কামিন সীড)-জিরা
20.Black pepper :(ব্লাগ-পিপার)-গোলমরিচ
21.Dry- pepper: (ড্রাই-পিপার)-শুকনোমরিচ
22.Black-Cumin :(ব্লাগ-কিউমিন)-কালজিরা
23.Coriander: (করিয়্যান্ডার)-ধনে
24.Cassia Leaf: (কেসিয়ালিফ)-তেজপাতা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Sunamganj
3000