২০২২ সালের এস.এস.সি পরিক্ষার রেজাল্টঃ
★★ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। ★★
➡️পরিক্ষার্থীঃ ২৩৪ জন
✅পাশঃ ২২৯
➡️পাশের হারঃ ৯৭.৮৬%
⭐জিপিএ-৫ঃ ৯৭ জন
Govt. Jubilee High School, Sunamganj
Government Jubilee High school is a public high school in Sunamganj District, Bangladesh. It was established in 1887. Govt.
Jubilee High School, Sunamganj
Many of of Hason Raja’s time gave witnesses that Hason Raja first took his primary education not only in Persian Language, but also in both Bengali and Arabic at his own home taught by his tutors as in his family tradition. He first took institutional lessons from Madrasha in Sylhet. His mother wanted him mainly to understand the records and documents of his father
২০১৯ সালের জুবিলীর এস.এস.সি. এর রেজাল্ট
পরীক্ষার্থীঃ ২৩০ জন
পাশঃ ২২৩ জন
পাশের হারঃ ৯৬.৯৬%
জিপিএ ৫: ৩৬
(একটি মানবিক আবেদন- জাহিদকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন)
সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী জাহিদ প্যারালাইসিস ( Transverse Myelitis Spinal spread) এ আক্রান্ত। তার নাভি হতে পা পর্যন্ত অবশ হয়ে আছে। যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার জীবনহানির আশংকা রয়েছে!
উল্লেখ্য, গত ২৭/০৫/১৫ তে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জাহিদ স্থানীয় ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। পরবর্তীতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকবৃন্দ তার শরীর অবশ পরীক্ষা করে ওসমানি মেডিকেলে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন, পরবর্তীতে ওসমানির চিকিৎসকবৃন্দ ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্সেস ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর এর পরামর্শ দেন। যথোপযোগী চিকিৎসার জন্য সেখানের চিকিৎসকবৃন্দ জাহিদকে সি.এম.সি (ব্যাল্লর,চেন্নাই) এ চিকিৎসা গ্রহণ করতে বলেন। জাহিদের পারিবারিক অবস্থা অস্বচ্ছল হওয়ায় (বাবা দিনমজুর, মা গৃহিণী) প্রথমে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি। কিন্তু জেলা প্রশাসন, উপজেলা ও জেলা সমাজসেবা অফিস এবং মহান সমাজসেবী ব্যক্তিদের অর্থায়নে ২০১৬ সনের সেপ্টেম্বর হতে ২০১৭ সনের জানুয়ারি মাস অবধি চিকিৎসা গ্রহণ করলে তার অবস্থার সামান্য উন্নতি লক্ষ করা যায়। সেখানের চিকিৎসকবৃন্দ ৬ মাস অন্তর থেরাপি গ্রহণের মাধ্যমে আরোগ্যের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু অর্থাভাবে পরবর্তীতে জাহিদকে নিয়ে পুনরায় সি,এম,সি তে যাওয়া হয়নি। বর্তমানে জাহিদের নাভি হতে পা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবশ হয়ে আছে, যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ না করলে তার সারা শরীর অবশ হয়ে জীবনহানি ঘটতে পারে। জাহিদ কে আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে সকলের সাহায্য প্রয়োজন! জাহিদ পড়াশুনা করে সে মানুষের মত মানুষ হতে চায়, দেশের সমাজের উন্নয়ন চায়। আমাদের মাঝে দুরন্ত জাহিদকে আবার হাসিখুশি চেহারায় দেখতে চাইলে, একটি জীবনকে বাঁচিয়ে তার ও তার পরিবারের হাসি ফোটাতে সবাই এগিয়ে আসুন।
বিকাশ: 01615825060 (Dipu)
২০১৮ সালের জুবিলীর এস.এস.সি. এর রেজাল্ট
পরীক্ষার্থীঃ ২৪৬ জন
পাশঃ ২৪২ জন
পাশের হারঃ ৯৮.৩৭%
জিপিএ ৫: ৪৩
বিজ্ঞান বিভাগঃ পাশ: ১২৬ জন, ফেল: ১ জন, জিপিএ ৫: ৪৩
ব্যাবসায় শিক্ষা বিভাগঃ পাশ: ৩৭ জন
মানবিক বিভাগঃ পাশ: ৭৯ জন, ফেল: ৩ জন
এবারের জেএসসি পরীক্ষায় সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮ টি ট্যালেন্টপুল গ্রেডে ও ২৫ টি সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি এসেছে। সকল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন।
সুনামগঞ্জ পৌর এলাকায় কোরবানি ঈদের পশুর হাটের স্থান পরিবর্তন হয়েছে। শহরের উকিলপাড়ার সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এবারের পশুর হাট বসছে বলে পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে। আগামী ২৮ আগস্ট থেকে চার দিনের জন্য এই হাট বসবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর শহরের ষোলঘর মাঠে পশুর হাট বসতো। সেখানেই পশু কেনাবেচা হত। গত বছর স্থান পরিবর্তন হয়। ষোলঘর মাঠের পরিবর্তে মল্লিকপুরের পুলিশ লাইনের বিপরীত পশুর হাট বসানো হয়েছিল। কিন্তু এ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাহাড়ি ঢলে জায়গাটি তলিয়ে যায়। পানি না নামায় হাটের জায়গা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। ষোলঘর মাঠের কথা চিন্তা করা হলেও সেখানে কাদার পরিমাণ বেশি থাকায় সেখান থেকেও সরে আসা হয়। সর্বশেষ শহরের উকিলপাড়ার সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদের পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হয়।
জানা গেছে, বরাবরের মতো হাটের ইজারা পেয়েছেন এবি সিদ্দিক পল। চারদিন এবারের হাট বসবে। ২৮ আগস্ট (সোমবার), ৩০ আগস্ট (বুধবার), ৩১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ও ১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) এ হাট বসবে। ইজারাদারের পক্ষ থেকেও পশু কেনাবেচার বিষয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। পৌরসভা ছাড়াও সদর উপজেলায় আরো তিন স্থানে এবছর পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।
পৌর মেয়র আয়ূব বখত জগলুল বলেন, গত বছর মল্লিকপুর পশুর হাট বসলেও এবার সেখানে বন্যার পানি জমে আছে। বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বিবেচনা করেই স্থান পরিবর্তন করে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসানোর জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। পশুর হাট শেষ হলে পৌর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগেই বিদ্যালয়ের মাঠ মাটি ভরাটসহ নানাভাবে আধুনিকায়ন করা হবে।
এবছরের এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টঃ
৪১ টা A+
21/02/2017
শুধুমাত্র জুবিলীর ২০১৪ ব্যাচের জন্য..
JubiLeean 14 Apps এর নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হল সবাই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নাও।
লিংক: http://rainsshadow.webutu.com/download/JubiLeean%2014%20v_3.21.02.17.apk
Apps Name: Jubileean 14
Version:3.21.02.17
What's New:
• Improvements for reliability and speed
• New Search Button
• Updated Images
• Fixed Some Bugs
বিঃদ্রঃ এইরকম কোন Apps যদি কেউ নির্মাণ করতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে। মোবাইলঃ 01763 082195
ধন্যবাদ...
Download file — Zeta Uploader Send large Files and Folders online be e-mail. Without registration.
01/12/2016
02/10/2016
সেন্টু রঞ্জন দাস, অত্যান্ত বিনয়ী ও ভদ্র। এই ভদ্র ও বিনয়ী ছেলেটি ২০১১ সালে সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. (GPA 5, Golden) এবং ২০১৩ সালে এম. সি. কলেজ, সিলেট থেকে এইচ.এস.সি. (GPA 5, Golden) পাশ করে বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগে ২য় বর্ষে (সেশন: ২০১৪-১৫) অধ্যয়নরত।
সম্ভাবনাময় এই ছেলেটি যখন পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, তখন ডাক্তার-হাসপাতাল, হরেক রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা ইত্যাদি নিয়ে এক অজানা আশঙ্কায় তাকে সময় অতিবাহিত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি জানা গেছে, সে প্রাণঘাতী ব্যাধি ক্যান্সারে (Lymphoma) আক্রান্ত। তার অবস্থা দ্রুত খারাপের দিকে যাচ্ছে। লিম্ফোমার চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা দরকার। তার পিতাও বেঁচে নেই। সহায় সম্পদও তেমন নেই। এই অসহায় ছেলেটির পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার পরিবারের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব।
আসুন না, আমরা সবাই মিলে সেন্টুর পাশে দাঁড়াই। তার স্বপ্ন পূরণে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্নটা যেন অঙ্কুরেই বিনষ্ট না হয়।
যে কোন প্রয়োজনে:
১। তানজিল (৪১তম আবর্তন-ফার্মেসি)- ০১৭২২৮৯৯৭১৫
২। আব্দুল জলিল (৪২তম আবর্তন-ফার্মেসি)- ০১৯২৯৬৭৬৯৮৯
৩। আফরা নাওয়ার (৪২তম আবর্তন-ফার্মেসি)- ০১৮৫০০৬৭০৬৩
৪। তাসনিম হক নওমি (৪২তম আবর্তন-ফার্মেসি)- ০১৭৮১৪৪৮৯৭৪
৫। হৃদয় কুমার দে (৪৪তম আবর্তন-ফার্মেসি)- ০১৭৭১৮৯৩৮৭৮
[ জুবিলী'১২ ব্যাচের নিলয় দাসের স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত ]
★২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সুনামগঞ্জবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। দুই বছর পূর্বে এদিনটিতেই সুনামগঞ্জের তৎকালীন সহকারী জজ মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী একটি মামলার রায়ে,"জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় দিবস ছাড়া অন্য কোনো দিবস পালনের নামে বা গুরুত্বপূর্ণ-অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সংবর্ধনার নামে শিক্ষার্থীদের সড়কের পাশে দাঁড় করানো এবং র্যালিতে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা যাবে না" এই মর্মে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়ে ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারি রায়প্রদান করেছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারী। আমরা তখন ক্লাস টেনে। সুনামগঞ্জ জুবিলীসহ আরও অনেকগুলো বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে আয়োজিত ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রচারের জন্য "Catch Bangladesh Catch" নামক অনুষ্ঠানে, ক্লাসবর্জন করে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়। এখানে সিলেট ও ঢাকা থেকে আগত বিশিস্ট ভিআইপি ও অতি-ভিআইপিদের সংবর্ধনার নামে আমাদেরকে দুপুরের রোদের মধ্যে রাস্তার দুইপাশে প্রায় তিন ঘন্টারও বেশি সময় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। নিজেদের প্রভাব ও দাপট দেখাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে এরকম ব্যবহারে সুনামগঞ্জের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ক্ষুদ্ধ হন।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের শিক্ষার্থীদের প্রতি এরকম অমানবিক আচরণের প্রেক্ষিতে ৩১ জানুয়ারী সুনামগঞ্জ জেলা জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে জনস্বার্থে একটি সত্ব মামলা দায়ের করেন আমার বাবা নিবারণ চন্দ্র দাশ এডভোকেট। এতে এ ধরণের কর্মকান্ড যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেজন্য স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ও মামলা চলাকালীন সময়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন জানানো হয়। মামলার বিবাদী ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, জুবিলী, এসসি গার্লস, এইচএমপি, বুলচান্দ,উচ্চ বালিকা, লবজানের প্রধান শিক্ষক এবং সরকারী কলেজ,পৌর ও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ। এই মামলার খবর কয়েকটি চ্যানেলে ব্রেকিং নিউজ ছাড়াও জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকের হেডলাইনে চলে আসে। মামলার পরই স্বার্থান্বেষী ও সুবিধাবাদী, প্রভাবশালী একটি মহলের পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃস্টি করা হয়। নানাবিধ প্রলোভন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা প্রভৃতি হেন কোন প্রচেস্টাই বাকি থাকেনি। এমনকি মামলার অগ্রগতি বিলম্বিত করতে দীর্ঘসূত্রিতার প্রয়াস চালানো হয়।
এরপর প্রায় তিন বছরের আইনি লড়াইয়ের পর সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ২৯শে সেপ্টেম্বর আমরা মামলায় জয়লাভ করি যা স্ট্যাটাসটির প্রথমেই উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এর ফলে উপরোক্ত স্কুল ও কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের ভিআইপি সংবর্ধনার সংস্কৃতির বিলুপ্তি ঘটেছে। এরপরও তাদের এরকম কোন কাজে ব্যবহার করলে তা অাদালত অবমাননার শামিল বলে গণ্য হবে। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থাও নেয়া যায়। Contempt of Court বা আদালত অবমাননা ফৌজদারি কার্যবিধির একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ ধারা। যেহেতু বিবাদীগণ এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেননি, তাই তারা মামলার রায় তারা মেনে নিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হয়। তাই তারা এধরণের কোন কাজে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করবেন না এটাই কাম্য।
28/08/2016
সেই সুন্দর চিরচেনা সবুজ ঘাসগুলো আজ নেই :(
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
DS Road
Sunamganj
3000
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 16:00 |
| Tuesday | 08:00 - 16:00 |
| Wednesday | 08:00 - 16:00 |
| Thursday | 08:00 - 16:00 |
| Saturday | 08:00 - 16:00 |
| Sunday | 08:00 - 16:00 |