16/12/2025
শ্রদ্ধাঞ্জলি, মহান বিজয় দিবস ২০২৫ ইং।
It’s a platform for
students of English
Department of
Sunamganj Govt College, Sunamganj
Sylhet.
Link of Facebook group:
https://www.facebook.com/groups/1833285730098982/?ref=share
Remember, this is only for the students of this Department. ©01783908235
16/12/2025
শ্রদ্ধাঞ্জলি, মহান বিজয় দিবস ২০২৫ ইং।
12/12/2025
A wonderful tour!
Birthday 🎂 Honorable Eva Roy Ma'am
Our Lighthouse, Our Pride.
26/10/2025
Dreams, books, are each a world; and books, we know,
Are a substantial world, both pure and good:
Round these, with tendrils strong as flesh and blood,
Our pastime and our happiness will grow.”
― William Wordsworth
ইউরোপের সবচেয়ে প্রেস্টিজিয়াস
"ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ" নিয়ে আপনার সব প্রশ্নের উত্তরঃ
ইউরোপের সবচেয়ে প্রেস্টিজিয়াস “ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ” নিয়ে আপনার সব প্রশ্নের উত্তর:
প্রশ্নঃ ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ কী ধরনের প্রোগ্রামগুলোর জন্য প্রযোজ্য?
উত্তর: ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ মূলত স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) এবং যৌথ স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের জন্য প্রযোজ্য। এটি বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২৮৫টি প্রোগ্রামে পড়াশোনা করার সুযোগ দেয়। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারে। এছাড়া, এটি কয়েকটি পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্যও স্কলারশিপ প্রদান করে।
প্রশ্নঃ স্কলারশিপের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেয়া উচিত?
উত্তর: ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপের প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ:
• IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি: কমপক্ষে ৬.৫ ব্যান্ড স্কোর পেতে হবে।
• স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP): এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। SOP-এর মাধ্যমে আপনি কেন এই প্রোগ্রামের জন্য যোগ্য এবং আপনার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য কী, তা ব্যাখ্যা করবেন। এটি ভালোভাবে লিখলে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা যায়।
• সিভি: একটি ভালো সিভি তৈরি করা জরুরি, যেখানে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, এবং গবেষণার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করা থাকবে।
• নথিপত্র সংগ্রহ: প্রয়োজনীয় নথিগুলো যেমন একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, মোটিভেশন লেটার, রেকমেন্ডেশন লেটার ইত্যাদি আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখা উচিত।
প্রশ্নঃ কম CGPA থাকলেও কি ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, কম CGPA থাকলেও ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যায়। প্রোগ্রামভেদে CGPA-এর সীমা ভিন্ন হতে পারে, তবে ২.৫০ থেকে ৩.০০ পর্যন্ত CGPA নিয়ে আবেদন করা সম্ভব হয়েছে। তবে CGPA ছাড়াও আপনার মোটিভেশন লেটার, সিভি এবং SOP ভালো হলে সেটিও আপনার পক্ষে কাজ করবে।
প্রশ্নঃ IELTS এর বিকল্প কী থাকতে পারে?
উত্তর: IELTS না থাকলে আপনি TOEFL বা MOI জমা দিতে পারেন। তবে, IELTS সবচেয়ে সাধারণ এবং অধিকাংশ প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজনীয়। তাই, IELTS পরীক্ষায় ভালো স্কোর করার চেষ্টা করা উচিত।
প্রশ্নঃ ইরাসমাস মুন্ডাসের আবেদনের জন্য কোনো বয়সের সীমা আছে কি?
উত্তর: ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপের জন্য বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। ১৬ বছরের পর থেকে আপনার আবেদন গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে, এবং এর পরে বয়স যতই হোক না কেন, আবেদন করা যাবে।
প্রশ্নঃ আবেদন প্রক্রিয়ার কোনো নির্দিষ্ট ফি আছে কি?
উত্তর: ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপে আবেদন করার জন্য সরাসরি কোনো ফি নেই। তবে IELTS পরীক্ষার ফি, পাসপোর্ট তৈরি, ভিসা আবেদন এবং যাতায়াতের খরচ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে নথি পাঠানোর জন্যও কিছু খরচ হতে পারে।
প্রশ্নঃ আবেদনের সময়সূচি সম্পর্কে একটু বলবেন?
উত্তর: ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপের আবেদন ডেডলাইন প্রোগ্রামভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণত, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে আবেদন জমা দেয়া শেষ করতে হয়। কিছু প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে জানুয়ারি মাসেও ডেডলাইন থাকতে পারে। তাই আপনি যে প্রোগ্রামে আবেদন করবেন, তার সঠিক সময়সীমা প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে দেখে নিশ্চিত হতে হবে।
প্রশ্নঃ আবেদন করার পর মূল্যায়ন কীভাবে হয়?
উত্তর: প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে আবেদনকারীদের মূল্যায়নের পদ্ধতি উল্লেখ করা থাকে। প্রায় সব প্রোগ্রামেই স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনার শিক্ষা, গবেষণা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং আবেদন পত্রের অন্যান্য নথি দেখেই আপনাকে মূল্যায়ন করা হবে। তাই আপনার SOP এবং অন্যান্য নথি যথাযথভাবে প্রস্তুত করা জরুরি।
প্রশ্নঃ আবেদন শেষে কী ধরণের পরামর্শক বা কোঅর্ডিনেটরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে?
উত্তর: আবেদন করার পর আপনি প্রোগ্রামের কোঅর্ডিনেটরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন। প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট ইমেইল বা কনট্যাক্ট ইনফরমেশন দেয়া থাকে। যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে বা আবেদন সংক্রান্ত কোনো জটিলতা থাকে, সেগুলো কোঅর্ডিনেটরের কাছে স্পষ্ট করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ শেষে কী করতে পারব?
উত্তর: ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপের মেয়াদ শেষে আপনি চাইলে ইউরোপে থেকেই চাকরি করতে পারবেন। স্কলারশিপ শেষে দেশে ফিরে আসার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যদি আপনি ইউরোপে থেকে কাজ করতে চান, তাহলে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন এবং ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
- Mollah Mohammad Tamal ভাই
18/07/2022
23/05/2022
collected.
22/05/2022
#জাতীয়_বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নিয়ে খুটিনাটি প্রশ্ন ও উত্তরঃ
#প্রশ্নঃ অনার্স ২০২১-২২ সেশনের ভর্তি আবেদন কবে শুরু?
উঃ ২২ মে বিকাল ৪.০০ থেকে শুরু এবং ০৯ জুন রাত ১১.৫৯ মিনিটে শেষ…
#প্রশ্নঃ আবেদন কোথায় গিয়ে করতে হবে ?
উঃ যে সকল দোকানে অনলাইনের কাজ করা হয় ঐখানে... আপনি চাইলে আমাদের পেইজ থেকে করাই নিতে পারবেন... Apply-Online
#প্রশ্নঃ আবেদনের সময় কী কী লাগবে ?
উঃ SSC ও HSC এর রোল ও পাশের সন এবং ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙ্গিন ছবি এবং ১টি সচল ফোন নাম্বার…
#প্রশ্নঃ পাশের সাল এবং জিপিএ এর উপর কী কোনো সীমাবদ্ধতা আছে ?
উঃ জ্বী আছে। আপনার SSC ২০১৮/১৯ এবং HSC ২০২০/২১ সালে পাশ থাকতে হবে। ১টি কম বা বেশি হলে পারবেন না।
আর জিপিএ বিজ্ঞান এবং বানিজ্য বিভাগের ক্ষেত্রে SSC+ HSC তে আলাদাভবে ৩.৫০ পেতে হবে । মানবিক বিভাগের ক্ষেত্রে SSC তে ৩.৫ এবং HSC তে ৩.০০ পেতে হবে।(জিপিএ ৪র্থ বিষয়সহ ) ।
#প্রশ্নঃ কতটি কলেজ চয়েজ দিতে হয়?
উঃ ১টি।
#প্রশ্নঃ কতটি সাবজেক্ট চয়েজ দেয়া যায় ?
উঃ যে কয়টি আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে সব দিতে পারেন , আপনার ইচ্ছা। চাইলে ১টা ও দিতে পারেন (সর্বোচ্চ ১০ টা)
#প্রশ্নঃ আবেদনের সময় কত টাকা লাগে ?
উঃ ৫০ বা ১শ টাকা। নিজে করলে ফ্রি…আপনি চাইলে আমাদের পেইজ থেকেও অ্যাপ্লাই করে নিতে পারেন, বাড়িতে বসে।
#প্রশ্নঃ আবেদনে যদি কোনো প্রকার ভুল হয় অথবা আমি আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করি তবে কি নতুন ভাবে আবেদন করা যাবে?
উঃ হ্যাঁ যাবে, তবে ১বার। কিন্তু ফর্মটি কলেজে জমা দিয়ে দিলে আর যাবে না…
#প্রশ্নঃ আবেদনের সাথে সাথেই কি ফরম কলেজে জমা দিয়ে দিতে হবে বা কতদিন পরে কলেজে জমা দিতে হবে ?
উঃ হ্যাঁ, ২২ মে থেকে ৯- জুন এর মাঝে দিয়ে দিলেই হবে। তবে জমা দেওয়ার শেষ সময়: ০৯/০৬/২০২২
#প্রশ্নঃ আবেদন ফর্মটি জমা দিতে নিজে যেতে হবে ?
উঃ যাওয়াটাই ভাল , না গেলেও সমস্যা নাই…
#প্রশ্নঃ ফর্মটি কোথায় জমা দিব ?
উঃ যে কলেজটা চয়েজ দিছেন ঐটাতে…
#প্রশ্নঃ আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় কি কি কাগজ নিয়ে যাবো ?
উঃ ssc ও hsc এর রেজিঃ কার্ড ও নম্বরপত্র (মার্কশীট) এর ফটো কপি এবং ২ বা ৪ কপি পাসর্পোট সাইজ ছবি।(যদি কলেজের নোটিশ বোর্ডে ছবি চায়)
#প্রশ্নঃ কলেজে তো এখনো মার্কশীট আসে নাই অথবা তুলি নাই অথবা ssc এর ফটোকপিটাও নাই। তাহলে কি করবো ?
উঃ অনলাইন থেকে মার্কশীট ডাউনলোড করে ঐটা জমা দিলেও হবে…
#প্রশ্নঃকাগজ গুলোকি সত্যায়িত করতে হবে ?
উঃ কলেজের নোটিশ বোর্ডে যদি কাগজপত্র সত্যায়িত করে চায় তবে দিতে হবে…
#প্রশ্নঃ কাগজগুলোর কত কপি করে জমা দিতে হবে ?
উঃ ২ বা ৪ কপি করে…
#প্রশ্নঃ কাগজ গুলা জমা দেয়ার সময় কি কিছু করতে হবে ?
উঃ হ্যাঁ,,, আবেদন পত্রের নির্দিষ্ট জায়গায় স্বাক্ষর ও তারিখ দিতে হবে। যেদিন জমা দিবেন সেদিনের তারিখ দিবেন, আর কলেজ আলাদা ভাবে ফোন নাম্বার চাইলে উপরে লিখতে হবে। আর আবেদন পত্রের ২ টি অংশ থাকে ,১ টি কলেজ কপি অন্যটি স্টুডেন্ট কপি । আবেদন পত্র জমা দেয়ার পর কলেজ অধ্যক্ষ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করে স্টুডেন্ট কপি আপনাকে ফেরত দিয়ে দিবে, আর স্টুডেন্ট কপি যত্ন সহকারে রাখবেন…
#প্রশ্নঃ জমা দেয়ার পর কি কোনো মেসেজ আসবে ?
উঃ হ্যাঁ, ১টি নিশ্চায়ন মেসেজ আসবে…
#প্রশ্নঃ কত সময় বা দিনের মধ্যে মেসেজ টা আসবে ?
উঃ ১ থেকে ৫ দিনের মধ্যে…
#প্রশ্নঃ ভাই, যদি মেসেজ না আসে ?
উঃ মেসেজ না আসলে অনলাইনে আপনার আইডি লগইন করে দেখবেন “Received” লেখা আছে কিনা। যদি রিসিভড লেখা না থাকে তাহলে দ্রুত স্বশরীরে কলেজে উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ করতে হবে…
#প্রশ্নঃ আবেদন গ্রহন হয়েছে কিনা তা সিওর হওয়ার অন্য কোন পথ আছে ? মেসেজ গুলা ডিলিট হয়ে গেছে তো , তাই টেনশনে আছি।
উঃ হ্যাঁ আছে। আপনার কাছে যে আবেদন ফরম টি (কলেজে কাগজ জমা দেওয়ার পর কলেজ আপনাকে যেই স্টুডেন্ট কপিটা ফেরত দিল) আছে ওটাতে ১টি পিন ও পাসওয়ার্ড আছে। ঐটা দিয়ে NU ওয়েব সাইটে লগ ইন করলে Status – লাল রঙে Submit লেখা থাকবে। আর কলেজ আবেদন গ্রহন করলে তা সবুজ রঙে Received লেখা হয়ে যাবে…
#প্রশ্নঃ আবেদন কলেজে জমা দিতে কত টাকা লাগবে ভাই ?
উঃ ২৫০ টাকা
#প্রশ্নঃ ফর্মটা কলেজে জমা দিয়েছি মেসেজ আসছে বা আসেনি এখন কি ওটা বাতিল করা যাবে ?
উঃ না।
#প্রশ্নঃ ১ম মেরিটের রেজাল্ট কবে দিবে ?
উঃ নোটিশ দিলে জানতে পারবেন…
#প্রশ্নঃ নোটিশ কবে দিবে ?
উঃ আবেদন শেষের ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই দিবে…
#প্রশ্নঃ অনলাইনে দেখেছি এক্সেপ্ট করছে। কিন্তু মেসেজ আসে নাই।সমস্যা হবে ?
উঃ কোনো সমস্যা নেই…
#প্রশ্নঃ রেজাল্ট দেখবো কিভাবে ?
উঃ রেজাল্ট মেসেজের মাধ্যমে জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন NUATHNRoll পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে। এখানে আবেদন ফরমের রোল নম্বর দিতে হবে। এবং এই একই পদ্ধতিতে মেধা ও রিলিজের আবেদনের ফলাফল দেখা যাবে।
#প্রশ্নঃ আমার ১ম মেরিটে যদি চান্স না হয় ?
উঃ আবার ২য় মেরিট দিবে…
#প্রশ্নঃ ভাই,১ম মেরিটে চান্স পেয়েছি বাট ঐ সাবজেক্ট পছন্দ না । এখন কি হবে ?
উঃ১ম মেরিটে সুযোগ পেয়ে আপনি যদি ভর্তি না হন তবে আর আপনার রেজাল্ট ২য় মেরিটে দিবে না।
আপনাকে রিলিজে আবেদন করা লাগবে।
#প্রশ্নঃ আর যদি ২য় মেরিটেও সুযোগ পেয়ে ভর্তি না হই তবে কি আমার সিটটা থাকবে?
উঃ তখন আপনাকে রিলিজ স্লিপ তুলতে হবে। আর আপনার সিট থাকবে না।
#প্রশ্নঃ সুযোগ পাওয়ার পর কি করবো?
উঃ সুযোগ পাওয়ার পর আপনাকে ১টি ফর্ম অনলাইন থেকে ডাউনলোড করত হবে। আর এই ফরমটি হচ্ছে ভর্তি ফরম । এই ফর্মটিতে আপনার থানা,বাবার নাম,মায়ের নাম,মোবাইল নাম্বর ইত্যাদি কিছু তথ্য দিতে হবে। এবং এটির ২টি কপি নামাতে হবে। ১টি হবে কলেজ কপি এবং আর ১টি হবে স্টুডেন্ট কপি।
#প্রশ্নঃ মেরিট লিস্টে/১ম রিলিজে চান্স পেয়েছি। চূড়ান্ত ভর্তি ফরম ডাউনলোড করেছি তবে ভর্তি হতে চাইনা আমি কি ১ম রিলিজে/২য় রিলেজে আবেদন করতে পারবো ?
উঃ হ্যাঁ পারবেন।
#প্রশ্নঃ মাইগ্রেশন কিভাবে করবো ?
উঃ মাইগ্রেশন শুধু মাত্র ১ম ও ২য় মেরিটে সুযোগ প্রাপ্তরাই করতে পারবে। সুযোগ পাওয়ার পর যে ফর্মটি ডাউনলোড করতে যাবেন তখন দোকানদারকে বলবেন যে মাইগ্রেশন অপশনটা চালু রাখতে। ব্যাস কাজজ শেষ…
#প্রশ্নঃ মাইগ্রেশন করলে কোন সাবজেক্ট পাবো বা কি নিয়ম এটার ?
উঃ ধরুন, আপনি ৩টা সাবজেক্ট চয়েজ করেছেন। এখন ৩ বা চার নাম্বারটা পেয়েছেন। মাইগ্রেশন করলে আপনি ২ বা ১ নম্বরটা পাবেন।আর ১নং টাই যদি আসে তবে আর মাইগ্রেশন হবে না। মাইগ্রেশন নিচ থেকে উপরে যায়। উপর থেকে নিচে আসে না।
আর মাইগ্রেশন করলেই যে পাবেন এমনটা কেউ বলতে পারবো না। এটা ভাগ্যের ব্যাপার…
#প্রশ্নঃ মাইগ্রেশন যে করবো তার রেজাল্ট কখন দিবে ?
উঃ ২য় মেরিট বা মেধা তালিকা প্রকাশের দিন মাইগ্রেশনের রেজাল্ট অটোমেটিক মেসেজের মাধ্যমে চলে যাবে। যাদের মেসেজ যাবে না তাদের মাইগ্রেট হবে না।সার্ভার ক্রুটির কারনে মেসেজ নাও যেতে পারে । তাই ওয়েবসাইটে চেক করে নিবেন…
প্রশ্নঃ যদি মাইগ্রেশন হয় তবে কি করতে হবে ?
উঃ মাইগ্রেশন হলে আপনাকে আবার রোল পিন দিয়ে লগ ইন করে ১টা ফরম ডাউনলোড করতে হবে, এবং তা যে ডিপার্টমেন্টে চান্স পেয়েছেন ঐ ডিপার্টমেন্টে জমা দিবেন।আর কিছু না এবং টাকাও দেয়া লাগবে না…
প্রশ্নঃ মাইগ্রেট হওয়ার পর যদি আমি মত পরিবর্তন করি,যে সাবজেক্ট চান্স পেয়েছি ঐটাতে থাকি ।পারবো ?
উঃ না,কোনো ভাবেই না। যদি আপনার মাইগ্ৰেশন হয় আর আপনি ভর্তি ফরম পূরণ না করেন অর্থাৎ জমা না দেন তবে সার্কুলার অনুযায়ী আপনার ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে। কোনো ভাবেই আপনি নিজের ইচ্ছাতে বা কলেজের ইচ্ছাতে সাবজেক্ট পরিবর্তন করতে পারবেন না…
প্রশ্নঃ মাইগ্রেশন করা কি বাধ্যতা মূলক ?
উঃ না। এটা আপনার ইচ্ছা।যদি সাবজেক্ট পছন্দ না হয় তবে মাইগ্রেশন করতে পারেন , এতে করে আপনার পছন্দ তালিকার উপরের সাবঃ পেতে পারেন । যদি আপনি মাইগ্রেশন করতে ইচ্ছুক না থাকেন তবে অব্যশই ফরম ডাউনলোডের সময় দোকানদারকে মাইগ্রেশন অপশন অফ করতে বলবেন। কারন ১বার সাবমিট হলে আর ঠিক করার চান্স নেই…
আরো পড়ুন ১ম বর্ষের বিষয় ভিত্তিক রুটিন দেখুন, আপনার বিভাগের রুটিন ও পাবেন
প্রশ্নঃ ভর্তি হতে কত টাকা লাগবে ?
উঃ একেক কলেজে একেক রকম টাকা লাগে , তবে সরকারি কলেজে ৩-৫ হাজার টাকা লাগে , নতুন সরঃ হওয়া কলেজে ৪-৬ হাজার লাগতে পারে। অন্যদিকে বেসরকারি কলেজে ৭-২০ হাজার টাকা লাগতে পারে । যারা বেসরকারি কলেজে ভর্তি আবেদন করবেন তারা আগে থেকেই ওই কলেজের সকল খরচাপাতি সম্পর্কে সরাসরি কলেজ/কলেজের ওয়েবসাইট থেকে দেখে আসবেন । কারন অনেক সময় দেখা যায় অনেকে তাড়াহুড়া করতে গিয়ে এমন এক বেসরকারি কলেজে ভর্তি হয়ে যায় , যেখানে তার পক্ষে কলেজের খরচ চালানো সম্ভব না । তাই এই দিকটা খুবই ভালভাবে দেখবেন…
প্রশ্নঃ ভর্তির সময় কি কি জমা দিতে হবে ?
উঃ কলেজ ভেদে ভিন্ন ভিন্ন ডকুমেন্টস লাগে , তবে সাধারণত নিম্নোক্ত কাগজপত্র গুলোই লাগে…
SSC ও HSCএর মূল মার্কশীট, মূল রেজিঃ কার্ড, মূল প্রশংসা পত্র,২ বা ৪ বা ৬ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি,আবেদন ফরম, ভর্তির ফরম। এগুলোর আবার ফটো কপি ২ বা ৪টি সেট । (অনেক সরকারিতে মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড লাগে । উদাহরনঃ রংপুর সঃকলেজ ও কারমাইকেল কলেজ)।
প্রশ্নঃ ছবি যদি ভিন্ন ভিন্ন আবেদনের সময় ১টা আর ভর্তির সময় অন্যটা দিলে সমস্যা আছে ?
উঃ না।
প্রশ্নঃ ১ম ও ২য় মেরিটে চান্স পাইনি এখন কি করবো ?
উঃ রিলিজ স্লিপ তুলবেন।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপ কি ? খায় নাকি, মাথায় দেয় ?
উঃ যারা ১ম ও ২য় মেরেটি চান্স পায় না বা পেয়েও ভর্তি হয়না তারা আবার রিলিজ স্লিপে আবেদন করবে।
[ বিঃদ্রঃ যারা প্রাথমিক আবেদন করে নাই আবার আবেদন করছে ব্যাংকে টাকা জমা দিছে তবে ফর্ম কলেজে জমা দেয়নি তাঁরা রিলিজে আবেদন করতে পারবেন না।]
প্রশ্নঃ রিলিজে কয়টা কলেজ আবেদন করা যাবে ?
উঃ ৫টা, আপনার ইচ্ছা মত।এমনকি প্রাথমিক আবেদন যে কলেজে করেছেন ওটাতেও। তবে ৫টাই দিতে হবে। কম’ও না বেশি’ও না , ৫ টাই।
প্রশ্নঃ কতটি সাবজেক্ট চয়েস দেয়া যাবে ?
উঃ যে কয়টা প্রদর্শিত হবে সব। চাইলে ১টাও।
প্রশ্নঃ ভাই, রিলিজ স্লিপে আবেদনের সময় কি কিছু লাগবে ?
উঃ না, আপনার প্রাথমিক আবেদন ফর্মটাতে পিন ও রোল দোকানদারকে দিবেন বাকিটা উনাদের কাজ…
প্রশ্নঃ রিলিজ ফর্মটা কি আবার কলেজে জমা দিতে হবে ?
উঃ না, কিছু করতে হবে না। বাসায় এনে যত্ন করে রেখে দিবেন। আর কোন টাকাও দেয়া লাগবে না কলেজে।
প্রশ্নঃ চান্স পেলে কি করবো ?
উঃ উপরের দেয়া আছে কি কি কাগজ লাগবে…
প্রশ্নঃ রিলিজে চান্স পাইলে কি মাইগ্রেশন করা যাবে ? বা কলেজে পরে সাবজেক্ট পরিবর্তন করার কোনো নোটিশ দিবে ?
উঃ না এবং না।
প্রশ্নঃ যদি ১ম রিলিজে ভর্তি না হই ?
উঃ তবে ২য় রিলিজে আবেদন করবেন ঠিক ১ম রিলিজে যেভাবে আবেদন করেছেন।
কিন্তু ২য় রিলিজে সিট খালি থাকা সাপেক্ষে দিবে। আবার ৩য় রিলিজের আশায় কেউ থাইকেন না ।
প্রশ্নঃ রিলিজ ফর্ম টা ভুল বা মত পরিবর্তন করি তাহলে নতুন আবেদন করতে পারবো ?
উঃ হ্যাঁ , তবে মাত্র ১বার।
প্রশ্নঃ কিভাবে করবো ?
উঃ দোকানদারকে বল্লেই হবে।
প্রশ্নঃ আবেদনের রেজাল্ট কবে দিবে ?
উঃ ১ম ও ২য় মেরিট,কোটা,১ম রিলিজ, ২য় রিলিজ প্রত্যেকটার রেজাল্ট আবেদনের শেষ সময় থেকে ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দিয়ে থাকে। এবং পর্যায়ক্রমে ১টি ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তি শেষ হলে পরেরটির জন্য নোটিশ দেয় ।কোনো
ভাবেই একটি কার্যক্রম চলাকালীন অপরটির আবেদন সংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশ করা হয় না…
প্রশ্নঃ আপনি এতো কিছু জানেন কিভাবে? কয় বছরের অভিজ্ঞতা?
উঃ অনলাইন জগতে না জেনে থাকাটা নিজের ব্যর্থতা, , আর হ্যাঁ, সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন, নিজে জেনে সব কিছু নিজের মধ্যে রেখে দিবেন না, ছড়িয়ে দিবেন প্রচার করে দিবেন সব সময়…
গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন, সময়মত কাজে লাগতে পারে না হয় পোস্টটি হারিয়ে যেতে পারে, অন্যকে জানানোর জন্য মেনশন করুন…
ধন্যবাদ।