ইসলামি শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড

ইসলামি শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড

Share

কু-শিক্ষা বর্জন করি, ইসলামি শিক্ষা অর্জন করি ।
আলোকিত জীবন গড়ি ।

“আদর্শ মানুষ ও সুন্দর সমাজ বির্নিমাণে ইসলামি শিক্ষার বিকল্প নাই ”

12/01/2019

চারজন নবীকে আল্লাহতায়ালা চারটি আসমানি কিতাব (গ্রন্থ) দিয়েছেন ৷

¥ কিতাবগুলির নাম ¥
১. তাওরাত
২. যাবুর
৩. ইঞ্জিল
৪. কোরআন শরিফ

বলুনতো কোন নবীর উপর কোন কিতাবটি নাযিল হয়েছিল ?

09/01/2019

১. একত্ববাদের অর্থ কী?

উ. অন্তর দিয়ে আল্লাহ তাআলাকে এক মনে করা এবং মুখে তা স্বীকার করাকে একত্ববাদ বলে।

আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সকলকে একত্ববাদের বিশ্বাসী হওয়ার তাওফিক দান করেন।

MIM (1)

09/03/2016

আমাদের কাছে নারীর প্রতিরূপ হলো
কন্যা-জায়া-জননী।


পুরুষের শেভিং ফোমের বিজ্ঞাপনে
উন্মুক্ত বক্ষে যাকে দেখা যায় সে
নারী নয়, সে হল পণ্য।

হাজারো বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ডে
যাদের নগ্ন উপস্থিতি। তারা নারী নয়।
তারা ও পণ্য।তারা তেতুল।

নারী স্বাধীনতার ভূঁয়া শ্লোগান তুলে
যারা নারীদের পথে নামিয়ে দেয়।তারা
নারীবাদী,নারীর রক্ষক নয়, তারা
নারীভক্ষক।

নারী কে?
যিনি সর্বপ্রথম ইসলামগ্রহণ করে
সায়্যিদুল মুরসালিন (সঃ) কে সাহস
যুগিয়েছেন।
উম্মুল মু'মিনীন হজরত খাদিজাতুল কুবরা
রাঃ।
নারী কে?
যিনি জান্নাতি মহিলাদের সর্দার।
রাসুলে আরাবী (সঃ) এর আদরের দুলালী
হজরত ফাতিমা রাঃ।
নারী কে?
যার রক্তেলেখা চিঠি হাজ্জাজ বিন
ইউসুফের মতো পাষাণহৃদয়ের মানুষের
অন্তর কাঁপিয়ে দেয়।

নারী কে?
যাদের পবিত্র গর্ভ জন্ম দিয়েছিল
তারিক বিন যিয়াদ,মুসা বিন নুসাইর,
মুহাম্মাদ বিন কাসিম,নুরুদ্দীন জঙ্গি,
মাহমুদ গজনভী,সালাহুদ্দীন আইয়ুবীদের
(রহিমাহুমুল্লাহ) মত ইতিহাসবিখ্যাত বীর
সিপাহসালারদের।
তাদের মহীয়সী মায়েরা।


বেগম রোকেয়া, সুফিয়া
কামাল,তাসলিমা নাসরীন,নীলিমা
ইব্রাহীম প্রমুখ, তারা নারীবাদী তো
নয়ই।তারা হলো সেই লেজকাটা শিয়াল,
যে নিজের লেজ হারিয়ে সবাইকে
লেজকাটার পরামর্শ দিয়েছিল।

অবলা নারীকে হাজারো নেকড়েরুপী
পুরুষের সামনে ঠেলে দেওয়ার নাম
নারীস্বাধীনতা নয়।বরং এটা পুরুষের
অক্ষমতা।
নারীকে কন্যা-জায়া-জননীরুপে দেখাই
পুরুষেরপৌরষত্ব।অন্যথা নিজের
অযোগ্যতা, অক্ষমতা।

04/01/2016

সূরা যিলযাল (ভূমিকম্প) সূরা-৯৯,
(১) যখন পৃথিবী তার (চূড়ান্ত) কম্পনে প্রকম্পিত
হবে।
(২) যখন ভূগর্ভ তার বোঝাসমূহ উদ্গীরণ
করবে।
(৩) এবং মানুষ বলে উঠবে, এর কি হ’ল?
(৪) সেদিন সে (তার উপরে ঘটিত) সকল বৃত্তান্ত
বর্ণনা করবে।
(৫) কেননা তোমার পালনকর্তা তাকে প্রত্যাদেশ
করবেন।
(৬) সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে
তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো যায়।
(৭) অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা
সে দেখতে পাবে
(৮) এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও
সে দেখতে পাবে।’

21/10/2015

আশুরা ও মুহররম : কিছু কথা
মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া আব্দুল্লাহ
মুহাররম ও আশুরা
কুরআন মজীদে ও হাদীস শরীফে এ মাস সম্পর্কে যা এসেছে তা হল, এটা অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ মাস। কুরআনের ভাষায় এটি ‘আরবাআতুন হুরুম’-অর্থাৎ চার সম্মানিত মাসের অন্যতম।
এ মাসে রোযা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমযানের পর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযা হল সর্বশ্রেষ্ঠ।’
ﻞﻀﻓﺃ ﻡﺎﻴﺼﻟﺍ ﺪﻌﺑ ﻥﺎﻀﻣﺭ ﺮﻬﺷ ﻪﻠﻟﺍ ﻡﺮﺤﻤﻟﺍ
-সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮; জামে তিরমিযী ১/১৫৭
এর মধ্যে আশুরার রোযার ফযীলত আরও বেশি।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোযা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’
ﺖﻳﺃﺭ ﺎﻣ ﻲﺒﻨﻟﺍ ﻰﻠﺻ ﻪﻠﻟﺍ ﻪﻴﻠﻋ ﻢﻠﺳﻭ ﻯﺮﺤﺘﻳ ﻡﺎﻴﺻ ﻡﻮﻳ ﻪﻠﻀﻓ ﻰﻠﻋ ﻻﺇ ﻩﺮﻴﻏ ﺍﺬﻫ ﻡﻮﻴﻟﺍ ﺀﺍﺭﻮﺷﺎﻋ ﻡﻮﻳ ﺍﺬﻫﻭ ﺮﻬﺸﻟﺍ ﻲﻨﻌﻳ ﻥﺎﻀﻣﺭ
-সহীহ বুখারী ১/২১৮
হযরত আলী রা.কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল, রমযানের পর আর কোন মাস আছে, যাতে আপনি আমাকে রোযা রাখার আদেশ করেন? তিনি বললেন, এই প্রশ্ন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈক সাহাবী করেছিলেন, তখন আমি তাঁর খেদমতে উপসি'ত ছিলাম। উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘রমযানের পর যদি তুমি রোযা রাখতে চাও, তবে মুহররম মাসে রাখ। কারণ, এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন।’-জামে তিরমিযী ১/১৫৭
অন্য হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোযার কারণে আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।’
ﻡﺎﻴﺻ ﻡﻮﻳ ﺀﺍﺭﻮﺷﺎﻋ ﺐﺴﺘﺣﺃ ﻰﻠﻋ ﻪﻠﻟﺍ ﻥﺃ ﺔﻨﺴﻟﺍ ﺮﻔﻜﻳ ﻲﺘﻟﺍ ﻪﻠﺒﻗ
-সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮
আশুরার রোযা সম্পর্কে এক হাদীসে আছে যে, ‘তোমরা আশুরার রোযা রাখ এবং ইহুদীদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে; আশুরার আগে বা পরে আরো একদিন রোযা রাখ।’
ﺍﻮﻔﻟﺎﺧﻭ ﺀﺍﺭﻮﺷﺎﻋ ﺍﻮﻣﻮﺻ ﻪﻴﻓ ،ﺩﻮﻬﻴﻟﺍ ﺍﻮﻣﻮﺻ ﻪﻠﺒﻗ ﻭﺃ ﺎﻣﻮﻳ ﻩﺪﻌﺑ ﺎﻣﻮﻳ
-মুসনাদে আহমদ ১/২৪১
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোযা রাখব।’-সহীহ মুসলিম ১/৩৫৯
মহররম ও আশুরাকেন্দ্রিক নানা কুসংস্কার
এ মাসে পৃথিবীর বহু ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এদিনে আল্লাহ তাআলা তাঁর কুদরত প্রকাশ করেছেন। বনি ইসরাইলের জন্য সমুদ্রে রাস্তা বের করে দিয়েছেন এবং তাদেরকে নিরাপদে পার করে দিয়েছেন। আর একই রাস্তা দিয়ে ফেরাউন ও তার অনুসারীদেরকে ডুবিয়ে মেরেছেন।-সহীহ বুখারী ১/৪৮১
তবে এ দিনের গুরুত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে অনেকে নানা ভিত্তিহীন কথাও বলে থাকেন। যেমন, এদিন হযরত ইউসুফ আ. জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। হযরত ইয়াকুব আ. চোখের জ্যোতি ফিরে পেয়েছেন। হযরত ইউনুস আ. মাছের পেট থেকে মুক্তি পেয়েছেন। হযরত ইদরীস আ.কে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়। অনেকে বলে, এদিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই।-আল আসারুল মারফূআ, আবদুল হাই লাখনেবী ৬৪-১০০; মা ছাবাহা বিসসুন্নাহ ফী আয়্যামিস সানাহ ২৫৩-২৫৭
এ মাসের একটি ঘটনা শাহাদাতে হুসাইন রা.। বলাবাহুল্য যে, উম্মতের জন্য এই শোক সহজ নয়। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এরই তো শিক্ষা-‘নিশ্চয়ই চোখ অশ্রুসজল হয়, হৃদয় ব্যথিত হয়, তবে আমরা মুখে এমন কিছু উচ্চারণ করি না যা আমাদের রবের কাছে অপছন্দনীয়।’
অন্য হাদীসে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই যারা মুখ চাপরায়, কাপড় ছিড়ে এবং জাহেলী যুগের কথাবার্তা বলে।’
অতএব শাহাদাতে হুসাইন রা.কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়া এবং সব ধরনের জাহেলী রসম-রেওয়াজ থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্য কর্তব্য।
আশুরা, মহররম
এ মাসে যেসব অনৈসলামিক কাজকর্ম ঘটতে দেখা যায় তার মধ্যে তাজিয়া, শোকগাঁথা পাঠ, শোক পালন, মিছিল ও র্যালি বের করা, শোক প্রকাশার্থে শরীরকে রক্তাক্ত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এসব রসম-রেওয়াজের কারণে এ মাসটিকেই অশুভ মাস মনে করার একটা প্রবণতা অনেক মুসলমানের মধ্যেও লক্ষ করা যায়।
এজন্য অনেকে এ মাসে বিয়ে-শাদী থেকেও বিরত থাকে। বলাবাহুল্য এগুলো অনৈসলামিক ধারণা ও কুসংস্কার।
মোটকথা, এ মাসের করণীয় বিষয়গুলো যখা, তওবা- ইস্তেগফার, নফল রোযা এবং অন্যান্য নেক আমল। এসব বিষয়ে যত্নবান হওয়া এবং সব ধরনের কুসংস্কার ও গর্হিত রসম-রেওয়াজ থেকে বেঁচে কুরআন্তসুন্নাহ মোতাবেক চলাই মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাওফীক দান করুন। ষ
[আলকাউসার, মুহাররাম ’৩০ হিজরী সংখ্যা থেকে গৃহীত।]

03/10/2015

“সম্পদ তোমাকে পাহারা দিতে হয়, কিন্তু জ্ঞান
তোমাকে পাহারা দিয়ে রাখে।”
✍————হযরত আলী (রাঃ),

27/09/2015

উসমান ইবনে আফফান (রাঃ)
থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা,
যারা নিজেরা কুরআন শিখে
এবং অন্যকেও শিক্ষা দেয়।
[সহীহ বুখারী]

04/09/2015

回 এক জুম'আ থেকে আরেক জুম'আ পর্যন্ত
যাবতীয় গুনাহ মাফ 回
-
ණ:হযরত আদম (রঃ)...... সালামান
ফারিসী (রাঃ) থেকে, তিনি বলেন,
নবী করীম (সাঃ) বলেছেনঃ- যে
ব্যক্তি জুম'আর দিন গোসল করে এবং
যথাসাধ্য ভালরূপে পবিত্রতা অর্জন
করে ও নিজের তেল থেকে ব্যবহার
করে বা নিজে ঘরের সুগন্ধী ব্যবহার
করে এরপর বের হ্য় এবং দু'জন লোকের
মাঝে ফাক না করে, তারপর তাঁর
নির্ধারিত সালাত আদায় করে এবং
ইমামের খুৎবা দেওয়ার সময় চুপ থাকে,
তা হলে তাঁর সে জুম'আ থেকে আরেক
জুম'আ পর্যন্ত সময়ের যাবতীয় গুনাহ মাফ
করে দেওয়া হয়।
(সহীহ বুখারী শরীফঃ- ৮৩৯ )
সুবহানাল্লাহ!!! সুবহানাল্লাহ!!!
সুবহানাল্লাহ!!!

19/08/2015

বিশ্বনিন্দিত পর্নোস্টারকে বাংলার
পবিত্র মাটিতে এখনই অবাঞ্ছিত
ঘোষণা করা হোক!
+>

13/08/2015

সন্তানের চরিত্রগঠন তথা যৌন হয়রানী থেকে রক্ষা
করতে নিন্ম বর্নিত বিষয়গুলো ছোট বেলা থেকেই
আপনার সন্তানকে শিক্ষা দিনঃ ১. আপনার মেয়ে
শিশুকে অন্য কারো কোলে (এমনকি চাচা - চাচতো
ভাই) বসা থেকে বিরত রাখুন। তাদের মাঝে লজ্জাবোধ
সৃষ্টি করুন। ২. আপনার সন্তানের বয়স দুই বছর পুর্ন হবার পর
তাদের সামনে কাপড় পরা/ বদলানো থেকে বিরত
থাকুন। এবং ছোট বেলায় যত্র-তত্র উলঙ্গ অবস্থায়
যেতে নিষেধ করুন। ৩. কক্ষনো কোন সম- বয়সী কিংবা
দাদা- দাদী- নানা- নানী শ্রেনীয় কেউ আপনার
সন্তানকে "আমার বউ" / "আমার জামাই" বলার সুযোগ
দেবেন না। এমন মশকরা করা থেকে তাদের সাবধান
করে দিন। ৪. আপনার সন্তান যখন বন্ধুদের সাথে খেলতে
যায় তখন লক্ষ্য রাখুন তারা কি ধরনের খেলা খেলছে?
আমাদের দেশে বাচ্চারা "চড়ুই ভাতি" রান্নার সময়
স্বামী- স্ত্রী সাজে এবং পরষ্পর বর- কনে সেজে
কিংবা পুতুলদের বিয়ে দিয়ে দুষ্টমির ছলে
প্রাপ্তবয়স্কদের মত আচরন করে। এসব বিষয় পরবর্তীতে
যৌন. হয়রানিতে রুপ নেয়। ৫. কখনো আপনার বাচ্চাকে
জোর করে অন্য প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ কিংবা মহিলার
কাছে পাঠাবেন না - যদি তারা ওই লোকটির সাথে
কথা বলতে অথবা মিশতে সাচ্ছ্যন্দবোদ না করে।
এমনকি অন্য কোন ব্যাক্তির প্রতি আপনার সন্তান অতি
আগ্রহী হলে তার অতি আগ্রহের কারন আবিষ্কার করার
চেষ্টা করুন। ৬. যদি আপনার এ্যাকটিভ বাচ্চাটি হঠাৎ
করে চুপচাপ হয়ে যায় তাহলে তাকে প্রশ্ন করে তার
কারন বের করার চেষ্টা করুন। বুঝতে চেষ্টা হঠাৎ করুন
কি কারনে তার মন খারাপ হয়েছে। অনেক সময় তারা
যৌন হয়রানীর শিকার হলে লজ্জায় অন্যের কাছে
প্রকাশ করেনা- নিজের কাছে হীনমন্যতায় ভোগে। ৭.
সাবধানতার সাথে বয়সন্ধীকালে আপনার সন্তানকে
সঠিক যৌন শিক্ষা দেবার চেষ্টা করুন। না হয় বন্ধ-
বান্ধব/ সমাজ তাকে ভুলভাবে এ বিষয়টি শিক্ষা
দিবে। ৮. সন্তান কোন কার্টুন কিংবা ফিল্ম দেখার
আগে আপনি সে কার্টুনটি/ ফিল্মটি সম্পর্কে অবগত হয়ে
নিন। জেনে নিন তাতে কু- শিক্ষনীয় কিছু আছে কিনা?
৯. আপনার ৩ বছর এর বেশি বয়সী সন্তানকে টয়লেট শেষে
নিজে নিজে গোপনাঙ্গ পরিষ্কার করতে শিখান।
তাদেরকে সতর্ক করে দিন তাদের গোপনাঙ্গ অন্য কেউ
যেন না ধরে। এমনকি আপনি নিজেওআপনার সন্তানের
গোপনাঙ্গ ধরবেন না মনে রাখবেন সু- শিক্ষার শুরু
আপনার ঘর থেকেই। ১১. কিছু ব্যাক্তি বা বস্তুকে ব্লাক
লিষ্ট করুন - যেটা আপনার সন্তানের মানসিক বিকাশে
বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন বাজে লিরিক এর
মিউজিক, মুভি - এমনকি ব্যাবহার ভালো নয় এমন
আত্মিয় কে আপনার সন্তানের সংষ্পর্শে আসতে বারন
করুন। ১২. আপনার সন্তানকে প্রতিকুল পরিবেশে
প্রতিবাদ করার জন্য অনুপ্রেরনা দিন। কিভাবে বাজে
পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষা করবে তার ধারনা দিন। ১৩.
আপনার সন্তান কোন নিদ্ধিষ্ট ব্যাক্তির বিরুদ্ধে
নালিশ করলে তা হেলায় উড়িয়ে দেবেন না। তার
কথার সত্যতা যাচাই করুন। তাদেরকে বুঝতে দিন সে
একা নয় - তার সহায়তা করার জন্য আপনি আছেন। এটি
তার আত্মবিশ্বাস শক্তিশালী করবে। ১৪. নিজের
সন্তানদের ছোট বেলা থেকেই ইসলামী শিক্ষা
শিক্ষিত করুন। ১৫. সন্তানকে কখন একা করে রাখবেন
না। আমার লেখা ভালো লাগলে লাইক/ কমের্ন্টস
দিবেন। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।
সংগৃহিত

11/08/2015

শয়তানের পরিচয় :
------------------------
আদম (আঃ)-কে সৃষ্টির আগে পৃথিবীতে যে জিন জাতি
বাস করত ‘ইবলীস’ ছিল তাদের অন্যতম (ক্বাহাফ-৫০)
ইবলীস জিন দলভুক্ত ছিল। যখন তারা পৃথিবীতে
হাঙ্গামা সৃষ্টি করে, তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদের
নিকট ফেরেশতাদের প্রেরণ করেন। ফেরেশতাগণ
তাদের কতককে হত্যা করেন, কতককে বিভিন্ন দ্বীপে
নির্বাসন দেন এবং কতককে বন্দী করেন। ইবলীস ছিল
বন্দীদের একজন। ফেরেশতাগণ তাকে ধরে সঙ্গে করে
আকাশে নিয়ে যান এবং সে সেখানেই রয়ে যায়’।
হাফিয ইবনু কাছীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ১ম
খন্ড (ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ১ম প্রকাশ, জুন
২০০০), পৃঃ ১৮৩।
সে ছিল আগুনের সৃষ্টি (আর-রহমান ১৫; হিজর ২৭)
পাপে লিপ্ত হওয়ার পূর্বে ইবলীসের নাম ছিল
‘আযাযীল’ সে ছিল পৃথিবীর বাসিন্দা। অধ্যবসায় ও
জ্ঞানের দিক থেকে ফেরেশতাদের মধ্যে সেই ছিল
সকলের সেরা’আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ১ম খন্ড,
পৃঃ ১৪২।
অতঃপর যখন আল্লাহ আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করে
ফেরেশতাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে সিজদা
করার জন্য তখন সকল ফেরেশতা সিজদা করল কিন্তু
ইবলীস সিজদা করল না।
আল্লাহ বলেন, ‘স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক
ফেরেশতাদেরকে বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করছি
কাদা মাটি থেকে।
যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ সঞ্চার
করব, তখন তোমরা তার প্রতি সিজদাবনত হবে।
তখন ফেরেশতারা সকলেই সিজদাবনত হ’ল কেবল ইবলীস
ব্যতীত।
সে অহংকার করল এবং কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হ’ল।
তিনি বললেন, হে ইবলীস! আমি যাকে নিজ হাতে সৃষ্টি
করলাম, তার প্রতি সিজদাবনত হ’তে তোমাকে কিসে
বাধা দিল? তুমি কি ঔদ্ধত্য প্রকাশ করলে? না তুমি উচ্চ
মর্যদাসম্পন্ন?
সে বলল, আমি তাঁর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আপনি আমাকে আগুন
থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন
কাদা মাটি থেকে।
তিনি (আল্লাহ) বললেন, তুমি এখান থেকে বের হয়ে
যাও। নিশ্চয়ই তুমি বিতাড়িত এবং তোমার উপর আমার
লা‘নত স্থায়ী হবে কর্মফল দিবস পর্যন্ত। সে বলল, হে
আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে অবকাশ দিন
পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত। তিনি বললেন, তুমি অবকাশ
প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হ’লে অবধারিত সময় উপস্থিত
হওয়ার দিন পর্যন্ত। সে বলল, আপনার সম্মানের শপথ!
আমি তাদের সকলকেই পথভ্রষ্ট করব। তবে তাদের মধ্যে
একনিষ্ঠ বান্দাদের নয়। তিনি বললেন, তবে এটাই সত্য
আর আমি সত্যই বলি। তোমার দ্বারা ও তোমার
অনুসারীদের দ্বারা আমি জাহান্নাম পূর্ণ
করবই’ (ছোয়াদ-৩৮/৭১-৮৫)
সে আদম (আঃ)-কে এই বলে কুমন্ত্রণা দিল যে, ‘হে আদম!
আমি কি তোমাকে বলে দেব অনন্ত জীবনপ্রদ বৃক্ষের
কথা এবং অক্ষয় রাজ্যের কথা?’ (ত্বা-হা ১২০)
সে আরো বলল,
আল্লাহ তোমাদেরকে এই গাছের ফল খেতে নিষেধ
করেছেন, কারণ যদি তোমরা ফল খাও তাহ’লে তোমার
ফেরেশতা হয়ে যাবে, না হয় চিরস্থায়ী হয়ে যাবে।
সুতরাং জান্নাতে চিরস্থায়ী হ’তে হ’লে এ বৃক্ষের ফল
খাও’(আ‘রাফ ২০-২২)
শয়তানের চক্রান্তে পড়ে আদম ও হাওয়া (আঃ) এক সময়
নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল খেয়ে ফেলেন। তখন আল্লাহ ডেকে
বলেন,
-
‘তখন তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেন,
আমি কি তোমাদেরকে এ বৃক্ষের নিকটবর্তী হ’তে বারণ
করিনি এবং আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, শয়তান
তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? তারা বলল, হে আমাদের
প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করেছি,
যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং দয়া না
করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে
যাব’
(আ‘রাফ:৭/২২-২৩)
আল্লাহ পাক আদম ও হাওয়া (আঃ)-এর অপরাধ ক্ষমা
করে জান্নাত থেকে দুনিয়ায় নামিয়ে দিলেন এবং
শয়তানকে মানুষের জন্য শত্রু করে দিলেন। আর মানব
জাতির জন্য নির্দেশ দিয়ে দিলেন,
‘আমি বললাম, তোমরা সকলেই এ স্থান থেকে নেমে
যাও। পরে যখন আমার পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট
সৎপথের কোন নির্দেশ আসবে, তখন যারা আমার
সৎপথের অনুসরণ করবে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা
দুঃখিতও হবে না। যারা কুফরী করে ও আমার
নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করে তারাই জাহান্নামী।
সেখানে তারা চিরকাল থাকবে’ (বাক্বারাহ ২/৩৮-৩৯)

04/08/2015

"তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য
প্রার্থনা কর"....

________(আল কুরআন)

Want your school to be the top-listed School/college in Sunamganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Syedpur, Jagannathpur
Sunamganj
3061