Chhatak Cement Factory High School

Chhatak Cement Factory High School

Share

"ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী উচ্চ বিদ্যাল

Photos from Chhatak Cement Factory High School's post 01/06/2020

ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ গোলাম কবির এর পক্ষ হতে ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২০ সালের জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করছেন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ জালাল আহমদ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কারখানার সিবিএ'র এর সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আব্দুল কুদ্দুস সহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

Photos from Chhatak Cement Factory High School's post 31/05/2020

আজ ৩১ মে, ২০২০ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে যারা অনেক আগে পাশ করে গিয়েছেন, কিংবা এখন আর ছাতকে থাকছেন না, তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন আমাদের প্রাণের স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য।

শুরুতেই স্কুলের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানাচ্ছি, এবারের এসএসসি'র ফলাফলে শতভাগ পাশ নিয়ে আসার জন্য। এটা অবশ্যই আমদের জন্য বিরাট একটা সাফল্য।

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় আমাদের স্কুল থেকে ৯৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং সবাই কৃতকার্য হয়। অর্থাৎ পাশ শতভাগ৷ মোট জিপিএ ৫ আসে ১৬ টি এবং এ গ্রেড আসে ৫৮ টি।

মোট পরীক্ষার্থীর ৪৫ জন ছেলে ও ৫৪ জন মেয়ে। ১৬ জন জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ৫ জন ছেলে ও ১১ জন মেয়ে।

আমদের প্রাণের বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফল অর্জনে যারা যেভাবে সহায়তা করেছেন, সবার প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। সর্বোপরি আমাদের ছোট ভাইবোনদের প্রতি রইলো অনেক অনেক শুভকামনা। জীবনের প্রতিটি স্তরে তারা তাদের এ সাফল্য ধরে রেখে এগিয়ে যাক। আরো গর্বিত করুক আমাদের।

28/04/2020

Act COVID-19 National Call _ Call For Nation _ Join Today

11/01/2017

সঠিক নিয়মে পড়াশোনার ৭টি টিপস

রাতদিন বাবা মা বলেই যান, “বেশি
করে পড়! রেজাল্ট ভাল হতে হবে
এবার!” আমরাও ভাল রেজাল্টের জন্য
অথবা ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবার
আশায় নাকমুখ গুঁজে ডুবে থাকি
পড়ালেখায়। কিন্তু অনেকের
ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এত পরিশ্রমের
পরও ফলাফল মনমতো হচ্ছে না। অথচ
পাশের বাড়ির ছেলেটাই সারাদিন
খেলাধুলা নিয়ে মেতে থাকার পরও
পরীক্ষায় অনেক ভাল ফল করছে। এর
কারণ কি শুধুই মেধার তারতম্য?
কখনোই নয়! স্রষ্টা সবাইকেই সমান
মেধা দিয়ে পাঠিয়েছেন, কিন্তু
মেধার সঠিক ব্যবহারই ক্লাসের
ফার্স্ট বয় আর লাস্ট বয়ের ব্যবধান
তৈরী করে দেয়।
সমাজে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী
আমরা অনেকেই “স্টাডি হার্ড”
অর্থাৎ “বেশি বেশি পড়লেই ফল
ভাল হবে”- এমন ধারণা পোষণ করি,
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে “স্টাডি হার্ড” এর
চেয়ে “স্টাডি স্মার্ট” বা “সঠিক
নিয়মে পড়াশোনা” অনেক বেশি
ফলপ্রসূ। দৈনন্দিন পড়াশোনার পদ্ধতিতে
ছোট্ট ছোট্ট কিছু পরিবর্তন জাদুকরী
এক ভূমিকা রাখবে তোমার পরীক্ষার
রেজাল্ট ভাল করার পেছনে। চলো,
ঝটপট দেখে নেওয়া যাক ৭টি “স্টাডি
স্মার্ট” টিপস!

১। একনাগাড়ে বেশিক্ষণ পড়াশোনা
নয় বিজ্ঞানীরা বলেন, মস্তিষ্কের তথ্য
ধারণ ক্ষমতা টানা ২৫-৩০ মিনিট
পরিশ্রমের পর হ্রাস পেতে শুরু করে।
সুতরাং, একটানা ঘন্টার পর ঘন্টা বই
নিয়ে পড়ে থাকার অভ্যাস বন্ধ করো।
পড়ার সময়টুকুকে ছোট্ট ছোট্ট ভাগে
আলাদা করে সাজিয়ে নাও।
প্রত্যেকটা ভাগ শেষ হওয়ার পর পাঁচ
মিনিট ব্রেক নিবে। এই সময়টুকু একদম
chill! তোমার যা করতে ভাল লাগে
(কিছু খাওয়া, গান শোনা, ফেসবুকে
একবার ঢুঁ মেরে আসা) এই সময়টুকুতে
করবে, তারপর সতেজ মনে আবার
পড়াশোনায় ঝাঁপিয়ে পড়বে।

২। মুখস্থ নয়, বুঝে পড়ো
ছোটবেলা থেকে আমাদের ছড়া,
কবিতা প্রভৃতি দাঁড়িকমা সহ মুখস্থ
করে পরীক্ষার খাতায় লিখতে
লিখতে অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায় সবকিছু
মুখস্থ করে ফেলার। এটি খুব ভুল একটি
পদ্ধতি। অনেকেই আছে, যাদের কোন
কিছুর সংজ্ঞা জিজ্ঞেস করলে হুবুহু
বই এর সংজ্ঞা গড়গড় করে বলে দিতে
পারবে, কিন্তু ব্যাখ্যা করতে বললেই
নিশ্চুপ! বর্তমান সৃজনশীল পদ্ধতিতে
পরীক্ষায় এই মুখস্থবিদ্যা নির্ভরতা
তোমাকে একদমই সাহায্য করবে না
ভালো ফল করতে। সুতরাং বই এর
সংজ্ঞা মুখস্থ করা বন্ধ করে মূল টপিকটা বুঝতে চেষ্টা করো। কেননা, মুখস্থ দশবার করলে দশবার ভুলবে, কিন্তু একবার ভালভাবে বুঝে নিতে পারলে কোনদিনও ভুলার চান্স নেই!

৩। বিভিন্ন সোর্স থেকে পড়ো
বুঝে বুঝে পড়ার একটি চমৎকার উপায়
হচ্ছে একই টপিক বিভিন্ন সোর্স
থেকে পড়া। অন্ধের হাতি দেখার
গল্প মনে আছে তো? শুধুমাত্র একটি
বই থেকে পড়তে গেলে তেমনটি
হওয়ার সম্ভাবনা অনেক। সুতরাং
সম্ভাব্য সবরকম সোর্স থেকে শেখার
চেষ্টা করো।

৪। কাউকে শেখাও
আইনস্টাইন বলেন, “একটা বিষয়
তোমার পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ত হবে
তখনই, যখন বিষয়টি তুমি কাউকে
বুঝিয়ে বলতে পারবে।”
পড়ালেখাকে যদি একটি গাড়ির
সাথে তুলনা করো, তাহলে তুমি যখন
একটি টপিক পড়লে, তখন সেটি হচ্ছে
গাড়ির ইঞ্জিন। কিন্তু শুধু এটুকু দিয়েই
তুমি কাউকে ঠিকভাবে বুঝাতে
পারবে না টপিকটা। কেননা, কেবল
ইঞ্জিন থাকলেই তো গাড়ি চলে না!
গাড়ির অন্যান্য যন্ত্রাংশ – চেসিস,
টায়ার ইত্যাদি সব মিলে যুক্ত হয়েই
তৈরী হয় একটি গাড়ি।
যখন কাউকে বুঝাতে যাবে একটি
টপিক, তখন লক্ষ্য করবে শুধু বইপড়া
জ্ঞান দিয়ে কাজ হচ্ছে না। ঠিক
গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মতো,
সবগুলো ঠিকমতো জোড়া দিলে তবেই
চলবে গাড়ি, সেরকম তোমার
টপিকটার বিভিন্ন আঙ্গিকের উপর
সার্বিক একটা ধারণা থাকতে হবে,
এবং সেটা গড়ে উঠবে কাউকে
শেখাতে গেলেই, টপিকটার উপর
তোমার জ্ঞান অনেক গভীরে
পৌঁছাবে তখন।

৫। নিবিড় মনোনিবেশ
একবার ভেবে দেখো তো, দিনে গড়ে
কত ঘন্টা তুমি বইয়ের সামনে বসে
কাটাও? এর মধ্যে কতটুকু সময় তোমার
অখন্ড মনোযোগের সাথে পড়া হয়?
খেয়াল করলে দেখবে, প্রচুর সময়
হেলাফেলা করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে
প্রতিদিন। “জাস্ট ২ মিনিটের জন্য
ফেসবুকে ঢুকবো!” “খেলার স্কোরটা
দেখেই টিভি বন্ধ করে দিবো!”
পড়তে বসলেই এমন অনেক ইচ্ছা
কিলবিল করতে থাকে মাথার ভেতর।
এই ইচ্ছাগুলো ঝেড়ে ফেলে দাও
এখনই।
একই সাথে একাধিক কাজ করতে
গেলে কোনটিই ভালভাবে করা
হয়না। যখন পড়তে বসবে, তখন সম্পুর্ণ
মনোযোগ থাকবে বইয়ের পাতায়।
মনোযোগ বিঘ্ন করার মত যা কিছু
আছে, সবকিছু দূরে সরিয়ে রাখবে এই
সময়টুকুতে। অল্প সময় পড়বে, কিন্তু
১১০% মনোযোগের সাথে পড়বে। আর
বিনোদনের জন্য স্টেপ ওয়ানে বলা
পাঁচ মিনিটের ব্রেক তো আছেই!

৬। ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরী করোঃ
আমরা সবাই বছরের শুরুতে লক্ষ্য ঠিক
করি, “এইবছর ফাটায়ে পড়াশোনা
করবো!” এবং বেশিরভাগ মানুষের
ক্ষেত্রে সেটা “লক্ষ্য” হয়েই থেকে
যায়, কার্যকরী আদৌ হয়ে উঠেনা!
কেন এমনটি হয় কখনো ভেবে
দেখেছো? আমরা ছোট থাকতে
গুরুজনেরা আমাদের খাইয়ে পরিয়ে
দিতেন, নিয়মিত পড়া আদায়
করাতেন। এখন তুমি বড় হয়েছো, এখন
আর কেউ প্রতিদিন তোমার পড়া
ধরতে আসে না। তোমার সাফল্য
ব্যর্থতার দায়ভার তোমার নিজের
হাতেই।
প্রতিদিন ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করো।
“আমি এই টার্মে ফার্স্ট হতে চাই!”
এত দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যানে না গিয়ে
“আমি আজকে ম্যাথ অমুক চ্যাপ্টার
কমপ্লিট করবো” এরকম একদিনের
প্ল্যান ঠিক করো। এবং সেটা সম্পন্ন
না হওয়া পর্যন্ত হাল ছেড়ো না।
প্রতিদিন এরকম ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ
করতে করতে বছরের শেষে গিয়ে
দেখবে সত্যিই বছরজুড়ে ফাটাফাটি
পড়াশোনা হয়েছে!

৭। পড়ালেখা হোক গল্পের, আনন্দের!
তুমি একদিন বাসে উঠে তোমার
বন্ধুকে বললে, “এই জানিস! গতকাল
কলেজের সামনে রাস্তায় কি
কাহিনী ঘটেছে!” আমি বাজি ধরে
বলতে পারি, বাসের সবাই
সাথেসাথে কান খাড়া করে ফেলবে
“কি কাহিনী ঘটেছে” সেটা শোনার
জন্য! কারণটা খুব সোজা, আমরা
সবাই গল্প শুনতে ভীষণ ভালবাসি!
পড়াশোনাকে যখন সংজ্ঞা/ফর্মুলার
নীরস জায়গা থেকে গল্পের ছাঁচে
ফেলতে পারবে, দেখবে জিনিসটা
আসলে কত মজার! গণিতের “x=?” এর
সমাধান যেন গোয়েন্দা কাহিনীর
“কে সেই কালপ্রিট?” বের করার
মতোই! “ব্রেকিং ব্যাড” এর কল্যাণে
রসায়নের ফর্মূলাগুলো তো এখন সবাই
আগ্রহ নিয়েই শিখে!
ফিজিক্সের প্লবতার “ইউরেকা!”
থেকে শুরু করে আতশ কাঁচের
সাহায্যে আর্কিমিডিস কিভাবে
রোমান যুদ্ধতরী পুড়িয়ে দিলেন
সমুদ্রে -এরকম অজস্র ইন্টারেস্টিং
গল্প আছে। এরকম সব সাবজেক্টেই
অনেক মজার মজার গল্প, ঘটনা
জড়িয়ে আছে। বাস্তব জীবনে
চারপাশের উপকরণের সাথে যখন
পাঠ্যবই এর টপিকগুলো মিলিয়ে গল্প
তৈরী করতে শিখবে, দেখবে
পড়ালেখার চেয়ে মজার আর কিছুই
হতে পারে না!
সুতরাং আর নয় ঘন্টার পর ঘন্টা ঢুলে
ঢুলে বই মুখস্থ করা! এখন থেকে
পড়ালেখা হবে আনন্দের উপকরণ,
দারুণ ইন্টারেস্টিং একটি বিষয়।
Don’t study “hard”, study “smart”!

(copy)

20/04/2016

পুরনো মোড়কে শুধু স্কুলের ঐতিহ্যবাহী নামটাই রয়ে গেছে।ভিতরে সব পচে গলে গেছে।

আরেক দফা ফলাফল বিপর্যয়।পিএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের স্কুল থেকে এবার বৃত্তি পেয়েছে মাত্র ৮জন।২ জন ট্যালেন্টপুল এবং বাকী ৬ জন সাধারণ গ্রেডে।

যেই আমরা এক সময় সিলেট বিভাগের সেরা স্কুল গুলোর তালিকায় থাইকতাম,সেই স্কুলের এখন এই অবস্থা?
ছাতক উপজেলার স্কুল গুলোর মধ্যে আমরা মনে হয় সবব থেকে পিছিয়ে।বাগবাড়ি স্কুলে বৃত্তি পেয়েছে ২৫ জন আর মন্ডলীভোগে ১৯ জন।আমরা ওদের ধারে কাছেও নেই।

কিছুদিন পর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আল্লাহ জানেন এবার কি হবে।

30/05/2015

আজ ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে।
এইবছর আমাদের স্কুল থেকে মোট ৯৩জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।এর মধ্যে পাশ করেছে ৮৮জন।জিপিএ৫ পেয়েছে মোট ৬ জন।ছাত্র ৩ জন সবাই বিজ্ঞান বিভাগের আর ছাত্রী ৩ জন।
গত কয়েক বছরের মধ্যে এত খারাপ রেজাল্ট হয়নি।
দেশে এ প্লাসের সং্খ্যা দ্বিগুণ তিনগুণ করে বাড়ছে আর আমাদের স্কুলে কমছে। :-(

27/05/2015

এই হঠাৎ ঝুম ঝুম বৃষ্টি মনে করিয়ে দেয় সেই স্কুল জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত গুলো ।
মাঝেমধ্যে অবাক হয়ে যাই এই তো কয়েকদিন আগেও স্কুলে ছিলাম সাদা শার্ট আর ব্লু প্যান্ট পড়ে হন্ত দন্ত হয়ে স্কুলে যাওয়া ।
কাঁধে বইয়ের বোঝায় নেতিয়ে পড়া অলস মস্তিষ্ক গুলো হঠাৎ স্কুল ছুটির ঘন্টায় চাঙ্গা হয়ে যেত ।
এখনও স্পষ্ট মনে আছে কতদিন এই রকম বৃষ্টির দিনে ভিজে ভিজে বাড়ি ফিরেছি ,

কত দুষ্টুমী কত কাঁদা ছিটা ছিটি বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে আস্ত একটা প্লাস্টিকের কোকের বোতল কে ফুটবল বানিয়ে ছুটিয়েছি রাস্তার এপার থেকে ওপারে ।

কাপড় চোপড় নোংরা করে বাসায় এসে যখন মায়ের বকা খেতাম তখনই অজুহাত দেখাতাম বৃষ্টির কারণে রাস্তা পিচ্ছিল ছিল আছাড় খেয়ে পড়ে এই অবস্থা ।

এখন বৃষ্টি হলেই ছুটে যেতে পারি না সেই দুরন্ত শৈশবের মত , এখন বৃষ্টি হলে হাত বাড়িয়ে ছুঁই

বৃষ্টির ফোটায় গুণি হারিয়ে যাওয়া সেই দিন গুলো

20/02/2015

আজ আমাদের প্রিয় ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি উচ্চ বিদ্যালয়ে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল স্যারের স্মরণ ও শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের সাবেক ছাত্ররা যারা আজ নিজ নিজ জায়গায় সফল।ছিলেন সাবেক প্রিন্সিপ্যাল স্যার,গৌরাঙ্গ স্যার সহ আরো অনেকে।
ছিলেন এ সময়ের বিখ্যাত টিভি অভিনেতা ও স্কুলের সাবেক ছাত্র খাদেম স্যারের ছেলে সাজু খাদেম এবং তার শশুর অভিনেতা নাট্য নির্মাতা ডঃ এনামুল হক।
পুরো সভার সঞ্চালণায় ছিলেন অভিনেতা ও সঞ্চালক আশরাফুল আলম রন্টু।
তারা সবাই সভায় বক্তব্য রাখেন যাতে স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠে স্কুলের প্রতি তাদের ভালোবাসার কথা।

আজকের সভা থেকে ২০২০ সালে স্কুলের হীরক জয়ন্তী ও পুণর্মীলনির প্রস্তাবনা আসে।

Photos 16/02/2015
16/11/2014

অনেক ভালো ছিল সেই স্কুলের শৈশবের দিন গুলো.....
কোন কিছুতে কখনও টেনশন ছিল না....

রোজ সকালে উঠে স্কুলে যাওয়া তখন খুব বিরক্তিকর মনে হলেও
আজ মনে হচ্ছে সেই সব দিন গুলোই জীবনের সোনালী মুহূর্ত গুলো....

আজ আবার মন ফিরে যেতে চাইছে সেই দিন গুলো

যেখানে স্কুল ছুটির পর ক্লান্তি মাখা চোখে ছিল আনন্দ

অনেক দিন সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত ....

21/10/2014

এই প্রথম আমাদের বিদ্যালয়ের একটি ম্যাগাজিন বের হয়েছে যার নাম "হাওয়ার মিঠাই" ।

17/05/2014

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত SSC পরীক্ষায় আমাদের স্কুল থেকে এবার ১১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। যারা যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের জন্য রইলো প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচছা।
যারা অল্পের জন্য জিপিএ-৫ পাওনি তারা মন খারাপ কর না। সামনে কিভাবে ভাল ফলাফল করা যায় চেষ্টা কর।

[উল্লেখ্য প্রায় ১০-১২ জন GPA-৪.৯৪ পেয়েছে]

Want your school to be the top-listed School/college in Sunamganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Cement Factory
Sunamganj
3081