Darut Ta’lim Siddiqia Online Madrasah

Darut Ta’lim Siddiqia Online Madrasah

Share

আসসালামু আলাইকুম। দারুত তা’লিম সিদ্দিকিয়া অনলাইন মাদ্রাসায় আপনাকে স্বাগতম!

22/03/2024
22/03/2024
22/03/2024
22/03/2024

হাদিসের كل بدعة ضلالة বাক্যের كل দ্বারা যদি সমস্ত বেদাতকেই ভ্রষ্টতা বলার এতই শখ থাকে এবং বেদাতের কোন প্রকারভেদ মানতে এতই সমস্যা থাকে তাহলে এই হাদিসেরই ঠিক আগের বাক্যে বলা كل محدثة بدعة এখানের كل দ্বারা ইসলামের শরীয়তের ভেতর আবিষ্কৃত হওয়া সকল নব আবিষ্কারকে বেদাত মানতে সমস্যা কোথায়?? তখন কেন للدين নাকি في الدين এভাবে দুই ভাগে ভাগ করা হয়??

তখন কি কুল্লুন এর অর্থ "সমস্ত" থাকে না? তখন কি কুল্লুন দ্বারা কোন বস্তুর সমস্ত অংশটাকে বোঝায় না??

12/02/2024
13/09/2023

ম্যাচুরিটি..!

25/08/2023

صلى الله عليه وسلم
‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 💚

14/08/2023

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদী হুজুর ইন্তেকাল হয়েছেন।

মহান আল্লাহ পাকের কাছে হুজুরের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।

04/08/2023

#জুম্মার_দিনের_আমল

আজ শুক্রবার। সপ্তাহের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। এই দিনের ফজিলত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থগুলোতে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। বিখ্যাত সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়াছে। এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৮৪)
জুমার দিনের আট আমল

মর্যাদাপূর্ণ এই দিনের অনেক আমল হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে কিছু আমল ধারাবাহিক উল্লেখ করা হচ্ছে।

১. গোসল করা।

২. উত্তম পোশাক পরিধান করা।

৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা।

৪. মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা।
এই চারটি আমলের কথা একসঙ্গে একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে উত্তম পোশাক পরিধান করবে এবং সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যদি তার নিকট থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ করে থাকে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সমস্ত সগিরা গুনাহর জন্য কাফ্ফারা হবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)

৫. যথাসম্ভব দ্রুত মসজিদে যাওয়া।(পুরুষদের আমল)
এই দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে দ্রুত মসজিদে যাওয়া। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বোঝো।’ (সুরা জুমআ, আয়াত : ৯)

রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির ন্যায় যে একটি মোটাতাজা উট কোরবানি করে। এরপর যে আসে সে ওই ব্যক্তি যে একটি গাভী কোরবানি করে। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগি দানকারীর ন্যায়। তারপর ইমাম যখন বের হন তখন ফেরেশতাগণ তাদের লেখা বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনতে থাকেন। (বুখারি, হাদিস : ৯২৯)

৬. সুরা কাহফ তিলওয়াত করা

মর্যাদপূর্ণ এই দিনের বিশেষ একটি আমল হচ্ছে সুরা কাহফ তিলওয়াত করা। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহফ পাঠ করবে তার জন্য দুই জুমা পর্যন্ত নূর উজ্জ্বল করা হবে। (আমালুল ইয়াওমী ওয়াল লাইল, হাদিস : ৯৫২)

৭. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা

এই দিনের আরেকটি আমল হচ্ছে নবীজির ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। এই মর্মে রাসুল (সা.) বলেন, দিনসমূহের মধ্যে জুমার দিনই সর্বোত্তম। এই দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। এই দিনে সমস্ত সৃষ্টিকে বেহুশ করা হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরুদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৭)

৮. দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ একটি আমল হচ্ছে দোয়ার প্রতি মনোনিবেশ করা। জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত এমন আছে যে, তখন কোনো মুসলমান আল্লাহর নিকট যে দোয়া করবে আল্লাহ তা কবুল করেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)

বিভাগীয় প্রধান : উলূমুল হাদিস বিভাগ

জহুরা কামাল ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার

26/07/2023

নবী করিম (সা:) ইরশাদ করেন, " আমার বিশ্বাস, আশুরার দিনের রোজা দ্বারা আল্লাহ তাআ'লা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।"

~ সহিহ মুসলিম, পৃষ্ঠা-৫৯০, হাদিস-১১৬২

20/07/2023

আজ মুহররম মাসের ১ তারিখ চলছে। ১৪৪৫ হিজরি সনে আমরা প্রবেশ করেছি আলহামদুলিল্লাহ।

এ মাসে রোযা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমযানের পর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযা হল সর্বশ্রেষ্ঠ।’
أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم
-সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮; জামে তিরমিযী ১/১৫৭
এর মধ্যে আশুরার রোযার ফযীলত আরও বেশি।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোযা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’
ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يتحرى صيام يوم فضله على غيره إلا هذا اليوم يوم عاشوراء وهذا الشهر يعني رمضان
-সহীহ বুখারী ১/২১৮
হযরত আলী রা.কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল, রমযানের পর আর কোন মাস আছে, যাতে আপনি আমাকে রোযা রাখার আদেশ করেন? তিনি বললেন, এই প্রশ্ন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈক সাহাবী করেছিলেন, তখন আমি তাঁর খেদমতে উপসি'ত ছিলাম। উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘রমযানের পর যদি তুমি রোযা রাখতে চাও, তবে মুহররম মাসে রাখ। কারণ, এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন।’-জামে তিরমিযী ১/১৫৭
অন্য হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোযার কারণে আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।’
صيام يوم عاشوراء أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله
-সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮
আশুরার রোযা সম্পর্কে এক হাদীসে আছে যে, ‘তোমরা আশুরার রোযা রাখ এবং ইহুদীদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে; আশুরার আগে বা পরে আরো একদিন রোযা রাখ।’
صوموا عاشوراء وخالفوا فيه اليهود، صوموا قبله يوما أو بعده يوما
-মুসনাদে আহমদ ১/২৪১
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোযা রাখব।’-সহীহ মুসলিম ১/৩৫৯

07/07/2023

★ নামাজ না পড়ার ভয়াবহ শাস্তি ★
যে ব্যক্তি নামাজের ব্যাপারে অলসতা করে তাকে ১৫ ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে।
তার মধ্য থেকে পাঁচ ধরনের শাস্তি দুনিয়াতে। তিন ধরনের শাস্তি মৃত্যুর সময়। তিন ধরনের শাস্তি কবরে। তিন ধরনের শাস্তি কবর থেকে উঠানোর পর। দুনিয়াতে যে পাঁচ ধরনের শাস্তি হবে তা হলো,
১) তার জীবনের বরকত ছিনিয়ে নেওয়া হবে।
২) তার চেহারা থেকে নেককারদের নূর দূর করে দেওয়া হবে।
৩) তার নেক কাজের কোনো বদলা দেওয়া হবে না।
৪) তার কোনো দোয়া কবুল হবে না।
৫) নেক বান্দাদের দোয়ার মধ্যে তার কোনো হক থাকবে না।

মৃত্যুর সময় যে তিন ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে :
১) জিল্লতি ও অপমানের সঙ্গে সে মৃত্যুবরণ করবে।
২) ক্ষুধার্ত অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করবে।
৩)এমন পিপাসার্ত অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করবে যে, সমুদ্র পরিমাণ পানি পান করালেও তার পিপাসা মিটবে না।

কবরে যে চার ধরনের শাস্তি হবে :
১) কবর তার জন্য এমন সংকীর্ণ হবে যে, এক পাশের বুকের হাড় আরেক পাশে ঢুকে যাবে।
২) তার কবরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।
৩) তার কবরে এমন একটি সাপ নিযুক্ত করে দেওয়া হবে, যার চক্ষু আগুনের আর নখগুলো হবে লোহার, তার প্রত্যেকটি নখ লম্বা হবে একদিনের দূরত্বের পথ। তার আওয়াজ হবে বজ্রের আওয়াজের মতো বিকট। সাপ ওই বেনামাজিকে বলতে থাকবে, আমাকে আমার রব তোর ওপর নিযুক্ত করেছেন যাতে ফজরের নামাজ নষ্ট করার কারণে সূর্যোদয় পর্যন্ত তোকে দংশন করতে থাকি। জোহরের নামাজ নষ্ট করার কারণে আসর পর্যন্ত দংশন করতে থাকি। আসর নামাজ নষ্ট করার কারণে মাগরিব পর্যন্ত আর মাগরিবের নামাজ নষ্ট করার কারণে এশা পর্যন্ত, আর এশার নামাজ নষ্ট করার কারণে ফজর পর্যন্ত তোকে দংশন করতে থাকি। এই সাপ যখনই তাকে দংশন করবে তখনই সে ৭০ হাত মাটির নিচে ঢুকে যাবে (উঠিয়ে আবার দংশন করবে) এভাবে কেয়ামত পর্যন্ত এই সাপ তাকে আজাব দিতে থাকবে।

কবর থেকে উঠানোর পর বেনামাজিকে যে চার ধরনের আজাব দেওয়া হবে :
১) তার হিসাব খুব কঠিনভাবে নেওয়া হবে।
২) আল্লাহতায়ালা তার ওপর রাগান্বিত হয়ে থাকবেন।
৩) তাকে জাহান্নামে ঢুকানো হবে।
৪) তার চেহারায় তিনটি লাইন লেখা থাকবে- ১. হে আল্লাহর হক নষ্টকারী! ২. হে আল্লাহর গোস্বায় পতিত ব্যক্তি! ৩. তুই দুনিয়াতে যেমন আল্লাহর হক নষ্ট করেছিস তেমনি আজ আল্লাহর রহমত থেকে তুই নিরাশ হয়ে যাবি।
বেনামাজি এই মোট ১৫ ধরনের শাস্তি আস্বাদন করবে।

আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব নামক গ্রন্থে বেনামাজির পরিণাম সম্পর্কে কয়েকটি হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন- এক হাদিসে আছে, রসুল (সা.) বলেছেন, নামাজ ছেড়ে দেওয়া মানুষকে কুফরির সঙ্গে মিলিয়ে দেয়। অন্য হাদিসে আছে নামাজ ছেড়ে দেওয়াটাই বান্দাকে কুফরির সঙ্গে মিলিয়ে দেয়। আরেক হাদিসে আছে ইমান ও কুফরির মাঝে পার্থক্য হলো নামাজ ছেড়ে দেওয়া। অপর এক হাদিসে আছে, নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির এক ওয়াক্ত নামাজ ছুটে গেল, তার থেকে যেন তার পরিবার-পরিজন ও ধনসম্পদ সবকিছুই কেড়ে নেওয়া হলো। (ইবনে হিব্বান,)

সাধারণত পরিবার-পরিজন ও ধনসম্পদের পেছনে ব্যস্ত থাকার কারণে নামাজ ছুটে যায়। তাই নবী করিম (সা.) এভাবে বলেন। অর্থাৎ একজন ব্যক্তির কাছে তার পরিবার-পরিজন, ধনসম্পদ যেমন মূল্যবান ঠিক তেমনিভাবে নামাজ তার থেকেও অধিক মূল্যবান। তাই নামাজকে অতি মূল্যবান সম্পদ মনে করা উচিত। শরিয়তে বিনা উজরে দুই ওয়াক্ত নামাজ একসঙ্গে আদায় করা কবিরা গুনাহ, জামে তিরমিজির এক হাদিসে এসেছে, হজরত নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া দুই ওয়াক্তের নামাজ একসঙ্গে মিলিয়ে পড়ল, সে কবিরা গোনাহের দরজাসমূহের একটি দরজায় প্রবেশ করল। অপর হাদিসে হজরত আলী রাযি. বলেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, তোমরা তিন কাজে বিলম্ব করো না। এক. নামাজ, যখন সময় হয়। দুই. জানাজা, যখন তা তৈরি হয়। তিন. অবিবাহিত নারী, যখন তার উপযুক্ত স্বামী পাওয়া যায়। অর্থাৎ এ তিনটি কাজ করার সময় হলে সঙ্গে সঙ্গে করে নেওয়া উচিত। অপর হাদিসে এসেছে, একদিন নবী করিম (সা.) নামাজের বিষয় আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, যে ব্যক্তি নামাজের গুরুত্ব দেয় না কেয়ামতের দিন তার জন্য নামাজ নূর হবে না। তার কাছে কোনো দলিল থাকবে না। নাজাতের জন্য তার কোনো উপায়ও থাকবে না। এরূপ ব্যক্তির হাশর হবে ফেরাউন, হামান ও উবাই ইবনে খলফের সঙ্গে। (মুসনাদে আহমদ, ইবনে হিব্বান)

একবার নবী করিম (সা.) একটি স্বপ্নের কথা শুনালেন, তিনি বলেন আমাকে দুই ব্যক্তি সঙ্গে করে এক জায়গায় নিয়ে গেল। জাহান্নামে এক ব্যক্তিকে দেখলাম যে, তার মাথা পাথর দ্বারা আঘাত করে চূর্ণবিচূর্ণ করা হচ্ছে। এত জোরে পাথর মারা হচ্ছে যে, সে পাথর ছুটে গিয়ে দূরে পড়ছে, পুনরায় পাথর কুড়িয়ে আনতে আনতে মাথা আগের মতোই ঠিক হয়ে যাচ্ছে। পাথর এনে আবার আঘাত করা হচ্ছে। নবী করিম (সা.) সাথী দুজনকে জিজ্ঞাসা করলেন এই লোকটি কে? তখন তারা বলল এই ব্যক্তি কোরআন শরিফ শিক্ষা করে ছেড়ে দিয়েছিল এবং নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে যেত। অন্য হাদিসে আছে নবী করিম (সা.) একদল মানুষকে এ ধরনের শাস্তিতে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, আর জিবরাইল (আ.) উত্তরে বললেন এরা নামাজে অবহেলা করত। (আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব)।

Want your school to be the top-listed School/college in Sunamganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Sunamganj
3000