10/02/2023
অনুষ্ঠিত হলো ৪র্থ টেকনিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান.....
শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে ১০ ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুইটি সেশনে সকাল ও বিকালে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সকালের সেশনে এইচ.এস.সি -২০২২ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।সকালের সেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জনাব অ্যাড. আবুল হোসেন ও অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক নেতা,সুনামগঞ্জ রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি জনাব লতিফুর রহমান রাজু।এ ছাড়াও উপস্হিত ছিলেন টেকনিক সায়েন্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ সরকার সাগর, বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।বিকালের সেশনে টেকনিক মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২২ এর পাঁচটি ক্লাসে ৪র্থ, ৫ম,৮ম,৯ম,১০ম শ্রেণিতে মোট ১০০ জনকে পুরষ্কৃত করা হয়।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রজত কান্তি সোম,বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জনাব সেলিম আহমদ,সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জনাব জাকির হোসেন,পুলিশ পরিদর্শক জনাব শেখ আমিনুল ইসলাম,সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ জনাব ইসমাঈল হোসেন, আনোয়ার হোসেন ও সামায়ুন কবীর।সরকারি এস.সি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সিনিয়র শিক্ষক জনাব সুভাষ চন্দ্র দাশ ও সহকারি শিক্ষক জনাব জুয়েল চক্রবর্তী ।সাস্টের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত নাজনীন ইভার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন টেকনিক সায়েন্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মাসুদ আহমদ অপু। উল্লেখ্য ৪র্থ টেকনিক মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২২ এ সর্বমোট ৮২২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। সকাল-বিকালের সেশনে সর্বমোট ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে টেকনিক সায়েন্স ক্লাবের পক্ষ থেকে পুরষ্কৃত করা হয়।সংগঠনটির সভাপতি মাসুদ আহমদ অপু বলেন, "কেবল জিপিএ-৫ নয়,সৃজনশীলতাও হোক লক্ষ্য" আমাদের এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে সুনামগঞ্জের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান, দক্ষতা ভিত্তিক মান উন্নয়ন ও ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতকরণের জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্ঠা সবসময় অব্যাহত থাকবে।প্রত্যেক বছরেই আমরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বেশ সাড়া পাই,বেশ ভালো লাগে,অনুপ্রাণিত হই।সবার সহযোগিতায় ইনশাল্লাহ আমরা আরও এগিয়ে যাব এবং সবার জন্য আমাদের এ প্রচেষ্ঠা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।