জানো ইসলাম

জানো ইসলাম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জানো ইসলাম, Religious school, Sitakund.

03/07/2022

দুআর কবুলের কিছু কৌশল
দুআ কবুলের কার্যকরী পন্থা হচ্ছে, দুআর আদবকেতার দিকে লক্ষ্য রাখা। দুআ করার বেশ কিছু আদব রয়েছে, যেগুলো অনুসরণ করলে আপনার দুআও কবুল হতে পারে। এর মধ্যে অনেকগুলোই হয়ত আমরা জানি, কিন্তু কিছু আছে যেগুলো আমরা মিস করে ফেলি:
১) দুআয় আল্লাহর নিয়ামত ও নিজ গুনাহ স্বীকার করা। যেমনটা আমরা 'সায়্যিদুল ইস্তিগফার' দুআয় দেখতে পাই।
২) তিনবার দুআ করা। রাসুল (সা.) দুআয় তিনবার বলেছেন, ‘হে আল্লাহ, কুরাইশকে পাকড়াও করুন’। (বুখারি ২৯৩৪ ও মুসলিম ১৭৩৪)
৩) দুআয় আল্লাহর ভয়ে কাঁদা। নবীজি (সা.) একবার সূরা ইবরাহিমের ৩৬ এবং মায়েদার ১১৮ নং আয়াত তেলাওয়াত করলেন। তারপর দুহাত তুলে বললেন, ‘হে আল্লাহ,
আমার উম্মত, আমার উম্মত।’ এবং কেঁদে ফেললেন। তখন আল্লাহ তায়ালা জিবরাইল আ.-কে বললেন, ‘মুহাম্মাদের কাছে যাও, তাকে জিজ্ঞেস কর—যদিও আল্লাহ সর্বজ্ঞ—কেন তিনি কাঁদছেন।’ জিবরাইল আ. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট এসে প্রশ্নটি করলেন এবং রাসুল (সা.) কান্নার কারণ জানালেন। আল্লাহ তায়ালা বললেন, হে জিবরাইল, মুহাম্মাদকে গিয়ে বল, ‘নিশ্চয় আমি উম্মতের ব্যাপারে তোমাকে সন্তুষ্ট করব, এ ব্যাপারে তোমাকে অসম্মান করব না।’ (মুসলিম ২০২)
৪) দুআর আগে নেক আমল করে নেওয়া। যেমন—নামাজ, যাকাত, সদকা ইত্যাদি। নেক আমল বান্দাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে। বান্দা যদি নামাজ পড়ে কিংবা সদকা করে আল্লাহর দরবারে কোনো দুআ করে, তবে তা কবুল হওয়ার অধিক আশা করা যায়।
৫) একাগ্রতার সঙ্গে দুআ করা। রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহর কাছে দুআ করো কবুলের বিশ্বাস নিয়ে এবং জেনে রাখো—আল্লাহ উদাসীন ও তামাশামগ্ন অন্তরের দুআ কবুল করেন না।’ (তিরমিজি ২৪৭৯)
৬) যথোপযুক্ত উপসংহারের মাধ্যমে দুআ শেষ করা। এটি দুআর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ফলপ্রসূ। যেমন সন্তান চেয়ে দুআ করলে উপসংহারে আল্লাহ তায়ালার দানশীলতা-সূচক কোনো প্রশংসাবাক্য উল্লেখ করা।
© খালিদ বিন সুলাইমান আর-রাবয়ী

20/05/2021

ব্রেকিং নিউজ,,,,
আল আকসা দখলের পর এখন পবিত্র কাবা শরীফ ইসরাইলদের দখলে। ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে হাজোরে আসওয়াদ তথা কালো পাথরটি।
আগুন দিয়ে জ্বালাও পোড়াও সহ চলছে ভাংচুর। তাদের পরর্বতী টার্গেট হলো মদিনাতুল মনোওয়ারা তথা রাসূল(সা:)রওজা মোবারাক।
কি হলো থমকে গেলেন যে...!!!
ভয় পেলেন তো! কলিজায় গিয়ে আঘাত লাগলো তো!
ইচ্ছে হচ্ছে তো ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে লড়তে??
তাহলে শুনে রাখুন খুব বেশি দূর নয় এমনটা হতে,,,,
মাসজিদুল আকসা নিয়ে আপনার উদাসীনতা ইহুদিদের বিজয় আর ১ম কেবলা বিজয় করতে পারা মানে পবিত্র কাবা কে টার্গেট করা। তারপর কলিজার টুকুরা নবীজির রওজা,,,,
আল্লাহুম্মাগফিরলি,,,,,,,,,,,
হে মুসলিম উম্মাহ কি হলো তোমার? কেন এই উদাসীনতা...!!
তোমার কি ঈদ উজ্জাপন এখনো শেষ হবে না?
তোমার কি পাবজি/ফ্রিফায়ার খেলা এখনও বন্ধ হবে না?
তোমার কি সারা রাত জেগে গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বলা শেষ হবে না?
তুমি কি দেখোও না তোমার সাথে একই সময়ে তারা এই পৃথিবীতে আছে তারপরও তাদের অবস্থান আর তোমার অবস্থান কোথায়?!!!!
হে ঘুমন্ত বিবেক কবে তুমি জাগবে? আল আকসা পুড়ে যাওয়ার পর,,,,কাবার ভাঙ্গনের সময়...???
সময় কি আসেনি প্রতিবাদ করার?
আসুন সকলে হ্যাশ ট্যাগ করে যুদ্ধ করি। অন্ততপক্ষে আমাদের হাতগুলো সাহ্মী থাক কিয়ামত দিনের জন্য।
# SavePalestine
# WeStandWithPalestine
# OurAqsa
# StandWithSheikhJarrah
# FreePalestine
# PrayForPalestine
# SaveMuslims
# ﺃﻧﻘﺬﻭﺍ _ ﺣﻲ _ ﺍﻟﺸﻴﺦ _ ﺟﺮﺍﺡ
# Save_SheikhJarrah_neighborhood
# save_sheikh_jarrah
# Спасти_район_ШейхДжарра
# ŞeyhJarrah_mahallesini_kurtar
# Siehe_SheikhJarrah_Nachbarschaft
# Sauver_le_quartier_de_SheikhJarrah
# Salva_el_barrio_de_SheikhJarrah
# Salva_il_quartiere_di_SheikhJarrah
# ﺍﻟﺸﻴﺦ _ ﺟﺮﺍﺡ
# ﺍﻧﻘﺬﻭﺍ _ ﺣﻲ _ ﺍﻟﺸﻴﺦ _ ﺟﺮﺍﺡ
# ﻏﺰﺓ _ ﺗﺤﺖ _ ﺍﻟﻘﺼﻒ
# savesheikhjarrah
# ﺣﻲ _ ﺍﻟﺸﻴﺦ _ ﺟﺮﺍﺡ
# ﻻ _ ﻟﺘﻬﻮﻳﺪ _ ﺍﻟﻘﺪﺱ
# ﺍٔﻧﻘﺬﻭﺍ _ ﺣﻲ _ ﺍﻟﺸﻲﺥ _ ﺟﺮﺍﺡ
# ﻟﻦ _ ﻧﺮﺣﻞ
# ﻓﻠﺴﻄﻴﻨﻴﻪ

03/03/2021

কারো প্রতি অন্তরে ক্ষোভ কিংবা হিংসা রেখে নিজেকে কষ্ট দিবেন না। নিজের সুখের জন্যই মনটাকে ফ্রেশ রাখুন। জীবনকে উপভোগ করুন।
কারো প্রতি ক্ষোভ বা হিংসা হলে জ্বালা-পোড়ার কষ্টটা তার নয়; বরং আপনারই হয়!
কাউকে ক্ষমা করলে ক্ষমাপ্রাপ্ত লোকটির আগেই আপনি নিজে ফ্রেশনেস অনুভব করবেন!
সুতরাং ক্ষোভ ও হিংসাকে 'না' বলুন। মনটাকে নির্ভার রাখুন।

28/01/2021

আসসালামু আলাইকুম
যুবক তোমাকেই বলছি শোন,
---------------------------------------------
*চুলের স্টাইল করলে গলায় লোহার লকেট পরলেই স্মার্ট হওয়া যায়না ।
*বাইকে করে সাদা গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে ঘুরে বেড়ালেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
*রাস্তার পাশে বন্ধুকে নিয়ে আড্ডা মারলেই স্মাট হওয়া যায় না ।
*চোখে চশমা আর হাতে গিটার মুখে সিগারেটের ধোঁয়া থাকলেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
*দাড়ির রকমারি সাইজ করে মেক গাইভার ছেঁড়া পেন্ট পরে ঘুরে বেরালেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
*ফেসবুকে যুবতিকে আকৃষ্ট করার জন্য ভালোবাসার স্ট্যাটাস দিলেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
*সারা জীবন মায়ের খোঁজ না নিয়ে মা দিবস পালন করলেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
হে যুবতি শোন
____________________________________
বুকের ওড়না বাসাই রেখে অথবা গলায় ঝুলিয়ে রেখে রাস্তায় ঘুরে বেরালেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
চার পাচঁটা ছেলেকে নিজের পিছনে ঘুরালেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
মাথায় পাহাড়ের বাঁধাকপির মতো অন্যকে আকৃষ্টকারী হিজাব পরলেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে পার্কে বা ঝোপঝাড়ে ঘুরে লুতুপুতু করলেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
হাইহিল জুতা পরে নেটের মতো ফিটিং জামা পরে চুল ছেড়ে দিয়ে রাস্তার 80 বছরের বৃদ্ধকে ও আকৃষ্ট করে রাস্তাই বেরালেই স্মার্ট হওয়া যায় না ।
নিজ ফেসবুকে ওয়ালে পোচ দেওয়া ছবি আপলোড দিয়ে খদ্দের ধর ধর হাজার খানেক লাইক কমেন্ট পেলেই স্মাট হওয়া যায় না ।
স্মার্ট হতে যা লাগে
_________________________________
সেটা নবী করিম (সাঃ)এর সহিহ সুন্নাহ ও আল্লাহ সুবনাহু তাআলার পাঠানো সর্বসেরা মহাগ্রন্থ আল্ কোরআন এই দুইটি জিনিসকে জীবন দিয়ে আঁকড়ে ধরলে তোমাদেরকে কেউ আনস্মার্ট বলতে পারবে না ।
তাই তোমাদেরকেই বলছি
তোমরা যেভাবে দুনিয়ার মোহে পরে স্মার্ট হতে চাচ্ছ এভাবে স্মার্ট না হয়ে আল্লাহর পাঠানো কোরআন ও নবী (সঃ)এর সহীহ সুন্নহকে আঁকড়ে ধরে স্মার্ট হও ।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়ত দান করুক আমীন ।

27/01/2021

"আপনার মুখটি কতই না সুন্দর ব্যাপার তা আপনি কীটপতঙ্গদের খাবার হয়ে উঠবেন So
"প্রত্যেক প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।"
[কুরআন 3: 185]

27/01/2021

বৈবাহিক সম্পর্ক ও বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য
বৈবাহিক সম্পর্ক আর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য হলো— প্রথমটিতে সামাজিক কমিটমেন্ট, সাক্ষ্য-প্রমাণ ইত্যাদি থাকে; দ্বিতীয়টিতে এসব থাকে না। যার কারণে বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে যে জবাবদিহিতা থাকে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে তা থাকে না। ফলশ্রুতিতে বৈবাহিক সম্পর্কে প্রতারণার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে যা অহরহ হয়ে থাকে। এছাড়াও বৈবাহিক সম্পর্কে যতটা নির্মল ও সত্যিকারের ভালোবাসা থাকে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে ততটা থাকে না। বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে ভালোবাসার খোলসে ভোগটাই মুখ্য থাকে। ব্যতিক্রম খুবই কম।
বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলা হয় যে, বিবাহের আগে একটু-আধটু জানাশোনা থাকলে ও লিভ টু গেদার হলে বিবাহ-পরবর্তী বোঝাপড়া ভালো হয়, সম্পর্কটা ভালো হয়। এ যুক্তির বিপরীতে বিনয়ের সাথে প্রশ্ন রাখতে চাই, তথাকথিত লিভ টু গেদার ছাড়া সরাসরি বিবাহ করা আগের জেনারেশন অর্থাৎ আমাদের বাপ-চাচাদের দাম্পত্য-জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো ছিল, নাকি আজকের লিভ টু গেদার প্রজন্মের? তাদের ভালোবাসা নিখাদ ছিল, নাকি আমাদের? তাদের সম্পর্ক বেশি টেকসই ছিল, নাকি আজকের জেনারেশনের?
সুতরাং প্রিয় যুবসমাজ, দৃঢ়তার সাথে হারামকে না বলুন। হালাল সম্পর্কের জন্য অপেক্ষা করুন। শয়তানের ফাঁদে পা না দিয়ে মহান আল্লাহর নির্দেশিত পথে থাকুন। জোয়ারে গা না ভাসিয়ে স্রোতের বিপরীতে চলতে শিখুন।

24/01/2021

মৃত্যুর কথা চিন্তা করলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। নিজেদের পাপের কথা ভেবে, যে অনিশ্চিত গন্তব্যে পাড়ি জমাতে হবে, কেমন হবে সেখানকার জীবন— সেসব ভেবে।
তবে, আরো একটা ব্যাপারেও দুশ্চিন্তা গ্রাস করে আমাদের, আর তা হলো— আমাদের মৃত্যুর পর আমাদের পরিবারের কী হবে? আমার অনুপস্থিতিতে কে হাল ধরবে আমার সাজানো-গোছানো সংসারের?
যদিও চিন্তাটা অমূলক, তাকদির-বিরোধি এবং তাওয়াক্কুল-পরিপন্থী, তথাপি অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুর কথা ভাবতে গেলেই শয়তান এই চিন্তাটাকে তার সামনে এনে হাজির করে।
যদি আগামিকাল আপনি মারা যান, আপনার ছোট্ট বাচ্চাটার কী হবে তাহলে? তার দেখভাল কে করবে? কে তাকে আগলে রাখবে পরম মমতায়?
যদি আপনি মারা যান, আপনার বিধবা স্ত্রী কিভাবে কাটাবে বাকিটা জীবন? আপনার বৃদ্ধা মা আর বিছানায় পড়ে থাকা অসুস্থ পিতা— কী হবে তাদের সকলের?
সাধারণত এমন চিন্তায় আমরা ঘাবড়ে যাই। ভবিষ্যতের এক ঘোর অনিশ্চয়তার আঁধার ঝেঁকে বসে আমাদের মনে।
তবে, এই ধরণের ভাবনা থেকে বাঁচতে কুরআন আমাদের একটা সুন্দর সমাধান বাতলে দিতে পারে।
সমাধানটার জন্য আমরা চলে যেতে পারি সূরা আল কাহাফের মূসা আলাইহিস সালাম এবং খিযির আলাইহিস সালামের ঘটনায়। আমরা জানি— খিযির আলাইহিস সালামের একের পর এক অদ্ভুত কান্ড দেখে মুসা আলাইহিস সালাম আশ্চর্যান্বিত হয়ে পড়ছিলেন। খিযির আলাইহিস সালাম এমনসব কাজ করছিলেন যার আপাতদৃষ্টিতে কোন যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা নেই। দরিদ্র মাঝির নৌকা ফুঁটো করে দেওয়া, একটা বালককে হত্যা করা আর একটা জনপদ থেকে তিরস্কিত হয়েও সেখানকার প্রায় ভেঙে যাওয়া দেয়াল মেরামত করে দেওয়ার মতো কাজ করে তিনি চমকে দিচ্ছিলেন মুসা আলাইহিস সালামকে।
এদিকে, সবকিছু ধৈর্য সহকারে পর্যবেক্ষণ করা এবং বিনা বাক্য-ব্যয়ে দেখে যাওয়ার শর্তে খিযির আলাইহিস সালামের সফর-সাথী হওয়ার পরেও বারংবার ধৈর্যহারা হয়ে পড়ছিলেন মুসা আলাইহিস সালাম। তিনি প্রতিটি ঘটনায় হতবাক হচ্ছিলেন আর প্রশ্ন করে যাচ্ছিলেন খিযির আলাইহিস সালামকে।
ওই সফরে যে তিনটি অবাক কান্ড খিযির আলাইহিস সালামের হাতে সংঘটিত হয়েছিলো তার মধ্যে একটি ছিলো— একটা জনপদে খাবার চেয়ে তিরস্কিত হওয়ার পরেও, ওই জনপদের-ই একটা প্রায় ভেঙে যাওয়া, ভগ্ন দেয়ালকে তিনি নিজের হাতে মেরামত করে দিয়েছিলেন।
খিযির আলাইহিস সালামের এই কান্ড দেখে অবাক হলেন মুসা আলাইহিস সালাম। তিনি ভাবলেন, 'আরে, এই লোকগুলোর কাছে আমরা একটু খাবার চাইলাম তা তো দিলো-ই না, উপরন্তু তিরস্কার করে আমাদের তাড়িয়ে দিলো। কিন্তু এই লোক কী-না সেই অকৃতজ্ঞ মানুষগুলো উপকারে লেগে গেলো! উপকার করুক, অন্তত তার পারিশ্রমিক তো নিতে পারে যা দিয়ে আমরা খাবার কিনে খেতে পারতাম'।
খিযির আলাইহিস সালামকে তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রশ্ন করে বসেন যে— কেনো এই অকৃতজ্ঞ লোকগুলোর ভগ্ন দেয়াল তিনি মেরামত করে দিলেন বিনা পারিশ্রমিকে? এই প্রশ্নের উত্তরে খিযির আলাইহিস সালাম বলেছিলেন,
'আর ঐ দেয়ালটির বিষয় হলো— তা ছিল ঐ জনপদের দু’জন ইয়াতীম বালকের। তার নীচে তাদের জন্য কিছু সম্পদ রক্ষিত ছিলো। তাদের পিতা ছিলেন একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি। তাই আপনার প্রতিপালক চাইলেন— বালকদ্বয় যৌবনে উপনীত হোক আর তাদের গচ্ছিত সম্পদ বের করে নিক। এটা তাদের ওপর আপনার প্রতিপালকের রহমত বিশেষ'- আল কাহাফ ৮২
বাচ্চা দুটো ছিলো ইয়াতীম। তাদের পিতা মারা যাওয়ার আগে তাদের জন্য কিছু সম্পদ গোপনে ওই দেয়ালের নিচে পুঁতে রেখে যান। কিন্তু, এই দেয়াল যদি সত্যি সত্যি ভেঙেই পড়ে, তাহলে তার নিচে থাকা সম্পদগুলো সকলের সম্মুখে চলে আসবে এবং তা বালকদের দেওয়ার বিপরীতে, অন্যেরা ভাগ-বাটোয়ারা করে সাবাড় করে ফেলবে। ফলে, বালকেরা যথেষ্ট বড় না হওয়া অবধি আল্লাহ সেই সম্পদকে উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া থেকে আটকে দিলেন।
আচ্ছা, খেয়াল করে দেখুন তো, বাচ্চা দুটোর ওপর আল্লাহর এই যে বিশেষ রহমত, তারা না চাইতেও তাদের সম্পদের এই যে রক্ষণাবেক্ষণ— আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা এটা কেনো করলেন?
উত্তরটা উপরিউক্ত আয়াতের মধ্যেই আছে। ওই আয়াতের একটা জায়গায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেছেন,
'তাদের পিতা ছিলো একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি'।
বালকদ্বয়ের প্রতি আল্লাহর এই বিশেষ অনুগ্রহ তাদের কর্মের কারণে আসেনি, বরং তাদের বাবার কর্মের কারণেই এসেছে। বাচ্চা দুটোর সম্পদকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা রক্ষা করেছিলেন এই জন্যে যে— তাদের বাবা ছিলেন একজন নেককার ব্যক্তি। একজন সালেহ বান্দা। তিনি ছিলেন আল্লাহর একনিষ্ঠ ইবাদাতকারী। ফলে, তিনি মারা যাওয়ার পরেও তার বাচ্চাদের ভবিষ্যত রক্ষার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা খিযির আলাইহিস সালামের মতো একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তিকে নিয়োগ করে দিলেন।
যদি আজ আপনার মৃত্যু হয়, আগামীকাল থেকে আপনার পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ কে করবে সে ভয়ে কি আপনি ভীত?
আপনার মৃত্যুর পরে আপনার পরিবারের কী হাল হবে— তা কি আপনাকে শঙ্কিত করে?
আপনার মৃত্যু হলে আপনার বৃদ্ধা মা'কে দেখে রাখবে কে, আপনার অসুস্থ বাবার প্রয়োজন কে মেটাবে— সেই চিন্তায় কি আপনি কাতর?
মৃত্যু হলে, আপনার জমানো সম্পদ সন্তানদের কাজে আসবে কী-না, তা-ও কি আপনাকে চিন্তিত করে?
আপনার মৃত্যুর পর, সন্তানদের ওপর যদি কোন বিপদ আসে, তা কে সামলাবে, পরিবারে কোন বিপদ হলে তা কে দেখবে তা নিয়েও কি আপনি পেরেশান?
যদি উপরের সবগুলো প্রশ্নের উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে সেই ইয়াতীম বালকদের ঘটনাটাকে পুনরায় স্মরণ করুন যেখানে তাদের জন্য রেখে যাওয়া সম্পদকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা নিরাপত্তা দান করেছিলেন, রক্ষা করেছিলেন কেবলমাত্র একটা কারণে— তাদের পিতার নেক আমল।
যদি চান যে আপনার মৃত্যুর পর আপনার সন্তানাদি, আপনার পরিবার সহ সবকিছুর দায়-দায়িত্ব আল্লাহ নিক, তাহলে নিজেকে আল্লাহর একান্ত মুখলিস, অনুগত বান্দা হিশেবে প্রতিষ্ঠা করুন। নিজের আমলকে বাড়িয়ে দিন। পাপগুলো থেকে বেরিয়ে এসে ইবাদাত-আমলে নিজেকে এমন স্থানে উন্নীত করুন যেখানে পৌঁছাতে পারলে আপনার অনুপস্থিতিতে আল্লাহ আপনার সন্তান, আপনার পরিবার-পরিজনদের দেখভালের জন্য একজন খিযিরকে পাঠিয়ে দেবেন।
© আরিফ আজাদ

14/01/2021

- ইসলাম অহংকার করতে শেখায় না!🌸
- ইসলাম শুকরিয়া আদায় করতে শেখায়!❤🥰

07/01/2021

🙂🙂

10/07/2020

প্রতিটা মৃত্যু মুমিনদের জন্য রিমাইন্ডার হিসেবে কাজ করে 💞

08/07/2020
07/07/2020

ভাই তোমার তো কিছুই ছিলো না,,
তুমি ছিলে প্রাণহীন তোমার রব তোমাকে প্রাণ দিয়েছেন,দুনিয়ার আলো দেখিয়েছেন,

তুমি দুনিয়ায় আসার পর যা যা পাপ আছে তা করছো তারপরেও তোমার রব তোমার রিজিক বন্ধ করে দেন নাই।

একটুও কি কৃতজ্ঞতা আদায় করতে ইচ্ছে করে না?
একটুও রবের ডাকে সাড়া দিতে ইচ্ছে করে না?
দুনিয়ার মোহে পড়ে আর কতকাল নিজেকে ধোঁকা দিবেন ভাই?
আর কতো?

Address

Sitakund

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জানো ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share