11/04/2021
Mix Education
Education Home.
11/04/2021
গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার সেক্টর MCQ প্রশ্নোত্তর:
1. রুপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত।
A. শীতলক্ষ্যা, B. রাজবাড়ী, C. বাঘাবাড়ি, D. খুলনা,
2. ভাসমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র (বিজয় আলো -২) এর উৎপাদন ক্ষমতা কত?
A. ৯০MW, B. ১১০ MW, C. ৭০ MW. D. ১৫০ MW
3. দেশের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎ কোনটি?
A. ইশ্বরদী, B. ময়মনসিংহ, C. নরসিংদী, D. মুহুরী,
4. সোলার থেকে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে কোন দেশ???
A.USA B.জার্মানি C. চীন D. ফ্রান্স
5. কোন দেশ জিও স্টেশনারি অরবিটে সোলার পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন করেছ???
A.রাশিয়া B. USA C.ভারত D.চীন
6.বাংলাদেশের ১ম হাইব্রিড পাওয়ার প্লান্ট কোথায়???
A.রামপাল, বাগেরহাট B.কুতুবদিয়া, কক্সবাজার C.সোনাগাজী, ফেনী D.কলাপাড়া, পটুয়াখালী
7.আমদানিকৃত কয়লা দিয়ে উৎপাদিত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি??
A.বড়পুকুরিয়া B. পায়রা C.রামপাল D.মাতারবাড়ি
8.মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি কত??
A. 1200MW B. 1320MW C. 2400 MW
9.বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে কোন দেশ???
A.জাপান B.ভারত C.যুক্তরাজ্য D. চীন
10. দেশের একমাত্র LNG টার্মিনাল কোথায়???
A. ভেড়ামাড়া B. পতেঙ্গা C.মংলা D. মহেশখালী
11. সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রাপ্ত জনপদ নিচের কোনটা???
A.হাতিয়া B.মনপুরা C.সন্দীপ D. মুহুরীর চর
12. কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়???
A.1971 B. 2003 C. 1962 D. 1995
13. দেশের একমাত্র বার্জমাউন্টেড পাওয়ার প্লান্ট কোন নদীর তীরে অবস্থিত???
A.পায়রা, পটুয়াখালী B. বুড়িগঙ্গা, ঢাকা C.ভৈরব, খুলনা D.বিষখালী, বরগুনা
14. 2041 সালে কয়লা দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা কত??
A.30% B.45% C.50% D. 60%
15.দেশের একমাত্র ভাসমান সোলার পাওয়ার প্লান্ট কোথায়???
A.কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি B.মনপুরা, ভোলা C.মংলা, বাগেরহাট D.পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
16.বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্লান্টের রেটিং কত???
A.7.4MW B.15MW C.28MW D.20MW
17.দেশের ১ম 400KV লাইন কোনটি???
A.আশুগঞ্জ, ভুলতা B.বিবিয়ানা, কালিয়াকৈর
C.বহরমপুর, ভেড়ামাড়া D. আমিনবাজার, মেঘনাঘাট
18.PGCB বিদ্যুৎ ক্রয় করে কার কাছ থেকে??
A. APSCL B. NWPGCL C.PDB D. কোনটিই নয়
19.DESCO কার কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় করে???
A.PGCB B. BPDB C.BREB D. EGCB
20.বাংলাদেশ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে কেন???
A.বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘারতি বলে B.পর্যাপ্ত কাঁচামালের অভাব
C.ক্রয়কৃত বিদ্যুতের দাম কম D. সম্পুর্ক উন্নয়ের জন্য
21.নিম্নের কোন ফুয়েল বেসলোড পাওয়ার প্লান্টে ইউজ করা হয়???
A.HFO B.ডিজেল C.কয়লা D.CNG.
22. কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট সংখ্যা কত?
A. ৪, B. ৫ C. ৩ D. ৮
# সঠিক_উত্তর .
১। খুলনা।
২। ৯০ MW
৩। মুহুরি
৪/ চীন
৫/রাশিয়া
৬/কলাপাড়া পটুয়াখালী
৭/পায়রা
৮/১২০০mw
৯/চীন
১০/মহেশখালী
১১/সন্দীপ
১২/১৯৬২
১৩/ ভৈরব খুলনা
১৪/৬০%
১৫/মংলা বাগেরহাট
১৬/২৮MW
১৭/বহরমপুর ভেরামারা
১৮/ কোনটিই নয়
১৯/BPDB
20/ক্রয়কৃত বিদ্যুতের দাম কম।
২১/ কয়লা।
২২। ৫টি
মৌলিক সংখ্যা!!! মনে রাখার সহজ উপায়
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ২৫ টি
১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০৪ টি (২,৩,৫,৭)
১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০৪ টি (১১,১৩,১৭,১৯)
২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০২ টি (২৩,২৯,)
৩১ থেকে ৪০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০২ টি(৩১,৩৭)
৪১ থেকে ৫০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০৩ টি (৪১,৪৩,৪৭)
৫১ থেকে ৬০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০২ টি(৫৩,৫৯)
৬১ থেকে ৭০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০২ টি(৬১,৬৭)
৭১ থেকে ৮০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০৩ টি (৭১,৭৩,৭৯)
৮১ থেকে ৯০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০২ টি (৮৩,89)
৯১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ০১ টি(৯৭)
মনে রাখার সুবিধার্থে : ৪৪২২৩২২৩২১ ফোন নাম্বার হিসেবে মনে রাখুন।
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলোর যোগফল ১০৬০
ধন্যবাদ সবাইকে
07/08/2020
এখানে দৈর্ঘ্য
88ft + 96 ft
= 184/2
=92 sft
প্রস্থ, 87ft + 19 ft
=106/2
= 53 sft
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
= 92×53
= 4876sft
এখন,
4876/435.6
= 11.19 শতাংশ
এবং 4876/720
= 6.77 কাঠা।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন শীর্ষস্থানীয় ৫টি অ্যাপ্স থাকা উচিত?
১. Buddytalk : ইংরেজি শিখতে গেলে কথা বলার কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু আমরা সচরাচর কথা বলতে পারি না কথা বলার পার্টনার না পাওয়ায়। তাই আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় না থাকার কারণে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাই। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ইংরেজিতে কথা বলার পার্টনার খুজে পাবেন।
২. : Moon+Reader :মোবাইলে কিংবা ট্যাবে বই পড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো অ্যাপ আছে কিনা আমার জানা নেই। এই অ্যাপটির সাইজও খুব কম। অ্যাপের মাঝেই আপনি খুজে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বইটি। এই অ্যাপটি ফোনে থাকা মানে আস্ত একটা লাইব্রেরি থাকা।
৩. Photomath: হঠাৎ গণিতের একটা প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। ঐ সময় আপনার সাথে কেউ নেই যে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। এমতাবস্থায় এই অ্যাপে গিয়ে প্রশ্নটির একখানা ছবি তুইলেই সাথে সাথে স্টেপ বাই স্টেপ সলিউশন দেবে এই অ্যাপটি।
৪. Robi 10 Minute School/ Softmax এই অ্যাপটি আপনার পড়াশোনা কিছুটা হলেও সহজ করে দিবে। আপনি যে গ্রেডেরই হন না কেন আপনার জন্য এডুকেশনাল কন্টেন্ট রয়েছে এই অ্যাপে।
৫. Camscanner: বন্ধুর কাছে তার নোট খাতাটা ধার নিলেন। তো তার নোটখাতাটি তাকে দিয়ে দেওয়ার আগে আপনি যদি দ্রুতই তার নোট খাতাটির একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করে নিজের ফোনে রাখেন তাহলে কেমন হয়? এই অ্যাপটি আপনাকে যেকোনো ডকুমেন্ট স্কান করে দিতে পারবে। একেবারে কম্পিউটারের স্ক্যানারের মতো।
#সংগ্রহীত
একজন উপ-সহকারি #প্রকোশলী পদের
জন্য #ইন্টারভিউ একটি নমুনা..
হ্যালো,
কেমন আছেন,আশা করি ভাল।করোনাভাইরাস নিয়ে টেনসনে আছেন?? সবাই আর নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করুন। সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
বাড়িতে অবস্থান করুন।
আজ আমি একজন উপ সহকারি প্রকোশলী পদের জন্য
#ইন্টারভিউ নিয়ে কথা বলবো।আমরা অনেকেই ইন্টারভিউ ফেস করছি,তারা অবশ্যই এই নিয়োম গুলো জানি,এবং যারা কোন দিনও ইন্টারভিউ ফেস করেননি তাদের জন্য একটা উপ-সহকারি # প্রকোশলী পদের জন্য ইন্টারভিউ মডেল নিচে আলোচনা করা হল।
১। ইন্টারভিউ রুমে প্রবেশ করার পূর্বে অনুমতি নিতে হবে-
May I coming Sir. বা আমি কি আসতে পারি স্যার বলে।
২। প্রবেশ করার পর ছালাম দিয়ে সোজা দাড়িয়ে থাকবেন।স্যার যদি বলেন বসো,তাহলেই বসবেন,বসার পূর্বে Thanks all বলে ভদ্রতার সহিত বসবে।
৩।আপনার সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করবে,ঠিক মত উত্তর দিবেন,নিজ জেলা,আজ বাংলা কত তারিখ,এই দিনে এক জন বিখ্যাত ব্যাক্তি নাম বলেন,মোটা মোটি একটু জেনে নিবেন।
এখন আসা যাক মুল ইন্টারভিউ। প্রশ্নের উত্তর অতি সংক্ষেপে হবে
মুল ইন্টারভিউ :
#প্রশ্ন
ক। কারেন্ট কেন লোড সেডিং হয়?
-সরি স্যার,বিদুৎ লোড সেডিং হয়।
খ। সুইচ বোর্ডে বিদুৎ আছে কিনা বুঝব কিভাবে?
-ইনডিকেটর দেখে।
গ। কোনটা আগে চলে, বিদুৎ না কারেন্ট?
- ভোল্টেজ।
৫। মানুষের দিক দিয়ে সিনিয়র /জুনিয়র কিভাবে মূল্যায়ন করবে?
-মানুষের দিক দিয়ে নয়,বয়সের দিক দিয়ে মূল্যায়ন।
৬। গাড়িতে একজন ড্রাইভার ছাড়া একটি ড্রাইভার আছে নাম কি?
- Scrow Driver
৭। দশ জনের কাজ তুমি একাকী কিভাবে করবে?
-প্রযুকতি ব্যবহার করে।
৮। মেয়ে বললো বাবা বিদুৎ চলে গেছে, তারপরেও পাখা,বাতি,সব চলতেছে কেন?
-বিদুৎ ছেলের নাম
৯। আকাশে প্রচুর বিদুৎ চমকাচ্ছে, তুমি কি করবে?
- ঘরের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিবো
১০। সিংগেল এবং থ্রী ফেজ লাইন কানেকশন চেনার উপায়?
- সিংগেল L-N & Three Phase -RST/UVW
১১। কোন ট্রানসফরমারে একটি মাত্র কয়েল থাকে?
- অটো ট্রানসফরমার।
১২। LCD কি?
-Liquid Cristal Display
১৩। VDR কি?
-Voltage Dependent Resistor
১৪। নাইক্রোম ওয়্যার উপাদান গুলো কিকি?
- নিকেল-৬১%,ক্রোমিয়াম-১৫%,আয়রন-২৪%
১৫। একজন মানুষের রেজিসট্যানস কত?
-০.১ মেগাওহম-.০৫ মেগাওহম।
১৬। তার বা ক্যাবল দেখে নিউট্রাল,ফেজ চেনার উপায় কি?
নিউট্রাল তার বা ক্যাবলের মাথায় কালো ট্যাপিং এবং ফেজ তারের মাথায় রেড,হলুদ,নীল রংয়ের টেপিং থাকবে।
#পাওয়ার_সেক্টর
১। পিজিসিবির সর্বোচ্চ ট্রান্সমিশন লাইন ভোল্টেজ কত এবং সর্বোচ্চ কত ভোল্টেজ লাইনের কাজ চলমান ?
উত্তরঃ৪০০কেভি।চলমান ৭৬৫ কেভি।
২। বর্তমানে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে এবং কার অধীনে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালিত?
উত্তরঃ ৬৬০ মেগাওয়াট পরে১৩২০ মেগাওয়াট। NWPGCL.
৩। দেশের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর নাম কি ও বর্তমানে সরকার কত % লোকদের বিদ্যুৎ সুবিধা দিচ্ছে ?
মাননীয় নসরুল হামিদ বিপু এমপি৷ বিদ্যুৎ সুবিধা পায় ৯৬%।
৪। বর্তমানে দেশে পিজিসিবির কত কি.মি. সার্কিট বিস্তৃত এবং কত মেগাওয়াট ধারণ ক্ষমতা সম্পূর্ণ সার্কিট?
উত্তরঃ ১১৬৫০ কিঃমিঃ। ৪৪৩৪০ MVA
৫। বাংলাদেশ কয়টি দেশের সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে?
উত্তরঃ ০৩টি।
৬। বাংলাদেশ কয়টি দেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে এবং কত মেগাওয়াট করে?
উত্তরঃ১টি, ভারত ১১৬০ মেগাওয়াট।
৭। পিজিসিবি কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান ও কবে গঠিত হয় ?
উত্তরঃবাংলাদেশের একমাত্র বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৬ সালে গঠিত হয়।
৮। পিজিসিবি কোথায় হতে বিদ্যুৎ ক্রয় করে ও কার কাছে বিতরণ করে ?
উত্তরঃPGCB বিদ্যুৎ ক্রয় বা বিক্রয় করে না। তবে সঞ্চালন বাবদ বৈদ্যুতিক চার্জ নিয়ে থাকে বিদ্যুৎ বিতরন সস্থা থেকে।
৯। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ করে কয়টি প্রতিষ্ঠান ?
উত্তরঃসঞ্চালন করে ১টি প্রতিষ্ঠান। বিতরন করে ৬ টি।
তারপর,যদি বলে আপনি আসতে পারেন,সালাম দিয়ে বের হয়ে আসবেন,
ভুল হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
#যারা_এই_মুহূর্তে_ঘরে_বসে_আছেন_
তারা_নিম্নলিখিত চ্যানেল গুলো দেখতে পারেন ।
তাহলে আপনার ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কিল অনেকাংশেই ভালো হয়ে যাবে ।
Tech Lab Bangladesh.
Engineering science and technology.
You tube bestet training.
EEE Lover
Aslam arb tv
Seven colour
Sensor shop bd
Md. Mynul Islam
Bangladesh Automation
Govesona
#ইন্ডিয়ান_অর্থাৎ_হিন্দি কতগুলো ভালো চ্যানেল আছে ইচ্ছে করলে এগুলো দেখতে পারেন,,,,
Krishna Automation
Neket shah plus
Lern EEE
Ashok Etutor
Deepkkumar yadav
আর অনেক দেশি বিদেশি চ্যানেল আছে ইচ্ছা করে ফলো করতে পারেন।
#বিশেষ_দ্রষ্টব্য :-
এখানে আপনাকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, আপনি বিভিন্ন চ্যানেল দেখে আপনার ইঞ্জিনিয়ারিং স্কিল ডেভেলপ করার পাশাপাশি একজন প্রফেশনাল ট্রেইনারের তত্ত্বাবধানে 15-20 দিন ট্রেনিং করলে আপনার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে।
ইনশাআল্লাহ তখন খুব সহজেই আপনি ফিল্ডে কাজ করতে পারবেন।
Copy post.
আপডেটেড অন ৮/৫/২০২০
১০০ টি তথ্যঃ
1. মোট উৎপাদন ক্ষমতাঃ ২২,৭৮৭মেগাওয়াট
2. দৈনিক মোট উৎপাদনঃ ১০,০০০-১২,০০০মেগাওয়াট
3. এযাবত সর্বোচ্চ উৎপাদিত হয়েছেঃ ১২,৮৯৩মেগাওয়াট
4. মোট পাওয়ার প্ল্যান্টঃ ১৩৭টি
5. মোট ডিস্ট্রিবিউশন লসঃ ৯.৩৫%
6. মোট ট্রান্সমিশন লস: ২.৮৫%
7. সবচেয়ে বড় পাওয়ার প্ল্যান্টঃ আশুগঞ্জ
8. বড়পুকুরিয়া কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটিঃ ৫২৫ মেগাওয়াট
9. রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি কোনটিঃ ইউরেনিয়াম-২৩৫
10. রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি সাপ্লাইয়ারঃ রাশিয়া
11. একবার জ্বালানি দিয়ে কত বছর চলবে রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ ৬০ বছর
12. ২য় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় হবেঃ হিজলা, বরিশাল
13. CCPP কি?- কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট
14. সবচেয়ে কম খরচে কোন জ্বালানি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়ঃ প্রাকৃতিক গ্যাস, ২.৮টাকা
15. ভারত থেকে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ নিয়ে আসা হয়ঃ ১১৬০মেগাওয়াট
16. শীতকালে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা কতঃ মোট চাহিদার ৫০-৬০%
17. কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ঃ সিলেট
18. কোন অঞ্চলে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ঃ রংপুর
19. কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোন গ্রেডের কয়লা ব্যবহার করা হয়ঃ বিটুমিনাস/সাব-বিটুমিনাস
20. ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠান কয়টিঃ ৬টি
21. আরইবি আর পিবিএস কি একঃ না
22. পিবিএস কয়টিঃ ৮০ টি
23. HSD কীঃ HIGH SPEED DIESEL
24. HFO কী: HEAVY FUEL OIL
25. সবচেয়ে বেশী পাওয়ার জেনারেট করা হয় কোন জ্বালানি দিয়ে? –প্রাকৃতিক গ্যাস(৬৩%)
26. বাংলাদেশ শতভাগ বিদ্যুৎয়িত হবেঃ ২০২১ সালে
27. মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদনঃ ৫১০ কিলোওয়াট আওয়ার
28. জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ক্ষমতাঃ ১টি, ২৩০মেগাওয়াট
29. ৪০০ লেভি লাইন কয়টিঃ ৬টি
30. ৭৬৫ কেভি লাইন কোথায় হচ্ছেঃ ভুলতা
31. রামপাল কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটিঃ১৩২০ মেগাওয়াট
32. মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটিঃ ১২০০ মেগাওয়াট
33. পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটিঃ ১৩২০ মেগাওয়াট
34. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটিঃ ২*১২০০= ২৪০০ মেগাওয়াট
35. প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যাবেঃ ২০২৩ সাল
36. দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যাবেঃ ২০২৪ সাল
37. ২০২১ সালের মধ্যে বায়ুকল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রাঃ ১৩৭০মেগাওয়াট
38. রিনিউয়েবল সোর্স থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনঃ ৬২৮মেগাওয়াট
39. রিনিউয়েবল সোর্স থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাঃ মোট ক্ষমতার ১০%
40. কুইক রেন্টাল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনঃ ১৮৯০মেগাওয়াট
41. বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীঃ ৯৬%
42. মোট ট্রান্সমিশন লাইনঃ ১২,১১৯ সার্কিট কিমি
43. বিতরণ লাইনঃ ৫লক্ষ ৬০ হাজার কিমি
44. গ্রাহক সংখ্যাঃ ৩ কোটি ৬৪ লক্ষ
45. বাংলাদেশের বিদ্যুতের ফ্রিকুয়েন্সীঃ ৫০হার্জ
46. পিক লোড পাওয়ার প্ল্যান্ট কীঃ পিক টাইমে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের জন্যে যেসকল প্ল্যান্ট চালানো হয়।
47. অফ পিক ও অন পিক বিদ্যুৎ চাহিদা কতঃ 7000/11000MW
48. দেশের প্রথম বর্জ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র কোথায়ঃ জল্কুড়ি, নাঃগঞ্জ(৩ মেগাওয়াট)
49. ১ম HVDC সাবস্টেশনঃ ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া
50. ২য় HVDC সাবস্টেশনঃ দেবপুর, কুমিল্লা
51. সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রান্সমিশন লাইনঃ KHULNA-VERAMARA(353CKT KM)
52. হাই জেনারেশন , লো ডিমান্ড এরিয়াঃ সিলেট
53. লো জেনারেশন, হাই ডিমান্ড এরিয়াঃ রংপুর
54. সাবস্টেশন থেকে সাবস্টেশনে যোগাযোগের মাধ্যমঃ SCADA+PLCC
55. SCADA: SUPERVISORY CONTROL & DATA ACQUISITION
56. SREDA: SUSTAINABLE AND RENEWABLE ENERGY DEVELOPMENT AUTHORITY
57. NLDC: NATIONAL LOAD DISPATCH CENTRE
58. গ্রিডে ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাঃ ১৬,০০০ মেগাওয়াট
59. ইন্টারকানেক্টেড গ্রিড সংখ্যাঃ ১টি
60. ২০২১ সালে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাঃ ২৪,০০০ মেগাওয়াট
61. ২০৩০ সালে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাঃ ৪০,০০০ মেগাওয়াট
62. ২০৪০ সালে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাঃ ৬০,০০০ মেগাওয়াট
63. LNG টার্মিনাল কোথায় হবেঃ মহেশখালী
64. পাওয়ার হাবঃ মহেশখালী, আশুগঞ্জ, পায়রা,ভেড়ামারা, মাতারবাড়ী
65. যমুনা নদীর উপর দিয়ে যে লাইন গেছে তার ভোল্টেজ কতঃ ২৩০ কেভি
66. ভারত থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুতের দামঃ ৫টাকা ৩৪ পয়সা
67. নেক্সট যেসব দেশ হতে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবেঃ নেপাল, ভূটান
68. পিকিং পাওয়ার প্লান্ট কি ২৪ঘন্টা চলেঃ না, পিক টাইমে চলে
69. সবচেয়ে বেশী পাওয়ার প্ল্যান্ট কোন জোনেঃ ঢাকা জোনে, ৩৯ টি
70. সবচেয়ে কম পাওয়ার প্ল্যান্ট কোন জোনেঃ রংপুর, ময়মনসিংহ, ৭ টি করে
71. সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্ল্যাণ্টঃ ২৮ মেগাওয়াট,হিনলা, টেকনাফ
72. প্রথম আইসোলেটেড গ্রিডঃ হাতিয়া, নোয়াখালী
73. দেশের প্রথম বায়ুকলঃ সোনাগাজী, ফেনী
74. দেশের ২য় বায়ুকলঃ কুতুবদিয়া, কক্সবাজার
75. সাবস্টেশনে কত ভোল্টের ডিসি ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়ঃ ১১০ ভোল্ট ডিসি
76. আপকামিং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পঃ সাঙ্গু নদী(১৪০মেগাওয়াট), মাতামুহুরি নদী(৭৫মেগাওয়াট)
77. পার ইউনিট সোলার কস্টঃ ১৬.১৪টাকা
78. পার ইউনিট কয়লা কস্টঃ ৭.৩৮ টাকা
79. পার ইউনিট গ্যাস কস্টঃ ২.৮ টাকা
80. পার ইউনিট ফার্নেস ওয়েল কস্টঃ ১১.৪৮ টাকা
81. পার ইউনিট জলবিদ্যুৎ কস্টঃ ১.৩২টাকা
82. কয়লা আমদানি করা হয় মূলতঃ ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া
83. দেশের প্রথম গ্যাস ইন্সুলেটেড সাবস্টেশন : ধানমন্ডি
84. ওয়েভ ট্রাপ কোথায় ব্যবহার করা হয়ঃ PLCC
85. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জেনারেটিং ভোল্টেজঃ ২২.০৫কেভি(আশুগঞ্জ)
86. ১ মেগাওয়াটে কয়লা বিদ্যুতকেন্দ্রে ২৪ ঘণ্টা চালাতে কয়লা লাগেঃ ১০ টন
87. COD: COMMERCIAL OPERATION DATE
88. DCT: DEPENDABLE CAPACITY TEST
89. RRT: RELIABILITY RUN TEST
90. পীক আওয়ারঃ বিকাল ৫ টা থেকে-রাত ১১টা
91. অফপিক আওয়ারঃ রাত ১১টা থেকে বিকাল ৫ টা
92. ট্রান্সমিশন লাইনে যে কন্ডাক্টর ব্যবহার করা হয়ঃ ACCC/ACSR
93. একটি ৪০০ কেভি লাইনে ডিস্ক ইন্সুলেটর লাগে ঃ ২১ টি
94. গ্রিড রিংঃ ২ টি,ঢাকা, চট্টগ্রাম
95. আপকামিং সর্ববৃহত সুইচিং সাবস্টেসনঃ গোপালগঞ্জ
96. ব্রাউনআউট কিঃ পাওয়ার ঠিক থাকার পরেও ভোল্টেজের আপডাউন করলে
97. ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে কয়টি তার থাকেঃ ৫/৬টি
98. SUBSTATION –SUBSTATION যোগাযোগের জন্যেঃ OPTICAL GROUND WIRE
99. PGCB কার কাছে অপটিক ফাইবারের ব্যান্ডউইথ বিক্রি করেঃ জিপি সহ টেলিকম সেক্টর
100. ট্রান্সফর্মার ওয়েলের বাণিজ্যিক নামঃ পাইরানল
আজকের পোস্টে ডিপার্টমেন্ট এবং নন-ডিপার্টমেন্টের কোন কোন বই থেকে এবং কোন কোন টপিকস এর উপর বেশী প্রশ্ন হয় এগুলো নিয়ে আলোচনা করবো,
ডিপার্টমেন্ট_অংশাবলী
যেহেতু আমরা সবাই পলিটেকনিকে পড়েছি,তাই পলিটেকনিকের মুল বইগুলোর কথাই প্রথমে বলি,,,,,
1.Transmission & Distribution of Electrical Energy-1 (T.D-1).
2.Ac-Machine-1
3.Ac-Machine-2
4.Switch Gear & Protection.
5.Basic Electricity.
যে ভেন্যুতেই বা যে প্যাটার্নেই পরীক্ষা দেন না কেন এই ৫টি বই থেকে সবচেয়ে বেশী প্রশ্ন কমন পাবেন,,,,
এবং ভাইভা বোর্ডেও এই ৫ টা বই থেকে বেশী প্রশ্ন করে তাই এই ৫ টা বইয়ের কোন অংশ বাদ দিবেন না,,,,
সম্পুর্ন রপ্ত করে ফেলবেন।
...
1.DC Machine
2.Generation of Electrical Energy
3.Electrical & Electonic Majerment-1
4.Electrical & Electronic Majerment-2
5.Basic Electronics
এই বইগুলো আপনাকে সম্পুর্ন পড়তে হবে না,,,
কিছু কিছু অংশ বাছাই করে পড়বেন,,,,,
যেমনঃডিসি মেশিন থেকে জেনারেটর এবং মোটরের বেশ কিছু অংক এবং থিওরি পড়বেন,,,
জেনারেশন থেকে লোড ফ্যাক্টর এবং ক্যাচমেন্ট এরিয়া সম্পর্কিত অংকগুলো করবেন।
মেজারমেন্ট ১ থেকে ওয়াটমিটার সম্পর্কিত অংকগুলো খুবই ভাল করে করবেন,,,,
মেজারমেন্ট ২ থেকে শান্ট এবং মাল্টিপায়ার সম্পর্কিত অংকগুলো করতে পারেন,,,
আর বেসিক ইলেকট্রনিকস থেকে বেশ কিছু থিওরি এবং ডায়োড,,, ট্রানজিস্টর সংক্রান্ত টপিকস গুলো ভাল করে দেখে যাবেন,,,,,
পরীক্ষা যদি বুয়েট,কুয়েট নেয় তখন কিন্তু এভাবে পড়লে হবে না,,,
কারন তারা যে অংকগুলো দিবে তা আপনি পলিটেকনিকের বইয়ে পাবেন না,,,,,,,
এবং তারা আপনাকে ছোট ছোট অংক দিবে কিন্তু ঘুরিয়ে প্যাঁচিয়ে দিয়ে আপনার বেসিক যাচাই করবে মুলত,,,,
তাই আপনাকে B.L Thereja,,,, V.K metha,,,, Boilested এ সমস্ত লেখকদের কিছু বই পড়তে হবে,,, অথবা আপনি অপটিমাম/ রেজুন্যান্স ডুয়েট অ্যাডমিশন গাইডগুলো পড়তে পারেন,,,,
তবে ভয়ের কিছু নেই,,,,
আমি আপনাদের জাস্ট কয়েকটা টপিকস এর ম্যাথ প্র্যাকটিস করতে বলব,,,,
for Electrical
1.DC Ckt...(Thevinin, maximum power transfer & Suparposition most important)
2.AC Circuit.
3.Transformer Related.
4.induction motor
5.Motor
6.Generator
6. Sequence diagram
7. Variable load
8. Power factor correction
9.Diode
10.Transistor
11.Clipping & Clamping
12. Communication.
For Electronic
1.DC Ckt...(Thevinin, maximum power transfer & Suparposition most important)
2.AC Circuit.
3.Transformer Related.
4.induction motor
5. Sequence diagram
6. Variable load
7. Power factor correction
8.Diode
9.Transistor
10.Clipping & Clamping
11. Communication. Optical fiber
12. FET,MOSFET,
13.LOGIC GATE,boolean algebra
এই কয়েকটা টপিকস এর ম্যাথ গুলো ভালভাবে করবেন।
আশা করি ভাল করবেন।
অনেক সময় ডিপার্টমেন্টের
MCQ আসে(এখন তো PSC এর সব Preliminary পরীক্ষাতেই পাবেন)
এটার জন্য মুল বই গুলো বুঝে বুঝে সময় নিয়ে পড়বেন,,,,
পারফেক্ট ডুয়েট অ্যাডমিশন গাইডের প্রিলিমিনারি অংশ ফলো করতে পারেন।
এছাড়া বর্তমানে পাওয়ার সেক্টরের সকল চাকরির পরীক্ষাতেই বিদ্যুৎ সেক্টর সম্পর্কিত প্রশ্ন দিয়ে থাকে,,,
তাই আপনাকে কোথায় কোন পাওয়ার প্ল্যান্ট আছে,,,
কত মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন???
কোথায় নতুন প্ল্যান্ট হচ্ছে???
পাওয়ার সেক্টরের মিশন,,, ভিশন,,,
এগুলো সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট রাখা চাই,,,,,
নন_ডিপার্টমেন্ট_অংশাবলী
উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে যে প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা দেন না কেন দেখবেন এই অংশগুলো থেকেই বেশী প্রশ্ন পাবেন,,,
বাংলা ২য়
#বেশী_গুরুত্বপূর্ণ_টপিকস ,,,,
১.বানান শুদ্ধিকরন,,,
২.সমার্থক শব্দ,,,
৩.বিপরীতার্থক শব্দ,,,
৪.সন্ধি বিচ্ছেদ,,,
৫.এক কথায় প্রকাশ,,,
৬.বাগধারা,,,
৭.যুক্তবর্ণ,,,,
৮.শব্দের উৎপত্তি,,,
৯.সমাস,,,,
১০. বাক্য শুদ্বি
বইঃ mP3 বাংলা ( জর্জ সিরিজ), mp3 এতদিন শুনতেন এবার পড়বেন।
বাংলা ১ম পত্র
কবি ও লেখক সংক্রান্ত অর্থাৎ কোন কবি/ লেখকের কোন গন্থ এগুলো ভাল করে মুখস্ত করবেন,,,,
রবীন্দ্রনাথ, নজরুল,মাইকেল,সত্যেন্দ্রনাথ,বংক
িমচন্দ্র,জসিমউদদীন, জহির রায়হান,হুমায়ুন আহমেদ এরকম গুরুত্বপূর্ণ কবি সংক্রান্ত সব পড়বেন।
এছাড়া সাহিত্যিকদের উপাধি ও ছব্দনাম,,,,
কোন কবির কি পত্রিকা এগুলো ভাল করে পড়বেন
বইঃ এসিউরেন্স ডাইজেস্ট
English
ইংরেজি টা কে আমরা বনের সিংহ মনে করি, কিন্তু আপনি যদি ইংরেজি তে একটু পড়াশোনা করেন তাহলে আপনি কম্পিটিশন পরিক্ষায় অনেকাংশে এগিয়ে থাকবেন,কারণ আপনার মত ইংরেজি সবাই ভয় পায়।
Most_Important_Topics,,,,,
1. preposition, Appropriate Preposition.
2.Parts of Speech,,,(কোনটা কোন ওয়ার্ড আর কি)
3.Right form of Verbs
(Right or wrong খুজতে হবে ৪ টা option থাকবে)
4.Spellings Mistakes,,,
5.sentence Correction....
1.Synonymous & Antonyms,,,
2.Phrases & Idioms,,,
3.Active & Passive Voice
4.Narration.(Just PSC Exam)
বইঃবইঃ mP3 English ( জর্জ সিরিজ), mp3 এতদিন শুনতেন এবার পড়বেন।
বা English for Competitive Exam,,,,
Writter:Md.Fazlul Haque.
(Professors Publications
সাধারন জ্ঞান
এ অংশে ভাল করার জন্য নিয়মিত বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী পড়তে হবে ও
নিয়মিত চর্চার মধ্যে করতে হবে,,,,
তা না হলে মুখস্থ করেও ভুলে যাবেন,,,
বাংলাদেশের অভ্যুূদয়,,,,মুক্তিযুদ্ধ,,,
নদ নদী,,,,অর্থনীতি,,, কোন জায়গায় কে প্রথম দায়িত্বে ছিল,,,,বিভিন্ন সংস্থার প্রতিষ্ঠা সাল,,,পুর্ননাম,,,,এগুলো ভাল করে পড়বেন,,,,
বইঃ এসিউরেন্স ডাইজেস্ট, প্রতিমাসের current affairs
সাধারন গনিত/ এনালাইটিক্যাল
এ অংশে ভাল করার জন্যও আপনাকে অংক ও বিশেষ করে সুত্রগুলো নিয়মিত চর্চার মধ্যে রাখতে হবে তা না হলে এগুলোও ভুলে যাবেন,,,,,,
ট্রেন ও গতিবেগ, গড়,,,সুদকষা,,, লাভ-ক্ষতি,,, শতকরা,,,ঘড়ি সংক্রান্ত, পিতা মাতার বয়স সংক্রান্ত, সুচক,লগারিদম, বীজগাণিতিক সুত্রের প্রয়োগ( মান নির্ণয়)
জ্যামিতিক অংশাবলী,,,,
ইত্যাদির উপর বেশী গুরুত্ব দিবেন,,,,
বইঃ শাহীনস বা খায়রুল ম্যাথ
আশা করি এই সিলেবাস অনুসারে পড়লে আপনারা দ্রুত সফলতার মুখ দেখবেন,,,,আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন,আল্লাহর কাছে বেশি বেশি নামাজের মাধ্যমে প্রার্থনা করুন।আল্লাহ আপনাকে নিরাশ করবেন না।
stay home,continue study.
আল্লাহ হাফেজ।
যে কোন পরীক্ষায় ৫-৭+ টা থাকবে ইনশাআল্লাহ ।
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ বাংলা উপন্যাস – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
✬ বাংলা সনেট – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ আধুনিক বাংলা নাটক – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ বাংলা গদ্য সাহিত্য – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✬ বাংলা ছোট গল্প – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ গদ্য ছন্দ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ মুক্ত ছন্দ – কাজী নজরুল ইসলাম
✬ আধুনিক বাংলা কবিতা – জীবনান্দ দাশ
✬ চলিত রীতিতে গদ্যের জনক – প্রমথ চৌধুরী
ইংরেজি সাহিত্য
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ইংরেজি উপন্যাস – হেনরি ফিল্ডিং
✬ ইংরেজি প্রবন্ধ ও গদ্য – ফ্রান্সিস বেকন
✬ ইংরেজি রূপকথা – হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন
✬ ইংরেজি ট্রাজেডি – ক্রিস্টোফার মারলো
✬ ইংরেজি সনেট – স্যার থমাস ওয়াট
✬ আধুনিক ইংরেজি কবিতা – জিওফ্রে চসার
✬ আধুনিক ইংরেজি সাহিত্য – জর্জ বার্নাডশ
বিশ্ব সাহিত্য সংস্কৃত
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ সনেট – পেত্রাক
✬ সায়েন্স ফিকশন – মেরি শ্যালি
✬ যাত্রা – ক্লাওডিও মন্টে ভারডি
✬ রুশ সাহিত্য – ম্যক্সিম গোরকি
✬ চলচিত্র – এডওয়ার্ড মিউব্রিজ ।
✬ বাংলাদেশ চলচিত্র – আব্দুল জব্বার খান
✬ আধুনিক নৃত্য – ইসাডেরা
✬ পশ্চিমা সঙ্গীত – জোহান সেবাস্তেন বস
✬ উপমহাদেশে সুরসঙ্গীত – ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান
✬ রেনেসীয় চিত্রকলা – জিওট্টো
✬ আধুনিক কার্টুন – উইলিয়াম হোগারথ
✬ আধুনিক সার্কাস – ফিলিপ অ্যাস্টলে
গণিত
▔▔▔▔▔
✬ সংখ্যাতত্ত্ব – পিথাগোরাস
✬ গণনা – চার্লস ব্যাবেজ
✬ জ্যামিতি – ইউক্লিড
✬ বীজ গণিত ও অ্যালগারিদম –আল-খাওয়ারিজম
✬ ক্যালকুলাস – ভাসকরা
✬ ত্রিকোণমিতি – হিপ্পার চাস
✬ স্থিতিবিদ্যা – আর্কিমিডিস
✬ গতিবিদ্যা – গ্যালিলিও
পদার্থ বিদ্যা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ পদার্থ বিদ্যা – আইজ্যাক নিউটন
✬ আধুনিক পদার্থ বিদ্যা – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ পারমানবিক পদার্থ বিদ্যা – আরনেস্ট রাদারফোর্ড
✬ আলোক বিদ্যা – জগদীশ চন্দ্র বসু
✬ তেজস্ক্রিয়তা – হেনরি বেরকল
✬ পারমানবিক বোমা – যে রবার্ট ওপেনহাইমার
✬ হাইড্রোজেন বোমা – এডওয়ার্ড টেলার
✬ কোয়ান্টাম তত্ত্ব – ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
✬ আপেক্ষিক তত্ত্ব – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ টেলিফোন – আলেকজান্ডার গ্রাহাম
✬ বাষ্প ইঞ্জিন – থমাস নিউকোমেন
✬ মোটর গাড়ি – কার্ল বেঞ্জ
✬ আধুনিক টায়ার – জন বয়রড ডানলফ
✬ রেডিও – লি ডি ফরেস্ট
✬ আধুনিক টেলিভিশন – অ্যালেন বি ডুমেন্ট
✬ সেমি কন্ডাক্টর – জ্যাক কিলবি
✬ আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি – সাইরাস ফিল্ড
কম্পিউটার বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ কম্পিউটার – চার্লস ব্যাবেজ
✬ আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান – এলান ম্যাথাসন
ডুরিং
✬ পার্সোনাল কম্পিউটার – আনড্রে থাই টুরং
✬ WWW (World Web Wide) – টিম বারনাস লি
✬ ই–মেইল – রে টমলিনসন
✬ ইন্টারনেট – ভিন্টন জি কারফ
✬ ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন – এলান এমটাজ
✬ ভিডিও গেমস – নোলেন বুশনেল
✬ অ্যানিমেশন – ওয়াল্ট জিডনি
✬ ভিজুয়েল বেসিক – এলান কুপার
✬ জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ – জেমস গসলিং
✬ উইকিপিডিয়া – জিমি ওয়েলস
রসায়ন বিদ্যা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ রসায়ন বিদ্যা – জাবের ইবনে হাইয়ান
✬ আধুনিক রসায়ন বিদ্যা – অ্যান্টনি লরেন্ট
ল্যাভসেসিয়ে
✬ জৈব রসায়ন – ফ্রেডারিক উইলার
✬ পরমাণুবাদ – ডেমোক্রিটাস
✬ পর্যায় সারণি – দিমিত্রি মেন্ডেলিপ
জীব বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ জীববিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যা – এরিস্টটল
✬ উদ্ভিদ বিদ্যা – থিওফ্রাস্টাস
✬ বিবর্তন জীববিদ্যা – চার্লস ডারউইন
✬ জীবের নামকরণ বিদ্যা – ক্যারোলাস লিনিয়াস
✬ বংশগতি বিদ্যা – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
✬ রক্ত সংবহনবিদ্যা – উইলিয়াম হার্ডে
✬ আধুনিক কোষতত্ত্ব – সোয়ান ও হাইডেন
✬ রোগ জীবাণু তত্ত্ব – লুই পাস্তুর
✬ বাস্তু সংস্থান – উইজেন উডাম
✬ প্রাণ শক্তি – জে জে বার্জেলিয়াম
চিকিৎসা বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ চিকিৎসা বিদ্যা ও ওষুদ – হিপক্রেটাস
✬ আধুনিক ওষুদ – ইবনে সিনা
✬ অ্যানাটমি – হেরোফিলাস
✬ আধুনিক সার্জারি – জাই ডি চাওলিয়েক
✬ প্লাস্টিক সার্জারি – সাসরুটা
✬ অস্থি সার্জারি – লরেন্স বলভেন
✬ হোমিও শাস্র – ডঃ স্যামুয়েল হ্যানিমেন
ভূগোল ও ইতিহাস
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ভূগোল – ইরাটস স্থনিস
✬ খনিজ বিদ্যা – জর্জ এগ্রিকোলা
✬ আধুনিক ভূবিদ্যা – জেমস হ্যাটন
✬ আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা – গ্যালেলিও গ্যালিলি
✬ ইতিহাস – হেরোডেটাস
✬ আধুনিক ইতিহাস – থুকি ডাইসিস
✬ ইসলামের ইতিহাস – আল–মাসুদি
অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ অর্থনীতি – এডাম স্মিথ
✬ আধুনিক অর্থনীতি – পল স্যামুয়েলসন
✬ ইউরো মুদ্রা – রবার্ট মেন্ডেল
✬ ব্যবস্থাপনা – পিটার ড্রকার
✬ আধুনিক ব্যবস্থাপনা – লিলিয়ান মোলার গিলবাথ
রাষ্ট্রবিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ রাষ্ট্রবিজ্ঞান – এরিস্টটল
✬ আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – নিকোলো
ম্যাকেয়াভেলি
✬ গণতন্ত্র – এরিস্টটল
✬ আধুনিক গণতন্ত্র – জন লক
✬ আমলাতন্ত্র – মাক্স বেবার
✬ আধুনিক জার্মান – প্রিন্স অটভান বিসমার্ক
✬ বিশ্ব গ্রাম ধারণা – মার্শাল ম্যাকলুহান
#পোষ্টটি আপনাদের জন্যই অনেক
কাজে লাগবে বিভিন্ন ধরনের চাকরী পরীক্ষায়।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কি?
উত্তরঃ সহজ কথায় বলা যায়, এমন একটি ইলেক্ট্রনিক/
ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্র যেটি ইনপুট হিসেবে ইলেক্ট্রিক পাওয়ার নিয়ে আউটপুটেও ইলেকট্রিক পাওয়ার দিবে, কিন্তু এদের মধ্যে কোন তারের সংযোগ থাকবে না।
কিন্তু, তাত্ত্বিক ভাবে বলতে গেলে বলতে হবে, ”ট্রান্সফরমার এমন একটি স্থির যন্ত্র বিশেষ যেখানে কারেন্টের সাপেক্ষে, এসি সাপ্লাই এর ভোল্টেজ বাড়ানো হয় নয়ত কমানো হয়”।
ইংরেজি শব্দ ট্রান্সফরম (Transform) থেকে ট্রান্সফরমার (transformer) নামটি উদ্ভুত। যার বাংলা অর্থ কোন কিছুকে ট্রান্সফরম বা রূপান্তর করা। আমাদের দৈনন্দিন দেখা ট্রান্সফরমার সমূহ ভোল্টেজ ও কারেন্ট কে ট্রান্সফরম করে ব্যবহার উপযোগী করে বিধায় এটির নাম এমন দেয়া হয়েছে।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কিভাবে কাজ করে?
ট্রান্সফরমার মূলত মিউচুয়াল ইন্ডাকশনের মাধ্যমে কাজ করে। প্রাইমারী থেকে সেকেন্ডারী তে পাওয়ার ট্রান্সফার করে এই পদ্ধতি তে। এ সম্পর্কে ৮ নাম্বার পয়েন্টে বিস্তারিত লেখা হয়েছে।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ
ধরুন পাওয়ার স্টেশন থেকে আপনার বাসা অনেক দূরে। তখন আপনি যদি আপনার প্রয়োজনীয়ভোল্টেজ পেতে চান তাহলে সেখানে একটি স্টেপআপ ট্রান্সফরমার দিয়ে বাড়িয়ে তা দূরবর্তী স্থানে যেখানে আপনার বাসা অবস্থিত, সেখানে সঞ্চালিত করা হয়।
আবার, আপনার বাসায়এসি লাইন দিয়ে সরাসরি শখের প্রজেক্ট কিংবা সার্কিট কিংবা জরুরী ব্যবহার্য্য টিভি, ডিভিডি, টর্চ, চার্জ লাইট ইত্যাদি কে কখনই চালাতে পারবেন না। প্রথমে আপনাকে অবশ্যই মেইন লাইনের ভোল্টেজ কে কমিয়ে উক্ত সার্কিট বা যন্ত্রের উপযুক্ত করতে হবে। আর এই কাজটিই করে থাকে ট্রান্সফরমার।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমারের সিম্বল বা চিহ্ন কি?
ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক সার্কিট এ আমরা সচারচর এই চিহ্ন বা সিম্বল ব্যবহার করেই ট্রান্সফরমারকে চিহ্নিত করে থাকি-
বিভিন্ন রকম ট্রান্সফরমারের সিম্বল ও আঁকবার সঠিক পদ্ধতি
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার মূলত কি কি জিনিস নিয়ে তৈরি হয়?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার মূলত নিম্নোক্ত জিনিস গুলো দ্বারা তৈরি হয়।
১। প্রাইমারী কয়েল
২। সেকেন্ডারী কয়েল ও
৩। ম্যাগনেটিক কোর
এছাড়াও প্রকারভেদ ও প্রয়োজন অনুসারে আরো বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার হয়ে থাকে।
প্রশ্নঃ বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন পার্টস দেখতে কেমন?
নিচে হাই ভোল্টেজ থ্রী ফেজ ট্রান্সফরমারের কিছু বাহ্যিক পার্টস দেখানো হলো-
থ্রী ফেজ ট্রান্সফরমার এর বিভিন্ন বাহ্যিক যন্ত্রাংশ
প্রশ্নঃ সংযোগ ছাড়া এক কয়েল থেকে অপর কয়েলে কিভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়?
উত্তরঃ এটাকে বলা হয় মিউচুয়াল ইন্ডাকশন। অর্থাৎ প্রাইমারী কয়েলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে এর চার পাশে একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সৃষ্টি হয়। আর এই ফিল্ড থেকে ফ্লাক্স সংগ্রহ করে সেকেন্ডারী কয়েল। তখন তাদের মধ্যে একটি মিউচুয়াল/কমন ইন্ডাকশন এর তৈরি হয়। যার ফলে সেকেন্ডারীতে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এই প্রবাহিত তড়িৎ এর মান নির্ভর করে সেকেন্ডারী ও প্রাইমারী তে ব্যবহৃত প্যাঁচ সংখ্যার উপরে। যাকে বলে ট্রান্সফরমারমেশন রেশিও।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কোন সূত্রের উপর ভিত্তি করে চলে?
উত্তরঃ এটি ফ্যারাডের সূত্রের উপর ভিত্তি করে চলে। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে ফ্যারাডে সাহেব তো বলেছিলেন যে-
একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে আরেকটি কয়েল দ্বারা আবিষ্ট করতে হলে অবশ্যই তাদের যে কোন একটি কে নড়াচরা করতে হবে। তাছারা ফ্লাক্স আবিষ্ট হবে না।
হ্যা, তবে সেটা ছিল ডিসি এর ক্ষেত্রে। আর ট্রান্সফরমার এসি বা পালসেটেড ডিসি তে চলে। তাই এটাকে আর আলাদা করে নাড়াতে হয় না। কারন এর তরঙ্গ আপনা আপনি ই অনুড়িত হতে থাকে।
প্রশ্নঃ একটি ট্রান্সফরমার এর এফিশিয়েন্সি শতকরা কত?
উত্তরঃ পৃথিবীতে কোন মেশিনই আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয় নি যার এফিশিয়েন্সি বা আউটপুট ১০০ ভাগ। একমাত্র ট্রান্সফরমারই এমন একটি যন্ত্র যার আউটপুট পাওয়ার প্রায় ইনপুটের ৯০% থেকে ৯৯%। মানে এখানে পাওয়ার লস খুবই কম বা এক্কেবারেই নগন্য।
এফিশিয়েন্সি মানে হচ্ছে কোন যন্ত্রের ইনপুট ও আউটপুটে প্রদত্ত শক্তির তুলনা যার মাধ্যমে যন্ত্রটির দক্ষতা পরিমাপ করা যায়।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার এর ক্ষমতার একক কি এবং কেন?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার একক কেভিএ (KVA)। অর্থাৎ কিলোওয়াট ভোল্ট এম্পিয়ার। কারণ টা হল, আমরা জানি যেকোন মেশিনের ক্ষমতার একক নির্ধারণ করা হয় তার #লস এর উপর ভিত্তি করে। এখানেও ঠিক একই বিষয়। ট্রান্সফরমারের লস গুলো হল
১। আয়রন লস/কোর লস
২। কপার লস
আচ্ছা, তো এখন আয়রন লস মানেই ভোল্টেজ এর ব্যাপার, আর কপার লস মানেই কারেন্ট এর লস। তাহলে মোটের উপর দাঁড়াল ভোল্ট এম্পিয়ার। এ জন্যেই ট্রান্সফরমার এর ক্ষমতার একক হিসেবে কিলোওয়াট ভোল্ট এম্পিয়ার বা কেভিএ (kVA) লেখা হয়ে থাকে।
প্রশ্নঃ আইডিয়াল ট্রান্সফরমার কি?
উত্তরঃ আসলে যেকোন মেশিন বা বস্তুর ই আইডিয়াল ফর্ম বা তার আদর্শ একটি অবস্থাকে বুঝায় যেখানে তার লসের পরিমাণ ০%। মূলত ল্যাবরেটরিতে গবেষণার সময় এই আদর্শ মান কে ব্যবহার করা হয়। মানে ইনপুটে দেয়া পাওয়ারের ১০০%-ই আউটপুট পাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবিক পর্যায়ে তা হয় না। কারণ যখন ওই যন্ত্রকে যখন বাস্তবে রূপ দেওয়া হয় তখন অনেক গুলো লস এসে সামনে পথ আটকায়।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার এর কোরের মধ্যে ইনসুলেশন বা পাতলা আবরণ কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ ছোট ট্রান্সফরমারের কোরের মধ্যে আসলে অনেক গুলো (E) এবং (I) এবং বড় সাইজের ট্রান্সফরমারের আলাদা আকৃতির স্টিলের পাত দেখা যায়। আসলে এই প্রতিটি পাতের গায়ে এক প্রকার ভারনিশ/লেমিনেশন পেইন্ট ব্যবহার করা হয়। কারন এতে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট হওয়ার ভয় থাকে না।
কিন্তু ইন্সুলেশন দেওয়ার প্রধান কারণ হল যাতে একেকটি কোর আলাদা ভাবে থাকতে পারে। তারা যেন একে অন্যের গায়ে লেগে না যায়। এতে তাদের আলাদা আলাদা কোরের রেজিস্টেন্স অনেক কম থাকে বিধায় ভোল্টেজ ড্রপ কম হয়।
যদি কোন ইনসুলেশন ব্যবহার না করা হত তাহলে সবগুলো কোর মিলে একটি বড় সাইজের কোরে পরিণত হতো এবং এর আয়তন বেড়ে যেত। ফলে এর রেজিস্টেন্স ও অনেক বেশি হয়ে যেত। ফলে অনেক ভোল্টেজ ও ড্রপ হত। তাই এই লস ঠেকাতেই ট্রান্সফরমারে ইনসুলেশন ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ এডি কারেন্ট লস কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আয়রন লস টা নির্ভর করে ম্যাক্সিমাম ফ্লাক্স ঘনত্ব আর সাপ্লাই ফ্রিকোয়েন্সি এর উপর। যেহেতু ট্রান্সফরমার সব সময় নির্দিষ্ট অর্থাৎ ফিক্সড ফ্রিকোয়েন্সি আর সাপ্লাই ও ফিক্সড তাহলে এখানে কোর ও আয়রন লস প্র্যাক্টিক্যাল যেকোন লোডের জন্যই সমান হয়। অর্থাৎ এখানে আয়রন/কোর লস কন্সট্যান্ট বা অপরিবর্তিত লস হিসেবে গণ্য হয়। আর এটিই মুলত এডি কারেন্ট লস নামে পরিচিত।
প্রশ্নঃ এডি কারেন্ট লস কিভাবে কমানো যায়?
উত্তরঃ এডি কারেন্ট লস কমাতে চাইলে অবশ্যই কোরের লেমিনেশন গুলো কে যথা সম্ভব পাতলা/চিকন করতে হবে। এবং লেমিনেশন গুলোকে ভালভাবে লেমিনেটিং বা ইনসুলেটিং করা যায় তাহলে এডি কারেন্ট লস অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
প্রশ্নঃ হিসটেরেসিস লস কিঃ
আমরা জানি ট্রান্সফরমার তৈরি হচ্ছে তড়িৎ চৌম্বকীয় বস্তু যেমন লোহা, ফেরাইট কোর প্রভৃতি দ্বারা। এখন এই ট্রান্সফরমার যখন কোন অল্টারনেটিং কারেন্টের দ্বারা বারবার ম্যাগনেটাইজ ও ডি–ম্যাগনেটাইজ করা হয় তখন এর অভ্যন্তরে থাকা অণু বা কোর ম্যাটেরিয়াল গুলো বারংবার দিক পরিবর্তন করতে থাকে। এই দিক পরিবর্তনের ফলে কিছু শক্তি তাপ হিসাবে নির্গত হয় যা কোন কাজে লাগে না। একেই হিসটেরেসিস লস বলে।
এখানে উল্লেখ্য যে এই হিসটেরেসিস লস শুধু যে ট্রান্সফরমারেই হয় তা কিন্তু নয়। মোটর, জেনারেটর, ফ্যান থেকে শুরু করে যেখানেই কোন কয়েল কে চৌম্বকীয় বস্তুর উপর প্যাঁচানো হয় সেখানেই হিস্টেরেসিস লস দেখা যায়। তবে জেনারেটর আর ট্রান্সফরমার এ এই হিস্টেরেসিস লস টি বেশি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।
প্রশ্নঃ কোন ট্রান্সফরমার এর এফিসিয়েন্সি কখন ম্যাক্সিমাম হয়?
উত্তরঃ যখন আয়রণ লস ও কপার লস প্রায় সমান হয় তখনই ওই ট্রান্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি ম্যাক্সিমাম হতে পারবে।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার ঠান্ডা রাখার সবচেয়ে জনপ্রিয় বা ব্যবহৃত উপায় কি?
উত্তরঃ অয়েল কুলিং বা তেল দিয়ে করা হয়। এ ছাড়াও হাল আমলে এয়ার কুলিং, নাইট্রোজেন কুলিং, ওয়াটার কুলিং প্রভৃতিও ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ লিকেজ ফ্লাক্স কি?
উত্তরঃ আমরা জানি ট্রান্সফরমার মিউচুয়াল বা কমন ইন্ডাকটেন্স এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে। এখন, লিকেজ ফ্লাক্স বলতে বুঝায় প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী কয়েলের যে ফ্লাক্স উৎপন্ন হয়। আর আরেকটি কথা হল যদি সেকেন্ডারি কয়েলের ফ্লাক্সের পরিমাণ প্রাইমারী এর চেয়ে বেশি হয় তাহলে আউটপুটেও স্বাভাবিকের চেয়ে কম ভোল্টেজ উতপন্ন হবে।
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কোর কি দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তরঃ আসলে ট্রান্সফরমারের কোর গুলো নরমাল স্টেনলনেস স্টিল দিয়ে হয় না। এটার জন্য # সিলিকন
#স্টিল নামক একধরনের স্টিল এর পাত ব্যহার করা হয় যা বাজারে পাওয়া যায়। তবে আসল নকল এর ও একটা বিষয় কিন্তু সব জায়গাতেই আছে।
বিভিন্ন রকম ও আকৃতির ল্যামিনেশন কোর
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমারের কোরের লেমিনেশন/
ইনসুলেশন কতটুকু পুরু হয়ে থাকে?
উত্তরঃ আসলে এই লেমিনেশন স্বাভাবিক ভাবে ০.৪মিমি থেকে ০.৫ মিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাওয়ার লাইনে ব্যবহৃত অনেক ট্রান্সফরমারের লেমিনেশনের পুরুত্ব অনেক কম হয় (০.২ মিমি)।
প্রশ্নঃ একটি ট্রান্সফরমার কয়েল এর তার গুলো কি মানের হতে হবে?
উত্তরঃ একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী এমং সেকেন্ডারী কয়েল অনেক ভাল মানের অরিজিনাল কপার তার দিতে তৈরি করতে হবে।তাছাড়া এটার মধ্যে দিয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়,ফলে ভোল্টেজ ড্রপ বেশি হয়,লসের পরিমাণ বেড়ে যায়।
প্রশ্নঃ অন লোড আর নো লোড কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আউটপুটে যখন কোন লোড লাগানো থাকে না তখন তাকে বলে “নো লোড কন্ডিশন”। আর যদি আউটপুটে লোড বিদ্যমান থাকে তাহলে তাকে বলা হয় “লোডেড কন্ডিশন”।
প্রশ্নঃ টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার কি?
উত্তরঃ এখন আমরা আলোচনা করবো নতুন দের বিশেস সেনসেশন টরোয়েড ট্রান্সফরমার নিয়ে। এই টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার (Toroid transformer) মূলত একই নীতিতে কাজ করে থাকে। এর প্রকৃত নাম টরোয়ডাল বা টরওয়ডাল ট্রান্সফরমার। এর গোল বা রিং আকৃতির জন্য এই নাম দেয়া হয়েছে। ইংরেজি টরাস (Torus) শব্দের অর্থ গোলাকার রিং বিশেষ। আর এই টরাস শব্দটি থকেই টরোয়েড শব্দটি এসেছে।
নিচে আমরা কিছু টরোয়েড পাওয়ার ট্রান্সফরমার দেখতে পাচ্ছি-
বিভিন্ন আকৃতির টরোয়েড পাওয়ার ট্রান্সফরমার
নিচে দেখতে পাচ্ছি টরোয়ডাল/টরোয়েড ট্রান্সফরমার এর ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ-
টরোয়েড/টরোয়ডাল ট্রান্সফরমার এর ভেতরের বিভিন্ন পার্টস
প্রশ্নঃ টরোয়েড ট্রান্সফরমার ব্যবহারের সুবিধা কি কি?
বিশেষ কিছু সুবিধার জন্য টরোয়ডাল ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়, যথাঃ
একই আকৃতির সাধারন ট্রান্সফরমারের তুলনায় টরোয়েড ট্রান্সফরমারঅনেক বেশি আউটপুট পাওয়ার দিতে সক্ষম
উপযুক্ত ভাবে নির্মিত টরোয়েড ট্রান্সফরমার এরএফিশিয়েন্সি বেশি হয়ে থাকে।
টরোয়েড ট্রান্সফরমার এরইন্ডাকটেন্স মান বেশি হয় যা ক্ষেত্র বিশেষে সুবিধা জনক।
টরোয়েড কোর ট্রান্সফরমার এরম্যাগনেটিক ফ্লাক্স লিকেজ নাই বললেই হয়।
অফ লোডলস অনেক কম।
এর দ্বারা উৎপন্ন নয়েজ অনেক কম যা বিশেষ ভাবে সূক্ষ্ণ যন্ত্রপাতির জন্য অতীব জরুরী।
ম্যাকানিক্যাল হাম বা নয়েজ ও অনেক কম। যা সাধারন EI কোর ট্রান্সফরমার এ অনেক বিরক্তির কারণ।
এর গোলাকার আকৃতির জন্য একে সহজে যে কোন কিছুর সাথে সংযুক্ত করা যায়।
একই ক্ষমতার সাধারণ ট্রান্সফরমার এর তুলনায় এর আয়তন প্রায় অর্ধেক হতে পারে।
ট্রান্সফরমার কাকে বলে
আমরা জানি, পাওয়ার ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন করতে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, ট্রান্সফরমার এর ধরন অনুযায়ী প্রাইমারিতে প্রদত্ত এসি কে সেকেন্ডারিতে বাড়ায় অথবা কমায়।
প্রশ্ন:ট্রান্সফরমার কত প্রকার ???
কোর এর আকার, ব্যবহার ও কাজের প্রকারভেদে অনেক ধরণের পাওয়ার ট্রান্সফরমার রয়েছে। যেমন,
ল্যামিনেটেড (E-I) কোর,
টরোয়ডাল কোর,
অটো ট্রান্সফরমার,
ভেরিয়েবল ট্রান্সফরমার।
এছাড়াও রয়েছে উচ্চ ফ্রিকুয়েন্সি ফেরাইট কোর ট্রান্সফরমার।
ফেরাইট কোর সাধারণত SMPS ও ডিসি টু ডিসি কনভার্টারে বহুল ব্যবহৃত হয়।
পাওয়ার টান্সফরমার ছাড়াও আরো অনেক রকম ট্রান্সফরমার রয়েছে। যেমন –
কারেন্ট ট্রান্সফরমার
ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার,
পালস ট্রান্সফরমার,
আরএফ ট্রান্সফরমার,
অডিও ট্রান্সফরমার ইত্যাদি।
নিচের চিত্রে E-I কোর ট্রান্সফরমার, টরোয়ডাল ট্রান্সফরমার, ভেরিয়েবল ট্রান্সফরমার বা VARIAC এর ছবি দখতে পাচ্ছেন-
চিত্রে বাম থেকে E-I কোর ট্রান্সফরমার, টরোয়ডাল ট্রান্সফরমার, ভেরিয়েবল ট্রান্সফরমার বা VARIAC
আমরা লেমিনেটেড E-I কোর ট্রান্সফরমার ডিজাইন, তৈরী কৌশল ও হিসাব নিকাশ নিয়ে আলোচনা করব। ট্রান্সফরমার তৈরী বা ডিজাইন করতে প্রথমে অনেক হিসেব নিকেশ করে নিতে হয়, যা বেশ সময় সাপেক্ষ। এই কাজকে সহজ করতে আপনাদের জন্য একটি স্প্রেডশিট ক্যালকুলেটর দিলাম। এখন মিনিটেই হিসাব করে ফেলতে পারবেন। ক্যালকুলেটর টি লেখার শেষে লিংক আকারে দেয়া আছে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ট্রান্সফরমার তৈরির আগে কিছু বিষয় জানা থাকা দরকার। আমাদের দেশে পাওয়ার লাইনে (বাসা-বাড়ির লাইনে) ২২০ ভোল্ট ৫০ হার্জ থাকে। একটি ট্রান্সফরমার কে ঠিক যে ফ্রিকুয়েন্সির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তার চাইতে কম বা বেশি ফ্রিকুয়েন্সিতে কিছুতেই চালানো উচিত নয়। কারন এতে করে ট্রান্সফরমারটিতে ওভার কিংবা লো ভোল্টেজ এফেক্ট এর মত এফেক্ট পড়বে !
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kamarkhanda
Sirajganj
6730