Students Freelancing Hub BD.
E learning Platform BD Learning & Earning platform
04/09/2022
বিশ্বায়নের যুগে ঘরে বসেই নিজেকে একজন দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন এডু টেক এর মাধ্যমে।পৃথিবীতে অন্যান্য পেশার পাশাপাশি নতুন ভাবে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে কর্মক্ষেত্র। তেমনি কিছু চাহিদা সম্পন্ন কাজ হলো ডিজিটাল স্কিল এর শিক্ষা ব্যবস্থা- নিজের স্কীল না থাকলে কোন জায়গায় আপনি টিকে থাকতে পারবেন না।
তাই নিজেকে এখনি দক্ষ করে গড়ে তুলুন আমাদের ৱেষ্ট মেন্টরদের সাথে বর্তমানের ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অত্যান্ত গুরুত্ত পর্ণ দুটি পার্ট ফেইসবুক মার্কেটিং এবং ইউ টিউব মার্কেটিং।
যে কোন তথ্য জানতে,-
কল করুনঃ 01733-276886
08/07/2022
তুমি কি জানো যে,
গ্লোবাল ডিজিটাল সামগ্রী তৈরির বাজারের আকার 9.1% এর CAGR সহ 2025 সালের মধ্যে $16 বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশিত.
#নিজেকে পারসোনাল ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রথম শর্ত ই হলাে আপনাকে হতে হবে একজন
অন্যদের চেয়ে বেশি অর্জনের মাধ্যমে আপনি তা যখন অন্যদের মাঝে ছড়াতে পারবেন ধীরে ধীরে তৈরি আপনার পারসোনাল ব্র্যান্ড।পারসোনাল ব্র্যান্ড তৈরির সবচেয়ে বড় একটি জায়গা হলাে সোস্যাল মিডিয়া।এই সোস্যাল মিডিয়ায় তৈরির মাধ্যমে ই আপনি হয়ে উঠবেন একজন মার্কেটার কিংবা ডিজিটাল মার্কেটার।একজন প্রকৃত মার্কেটারের কাজই হলাে লংটার্ম কাস্টমারের লাইফে ভ্যালু এড করা।যখনই আপিন লংটার্ম কাস্টমার লাইফে ভ্যালু এড করতে পারবেন তখনই কাস্টমার রিটেনশান হবে এবং সেখানে থেকে মাউথ অব মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার পারসোনাল ব্র্যান্ড-প্রডাক্ট ব্র্যান্ড সাথে তৈরি হবে আপনার সোস্যাল প্রুফ।গতকালকের এই চমৎকার আলােচনা গুলােই ছিলাে আমাদের ইন্টোড্রাকশান পার্ট।
সো বুজতেই পারছেন-পরের পার্ট গুলাে তে কতটা আগুন থাকতে পারবে।
Facebook Marketer..
22/04/2022
Digital Marketing
21/04/2022
Digital Marketing.
Its a important part of our Life.
.
08/04/2022
Social Media Marketing...
2. Partner with agencies who care
The majority of our creative is done by our agency partners. So it’s important that we work with agencies who care deeply about inclusion. We have compiled a roster of agencies who excel in this. We recently reached out to our top 70 agency partners and asked them to share their representation numbers. My team and I are sitting down with their CEOs to talk about their diversity plans and learn from each other.
ফেসবুক মার্কেটিং: প্রচলিত ধারণা বনাম বাস্তবতা
বর্তমানে বিশ্বের বৃহৎ সোশ্যাল নেটওয়ার্ক হিসেবে ফেসবুক দ্বারা এমনসব কাজ করা সম্ভব হচ্ছে যা ১০ বছর আগে কল্পনাও করা যেত না; যেমন- ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও, চ্যাট বটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি, পৃথিবীর যে কোন কোন থেকে লাইভ ভিডিও দেখাবার ব্যবস্থা, ইত্যাদি।
এছাড়া ফেসবুকের মাধ্যমে বিজনেসকে প্রমোশন করার জন্য রয়েছে নানান ধরনের ব্যবস্থা। শুধু অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহার করে যে কোন ইউজার তার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের প্রমোশন যে কোন জায়গায় করতে পারে। এছাড়া নিত্য-নতুন ফেসবুক ব্যবসাকে সহজ করার জন্য নানা ধরনের সেবা সংযোযন করছে।
কিন্তু ফেসবুকের এই সেবা নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে যেগুলো তার মনগড়া বিষয় বা করো কাছ থেকে এগুলো শুনেছে।
ফেসবুক সম্পর্কে কিছু প্রচলিত ধারণার নমুনা হলো –
ক. ১ ডলারের বুস্ট দিলে হাজার হাজার সেলস আসে।
খ. শুধু কোনমতে বুস্ট দিলেই সকল টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে চলে যাবে অ্যাড।
গ. বি-টু-টি মার্কেটিংয়ে ফেসবুক মার্কেটিং কোন কাজের জিনিস নয়।
ঘ. অ্যাড ইমেজে সব সময় স্মাইলিং ফেস ব্যবহার করতে হবে।
ঙ. পেইজে যতো লাইক বেশি হবে ততো সেলস বেশি হবে।
চ. ফেসবুক পেইজের রাইট সাইট অ্যাড তেমন কার্যকরি নয়।
ছ. রিলেভেন্সি স্কোর নিয়ে মাথা ঘামিয়ে কোন লাভ নেই।
জ. ফেসবুক অ্যাড খুবই ব্যায় সাপেক্ষ বিষয়।
এই রকম আরো অনেক ভ্রান্তি প্রচলিত আছে আমাদের সমাজে সেফবুক নিয়ে। এই বইয়ের যতো সামনের দিকে যেতে থাকবো ততোই বর্তমান সময়ে ফেসবুকের অবদান এবং বাস্তব জীবনে এর প্রয়োগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
# এবার আমরা দেখার চেষ্টা করবো ফেসবুক থেকে অসাধারণ রেজাল্ট পেতে হলে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় বা বাস্তবতা কেমন?
পদক্ষেপ # ১: আপনাকে একটি বিশ্বাসযোগ্য বিজনেস পেইজ তৈরি করতে হবে।
বিশ্বাসযোগ্য ফেসবুক বিজনেস পেইজ তৈরি করতে হলে প্রথমে প্রফেশনাল কভার ফটো এবং প্রোফাইল পিকচার আপলোড করতে হবে। নিয়মিত এনগেইজমেন্ট পোস্ট শেয়ার করতে হবে। ম্যাসেজের রিপ্লাই তাৎক্ষনিক দিতে হবে। ফেসবুক সেই সব পেইজকে সার্চ র্যাঙ্কিংয়ে উপরের দিকে নিয়ে আসে যেসব পেইজে ম্যাসেজের উত্তর তাড়াতাড়ি দেওয়া হয়।
ফেসবুক পেইজে ওয়ান টাইম সেটআপ করে কখনো দীর্ঘ মেয়াদি ফলাফল আশা করা ঠিক নয়। এর বিপরীতে আপনি ফেসবুককে কাস্টমার সার্ভিস চ্যানেল হিসেবে বিবেচনা করুন। দ্রুত ম্যাসেজের উত্তর দিন, প্রতিনিয়ত ইনফরমেশন আপডেট করতে থাকুন এবং কমিউনিটি ফ্যান ও ফলোয়ারদের জন্য এনগেইজমেন্ট কনটেন্ট শেয়ার করুন।
পদক্ষেপ # ২: যতো কনটেন্ট শেয়ার করবেন ততো পেইজের এনগেইজমেন্ট বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
ফেসবুক চায় আপনি সব সময় অডিয়েন্সের পাশে থাকুন। এজন্য যে পেইজে যতো বেশি কনটেন্ট শেয়ার করা হয় সেই পেইজের এনগেইজমেন্ট ততো বেশি হয়ে থাকে।
তবে কনটেন্ট পাবলিশ করার ক্ষেত্র্রে আপনাকে বাছবিচার করতে হবে। প্রথমত আপনাকে একটি নিশ সিলেক্ট করে নিতে হবে। এর পর সেই নিশের সাথে সঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট পাবলিশ করতে হবে যা মানুষের সত্যিকারে উপকারে আসে।
পদক্ষেপ # ৩: ফেসবুক পেইজের ভিজিবিলিটি বাড়াবার জন্য এসইও
এসইও বলতে আমাদের সামনে গুগল কিংবা বিং এর নাম সামনে চলে আসে। কিন্তু বর্তমানে ফেসবুক
তার পেইজকে এসইও ফ্রেন্ডলি করে অপটিমাইজ করেছে। ফেসবুকে প্রতিনিয়ত প্রচুর পরিমাণ কনটেন্ট আপলোড হচ্ছে যেগুলো আপনি সঠিক কি ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে পেতে পারেন।
এছাড়া আপনার বিজনেস পেইজের ভিজিবিলিটি বাড়াতে হলে পেইজ তৈরি করার সময যে স্টোরি, অ্যাবাউট, বিজনেস ইনফো ইত্যাদি যে ঘরগুলো আছে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এছাড়া ভ্যানিটি ইউআরএল কাস্টমাইজ করতে হবে।
ফেসবুক বিজনেস পেইজ সঠিকভাবে পূলণ করলে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার পেইজের ভিজিবিলিটি বেড়ে যাবে।
পদক্ষেপ # ৪: ফলোয়াররা মোস্ট এনগেইজিং শেয়ার আগে দেখবে।
আমরা সাধারণ মনে করি সর্বশেষ যে পোষ্টটি শেয়ার করেছি সেটি হয়তো অডিয়েন্স বা ফলোয়াররা তাদের ওয়ালে আগে দেখবে। কিন্তু ফেসবুক অ্যালগরিদম সব সময় এনগেইজিং পোস্টকে অগ্রধিকার দেয়। তাই আপনার যে পোস্টে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার বেশি হয়েছে সেই সব পোস্ট আপনার ফলোয়াররা তাদের ওয়ালে আগে দেখবে। তাই ভ্যালুয়েবল এনগেইজিং কনটেন্ট শেয়ার করুন। তাহলে আপনার পোস্ট সবার নজরে থাকবে।
পদক্ষেপ # ৫: ভিডিও বা ভিজ্যুয়ালকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি করে প্রস্তুত করুন।
২০১৭ সালের এক পরিসংখ্যান মতে ১.২ বিলিয়ন মানুষ ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহার করেন। অর্থাৎ তারা মোবাইলের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহার করেন। তাই আমরা যখন কোন ভিডিও বা ইমেজ পোস্টের জন্য তৈরি করবো তখন মোবাইল ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট তৈরির বিষয়টি মাথায় রাখবো।
কারণ একই রেশিও এর ভিডিও বা ইমেজ মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয়ের জন্য কার্যকরি নয়। তাই আলাদা আলাদাভাবে ইমেজ বা ভিডিও অপটিমাইজ করতে হবে মোবাইল ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট তৈরিতে।
পদক্ষেপ # ৬: আপনার পেইজের এনগেইজমেন্ট বাড়ানোই প্রধান উদ্দেশ্য, লাইক কেনা নয়।
অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্যের কাছে নিজের বড়ত্ব প্রকাশ করার জন্য অর্থ খরচ করে লাইকের সংখ্যা বাড়িয়ে থাকে। কিন্তু লাইকের সংখ্যা আপনার পোস্ট এনগেইজমেন্ট বাড়াতে এখন আর সাহায্য করছে না। ফেসবুকের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি কোন পেইজের পর পর তিনটি পোস্টে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার না করেন তাহলে পরবর্তীতে সেই পেইজের আর কোন পোস্ট তিনি দেখবেন না।
তাই আপনার পেইজে যতোই লাইক থাকুক তারা সবাই যে আপনার পোস্টের সাথে এনগেইজ হচ্ছে তার কোন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। তাই লাইক কেনা এখন আর মূল্য বিষয় নয় বরং পেইজের সাথে এনগেইজমেন্ট তৈরি করাই মূখ্য বিষয়।
পদক্ষেপ # ৭: বি-টু-বি মার্কেটিংয়ের জন্য ফেসবুক হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম।
একসময় মনে করা হতো ফেসবুক শুধু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড এবং ইউজারদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও ফেসবুকের ব্যবহার ব্যাপকভাবে লক্ষ্যনীয়।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্ট প্রমশনে এখন লিঙ্কডিনের পাশাপাশি ফেসবুকের ব্যাপক দাপট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রি লিডাররা এখন ফেসবুক প্লাটফর্মের মাধ্যমে নেটওয়ার্কিংয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়িক কাজগুলো সেরে নিচ্ছে। তাই উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে ফেসবুক।
পদক্ষেপ # ৮: হ্যাশ ট্যাগের ব্যবহার ট্রেন্ডি হয়ে উঠেছে ফেসবুকে।
হ্যাশট্রাগ ব্যবহার করে কোন শব্দ লিখলে সেটি একটি কিওয়ার্ডের মতো কাজ করে। কোন মানুষ যখন সেই কিওয়ার্ড দিয়ে কিছু সার্চ করে বা দেখতে চায় তখন আপনার কনটেন্টটি তাদের সামনে চলে আসবে।
এছাড়া আপনার কোন হ্যাশট্রাগ যখন ট্রেন্ডি হয়ে যাবে তখন সেটি অর্গানিকভাবে অনেক লাইক ও শেয়ার পাবে। তাই নিজের পোস্টের ইম্প্রেশন ও রিচ বাড়াতে হ্যাশ ট্যাগ হতে পারে কার্যকরী একটি টুলস।
পদক্ষেপ # ৯: ফেসবুক সকল বয়সের মানুষের জন্য শক্তিশালী একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক।
আগে মনে করা হতো ফেসবুক শুধু টিনেজাররা বা তরুণ-তরুণীরা ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে সব বয়সের মানুষ এখন ফেসবুক প্লাটফর্মে সক্রিয় থাকছে। তাই যে কোন ধরণের পণ্যের প্রচার প্রসারে ফেসবুক হয়ে উঠেছে অব্যর্থ অস্ত্র।
পদক্ষেপ # ১০: ফেসবুক অ্যাড সেলস ফানেলের সব স্তরেই কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
প্রচলিত মার্কেটিং ব্যবস্থায় সেলস ফানেলের সর্বশেষ স্তরে (কাস্টমার ডিলাইট) অ্যাড কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু ফেসবুক অ্যাডে সেলস ফানেরের সব ধাপেই এটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। অর্থাৎ অ্যাট্রাক্ট, কনভার্ট, ক্লোজ এবং ডিলাইট প্রতিটি পর্যায়ে ফেসবুক অ্যাড খুবই কার্যকরী।
তাই ফেসবুকের মাধ্যমে সেলসের চাকা সচল রাখতে সেলস ফানেলের প্রতিটি ধাপে বিভিন্ন ধরনের অ্যাড বিবেচনায় আনুন।
পদক্ষেপ # ১১: কোন ধরনের অ্যাড মানুষের বেশি পছন্দ।
ফেসবুক অ্যাড নিয়ে মিথ আছে যে, অ্যাওয়ানেস অ্যাড এবং রিচ অ্যাড মানুষ বেশি পছন্দ করে থাকে। কিন্তু বাস্তবতা হলো সেলস বাড়াতে মানুষ কনর্ভাসন অ্যাডকে বেশি পছন্দ করে।
কিন্তু মার্কেটিংয়ের দৃষ্টিতে পরিপূর্ণ সেলস ফানেল তৈরি করতে হলে আগে বিজনেস স্ট্রাটেজি সুন্দরভাবে প্রস্তুত করা দরকার। এরপর এই স্ট্রাটেজির উপর ভিত্তি করে অ্যাড রানের পরকল্পনা প্রণয়ন করতে হয়। তাই কোন অ্যাড কোন সময় আপনার ব্যবসায়ের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে সেটি আপনার অ্যাড স্ট্রাটেজির উপর নির্ভর করে।
পদক্ষেপ # ১২: ফেসবুক অ্যাডের সিপিসি অনেকে বেশি এটা সত্য নয়।
অনেকে এই ধারণা আছে যে, ফেসবুক অ্যাডের কস্ট পার ক্লিক (সিপিসি) অনেক বেশি। কিন্তু অ্যাপ ইন্সটল বাদে অন্য সব অ্যাডের সিপিসি প্রায় সমান। তাই আপনার যদি অ্যাড বাবদ কম বাজেট থাকে তাহলে ফেসবুক অ্যাডকে বিবেচনায় রাখতে পারেন।
আর সিপিসি এর কস্ট কমাতে অ্যাড অপটিমাইজও হতে পারে একটি ভাল সমাধান।
পদক্ষেপ # ১৩: অ্যাডে ক্লিক রেট বাড়াবার পাশাপাশি টার্গেটেড অডিয়েন্সের সামনে থাকা আপনার অন্যতম লক্ষ্য।
যতো মানুষ আপনা অ্যাডে ক্লিক করবে ততো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেলসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু যারা অ্যাডে ক্লিক করবে তাদের সবাই যে আপনার পণ্য ক্রয় করবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই টার্গেটেড অডিয়েন্সের সামনে অ্যাডটি সব সময় রাখতে পারলে পণ্য বিক্রয় সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। সেজন্য মার্কেটার হিসেবে সঠিকভাবে টার্গেটেড অডিয়েন্স সেট করা বিক্রয়ের পূর্বশর্ত।
পদক্ষেপ # ১৪: লিড জেনারেশন অ্যাড থাকার ফলে কনর্ভাসন অ্যাডের কোন দরকার নেই, এটি ঠিক নয়।
অনেকে মনে করতে পারে লিড জেনারেশন অ্যাড চালিয়ে প্রচুর পরিমাণে লিডের ডাটা সংগ্রহেনর মাধ্যমে সেলস নিশ্চিতকরণের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া যায়। কিন্তু অনেক ভোক্তা আছে যারা আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে আগে থেকে জানে এবং পণ্যটি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাদ্বন্ধে ভুগছে। এই ধরনের ভোক্তার ক্ষেত্রে যদি কোন অফার সংযোযন করে কনর্ভাসন অ্যাড দেওয়া যায় তাহলে সেলসের সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।
পদক্ষেপ # ১৫: ভিডিও অ্যাডের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি কিন্তু অ্যাডের সব বরাদ্দ ভিডিও অ্যাডে সীমিত রাখবেন না।
ভিডিও অ্যাডের জনপ্রিয়তা সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেড়েছে। মানুষ টেক্সট পড়ার চেয়ে ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করে থাকে। কিন্তু জনপ্রিয়তা বেশি বলেই অ্যাড বাজেটের সমস্ত অর্থ একটি খাতে বরাদ্দ করা উচিৎ নয়।
যেমন – আপনি ভিডিও দেখিয়ে মানুষের মধ্যে অ্যাওয়ারনেস তৈরি করলেন কিন্তু পরবর্তী ধাপ কি? সেলস! হ্যাঁ, এজন্য আপনাকে ভিডিও অ্যাডের পাশাপাশি অন্য অ্যাডও রান করাতে হবে সেলস বের করে আনার জন্য।
কিভাবে সেলসের জন্য অ্যাড প্লানিং করবেন সেটি সম্পূর্ণ আপনার স্ট্রাটেজির উপর নির্ভর করবে।
পদক্ষেপ # ১৬: ফেসবুকে ইউটিউবের লিঙ্ক শেয়ার করলে সেটি দ্রুত এনগে্ইজমেন্ট পায় এটি ঠিক নয়।
ফেসবুক এবং ইউটিউব দুটি আলাদা আলাদা প্লাটফর্ম। এক সময় মনে করা হতো ইউটিউবের ভিডিও লিঙ্ক ফেসবুকে আপলোড করে দিলে অনেক লাইক ও শেয়ার পাওয়া যাবে। কিন্তু ফেসবুকে এই ধরনের লিঙ্ক শেয়ারের এনগেইজমেন্টের হার অনেক কম।
তাই ভিডিও শেয়ারের এনগেইজমেন্ট বাড়াতে হলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে সরাসরি আপলোড করতে হবে।
পদক্ষেপ # ১৭: লম্বা ভিডিও বেশি অডিয়েন্সকে আকৃষ্ট করে এই ধারণা থেকে সরে আসতে হবে।
ভিডিও কনটেন্ট অবশ্যই মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে কিন্তু এটি যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য হয় তাহলে মানুষ এটি দেখতে আগ্রবোধ করবে না। তাই ফেসবুকে যে ভিডিও আপলোড করতে হবে সেগুলো হতে হবে মজাদার, আবেদনময়ী, এবং সংক্ষিপ্ত। খেয়াল রাখতে হবে ভিডিও যেন কোন অবস্থাতে এক মিনিটের বেশি লম্বা না হয়। অ্যাডের জন্য বেশি লম্বা ভিডিও মানুষের মনোযোগ ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। সবচেয়ে ভাল হয় ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ভিডিও শেষ করতে পারলে।
পদক্ষেপ # ১৮: বর্তমান সময়ে প্রোডাক্ট প্রমোশনে ফেসবুক লাইভ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
SholiBazar, Salanga, Ullapara, Sirajganj
Sirajganj
6721