সম্মানিত অভিভাবক,
আসসালামু আলাইকুম...
আল মামুন স্যারের #বাংলা_শিখন প্রাইভেট প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই অনিঃশেষ শুভেচ্ছা।
👉এখানে ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত #বাংলা, #বিজ্ঞান, #সমাজ, #ধর্ম ও বিষয়ে পাঠ দানের করা হয়।
👉বিশেষভাবে #সৃজনশীল_প্রশ্ন_পদ্ধতির উত্তরের বিভিন্ন কৌশল শেখানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলা হয়।
👉এছাড়া ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে #বাংলা_ব্যাকরণ ও #সাধারণ_জ্ঞান বিষয়গুলো ভালোভাবে পড়ানো হয়।
👉 #সাপ্তাহিক_ও_মাসিক_পরীক্ষা নেওয়া হয় ও #কৃতি_শিক্ষার্থীদের মাঝে #পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
#ক্লাস_শুরু_০১জানুয়ারি_২০২৬_থেকে_ইনশাআল্লাহ
বাংলা শিখন
এস.এস. রোড,(বড়পুলের পাশে),
(ইরা কম্পিউটারের নিচতলা)
সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ।
📞01719-867699
পরিচালক ও শিক্ষক :
Al Mamun Abdulla
বি.এ.(সম্মান),এম.এ.(বাংলা)
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
সহকারি শিক্ষক (বাংলা)
হিলফুল ফুযুল মডার্ন উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ।
#বাংলা_ব্যাকরণ #বাংলা #ক্যাডেট
আল মামুন স্যার,বাংলা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আল মামুন স্যার,বাংলা, Educational consultant, এস. এস. রোড, সিরাজগঞ্জ, Sirajganj.
সহকারী শিক্ষক (বাংলা),NTRCA-14
হিলফুল ফুযুল মডার্ন উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ।
🎓বি.এ.(সম্মান),এম.এ.(বাংলা)
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
লিখিত পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান।
লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি (১০ম -২০তম গ্রেড)
১. পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ( RDA) অবস্থিত → বগুড়া
২. গোবি মরুভূমি অবস্থিত → এশিয়া
৩. প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ এর বর্তমান নাম → বরিশাল
৪. তিতাস উপজেলা অবস্থিত → কুমিল্লা
৫. ADB এর সদর দপ্তর → ম্যানিলায়
৬. নেদারল্যান্ডের মুদ্রার নাম → গিল্ডার / ইউরো
৭. মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম → রিংগিট
৮. মায়ানমারের মুদ্রার নাম → কিয়াট
৯. OIC এর বর্তমান নাম → Organization of Islamic Cooperation (প্রতিষ্ঠিত : ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে)
১০. ঢাকা বাংলার রাজধানী হয় → ১৬১০
১১. কোন দেশের সংবিধান অলিখিত → ব্রিটেন
১২. সিডর শব্দের অর্থ → চোখ
১৩. UNESCO সদর দপ্তর → প্যারিসে
১৪. বাংলাদেশের ' কৃষি দিবস ' → পহেলা অগ্রহায়ণ
১৫. বিশ্ব শিক্ষক দিবস → ৫ অক্টোবর
১৬. জাতীয় স্মৃতি সৌধের স্থাপতি → সৈয়দ মঈনুল হোসেন
১৭. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি → হামিদুর রহমান
১৮. মুক্তিযুদ্ধে সাবসেক্টর ছিল → ৬৪টি
১৯. ঢাকা সেক্টর ছিল → ২
২০. মেহেরপুর / মুজিবনগর সেক্টর → ৮
২১. অভ্যন্তরীন নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় সেক্টর → ১০
২২. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক → CPU
২৩. বাংলাদেশ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ → ১৯৭৪ সালে
২৪. বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ → ভোলা
২৫. বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস → প্রাকৃতিক গ্যাস
২৬. বিখ্যাত ট্রয় নগরী অবস্থিত → তুরস্ক
২৭. টোপর হলো → দেশী শব্দ
২৮. দেশি শব্দ → টোপর, কুলা, ঢেঁকি, কুঁড়ি, ডাব, পেট
২৯. পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে → সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
৩০. পকেট মার → বহুব্রীহি সমাস
৩১. কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনিদিষ্ট → সাধু ভাষা
৩২. সারাংশের মূল উদ্দেশ্য → অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা
৩৩. মহাকীর্তি = মহতী যে কীর্তি
৩৪. হৃদয়াবেগ প্রকাশ করতে হয় → বিস্ময় চিহ্ন দিয়ে
৩৫. বাক্যে সেমিকোলন ( থাকলে থামতে হয় → ১ বলার দ্বিগুণ সময়
৩৬. ব্যাসবাক্যের অপর নাম → বিগ্রহ বাক্য
৩৭. সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন → চর্যাপদ
৩৮. বানান → ক্ষুৎপীড়িত
৩৯. পত্র শব্দের ব্যবহারিক / অাভিধানিক অর্থ → চিহ্ন বা স্বারক
৪০. অাঞ্চলিক ভাষার অপর নাম → উপভাষা
৪১. এই ঘরটি ভাড়া দেয় হবে → This house is to let
৪২. ডাক্তার রোগীর নাড়ী দেখলেন → The doctor felt the pulse of the patient
৪৩. এক টাকার ভাংতি দাও → Give me a taka change
৪৪. দৃশ্যটি অতি মনোরম → The scenery is very charming
৪৫. The baby is always full of smiling → শিশুটির মুখে হাসি লেগেই অাছে।
৪৬. He asked me to do it → তিনি অামাকে এটা করতে বলছিলেন।
৪৭. patience is bitter but its fruit sweet→ সবুরে মেওয়া ফলে
৪৮. The noun form ' beautiful ' → beauty
৪৯. The verb form ' ability ' → enable
৫০. বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে চিহ্ন বসে → কমা
৫১.' ইঁদুর কপালে ' বিপরীত বাগধারা → একাদশে বৃহস্পতি
৫২. বানান → শুশ্রূষা
৫৩. বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক → প্রমথ চৌধরী
৫৪. সারাংশ বা সারমর্ম কয়টি অনুচ্ছেদ লিখতে হয় → একটি
৫৫. দেশী ও তৎসম শব্দের মিশ্রণকে বলে → গুরুচণ্ডালী দোষ
৫৬.'সারাংশ লিখন ' শিক্ষার উদ্দেশ্য → বক্তব্য সংক্ষেপণ
৫৭. ভাষার কোন রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার উপযোগী → চলিত রীতি
৫৮. বানান → দরিদ্রতা
৫৯. অাপাদমস্তক → অব্যয়ীভাব সমাস
৬০.ব্যাসবাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেকটি পদকে বলে → সমস্যমান পদ
৬১. ভাব- সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষ → একই কথার পুনরাবৃত্তি
৬২. কুল কাঠের অাগুন → তীব্র জ্বালা
৬৩. বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি → সেমিকোলন
৬৪. সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বপদে বসে যে সমাস হয় → দ্বিগুসমাস
৬৫. The man is in great trouble → লোকটা খুবই অসহায়
৬৬. The rains have set in → বর্ষাকাল শুরু হয়েছে
৬৭. Suddenly he began to weeping → হঠাৎ সে কাঁদতে শুরু করল
৬৮. were the birds chirping? → পাখিরা কি কিচিরমিচির করছিল?
৬৯. এটা কি ধরনের ফুল ? → what kind of flower is it ?
৭০. বাংলাদেশ দিনে দিনে উন্নতি করুক → May Bangladesh prosper day by day
৭১. চরিত্র জীবনের মুকুট → Character is the crown of life
৭২. দয়া একটি মহৎ গুন → Kindness is a great virtue
৭৩. বিপদ কখনো একা অাসেনা → Misfortune never comes alone
৭৪. বাংলা সনের প্রবর্তক → সম্রাট অাকবর
৭৫. গ্রিনহাউজ প্রভাব সৃষ্টির জন্য দায়ী → সি. এফ. সি গ্যাস
৭৬. হিমছড়ি অবস্থিত → কক্সবাজার
৭৭. মোরাসমাস রোগের ফলে → পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়।
৭৮. বাংলাদেশ OIC এর সদস্যপদ লাভ করে → ১৯৭৪ সালে
৭৯. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে স্থান → বাংলাবান্ধা
৮০. কোন দেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত হয় না → সৌদি অারব
৮১. কোন দেশের পার্লামেন্টের নাম কংগ্রেস → USA
৮২. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ → একই হয়
৮৩. কম্পিউটারের কাজের গতি প্রকাশ হয় → ন্যানো সেকেন্ডে
৮৪. চীনের দুঃখ নামে পরিচিত → হোয়াংহো নদী
৮৫. স্মরণশক্তি হ্রাস পায় কোন খনিজের অভাবে → অায়রন, জিংক
৮৬. উদ্ভিদের পাতা হলদে হয় → নাইট্রোজেনের অভাবে
৮৭. হেপাটাটিস ' বি' ভাইরাস অাক্রমণ করে → যকৃতে
৮৮. কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বাধিক → ৪ ডিগ্রি
৮৯. পেনিসিলিয়াম অাবিষ্কার করেন → অালেকজান্ডার ফ্লেমিং
৯০. মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে অাগত রশ্মির কণাকে বলে → কসমিক রশ্মি
৯১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিশনের নাম → নাথান কমিশন (১৯১২ সালে) সদস্য ছিল : ১৩ টি
৯২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় → ১৯২১ সালে
৯৩. বাংলাদেশে মোট রাষ্ট্রীয় খেতাব → ৬৭৬ জন
৯৪. বীরশ্রেষ্ঠ হলো → ৭ জন
৯৫. বীর উত্তম → ৬৮ জন
৯৬. বীর বিক্রম → ১৭৫ জন
৯৭. বীর প্রতীক → ৪২৬ জন
৯৮. পানিতে দ্রবীভূত হয় না → ক্যালসিয়াম কার্বনেট
৯৯. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান
একুশে পদক পান → ১৯৮০ সালে
১০০. C.N.G ( সি.এন.জি) হলো → রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস
১০১. C.N.G ( সি.এন.জি)→ Compressed Natural Gas
১০২. কোন হরমোনের অভাবে শিশু বামন হয় → থাইরক্সিন
১০৩. অ্যানথ্রাক্স রোগের টিকা অাবিষ্কার করেন → লুইপাস্তুর, ১৮৮১
১০৪. ভবদহ বিল অবস্থিত → যশোরে
১০৫.' লেডি উইথ দি ল্যাম্প ' কার উপাধি → ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
১০৬. পঞ্চইন্দ্রিয় তৈলচিত্রের চিত্রশিল্পী → মকবুল ফিদা হোসেন
১০৭. ফেয়ার ফ্যাক্স → মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
১০৮. অান্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস → ১০ ডিসেম্বর
১০৯. ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে মানবাধিকার চুক্তি গৃহীত হয়।
১১০. বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের নাম → BTCL
১১১. শান্ত সাগর অবস্থিত → চাঁদে
১১২.রাতকানা রোগ হয় → ভিটামিন - এ অভাবে
১১৩. কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম → বঙ্গকামরূপী3১১৪. ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল → চলতি রীতি
১১৫. বাংলা ভাষার লেখ্য রূপ → দুটি( সাধু এবং চলতি)
১১৬. সমুদ্র শব্দের সমার্থক → নদীকান্ত , পয়োধি , সাগর , রত্নাকর , জলধি , সিন্ধু , বরিধি , জলধর , পাথরে , জলনিধি।
১১৭. দুটি পদের সংযোগস্থলে বসে → হাইফেন
১১৮. অম্বু শব্দের অর্থে → জল , সলিল , বারি , অপ , উদক , তোয় , পানি , নীর
১১৯. লেখার সময় বিশ্রামের জন্য অামরা যে চিহ্ন ব্যবহার করি → বিরাম চিহ্ন। কমা(,) ,দাঁড়ি(।) ,কোলন ( ,ড্যাস ( -)
১২০. মনমাঝি → মন রূপ মাঝি ( রূপক কর্মধারয়)
১২১. বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয় → বাক্যের অর্থ স্পষ্টীকরনের জন্য
১২২. ব্যাখার মাধ্যমে ভাবকে সহজ করে তোলার নামই → ভাবসম্প্রসারণ
১২৩. কোন বাগধারাটির অর্থ "চির শান্তি" → রাবনের চিতা
১২৪. ফপর দালালি বাগধারাটি → গায়ে পড়ে মাতব্বরী
১২৫. বানান : দীনতা
১২৬. সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে অাগত → সংস্কৃত
১২৭. পর্বত শব্দের সমার্থক → গিরি , শৈল , পাহাড় , অদ্রি , ভূধর , নগ , গিরিবাজ , সমীধর , একাধর, ক্ষিত্রিধর।
[বিসিএস এর জন্য পাঠ্যবই থেকে বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্ব গুলো শীঘ্রই আপলোড করা হবে। প্রথম ১০ পর্বে থাকবে নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা বই থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর। যারা ৪১তম বিসিএস দিবেন তারা সংগ্রহ করতে পারেন।]
১২৮. বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে " উক্তিটি → জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
১২৯. ইঁদুর কপালে বাগধারাটি → মন্দ ভাগ্য
১৩০. বাংলা ভাষায় মাত্রাহীন বর্ণ → ১০টি
১৩১. বাংলা ভাষায় মাত্রাযুক্ত বর্ণ→ ৩২টি
১৩২. বাংলা ভাষায় অর্ধমাত্রা বর্ণ→ ৮টি
১৩৩. গায়ে হলুদ → বহুব্রীহি সমাস
১৩৪. সূর্য শব্দের সমার্থক → রবি , তপন , অাদিত্য , সভাকর , দিবাকর , দিনেশ , দিনমনি , দিনপতি , ভানু , মার্তন্ড , দিকবায়ু , দিত্রভানু
১৩৫. গায়ে মানে না অাপনি মোড়ল → He is a self - styled leader
১৩৬. Call a spade a spade → স্পষ্টাস্পষ্টি কথা বলা
১৩৭. The elephant is the largest Quadruped animal in the world → হাতি পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ চতুষ্পদ প্রানী
১৩৮. বর্ষা শুরু হয়েছে → The rains have set in
১৩৯. অামি এটা না করে পারলাম না → I could not help doing it
১৪০. Look before you leap → ভাবিয়া করিও কাজ
১৪১. It is raning cat and dogs → মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
১৪২. He has killed himself → সে অাত্নহত্যা করেছে
১৪৩. Diamond cuts diamond → মানিকে মানিক চেনে
১৪৪. I am badly hard up → অামার টাকার খুব অনটন হয়েছে
১৪৫. জাতীয় সংসদের অধিবেশন অাহ্বান করেন → রাষ্ট্রপতি
১৪৬. ঢাকায় রাজধানী স্থাপনের সময় মুঘল সুবেদার → ইসলাম খান
১৪৭. ইউরোপীয় বনিকদের মধ্যে সর্বপ্রথম বাংলায় এসেছিল → পতুর্গীজরা
১৪৮. মানুষের গড় অায়ু সবচেয়ে বেশী → জাপান
১৪৯. জাপানের পার্লামেন্টের নাম → ডায়েট
১৫০. নিউজিল্যান্ডের অধিবাসীদের বলা হয় → মাউরি
১৫১. দুধে থাকে → ল্যাকটিক এসিড
১৫২. ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট
১৫৩. '' কবর '' নাটকটির রচয়িতা → মুনীর চৌধুরী
১৫৪. এপিকালচার → মৌমাছি চাষ
১৫৫. অন্ধদের জন্য লিখনরীতি উদ্ভাবন করেন → ব্রেইল
১৫৬. বিশ্বে কার্বন ডাই অক্সাইড নি:সরনে শীর্ষ দেশ → চীন
১৫৭. ২০১০ বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় → স্পেন
১৫৮. ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় → জার্মানি
১৫৯. ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় → ফ্রান্স (২য় শিরোপা)
১৬০. বাংলাদেশের সাথে বন্দী বিনিময় চুক্তি অাছে → ভারতের
১৬১. কোন দেশের মুদ্রায় বৃটেনের রানীর ছবি অাছে → কানাডা
১৬২. গিন্নী → অর্ধতৎসম শব্দ
১৬৩. বাড়ি বা রাস্তার নামের পরে যতি চিহ্ন বসে → কমা
১৬৪. যার কোন মূল্য নেই '' এর সমার্থক → ঢাকের বায়া
১৬৫. সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য নিখোঁজ সংবাদ কোন ধরনের পত্র → বিজ্ঞপ্তি
১৬৬. শুকনো → চলতি রীতির শব্দ
১৬৭. বিষ নেই তার কুলোপনা চক্কর বাগধারাটি → অক্ষম ব্যাক্তির বৃথা অাস্ফালন
১৬৮. কোনটির অভাবে চিঠি লেখার উদ্দেশ্য ব্যর্থ → প্রাপকের ঠিকানা
১৬৯. সাক্ষী গোপাল বাগধারাটি → নিষ্ক্রিয় দর্শক
১৭০. পাউরুটি → পর্তুগিজ শব্দ
১৭১. গরমিল → মিলের অভাব
১৭২. সম্বোধন পদে কোন যতিচিহ্ন বসে → কমা
১৭৩. বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদচিহ্ন → ১২টি
১৭৪. বানান → মধুসূদন দও
১৭৫. সাতসমুদ্র → দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদ
১৭৬. যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটি পদকে বলে → সমস্যমান পদ
১৭৭. শিরোনামের প্রধান অংশ → প্রাপকের ঠিকানা
১৭৮."ইঁদুর কপালের" এর বিপরীত বাগধারা → একাদশে বৃহস্পতি
১৭৯. পর্তুগীজ শব্দ → অানারস , অালমারি , গুদাম
১৮০. তেপান্তর → দ্বিগু সমাস
১৮১. উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে → উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে
১৮২. হাতি " শব্দের সমার্থক নয় → উরগ
১৮৩. হাতি শব্দের সমার্থক → করী , দ্বীপ , মাতঙ্গ , গজ, নাগ , কুঞ্জন, দন্তী , দ্বীরদ, হস্তী , বারণ
১৮৪.'' কোরক '' শব্দের সমার্থক → কুঁড়ি , মুকুল , কলি , কলিকা , বউল
১৮৫. গৌরচন্দ্রিকা '' বাগধারাটি → ভূমিকা
১৮৬. মেঘ শব্দের সমার্থক → ঘন , বারিদ , জলধর , অম্বুদ , পয়োধর , নীরদ , জলদ , বলাহক।
১৮৭. সোম শব্দের অর্থ → বিধু
১৮৮. কাঁচামিঠা → যা কাঁচা তাই মিঠা
১৮৯. সমাস নিষ্পন্ন পদকে বলে → সমস্ত পদ
১৯০. একটি পত্রের প্রধান অংশ → দুইটি
১৯১. বাংলা ভাষা কোন মূল ভাষার অন্তর্গত → ইন্দো- ইউরোপীয়
১৯২. বানান → অাকাঙ্ক্ষা , গ্রামীণ , দারিদ্র্য , দুরন্ত
১৯৩. ''বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্টতর'' এর শুদ্ধ → বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
১৯৪. "স্বেচ্ছাচারী ব্যাক্তি " বাগধারাটি → ধর্মের ষাঁড়
১৯৫. জোসনা → সাধুরীতি শব্দ
১৯৬. একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে বসে → সেমিকোলন
১৯৭. দ্বিগু সমাসে কোন পদ প্রধান → পরপদ
১৯৮. নবপৃথিবী → নব যে পৃথিবী
১৯৯. বানান → সাত্ত্বনা
২০০. সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয় → অব্যয়
২০১. বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনকারী দেশ → চীন
২০২. কঙ্গোর রাজধানী → ব্রাজাভিল
২০৩. ইন্টারনেটের জনক → Vinton Gray Cerf
২০৪. বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় → ৮ সেপ্টেম্বর
২০৫. নোবেল বিজয়ী প্রথম মুসলমান নারী → শিরিন এবাদি
২০৬. নোবেল বিজয়ী সর্বশেষ মুসলিম নারী → মালালা ইউসুফ জাই ২০১৪ সালে
২০৭. দুই মহাদেশে অবস্থিত নগরী → ইস্তাম্বুল যা ট্রয়নগরী নামে পরিচিত
২০৮. সুনামীর কারন → সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
২০৯. রঙিন টেলিভিশন থেকে যে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়→ রঞ্জনরশ্মি।
২১০. তথ্য প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে প্রথম হাইটেক পার্ক → গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর
২১১. ম্যালেরিয়ার ঔষধ 'কুইনিন 'পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে → সিনকোনো
২১২. বাংলাদেশের দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী → মোহাম্মদ অাবদুল মোহিত
২১৩. NASA (নাসা) → মহাকাশ গবেষনা কেন্দ্র
২১৪. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা '' স্থপতি → শামীম সিকদার
২১৫. সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড় " রচয়িতা → এলেন গিন্সবার্গ
২১৬. বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে → বুড়িগঙ্গা
২১৭. বাংলা বর্ণমালা কোন লিপি থেকে এসেছে → ব্রাক্ষী লিপি
২১৮. I hardly go out after dusk → অামি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই
২১৯. বাংলা ভাষার মূল উৎস → প্রাকৃত ভাষা
২২০. রেস্তোরা → ফরাসি শব্দ
২২১. বুনো → চলতি ভাষা
২২২. বাংলাভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন → ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
২২৩. পত্রের দুটি অংশ থাকে → শিরোনাম ও পত্রগর্ভ
২২৪. বক ধার্মিক বাগধারাটি → ভন্ড
২২৫. বিড়াল তপস্বী বাগধারাটি → কপট সাধু ধার্মিক
২২৬. ব্যাঙের অাধুলি বাগধারাটি → অহংকারী ব্যক্তি
২২৭. ব্যাঙে সর্দি বাগধারাটি → মিথ্যা ভয়
২২৮. অন্ধের ষষ্ঠি বাগধারাটি → একমাত্র অবলম্বন
২২৯. অাশীবিষ → অাশীতে বিষ যার ( বহুব্রীহিসমাস).
২৩০. ব্যাকরণ কোন ভাষার শব্দ → সংস্কৃতি
২৩১. হিন্দি শব্দ → চানাচুর , গাং , টুপি , পানি , কুফা , জুতা
২৩২. উদ্ধৃতি চিহ্ন কত প্রকার → ২ প্রকার
২৩৩." ফাঁকা অাওয়াজে কাজ অাদায় " সমার্থক বাগধারা → কথায় চিড়া ভাজা
২৩৪. হরতাল → গুজরাটি শব্দ
২৩৫. সারাংশ কোন পুরুষে লিখতে হয় → প্রথম পুরুষ
২৩৬. ইলেক বা লোপ চিহ্ন দিতে হয় → বিলুপ্ত বর্ণের জন্য
২৩৭. পরীক্ষা → পরি + ঈক্ষা
২৩৮. ভাবের সুসংগত প্রসারণের নাম → ভাব - সম্প্রসারণ
২৩৯. সারাংশে প্রয়োজন → সরলতা, সংক্ষেপন , প্রাঞ্জলতা
২৪০. অামি তাকে দু'বছর যাবৎ চিনি → I know her for two years
২৪১. সূর্য উঠেছে → The sun is up
২৪২. It is really a vexed qusestion → এটি প্রকৃতপক্ষে একটি বিরক্তিকর প্রশ্ন
২৪৩. The clouds rolled away → মেঘ কেটে গেল
২৪৪. A little learning is a dangerous thing → অল্পবিদ্যা ভয়ংকর
২৪৫. Sathi is known to me → সাথী অামার পরিচিত
২৪৬. Time and tide wait for none → সময় ও জলস্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না।
২৪৭. Don't cry down your enemy → শত্রুকে খাটো করে দেখো না
২৪৮. সে গতকাল বাড়ি এসেছে → He came home yesterday
২৪৯. The noun form know → knowledge
২৫০. The road runs ---- hill and plain. Ans : across
বাংলা শিখন বাংলা শিখন(আল মামুন স্যার)
06/05/2025
২০২৬ সালে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক পরামর্শ ও সিলেবাস
আল মামুন স্যার,বাংলা
#ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার আগে যা জানা জরুরী:
✔️একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন কেমন হবে তা মুলত কিশোর বয়সে ঠিক হয়ে যায়। তাই সকল অভিভাবক এই সময়টা নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় থাকেন।বর্তমা শিক্ষাঙ্গনের যে পরিবেশ তা নিয়ে সবসময় অভিভাবকরা চিন্তার থাকেন। তাই তো অভিভাবকদের চাওয়া ক্যাডেট কলেজ। কিন্তু সারা বাংলাদেশে মোট আসন মাত্র ৬০০। তবুও অভিভাবকদের লক্ষ্য থাকে ক্যাডেট কলেজ। উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ করার আগ পর্যন্ত মোটামুটি নিশ্চিন্ত ক্যাডেট কলেজ জীবন। শিক্ষায় ক্যাডেট কলেজ বেশ এগিয়ে।তাছাড়া স্কুলে নিয়ে যাওয়া, নিয়ে আসার ঝামেলা নেই; কারণ ক্যাডেট কলেজের শিক্ষা আবাসিক। নিরাপত্তার বিষয়টিও খুব ভালো। এসব কারণে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হতে হয় তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। বলতে গেলে ১ টি আসনের জন্য লড়াই করে প্রায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী।
✔️ক্যাডেট কলেজগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেলের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লেখাপড়ার পাশাপাশি সমান গুরুত্বের সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে ক্যাডেটদের সুনাগরিক ও চৌকস ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলে। সামরিক অফিসারের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ এবং নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ক্যাডেটদের এমনভাবে গড়ে তোলা হয়, যাতে ভবিষ্যতে তারা সশস্ত্র বাহিনীসহ সমাজের সব ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদান করতে পারে।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সপ্তম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করা এখনো শুরু হয়নি।কিন্তু প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও নভেম্বরে ফরম পুরন শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
✔️ভর্তি পরীক্ষা মোট ৩৫০ নম্বরের। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষা ৩০০ ও মৌখিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরের (অনিদিষ্ট) । ষষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬সালে বাংলাদেশের নাগরিক, যার বয়স সর্বোচ্চ ১৩ বছর ছয় মাস এবং বালক ও বালিকা উভয়ের ক্ষেত্রে উচ্চতা ন্যূনতম চার ফুট আট ইঞ্চি তারা আবেদনের যোগ্য। পূর্বে অবতীর্ণ ও অনুত্তীর্ণরা আবেদনের অযোগ্য। এছাড়াও জটিল রোগ, অতিরিক্ত ওজনও অযোগ্য। বলতে গেলে সুস্থ স্বাভাবিকরাই যোগ্য। বাংলা বা ইংরেজি যেকোনো মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরে, মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান ক্যাডেট কলেজের ওয়েবসাইটে এবং ক্যাডেট কলেজগুলো যথাসময়ে প্রকাশ করে।
✔️আমাদের দেশে শিক্ষার যে মান এবং স্কুল ও কলেজের যে পরিবেশ, তাতে খুব কম অভিভাবকই সন্তানকে স্কুল কিংবা কলেজে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।
✔️ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়গুলো বড় বড় শহরে সীমাবদ্ধ আর এসব প্রতিষ্ঠানে যারা ভর্তি হয়, তারা সাধারণত অবস্থাপন্ন পরিবারের ছেলে-মেয়ে। ইংরেজি মাধ্যমের খরচ বহন করা অনেক অভিভাবকের পক্ষেই সম্ভব হয় না, কারণ প্রতিটি বিষয়ই প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে পড়তে হয়। বাংলা মাধ্যমে নামিদামি কয়েকটি স্কুল ও কলেজ দেশে গড়ে উঠেছে, সেগুলো সবই প্রাইভেট সেক্টরে। এসব স্কুল ও কলেজে ভর্তি হতে হয় বিশাল এক যুদ্ধের মাধ্যমে। তারপর ডোনেশন তো আছেই। ভর্তির পর শুরু হয় প্রাইভেট বাণিজ্য। তা ছাড়া এসব স্কুল-কলেজে কোচিং সেন্টারের মতো শুধু বিষয় নিয়েই আলোচনা ও পড়াশোনা হয়। সহপাঠক্রমিক কোনো বিষয় তেমন একটা গুরুত্ব পায় না।
✔️এই দিক দিয়ে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষা মোটামুটি আদর্শ শিক্ষা। তাই শিক্ষিত, চাকরিজীবী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেক অভিভাবকই চান ছেলে ও মেয়েকে কোনো ক্যাডেট কলেজে ভর্তি করাতে।
✔️প্রতিযোগিতায় টিকতে নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাছি কিছু কৌশল ও বাড়তি পড়াশোনার প্রয়োজন হয়। যার জন্য সর্বোচ্চ গাইড লাইন মানতে হয়। এই গাইড লাইন শুধু ক্যডেট টিচার বা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি কোচিং এর সাথে৫- ১০ বছর ধরে সম্পৃক্ত ব্যাক্তি ছাড়া কখনো পাওয়া সম্ভব নয়। মনে রাখতে হবে প্রতিপক্ষের তিন গুণ সৈন্য বেশি নিয়েও যুদ্ধে জয়লাভ করা যায় না, যদি নির্দেশনা সঠিক না হয়।আবার প্রতিপক্ষের চেয়ে কম সৈন্য নিয়েও যুদ্ধে জয়লাভ করা যায়, যদি নির্দেশনা সঠিক হয়।সুতরাং ক্যাডেট কলেজে ভর্তি যুদ্ধে জয়লাভ করতে চাই সঠিক গাইডলাইন ও কঠোর পরিশ্রম।
✔️কলেজগুলোতে শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি, তবে প্রার্থী ইচ্ছা করলে ভর্তি পরীক্ষা বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে দিতে পারবে। প্রার্থী তার আবেদনপত্রে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যম উল্লেখ করবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে ক্যাডেট কলেজের চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও সনদপত্র সরবরাহ করতে হয়, অন্যথায় প্রার্থীর নির্বাচন বাতিল বলে গণ্য হয়। আগের ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে একজন প্রার্থী একটিমাত্র কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য পছন্দ দিতে পারত, কোনো পছন্দক্রম ছিল না। ফলে দেখা যেত, একজন প্রার্থী ঢাকার কাছাকাছি কলেজ—যেমন মির্জাপুর কিংবা কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য ফরম পূরণ করেছে এবং ৮৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছে অথচ চান্স পায়নি। কারণ এ দুই কলেজের প্রতিটিতে ঢাকার প্রার্থীরা বেশি ভিড় করে এবং তাদের মধ্য তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। আর ঢাকার প্রার্থী বলে তাদের পরীক্ষাও ভালো হয়। আবার রংপুর কিংবা রাজশাহীতে দেখা যায়, একজন প্রার্থী ৭৯ শতাংশ নম্বর পেয়েও সহজেই ভর্তি হতে পারত। একই প্রশ্নপত্রে পুরো দেশে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান নিয়মানুযায়ী একজন প্রার্থী পছন্দক্রম দিতে পারে। এটি একটি চমৎকার পদ্ধতি। কারণ একজন প্রার্থী তার পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে না পারলে ক্যাডেট কলেজে পড়ার স্বপ্ন ভেঙে যেত, এখন তা থেকে অনেকটাই আশার পথ দেখতে পাবে।
✔️তার আগে এবার দেখে নেওয়া যাক বিগত কয়েক বছরের ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাসের কিছু কমন বিষয় দেখে নেওয়া যাক।
👉ইংরেজি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। বোর্ড বই Grammar-
1. Sentence 2. Parts of Speech, 3. Gender 4. Number 5. Punctuation and use of capital letters 6. Tense 7. Subject and predicate 8. Agreement of subject and verb 9. Transformation of sentences 10. Correct form of verbs 10. Contractions 11. Re-arrange jumbled words to make sentences 12. Spelling 13. Phrases & idioms
Open-ended:- i. Paragrpah writing ii. Storing writing from given outline iii. Comprehension iv. Argumentative essay. ২০২২ সালে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ক্যাডেট কলেজ হতে প্রকাশি সিলেবাসে কিছু বিষয় পরিবর্তন হলেও হতে পারে।
👉গণিত (১০০ নম্বর) : বোর্ড বই
১। স্বাভাবিক সংখ্যা ও ভগ্নাংশ ২। অনুপাত ও শতকরা ৩। পূর্ণ সংখ্যা ৪। বীজগণিতীয় রাশি ৫। সরল সমীকরণ ৬। জ্যামিতির মৌলিক ধারণা ৭। ব্যাবহারিক জ্যামিতি ৮। তথ্য ও উপাত্ত ৯। বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক অঙ্ক এছাড়াও ১৯৮৬ ও ২০১৪ সালের বোর্ড বইয়ের সাহায্য নেওয়া যায়
২০২২ সালে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ক্যাডেট কলেজ হতে প্রকাশি সিলেবাসে কিছু বিষয় পরিবর্তন হলেও হতে পারে।
👉বাংলা (৬০ নম্বর) : বোর্ড বই
ব্যাকরণ—
১। ভাষা ও বাংলা ভাষ্য, ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, বাগধারা; ২। শব্দ ও পদ পরিচয় : শব্দ, পদ, পদের শ্রেণিবিভাগ, পদ পরিবর্তন, বিপরীত শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ ও সংখ্যাবাচক শব্দ; ৩। লিঙ্গ; ৪। বচন; ৫। ক্রিয়ার কাল : শ্রেণিবিভাগ ও প্রয়োগ; ৬। কারক; ৭। বাগধারা; ৮। এককথায় প্রকাশ; ৯। বিরাম চিহ্ন। নবম দশম শ্রেণির ব্যাকারণ বই।
নির্মিতি/রচনারীতি : ১। ভাব-সম্প্রসারণ ২। অনুচ্ছেদ লিখন/যুক্তিভিত্তিক অনুচ্ছেদ (১০-১৫ বাক্য) ৩। অনুধাবন ৪। সারাংশ ও সারমর্ম
২০২২ সালে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ক্যাডেট কলেজ হতে প্রকাশি সিলেবাসে কিছু বিষয় পরিবর্তন হলেও হতে পারে।
👉সাধারণ জ্ঞান (৪০নম্বর) : বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বোর্ড বই
১। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস ২। বিশ্ব ও বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিষয় ৩। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ৪। বিশ্ব ও বাংলাদেশের চলতি ঘটনাবলি ৫। বাংলাদেশ ক্যাডেট কলেজসমূহ ৬। বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি ৭। খেলাধুলা ৮। সাধারন বিজ্ঞান ৯। পরিবেশ ও দৈনন্দিন জীবন ১০। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ১১। মানসিক দক্ষতা ।
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কমেন্ট, মেসেজ করতে পারেন।
অথবা যোগাযোগ করুন :
01719-867699
Al Mamun Abdulla স্যার
বাংলা শিখন
ঝর্ণা প্লাজা(ইরা কম্পিউটার), এসএস রোড,
সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ।
📞01719-867699
06/05/2025
আলহামদুলিল্লাহ ❤️
05/05/2025
#মহাদেশ : আসুন জেনে নেই, মহাদেশ কী? মহাদেশ কয়টি ও কী কী? এক নজরে মহাদেশগুলোর পরিচিতি!
✅মহাদেশ কী?
মহাদেশ হলো মূলত এই পৃথিবীর বড় কোনো ভূখণ্ড তথা ভৌগলিক অঞ্চল। পৃথিবীর ভূমিকে বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে বিভিন্ন মডেল অনুসারে। সেগুলোকেই মূলত মহাদেশ বলা হয়। একেকটি মহাদেশে অনেকগুলো দেশ বিদ্যমান।
✅মহাদেশ কয়টি ও কী কী?
পৃথিবীতে মহাদেশ মোট সাতটি। সেগুলো হলো:
১. এশিয়া
২. আফ্রিকা
৩. ইউরোপ
৪. উত্তর আমেরিকা
৫. দক্ষিণ আমেরিকা
৬. ওশেনিয়া
৭. অ্যান্টার্কটিকা
সংক্ষেপে মহাদেশগুলোর পরিচিতি :
🔳 এশিয়া মহাদেশ
এশিয়া মহাদেশ হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনবহুল মহাদেশ। তবে, স্বাধীন দেশের সংখ্যার দিক বিবেচনায় এটি বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম মহাদেশ। এটি পৃথিবীর পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। এশিয়া ও ইউরোপ একই ভূখণ্ডে অবস্থিত। এশিয়া ও ইউরোপের এই ভূখণ্ডকে একত্রে ইউরেশিয়া বলা হয়। তাই এই মহাদেশের বিভাজন মূলত সংস্কৃতির ভিত্তিতে হয়েছিল। এশিয়া মূলত গ্রিক সভ্যতার একটি ধারণা।
এশিয়া মহাদেশ সাংস্কৃতিকভাবে খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ। শুধুমাত্র ভারতেই সাংস্কৃতিক যে পরিমাণ বৈচিত্র্য দেখা যায়, সেটি অনেক ক্ষেত্রে একটি মহাদেশের বৈচিত্র্যতার চেয়েও বেশি! এমনকি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র দেশ হওয়া সত্ত্বেও এখানেও বৈচিত্র্যতার কমতি নেই। এছাড়াও এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ভাষা, ধর্ম, বর্ণের বৈচিত্র্যতা খুবই উচ্চ। যেটি এশিয়া মহাদেশকে পুরো পৃথিবী থেকে আলাদা করে থাকে।
তবে, জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে জীবনমান খুব একটা উন্নত নয়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য বাদে এদিকে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমাণ বেশ কম। ফলে, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশের সংখ্যাও কম এই মহাদেশে। কিন্তু এদিককার জলবায়ুর অবস্থা বেশ সহিষ্ণু হওয়ায়, জীবনধারণ অন্যান্য মহাদেশ থেকে অনেকটাই সহজ।
এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা:
▪️স্বাধীন দেশের সংখ্যা: ৪৪টি
▪️আয়তন: ৪,৪৫,৭৯,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: ৪,৫৬০,৬৬৭,১০৮ জন (২০১৮)
▪️পৃথিবীর ছাদ হিসেবে খ্যাত: পামির মালভূমি
▪️দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসিকিয়াং (চীন)
▪️সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র: পূর্ব তিমুর
▪️উচ্চতম স্থান: মাউন্ট এভারেস্ট (বিশ্বের উচ্চতম পর্বত)
▪️নিম্নতম স্থান: মৃত সাগর
🔳আফ্রিকা মহাদেশ
আফ্রিকা মহাদেশ আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় ক্ষেত্রেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। তবে, দেশের সংখ্যার দিক বিবেচনায় এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ। আফ্রিকা মহাদেশের অনেকটা অংশ জুড়েই মরুভূমি বিদ্যমান। এমনকি পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি সাহারা এই আফ্রিকাতেই অবস্থিত। আফ্রিকার প্রায় মাঝ বরাবর নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে।
আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরে ভূমধ্যসাগর, উত্তর-পূর্বে সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর, এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর। এই মহাদেশ উত্তর-পূর্ব কোনায় আফ্রিকা সিনাই উপদ্বীপের মাধ্যমে এশিয়া মহাদেশের সাথে সংযুক্ত। আফ্রিকা মহাদেশের চারিদিকে চারটি মহাদেশ বিস্তৃত। এর উত্তরে ইউরোপ, পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং পূর্বে এশিয়া।
আফ্রিকা মহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় অঞ্চল বললে ভুল হবে না। কেননা স্বর্ণ, তেল, গ্যাস থেকে শুরু করে নানান প্রাকৃতিক সম্পদের বিপুল পরিমাণ ভান্ডার আফ্রিকাতেই রয়েছে। সে বিবেচনায় আফ্রিকাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মহাদেশ বলা যেতেই পারে।
সাংস্কৃতিক দিক বিবেচনায় আফ্রিকা মহাদেশও খুবই বিচিত্র। শত শত ভাষার ব্যাবহার, অঞ্চলভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির, ধর্ম, বর্ণ এ মহাদেশকে করেছে রঙিন। এমনকি এ অঞ্চলে এশিয়দের মত অনেক অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের আনাগোনাও দেখা যায়। যাদের প্রত্যেকের রয়েছে নানান ভাষা ও সংস্কৃতি। তবে, অনেক অনেক ধন-সম্পদ থাকা সত্ত্বেও এ মহাদেশের মানুষকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এর বড় কারণ হচ্ছে, ভূ-রাজনীতি ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন।
আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা
▪️দেশের সংখ্যা: ৫৪টি
▪️আয়তন: ৩,০২,২১,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: ১,২৭৫,৯২০,৯৭২ জন (২০১১)
▪️আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশ বিভক্ত করে: জিব্রাল্টার প্রণালী
▪️পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি: সাহারা
▪️‘কেপ অব গুড হোপ’ বা ‘উত্তমাশা অন্তরীপ’ অবস্থিত: দক্ষিণ আফ্রিকায়
▪️উচ্চতম স্থান: কিলিমানজারো
▪️নিম্নতম স্থান: আসাল হ্রদ
🔳ইউরোপ মহাদেশ
ইউরোপ হলো পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত একটি মহাদেশ। এটি বৃহত্তর ইউরেশিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাংশ। এই মহাদেশ সরাসরিভাবে এশিয়া মহাদেশের সাথে সংযুক্ত। এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ। জনসংখ্যার দিক দিয়ে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
বিগত হাজার বছরের ইতিহাসে (বিশেষত ১৫ শতকের শুরু থেকে), ইউরোপ মহাদেশের গুরুত্ব অনেক বেশি। কেননা সেই সহস্রাব্দে ইউরোপ তাদের উপনিবেশ তথা সাম্রাজ্যবাদের মাধ্যমে পুরো বিশ্বের অনেকটা অংশ দখল করতে সক্ষম হয়। ফলে, এখনও পুরো পৃথিবীতেই ইউরোপীয়দের বিশেষত ব্রিটিশদের সংস্কৃতির ছাপ পাওয়া যায়।
ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ একত্রে যুক্ত হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করেছে। এর ফলে, সে দেশগুলোর মধ্যে কোন রাষ্ট্রীয় সীমারেখা কেন্দ্রিক বাধা নেই। ইউনিয়নের সকল দেশেই ভিসা ব্যতীত ভ্রমণ করা যায়। পাশাপাশি, ইউনিয়নের সকল দেশ একটি অভিন্ন মুদ্রা ব্যবহার করে যা ইউরো নামে পরিচিত। ফলে, দেশগুলোর মধ্যে খুব সহজেই ভ্রমণ ও বাণিজ্য করা সম্ভব হচ্ছে।
আগে ইউনাইটেড কিংডম তথা যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে থাকলেও, কয়েক বছর আগে তারা বের হয়ে আসে এ ইউনিয়ন থেকে। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে ব্রেক্সিট নামে পরিচিত।
ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা:
▪️দেশের সংখ্যা: ৪৪টি
▪️আয়তন: ৯৯,৩৮,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: ৭৪২,৪৫২,০০০ জন (২০১৩)
▪️বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ: গ্রিনল্যান্ড (মালিকানা ডেনমার্কের; তবে দ্বীপটি ভৌগোলিক দিক থেকে উত্তর আমেরিকার মধ্যে)
▪️দীর্ঘতম নদী: ভলগা
▪️দীর্ঘতম পর্বতমালা: আল্পস পর্বতমালা
▪️সম্মেলনের শহর: জেনেভা
▪️উচ্চতম স্থান: এলব্রুস পর্বত
▪️নিম্নতম স্থান: কাস্পিয়ান সাগর
🔳উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
উত্তর আমেরিকা মহাদেশ হলো আয়তনে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ও চতুর্থ জনবহুল মহাদেশ। তবে, দেশের সংখ্যার দিক বিবেচনায় এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ। এটি পৃথিবীর পশ্চিম ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। অনেক ক্ষেত্রে একে আমেরিকা মহাদেশের একটি উপমহাদেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবীয় সাগর অবস্থিত।
উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ কানাডা। তার পরপরই প্রায় কাছাকাছি আয়তনের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র (যাকে সচরাচর আমেরিকা বলে সম্বোধন করা হয়)। এটি একাধারে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরাশক্তিও। আমেরিকা শব্দটি এসেছে ইতালীয় পরিব্রাজক আমিরিগো ভেসপুচ্চির নামানুসারে। ওনার নামে এই অঞ্চলটির নামকরণ করা হয় দ্য আমেরিকাস। যদিও এ নামকরণ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
উত্তর অঞ্চলে অবস্থানের কারণে এ অংশকে অনেকটা বরফের রাজ্য বললে ভুল হবে না। তবে, সব অঞ্চল এমন তেমনটা নয়। উত্তর আমেরিকায় মরুময় অঞ্চলও কিন্তু আছে! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত নায়াগ্রা জলপ্রপাত, উত্তর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা নামক দেশ দুটিতে যৌথভাবে অবস্থিত।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, সর্বশেষ বরফ যুগের সময় বেরিং ভূসেতু অতিক্রম করে উত্তর আমেরিকাতে প্রথম মানব বসতি শুরু হয়। তবে, বর্তমান অধিবাসিদের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও জাতিগত বিন্যাসে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক, আদিবাসী আমেরিকান, আফ্রিকীয় দাস ও তাদের বংশধরদের প্রভাব বিদ্যমান। কারণ একটা লম্বা সময় ধরে মহাদেশটিতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাবে অধিকাংশ উত্তর আমেরিকার অধিবাসীরা মূলত ইংরেজি, স্পেনীয় ও ফরাসি ভাষায় কথা বলে। পাশাপাশি সেখানকার চলমান সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাগুলি সাধারণত পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে প্রতিফলিত করে। এখানে আমেরিকার আদিম অধিবাসী তথা রেড ইন্ডিয়ানদের পরিমাণ অনেক কম।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা :
▪️দেশের সংখ্যা: ২৩টি
▪️আয়তন: ২,৪২,৫৬,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: ৫৬৫,২৬৫,০০০ জন (২০১৩)
▪️উত্তর আমেরিকা ও এশিয়াকে পৃথক করে: বেরিং প্রণালী
▪️উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা বিচ্ছিন্নকারী প্রণালী: পানামা খাল
▪️পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ: গ্রিনল্যান্ড (তবে দ্বীপটি রাজনৈতিক দিক থেকে ইউরোপের একটি অংশ)
▪️নায়াগ্রা জলপ্ৰপাত অবস্থিত: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায়
▪️বৃহত্তম হ্রদ: সুপিরিয়র হ্রদ
▪️উচ্চতম স্থান: দেনালি
▪️নিম্নতম স্থান: মৃত উপত্যকা
🔳দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ হলো আয়তনে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ও চতুর্থ জনবহুল মহাদেশ। এটি মোট স্থলভাগের ১২% নিয়ে গঠিত। তবে, দেশের সংখ্যার দিক বিবেচনায় এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ। এটি পৃথিবীর পশ্চিম ও দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। দক্ষিণ আমেরিকা মূলত উত্তর আমেরিকার নিচেই অবস্থিত। অনেক ক্ষেত্রেই উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে একত্রে আমেরিকাস ডাকা হয়।
পাশাপাশি হওয়া সত্ত্বেও, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতি, ভাষায় অনেক ভিন্নতা। তবে, আমেরিকার আদিম অধিবাসী তথা রেড ইন্ডিয়ানদের এই অঞ্চলে বেশি পাওয়া যায়। এই অঞ্চল অনেকটা আদিবাসীদের দ্বারাই পরিপূর্ণ। এখানে তারা হাজার বছর ধরে বসবাস করছে। এদের অনেকে উত্তর আমেরিকার দিকেও বসবাস করে। কিন্তু এই মহাদেশেই বেশি।
এ মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ ব্রাজিল। এখানেই রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট অ্যামাজন। অ্যামাজনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়। এটি এতটাই বড় যে, এটি শুধু ব্রাজিল নয় বরং আরও ৭টি দেশে (যেমন: বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, গুয়েনা, সুরিয়ানামে) বিস্তৃত। অ্যামাজনের জীববৈচিত্র্যও অনেক উচ্চ।
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা:
▪️দেশের সংখ্যা: ১২টি
▪️আয়তন: ১,৭৮,১৯,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: ৪২৩,৫৮১,০৭৮ জন
▪️পৃথিবীর সরু রাষ্ট্র: চিলি।
▪️পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা: আন্দিজ
▪️বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ: টিটিকাকা, বলিভিয়া
▪️পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইন ফরেস্ট: অ্যামাজন
▪️চির বসন্তের দেশ: ইকুয়েডর
▪️উচ্চতম স্থান: অ্যাকনকাগুয়া পর্বত
▪️নিম্নতম স্থান: লাগুনা দেন কার্বন
🔳ওশেনিয়া মহাদেশ
ওশেনিয়া মহাদেশ আয়তনের দিক দিয়ে সর্বকনিষ্ঠ ও জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মহাদেশ। তবে, দেশের সংখ্যার দিক বিবেচনায় এটি বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ। অনেক ক্ষেত্রে এই মহাদেশকে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ হিসেবে অভিহিত করে থাকে। কিন্তু বিষয়টি সঠিক হিসেবে বিবেচ্য নয়। অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু অঞ্চল নিয়ে ওশেনিয়া মহাদেশ গঠিত। ওই বাড়তি দ্বীপ অংশেই এ মহাদেশের সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
মূলত সমুদ্র ঘেরা অঞ্চল হওয়ায় এ মহাদেশের এরূপ নামকরন। এর মূল ভূখণ্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে অস্ট্রেলিয়া দেশটি অবস্থিত। অর্থাৎ এ মহাদেশের একটি বড় অংশই হলো অস্ট্রেলিয়া নামক দেশটি। অস্ট্রেলিয়া এখানকার বৃহৎ দেশ হলেও জনসংখ্যা অনেক কম। এমনকি এর বেশিরভাগ অধিবাসী উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস করে। ফলে অস্ট্রেলিয়া দেশটির একটি বড় অংশ ফাঁকাই থাকে।
ওশেনিয়া মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা :
▪️দেশের সংখ্যা: ১৪টি
▪️আয়তন: ৮১,১২,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: ৩৬,৬৫৯,০০০ জন (২০১০)
▪️অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের বলা হয়: অ্যাবরিজিন
▪️গ্রেট বেরিয়ার রীফ অবস্থি; প্রশান্ত মহাসাগরে
▪️দীর্ঘতম নদী: মারে ডার্লিং
▪️উচ্চতম পর্বত: পুনাক জায়া
▪️উচ্চতম স্থান: পুঞ্চাক জায়া
▪️নিম্নতম স্থান: আয়ার হ্রদ
🔳অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ হলো আয়তনে পঞ্চম বৃহত্তম ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ। এটি পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ । অ্যান্টার্কটিক সার্কেল প্রায় সম্পূর্ণ দক্ষিণে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত। অ্যান্টার্কটিকা নামটি প্রকৃতপক্ষে গ্রিক যৌগিক শব্দ আন্তার্কতিকে শব্দের রোমান রূপ। পাশাপাশি, এই মহাদেশে কোন দেশ নেই।
বরফে ঢাকা হওয়ায় এই মহাদেশ অনেকটা জনমানবহীন। বিভিন্ন দেশের ১০০০ – ৫০০০ বিজ্ঞানী অ্যান্টার্কটিকায় বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন। এটি একটি চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে। অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের কোন স্থায়ী অধিবাসী নেই। কারণ এর আবহাওয়া অত্যন্ত প্রতিকূল। ফলে, মানুষের পক্ষে সেখানে টিকে থাকা খুবই কঠিন কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে একদমই অসম্ভব। সেজন্য সেখানে রাষ্ট্র গঠন কিংবা স্থায়ী বসতি স্থাপন করা সম্ভব নয়।
মজার ব্যাপার হলো, ঊনবিংশ শতাব্দীর আগে এ মহাদেশকে দেখেছে এমন মানুষের অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি। অর্থাৎ এখানে প্রাচীন আমলে কোন মানুষের বসবাসের সম্ভাবনা শূন্য বলাই যায়। তবে, এরকম একটি অঞ্চল যে আছে, সেটা নিয়ে প্রাচীন কাল থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। টলেমি মনে করতেন যে, ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকা নিয়ে গঠিত তৎকালীন যুগে পরিচিত পৃথিবীর ভূমিসমষ্টির সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য এ মহাদেশ দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। এবং এ ধারনাই সঠিক হয়েছে।
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বিভিন্ন তথ্যকনিকা :
▪️দেশের সংখ্যা: ০টি
▪️আয়তন: ১,৩২,০৯,০০০ বর্গ কিমি
▪️জনসংখ্যা: প্রায় ৫০০০ জন
▪️বিশেষত্ব: বরফাবৃত মহাদেশ
▪️সক্রিয় আগ্নেয়গিরি: মাউন্ট ইরেবাস
▪️উচ্চতম পর্বত: ভিনসন ম্যাসিফ
▪️উচ্চতম স্থান: পুঞ্চাক জায়া
▪️নিম্নতম স্থান: আয়ার হ্রদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
এস. এস. রোড, সিরাজগঞ্জ
Sirajganj
6700