28/03/2025
আল ক্যাডেট এন্ড একাডেমিক স্কয়ার
আল ক্যাডেট এন্ড একাডেমিক স্কয়ার।
(৫ম শ্রেণির প্রি-ক্যাডেট ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ক্যাডেট কোচিং প্রোগ্রাম)
28/03/2025
18/03/2025
#সাধারণ_জ্ঞান:
বাংলা শিখন
(বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য শিক্ষার নান্দনিক প্রতিষ্ঠান)
ঝর্ণাপ্লাজা, এস.এস. রোড,(বড় পুলের কাছে)
সিরাজগঞ্জ।
📞01719-867699
আল ক্যাডেট এন্ড একাডেমিক স্কয়ার
আল ক্যাডেট এন্ড একাডেমিক স্কয়ার।
(৫ম শ্রেণির প্রি-ক্যাডেট ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ক্যাডেট কোচিং প্রোগ্রাম)
06/11/2024
ভর্তি চলছে...
HSC ও SSC প্রস্তুতিমূলক প্রাইভেট ব্যাচে ভর্তি চলছে।
SSC-2025 ব্যাচের জন্য :
👉বাংলা ১ম ও ২য় পত্র
👉বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
👉ধর্ম
👉ডিজিটাল প্রযুক্তি( ICT)
HSC- 2025 ব্যাচের জন্য:
👉বাংলা ১ম ও ২য় পত্র
👉ডিজিটাল প্রযুক্তি (ICT)
➡️ক্লাশ শুরু ০১ ডিসেম্বর, ২০২৪ থেকে।
বাংলা শিখন
ঝর্ণাপ্লাজা,(বড় পুলের পাশে)
এসএস রোড,সিরাজগঞ্জ।
📞01719-867699
05/11/2024
❝জেন-জি বা জুমারসের বাস্তবতা ও সম্ভাবনা❞
মানুষের জীবনের সবচেয়ে রহস্যময় বয়স বলা যায় কিশোর আর তরুণ বয়সকে। এ বয়সীদের নিজেদের মনের ভাব, চাওয়া, পাওয়া, মনের ভাষা, কর্মইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা অন্যকে বুঝিয়ে বলতে বেশ জটিলতায় পড়তে হয়। আবার অন্যরাও এ বয়সীদের মুখ ও মনের ভাষা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না। সদ্য কিশোর বয়স পার করা তরুণরা জীবন সংগ্রামের এ অধ্যায়ে এসে খেই হারিয়ে ফেলেন কী করবে, কী করবে এই ভেবে।
বর্তমান পৃথিবীতে এ বয়সী যারা আছেন তাদের বলা হচ্ছে ‘প্রজন্ম জেড বা জুমারস বা জেন-জি’। এদের জন্ম ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে। এর আগের প্রজন্মগুলো হলো ‘বুমার্স’; যাদের জন্ম ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪-এর মধ্যে। এরপর রয়েছে ‘জেনারেশন এক্স’; যারা ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালে জন্ম নিয়েছে এবং তাদের পরে ‘জেনারেশন ওয়াই’ বা ‘মিলেনিয়ালস’; যারা ১৯৮০-এর পর ১৯৯০-এর মধ্যভাগ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে জন্ম নিয়েছে। আর সবার শেষ যে প্রজন্মটি পাইপ্লাইনে আছে তারা এখনও শিশু। তাদের বলা হচ্ছে ‘জেনারেশন আলফা’।
এ প্রজন্ম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের যুগ থেকে ফেসবুক ও ইউটিউবের যুগের রূপান্তরটা দেখেছে। ১৯৯৭ সালে চালু হয় প্রথম সোশ্যাল মিডিয়়া সাইট সিক্সটি ডিগ্রি যেটাই আজকের এক্স বা টুইটার এবং ইনস্টাগ্রাম। যেখানে সাইট সিক্সে ব্যক্তিগত প্রোফাইল তৈরিসহ ছবি আপলোড, শেয়়ার এবং বন্ধুত্ব করা যেত। এরই ধারাবাহিকতায় এরা গ্রহণ করেছে কাগুজে পত্রিকার বদলে অনলাইন পত্রিকা বা পত্রিকার ইউটিউব ভার্সন, বাসায় বসে টিভি দেখার বদলে মোবাইলে ইউটিউবে টিভি চ্যানেল দেখা। ফেসবুক রিল, ইউটিউব শর্টস, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম এবং স্ন্যাপ চ্যাট-এর প্ল্যাটফর্মগুলোর মতো চটকদার, আকর্ষণীয় এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ কন্টেন্ট স্বাদ দিচ্ছে তাৎক্ষণিক ইচ্ছে পূরণের এবং সেটা অন্যকে জানানোর। এর ফলে তাদের মনোযোগের দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। আজ এটা ভালো লাগছে তো কাল ওটা।
এতে করে দ্রুতগতির জীবনধারায় পাল্টে যাচ্ছে বিনোদন, সামাজিক সমীকরণ এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা প্রথাগত ব্যবসা। বাজারে বা দোকানে যাওয়ার থেকে অনলাইন ই-কমার্সের মাধ্যমে পায়ের জুতা থেকে মাথার ফিতা, কাচা তরকারি থেকে রান্না করা খাবার সব কেনাকাটাই সারতে চায় পছন্দ অনুযায়ী। নেটফ্লিক্স থেকে প্রাইমভিডিও, এমাজান থেকে আলিবাবা সবত্রই খুঁজে ফেরে বিনোদিত হওয়ার মতো কিছু। টেক্সট চ্যাটের বদলে ভয়েজ চ্যাট পছন্দ করে সময় ও শ্রম বাঁচানোর জন্য, সঙ্গে বেটার ও রিয়েলিস্টিক ফিল পাওয়ার জন্য।
জেন-জি সামাজিক মাধ্যমগুলোয় তাদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল সবাই দেখাতে পছন্দ করে। প্রত্যেকে নিজের স্বতন্ত্রতা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ভার্চুয়াল জগতে তাদের জীবনধারাকে শেয়ার করে। অথচ আগের প্রজন্মের কিশোর-তরুণরা ব্যক্তিগত ডায়েরি ব্যবহার নিজের একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ এবং গোপনীয়তার জন্য। সেই ডায়েরি পড়ার কারও অধিকার ছিল না। সেটা ছিল একান্তই তার নিজের জগৎ, যেখানে কারও প্রবেশ অধিকার ছিল না। জেন-জিরা ঠিক উলটো এ ক্ষেত্রে।
সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ সারা বিশ্বব্যাপী একটা সার্ভে রিপোর্টে দেখা যায়, জুমারসদের মধ্যে ৯৬ শতাংশ ইউটিউব, ৭২ শতাংশ টিকটক, ৬৯ শতাংশ ইনস্টাগ্রাম, ৫৬ শতাংশ স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে, ৪৪ শতাংশ ফেসবুক, টুইটার ৪৫ শতাংশ, পিন্টারেস্ট ৩৫ শতাংশ ও লিংকডিন ২১ শতাংশ ব্যবহার করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক জরিপে দেখা যায়, জুমারসদের ৯৮% সোশ্যাল মিডিয়়া ব্যবহার করে, ৮১ শতাংশ সোশ্যাল মিডিয়়ার মাধ্যমে নতুন পণ্য এবং সার্ভিস আবিষ্কার করে, ৪০ শতাংশ সময় ভিডিও স্ট্রিমিংয়ে ব্যয় করে, ৪৫ শতাংশ সোশ্যাল মিডিয়়ায় নিজেকে নিখুঁত প্রমাণের চেষ্টা করে।
এরা কোনো বিষয় নিয়ে শুধু আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। জেন-জি সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেয়ায় অভ্যস্ত। এর ধারাবাহিকতায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং কেন্দ্র, পারসোনাল কাউন্সেলিং কেন্দ্র, অভিজ্ঞ পরামর্শকেন্দ্র এবং মানসিক স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন দিবস উদযাপন তারই দৃষ্টান্ত।
ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিংয়ের উত্থানটা হয়েছে মূলত এদের সময়টাতে। এদের সাইড হাসেল জেনারেশনও বলা হয়ে থাকে উদ্যোক্তা মনোভাব এবং আয়ের ছোট ছোট মাধ্যমের প্রতি আগ্রহী হওয়ার কারণে। ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে আপওয়ার্ক, ফিভার, ইটসি, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে আয়ের প্রতি এদের আগ্রহ স্কুলজীবন থেকেই। অনেক তরুণ শুধু অতিরিক্ত আয়ের জন্য নয় বরং ফুল-টাইম চাকরি হিসেবে এ কাজগুলোয় নিয়োজিত থাকে। এসব প্রোজেক্টভিত্তিক কাজের সময়সীমাতে স্বাধীনতা থাকায় পড়়াশোনার পাশাপাশি এ ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রতি তাদের দারুণ আগ্রহ কাজ করে। এসব প্রোজেক্টগুলোয় থাকে যথেষ্ট বৈচিত্র্য। পাশাপাশি সুযোগ থাকে নিজের পারদর্শিতাকে নিলামে তোলার মাধ্যমে নিজের কাজের মূল্য বৃদ্ধির। যেমন ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, রিসার্চ পেপার ডেভেলপমেন্ট, ব্যাকঅফিস সাপোর্টের মতো কাজগুলো ঘরে বসেই দেশ-বিদেশের নানা ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে কাজ নেয়া এবং করে দেয়া বা জমা দেয়া যায়। আবার এর বিনিময়ে প্রাপ্ত মজুরিও ঘরে বসেই পাওয়া যায়।
‘বুমার্স’ জেনারেশন বেড়ে উঠেছিল টেলিভিশনের সঙ্গে, আরও ছিল রেডিও এবং প্রিন্টিং ও ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম। এরপর জেনারেশন এক্স বড় হয় কম্পিউটার বিপ্লবের হাত ধরে। আর ‘জুমারস’ জেনারেশনের আমলে হয় ইন্টারনেট বিস্ফোরণ। এরা বেড়ে উঠেছে মাল্টিডাইমেশনাল ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে, যেটাকে ফিজিটাল পৃথিবীও বলা যেতে পারে। এরা সুপারফাস্ট টাইমলাইনের সুইপারফাস্ট জেনারেশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। এরা রীতিমতো মোবাইল বা ল্যাপটপের ওপর চড়ে বসে থাকে প্লেনে চড়ার মতো করে। এরা কথা বলাতেও ভাষার সংক্ষিপ্ত ফর্ম ব্যবহার করে।
এ প্রজন্ম সাধারণত ফার্স্টফুড, কন্টিনেন্টাল ফুড, স্ট্রিটফুড এবং রেস্টুরেন্টে খেতে বা বাইরের খাবার পছন্দ করে। নতুন খাবারের স্বাদ গ্রহণ বা সময় কাটাতে রেস্টুরেন্ট তাদের একটা প্রিয় স্থান।
জেন-জির এই নতুন তরুণ প্রজন্মকে অগ্রগতিশীল, চিন্তাশীল, সহানুভূতিশীল ও পরিশ্রমী বলে আখ্যায়িত করছেন গবেষকরা। বাংলাদেশে এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে নতুন করে দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ। নতুন সূচনা হচ্ছে একের পর এক, সাজানো হচ্ছে এই দেশ। যার নেতৃত্ব দিচ্ছে তরুণ সমাজ তথা জেন-জি। জেনারেশন মিলেনিয়াম এর প্রযুক্তির প্রারম্ভিক পথের রেশ ধরে এরা তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে নতুন এক বাস্তবতায়। এই জেনারেশনের চিন্তাধারা ও কর্মপদ্ধতি আগের জেনারেশন থেকে অনেকটাই আলাদা। কারণ তারা ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট হাত ধরে বড় হয়েছে, হাতের ওপরে গোটা বিশ্বকে দেখে বড় হয়েছে। যাদের মনজগৎ জুড়ে রয়েছে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন। এরা গ্লোবাল নাগরিক হতে চায়। নিজেদের সীমানা নির্ধারণ করাতে এদের যথেষ্ট অনিহা। এরা নিজেদের অসীম সীমানা ও সম্ভাবনা দেখতেই বরং বেশি ভালোবাসে।
তবে জেন-জেড প্রজন্ম খুব আত্মবিশ্বাসী। এই প্রজন্ম মনে করে, তারা যা করে সেটাই সঠিক। তাই অন্যদের পরামর্শকে খুব কম পাত্তা দেয়। এরা কখনও ইন্টারনেট ছাড়া একটি বিশ্ব কল্পনা করতে পারে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে অনেকের দুশ্চিন্তা থাকলেও এ প্রজন্ম এআই নিয়ে আশাবাদী। তাদের ধারণা, এআই ও ইন্টারনেট দিয়ে বিশ্বকে বদলে দেয়া সম্ভব। এ প্রজন্মের ৫৯ শতাংশ এআই দিয়ে বানানো তথ্যকে অনেক বা সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করে। জেন-জেডরা অর্থ সাশ্রয় করতে, ভ্রমণ করতে ভালোবাসে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে আগ্রহী, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের তুলে ধরতে পছন্দ করে। তাদের হাতে বেশ টাকাও আছে। তাদের আয়ের বড় উৎস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েশন। এরা ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা করছে, ইনফ্লুয়েন্সার হচ্ছে, ভিডিও কনটেন্ট বানিয়ে রোজগার করছে।
চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে এরা সিনিয়র বা জুনিয়র ভেদাভেদ কম করে কাজের ক্ষেত্রে। বসের বা অভিভাবকের কাছে নিজের মতামত মুখোমুখি ও সরাসরি দিতেই পছন্দ করে। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা নিজেরাও বলে না, শুনতেও পছন্দ করে না। এরা ফলাফলকেন্দ্রিক হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। এদের হাতে একটা লেটেস্ট ইনটেল কোরের ল্যাপটপ তুলে দিয়ে ডেটা সম্পর্কিত কিছু কাজ ধরিয়ে দিন এরা আপনাকে সিম্পলি কাজে জাদু দেখিয়ে ছাড়বে।
এদের একটা দুর্বল দিক হচ্ছে এরা একটু অস্থির প্রকৃতির। এটা আসলে এদের দোষ না। এদের জামানার দুনিয়াটাই অস্থির। তাই এদের অস্থিরতাকে নেতিবাচক চোখে না দেখে যদি একটু স্নেহ, পরামর্শ ও গাইড দিয়ে ওদের ভাষায় বুঝিয়ে দেয়া যায়, এরা প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্পদে পরিণত হতে সময় নেবে না। প্রতিষ্ঠানে এদের দিয়ে একই কাজ একইভাবে অনেকদিন ধরে করালে অর্থাৎ একই পদ, পদ্ধতি বা রোলে দীর্ঘদিন রাখলে এরা কাজে আনন্দ খুঁজে পাই না। তখন নতুন রোলে নতুন চাকরির খোঁজ করতে থাকে। এরা ফাস্ট লার্নার। দ্রুত যে কোনো কাজ শিখে নিতে পাওয়ার এক দারুণ দক্ষতা আছে এদের ভেতর। এরা কাজ শিখে দ্রুত ডেলিভারি দিতে চাই। এরা চাই কোনো কাজে দ্রুত ও স্পষ্ট যোগাযোগ করতে। জেন-জি চাই তাদের কাজকে অন্যরা স্বীকৃতি দিক এবং তা কাজ সম্পাদনের পরেই চাই। এরা নিজের করা কাজের স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা চাই। এরা চাই তাদের আবেগকে প্রতিষ্ঠানে বা সমাজে মূল্যায়ন করা হোক যথাযথভাবে। এরা কর্মক্ষেত্রে বিনোদনমুখর পরিবেশ চাই। এরা চাই বিদ্যালয়, সমাজ, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র সর্বত্রই যেন এরা অবদান রাখতে পারে।
তাই আমাদের উচিত এই প্রজন্মের তরুণদের স্নেহশীলতা দিয়ে, তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের মিশেলে সবুজ বৈষম্যহীন পৃথিবী বিনির্মাণে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের বেড়ে উঠতে এবং এগিয়ে যেতে সাহায্য করা।
#সাধারণ_জ্ঞান #ক্যাডেট_কলেজ
05/11/2024
হাতের লেখা সুন্দর করার ৭ উপায়🟠
বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার এবং ই-মেইল ব্যবহারের কারণে হাতে লেখার চর্চা কমে গেছে। তবুও, শিক্ষাক্ষেত্রে বা পরীক্ষার খাতায় হাতে লেখা গুরুত্ব কোনো অংশে কমেনি। পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর হাতের লেখা শিক্ষক ও পরীক্ষক—উভয়েরই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কিছু সহজ কৌশল অনুশীলনের মাধ্যমে হাতের লেখা সুন্দর করা সম্ভব। এমনই কিছু কৌশল তুলে ধরা হলো:
সঠিক কলমের ব্যবহার
হাতের লেখার ক্ষেত্রে কলমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেখার সময় এমন কলম বেছে নিতে হবে যা হালকা ও ব্যবহার করা সহজ। অনেকেই অতিরিক্ত ভারী বা কম গতিসম্পন্ন কলম ব্যবহার করেন, যার ফলে হাত দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং লেখা সুন্দর হয় না। একটি হালকা ও আরামদায়ক কলম দিয়ে লিখলে হাতের লেখা স্বাভাবিকভাবে সুন্দর হয়। কলমের ধরন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তা হালকাভাবে ধরে লেখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে কলম ধরলে আঙুলে ব্যথা হতে পারে এবং লেখার মান খারাপ হয়ে যায়। তাই কলম হালকাভাবে ধরে, স্বাভাবিক গতিতে লিখতে হবে।
বর্ণমালার সঠিক অনুশীলন
হাতের লেখা সুন্দর করার অন্যতম প্রধান শর্ত প্রতিটি বর্ণ ও অক্ষর সঠিকভাবে লেখা। হাতের লেখার সৌন্দর্য নির্ভর করে প্রতিটি অক্ষরের সঠিক আকার ও বিন্যাসের ওপর। স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ—প্রতিটি অক্ষর আলাদা করে পরিষ্কারভাবে লেখার অভ্যাস করতে হবে। যেমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা একত্রিত হয়ে বিশাল মরুভূমি গঠন করে, তেমনি প্রতিটি অক্ষর সুন্দর হলে পুরো লেখাটাই সুন্দর দেখাবে। শুধু বর্ণমালার আকার নয়, লাইন গ্যাপ ও মাত্রা সঠিক রাখা প্রয়োজন। এ জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় বর্ণমালা অনুশীলনে ব্যয় করলে হাতের লেখার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।
সোজা করে লেখা
লেখার সময় অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের লেখাগুলো বাঁকা হয়ে যায়। বাঁকা লেখার কারণে লেখার সৌন্দর্য নষ্ট হয় এবং তা পড়তে অসুবিধা হয়। সোজা লাইন ধরে লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে প্রথমদিকে পেনসিল দিয়ে সরলরেখা টেনে লেখা যেতে পারে। এ ছাড়া লেখার সময় শরীরের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে বসে লেখার অভ্যাস করতে হবে, কারণ ঝুঁকে বা বাঁকা হয়ে বসলে হাতের লেখা ঠিকঠাক হয় না। লেখার সময় মনোযোগ দিতে হবে যেন প্রতিটি লাইন সোজা থাকে এবং লেখার বিন্যাস সুন্দর হয়।
মাঝারি আকারের অক্ষর ব্যবহার করা
হাতের লেখা সুন্দর করতে অক্ষরের আকারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অক্ষরগুলো খুব ছোট বা খুব বড় হলে তা দেখতেও খারাপ লাগে এবং পড়তে অসুবিধা হয়। তাই অক্ষরের আকার মাঝারি রাখার চেষ্টা করতে হবে। মাঝারি সাইজের অক্ষর দেখতে সুন্দর লাগে এবং পড়ার জন্যও উপযোগী হয়। বড় বা ছোট অক্ষরের পরিবর্তে প্রতিটি অক্ষর যেন পরিমিত আকারে থাকে সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে।
মনোযোগ সহকারে এবং ধীরে লেখা
অনেকেই দ্রুত গতিতে লেখার চেষ্টায় হাতের লেখার সৌন্দর্য নষ্ট করে ফেলে। দ্রুত গতিতে লেখা প্রয়োজনীয় হলেও, হাতের লেখার স্পষ্টতা ও সৌন্দর্য বজায় রাখা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত লিখতে গিয়ে অক্ষরগুলো অস্পষ্ট হয়ে গেলে লেখার মান কমে যায়। তাই দ্রুত লেখার সময়ও পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে ধীরে এবং পরিষ্কারভাবে লেখার অভ্যাস করতে হবে। প্রতিটি অক্ষর ও শব্দের প্রতি মনোযোগ দিলে হাতের লেখার মান উন্নত হবে।
কাটাকাটি থেকে বিরত থাকা
লেখার সময় কাটাকাটি করা বা ওভার রাইটিং করা হাতের লেখার সৌন্দর্য কমিয়ে দেয়। যদি কোনো কিছু কেটে দিতে হয়, তাহলে একবারে সোজা টানে কেটে দেবে। কাটাকাটির ফলে লেখা অপরিষ্কার দেখায় ও পড়তে অসুবিধা হয়। তাই হাতের লেখার মান বজায় রাখতে যতটা সম্ভব কাটাকাটি থেকে বিরত থাকতে হবে।
নিয়মিত অনুশীলন করা
হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত অনুশীলন। প্রতিদিন কিছুটা সময় নির্দিষ্ট করে হাতের লেখার অনুশীলন করলে ধীরে ধীরে লেখার মান উন্নত হয়। অনেকে মনে করেন, বয়স বাড়লে হাতের লেখা আর সুন্দর করা সম্ভব নয়। কিন্তু সত্যি কথা হলো, যেকোনো বয়সে নিয়মিত চর্চা করলে হাতের লেখা সুন্দর করা সম্ভব। প্রতিদিন অনুশীলনের মাধ্যমে হাতের লেখাকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করে তোলা যায়।
লেখা: সাব্বির হোসেন
তথ্যসূত্রঃ আজকের পত্রিকা, ৩০/১০/২৪ খ্রি.
05/11/2024
জোঁক এর শরীরে লবণ দিলে জোঁক মারা যায় কেন?
এই ঘটনা বোঝার আছে একটি বিষয় জানার প্রয়োজন আছে।
অভিস্রবণ :
দুটি ভিন্ন ঘনত্বের মাধ্যম একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক থাকলে, কম ঘনত্বের অনুগুলি অর্ধপর্দার মধ্যে দিয়ে বেশী মাধ্যমে দিক এগিয়ে যায়। এই প্রক্রিয়াটি ততক্ষণ চলতে থাকে যতক্ষণ না দুটির ঘনত্ব সমান হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে অভিস্রবণ বলা হয়।
উদাহরণ : কিছু কিসমিস কে জলের মধ্যে ফেলে দিলে কিছুক্ষণ পরে দেখা যায় যে কিসমিস গুলি জল শুষে নিয়ে কিছুটা ফুলে উঠেছে।
জোঁকের শরীরে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে। তাদের শরীরে একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা ঢাকা থাকে। আমরা যখন তাদের লবন ছড়িয়ে দিই, তাদের মিউকাস (যার সাহায্যে জোঁক চলাচল করে) মধ্যে প্রবেশ করে। শরীরের বাইরের নুনের ঘনত্ব বেশি হওয়ার জন্য, তাদের শরীর থেকে জল বাইরে বেরিয়ে আসে। অতিরিক্ত জল শরীরের বাইরে বেরোনোর জন্য, ডিহাইড্রেশনের ফলে তাদের মৃত্যু হয়।
প্রি-ক্যাডেট ব্যাচ(৪র্থ ও ৫ম শ্রেণি)
চূড়ান্ত মডেল টেস্ট চলছে...
আল ক্যাডেট (বাংলা শিখন)
ঝর্ণা প্লাজা (বড় পুলের পাশে)
এসএস রোড, সিরাজগঞ্জ।
📞01719-867699
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
ঝর্ণা প্লাজা, এসএস রোড (বড় পুলের পাশে) , সিরাজগঞ্জ।
Sirajganj
SIRAJGANJSADAR
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |