31/10/2024
আসসালামু আলাইকুম, লিখেছেন ভাই শিব্বির আহমেদ।
ভারত সেক্যুলার দেশ। কিন্তু সেখানে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় বা হিন্দু কলেজ দিল্লি থাকতে কোন অসুবিধা হয় নাই।
আমেরিকা সেক্যুলার দেশ। সেখানে টেক্সাস ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটি, ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান, এরকম অসংখ্য ইউনিভার্সিটি বা কলেজ থাকতে কোন অসুবিধা হয় নাই।
ইউরোপের দেশগুলোও সেক্যুলার। সেখানেও ইউকে, জার্মানি সহ বিভিন্ন দেশে এধরণের ইউনিভার্সিটি থাকতে কোন সমস্যা হয় নাই।
কিন্তু বাংলাদেশে ৭২ সালের সংবিধানে মুজিব্বাদি দর্শনের অংশ হিসেবে যেই না ধর্মনিরপেক্ষতা যোগ হলো, তাতে করে জাহাংগীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেলো। সেক্যুলার থাকার জন্য মুসলিম বাদ দিতে হলো। কবি নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে ইসলাম কেটে কবি নজরুল কলেজ করতে হলো (এখানে তো ইসলাম কবির নামের-ই অংশ ছিলো, তাও বাদ দিতে হলো)।
এইসব জায়গায় নাম পরিবর্তন হয়ে পূর্বের নামে আসবে কি না সেটা জরুরি আলাপ হয়তো না। জরুরি আলাপ হচ্ছে মুজিব্বাদি এই ধর্মনিরপেক্ষতা যে বাংলাদেশে ইসলামোফোবিয়ার জন্ম দিয়েছে, ইসলামবিদ্বেষী এক ধরণের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সূচনা করেছে সেটা।
গত পনের-ষোল বছরে দেশে যে ইসলামোফোবিয়ার চর্চা হয়েছে তার মূল সোর্সও হচ্ছে এই বাহাত্তরের সংবিধান এবং বাংগালী জাতীয়তাবাদ। এই বাহাত্তরের সংবিধান ডাস্টবিনে ছুড়ে না ফেললে বাংলাদেশের মুক্তি মিলবে না! বাংগালী জাতীয়তাবাদ নামক সাম্প্রদায়িক মতবাদের কবর না হলে বাংগালীর মুক্তি মিলবে না। জাহাঙ্গীরনগরের সাথে মুসলিম নাম থাকা না থাকা বড় বিষয় নয়, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাংগালী জাতীয়তাবাদের নামে প্রাতিষ্ঠানিক ইসলামোফোবিয়ার চর্চার বিধান হচ্ছে মেইন কনসার্ন।
#মুজিব্বাদ_নিপাত_যাক