MR Manik
MR Manik
Student at Govt.Titimir College Dhaka
Scrutineer at Udvash Motijheel
20/12/2025
আল্লাহ চাইলে ওসমান হাদি ভাইকে গত শুক্রবারই নিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। এক সপ্তাহ সময় দিলেন—ঘুরিয়ে, দেখিয়ে, চিনিয়ে—তারপর ডেকে নিলেন।
চিন্তা করতে গিয়ে মনে হলো, হাদি ভাই মূলত জেন–জি প্রজন্ম আর কিছু সংখ্যক মানুষের মাঝেই পরিচিত ছিলেন। আমাদের অনেক সিনিয়র সিটিজেন তাকে চিনতেন না। কিন্তু ১২ তারিখ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি পরিচিত হলেন দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে—জুলাইয়ের এক সাহসী বিপ্লবী হিসেবে।
হয়তো আল্লাহ এটাই চেয়েছিলেন—সবাই যেন তার ত্যাগ সম্পর্কে জানে, তার নাম জানে, তার আত্মত্যাগকে সম্মান করতে শেখে।
19/12/2025
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন l
আগে জানতাম না ওসমান হাদী আসলে কে?
আজ কিছুটা জানার সুযোগ হলো....
14/12/2025
অনুভূতি_(মেয়ের বাবা)...
Copy Paste ...
বাজ পাখি প্রায় ৭০ বছর বাঁচে। কিন্তু মাত্র ৪০ বছর পার করার পরই বাজ পাখিকে বাঁচার জন্য কয়েকটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
ওই সময় তার শরীরের তিনটি প্রধান অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়ে।
১. তার পায়ের নখ নরম হয়ে যায়। ফলে শিকার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
২. ঠোঁট সামনের দিকে মুড়ে যায়। যে কারণে খাবার খুঁটে বা ছিঁড়ে খাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
৩. ডানা ভারী হয়ে বুকের কাছে আটকে যাওয়ার দরুন ওড়াড় ক্ষমতাও সীমিত হয়ে যায়। ফলস্বরূপ শিকার খোঁজা, ধরা এবং খাওয়া তিনটেই ধীরে ধীরে মুশকিল হয়ে পড়ে।
তখন ওর কাছে তিনটে পথ খোলা থাকে।
১. আ'ত্ন'হত্যা
২. শকুনের মতো মৃ'ত'দেহ খাওয়া
৩. নিজকে পুনরুত্থান করা।
বাজ পাখি তখন একটা উঁচু পাহাড়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে বাসা বাঁধে আর শুরু করে নতুন প্রচেষ্টা।
সে প্রথমে তার ঠোঁট বারবার পাথরে আঘাত করে ভেঙে ফেলে। এর থেকে কঠিন যন্ত্রণার কিছু আর হয় না।
একইরকমভাবে নখগুলো উপড়ে ফেলে আর অপেক্ষা করে নতুন নখ ও ঠোঁট গজানোর।
নখ আর ঠোঁট গজালে সে অসহনীয় ব্যথা সহ্য করে ডানার সমস্ত পালক ছিঁড়ে ফেলে আর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে থাকে নতুন পালকের জন্য।
দীর্ঘ ১৫০ দিনের যন্ত্রণা আর প্রতীক্ষার পর সে সবকিছু নতুন করে পায়। ফিরে পায় আবার সেই লম্বা উড়ান দেওয়ার ক্ষমতা এবং ক্ষিপ্রতা। এরপর সে আরো ৩০ বছর জীবিত থাকে আগের মতোই শক্তি ও সামর্থ নিয়ে।
©
─সংগৃহিত
📌
04/12/2025
Copy Paste
আমার মায়ের জন্য ঔষধ বাবদ প্রতি মাসে পনেরো
থেকে বিশ হাজার টাকা লাগতো। গত দুই মাস আগে
তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। মা মারা যাওয়ার কারণে,
আমার তো এখন প্রতিমাসে পনেরো থেকে বিশ
হাজার টাকা অতিরিক্ত থাকার কথা! কিন্তু সে টাকা কই ? আমি
টাকার কোন হিসেব পাই না।"
--- স্যার শাহ্ আব্দুল হান্নান ---(সাবেক সচিব)।
স্যারের কথার সারমর্ম হল- মানুষ যখন চলে যায়, তার
রিযক্বের অংশও সাথে করে নিয়ে যায়। অর্থাৎ ভাই-
বোন, আত্নীয়-স্বজন, পিতা-মাতার রিযিক্বের অংশ
আপনার আয়ের মধ্যেই দেওয়া থাকে। কখনো
ভাববেন না যে, আপনি যদি তাদের জন্য খরচ না
করেন, তাহলে বরাদ্দকৃত অংশ আপনার মূল টাকায়
যোগ হবে। তারা তাদের রিযক্ব খাচ্ছে, ঠিক যতটুকু
আপনার ভান্ডারে তাদের জন্য তিনি (রিযক্বদাতা)
রেখেছেন। পরিবারের জন্য খরচ করার মতো
সৌভাগ্য সবার হয়না, আর না সবাই সেই মানসিকতা রাখে।
(সংগৃহীত)
Copy Paste...
বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয়৷ কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটা আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেওয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়।
পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো, আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন
মনে রাখবে না। আর জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হচ্ছে, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর।
এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সেই একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কেনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন।
সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার — সবকিছুর। মানুষ আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ৫ টাকা দেওয়ার আগেও সে চিন্তা করে এতে তার কতটুকু পুণ্য অর্জন হবে।
তাই স্বার্থের এই পৃথিবীতে যদি সুখী হতে চান তাহলে প্রত্যাশা কমান। আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা যত দ্রুত সম্ভব ভুলে যান। যতদিন আপনি আপনার উপকারের কথা মনে রাখবেন, ততদিন কেবল অপ্রয়োজনীয় মানসিক যন্ত্রণাই পাবেন। নিজের সর্বস্ব দিয়ে আপনি যার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তার কাছেও কোনো প্রত্যাশা রাখবেন না। আপনার সেই অকৃতজ্ঞ উপকারভোগী তো কবেই ভুলে গেছে আপনার অবদানের কথা! সে এখন শুধুই আপনার বদনাম করে বেড়ায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
CharkushaBari, Tarash
Sirajganj
6630