এম.এ জুয়েল

এম.এ জুয়েল

Share

No description

14/10/2024

এইচএসসি পরীক্ষা/২০২৪ এর ফলাফল জানতে ক্লিক করুন

Education Board Bangladesh

30/08/2024

যে মেয়েটি তার শিক্ষিকাকে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করানোর জন্য হাত ধরে টানাহেঁচড়ার করেছে কিংবা যে ছেলেটি তার শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছে আমি নিশ্চিত বাকি জীবনে তাদের আর পড়াশোনা হবে না।

শিক্ষকদের সাথে এসব অসভ্যতা কোনোভাবেই কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মেনে নিতে পারবেন না। সৎ, যোগ্য শিক্ষকের ঘাটতি এ সমাজে সব সময়ই ছিলো। কোনো শিক্ষক যদি অযোগ্য, অপদার্থ কিংবা দূর্নীতিবাজ হন তাহলে স্বাভাবিক নিয়মেই তিনি ছাত্রছাত্রীদের কাছ হতে স্বতঃস্ফূর্ত সম্মান পাবেন না। কিন্তু তাঁকে বা তাঁদের অপসারণ করতে হলে তার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ আছেন। এটা কোনোভাবেই ছাত্রছাত্রীদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এভাবে পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য ভীতিকর অবমাননাকর উন্মত্ত উদাহরণ আমাদের একেবারে আক্ষরিক অর্থেই আরো নিঃস্ব করে দিবে।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারকে আমরা সবাই চিনি। মাত্র ২২ বছর বয়সে প্রথমে মাস তিনেক বেসরকারি মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ এবং পরে রাজশাহী সরকারি কলেজে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৬২ সালে। ৩০ বছর পর স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর শিক্ষকতা জীবনের নানা স্মৃতি নিয়ে ১৯৯৯ সালে একটি বই বের করেন। নাম 'নিস্ফলা মাঠের কৃষক'। এই বইয়ে এক হোমড়াচোমরা কর্তৃক স্যারকে অপদস্ত করার একটি প্রচেষ্টার বর্ণনা আছে। ঘটনাটি এরকম।

স্যার তখন একটি টেকনিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরুবার পর ঐ ব্যাক্তি স্যারের কলেজে এলেন তাঁর ছেলেকে ভর্তির তদবির নিয়ে। সমস্যা হলো তাঁর ছেলে কলেজে কর্তৃক ভর্তির জন্য নির্ধারিত নম্বরের চেয়ে বোর্ড পরীক্ষায় ২ নম্বর কম পেয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই স্যার রাজি হলেন না। কারন তাকে নিতে গেলে ওরকম আরো ৪০/৫০ জনকে নিতে হবে। অনেক অনুরোধ উপরোধ করে যখন কাজ হলো না তখন লোকটি স্যারকে শাসিয়ে গেলেন কিভাবে ভর্তি না করে থাকা যায় তিনি দেখে নিবেন।

এরপর স্যারকে একে একে ফোন করলেন শিক্ষা বিভাগের ডিপিআই শামসুল হক সাহেব এবং প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার আবদুল হামিদ চৌধুরী। ওনারা কোনোভাবে ভর্তি করানো যায় কিনা সে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু স্যারের ব্যাখ্যা শুনে নিবৃত হন।

পরে ফোন এলো সরাসরি তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী মফিজউদ্দীন সাহেবের কাছ হতে। এবার কোনো অনুরোধ নয় সরাসরি বলা হলো ভর্তি করানোর জন্য। জবাবে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার বিনীতভাবে বলেছিলেন— ❝আপনি বললে অবশ্যই নেব। আপনি ওর দরখাস্তের উপরে আমাকে লিখিত নির্দেশ দিন।❞ শুনে মন্ত্রী মহোদয় চুপ হয়ে গিয়েছিলেন।

ব্যাপারটি ওখানেই শেষ হয়ে যেতে পারতো। কিন্তু হলো না। ঐ হোমরাচোমরা আবার এসেছিলেন স্যারের কাছে ওনার পুত্রসহ। রুমে ঢুকেই ধমক দিয়ে বলেছিলেন, ❝জানেন আপনার মতো একশোটা মাষ্টারকে আমি কিনতে পারি...❞

স্যারও ছেড়ে দেননি। বলেছিলেন—❝আপনি কি জানেন আপনার মতো একশোটা অশিক্ষিতকে আমি পড়ালেখা শেখাতে পারি।❞

এরপর তিনি অনেক চেঁচামেচি বকাবকি করেছিলেন স্যারকে। সেদিন স্যার খুব তাৎপর্যপূর্ণ একটি কথা বলেছিলেন লোকটিকে। ঐ কথাটি বলার জন্যই এতো লম্বা কাহিনি বলা। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার লোকটিকে বলেছিলেন — ❝আপনি আমার মতো কতোজন শিক্ষককে কিনতে পারেন জানি না। কিন্তু যে ছেলের জন্য আপনি এতসব করতে চাচ্ছেন তাকে স্বচ্ছন্দে বাড়িতে ফেরত নিয়ে যেতে পারেন। ওর পড়ালেখা হবে না। যে ছাত্র একবার জানতে পারে তার শিক্ষকেরা তার বাবার টাকায় কেনা চাকর। সে আর মানুষ হয় না।❞

বিষয়টি এরকমই। যে ছাত্রছাত্রীরা জেনে যায় তারা শিক্ষককে কলার ধরে পদত্যাগ করাতে পারে তারা ভবিষ্যতে আর যাই করতে পারুক পড়ালেখা করতে পারবে না। ওটা তাদের হবে না।

না। শিক্ষকদের দলীয় লেজুড়বৃত্তির সমর্থন আমি করি না। সায়ীদ স্যার তাঁর বইতে ১৯৯৯ সালেই লিখেছেন — ❝সেদিন শিক্ষকসত্তার অহংকারে গলা উঁচু করে তাঁকে কথাগুলো বলেছিলাম, কিন্তু আজ পেছনের দিকে তাকিয়ে মনে হয়; আমার নয়, সারাদেশে সবখানে তার দম্ভই আজ জয়ী হয়ে গেছে। জাতির শিক্ষকেরা আজ ছাত্রদের বাবার পয়সায় কেনা ব্যক্তিগত ভৃত্যের কাতারে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন।❞

এসব বন্ধ হোক কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের উলঙ্গ বেয়াদবিকে প্রশ্রয় দিয়ে নয় বরং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে।Copied Post.

20/08/2024

বাকি পরীক্ষা গুলো মনে হয় আর হলঁ না। কিছুই বলার নাই।
মেধার মূল্যায়ন কি হলো?

07/08/2024

যারা ধ্বংসাত্মক কাজ করছেন। সরকারি স্থাপনা ধ্বংস করছেন। তাদেরকে বুঝতে হবে এটা আমাদের বাংলাদেশের সম্পদ এবং এই সম্পদ আপনার আমার সকলের ট্যাক্সের টাকায় গড়ে ওঠা। এই সকল স্থাপনা কারো ব্যক্তিগত টাকায় গড়ে ওঠেনি। যার জন্য আপনি সে স্থাপনা ধ্বংস করবেন, দেশের সম্পদ নষ্ট করবেন। আপনার যদি খুব রাগ/হিংসা/ক্ষোভ থাকে তাহলে আপনার পকেটের টাকা বের করুন সেখানে শেখ মুজিবের ছবি সংবলিত যে টাকাগুলো আছে। সেগুলো ধ্বংস করুন ছিঁড়ে কুচি কুচি করুন অথবা পুড়িয়ে ফেলুন । জানি সেটা আপনি পারবেন না কারণ সেই টাকার মূল্য আপনার কাছে আছে। সেখানে আপনি রাগ দেখাতে পারবেন না। তাই আপনার সকল রাগ হিংসাকে সংযত করুন। মনে রাখতে হবে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকলকে নিয়ে আমাদের এই বাংলাদেশ। আসুন সকলে মিলে একটি সম্প্রীতির বাংলাদেশ নির্মাণে সরকারকে সহযোগিতা করি।

06/08/2024
06/07/2024

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরানের জন্য শুভকামনা।

26/04/2024

HSP-MIS সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
MFS অর্থ Mobile Financial Services. আপনার মোবাইল ব্যাংকিং এর ফিল্ডে সঠিক তথ্য দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। তার আগে অবশ্যই নগদ একাউন্টটি, নগদ এপসে লগইন করে যে এনআইডি নম্বর দিয়ে সিম রেজিষ্ট্রেশন/ক্রয় করা হয়েছে, সেই এনআইডি কার্ড এবং সিম ক্রয় দাতার লাইভ পিক দিয়ে 'নগদ' এর কেওয়াইসি আপডেট করতে হবে। আপডেটের ২৪ ঘন্টা পর সেই একাউন্টটি HSP দিতে হবে।
এখানে খেয়াল রাখতে হবে যে, যদি NID নম্বর দিয়ে সিম রেজিষ্ট্রেশন/ক্রয় করা থাকে এরপর যদি Smart card নম্বর দিয়ে 'নগদ' এর কেওয়াইসি আপডেট করেন তাহলে হবে না। সেক্ষেত্রে সিমটি Smart Card নম্বর দিয়ে রিপ্লেস করতে হবে। অর্থাৎ NID to NID, Smart NID to Smart NID হতে হবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Sirajganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Village: Char Vanudanga, Post Office: Vanudanga, Kazipur
Sirajganj
6710