05/05/2024
★ ★★ইভিএম ভোটিং সিস্টেমঃ
@★ভোটারকে এন আই ডি/ স্মার্ট কার্ড অথবা নম্বর / ভোটার নং এর স্লিপ সংগে আনতে হবে।
@★তিনটি ইলেক্ট্রোনিক ব্যালট ইউনিট থাকবে।
★১। চেয়ারম্যান প্রার্থীর
★২।ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর
★৩।মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর
★প্রত্যেক ব্যালট ইউনিটে প্রার্থীর নাম ও
মার্কা থাকবে।
★ব্যালট ইউনিট এর সাদা বাটন বরাবর পছন্দের প্রার্থী নাম ও মার্কা থাকবে। পছন্দের মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য সাদা বাটন চাপার পর সবুজ বাটন চেপে ভোট কনফার্ম করতে হবে।
★ অবশ্যই তিন প্রার্থীর ভোট কনফার্ম করতে হবে। তবে "না "ভোট দেওয়া যাবে।
★ভোট দেওয়া ভুল হলে পুনরায় সাদা বাটন চাপার পর সবুজ বাটন চেপে ভোট দেওয়া যাবে। এই সুযোগ দুইবার।
★সাদা বাটন চাপার পর সবুজ বাটনে চাপ দিয়ে ভোট কনফার্ম করতে হবে।
25/12/2023
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও বদলির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।
সুত্রঃপ্রথম আলো।
বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও বদলির সুযোগ পাবেন। প্রাথমিক চিন্তা হলো, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের কেবল এ সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
তবে কোনো পদ্ধতিতে এ বদলি করা হবে, সে প্রক্রিয়া এখনো ঠিক হয়নি। সেটি নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা নেই। এক প্রতিষ্ঠানে চাকরি শুরু করে সেখান থেকেই অবসর নিতে হয় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে গত অক্টোবর মাসে মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সভা হয়েছে। তার ভিত্তিতে এখন পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
বর্তমানে সারা দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় পাঁচ লাখ।
একজন শিক্ষককে চাকরিজীবনে অন্তত একবার বদলির সুযোগ দেওয়া যায় কি না, সেটি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে
নেহাল আহমেদ, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর
আরও পড়ুন
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘একক’ ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না, এবারও আগের নিয়মেই
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘একক’ ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না, এবারও আগের নিয়মেই
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে বেতনের মূল অংশ ও কিছু ভাতা পেয়ে থাকেন। একসময় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরিভাবে নিজেদের উদ্যোগে শিক্ষক-কর্মচারী শিক্ষক দিত। কিন্তু এখন কেন্দ্রীয়ভাবে সরকারি প্রতিষ্ঠান এনটিআরসিএর অধীন অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই কেবল এসব পদে নিয়োগ পাওয়া যায়। না হলে কেউ এমপিওভুক্ত হতে পারবেন না। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা হচ্ছে। এখন এটি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রতীকী ছবি
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বদলির নীতিমালার একটি খসড়া করবে, তারপর সেটি যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বদলি কীভাবে হবে
শিক্ষা বিভাগের সূত্রমতে, প্রাথমিক চিন্তাগুলো হলো এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের এ সুযোগ দেওয়া হতে পারে। প্রতিবছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন আহ্বান, গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হতে পারে। বদলির প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। এ বদলির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত অংশের (সরকারি অংশ) বেতন, অন্যান্য আর্থিক সুবিধা এবং জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। ‘শাস্তিমূলক বা জনস্বার্থ’ বিবেচনায় বদলি ছাড়া চাকরিজীবনে কেবল একবার বদলির সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে বদলির কারণে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের শূন্যতা যাতে সৃষ্টি না হয়, সেটি বিবেচনায় রাখা হবে। পারস্পরিক বদলির আবেদনে উভয়ের সম্মতি থাকলে বিবেচনা করা হবে।
আরেকটি চিন্তা হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক পদের ৫০ ভাগ শূন্য থাকলে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে বদলির আবেদন বিবেচনা করা হবে না। আর পদ শূন্য না থাকলে বদলির কোনো আবেদনই বিবেচনা করা হবে না।
আরও পড়ুন
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে অনলাইন কোর্স, জেনে নিন বিস্তারিত
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নেহাল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা চালু করা যায় কি না, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। এ নিয়ে ভিন্নমতও আছে। তবে একজন শিক্ষককে চাকরিজীবনে অন্তত একবার বদলির সুযোগ দেওয়া যায় কি না, সেটি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
এ উদ্যোগকে ভালো বলছেন প্রবীণ শিক্ষকনেতা ও জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য কাজী ফারুক আহমেদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু এ বদলির নীতিমালা করার সময় সব অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে এটি করা উচিত।
20/12/2023
ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ
১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।
২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।
৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।
৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।
৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।
৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।
৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।
৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।
৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।
১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।
১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।
১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।
১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।
১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।
১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা
16/11/2023
পরম স্নেহের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠান (১৬/১১/২৩)।উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
28/09/2023
কুড়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালন।
28/09/2023
ঈদে-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপন করতে বিদ্যালয়ে যাচ্ছি আমার যমজদের নিয়ে।
29/07/2023
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকের সিলেবাস ২০২৩
16/08/2022
এখন থেকে মা-বাবার জন্মসনদ ছাড়াই জন্মনিবন্ধন করা যাবে। জন্মনিবন্ধন করতে মা-বাবার জন্মসনদ বাধ্যতামূলকের নিয়মটি তুলে দিয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে হাসপাতালে জন্ম নেওয়ার পর দেওয়া ছাড়পত্র বা টিকার কার্ড যেকোনো একটি প্রমাণ দেখিয়ে শিশুর জন্মনিবন্ধন করা যাবে। সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মির্জা তারিক হিকমত।