Lawghata Alumni Students Association

Lawghata Alumni Students Association lasa is an organization of students of Lawghata.

15/04/2018

গৌড়ের ছোঠ সোনামসজিদঃ
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্(১৪৯৩-১৫১৯) এর সময় ওয়ালি মোহাম্মাদ এই মসজিদটি নির্মান করেন। এই মসজিদে মোট ১৫ টি স্বর্ন খচিত গম্বুজ ছিলো, যার মধ্যের সারিতে ৩টি চৌচালা গম্বুজ ছিলো। এই জন্যই এই মসজিদের নামকরন করা হয় সোনামসজিদ।এর সামনে সায়িত আছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর এবং মেজর নাজমুল হক। মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৪৫ সালের ৬ মর্চ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগরঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।তিনি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ আর্মির সদস্য ছিলেন। তিনি ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন। বিজয়দিবসের মাত্র ২ দিন আগে তিনি ১৪ ই ডিসেম্বর চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর শত্রুমুক্ত করতে গিয়ে মহারাজপুর এলাকায় মহানন্দা নদি পার হওয়ার সময় শত্রুপক্ষের সাথে গোলাগুলির এক পর্যায়ে মাত্র ২৬ বছর বয়সে নিহত হন।

23/05/2017

01.pecuniary penalties ---- আর্থিক জরিমানা
02.strict enforcement ----- কঠোর প্রয়োগ
03.intelligentsia ---- বুদ্ধিজীবী সমাজ
04.accused of forgery --- জালিয়াতির জন্য অভিযুক্ত
05.ushered in a new dawn --- নব দিগন্তের সুচনা করা
06.rain-scarred --- বৃষ্টি বিঘ্নিত
07.influential quarters --- প্রভাবশালী মহল
08.in a befitting manner ---- যথাযথ ভাবে
09.zeal and zest --- উৎসাহ ও উদ্দীপনা
10. heading off --- ঘটতে না দেয়া/বাধা দেয়া

01.growth stagnation ---- প্রবৃদ্ধির শিথিলতা
02.unfair means --- অসুধুপায়
03.call off ---- প্রত্যাহার বা বাতিল করা
04.acrimonious debate ---- উত্তপ্ত বিতর্ক
05.edge of an abyss—খাদের কিনারে
06.discounts galore --- ছাড়ের বন্যা
07.candid acceptance – খোলামেলা বা প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি
08.long awaited demand --- বহু প্রতীক্ষিত দাবী
09.Exemplary punishment --- দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
10.sporadic violence --- বিক্ষিপ্ত সহিংসতা

01.whisked off ---- দ্রুত নিয়ে যাওয়া
02.throw caution into the wind --- ঝুঁকি নেয়া
03.smell rotten rat --- অন্যায়ের বা অপকর্মের গন্ধ পাওয়া
04.expert artisans --- দক্ষ শ্রমিক/কারিগর
05.efficacy and efficiency --- ফলপ্রসূতা ও দক্ষতা
06.moral turpitude --- নৈতিক অবক্ষয়
07.active connivance --- প্রত্যক্ষ সমর্থন/প্রশ্রয়
08.economic conglomerate --- অর্থনৈতিক জোট
09.usher in --- সূচনা করে
10.Coup d'etat --- সামরিক অভুথান বা অসংবিধানিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা পরিবর্তন

01.perennial problem---- দীর্ঘস্থায়ি সমস্যা
02.bears testimony ----- সাক্ষ্য বহন করে
03. Face the axe --- খরচ কমানোর জন্য নেয়া পদক্ষেপ
04.gargantuan problem --- দানবীয় সমস্যা
05. commensurate reduction – সম-পরিমান হ্রাস
06.coarse rice --- মোটা চাল

01.plebiscite --- গণভোট
02.sine qua non --- অত্যাবশ্যকীয় উপাদান/শর্ত
03.bank on/count on----নির্ভর করা
04.rampant abuse --- যথেচ্ছা/অবাধ অপব্যাবহার
05.kitchen market --- কাঁচা বাজার
06.mushroom growth --- আকস্মিক বৃদ্ধি/ ব্যাঙের ছাতার মত বৃদ্ধি
07.exorbitant price --- উচ্চ মূল্য
08.turn a deaf ear to---- কর্ণপাত না করা
09.turn a blind eye to --- না দেখার ভান করা
10.truancy – স্কুল বা কর্মস্থল হইতে পলায়ন
11.Corporal punishment--- দৈহিক শাস্তি

01.electrocution --- তড়িতাহতকরণ
02.home-bound --- ঘরমুখী
03.inordinate delay --- মাত্ররাতিরিক্ত বিলম্ব
04.'uni-duct' system – একক সঞ্চালন পদ্ধতি/ব্যবস্থা
05.heinous job --- জঘন্য কাজ
06.get rid of --- নিষ্কৃতি/অব্যাহতি পাওয়া
07.dearth of information --- তথ্যের অপ্রতুলতা
08.concerted efforts --- সমন্বিত প্রচেষ্টা
09.domestic sources --- অভ্যন্তরীণ উৎস
10.exchange of views --- মত-বিনিময়
11.untold sufferings --- অবর্ণনীয় দুর্দশা
12.bring an end to – পরিসমাপ্তি ঘটানো
13.strike the right balance --- সঠিক ভারসাম্য রক্ষা/ আপোষ করা/ গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌছা
14.under the purview of --- আওতাধীন

01.crimes of all hues --- সব ধরণের অপরাধ
02.menacing drug – ভয়াল মাদক
03.open defecation --- খোলা জায়গায় মলত্যাগ

12/05/2017

idiom/phrase ---- meaning
1) The alpha and omega ----- Beginning and end
2) To mind one's P's & Q's ------- To be accurate & precise( সারসংক্ষেপ)
3) To rise from the ranks------ To rise to a high position
4) A feather(পালক) in one's cap------ An achievement to be proud of
5) To cut one's coat according ------- To live within one's means (নিমিত্ত)
6) To grease(তেল মারা) a person's palm( তালু) ------ To bribe(ঘুষ)
7) To keep the ball rolling ------- To continue the work
8) To fight tooth and nail--------- To make all efforts to win
9) To make an ass of oneself ------- To act foolishly
10) To make neither head nor tail of anything ------- To be completely baffled
11) Once in a blue moon -------- Rarely
12) To take to one's heels ------- To run away
13) To pay lip service to --------- To pretend(মিথ্যা বর্ননা করা/সাজান/প্রচেষ্টা করা) to be loyal (বিশ্বস্ত)
14) To pay through the nose ------- To pay very dearly (প্রিয়ভাবে)
15) To take the law into one's hand ------- To have a disregard(অবজ্ঞা/উপেক্ষা)for law and order
16) Between the devil and deep sea----- To be in dilemma (উভয়সংকট)
17) To meet one's waterloo ------- To meet one's final defeat
18) To be on the horns of a dilemma ----- To be in a fix
19) To look for a needle(সুই) in a hay(খড়) stack (গাদা) ------To seek what is impossible to find
20) To let(করতে দেওয়া) the cat out of the bag ------ To reveal(প্রকাশ করা) secret

14/01/2017

#আসুন_জীবনের_গল্প_শুনি।
#কেঁদে_অনুপ্রাণিত_হই
আমার নাম ছিল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। বাড়ি যশোর।
গ্রামের নাম জঙ্গলবাঁধাল। সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নে। বাবার নাম কৃষ্ণপদ দেবনাথ, মায়ের নাম কদম বৈরাগী। তাঁরা কেউ আর বেঁচে নেই। আমি তাঁদের একমাত্র সন্তান। মা ছিলেন বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী। বাবার বয়স ৫০ যখন, পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে গেলেন। কঠিন হয়ে গেল আমাদের দিনগুলো। আয়ের কোনো উৎস ছিল না আমাদের। বাবা মারা যান ১৯৯২ সালে। আমার বয়স তখন সাড়ে তিন বছর মাত্র।

বাড়িহারা হলাম
গ্রামের এক মুদি দোকানদারের কাছে বেশ কিছু টাকা ঋণ ছিল বাবার। মায়ের সামর্থ্য ছিল না তা শোধ করার। মুদি দোকানি স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে ঘোঁট পাকিয়ে আমাদের বসতবাড়ি আর বাড়ির ধারের জমিটুকুর দখল নিয়ে নেয়। আমার মা ছিলেন বৈরাগী, মানে নিম্ন গোত্রের। আমার জেঠামশাই আর কাকা কেউ মাকে মেনে নেয়নি কখনোই। আমাকেও তাঁদের বংশের বলে স্বীকার করতে চাইতেন না। বাবার মৃত্যুর পর তাঁরা কেউ ফিরেও তাকায়নি। বাবার প্রথম পক্ষের সন্তানরাও তখন মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু তারা অন্যত্র আলাদাভাবে বসবাস করত। যোগাযোগ রাখত না।

মা পড়লেন অথই জলে
আমার মায়ের পৈতৃক বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের বানিয়ারচর গ্রামের বৈরাগীপাড়ায়। কোনো মামা নেই আমার। মায়ের অন্য দুই বোনও আর্থিক কষ্টে ছিলেন। এমন পরিস্থিতিকে দুঃসহ বলা ভালো। মা পড়লেন অথই জলে। প্রতিবেশী আব্বাস মোল্লা ছিলেন বাবার ঘনিষ্ঠ। নিজের বাড়িতে আমাকে ও মাকে আশ্রয় দিলেন। একবেলা-দুবেলা খেয়ে কোনোমতে দিন চলে যাচ্ছিল।
অন্য উপায় না পেয়ে মা মসুর ডাল ভাঙানোর মিলে কাজ নিলেন। শ্রমিকের কাজ।

দৈনিক মজুরি ২৫ টাকা
সকাল থেকে সন্ধ্যা টানা কাজ করতে হতো মাকে। মাত্র ২৫ টাকা মজুরি পেতেন দিনে। এ দিয়ে আমরা খাব, না পাওনাদারের ঋণ শোধ করব? মায়ের দুশ্চিন্তা বাড়তেই থাকল। হাড়ভাঙা খাটুনির ফলে মায়ের শরীরেও নানা রোগ বাসা বাঁধল। একপর্যায়ে তিনি কাজ করার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। আমাকে তখন চায়ের দোকান বা হোটেলের কাজে দেওয়ার কথা বললেন অনেকে। কিন্তু মা চাইতেন আমি লেখাপড়া শিখে ভালো কিছু করি।

মিশনারি স্কুলে চলে যেতে হলো
কোনোভাবেই চলছিল না আমাদের। একপর্যায়ে মা আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে একটি খ্রিস্টান মিশনারি স্কুলে পাঠিয়ে দিলেন। সেটি ১৯৯৬ সাল। স্কুলটি খুলনায়। অথচ আমিই ছিলাম মায়ের অন্ধের যষ্ঠি। কিন্তু উপায় কী কাছ ছাড়া না করে? যা-ই হোক, আমার স্কুলটি ছিল খুলনার দৌলতপুর উপজেলার মহেশ্বর পাড়ায়। নাম ক্যালভেরি অ্যাপস্টোলিক চার্চ, স্কুল ও অরফানেজ। মা থাকতে শুরু করেন অভয়নগরের নওয়াপাড়া শিল্পশহরে, বড় মাসির সঙ্গে। বছরে তিন-চারবার মা এসে আমার সঙ্গে দেখা করে যেতেন। মিশনের পরিচালক ছিলেন ফাদার জন হিরা। তিনি আমাকে ‘অ্যারন’ বলে ডাকতেন। অন্য সহপাঠীরাও ডাকত অ্যারন। মিশনে থাকা-খাওয়া সব কিছুই ছিল ফ্রি। পড়াশোনাও হতো ভালো।

মা চলে গেলেন
রোগ ছিল শরীরে। মনে ছিল শোক। মা আর সইতে পারলেন না। ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন মা। মাকে নওয়াপাড়া মহাশ্মশানে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। মাকে শেষবারের মতো দেখার জন্য মাসতুতো দাদারা আমাকে মিশন থেকে নিতে এসেছিলেন। কিন্তু মায়ের মৃত্যু আমি সহজে নিতে পারব না ভেবে মিশন কর্তৃপক্ষ দাদাদের সঙ্গে পরামর্শ করে খবরটি গোপন রাখে। দাদাদের সঙ্গে সেবার আমার যাওয়া হয়নি। জানতে পারি অনেক পরে।
আমার যাওয়ার জায়গা ছিল না
মিশন স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা হতো নভেম্বরের মাঝামাঝিতে। অনাথ আশ্রমের ছেলেরা তখন আত্মীয় বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ পেত। ফিরে আসত জানুয়ারির শুরুতে। কিন্তু এই দেড় মাসও মিশনেই থাকতাম। আমার খারাপ লাগত খুব। নিজেকে খুব অসহায় মনে হতো। একবার ১৯৯৯ সালে মিশন থেকে পালিয়েছিলাম। বড় মাসির বাড়িতে গিয়ে উঠেছিলাম। পরে আমাকে বুঝিয়েসুঝিয়ে তাঁরা আবার মিশনে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু মিশন কর্তৃপক্ষ আমাকে আর ভর্তি করাতে রাজি হয়নি।
নাম হলো শ্যামলকান্তি
মিশনে জায়গা না পেয়ে মাসির বাড়িতে থাকতে শুরু করি। কিন্তু সেখানে জীবন সহজ ছিল না। কিছুদিন পর আমি আবার আব্বাস মোল্লার বাড়িতে গিয়ে উঠি। মাঠে গরু-ছাগল চরানো, ঘাস কাটা ইত্যাদি কাজ ছিল আমার। তবে স্কুলে যেতে পারছিলাম। জঙ্গলবাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সেখানে সহপাঠীরা আমাকে ‘হারুন’ নামে ডাকত। আমি ইসলাম শিক্ষার ক্লাস করতাম। ভালো ব্যাপার ছিল যে আমি প্রতি ক্লাসেই ফার্স্ট হতাম। তাই স্যারেরা আমাকে সাহায্য করতেন। স্কুলের একজন শিক্ষক সন্তোষ চক্রবর্তী, ২০০২ সালে আমাকে মণিরামপুর উপজেলার মশিয়াহাটী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেন। তখন আমি অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। ভর্তির সময় আমার মা-বাবার নাম লেখা হয় কালিদাস বিশ্বাস ও অমিতা বিশ্বাস। সন্তোষ স্যার তখনো অবিবাহিত ছিলেন। কালিদাস-অমিতা দম্পতি তাঁর বন্ধু ছিলেন। তাঁরা থাকতেন নওয়াপাড়া শিল্পশহরে। আমার নাম রাখা হয় শ্যামলকান্তি বিশ্বাস।
২০০৫ সালে এসএসসি দিলাম
স্কুলের হোস্টেলেথেকেই পড়ালেখা করতাম। খরচাপাতি কালিদাস বিশ্বাসই দিতেন। যেদিন স্কুল বন্ধ থাকত সেদিন মাছের ঘেরে কাজ করতাম। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। ভর্তি হই নওয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজে। তখন পালক বাবা কালিদাস বিশ্বাসের বাড়িতে থাকতাম। বাড়ির টুকটাক কাজ করতাম। সেখান থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ২০০৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে কলেজের সহপাঠীরা প্রায় সবাই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় কোচিং করতে গেল। তখন কালিদাস বিশ্বাসের কাছে আবদার করি, বন্ধুদের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং করতে ঢাকা যেতে চাই। ’ তিনি বলেন, ‘তুই ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হবি। পড়ালেখার পাশাপাশি কাপড়ের দোকানে কাজ করবি। ’ কিন্তু আমার মন মানছিল না। আমি কলেজের কয়েকজন শিক্ষককে অনুরোধ করলাম ব্যাপারটি আমার পালক বাবাকে বুঝিয়ে বলতে। তিনি রাজি হচ্ছিলেন না কোনোভাবেই। একপর্যায়ে আমি আবার বাড়ি ছাড়া হলাম।

দেখা হয়েছিল আমিনুলের সঙ্গে
কালিদাস বিশ্বাসের হয়তো ইচ্ছা ছিল, আমাকে মোটামুটি লেখাপড়া করিয়ে তাঁর দোকানের বিশ্বস্ত কর্মচারী করার। যা-ই হোক, আমি তখন খুবই হতাশাগ্রস্ত। ভাবলাম ঢাকায় যাই। কোনো গার্মেন্টে কাজ নেব। পকেটে ছিল মাত্র ২৭০ টাকা। ঢাকায় রওনা দেওয়ার আগে সহপাঠী আমিনুলের সঙ্গে দেখা হলো। আমিনুলদের অবস্থাও তত ভালো ছিল না। কিন্তু সে আমাকে নিজের মেসে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিল। জোগাড় করে দিল টিউশনিও। আমিনুলের জামা-কাপড় দুজনে মিলেই পরতাম। বইপত্র সবই ছিল আমিনুলের। কিছুদিন পর এইচএসসির ফল বেরোল। কিন্তু আমিনুল এক বিষয়ে অকৃতকার্য হলো। ফলে আমিনুল ফিরে গেল নিজের গ্রামের বাড়িতে।
এবার শাফায়াত সাহায্য করল
অনেক কষ্টে যশোর বোর্ড থেকে এইচএসসির প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ডুপ্লিকেট বের করলাম। আমার পালক বাবা রাগে ওগুলো ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনের সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল। ভরসা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এদিকে মেসের খরচ জোগানো আমার জন্য দুঃসাধ্য হয়ে উঠল। কলেজেরই আরেক সহপাঠী ছিল শাফায়াত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফরম কিনে দিয়েছিল শাফায়াত। বাড়ি চলে গেলেও আমিনুল আমার খোঁজখবর রাখত। সব সময় সাহস দিত আমিনুল আর শাফায়াত।
এগিয়ে এলেন শরিফুল হাসান ভাই
২০০৮-০৯ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলাম। ‘ঘ’ ইউনিটে (বিভাগ পরিবর্তন) মেধা তালিকায় ২৬১তম, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিজ্ঞান বিভাগ) ১১তম এবং ‘ক’ ইউনিটে প্রথম অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলাম। ‘ঘ’ ইউনিট থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাই। কিন্তু ভর্তির টাকা? নওয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের তখনকার অধ্যক্ষ রেজাউল করিম মন্টু স্যারকে বিষয়টি জানাই। তিনি চার হাজার টাকা জোগাড় করে দেন। পাশাপাশি দৈনিক প্রথম আলোর অভয়নগর উপজেলা প্রতিনিধি মাসুদ আলমের মাধ্যমে প্রথম আলোর শরিফুল হাসান ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। হাসান ভাই ভর্তির টাকা দেন এবং আমার ছয় মাসের খাওয়া ও আনুষঙ্গিক খরচ দেন। হাসান ভাইয়ের সহপাঠী সুদীপ দাদার মাধ্যমে জগন্নাথ হলে উঠি।
পড়তে পড়তে কাজ
পড়তে পড়তেই ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) নামের এক প্রতিষ্ঠানে সহকারী মনিটরিং অফিসার হিসেবে চাকরি পাই। মোহাম্মদপুর এলাকায় দুটি টিউশনিও করতাম। ২০১০ সালের শুরুতে বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরে শিক্ষানবিশ সহসম্পাদক পদে যোগ দিই। প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণেও কাজ করেছি কয়েক মাস। মাস্টার্সের প্রথম সেমিস্টার পর্যন্ত দৈনিক আট ঘণ্টা অফিস করেছি। পরে হলে ফিরে সরকারি চাকরির জন্য রাত জাগতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমি লক্ষ্যস্থির করেছিলাম হয় বিসিএস কর্মকর্তা হব, নইলে কাজ নেব বাংলাদেশ ব্যাংকে। ইংরেজি আর গণিতে আমার ভালো দক্ষতা। অবশেষে ২০১৫ সালের ব্যাচে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করি।
একটি বিশেষ ঘটনা
তখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। আমার স্কুল ইউনিফর্ম ছিল না। সহপাঠীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ছিল ফারুক আর কালাচাঁদ। ফারুক ক্লাস শেষে চায়ের দোকানে কাজ করত। আর কালাচাঁদ তাদের ছোট মুদি দোকানে বসত। আমিও কাজ করতাম একটা কাঠের দোকানে। একদিন আমাকে অবাক করে দিয়ে ফারুক আর কালাচাঁদ এক সেট স্কুল ড্রেস নিয়ে এলো। বলল, ‘নে, এটা পরে স্কুলে যাবি। কখনো স্কুল কামাই দিবি না। আমাদের অভাবের সংসার। পড়াশোনা আসলে হবে না। তুই পড়াশোনা করলে ভালো কিছু করবি। ’ ফারুক আমার চেয়েও ভালো ছাত্র ছিল। গণিত আর ইংরেজিতে ভালো ছিল, কিন্তু পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেনি। ওদের সংসার বড় ছিল। ওকে ভাইবোনদের টানতে হতো। আমার বিশ্বাস, উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ফারুক ইঞ্জিনিয়ার হতে পারত।
কাউকে ভুলিনি
আমিনুল, শাফায়েত, ফারুক, সন্তোষ স্যার ও হাসান ভাই—কাউকে ভুলিনি। আমিনুল এখন সিঙ্গাপুরে। আমার খবর এখনো নেয়। জানতে চায়, টাকা-পয়সা লাগবে কি না, কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। তবে ফারুক আর কালাচাঁদের খবর পাই না। প্রার্থনা করি, সৃষ্টিকর্তা তাঁদের সুখে রাখুন।
মাকে মনে পড়ে
আমার সব কিছুর পেছনে ছিলেন আমার মা। তিনি লেখাপড়া জানতেন না, কিন্তু চাইতেন আমি শিক্ষিত হই। খুব পরিশ্রমী ছিলেন মা। পরিশ্রম করার শিক্ষা আমি মায়ের কাছ থেকেই পেয়েছি। আমি আজ প্রতিষ্ঠিত। আমার কোনো অভাব নেই এখন। দুঃখ শুধু, মা নেই!

01/01/2017

এলাটিং বেলাটিং, ধান ভানলে কুঁড়ো দিব।
এই শিশুতোষ গ্রন্থ দুটি কার??

31/12/2016

নীলদংশন খেয়ে খেলারাম খেলে যা সীমানা ছাড়িয়ে নিষিদ্ধ লোবানে!!!!!!

এখানে
নীলদংশন
খেলারাম খেলে যা
সীমানা ছাড়িয়ে
নিষিদ্ধ লোবান

এই উপন্যাস গুলো সৈয়দ শামসুল হকের। বলতে হবে উনার মৃত্যর মাস ও তারিখ কত!!! উনার কমপক্ষে ২ টি নাটক, ও পারলে আরো কিছু সাহিত্য কর্মের নাম বলতে হবে।

30/12/2016

রাত্রি শেষে সারা দুপুর ধরে আশায় বসতি বেঁধে ছায়াহরিণকে মেঘ বলে চৈত্রে যাব।

এখানে,
রাত্রি শেষে
সারা দুপুর
আশায় বসতি
ছায়া হরিণ
মেঘ বলে চৈত্রে যাব

এগুলো রচনা? কোন ধরনের গ্রন্থ?

29/12/2016

অভিযাত্রিক সাঝের মায়ায় উদাত্ত পৃথীবিকে মায়ার কাজল পরাল।
এখানে,

অভিযাত্রিক
সাঝের মায়া
উদাত্ত পৃথীবি
মায়া কাজল

এগুলো কোন জাতিয় গ্রন্থ?

29/12/2016

রুপসী বাংলার বনলতাসেন বেলা অবেলা কালবেলায় সাত তারার তিমির মাঝে ঝরা পালক দিয়ে মহাপৃথীবির ধূসর পান্ডুলিপি লিখে।

এখানে,
রূপসী বাংলা
বনলতাসেন
বেলা অবেলা কালবেলা
সাত তারার তিমির
ঝরা পালক
মহাপমথীবি
ধূসর পান্ডুলিপি

এগুলো জীবনানন্দদাশের কোন জাতিয় রচনা???

RAKUB CircularPost: Computer Operator, Supervisor, Cashier,Data Entry OperatorEducational Qualification: Bachelor Degree...
27/12/2016

RAKUB Circular
Post: Computer Operator, Supervisor, Cashier,
Data Entry Operator
Educational Qualification: Bachelor Degree for
Every Post
Application Last Date: January 26, 2017
Apply Link: http://rakub.isoftgo.com/

23/12/2016

জননী রাজা উপাখ্যানে কৃতদাসের হাসি দেখে বনি আদমের সাথে চৌরসন্ধি করলেন।
এখানে,
জননী
রাজা উপাখ্যান
কৃতদাসের হাসি
বনি আদম
চৌরসন্ধি
উপন্যাস গুলো কার???? তাঁর আসল নাম কি?? তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধের নাম লিখ!!!! "

23/12/2016

গায়ে এক যে ছিল আঠার বছর বয়সি রানার যার উদ্যোগে ছাড়পত্র পেলাম।

এখানে,
গায়ে
এক যে ছিল
আঠার বছর বয়স
রানার
উদ্যোগ
ছাড়পত্র

বিখ্যাত কবিতা গুলো কার??? বাংলা সাহিত্যে তাঁর উপাধী কি????

Address

Lawghata
Shibganj
6300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawghata Alumni Students Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Lawghata Alumni Students Association:

Shortcuts

Share