Chandrakona Rajlaxmi High School

Chandrakona Rajlaxmi High School চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়?

১৯১৩ স্বর্গীয় শ্রী গোপালদাস চৌধুরী তাঁর মায়ের নামে এবং নিজ নামে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেন। নিজ নামে " জি. কে. স্কুল" প্রতিষ্ঠা করেন শেরপুরে আর মায়ের নামে "চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয় " প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেন তাঁর বিশাল জমিদারির একটা অংশ চন্দ্রকোনা নামক স্থানে। ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার বিভিন্ন চরাঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠা চন্দ্রকোনা সেই সময় থেকেই বিভিন্ন কারনে ছিল আলোচিত সমাল

োচিত। স্বদেশী সংগ্রাম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মকান্ড এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের আখড়া ছিল এই চন্দ্রকোনা। যেমন বলা যায় মন্মথ দে বা "পাচুদা " র কথা। জামালপুর মহকুমার একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল এই চন্দ্রকোনা। সেই চন্দ্রকোনায় গোপালদাস চৌধুরী নিজের মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা করলেন "চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয় "। শ্রী গোপালদাস যেমন মাতৃ ভক্তির স্বীকার স্বরূপ প্রতিষ্ঠা করেছেন এই বিদ্যালয়টি তেমনি এই বিদ্যালয়টিই যেন এই অঞ্চলের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের মাতৃ আলয় হয়ে উঠেছে। যার সাক্ষী সেই সূচনা থেকে আজ অবধি কৃতি সন্তানরা দিয়ে আসছে। ১৯১৩ সালে এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়া শুরু হলেও এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯১৯ সালে। তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলতো এর কার্যক্রম। প্রায় সাড়ে সাত একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া স্কুলটি দুইটি ভবন নিয়ে চলা শুরু করে। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত ছিল শ্রেণী ব্যপ্তি এবং বিজ্ঞান ও মানবিক দুটো শাখায় চালু ছিল। যার জন্য ময়মনসিংহ জেলায় এর পরিচিত ছিল যাকে বলে এক নামে কারণ এরকম স্কুলের সংখ্যা তখন ময়মনসিংহ কেন সারা বাংলায় গুটিকতক ছিল।

13/04/2025

এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা
দূর হয়ে যাক, যাক, যাক
এসো, এসো
এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো..
শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩২

শৈশবের নানা স্মৃতি বিজরিত কৃষ্ণচূড়া গাছটি আজ সকালে উপড়ে পড়ে গেছে। কতই না স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই গাছটিকে ঘিরে।
30/10/2024

শৈশবের নানা স্মৃতি বিজরিত কৃষ্ণচূড়া গাছটি আজ সকালে উপড়ে পড়ে গেছে। কতই না স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই গাছটিকে ঘিরে।

https://youtu.be/8SN8fjoHnJ4
12/06/2021

https://youtu.be/8SN8fjoHnJ4

চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়, শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ও পূনর্মিলনী ২০১৯প্রথম দিন, ২য় পর্ব

**চন্দ্রকোনায় এসএসসি পরীক্ষার নতুন কেন্দ্র**কেন্দ্রঃ চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়।ভেন্যূ কেন্দ্রঃ চন্দ্রকোনা বালি...
03/04/2021

**চন্দ্রকোনায় এসএসসি পরীক্ষার নতুন কেন্দ্র**
কেন্দ্রঃ চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়।
ভেন্যূ কেন্দ্রঃ চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

যে যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখানে পরীক্ষা দিবেঃ
১. চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়।
২. চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
৩. চরমধুয়া আদর্শ বিদ্যা নিকেতন।
৪. কৈয়াকুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়।
৫. কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়।
৬. নারায়ণখোলা পশ্চিম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

বি: দ্র: চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালযের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না। তারা চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যূ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিবে।
সূত্রঃ মোঃ সুখন

01/08/2020

May the divine blessings of Allah bring you hope, faith & joy on Eid-Ul-Adha & forever. Happy Eid Ul Adha.

18/02/2020

চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনী ২০১৯ দ্বিতীয় দিনের ভিডিও

06/02/2020

চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনী ২০১৯, প্রথম দিনের প্রথম পর্বের ভিডিও

"স্বর্গীয় শ্রী কুলরঞ্জন গোস্বামী সম্পর্কে কিছু কথা"শেরপুর জেলার অন্তর্গত নকলা উপজেলার একমাত্র শতবর্ষী স্কুল চন্দ্রকোনা র...
04/02/2020

"স্বর্গীয় শ্রী কুলরঞ্জন গোস্বামী সম্পর্কে কিছু কথা"

শেরপুর জেলার অন্তর্গত নকলা উপজেলার একমাত্র শতবর্ষী স্কুল চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় শ্রী কুলরঞ্জন গোস্বামী আপাদমস্তক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী লোক ছিলেন। সনাতন ধর্মের লোক হয়েও চন্দ্রকোনার চরমধুয়া গ্রামের এক মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ছিলেন, যা বর্তমান বাংলাদেশে চিন্তাই করা যায় না। তাঁর মৃত্যুর পর ভারতের ব্যারাকপুরের স্থানীয় সংবাদপত্রে তাঁর সম্পর্কে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় তা হুবহু তুলে ধরলাম। আশাকরি বর্তমান প্রজন্ম তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের আদর্শবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।

কুলরঞ্জন গোস্বামী
(১৯২২-২০০২)
- মাধব ভট্টাচার্য

১৯৬৬-৬৭'র পূর্ব পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তান তখনও বাংলাদেশ হয়ে উঠেনি। কিন্তু মাটি উত্তপ্ত হচ্ছিল ধীরে ধীরে। এরকমই কোন এক মুহূর্তে সাদা ধুতি আর সাদা পাঞ্জাবি পরা ছ'ফুট দীর্ঘ সুঠাম সুন্দর স্বাস্থ্যের এক গোস্বামী ব্রাহ্মণ ছাতা মাথায় হেঁটে চলেছেন মাঠের আল ধরে পাশের গ্রামের মাদ্রাসায়। মাদ্রাসা থেকে মৌলভী সাহেবরা এসেছেন তাকে নিয়ে যেতে। যেতেই হবে। তিনি না গেলে যে মিটিং হবে না, সমস্যার সমাধান হবে না-তাই তিনি চলেছেন। এই গোস্বামীজি না মাদ্রাসা কমিটির প্রেসিডেন্ট। তাঁর যাওয়া মানেই সব সমস্যার সমাধান। সাদামাটা মানুষটির এমনই ছিল ব্যক্তিত্ব। ঘরের বাইরে সর্বত্র। এই মানুষটিই ৪২ এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে ইংরেজ তাড়াতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে জেল খেটেছেন। ময়মনসিংহের সেন্ট্রাল জেলে বসে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিয়ে বিএ পাস করেছেন। স্বদেশী কয়েদিদের বিনোদনের কথা ভেবে জেলখানাতে তাদের নিয়ে নাটক করেছেন, ব্যাডমিন্টন খেলছেন, উদাত্ত কন্ঠে নজরুলের শেকল ভাঙার গান গেয়েছেন। এমনই ছিলেন প্রাণ প্রাচুর্যে একটি মানুষ। যখন স্যামনগরে ছিলেন প্রতিদিন ভোরে সূর্যের আলো ফোটার আগে, ব্রাহ্মমুহূর্তে কালিবাড়ি গঙ্গার ঘাটে নেমে নাল পেরে সূর্য প্রণাম করতে করতে উচ্চারণ করতেন-

ও জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম।
ধ্বান্তারিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোহস্মি
দিবাকরম।।

প্রতিদিন সকালে চন্ডীস্তোত্র পাঠ করে যিনি দিন শুরু করতেন- সেই মানুষটির দিন শেষ হয়ে গেল ৩১ মার্চের গভীর রাতে। কি এক অসহ্য যন্ত্রণা বুক জুড়ে। উঠে বসলেন বিছানায়। স্ত্রীকে ডাকলেন। কিন্তু তারপর কি যেন বলতে চাইছেন, যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছে শরীর কিন্তু মুখ দিয়ে যে কোনো কথা বেরোচ্ছে না। অসহায়া স্ত্রীর সে কি হা হতাশ! না, কথা আর মুখ থেকে সরল না, অব্যক্তই থেকে গেল। শেষবারের মতো স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কাতর কন্ঠ কঁকিয়ে উঠলো মাত্র। ব্যাস, তিনি চলে গেলেন। ১৯২২ থেকে ২০০২ দীর্ঘ ৮০ বছরের পথ পরিক্রমার অবসান।

মানুষটির নাম কুলরঞ্জন গোস্বামী। জন্মেছিলেন বর্তমান বাংলাদেশের এক অজ পাড়া গাঁ যশোদলে ১৯২২ এর ১ জুলাই। বাবা রুক্মিণীকান্ত মা শশীবালা। পিতৃ দত্ত নাম ছিল কুলদা। ৮ বছরের কুলদা তিন কিলোমিটার দূরের ধলা স্কুলে যেদিন প্রথম ভর্তি হতে গিয়েছিল স্কুলের হেডমাস্টার কুলদা নাম পাল্টে কুলরঞ্জন লিখে দিয়েছিলেন। কুলদা হয়ে গেলেন কুলরঞ্জন। কি রহস্য ছিল সেদিন ওই নাম পরিবর্তনের মধ্যে? 'কুল' থেকে 'দা' সরে গেলেও উত্তর জীবনে কুলরঞ্জন তার বংশ কুলকে রঞ্জিতই করেছেন।

স্কুলের পড়া শেষ করে কুলরঞ্জন ময়ময়মনসিংহ শহরে এসে আনন্দমোহন কলেজে ভর্তি হলেন। রাজনীতিতে ঢুকে পড়েছেন তখন। বিপ্লবী সুরেন্দ্রমোহন ঘোষের সান্নিধ্য তাকে সক্রিয় আন্দোলনের পথে দীক্ষা দিল। অবশ্য তারও আগে তার জীবনে রাজনীতির উন্মেষ প্রদীপটি জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন তার মামা নলিনীকান্ত চক্রবর্তী ও মাসি থিরুদা দেবি। নলিনীকান্ত ময়মনসিংহে সূর্যকান্ত আচার্য রাজ এস্টেটের ম্যানেজার ছিলেন।

প্রায় বছর ২ জেলে কাটিয়ে ১৯৪৪ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ভাগ্যান্বেষণে বেরিয়ে শিক্ষকতাকেই জীবনের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন এবং আজীবন তাই করে গেছেন। ময়মনসিংহ জেলার একটা ছোট্ট গ্রাম চন্দ্রকোনা। গ্রামে সব একটা স্কুল তৈরি হয়েছে। টিনের ছাউনি, নড়বড়ে খুঁটি, মুলি বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা। বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিল আছে কি নেই। সেই স্কুলে পড়ানোর জন্য বিএ পাস শিক্ষক প্রয়োজন। চন্দ্রকোনা বা আশেপাশের কোন বিএ পাশ ছেলে খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্কুলের দুই কর্মকর্তা ময়মনসিংহ শহরে এসে বিএ পাশ মাস্টার খুঁজছেন।

এক বন্ধুর কাপড়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন কুলরঞ্জন। সেই দোকানের সামনে দুই আগন্তুক এসে দাঁড়ালো। কৌতুহলী চোখ, কারো মুখে কোন কথা নেই। কুলরঞ্জন জিজ্ঞেস করলেন- কি চাই?

-না, মানে আমরা দূর গ্রাম থেকে আসছিলাম, মাস্টার খুঁজছি।
- মাস্টার!
-হ্যাঁ, বিএ পাস মাস্টার।
-কাপড়ের দোকানে মাস্টার পাওয়া যায় নাকি?
- তা ঠিক, কোথায় পাব জানিনা, এই আপনাদের দেখে দাঁড়ালাম। যদি সন্ধান দিতে পারেন।
- কুলরঞ্জন ওদের চোখ মুখের দিকে তাকিয়ে কৌতুক করেই বললেন- আমাকে দিয়ে হবে? আমি বিএ পাস।
- তাই! তাহলে তো পেয়ে গেলাম। আপনার মত পাশ করা জোয়ান ছেলে সে তো খুবই ভালো।

চাকরি হয়ে গেল কুলরঞ্জনের। ময়মনসিংহ টাউন থেকে খানিক ট্রেনে, খানিক নৌকাতে চেপে নদীপথে, গরুর গাড়িতে করে চন্দ্রকোনা এসে পৌঁছালেন একদিন কুলরঞ্জন গোস্বামী। জরিপ মিয়া আর বাচ্চু মিয়া এসে নিয়ে গিয়েছিলেন।

সেই আশা। তারপরে যে কি মায়ায় জড়িয়ে গেলেন আর ফেরা হলো না। মুলি বাঁশের বেড়া দেয়া সেই জুনিয়র স্কুলটাই হয়ে গেল তার কাছে যেন তীর্থক্ষেত্র। স্কুল কমিটিকে তিনি জানালেন শুধু ছেলেরা কেন মেয়েরাও পড়বে। নারী শিক্ষা না হলে যে দেশ জাগবে না। তাই হল। স্কুলে চালু হলো কো-এডুকেশন প্রথা। কিছুদিনের জন্য কলকাতা এসেছিলেন এমএ পড়তে। এই যা ছেদ। এরই মধ্যে ঘর বাঁধলেন। শেরপুর জমিদার স্টেটের নায়েব দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচার্য্যের বড় মেয়ে বেনুর সঙ্গে বিয়ে হল এক শুভ মুহূর্তে। সুখের সংসার।

১৯৫৪ সালে চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী ইনস্টিটিউশনের হেডমাস্টার হলেন কুলরঞ্জন। একটা জুনিয়র হাই স্কুলকে বাইলেটারেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করলেন তিল তিল করে। আবার ১৯৬৮ সালে একদিন নিজ হাতে গড়া তীর্থ ছেড়ে সপরিবারে চলে এলেন এপারে। বৃদ্ধ শিক্ষক কামিনী রায়, মহবুর, হাসমতের সে কি কান্না। কিছুদিন কলকাতা থেকে এলেন শ্যামনগরে। দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন শ্যামনগরে। ১৯৭২ এ স্কটিশ এ চাকুরী হওয়ার পর তো ট্রেনে ডেইলি প্যাসেঞ্জারী। ১৯৮৮তে অবসর। বই ছিল তার নিত্যসঙ্গী।

ভারত সরকার ব্রাহ্মলিপ্ত দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামীকে সম্মান জানিয়েছেন। গুণমুগ্ধরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্মারক তুলে দিয়েছেন। এই প্রতিবেদকের সৌভাগ্য হয়েছিল তার ছাত্র হবার। শুধু বিদ্যা শিক্ষা নয়, একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ মিলেছিল।

দূরদৃষ্টি ছিল, ব্যক্তিত্ব ছিল, প্রাণে আনন্দ ছিল, ছিল ভালোবাসার আধার। মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন মুহূর্তে। মানুষের ভালোবাসাও পেয়েছেন অফুরান।

ছোট্ট ফ্ল্যাট বাড়িতে সেই মানুষটি আজ আর নেই। ছড়িয়ে আছে ইতস্তত তার স্মৃতি। প্রিয়তমা স্ত্রীর উদাস চোখে ক্ষণে ক্ষণে জল, পুত্র-পুত্রবধুদের ম্লান মুখ, নাতি- নাতনীরা এখনও এঘর ওঘর খুঁজে বেড়ায় তাদের দাদুকে। এও তো বাঁচা। অন্যরকম বাঁচা।

16/03/2019

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি মহোদয় জরুরি রাষ্ট্রীয় কাজে আগামী ২৭ মার্চ দেশের বাইরে অবস্থান করবেন বিধায় আগামী ৩০ মার্চ উনি শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। কাজেই আমাদের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি আগামী ২৭ ও ২৮ মার্চের পরিবর্তে আগামী ৩০ ও ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

ধন্যবাদান্তে,
সফিকুল ইসলাম সুখন
সদস্য, শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ
মোবাইলঃ ০১৭১১-০১৫১১৬

ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও পুনর্মিলনী উদযাপন উপলক্ষে সাবেক সফল কৃষিমন্...
05/02/2019

ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও পুনর্মিলনী উদযাপন উপলক্ষে সাবেক সফল কৃষিমন্ত্রী, শেরপুর-২ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত সাংসদ বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং সড়ক, পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের মাননীয় সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম (নজরুল কাকা) সাহেবের সাথে সফল আলোচনা শেষে আমরা।

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ ও ১৬ই মার্চ, ২০১৯ইং রোজ শুক্রবার ও শনিবার অনুষ্ঠান উদযাপনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী ৮ ও ৯ই ফেব্রুয়ারি, রোজ শুক্র ও শনিবার প্রতিদিন সকাল ১১:০০ ঘটিকা থেকে ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী ...
05/02/2019

আগামী ৮ ও ৯ই ফেব্রুয়ারি, রোজ শুক্র ও শনিবার প্রতিদিন সকাল ১১:০০ ঘটিকা থেকে ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও পুনর্মিলনী উদযাপন উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক জরুরি প্রস্তুতি সভা আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত সভায় শতবর্ষ উদযাপন পরিষদের সকল সদস্যকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

ধন্যবাদান্তে,

সফিকুল ইসলাম সুখন
সদস্য, শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ

অত্যন্ত আনন্দের সহিত জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৫ ও ১৬ই মার্চ, ২০১৯ইং তারিখ রোজ শুক্র ও শনিবার ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম চন্দ...
05/02/2019

অত্যন্ত আনন্দের সহিত জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৫ ও ১৬ই মার্চ, ২০১৯ইং তারিখ রোজ শুক্র ও শনিবার ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও পুনর্মিলনী অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে উদযাপিত হবে। নিবন্ধনকারী সকল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীদের উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

ধন্যবাদান্তে,
সফিকুল ইসলাম সুখন
সদস্য, শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ

Address

Sherpur

Opening Hours

Monday 10:00 - 16:00
Tuesday 10:00 - 16:00
Wednesday 10:00 - 16:00
Thursday 10:00 - 16:00
Saturday 10:00 - 16:00
Sunday 10:00 - 16:00

Telephone

+8801711015116

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chandrakona Rajlaxmi High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Chandrakona Rajlaxmi High School:

Shortcuts

Share