Anisur Rahman kajol

Anisur Rahman kajol Life is important for at all.

28/06/2024

With MD. Kajol Mia – I just got recognized as one of their top fans!

19/09/2022
10/08/2022

আসসালামু আলাইকুম

লিমিটেড কোম্পানী গঠন করার নিয়ম? কোম্পানী নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া / How to register a Limited Company In Bangladesh

বাংলাদেশে লিমিটেড কোম্পানী রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়াগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ননা করা হলো।
বাংলাদেশে প্রচলিত কোম্পানী আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে দুই ধরনের কোম্পানী রয়েছে- ১. প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী এবং ২. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
বাংলাদেশে বিদ্যমান ১৯৯৪ সালের কোম্পানী আইন অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ জন এবং উর্ধে ৫০ জন অংশীদার বা পার্টনার পর্যন্ত হতে পারে অপরদিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে সর্বনিন্ম ৭ জন এবং সর্বোচ্চ যেকোন সংখ্যার পার্টনার থাকতে পারে। তবে সম্প্রতি কোম্পানী আইনের সংশোধনীতে One Person Company (OPC) বা শুধু মাত্র একজন ব্যক্তির দ্বারা একটি কোম্পানী খোলার বিধান রাখা হয়েছে। কিভাবে বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর নিবন্ধন নেওয়া যায়, কত সময় লাগে, কত টাকা খরচ হয় ইত্যাদি যাবতীয় বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

অনুমোদিত মূলধন ও পরিশোধিত মূলধন:
অথরাইজড ক্যাপিটাল বা অনুমোদিত মূলধন এবং পেইড আপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত মূলধন।
কোন একটা কোম্পানী শুরুর সময় ঐ কোম্পানীর সর্বোচ্চ মূলধনের যে সীমা নির্ধারন করা হয় এবং অনুমোদন করা হয় সেটাই হল ঐ কোম্পানির অথরাইজড ক্যাপিটাল;
ধরুন আপনার কোম্পানীর অথরাইজড ক্যাপিটাল ১০০০৳, এবং পার্টনার ১০ জন, তাহলে ১০০ টাকা করে দশ জনের ভেতর সর্বোচ্চ ১০ টি শেয়ার বন্টন করা যাবে।
পরিশোধিত মূলধন বা পেইড-আপ ক্যাপিটাল হল অনুমোদিত মূলধন সীমার ভেতরের একটা এমাউন্ট যা আপনার বিজনেস ব্যাংক একাউন্টে জমা থাকতে হবে......
বাংলাদেশে একটা কোম্পানী নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নূন্যতম ১ টাকা পেইড-আপ ক্যাপিটাল থাকা দরকার হয়। যেমন ধরুন ১০০০/- টাকা অথরাইজড ক্যাপিটাল এর ভেতর ৫০০ টাকা পেইড-আপ ক্যাপিটাল হলে ৫০০ টাকা আপনার বিজনেস ব্যাংক একাউন্টে জমা থাকতে হবে, ১০০ টাকা পেইড-আপ ক্যাপিটাল হলে ১০০ টাকা জমা থাকতে হবে। এই টাকা পরে কোম্পানীর ব্যাবসায়ীক প্রয়োজনে যে কোন সময় উত্তোলন ও খরচ করা যায়।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন বা সংক্ষেপে MOA বা সংঘ স্মারক
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন হল কোম্পানির লক্ষ্য ও কার্যাবলী সম্পর্কে বর্ণনা, এতে ব্যবসায়ের নাম, ব্যবসার ধরন, ব্যবসার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, অনুমোধিত ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ থাকে। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির নামের শেষে অবশ্যই লিমিটেড শব্দটি থাকতে হবে।
আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন বা সংক্ষেপে AOA বা সংঘবিধি
আর্টিকেল অব এসোসিয়েশনে কোম্পানি পরিচালনার নিয়মাবলী বর্ণিত থাকবে যেমন কিভাবে কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ নির্বাচিত হবে, কোম্পানির সাধারন সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা এবং বিশেষ সভা কীভাবে কখন সম্পাদিত হবে, কিভাবে নতুন সদস্য নেওয়া হবে, কীভাবে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করা হবে, কীভাবে লভ্যংশ বন্টন করা হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো আর্টিকেল অব এসোসিয়েশনে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন এবং আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন কোম্পানি আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন একজন আইনজীবীর মাধ্যমে তৈরি করিয়ে নেওয়াই সর্বোত্তম্ম।
STEP-01: নেম ক্লিয়ারেন্স
একটা কোম্পানি নিবন্ধনের প্রথম ধাপ হল আপনি যেই নামে কোম্পানিটি নিবন্ধন করতে চাচ্ছেন সেই নামটি খালি আছে কি না, তা চেক করা, যদি আপনার কাঙ্খিত নামটি এভেইলেভেল থাকে তাহলে নেম ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করা। আপনার কোম্পানির নামটি ইউনিক হতে হবে, অর্থ্যাৎ এই নামে বাংলাদেশে অন্য কোন রেজিস্টার্ড কোম্পানি থাকবে না। আপনি খুব সহজে আরজেএসসির সার্ভার থেকে দেখে নিতে পারেন আপনার পছন্দকৃত নামটি এভেইলেভেল আছে কি না, এবং ফ্রী থাকলে আপনি নেম ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে বর্তমানে বাংলাদেশি উদ্দোক্তাদের নিয়ে গঠিত প্রাইভেট কোম্পানী করার জন্য আগের মত ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে নামের ছাড়পত্র পেতে আবেদন করতে হয় না। শুধুমাত্র নামটি তল্লাশি করে খালি থাকলে সরাসরি কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করা যায়। তবে কোম্পানীতে কোন বিদেশী নাগরিক যুক্ত থাকলে নামের ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হয়।
নামের ছাড়পত্র পাওয়ার পর আপনি কোম্পানীর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন……
কোম্পানী নিবন্ধন করার জন্য RJSC এর www.roc.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় সকল ইনফরমেশন ইনপুট করে, মেমোরান্ডাম অফ এসোসিয়েশন, আর্টিকেল অফ এসোসিয়েশন, পরিচালকদের নামের তালিকা, ইত্যাদি ডকুমেন্টস্‌ স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। সবকিছু সফল ভাবে আপলোড এবং সাবমিট করা হলে, নিবন্ধন ফি সহ অন্যান্ন সরকারী ফিস জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংকের পেমেন্ট স্লিপ ডাউনলোড করার অপশন আসবে। স্লিপটি প্রিন্ট করে নির্ধারিত ব্যাংকে ফিস জমা দিতে হবে। এর পর যৌথমূলধনী কোম্পানীর নিবন্ধকের কার্যালয়ের নিয়োজিত অফিসারগণ মেমোরেন্ডামটি পরিদর্শন করে সবকিছু ঠিকঠাক মতো পেলে আপনার কোম্পানি নিবন্ধনের আবেদন টি এপ্রুভ করে দিবে, অর্থ্যাৎ আপনার কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন সফল হয়েছে এবং আপনাকে ইমেইলে- ই-স্বাক্ষর যুক্ত সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন, MOA, AOA এবং ফর্ম- xii পাঠাবে।
কোম্পানি নিবন্ধিত হওয়ার পরে ব্যবসা কার্যক্রম শুরু করার জন্য আপনাকে আরও কিছু সনদ সংগ্রহ করতে হবে। ব্যবসায়ের ধরণ ও প্রকৃতি অনুসারে এই সনদের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। কোম্পানি নিবন্ধনের পরে যে সনদসমূহ নিতে হবে সেগুলো হলো :
কোম্পানীর টিআইএন সার্টিফিকেট
ট্রেড লাইসেন্স
ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন (প্রয়োজনে) ইত্যাদি
সবকিছু রেডি হয়ে গেলে আপনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করতে পারেন।
সম্মানীত সুধী, আজকে এই পর্যন্তই, আপনাদের কারো কোন প্রশ্ন থাকলে, কোম্পানি, সোসাইটি, পার্টনারশিপ ফার্ম, ট্রেড অর্গানাইজেশন নিবন্ধন, share transfer সংক্রান্ত কাজে অফিসে আসতে পারেন অথবা ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন। লেখাটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ রাশিদুল হাসান কয়েছ
এডভোকেট
জয়েন্ট সেক্রেটারি, বাংলাদেশ কোম্পানী ল’ প্রাকটিশনারস সোসাইটি
শাহ্ আলী টাওয়ার, ৩৩ কাওরান বাজার, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৭১৪০২২২৯৮
Our Location on Google Map https://maps.app.goo.gl/Z87kWB8ApuvgaNQW6

09/08/2022

প্রশ্ন : সাইকিয়াট্রিস্ট , ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট, সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিষ্ট এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর: আমাদের অনেকের মাঝে সাইকিয়াট্রিস্ট , ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট, সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিষ্ট ইত্যাদি প্রফেশনের কাজ নিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তে পরে যায় বা অনেক সময় একটার সাথে আরেকটা গুলিয়ে ফেলি। তাহলে চলুন আজ জেনে নিই এই গুলোর কি সূক্ষ পার্থক্য বিদ্যামান।

1.সাইকিয়াট্রিস্ট:
সাইকিয়াট্রিস্ট হলেন একজন মেডিক্যাল ডাক্তার ( physician)। এমবিবিএস পাশ করার পর তিনিরা মানসিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন। আমাদের দেশে সাইকিয়াট্রিতে ডিপিএম, এফসিপিএস, এমডি এবং এম ফিল ডিগ্রী দেয়া হয়।
সাইকিয়াট্রিস্টরা ঔষধ প্রদানের মাধ্যমে মানসিক রুগীদের চিকিৎসা প্রদান করেন। তবে কোন কোন সাইকিয়াট্রিস্ট সাইকোথেরাপি মাধ্যমে চিকিৎসা করে থাকেন।

NB:সাইকিয়াট্রিস্টরা ঔষধ প্রদান করতে পারেন। কারণ তিনাদের মেডিসিনের উপর ডিগ্রি আছে।

কিন্তু ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট, সাইকোলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্টদের ঔষধ প্ৰদান করতে পারেন না। কারণ মেডিসিনের উপর কোন ডিগ্রি নেই। ডিগ্রি না থাকা সত্বেও কেউ যদি ঔষুধ প্ৰদান করে থাকে তাহলে সেটা গুরুতর অপরাধ আইনত দণ্ডনীয় ।

2.ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট:
A clinical psychologist has a stronger focus on those with a psychosis or other serious mental illness.

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট তারা যারা মনোবিজ্ঞানে বিএসসি (সম্মান) ও কিনিক্যাল সাইকোলজিতে এমএসসি/এমএস এবং এম ফিল ডিগ্রী এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন সাথে সাথে একাডেমিক ও ক্লিনিক্যাল ট্রেনিং এ পাশ করতে হবে বা সনদ ধারী হতে হবে । বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোজ্ঞিান বিভাগে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি পড়ানো হয়।

এম এস (MS)থাকা অবস্থায় 1বছর বিভিন্ন মানসিক হসপিটালে psychiatry departmemt এ ক্লিনিক্যাল প্র্যাক্টিস করেন adult mental health problem এর উপর with individual supervise method। এ সময় তারা সাইকোথেরাপি বা কগনিটিভ বিহেভিওর থেরাপি প্ৰদান করে থাকে। এবং এমফিল (MPhil) থাকা অবস্থায় 1 বছর বিভিন্ন মানসিক হসপিটালে psychiatry departmemt এ ক্লিনিক্যাল প্র্যাক্টিস করেন child mental health problem এর উপর with individual supervise method।এ সময় তারা সাইক

08/08/2022
28/05/2022
23/05/2022

Address

Sherpur

Telephone

01733668589

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anisur Rahman kajol posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category