S.S.C 1997 Batch Sherpur District

S.S.C 1997 Batch Sherpur District Social work

04/05/2026

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে...

18/04/2026

সুন্দর বেদানা অনেকেরই প্রিয় ফল...

▪️আঠারবাড়ী জমিদারবাড়ীময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়নের নাম আঠারবাড়ী। এই ইউনিয়নের নামকরণের একটা ইতিহাস রয...
16/03/2026

▪️আঠারবাড়ী জমিদারবাড়ী

ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়নের নাম আঠারবাড়ী। এই ইউনিয়নের নামকরণের একটা ইতিহাস রয়েছে। এই ইউনিয়নের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী আঠারবাড়ী জমিদার বাড়ি।মূলত এই জমিদার বাড়ি থেকেই এই ইউনিয়নের নাম আঠারবাড়ী হয়েছে। এই জমিদার বাড়ির অনেক ইতিহাস আছে। এই জমিদার বাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিলেন।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি সমৃদ্ধ এলাকা আঠারো বাড়ী। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকেই এলাকাটি ব্যবসা-বানিজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অগ্রসর। এমন একটি সমৃদ্ধ এলাকায় জমিদার প্রমোদ চন্দ্র রায়ের পরিত্যক্ত দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল জমিদার বাড়ি এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে নিরব দাঁড়িয়ে আছে। চমৎকার কারুকার্যময় এ রাজবাড়ীটির বয়স প্রায় আড়াই শত বছর। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার পূর্বে কিছু অগ্রসর হলেই চোখে পড়বে জমিদার বাড়ির বিশাল অট্টালিকা। ১৭৯৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত হোসেন শাহী পরগনা রাজশাহী কালেক্টরের অধিনে ছিল। সে সময় মহারাজ রামকৃষ্ণের জমিদারি খাজনার দায়ে নিলামে উঠলেএ পরগনাটি “খাজে আরাতুন’ নামে এক আর্মেনীয় ক্রয় করেন। ১৮২২ খ্রিষ্টাব্দে আরাতুনের ২ মেয়ে বিবি কেথারিনা, বিবি এজিনা এবং তার দুই আত্মীয় স্টিফেন্স ও কেসর্পাজ প্রত্যেক চারআনা অংশে এ পরগানার জমিদারী লাভ করেন। ১৮৫৩ খ্রিষ্টব্দে আঠারো বাড়ি জমিদার সম্ভুরায় চৌধরী, বিবি এনিজার অংশ কিংবা মতান্তরে কেসপার্জের অংশ ক্রয় করেন। পরে মুক্তাগাছার জমিদার রামকিশোর চৌধরী জমিদারী ঋণের দায়ে নিলামে উঠলে তা সম্ভুরায় চৌধুরীর পুত্র মহিম চন্দ্র রায় চৌধুরী কিনে নেন। শুধু তাই নয়, বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে (১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে) মহিম চন্দ্র রায় চৌধুরীর স্ত্রী জ্ঞানেদা সুন্দরীর স্বামীর উত্তরাধিকার ও ক্রয়সূত্রে পরনায় ১৪ আনার মলিক হন। বাকী দুই আনা অন্য এলাকার জমিদাররা কিনে নেন। জমিদারী প্রতিষ্ঠার পর তাদের আয়ত্তে আসে উত্তর গৌরীপুরের রাজবাড়ী, পশ্চিমে রামগোপাল পুর, ডৌহাখলা দক্ষিণে কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর ও নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা। তাছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহের জামালপুর জেলার কয়েকটি মৌজা, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণা জেলার বেশ কিছু মৌজা ছিল এ জমিদারের দখলে। প্রতি বছরে নির্দিষ্ট এক সময়ে এসব জেলা শহরে স্থাপিত আঠারোবাড়ী কাচারী বাড়ীতে নায়েব উপস্থিত হয়ে খাজনা আদায় করত। আজও এসব কাচারী “আঠারোবাড়ী বিল্ডিং” নামে নিজ নিজ জেলায় পরিচিতি পেয়েছে। জমিদার সম্ভুরায় চৌধুরীর পিতা দ্বীপরায় চৌধুরীর প্রথম নিবাস ছিল বর্তমান যশোর জেলায়। তিনি যশোর জেলার একটি পরগনায় জমিদার ছিলেন। সুযোগ বুঝে এক সময় দ্বীপরায় চৌধুরী তার পুত্র সম্ভুরায় চৌধুরীকে নিয়ে যশোর থেকে আলাপ সিং পরগনায় অর্থ্যাৎ আঠারোবাড়ী আসেন। আগে এ জায়গাটার নাম ছিল শিবগঞ্জ বা গোবিন্দ বাজার। দীপরায় চৌধুরী নিজ পুত্রের নামে জমিদারি ক্রয় করে এ এলাকায় এসে দ্রুত আধিপত্য স্থাপন করতে সক্ষম হন এবং এলাকার নাম পরির্তন করে তাদের পারিবারিক উপাধি “রায়” থেকে "রায় বাজার” রাখেন। আর রায় বাবু একটি অংশে এক একর জমির উপর নিজে রাজবাড়ী, পুকুর ও পরিখা তৈরী করেন। রায় বাবু যশোর থেকে আসার সময় রাজ পরিবারের কাজর্কম দেখাশুনার জন্য আঠারোটি হিন্দু পরিবার সংঙ্গে নিয়ে আসেন। তাদের জন্য রাজবাড়ি তৈরী করে দেন। তখন থেকে জায়গাটি আঠারোবাড়ী নামে পরিচিতি লাভ করে। দ্বীপরায় চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার পুত্র সম্ভুরায় চৌধুরী জমিদারী লাভ করেন। তবে কোন পুত্রসন্তান না থাকায় তিনি নান্দাইল উপজেলায় খারূয়া এলাকা থেকে এক ব্রাক্ষ্মণ সন্তান প্রমোদরায় চৌধুরীকে দত্তক এনে লালন পালন করে এক সময় জমিদারীর কর্ণধার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ময়মনসিংহের আঠারোবাড়ী ভ্রমণ করেছিলেন। আঠারোবাড়ীর তৎকালীন জমিদার প্রমোদ চন্দ্র রায় চৌধুরীর আমন্ত্রণে ১৯২৬ সালের ১৯ ফেব্র“য়ারী সকালে তিনি ময়মনসিংহ থেকে ট্রেনে করে জমিদার বাড়ি পৌঁছান। সেখানে তার সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।এছাড়াও বাউল, জারি-সারি গানের আসর বসানো হয়েছিল। সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভের শুভেচ্ছা বিনিময় ও শান্তিনিকেতনকে বিশ্ব নিকেতন করে গড়ে তুলতে নৈতিক ও আর্থিক সমর্থনের লক্ষ্যে ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রায় এক সপ্তাহ ঢাকায় অবস্থান শেষে তিনি ময়মনসিংহ ভ্রমণ করেন। রবীন্দ্র গবেষক অধ্যাপক যতীন সরকার জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি কবিগুরু ময়মনসিংহ রেলস্টেশনে পৌঁছান। সেখানে কবিগুরুকে বরণ মালা পরিয়ে দেন মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ শর্শীকান্ত আচার্য্য চৌধুরী। এসময় উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনি দেয়া হয়। শতহস্তে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে বিশ্ব কবিকে স্বাগত জানানো হয়। এসময় কবির পাশে ছিলেন তার পুত্র রথীন্দ্রনাথ, পুত্রবধূ প্রতিমা দেবী, দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ইতালির অধ্যক্ষ জোসেফ তুচি প্রমুখ। সেখানে কয়েকদিন থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশে রবীন্দ্র সংবর্ধনা (ভুঁইয়া ইকবাল সম্পাদিত) গ্রন্থ থেকে জানা যায়, কবিগুরু ১৯ ফেব্র“য়ারি সকালে ময়মনসিংহ থেকে ট্রেনে আঠারোবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সেদিন তাঁকে একনজর দেখার জন্য ঈশ্বরগঞ্জ ও গৌরিপুরের হাজার হাজার মানুষ ঈশ্বরগঞ্জ সদরে চলন্ত ট্রেন থামিয়ে দেয়। এরপর আঠারোবাড়ী রেলস্টেশনে ট্রেন থেকে নামার পর কবিকে হাতির পিঠে চড়ানো হয়। এসময় ঢাক ঢোল পিটিয়ে অভিবাদন জানানো হয়। শত শত মানুষ জয়ধ্বনি করতে করতে তাকে জমিদার বাড়ীর মূল ফটক পর্যন্ত নিয়ে যায়। মূল ফটকের কাছে কবিকে সোনার চাবি উপহার দেন জমিদার প্রমোদ চন্দ্র রায় চৌধুরী। ওই চাবি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ কাচারী ঘরের মূল ফটক খোলেন। কবির সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। ছড়াকার-গবেষক ও জলদ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক স্বপন ধর জানান, আঠারোবাড়ীর জমিদার প্রমোদ চন্দ্র রায় চৌধুরী শান্তিু নিকেতনের শিক্ষার্থী ছিলেন। কবিগুরু ছিলেন তার শিক্ষক। বিশ্ব^কবি তার এই ছাত্রের আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই আঠারোবাড়ি এসেছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বিখ্যাত গান "আজি ঝর ঝর মুখর বাদর দিনে" গানটি আঠারবাড়ী জমিদার বাড়ীর কাঠের বারান্দায় বসে লিখেছিলেন, জানা যায় তখন বৃষ্টি হচ্ছিল এবং বাংলাদেশের বর্ষা দেখে তিনি মুগ্ধ হয়ে এই গানটি রচনা করেছিলেন।
📸 Md.Shams Ibne Rahman
তথ্য: উইকিপিডিয়া।

13/03/2026

যাদের মেয়ে আছে এই বাবার জায়গায় জাস্ট নিজেকে একটু কল্পনা করুন 🥺🥺
বাগেরহাটের সড়ক দুর্ঘ'ট'নায় নব দম্পতিসহ দুই পরিবারের ১৪ জন দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে 😭
কি এক কঠিন পরীক্ষা 😞

03/03/2026
বাংলা ভাষা এবং একজন নওয়াব আলী চৌধুরী। শত বছর আগে, ১৯২১ সালে বাংলা ভাষাকে প্রদেশের সরকারি ভাষা করার জন্য লিখিত প্রস্তাব ...
03/03/2026

বাংলা ভাষা এবং একজন নওয়াব আলী চৌধুরী।
শত বছর আগে, ১৯২১ সালে বাংলা ভাষাকে প্রদেশের সরকারি ভাষা করার জন্য লিখিত প্রস্তাব পেশ করেন এই মহান ব্যক্তিটি, টাঙ্গাইলস্থ ধনবাড়ীর নবাব, নবাব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ( জন্ম ১৮৬৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর )।
তাছাড়া ছিলেন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, শুধু তাই নয় বৃটিশদের কাছে তাঁর এস্টেটের অর্ধেক বন্ধক রেখে সমস্ত অর্থ যোগাড় করেছিলেন এই প্রতিষ্ঠানটি ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ) গড়ার এবং কার্যক্রম শুরু করার জন্য ।
বাংলা ভাষা’র অধিকার আদায়ে তাঁর ভূমিকা এবং অবদানের কথা জানতে হলে আমাদেরকে একশত বছর পিছনে যেতে হবে ।
নওয়াব আলী চৌধুরী ১৯১১ সালের রংপুর অধিবেশনে মাতৃভাষা বাংলার পক্ষে প্রথম সোচ্চার হয়ে বলেছিলেন,
"বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, মাতৃস্তনের ন্যায়, জন্মভূমির শান্তি নিকেতনের ন্যায় বাংলা ভাষা। বাংলাভাষা আমাদের নিকট প্রিয়, কিন্তু হতভাগ্য আমরা, প্রিয় মাতৃভাষার উন্নতিকল্পে আমরা উদাসীন। অধঃপতন আমাদের হবে না - তো কার হবে?"
তৎকালীন প্রতিকূল পরিবেশে একজন জমিদার হয়ে বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বাক্ষর রাখেন।
১৯২১ সালে বাংলা ভাষাকে প্রদেশের সরকারি ভাষা করার জন্য লিখিত প্রস্তাব পেশ করেন।
এই গুনি মানুষটি ভাষা ও সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার একজন বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
১৮৯৫ থেকে ১৯০৪ পর্যন্ত নওয়াব সাহেবের কর্মতৎপরতা ছিল প্রধানত সাহিত্য ও সংস্কৃতি কেন্দ্রিক।
১৮৯৫ সালে মিহিরও সুধাকর পত্রিকা একত্রিত হয়ে সাপ্তাহিক মিহির-সুধাকর নামে আত্মপ্রকাশ করে। নওয়াব আলী চৌধুরী ছিলেন এর মালিক ।
এজন্য একটি প্রেস ক্রয় করে তিনি কলকাতায় তার নিজ বাসভবনে স্থাপন করেন।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, পন্ডিত রেয়াজউদ্দিন আহমদ আল মাশহাদী, কবি মোজাম্মেল হকের সাহিত্য প্রকাশনায় নওয়াব আলী চৌধুরীর দান ছিল অপরিসীম।
ফলে উল্লেখিত লেখকগন তাদের বিভিন্ন প্রকাশনায় নওয়াব আলী চৌধুরীর নামে উৎসর্গ করেন।
শিক্ষানুরাগী অনন্য জমিদার নওয়াব আলী চৌধুরী বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার রচিত গ্রন্থ সমূহ---
ঈদুল আযহা (১৮৯০)
মৌলুদ শরীফ (১৯০৩)
ভারনাকুলার এডুকেশন ইন বেঙ্গল (১৯০০)
প্রাইমারি এডুকেশন ইন রুরাল এরিয়াস্‌ (১৯০৬)
এছাড়া সুদীর্ঘ ২৩ বছর পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক আইন পরিষদ, বঙ্গীয় প্রেসিডেন্সি আইন পরিষদ এবং ভারতের ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন নওয়াব আলী চৌধুরী ।
তিনি দেশের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পক্ষ হয়ে তাদের দুঃখ-দুর্দশা ও অভাব-অভিযোগের কথা সরকারের নিকট তুলে ধরেন।
নওয়াব আলী চৌধুরী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলমান মন্ত্রী। শিক্ষাবিস্তারে তাঁর আন্তরিকতার জন্য সে সময় তাকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
এমনকি নওয়াব আলী চৌধুরী এদেশে ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জমি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন নিঃস্বার্থভাবে ।
১৯২৯ সালের ১৭ এপ্রিল ইন্তেকালের পূর্ব পর্যন্ত মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন জনাব চৌধুরী ।
ভাষার মাসে এই মহান মানুষটিকে স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধা , ভালবাসা এবং কৃতজ্ঞতার সাথে ।
ধন্যবাদ।
( বিঃদ্রঃ বিভিন্ন সূত্র থেকে নেয়া )

14/11/2025

ডেমরা ৯৭ প্রোগ্রামে --

🏰 পিলখানার ইতিহাস —অতীতের অজানা কাহিনি ||ঢাকার লালবাগের পশ্চিমে, নিউমার্কেটের কাছে অবস্থিত পিলখানা—আজকের বর্ডার গার্ড বা...
13/08/2025

🏰 পিলখানার ইতিহাস —অতীতের অজানা কাহিনি ||

ঢাকার লালবাগের পশ্চিমে, নিউমার্কেটের কাছে অবস্থিত পিলখানা—আজকের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) সদর দপ্তর—এর ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরনো।

📜 মোগল আমল থেকে যাত্রা

১৭শ শতকে মোগল সম্রাটদের সময়ে এখানে ছিল ঘোড়া ও হাতির আস্তাবল।

মোগল সেনাদের যু_দ্ধের হাতি এখানে প্রশিক্ষণ ও যত্নে রাখা হতো।

হাতির থাকার কারণে স্থানটির নাম হয় "পিলখানা"—"পিল" অর্থ হাতি, "খানা" অর্থ থাকার জায়গা।

🇬🇧 ব্রিটিশ শাসনকাল

১৮৫৭ সালের সিপাহী বি-দ্রোহের পর ব্রিটিশরা এই জায়গাটিকে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার শুরু করে।

পরে এখানে ইস্টার্ন পাকিস্তান রাইফেলস (EPR)-এর প্রধান কার্যালয় হয়।

🇧🇩 স্বাধীনতা সংগ্রামে পিলখানা

মুক্তি-যুদ্ধের সময় পিলখানায় পাকিস্তানি সেনাদের ঘাঁটি ছিল।

অনেক বাঙালি সৈনিক মুক্তি-যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য এখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

🪖 আধুনিক যুগ

স্বাধীনতার পর EPR-এর নাম হয় বাংলাদেশ রাইফেলস (BDR)।

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এখানে ঘটে ভয়া-বহ BDR বিদ্রোহ—যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম মর্মা-ন্তিক ঘটনা।

বিদ্রো-হের পর ২০১০ সালে বাহিনীর নতুন নামকরণ হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB)।

🌿 আজকের পিলখানা

এখন এটি শুধু সা*মরিক সদর দপ্তর নয়, বরং ঐতিহাসিক নিদর্শন বহনকারী একটি এলাকা, যেখানে রয়েছে পুরনো স্থাপনা, স্মৃতিস্তম্ভ, এবং আধুনিক স্থাপত্যের সমন্বয়।
---
লেখা-মো:নাঈম ভুইয়া ||
এডমিন-ঢাকার গণপরিবহন ||
_______________________________

✍ পোস্টের শেষে একটি আহ্বান:
"পিলখানা শুধু একটি সা-মরিক ঘাঁটি নয়—এটি আমাদের ইতিহাস, গৌরব ও বেদনার প্রতীক। এই অতীতকে সবাই সংরক্ষণ করি।"

---
#ঢাকারগনপরিবহন #নাঈম #পিলখানা #প্রাচীনপিলখানা

চিকিৎসক তার মৃতদেহ ও মল দেখে বলেছিলেন হাতিটি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলো। পানিশূন্যতা ছিলো তার শরীরে। এই অবস্থাতেই তাকে চুয়াড...
13/08/2025

চিকিৎসক তার মৃতদেহ ও মল দেখে বলেছিলেন হাতিটি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলো। পানিশূন্যতা ছিলো তার শরীরে। এই অবস্থাতেই তাকে চুয়াডাঙ্গা থেকে হাঁটিয়ে চাঁদাবাজি করাতে করাতে মাগুরা পর্যন্ত নিয়ে আসে। প্রায় ৭০ কিলোমিটার পথ।😓

খাবার নেই, বয়সের ভার, ডায়রিয়া, গরমে পর্যাপ্ত পানি ছাড়াই পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে নির্মমভাবে তাকে হাঁটানো হয়, শরীর না টানলেও সে প্রতিবাদ করতে পারেনি। এক সময় নীরবে নিভৃতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ওর এই মৃত্যুর,এই নির্যাতন ও নির্মমতার বিচার হয়নি।

বন্য প্রাণী থাকবে বনে নিজেদের মতো করে বাঁচবে তা নয় উল্টো তাদের উপর চলে অত্যাচার। সবারই নিজেদের মতো করে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। এসব যে কবে বন্ধ হবে!🤦‍♀️

আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক।
সঠিক বুঝ দান করুক।🤲

Address

Sherpur

Telephone

+8801715333457

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S.S.C 1997 Batch Sherpur District posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to S.S.C 1997 Batch Sherpur District:

Shortcuts

Share

Category