বৃহত্তর ময়মনসিংহের কারিগরি শিক্ষার (ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়রিং) অন্যতম প্রতিষ্ঠান হল শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। এর কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৪ সাল থেকে।
� এই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটটি শেরপুর জেলা সদর থেকে ৫ কি,মি পূর্বে ভাতশালায় ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের পার্শ্বে অবস্থিত।
� বর্তমানে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক ৫ টি টেকনোলজি নিয়ে চার (৪) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু রয়েছে!
� টেকনোলজি সমূহ:
� সিভিল টেকনোলজি
� ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি
� ইলেক্ট্রনিকস টেকনোলজি
� কম্পিউটার টেকনোলজি
� এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজি
� আসন সংখ্যাঃ সিভিল টেকনোলজিতে ২০০জন (১ম শিফটে ১০০, ২য় শিফটে ১০০), অন্য টেকনোলজিতে ১০০জন। (১ম শিফটে ৫০, ২য় শিফটে ৫০)
�ক্লাশের সময়সূচী
�১ম শিফট সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১.১৫ টা পর্যন্ত।
�২য় শিফট দুপুর ১.১৫ টা থেকে বিকাল ৬.৩০ টা পর্যন্ত।
�ভর্তির যোগ্যতা
�এসএসসি/দাখিল/ভোকেশনাল /সমমানের পরিক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে আবেদনের ক্ষেত্রে উক্ত পরিক্ষায় সাধারন গনিত অথবা উচ্চতর গনিতে নুন্যতম জিপিএ-৩.০০সহ ছেলেদের কমপক্ষে জিপিএ-৩.৫০ পেতে হবে এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারন গনিত অথবা উচ্চতর গনিতে নুন্যতম জিপিএ-৩.০০সহ জিপিএ ৩.০০ পেতে হবে। অাবেদন করার পর কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মেধা তালিকা অনুসারে ভর্তির কার্যক্রম সম্পাদন হবে।
�শিক্ষাব্যবস্থা
�এখানে মোট শিক্ষাবর্ষ চারটি! প্রতি ২ সেমিস্টার এ এক শিক্ষাবর্ষ ধরা হয়! মোট সেমিস্টার ৮টি!
�পড়াশুনা ব্যয়
সরকারি প্রতিষ্ঠান বিধায় অন্যান্য বেসরকারি পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এখানে পড়াশুনার
ব্যয় তুলনামুলক কম।
�উপবৃত্তি:
প্রতি সেমিস্টারে (৬মাস পর পর) ৪০০০/-, ছাত্র ৬০%, ছাত্রী ১০০%
�সকল বিষয়ে উত্তীর্ণ ছাত্র এবং সকল ছাত্রীদের সরকার কতৃক নির্ধারিত সেমিষ্টারে ১৬৫০/- উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।
�অন্যান্য সুবিধাসমূহ�
�রাজনীতিমুক্ত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ক্যাম্পাস!
�রোভার স্কাউটসহ ছাত্র-ছাত্রীদের সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে।
�ক্যাম্পাস সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত!
�আধুনিক সরঞ্জামাদি সম্পন্ন প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের ব্যবস্থা!
�আধুনিক লাইব্রেরী!
� ইনডোর গেমস খেলার সুব্যবস্থা!
ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য কিংবা শেরপুর পলিটেকনিক সম্পর্কে জানতে নিম্নোক্ত গ্রুপে জয়েন করুন-
https://www.facebook.com/groups/1927275757485216/