Life School

Life School Life is the best school, and ''Life School'' is the platform where people can learn for their ''Peaceful-Smart-Simple'' living. [email protected]

আল্লাহর নাম "আল-জাব্বার, যার অর্থ "দুর্নিবার"যিঁনি -তাঁর ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটান;তাঁর সৃষ্টি সমূহকে ভালোর দিকে আসতে বাধ্য ...
14/06/2018

আল্লাহর নাম "আল-জাব্বার, যার অর্থ "দুর্নিবার"
যিঁনি -

তাঁর ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটান;
তাঁর সৃষ্টি সমূহকে ভালোর দিকে আসতে বাধ্য করেন;
তাঁর সৃষ্টি সমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং সুউচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছেন;
তাঁর সৃষ্টি সমূহের বিষয়াদি সংস্কার ও সংশোধন করে থাকেন;

যেখানেই কোন ঘাটতি থাকে তিনি (আল-জাব্বার) তা পূরণ করে দেন।

13/12/2017

হে আল্লাহ! তুমি ঈমানকে আমাদের নিকট সুপ্রিয় করে দাও, এবং তা আমাদের অন্তরে সুশোভিত করে দাও। কুফর, অবাধ্যতা ও পাপাচারকে আমাদের অন্তরে ঘৃণিত করে দাও, আর আমাদেরকে হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করে নাও। হে আল্লাহ! আমাদেরকে মুসলমান হিসেবে মৃত্যু দাও। আমাদের মুসলমান হিসেবে বাঁচিয়ে রাখ। লাঞ্ছিত ও বিপর্যস্ত না করে আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের সাথে সম্পৃক্ত কর। [আহমদ : ১৪৯৪৫]

*আল-আকসা* মসজিদ সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ*আল আকসা* হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম মসজিদ। মুসলমানদের প্রথম কেবলা হিসেবে পরিচিত এ মসজিদটি প...
22/08/2017

*আল-আকসা* মসজিদ সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ
*আল আকসা* হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম মসজিদ। মুসলমানদের প্রথম কেবলা হিসেবে পরিচিত এ মসজিদটি পূর্ব জেরুজালেমে বা বায়তুল মোকাদ্দাসে অবস্থিত।

বর্তমানে ইহুদিবাদী ইসরাইল এ ঐতিহাসিক মসজিদটি দখল করে রেখেছে। ১৯৬৯ সালে তারা একবার আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগও করেছিল। আল আকসা মসজিদের অর্থ হচ্ছে ‘দূরবর্তী মসজিদ’।

এ পবিত্র মসজিদ থেকেই রাসূল (সাঃ) উর্ধাকাশে তথা মেরাজ গমন করেছিলেন। মহান আল্লাহ এ সম্পর্কে বলেছেন, "সকল মহীমা তাঁর যিনি তাঁর বান্দাকে এক রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছিলেন,যার চতুর্পার্শ্বকে আমি বরকতময় করেছি। (আর এই ভ্রমণ করানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে) যাতে আমি আমার নিদর্শন তাকে প্রদর্শন করি।" (সূরা বনী ইসরাইলঃ আয়াত ০১)

হযরত ইবরাহিম (আঃ) কর্তৃক কাবা গৃহ নির্মাণের ৪০ বছর পর হযরত ইয়াকুব (আ.) আল আকসা মসজিদ নির্মাণ করেন। এরপর খ্রিস্টপূর্ব ১০০৪ সালে হযরত সুলাইমান (আ.) এই মসজিদটির পূণর্নির্মাণ করেন। ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে সমগ্র বায়তুল মোকাদ্দাস এলাকা মুসলমানদের দখলে আসার পর মুসলমান শাসকরা কয়েকবার এ মসজিদের সংস্কার করেন।

কিন্তু ১০৯৬ সালে খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা ফিলিস্তিন দখল করে নেয়ার পর আল আকসা মসজিদের ব্যাপক পরিবর্তন করে একে গীর্জায় পরিণত করে। তারা মসজিদের গম্বুজের উপরে ক্রুশ স্থাপন করে এর নাম রাখে 'সুলাইমানি উপাসনালয়'।

এরপর ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম সেনাপতি গাজী সালাহউদ্দিন আইয়ুবী জেরুজালেম অধিকার করার পর পূর্বের নকশা অনুযায়ী আল আকসা মসজিদের পুণর্নির্মাণ করেন। ঐতিহাসিক এ মসজিদটির আয়তন সাড়ে তিন হাজার বর্গমিটার। আর এ মসজিদে ৫০০০ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন।

03/06/2017

রমজানে কী খাবেন - আর কী খাবেন না !

সময় মত সালাত আদায় না করা মুনাফিক -এর লক্ষণ!মুনাফিকরা সময় মত সালাত আদায় করে না। জামাতে ঠিক মত হাজির হয় না। তারা সালাতের জ...
31/05/2017

সময় মত সালাত আদায় না করা মুনাফিক -এর লক্ষণ!
মুনাফিকরা সময় মত সালাত আদায় করে না। জামাতে ঠিক মত হাজির হয় না। তারা সালাতের জামাত কায়েম হওয়ার শেষ সময় আসে আবার সর্বাগ্রে চলে যায়।
ﻋﻦ ﺍﻟﻌﻼﺀ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺃﻧﻪ ﺩﺧﻞ ﻋﻠﻰ ﺃﻧﺲ ﺑﻦ ﻣﺎﻟﻚ ﻓﻲ ﺩﺍﺭﻩ ﺑﺎﻟﺒﺼﺮﺓ ﺣﻴﻦ ﺍﻧﺼﺮﻑ ﻣﻦ ﺍﻟﻈﻬﺮ، ﻭﺩﺍﺭﻩ ﺑﺠﻨﺐ ﺍﻟﻤﺴﺠﺪ، ﻓﻠﻤﺎ ﺩﺧﻠﻨﺎ ﻋﻠﻴﻪ ﻗﺎﻝ : ‏« ﺃﺻﻠﻴﺘﻢ ﺍﻟﻌﺼﺮ؟ ﻓﻘﻠﻨﺎ ﻟﻪ : ﺇﻧﻤﺎ ﺍﻧﺼﺮﻓﻨﺎ ﺍﻟﺴﺎﻋﺔ ﻣﻦ ﺍﻟﻈﻬﺮ، ﻗﺎﻝ : ﻓﺼﻠﻮﺍ ﺍﻟﻌﺼﺮ، ﻓﻘﻤﻨﺎ ﻓﺼﻠﻴﻨﺎ، ﻓﻠﻤّﺎ ﺍﻧﺼﺮﻓﻨﺎ ﻗﺎﻝ ﺳﻤﻌﺖ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﻘﻮﻝ ﺗﻠِْﻚَ ﺻَﻼَﺓُ ﺍﻟﻤﻨُﺎَﻓﻖِِ ﻳَْﺠﻠﺲُِ ﻳَﺮْﻗُﺐُ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﺣﺘَّﻰ ﺇﺫَِﺍ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺑَﻴْﻦ ﻗَﺮْﻧَﻰِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ﻗَﺎﻡَ ﻓَﻨَﻘَﺮ ﺃَْﺭَﺑﻌًﺎ ﺍﻟﻠﻪ ﻟَﺎ ﻳَﺬُﻛُﺮ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺇﻟّﺎ ﻗَﻠِﻴﻼً »
অর্থঃ আলা ইবনে আব্দুর রহমান (রা.) হতে বর্ণিত, একদিন তিনি বছরায় আনাস ইবনে মালেকের বাড়ীতে প্রবেশ করেন। আর আনাস ইবনে মালেক তখন যোহরের সালাত আদায় করে বাড়ীতে ফিরেন। তার ঘর ছিল মসজিদের একেবারে পাশেই। আলা ইবনে আব্দুর রহমান বলেন, আমরা তার নিকট প্রবেশ করলে, তিনি আমাদের বলেন, তোমরা কি আসরের সালাত আদায় করছ? আমরা তাকে বললাম, আমরাতো কেবল যোহরের সালাত আদায় করে ফিরলাম। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আসরের সালাত আদায় কর। তারপর আমরা দাঁড়ালাম এবং আসরের সালাত আদায় করলাম। আমরা সালাতের সালাম ফিরাইলে তিনি বলেন, আমি রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কে বলতে শুনেছি মুনাফিকদের সালাত হল, তারা বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে। তারপর সূর্য যখন শয়তানের দুটি শিংয়ের মাঝে অবস্থান করে, তখন তারা তাড়াহুড়া করে সালাতে দাঁড়ায়, কাকের ঠোকরের মত চার রাকাত সালাত আদায় করে, তাতে আল্লাহর যিকির বা স্মরণ খুব কমই করা হয়ে থাকে।
[মুসলিম ৬২২]
আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম (রহ.) বলেন, তারা সালাতকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করে না। সালাতকে একদম শেষ ওয়াক্তে নিয়ে যায়, যখন সালাতের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তারা ফজর আদায় করে সূর্য উদয়ের সময়, আসর আদায় করে সূর্যাস্তের সময়। আর তারা সালাত আদায় করে কাকের ঠোকরের মত করে। তাদের সালাত হল, দেহের সালাত, তাদের সালাত অন্তরের সালাত নয়। তারা সালাতের মধ্যে শিয়ালের মত এদিক সেদিক তাকায়।
[মাদারেজুস সালেকীন ১/৩৫৪]

30/05/2017

আল্লাহ্‌র উপর ভরসা!

সিয়াম-এর আদব !“আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সিয়াম হল ঢাল। সুতরাং তোমাদের...
30/05/2017

সিয়াম-এর আদব !
“আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সিয়াম হল ঢাল। সুতরাং তোমাদের মাঝে যে সিয়াম পালন করবে সে যেন অশ্লীল আচরণ ও মুর্খতাসুলভ কথা ও কাজে লিপ্ত না হয়। যদি তাকে কেউ গালি দেয়, তাহলে তাকে বলে দেবে আমি সিয়াম পালনকারী, আমি রোজাদার।” [ সহীহ আল-বুখারী হাদীস নং ১৭৯৫, সহীহ মুসলিস হাদীস নং ১১৫১]
_____
অন্য বর্ণনায় এসেছে :
“তোমাদের কারো যখন রোজার দিন এসে যায় সে যেন অশ্লীল আচরণ ও শোরগোল না করে। যদি তাকে কেহ গালি দেয় বা তার সাথে মারামারি করতে চায় তাহলে তাকে বলে দেবে আমি একজন রোজাদার।” [সহীহ আল বুখারী হাদীস নং ১৮০৫]
আরেক বর্ণনায় এসেছে :
“রোজা রেখে তুমি কাউকে গালি দিবে না। যদি কেউ তোমাকে গালি দেয় তাহলে তাকে বলবে আমি রোজাদার। আর তখন যদি তুমি দাঁড়িয়ে থাকো তাহলে বসে যাবে।” [ নাসায়ী সনানে কুবরা ৩২৫৯, ইবনে কুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন হাদীস নং ১৯৯৪]
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে মিথ্যা কথা ও কাজ এবং মূর্খতা পরিত্যাগ করতে পারল না, তার পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” [সহীহ আল-বুখারী হাদীস নং ৫৭১০, আবু দাউদ হাদীস নং ২৩৬২, তিরমিজী হাদীস নং ৭০৭, নাসায়ী হাদীস নং ৩২৪৫]
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি নবী কারীম সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী কারীম সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সিয়াম হল জাহান্নাম থেকে বাঁচার ঢাল, যে ব্যক্তি রোজা রাখা শুরূ করে সে যেন সেদিন মুর্খতা সুলভ আচরণ না করে। যদি কোন ব্যক্তি তার সাথে মূর্খতা সুলভ আচরণ করতে চায় তাহলে তাকে মন্দ বলবে না, গালি-গালাজ করবে না। বরং তাকে বলে দেবে আমি রোজাদার।” [নাসায়ী হাদীস নং ১৬৭/৪, তাবারানী হাদীস নং ৪১৭৯, আল-বানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত যে, তিনি ও তার সহচরগণ যখন রোজা রাখতেন তখন মসজিদে বসে থাকতেন আর বলতেন, আমরা আমাদের রোজাকে পবিত্র রাখছি। [আহমাদ যুহদ অধ্যায় হাদীস নং ১৭৮, আবু নঈম হুলইয়াতে হাদীস নং ৩৮২/১]
হাদীসসমূহ থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
১) জাহান্নাম থেকে মুক্তির একটি মাধ্যম হল রোজা। কারণ রোজা কুপ্রবৃত্তির সকল প্রকার চাহিদা পূরণ থেকে মানুষকে দূরে রাখে। আর জাহান্নামতো কু-প্রবৃত্তির পর্দা দিয়ে আবৃত।
২) বৈধ-অবৈধ সকল প্রকার অশ্লীলতাই রোজাদারের জন্য নিষিদ্ধ। অশ্লীল কথা, যা কিছু প্রবল যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করে তার সকল কিছুই নিষিদ্ধ।
৩) মুর্খতাসুলভ সকল প্রকার আচরণ নিষিদ্ধ। যেমন চেঁচামেচি, শোরগোল, বকাঝকা, ঝগড়া-ফাসাদ, গালি-গালাজ ও অযথা বিতর্ক ইত্যাদি।
৪) যদি রোজাদার করো গালিগালাজ, চিৎকার-শোরগোল এর সম্মুখীন হয় তাহলে তার করণীয় হল :
● সে এ সকল কাজের কোন প্রতি-উত্তর করবে না। ধৈর্য ধারণ করবে।
● কথাবার্তা সতর্কভাবে বলবে। একান্ত প্রয়োজন না হলে কথা বলবে না। কথা কম বললে ভুল কম হবে।
● যে তাকে এগুলোতে লিপ্ত করতে চায় তাকে বলে দেবে আমি রোজাদার। এতে সে সতর্ক হয়ে যাবে। তাকে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত করতে প্রচেষ্টা চালাবে না।
● যদি প্রতিপক্ষ বিরত না হয় তাহলে তাকে বার বার বলতে হবে আমি রোজাদার।
● এ ধরনের পরিস্থিতিতে যদি রোজাদার দাঁড়িয়ে থাকে তাহলে তাকে বসে যেতে হবে। এতে সে প্রতিপক্ষের আচরণে উত্তেজিত হওয়া থেকে নিরাপদ থাকতে পারবে।
৫) এ সকল হাদীস থেকে এ কথা বুঝে নেয়ার অবকাশ নেই যে, অশ্লীলতা, গালিগালাজ, মুর্খতাসুলভ আচরণ, অসার ও অযথা বিতর্ক শুধু রোজা রাখা অবস্থায় নিষেধ, অন্য সময় নিষিদ্ধ নয়। বরং এর উদ্দশ্য হল, সর্বাবস্থায় এগুলো অবশ্যই নিষিদ্ধ বরং রোজা রাখা অবস্থায় এগুলোতে লিপ্ত হওয়া আরো জঘন্য অন্যায় এবং রমজান - রোজার শিক্ষা-বিরোধী।
৬) ইসলামী জীবন-দর্শনের মহত্ব প্রমাণিত। কিভাবে মুর্খ, অভদ্র আচরণের মোকাবেলায় অহিংস, সুন্দর আচরণ করতে হয় তার শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম তার অনুসারীদের।
৭) এ হাদীসের উদ্দেশ্য এটা নয় যে, যদি রোজাদারের উপর কেউ জুলুম-অত্যাচার করে তবে তার প্রতিকার করা যাবে না, বিচার চাওয়া যাবে না। তার উপর কেহ জুলুম অত্যাচার করলে অবশ্যই এর যথাযথ প্রতিকার করা বৈধ।
৮) রোজা যথাযথভাবে কবুল হওয়ার জন্য অবশ্যই যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে মুখ, লজ্জাস্থান ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গকে রক্ষা করতে হবে। বিরত থাকতে হবে মিথ্যা কথা ও কাজ, অশ্লীলতা, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, গীবত, পরনিন্দা, দুর্নীতি, খাদ্যে ভেজাল, মাপে কম দেয়া ইত্যাদি অন্যায় কাজ থেকে। এগুলো যে মুর্খতাসুলভ কাজ, তাতে কারো দ্বিমত নেই।
৯) অধিকাংশ আলেম এ ব্যাপারে একমত যে, গীবত, পরনিন্দা, মিথ্যা কথা, মুর্খতাপূর্ণ আচরণ ইত্যাদি কাজগুলো রোজা নষ্ট করে না। তবে তার সওয়াব অবশ্যই কমিয়ে দেয়। এবং এগুলোতে লিপ্ত হওয়ার অপরাধের শাস্তি আছেই।
১০) এ হাদীসসমূহ থেকে আরো প্রমাণিত হলো যে, রোজার উদ্দেশ্য শুধু ক্ষুধা-পিপাসা সহ্য করা নয়। যত রকম অনাচার, অন্যায়, অভদ্র আচরণ, মুর্খতা সুলভ কথা ও কাজ আছে তার সব কিছু থেকেই দূরে থাকতে হবে। যদি এগুলো থেকে বিরত থাকা না হয় তাহলে রোজা রেখে যেন কোন ফলই লাভ করা গেল না।
১১) এ হাদীসসমূহ থেকে আরো প্রমাণিত হল, মিথ্যা কথা ও মিথ্যা নির্ভর কাজই হলো সকল অন্যায়ের মূল।
এ জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
ﻓَﺎﺟْﺘَﻨِﺒُﻮﺍ ﺍﻟﺮِّﺟْﺲَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺄَﻭْﺛَﺎﻥِ ﻭَﺍﺟْﺘَﻨِﺒُﻮﺍ ﻗَﻮْﻝَ ﺍﻟﺰُّﻭﺭِ
“অতএব তোমরা প্রতিমার অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো এবং বেঁচে থাকো মিথ্যা থেকে।”
এ আয়াতে আল্লাহ পৌত্তলিকতার অপরাধের সাথে মিথ্যাকে উল্লেখ করেছেন। মিথ্যার ভয়াবহতা বুঝাতে এটাই যথেষ্ট।

28/05/2017

তারাবীহ কি তাহাজ্জুদ ? তারাবীহ ২০ রাকআত না ৮ রাকআত ?
একটি চমৎকার উত্তর দিলেন সাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ !

এই বিষয়ে কুরআন ও হাদিস থেকে প্রাসঙ্গিক আয়াতঃ
এতদিন কি বাপ দাদা ভুল করেছে ? হুজুর কি তাহলে ভুল বলে ?
এইসব প্রশ্ন নতুন নয়, এগুলা আগে জায়েলিয়াত এর সময় মুশরেক কাফেরগন বলতো।
তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ প্রশ্ন করেছেন,
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا إِلَىٰ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ وَإِلَى الرَّسُولِ قَالُوا حَسْبُنَا مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا ۚ أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ شَيْئًا وَلَا يَهْتَدُونَ
''যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান এবং রসূলের দিকে এস, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞান না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয় তবুও কি তারা তাই করবে?'' (সূরা মায়েদা ১০৪)

- দলাদলি আর মতবিরোধ এর সমাধান কি তাহলে ? কে ভুল আর কে সঠিক আমরা কিভাবে বুঝব ?
আল্লাহ্‌ এর সমাধান দিয়েছেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ ۖ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا
হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর ও রাসূলের অনুগত হও এবং তোমাদের জন্য যারা বিচারক তাদের; অতঃপর যদি তোমাদের মধ্যে কোন বিষয়ে কোন মতবিরোধ হয় তাহলে আল্লাহ ও রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তিত হও, যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে থাক; এটাই কল্যাণকর ও শ্রেষ্ঠতর পরিসমাপ্তি।

- আমরা কুরআন ও হাদিস পড়িনা বলেই আজকে এই অবস্থা। আমাদের উচিৎ ইসলাম শিক্ষা করা এবং সহিহ হক্কপন্থি আলেমদের নিকট দলীল প্রমানসহ জেনে নেওয়া। ভ্রান্ত হুজুরদের থেকে দূরে থাকুন।
তারাবীহর সলাত এর দলীল এবং খন্ডন নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন এবং বুঝুনঃ
http://zakiulhaque.blogspot.com/2017/05/blog-post_28.html

ত্বালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নাবী ﷺ যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এই দো‘আ পড়তেন,ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻛْﺒَﺮُ، ﺍ...
27/05/2017

ত্বালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নাবী ﷺ যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এই দো‘আ পড়তেন,
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻛْﺒَﺮُ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻫِﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺑِﺎﻟْﺄَﻣْﻦِ ﻭَﺍﻟْﺈِﻳﻤَﺎﻥِ، ﻭَﺍﻟﺴَّﻼَﻣَﺔِ ﻭَﺍﻟْﺈِﺳْﻼَﻡِ، ﻭَﺍﻟﺘَّﻮْﻓِﻴﻖِ ﻟِﻤَﺎ ﺗُﺤِﺐُّ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﺗَﺮْﺿَﻰ، ﺭَﺑُّﻨَﺎ ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ .
(আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহু ‘আলাইনা বিলআমনি ওয়ালঈমানি ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল-ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীকি লিমা তুহিব্বু রব্বানা ওয়া তারদ্বা, রব্বুনা ওয়া রব্বুকাল্লাহ)
“আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের উপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে; আর হে আমাদের রব্ব! যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন তার প্রতি তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ আমাদের রব্ব এবং তোমার (চাঁদের) রব্ব।”
[তিরমিযী ৫/৫০৪, নং ৩৪৫১; আদ-দারিমী, শব্দ তাঁরই, ১/৩৩৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৭।]

 #রমাদান Checklist:- - -১. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রমাদানের সিয়াম পালন করছি তো?২. দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত স্বলাত (নামাজ) আদা...
26/05/2017

#রমাদান Checklist:
- - -
১. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রমাদানের সিয়াম পালন করছি তো?
২. দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত স্বলাত (নামাজ) আদায় করছি তো?
৩. মিথ্যা কথা বলছি না তো?
৪. যাবতীয় অশ্লীলতা থেকে দূরে আছি তো?
৫. প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করছি তো?
৬. অন্যের হক্ব (অধিকার/প্রাপ্য) নষ্ট করছি নাতো?
৭. আত্মীয়-স্বজনদের দ্বীন পালনের ব্যাপারে উৎসাহিত করছি তো?
৮. আল্লাহর নিকট বেশি বেশি দু'আ করছি তো?
-
এই রমাদানে প্রতিদিনের Checklist -এ অন্তত উপরের আটটি বিষয় রাখবো - া_আল্লাহ্।
-
ক্লিক >> #রমাদান_১৪৩৮ #রমাদান_২০১৭

21/05/2017

রাগের মাথায় সন্তানদের অভিশাপ দিয়ে ফেললে সন্তানদের ক্ষতি হবে কি?

Address

158/A3, Road-05, Block-C, Ward-01, Asulia Union Porishad, P. O./Savar Cantt, P. S./Asulia, Dhaka
Savar
1344

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
14:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 13:00
14:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 13:00
14:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 13:00
14:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 13:00
14:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Life School:

Shortcuts

Share

Category