Ahasan Habib

Ahasan Habib আলহামদুলিল্লাহ,,,

21/08/2026

খাবার কন্ট্রোল ও ব্যায়াম বাদে চিকন হবো কীভাবে?🙄

18/08/2026
মারজুক রাসেলের বাবা ছিলেন পাটকলের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী। জন্ম গোপালগঞ্জে হলেও থাকতেন দৌলতপুরে নির্ধারিত কোয়ার্টারে। অষ্...
17/08/2026

মারজুক রাসেলের বাবা ছিলেন পাটকলের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী। জন্ম গোপালগঞ্জে হলেও থাকতেন দৌলতপুরে নির্ধারিত কোয়ার্টারে। অষ্টম শ্রেনী পড়াকালীন ‘জনবার্তা’ পত্রিকায় তার প্রথম কবিতা ছাপা হয়। তখন তিনি একজন মাদ্রাসার ছাত্র।
এরপর শুরু তার 'হিমু হবার গল্প'!
১৯৯৩ সালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে খুলনা থেকে ঢাকা আসেন তিনি। কবি শামসুর রাহমানের বাড়িতে যান। ডোরবেল বাজাতে কবি নিজেই দরজা খোলেন। তিনি কবিকে বলেন, ‘আমি অনাহারী’।

এই শব্দ দুটি কবির একটি বইয়ের শিরোনাম। টুঙ্গিপাড়ায় কেবল দু-একবার দেখা হওয়া তরুণটিকে কবি হয়তো ভালো করে চিনতেও পারেননি। কিন্তু তার মুখে নিজের বইয়ের নাম শুনে এবং তরুণের সত্যিকার অনাহারী চেহারা দেখে কবি শামসুর রাহমান তাকে ভেতরে নিয়ে যান। ছেলেটার জন্য তিনি খাবার টেবিলে সাজান অনেক রকমের খাবার।

বেঁচে থাকার জন্য সিনেমার টিকিট বিক্রি করেছেন, ফুটপাথে হকারগিরি করেছেন। তখন তিনি থাকতেন তোপখানা রোডের একটি গাড়ির গ্যারেজে। এর মধ্যে একটি কনস্ট্রাকশন হাউজে কাজ পেয়ে যান তিনি।

এরপরই যাওয়া শুরু করেন আজিজ মার্কেটে। পরিচিত হতে থাকেন নবীন-তরুণ লেখকদের সঙ্গে। সে সময় কবিতা, গল্প লেখার পাশাপাশি শুরু করেন গান লেখা। গানের সংখ্যা যখন অনেক হলো তখন সেগুলো নিয়ে সে সময়ের বিখ্যাত সুরকারদের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। সবাই শুধু আশ্বাসই দিয়েছে, এর বেশি কিছু না।

এর মাঝে ফারুক মাহমুদের সাথে সাক্ষাত হয় তার। তিনি তাকে সংবাদমাধ্যমে চাকরির সুযোগ করে দেন। পত্রপত্রিকায় লেখা শুরু করেন। এরই মধ্যে সঞ্জীব চৌধুরীর সাথে দেখা করার সুযোগ মেলে। তিনি তার লেখা পড়ে নগরবাউল জেমসের সাথে দেখা করার জন্য বলেন। তখন জেমসের ‘লেইস ফিতা লেইস’ অ্যালবামের কাজ চলছিল। তিনি লেখা পড়ে তাঁর সাথে সার্বক্ষণিক রাখেন এবং গুরু জেমসের জন্য গান লিখতে শুরু করেন। তারপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

গুরু জেমসের বেশকিছু জনপ্রিয় গান লিখেন যার মধ্যে মীরা বাঈ, পত্র দিও, শরাবে শরাব, হা ডু ডু, আমি ভাসব যে জলে তোমায় ভাসাবো সেই জলে, দে দুরে, বাইসকুপের খেলা, রাখে আল্লাহ মারে কে, হাউজি, তেরো নদী সাত সমুদ্র......

এছাড়াও আইয়ুব বাচ্চু বিখ্যাত একটা গান আমিতো প্রেমে পড়িনি প্রেম আমার উপরে পড়েছে, ললনা, তোমার চোখে দেখলে বন্ধু, পান্থকানাই এর গোল্লা, ইশান কোণের বায়ু, আসিফ আকবরের ও আমার পাগলা ঘোড়া রে, সবার বাংলাদেশ, তুমি হারিয়ে যাওয়ার সময় আমায় সঙ্গে নিও, নারী, বদলে, মিল, মাইথ, জলকন্যা, ফুঁ….

হাবিব ওয়াহিদের সেই বিখ্যাত গান দ্বিধা (ভিতর বলে দূরে থাকুক বাহির বলে আসুক না)

আরেফিন রুমির দোলনা তার লেখা উল্লেখযোগ্য গানসমূহ। এখনো সমানতালে লিখে চলেছেন মারজুক রাসেল।

তার প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় ‘শান্টিং ছাড়া সংযোগ নিষিদ্ধ’(২০০০), এরপর আসে ‘চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোলো’ (২০০১), তৃতীয় বইটি হলো, ‘বাঈজি বাড়ি রোড’(২০০২), চতুর্থ বইটি হলো ‘ছোট্ট কোথায় টেনিস বল’(২০০৫), মাঝখানে একটা দীর্ঘ বিরতি তারপর আসে দেহবণ্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর―মারজুক রাসেল (২০২০), হাওয়া দেখি, বাতাস খাই―মারজুক রাসেল (২০২২)

মোস্তফা সারওয়ার ফারুকীর ব্যাচেলর (২০০৪) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম অভিনয়ের সূচনা হয় তার। এছাড়াও মেইড ইন বাংলাদেশ (২০০৭), রাত্রীর যাত্রী (২০১৭), সাপলুডু( ২০১৯) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

এরপর তিনি বহু টেলিভিশন নাটক, বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম টেলিভিশন নাটক মোস্তফা সারওয়ার ফারুকীর 'আয়না মহল'।

এছাড়াও একাধিক মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন তিনি ঘুড়ি তুমি কার আকাশে উড়ো (২০১২), স্মৃতিকথা (২০১৭) ইত্যাদি......

এতগুলো সময় কেটে গেলেও আজো ঠিক প্রথম সময়ের মতই পাগলাটে। খ্যাতির সাগরের দুর্বার ঢেউয়ে তিনি যে পথ হারিয়ে বদলে যাননি – সেটা তাঁর জীবন যাপন, স্যোশাল মিডিয়ায় তাঁর লেখালেখি দেখলেই পরিস্কার হয়ে যায়। হবে নাই বা কেন, তিনি তো ‘অনেক-কিছুই-ছাইড়া-আসা-লোক’!

কবি, গীতিকার, মডেল, অভিনেতা - একজন 'মারজুক রাসেল' যাকে এই পর্যন্ত আসতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে।

গতকাল ১৫ আগষ্ট ছিল এই সব‍্যসাচী শিল্পীর জন্মদিন। আমরা জানি তিনি গীতিকার কিন্তু বাংলাদেশের আধুনিক প্রজন্মের জন্য তার গীতিকাব্যের গভীরতা অনেকেরই অজানা। তার শুভ জন্মদিন স্মরণে অকৃতদার এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধায় এ সংকলন।

মাছটি কত নাম্বার পথ দিয়ে বের হতে পারবে??
16/08/2026

মাছটি কত নাম্বার পথ দিয়ে বের হতে পারবে??

13/08/2026

আমার ছোট বোন কলি চার বছর থেকে অন্ধ। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ও নাকি মানুষ দেখলে বুঝতে পারে সেই মানুষটা আর কতদিন বাঁচবে।

​ও আমাদের ফিসফিস করে বলতো, “মা, ঐ আঙ্কেলটার মাথার উপর কালো ধোঁয়া উড়ছে, আর মাত্র তিন দিন।” তিন দিন পরই নাকি সেই লোক রাস্তায় ট্রাক এক্সিডেন্টে মারা যেতো।
ও বলতো, “ভাইয়া, কাজের বুয়াটার গায়ের উপর মাটির গন্ধ আসছে, কালকে আর আসবে না।” পরদিন সত্যিই খবর আসতো বুয়া স্ট্রোক করে মারা গেছে।

​বিজ্ঞান বা লজিক দিয়ে ওর এই ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা সম্ভব ছিল না। আমার বাবা মা ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তাই তারা কাউকে কখনো এই কথা জানাতেন না। কিন্তু পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে আমি জানতাম, অন্ধদের বাকি ইন্দ্রিয়গুলো নাকি অতিরিক্ত ধারালো হয়, কলির ক্ষেত্রে হয়তো সেটাই ভয়াবহ অভিশাপে রূপ নিয়েছিল।

​গত মাসে আমাদের পুরো পরিবার একটা নতুন ফ্ল্যাটে শিফট করি। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের একটা নির্জন ছিমছাম গলি, সাততলা বিল্ডিংয়ের তিনতলায়।

​কিন্তু নতুন বাসায় আসার পর থেকেই কলি একদম চুপচাপ হয়ে গেল। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলো, সারা রাত বিছানায় বসে শূন্য চোখে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকতো।

​এক রাতে আমি ওর ঘরে ঢুকলাম। ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলো জানালার কাচ গলে ওর সাদা গায়ের উপর পড়েছে।

​আমি ওর পাশে বসে চুলে হাত বুলে দিয়ে বললাম, “কী হয়েছে রে কলি? ঘুমাস না কেন?”

​কলি আমার হাতটা খুব শক্ত করে ধরলো। ওর হাতটা বরফের মতো ঠাণ্ডা।

​ও ফিসফিস করে কাঁপা গলায় বললো, “ভাইয়া, এই বাসায় কোনো মানুষ নেই।”

​আমি হেসে ফেললাম, “মানে কি বলিস? এই তো বাবা পেপার পড়ছে, মা রান্নাঘরে, তুই আর আমি...”

​কলি আমার কথা থামিয়ে দিয়ে ওর দুটো অন্ধ, সাদাটে মনি আমার মুখের একদম কাছাকাছি নিয়ে এলো।

​“না ভাইয়া, তুই বুঝতে পারছিস না। আমি কখনো তোদের শরীরের কোনো ঘ্রাণ পাই না। তোদের মাথার উপর কোনো আলো দেখি না। তোদের নিঃশ্বাসের কোনো শব্দ শুনি না। গত চার বছর ধরে আমি তোদের সাথে বাস করছি, কিন্তু তোদের কারো ভেতরে কোনো প্রাণের ছায়া নেই।”

​আমি জমে গেলাম। গায়ের লোমগুলো খাঁড়া হয়ে উঠলো। “কী আবোল তাবোল বলছিস কলি?”

​কলি হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো।

“আমি সত্যি বলছি ভাইয়া! চার বছর আগে যে মারাত্মক এক্সিডেন্টে আমি আমার চোখের জ্যোতি হারিয়েছিলাম, ঐ এক্সিডেন্টে তোরা তিনজন সাথে সাথে মারা গিয়েছিলি! তোরা মরে গেছিস ভাইয়া! তোদের কোনো ছায়া নেই!”

​আমার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠলো। ​আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠলাম, “মিথ্যা কথা! আমি জ্যান্ত মানুষ, আমি তোকে ছুঁয়ে আছি, বাবা-মা জ্যান্ত।”

​কলি কাঁদতে কাঁদতে নিজের দু হাত দিয়ে মুখ ঢেকে বললো, “তোরা মরে গেছিস বলেই তোরা টের পাস না! তোরা পচা লাশের মতো এই ঘরে ঘুরে বেড়াস আর ভাবিস তোরা বেঁচে আছিস। তোরা ভূত ভাইয়া, তোরা মরে গেছিস।”

​আমি সহ্য করতে পারলাম না। কলিকে ঘরে একা ফেলে আমি দ্রুত ওর ঘর থেকে বের হয়ে ডাইনিং রুমে এলাম।

​বাবা পেপার পড়ছিলেন, মা কিচেন থেকে এক কাপ চা এনে বাবার টেবিলে রাখলেন। সবকিছু একদম স্বাভাবিক, একদম সাধারণ এক মধ্যবিত্ত পরিবার।

​আমি হাঁপাতে হাঁপাতে গিয়ে বাবার পাশে দাঁড়ালাম।

​“বাবা, কলি এসব কী বাজে কথা বলছে? ও বলছে তুমি, আমি, আর মা নাকি চার বছর আগে এক্সিডেন্টে মারা গেছি? আমরা নাকি জ্যান্ত মানুষ না?”

​বাবা পেপারটা টেবিলের উপর নামিয়ে রাখলেন।

​তারপর বাবা মা দুজনেই খুব শান্ত চোখে আমার দিকে তাকালেন এবং বিকট শব্দে হাসতে শুরু করলেন।

হাসি থামিয়ে ​বাবা আলতো করে আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন, “কলি তো অন্ধ রে সোহেল। ও দেখতে পায় না। ও শুধু অনুমান করার চেষ্টা করে।”

​তারমানে আমার ধারনায় সঠিক। অন্ধ মেয়েটার মনস্তাত্ত্বিক ভুল ধারণা ছাড়া এসব আর কিছুই না।

​বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চায়ের কাপে একটা চুমুক দিলেন।

​তারপর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুব স্বাভাবিক গলায় বললেন, “কলি তো দেখতে পায় না, তাই বোঝে না। চার বছর আগে ঐ মারাত্মক এক্সিডেন্টে আসোলে আমরা কেউ বাঁচিনি, ও নিজেও তো আমাদের সাথেই মারা গিয়েছিল।”
#কপি_পেস্ট ভুতের গল্প।

কি বলবো ভাই! ড'নকে রমজান মাসে এফডিসির ইফতার পার্টিতে, 'মুয়াজ্জিন' হয়ে 'ফবিত্র কণ্ঠে' আজান দিতে দেখা যেত! গত রমজানে দেখলা...
12/08/2026

কি বলবো ভাই! ড'নকে রমজান মাসে এফডিসির ইফতার পার্টিতে, 'মুয়াজ্জিন' হয়ে 'ফবিত্র কণ্ঠে' আজান দিতে দেখা যেত! গত রমজানে দেখলাম ভি'লেন মিশা সওদাগর বলছেন ড'নের আজান শুনলে আমি পা%গ%ল হয়ে যাই! মনে হয়, যেন মক্কা মদিনার মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে সেই সুমধুর পবিত্র আজান শুনতেছি!

ওমা, এই 'আল্লাওয়ালা মুমিন' ডন এখন সালমান শার খু%নি,
চিন্তা করেন এতো বছর ধরে সে এই সত্য লু'কি'য়ে রেখেছেন.
সালমান ভাইয়ের একটা মুভি আছে সত্যের মৃ%ত্যু নেই.
এটা ই বাস্তব হয়ে ফিরে এসেছে।😅💔

Address

Dhaka
Savar
1340

Telephone

+8801912315126

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahasan Habib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share