20/05/2026
উচিৎ শিক্ষা দিয়েছে,,,
আলহামদুলিল্লাহ,,,
20/05/2026
উচিৎ শিক্ষা দিয়েছে,,,
20/05/2026
আপনার পড়াশোনার পেছনে সবচেয়ে বড়ো অবদান রাখা মানুষটি কে?
যার জন্য আজ এতদূর পৌঁছে গেছেন।
13/05/2026
কারে বিশ্বাস করি!??
এতদিন শুনছিলাম কসাই ঠকায় এখন দেখি মাছুয়ার কাছে মাছ কাটলেও ঠকায়!!🤪🤪
আপনার স্বামী যদি গুনাহ থেকে বাঁচতে দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়.!
অনুমতি দিবেন 😒
07/05/2026
একটি পডকাস্টে পলাশ (কাবিলা) তার জীবনের একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা শেয়ার করতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন… 💔
ঘটনাটা ২০২০ সালের। হঠাৎ করেই হ্যা%ক হয়ে যায় পলাশের ফেসবুক আইডি। প্রায় ১০–১২ দিন পর একজন “অমি ভাই”-কে মেসেজ দিয়ে বলে,
“পলাশ ভাই যখন পাশে থাকবে, তখন একটা ভিডিও কল দিয়েন।”
কাবিলা তখন মজা করেই বলেছিল,
“কিরে ভাই! নিজেই নিজের আইডির সাথে আবার কথা বলবো নাকি!”
এরপর সেই লোকটা অডিও কলে আসে। খুব বেশি কিছু না বলে শুধু জানায়, সে আইডিটা ফিরিয়ে দেবে। কিছুক্ষণ পর মেইন আইডি থেকেই নক দেয়, আর শুরু হয় প্রায় আড়াই ঘণ্টার দীর্ঘ আলাপ।
কথা বলতে বলতে জানা যায়৷ লোকটা কাবিলার বিশাল বড় একজন ভক্ত। নিয়মিত মেসেজ দিতো নাটক নিয়ে, নিজের জীবন নিয়ে বিশেষ করে তার মাকে নিয়ে। কিন্তু সেসব মেসেজ পড়ে ছিলো “Others Message” এ, তাই কখনো চোখে পড়েনি।
লোকটার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে নিয়মিত দেখতেন। ছেলেটা লক্ষ্য করেছিল সারাদিন হয়তো তার মা একবারও হাসতেন না, কিন্তু নাটকে “কাবিলা” আসলেই ঠিক হাসতেন। সেই হাসিটুকুই ছিলো তার সবচেয়ে বড় শান্তি… সবচেয়ে বড় স্বস্তি। 🌸
ছেলেটার খুব ইচ্ছে ছিলো, একবার তার মায়ের সাথে কাবিলার দেখা করাবে। কিন্তু সেই সুযোগ আর হয়নি।
সব জানার পর পলাশ যখন বলেছিল,
“চলেন ভাই, আমি আপনার আম্মুর সাথে দেখা করি”
তখন ছেলেটা চুপ করে জানায়
“ভাই… মা আর বেঁচে নেই।”
এই না-পাওয়া, এই কষ্ট, এই অভিমান নিয়েই সে কাবিলার আইডি হ্যাক করেছিল… শুধু একবার যোগাযোগ করার জন্য।
কখনো কখনো একজন অভিনেতা বুঝতেই পারেন না তিনি কারো জীবনের কতটা অন্ধকার সময়ে একটু হাসির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন 💔
06/05/2026
#ঢামেক-এ ঔষধ প্রতিনিধিদের আটক: পেশাগত দায়িত্ব নাকি শৃঙ্খলার প্রশ্ন?
আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান এবং আটকের বিষয়টি দেখে কিছু কথা বলতে ইচ্ছে হলো। বিষয়টি যেমন শৃঙ্খলার, তেমনি মানবিক ও পেশাগত সম্মানেরও।
১. রোগীদের দুর্ভোগ ও হাসপাতালের শৃঙ্খলা:
আমরা সবাই জানি, সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের প্রচণ্ড ভিড় থাকে। ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে প্রতিনিধিদের ভিড় বা প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলা নিয়ে সাধারণ রোগীদের প্রায়ই অভিযোগ থাকে। হাসপাতালের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি আইনত সঠিক।
২. প্রতিনিধিদের জীবন ও সংগ্রাম: 💼
কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটাও আমাদের দেখা উচিত। এই প্রতিনিধিরা মূলত শিক্ষিত যুবক, যারা স্রেফ নিজেদের কোম্পানির দেওয়া দায়িত্ব পালন করতে সেখানে যান। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকে তারা শুধু নিজেদের জীবিকা অর্জনের চেষ্টা করেন। তাদের ওপর কোম্পানির 'টার্গেট' এবং 'ডিউটি'র চাপ থাকে। এই অবস্থায় তাদের 'অপরাধী'র মতো আটক করাটা অনেকের কাছেই অমানবিক মনে হতে পারে।
৩. সমাধান কোথায়? 🤝
আসলে এভাবে আটক বা জেল-জরিমানা কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।
প্রতিনিধিদের জন্য হাসপাতালে একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত।
ডাক্তারদের সাথে দেখা করার জন্য আলাদা ভিজিটিং আওয়ার থাকতে পারে।
কোম্পানিগুলোর উচিত তাদের প্রতিনিধিদের এমনভাবে দিক-নির্দেশনা দেওয়া যাতে কোনোভাবেই সাধারণ রোগীর সমস্যা না হয়।
উপসংহার: হাসপাতাল রোগীদের জন্য, আর প্রতিনিধিরা সেই চিকিৎসারই একটি সহায়ক অংশ। শৃঙ্খলার প্রয়োজনে কঠোর হওয়া যেমন জরুরি, তেমনি যারা পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন তাদের আত্মসম্মান এবং কর্মসংস্থানের বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে দেখা দরকার। পারস্পরিক সম্মান এবং নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
আপনার কী মনে হয়? এই অভিযান কি সঠিক সমাধান, নাকি সময় নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত ছিল?
— আপনার মতামত জানান কমেন্টে। 👇
#দ্বীনইসলামনয়ন #কমিউনিটিপ্যারামেডিকফার্মাসিষ্টওকেয়ারগিভার
আরেকবার সুযোগ দেওয়া হলে কোন বিষয় নিয়ে পড়তে চাইবেন?