01/10/2024
কি যে একটা অবস্থা কিছু দিন পর পর একেক জনের একেক কাহিনি। কে ভালো কে খারাপ বুঝা বড়ো দায়.? 😐🖤
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গণ বিশ্ববিদ্যালয়, Community College, Savar.
01/10/2024
কি যে একটা অবস্থা কিছু দিন পর পর একেক জনের একেক কাহিনি। কে ভালো কে খারাপ বুঝা বড়ো দায়.? 😐🖤
26/08/2024
মুগ্ধর পানির বোতল, রুমিন ফারহানার হাওয়া ভবন নিয়ে কথা বলার সময় সে কুইন ছিলো। লুঙি ড্যান্স নিয়ে কথা বলায় সে 'বি:'চ' হয়ে গেলো। এমন কিছু নয়তো যে, সাথে থাকলে সঙ্গী, না থাকলে জঙ্গী।
সাংবাদিক দের কাজ টাই এমন.. আমার দেখা আপুটা সেরা সাংবাদিক ❤️
রোকসানা আনজুম নিকোল Jamuna Television
14/06/2020
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনামুক্ত হয়েছেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এন্টিজেন কিট দিয়ে পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ‘জিআর-কোভিড-১৯ র্যাপিড টেস্ট’ কিট উদ্ভাবক বিজ্ঞানী-গবেষক দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি নিজে অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি কিট দিয়ে ডা. জাফরুল্লাহর পরীক্ষা করেছি। পরীক্ষার যে ফলাফল পেয়েছি তাতে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার শরীরে যথেষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তাকে এখন সুস্থ বলা যায়। তবে তার কিডনির সমস্যা এবং গত কিছুদিন যে ধকল গেছে তাতে আরও পাঁচ দিন তাকে হাসপাতালে থাকতে হবে। যদিও তিনি আর হাসপাতালে থাকতে চাইছেন না, এ কারণে গতকাল পরীক্ষায় কোভিড১৯ নেগেটিভ আসার পরও তাকে তখন এটা জানানো হয়নি।’
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বর্তমান অবস্থা জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, পরীক্ষায় ডা. জাফরুল্লাহর দেহে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সারাদিন তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিয়েছেন। বাড়তি অক্সিজেন ছাড়াই তিনি আজ প্রায় সারাদিন অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৫% রাখতে পেরেছেন।
29/05/2020
লিডারশীপ শিখতে চান?
ডা: জাফরুল্লাহ'র ইন্টারভিউটা পড়ুন।
"কেবিন বুকড থাকার পরও আপনি হাসপাতালে না গিয়ে বাসায় আছেন কেন?
আমি তো ডাক্তার। করোনা রোগ নিয়েও কাজ করছি। আমি জানি, করোনা রোগীর কোন সময় হাসপাতালে যেতে হবে আর কোন সময় বাসায় থাকতে হবে। করোনা শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে চলে যেতে হবে— এটি একেবারেই ঠিক নয়।
আমি যদি হাসপাতালে গিয়ে কেবিনে উঠি তাহলে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে যে, শনাক্ত হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে চলে যেতে হয়। করোনা রোগীদের জন্যে আমি ভুল বার্তা দিতে চাই না। ফলে, আমার জন্যে হাসপাতালে কেবিন বুকিং দিয়ে রাখা সত্ত্বেও আমি হাসপাতালে না গিয়ে বাসায় আছি। এটাই করোনা রোগের সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
সবার ক্ষেত্রে এটাই করা উচিত। এমনিতেই হাসপাতালে জায়গা নেই। যাদের দরকার নেই তারাও যদি হাসপাতালে চলে যাই, তাহলে তো সংকট আরও বাড়বে।
আপনি প্লাজমা থেরাপি কোথায় নিলেন?
গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি নিয়েছি।
সেখানে প্লাজমা থেরাপির ব্যবস্থা আছে?
থাকবে না কেন? আমরা একটা হাসপাতাল বানিয়েছি সেই হাসপাতালে যদি আমাদের নিজেদের চিকিৎসাই করতে না পারি, তাহলে তা থাকারই কোনো অর্থ নেই। যে হাসপাতালে আমরা নিজেদের চিকিৎসা করতে পারব না, সেই হাসপাতাল রাখব কেন? সেই হাসপাতাল তৈরি করব কেন? আমি আমার সব রকমের চিকিৎসা আমাদের হাসপাতালে করি।
আপনার হাসপাতালে করোনার সকল চিকিৎসা আছে?
কেন থাকবেনা আমাদের নিজস্ব কীটের মাধ্যমে দুইদিন ধরে আমরা পরিক্ষা করাচ্ছি আর চিকিৎসা দিচ্ছি। আমাদের এখানে দুই ধাপে পরিক্ষা করা হয় ইচ্ছা করলে কারও করোনা আছে কিনা সেটা পরিক্ষা করতে পারবে যার দাম ৩৫০ টাকা আর এন্টিবডি টেস্ট ৩৫০ টাকা গণ প্রডাকশনে গেলে আরও কমবে। যেখানে অন্য যে কোন জায়গায় গেলে কমপক্ষে ৪৫০০ টাকা খরচ হয় আমরা সীদ্ধান্ত নিয়েছি প্লাজমা থেরাপি দিয়ে আপাতত করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা চালাবো আমরা আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছি সামনে রোগী বাড়বে তাই হাসপাতালে ৫৪ একরের বাকি জায়গায় ৩০০০/৩৫০০ বেডের অস্থায়ী হাসপাতাল বানিয়ে চিকিৎসা দিব। আমাদের আসল উদ্দেশ্য যতবেশি টেস্ট করা যায়।
আজ থেকে ১৮ বছর আগে যখন আমার চোখের অপারেশন করা দরকার হয়েছিল তখন আমি তা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে করিয়েছিলাম। তখন আমি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্য ছিলাম। সেসময় পৃথিবীর যে কোনো দেশে, পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশের উন্নত হাসপাতালটিতেও আমি বিনা পয়সায় চোখের অপারেশন করাতে পারতাম। কিন্তু, আমি তা করাইনি। জনগণের মাঝে কখনোই কোনো ভুল তথ্য বা ভুল বার্তা দিতে চাইনি। চোখের অপারেশন আমি আমাদের হাসপাতালেই করিয়েছি এবং বাংলাদেশের মানুষকে বুঝাতে চেয়েছি যে এই অপারেশন বাংলাদেশেও করা যায় এবং তা খুবই মানসম্পন্ন।
প্রায় ১৮ বছর আগে আমি চোখে যে অপারেশন করিয়েছিলাম তা বাংলাদেশের হাসপাতাল তথা আমাদের হাসপাতাল সফলভাবে করেছিল। আজকে পর্যন্ত আমার চোখে কোনো সমস্যা নাই। আমাকে চশমাও ব্যবহার করতে হয় না।
আমার আমেরিকা-ইউরোপের বন্ধুরা অনেকবার উদ্যোগ নিয়ে বলেছে, চলে আসো। বিনা খরচে আমরা তোমার কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের ব্যবস্থা করবো। রাজি হইনি। কারণ, আমি একা সুবিধা নেব আর বাংলাদেশের সব মানুষ বঞ্চিত থাকবে, তা হতে পারে না।
25/12/2017
13/05/2016
13/05/2016
24/04/2016