29/08/2025
আগে করা এই পোস্ট টি ২০২২ সালের। #২০২৫ এর আপডেট হল
এখন ঢাকা সিভিল সার্জন বিএসএমএমইউ, মানষিক হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এই ৩ টির রিপোর্ট গ্রহণ করবে।
"ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এন্ড রেফারেল সেন্টার" শুধু ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দাদের টেস্ট করায়। অন্য জেলার হলে যোগদান ঢাকায় হলেও আপনার টেস্ট করাবেনা।
মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে আবার রাত ৩টা থেকে সিরিয়াল দেয়া হয় একদিনে ৪০ জন এর বেশি টেস্ট করায়না ।
#মেডিকেল_সনদ #নতুন_চাকরিপ্রার্থীদের_মেডিকেল সনদ #জেলা_সিভিল_সার্জন_অফিস
#প্রসঙ্গ_স্বাস্থ্য_সনদ বা #মেডিকেল_সার্টিফিকেট উত্তোলন ২০২২:
#জেলা_সিভিল_সার্জনের কার্যালয় থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট:
চাকরি হবার পর চাকরিতে জয়েন করার সময় সবচেয়ে ইম্পোর্টেন্ট হয়ে দাঁড়ায় মেডিকেল সার্টিফিকেট।
বেসরকারি চাকরিতে যেকোন রেজিস্ট্রাড ডাক্তারের বা হাসপাতালের প্যাডে নরমাল ফরমেটে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিলেই হয়। কিন্তু সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তা চলবে না, আপনাকে অবশ্যই জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হবে।
যারা ঢাকার বাইরে অন্য জেলা থেকে স্বাস্থ্য সনদ নেবেন তারা ঐ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের নিয়মাবলি অনুসরণ করবেন।
যারা ঢাকা থেকে নিতে চান তারা নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করবেন, আপনার কাজ অনেক সংক্ষিপ্ত হবার পাশাপাশি অল্প খরচে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে পারবেন।
ধাপ১ঃ চাকরিতে জয়েনিং ডেটের মিনিমাম ৪/৫ দিন আগে কাজ শুরু করবেন। নিজের সাথে নিয়োগপত্রের ৪ টা ফটোকপি ও চার কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি রাখবেন।
[১ম দিন]
ধাপ২ঃ সকাল সকাল আগারগাঁওয়ে অবস্থিত "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এন্ড রেফারেল সেন্টার" এ চলে যাবেন। গেইটে লম্বা লাইন দেখলে ঘাবড়াবেন না, ওটা ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ডোপ টেস্টের লাইন। মেইন গেইটে লাইন থাকলে আপনি এক্সিট গেইটের গেইটম্যান কে গিয়ে বলবেন চাকরি জয়েনের জন্য মেডিকেল টেস্ট করাবো, সে আপনাকে রাস্তা দেখিয়ে দিবে।
নিচের ৩ টা ছবির ১ম ছবিটি প্রিন্ট করে নিবেন, টেস্ট ১, ২, ৩ ও ডোপ টেস্টের উপর টিক চিহ্ন দিয়ে কাউন্টারে জমা দেবেন, সব মিলিয়ে ১২০০ টাকার মত লাগবে।
ঢাকা সিভিল সার্জন বিএসএমএমইউ, মানষিক হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এই ৩ টির রিপোর্ট গ্রহণ করবে।
তাহলে আপনি বাকি ২ টি রেখে ৩য় টিতে কেন যাবেন?
কারণ১, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরির পাশেই চক্ষু হাসপাতাল যেখান থেকে আপনাকে "চক্ষু পরিক্ষার সার্টিফিকেট" নিতে হবে। কারণ২, অন্য দুটির চেয়ে এখানে ফিস অনেক কম। বিএসএমএমইউতে শুধু ডোপ টেস্টেই ২৫০০ টাকা, আর ভীরের কথা নাই বললাম। ধাক্কা খেতে খেতে জীবন বের হয়ে যাবে।
এজন্য বেস্ট চয়েচ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি।
ধাপ৩ঃ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে সেম্পল দিয়ে চলে আসবেন জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে।
এখানে এসে কাউন্টারে গিয়ে বলবেন চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট লাগবে, ওরা ১০ টাকার একটা টিকেট দিয়ে একটা রুমে পাঠাবে, সেখান থেকে আরেকটা কাউন্টারে পাঠাবে সেই কাউন্টারে গিয়ে ৩য় ছবিটি (কমেন্ট এ দেয়া) অনুসরণ করে একটা দরখাস্ত জমা দেবেন। [দরখাস্ত বাসা থেকে লিখে নিয়ে গেলে ভাল, না হলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লিখতে হবে]।
ধাপ৪ঃ এরপর যেকোন একটা সোনালী ব্যাংকে চলে যাবেন, সেখানে গিয়ে ২য় ছবিটি (কমেন্ট এ দেয়া) অনুসরণ করে ১০০ টাকার একটা চালান জমা দেবেন।
[২য় দিন]
ধাপ৫ঃ পরের দিন ১১ টার দিকে আবার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে রিপোর্ট গুলো কালেক্ট করবেন। [১১ টার আগে গিয়ে লাভ নেই, কারণ তারা ১১ টার আগে রিপোর্ট প্রদান করে না]
ধাপ৬ঃ এরপর চক্ষু হাসপাতাল থেকে চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট কালেক্ট করবেন। [এখানেও ১১ টার আগে সার্টিফিকেট দিবে না]
এই দিন আর কোন কাজ নেই কারণ, সিভিল সার্জন কার্যালয় ১২ টার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট দেয় না।
[৩য় দিন]
ধাপ৭ বা শেষ ধাপঃ আজিমপুর ঢাকা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে, সকাল ৯ টায়, "চালান কপি, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরির সব গুলো টেস্ট রিপোর্ট, চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট" মূল কপি ও এক কপি ফটোকপি জমা দেবেন, ১ ঘন্টার মধ্যে মেডিকেল সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন। সাথে মূল কপি গুলো ফেরত পাবেন।
কোথাও সরকারি ফি ব্যাতিত কোন টাকা খরচ করবেন না। কেউ টাকা চাইলেও দিবেন না।
এই প্রসেসে আপনি ৩ দিনে ১৩০০ টাকার মত খরচ করে মেডিকেল সার্টিফিকেট কালেক্ট করতে পারবেন। এর বাইরে আপনি যাই করতে যাবেন শুধু শুধু টাকা নষ্ট হবে।
চাকরিতে জয়েন করার সময় মেডিকেল সার্টিফিকেটের মেইন কপিই নিয়ে নিবে, সুতরাং আপনি কয়েকটি ফটোকপি রেখে দিতে পারেন।
আমি একবার মেডিকেল সার্টিফিকেট কালেক্ট করতে প্রচুর টাকা খরচ করেছিলাম কিন্তু কোন লাভ হয়নি শেষে এই প্রসেসই ফলো করতে হয়েছে।
সবার জন্য শুভকামনা।
copied post
ছবিটি ঢাকা জেলার জন্য