08/11/2025
আর মাত্র ২ দিন বাকী!
#নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি 👉 প্রতিষ্ঠান: #২০২৪ ভিত্তিক_ব্যাংকার্স_সিলেকশন_কমিটির তত্ত্বাবধানে ০৯টি #ব্যাংক ও ০৩টি #আর্থিক_প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত
👉 পদের নাম: Senior Officer (৯ম গ্রেড)
👉 পদ সংখ্যা: ১০১৭টি
👉 আবেদনের লিংক: https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/apply_job_with_fee.php
👉 আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ নভেম্বর ২০২৫ রাত ১১টা৫৯।
ার্কুলার #নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি #সরকারি_চাকরি #ব্যাংকনিয়োগ #সিনিয়র অফিসার . #২০২৪ ভিত্তিক_ব্যাংকার্স_সিলেকশন_কমিটির তত্ত্বাবধানে ০৯টি #ব্যাংক ও ০৩টি #আর্থিক_প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত
নিয়মিত আপডেট পেতে যুক্ত হন: https://www.facebook.com/bcsjobaspirants
https://www.facebook.com/profile.php?id=61550718536298
https://www.facebook.com/groups/govt.jobaspirantsbcsbased
07/11/2025
আর মাত্র ২ দিন বাকী!
#নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি 👉 প্রতিষ্ঠান: #প্রতিরক্ষা_মন্ত্রণালয়
👉 পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)
👉 পদ সংখ্যা: ১৬টি
👉 আবেদন শুরু: ১২ অক্টোবর ২০২৫
👉 আবেদনের লিংক: https://bof.teletalk.com.bd/bof_officer/
👉 আবেদনের শেষ তারিখ: ৯ নভেম্বর ২০২৫ বিকাল ৫টা
ার্কুলার #নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি #সরকারি_চাকরি #প্রতিরক্ষা_মন্ত্রণালয় .
নিয়মিত আপডেট পেতে যুক্ত হন: https://www.facebook.com/bcsjobaspirants
https://www.facebook.com/profile.php?id=61550718536298
https://www.facebook.com/groups/govt.jobaspirantsbcsbased
Assistant Engineer
07/11/2025
#নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি 👉 প্রতিষ্ঠান: #প্রেস_ইনস্টিটিউট_বাংলাদেশ_পিআইবি
👉 পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৩-২০গ্রেড)
👉 পদ সংখ্যা: ৩৮টি
👉 আবেদন শুরু: ২ নভেম্বর ২০২৫
👉 আবেদনের লিংক: http://pib.teletalk.com.bd/posts.php
👉 আবেদনের শেষ তারিখ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ বিকাল ৫টা
ার্কুলার #নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি #সরকারি_চাকরি #প্রেস_ইনস্টিটিউট_বাংলাদেশ_পিআইবি .
নিয়মিত আপডেট পেতে যুক্ত হন: https://www.facebook.com/bcsjobaspirants
https://www.facebook.com/profile.php?id=61550718536298
https://www.facebook.com/groups/govt.jobaspirantsbcsbased
17/10/2025
Primary headmaster application last date 20 October 2025. Circular and application Link is here: http://bpsc.teletalk.com.bd/
ার্কুলার #নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি #সরকারি_চাকরি
17/10/2025
২০ অক্টোবর শেষ তারিখ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক পদে আবেদন করার। করেছেন তো? ার্কুলার #নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি #সরকারি_চাকরি
17/10/2025
ঐতিহাসিক #জুলাই_সনদ_স্বাক্ষরিত হয়:
১৭ অক্টোবর ২০২৫
#জুলাই_সনদ_ঘোষণা ৫আগস্ট ২০২৫
29/08/2025
আগে করা এই পোস্ট টি ২০২২ সালের। #২০২৫ এর আপডেট হল
এখন ঢাকা সিভিল সার্জন বিএসএমএমইউ, মানষিক হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এই ৩ টির রিপোর্ট গ্রহণ করবে।
"ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এন্ড রেফারেল সেন্টার" শুধু ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দাদের টেস্ট করায়। অন্য জেলার হলে যোগদান ঢাকায় হলেও আপনার টেস্ট করাবেনা।
মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে আবার রাত ৩টা থেকে সিরিয়াল দেয়া হয় একদিনে ৪০ জন এর বেশি টেস্ট করায়না ।
#মেডিকেল_সনদ #নতুন_চাকরিপ্রার্থীদের_মেডিকেল সনদ #জেলা_সিভিল_সার্জন_অফিস
#প্রসঙ্গ_স্বাস্থ্য_সনদ বা #মেডিকেল_সার্টিফিকেট উত্তোলন ২০২২:
#জেলা_সিভিল_সার্জনের কার্যালয় থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট:
চাকরি হবার পর চাকরিতে জয়েন করার সময় সবচেয়ে ইম্পোর্টেন্ট হয়ে দাঁড়ায় মেডিকেল সার্টিফিকেট।
বেসরকারি চাকরিতে যেকোন রেজিস্ট্রাড ডাক্তারের বা হাসপাতালের প্যাডে নরমাল ফরমেটে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিলেই হয়। কিন্তু সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তা চলবে না, আপনাকে অবশ্যই জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হবে।
যারা ঢাকার বাইরে অন্য জেলা থেকে স্বাস্থ্য সনদ নেবেন তারা ঐ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের নিয়মাবলি অনুসরণ করবেন।
যারা ঢাকা থেকে নিতে চান তারা নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করবেন, আপনার কাজ অনেক সংক্ষিপ্ত হবার পাশাপাশি অল্প খরচে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে পারবেন।
ধাপ১ঃ চাকরিতে জয়েনিং ডেটের মিনিমাম ৪/৫ দিন আগে কাজ শুরু করবেন। নিজের সাথে নিয়োগপত্রের ৪ টা ফটোকপি ও চার কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি রাখবেন।
[১ম দিন]
ধাপ২ঃ সকাল সকাল আগারগাঁওয়ে অবস্থিত "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এন্ড রেফারেল সেন্টার" এ চলে যাবেন। গেইটে লম্বা লাইন দেখলে ঘাবড়াবেন না, ওটা ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ডোপ টেস্টের লাইন। মেইন গেইটে লাইন থাকলে আপনি এক্সিট গেইটের গেইটম্যান কে গিয়ে বলবেন চাকরি জয়েনের জন্য মেডিকেল টেস্ট করাবো, সে আপনাকে রাস্তা দেখিয়ে দিবে।
নিচের ৩ টা ছবির ১ম ছবিটি প্রিন্ট করে নিবেন, টেস্ট ১, ২, ৩ ও ডোপ টেস্টের উপর টিক চিহ্ন দিয়ে কাউন্টারে জমা দেবেন, সব মিলিয়ে ১২০০ টাকার মত লাগবে।
ঢাকা সিভিল সার্জন বিএসএমএমইউ, মানষিক হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এই ৩ টির রিপোর্ট গ্রহণ করবে।
তাহলে আপনি বাকি ২ টি রেখে ৩য় টিতে কেন যাবেন?
কারণ১, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরির পাশেই চক্ষু হাসপাতাল যেখান থেকে আপনাকে "চক্ষু পরিক্ষার সার্টিফিকেট" নিতে হবে। কারণ২, অন্য দুটির চেয়ে এখানে ফিস অনেক কম। বিএসএমএমইউতে শুধু ডোপ টেস্টেই ২৫০০ টাকা, আর ভীরের কথা নাই বললাম। ধাক্কা খেতে খেতে জীবন বের হয়ে যাবে।
এজন্য বেস্ট চয়েচ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি।
ধাপ৩ঃ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে সেম্পল দিয়ে চলে আসবেন জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে।
এখানে এসে কাউন্টারে গিয়ে বলবেন চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট লাগবে, ওরা ১০ টাকার একটা টিকেট দিয়ে একটা রুমে পাঠাবে, সেখান থেকে আরেকটা কাউন্টারে পাঠাবে সেই কাউন্টারে গিয়ে ৩য় ছবিটি (কমেন্ট এ দেয়া) অনুসরণ করে একটা দরখাস্ত জমা দেবেন। [দরখাস্ত বাসা থেকে লিখে নিয়ে গেলে ভাল, না হলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লিখতে হবে]।
ধাপ৪ঃ এরপর যেকোন একটা সোনালী ব্যাংকে চলে যাবেন, সেখানে গিয়ে ২য় ছবিটি (কমেন্ট এ দেয়া) অনুসরণ করে ১০০ টাকার একটা চালান জমা দেবেন।
[২য় দিন]
ধাপ৫ঃ পরের দিন ১১ টার দিকে আবার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে রিপোর্ট গুলো কালেক্ট করবেন। [১১ টার আগে গিয়ে লাভ নেই, কারণ তারা ১১ টার আগে রিপোর্ট প্রদান করে না]
ধাপ৬ঃ এরপর চক্ষু হাসপাতাল থেকে চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট কালেক্ট করবেন। [এখানেও ১১ টার আগে সার্টিফিকেট দিবে না]
এই দিন আর কোন কাজ নেই কারণ, সিভিল সার্জন কার্যালয় ১২ টার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট দেয় না।
[৩য় দিন]
ধাপ৭ বা শেষ ধাপঃ আজিমপুর ঢাকা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে, সকাল ৯ টায়, "চালান কপি, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরির সব গুলো টেস্ট রিপোর্ট, চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট" মূল কপি ও এক কপি ফটোকপি জমা দেবেন, ১ ঘন্টার মধ্যে মেডিকেল সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন। সাথে মূল কপি গুলো ফেরত পাবেন।
কোথাও সরকারি ফি ব্যাতিত কোন টাকা খরচ করবেন না। কেউ টাকা চাইলেও দিবেন না।
এই প্রসেসে আপনি ৩ দিনে ১৩০০ টাকার মত খরচ করে মেডিকেল সার্টিফিকেট কালেক্ট করতে পারবেন। এর বাইরে আপনি যাই করতে যাবেন শুধু শুধু টাকা নষ্ট হবে।
চাকরিতে জয়েন করার সময় মেডিকেল সার্টিফিকেটের মেইন কপিই নিয়ে নিবে, সুতরাং আপনি কয়েকটি ফটোকপি রেখে দিতে পারেন।
আমি একবার মেডিকেল সার্টিফিকেট কালেক্ট করতে প্রচুর টাকা খরচ করেছিলাম কিন্তু কোন লাভ হয়নি শেষে এই প্রসেসই ফলো করতে হয়েছে।
সবার জন্য শুভকামনা।
copied post
ছবিটি ঢাকা জেলার জন্য
25/08/2025
#প্রসঙ্গ_স্বাস্থ্য_সনদ বা #মেডিকেল_সার্টিফিকেট উত্তোলন ২০২২:
#জেলা_সিভিল_সার্জনের কার্যালয় থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট:
চাকরি হবার পর চাকরিতে জয়েন করার সময় সবচেয়ে ইম্পোর্টেন্ট হয়ে দাঁড়ায় মেডিকেল সার্টিফিকেট।
বেসরকারি চাকরিতে যেকোন রেজিস্ট্রাড ডাক্তারের বা হাসপাতালের প্যাডে নরমাল ফরমেটে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিলেই হয়। কিন্তু সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তা চলবে না, আপনাকে অবশ্যই জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হবে।
যারা ঢাকার বাইরে অন্য জেলা থেকে স্বাস্থ্য সনদ নেবেন তারা ঐ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের নিয়মাবলি অনুসরণ করবেন।
যারা ঢাকা থেকে নিতে চান তারা নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করবেন, আপনার কাজ অনেক সংক্ষিপ্ত হবার পাশাপাশি অল্প খরচে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে পারবেন।
ধাপ১ঃ চাকরিতে জয়েনিং ডেটের মিনিমাম ৪/৫ দিন আগে কাজ শুরু করবেন। নিজের সাথে নিয়োগপত্রের ৪ টা ফটোকপি ও চার কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি রাখবেন।
[১ম দিন]
ধাপ২ঃ সকাল সকাল আগারগাঁওয়ে অবস্থিত "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এন্ড রেফারেল সেন্টার" এ চলে যাবেন। গেইটে লম্বা লাইন দেখলে ঘাবড়াবেন না, ওটা ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ডোপ টেস্টের লাইন। মেইন গেইটে লাইন থাকলে আপনি এক্সিট গেইটের গেইটম্যান কে গিয়ে বলবেন চাকরি জয়েনের জন্য মেডিকেল টেস্ট করাবো, সে আপনাকে রাস্তা দেখিয়ে দিবে।
নিচের ৩ টা ছবির ১ম ছবিটি প্রিন্ট করে নিবেন, টেস্ট ১, ২, ৩ ও ডোপ টেস্টের উপর টিক চিহ্ন দিয়ে কাউন্টারে জমা দেবেন, সব মিলিয়ে ১২০০ টাকার মত লাগবে।
ঢাকা সিভিল সার্জন বিএসএমএমইউ, মানষিক হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি এই ৩ টির রিপোর্ট গ্রহণ করবে।
তাহলে আপনি বাকি ২ টি রেখে ৩য় টিতে কেন যাবেন?
কারণ১, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরির পাশেই চক্ষু হাসপাতাল যেখান থেকে আপনাকে "চক্ষু পরিক্ষার সার্টিফিকেট" নিতে হবে। কারণ২, অন্য দুটির চেয়ে এখানে ফিস অনেক কম। বিএসএমএমইউতে শুধু ডোপ টেস্টেই ২৫০০ টাকা, আর ভীরের কথা নাই বললাম। ধাক্কা খেতে খেতে জীবন বের হয়ে যাবে।
এজন্য বেস্ট চয়েচ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরি।
ধাপ৩ঃ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে সেম্পল দিয়ে চলে আসবেন জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে।
এখানে এসে কাউন্টারে গিয়ে বলবেন চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট লাগবে, ওরা ১০ টাকার একটা টিকেট দিয়ে একটা রুমে পাঠাবে, সেখান থেকে আরেকটা কাউন্টারে পাঠাবে সেই কাউন্টারে গিয়ে ৩য় ছবিটি (কমেন্ট এ দেয়া) অনুসরণ করে একটা দরখাস্ত জমা দেবেন। [দরখাস্ত বাসা থেকে লিখে নিয়ে গেলে ভাল, না হলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লিখতে হবে]।
ধাপ৪ঃ এরপর যেকোন একটা সোনালী ব্যাংকে চলে যাবেন, সেখানে গিয়ে ২য় ছবিটি (কমেন্ট এ দেয়া) অনুসরণ করে ১০০ টাকার একটা চালান জমা দেবেন।
[২য় দিন]
ধাপ৫ঃ পরের দিন ১১ টার দিকে আবার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে রিপোর্ট গুলো কালেক্ট করবেন। [১১ টার আগে গিয়ে লাভ নেই, কারণ তারা ১১ টার আগে রিপোর্ট প্রদান করে না]
ধাপ৬ঃ এরপর চক্ষু হাসপাতাল থেকে চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট কালেক্ট করবেন। [এখানেও ১১ টার আগে সার্টিফিকেট দিবে না]
এই দিন আর কোন কাজ নেই কারণ, সিভিল সার্জন কার্যালয় ১২ টার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট দেয় না।
[৩য় দিন]
ধাপ৭ বা শেষ ধাপঃ আজিমপুর ঢাকা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে, সকাল ৯ টায়, "চালান কপি, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ল্যাবরেটরির সব গুলো টেস্ট রিপোর্ট, চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু পরীক্ষার সার্টিফিকেট" মূল কপি ও এক কপি ফটোকপি জমা দেবেন, ১ ঘন্টার মধ্যে মেডিকেল সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন। সাথে মূল কপি গুলো ফেরত পাবেন।
কোথাও সরকারি ফি ব্যাতিত কোন টাকা খরচ করবেন না। কেউ টাকা চাইলেও দিবেন না।
এই প্রসেসে আপনি ৩ দিনে ১৩০০ টাকার মত খরচ করে মেডিকেল সার্টিফিকেট কালেক্ট করতে পারবেন। এর বাইরে আপনি যাই করতে যাবেন শুধু শুধু টাকা নষ্ট হবে।
চাকরিতে জয়েন করার সময় মেডিকেল সার্টিফিকেটের মেইন কপিই নিয়ে নিবে, সুতরাং আপনি কয়েকটি ফটোকপি রেখে দিতে পারেন।
আমি একবার মেডিকেল সার্টিফিকেট কালেক্ট করতে প্রচুর টাকা খরচ করেছিলাম কিন্তু কোন লাভ হয়নি শেষে এই প্রসেসই ফলো করতে হয়েছে।
সবার জন্য শুভকামনা।
copied post
ছবিটি ঢাকা জেলার জন্য
29/07/2025
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার তারিখ ৯ আগস্ট ।
পদসমূহ: সহকারী ফোরম্যান, সহকারী মিলরাইট, সহকারী অপারেটর, ইলেকট্রিক্যাল , ফোরম্যান, ইলেকট্রিশিয়ান, ল্যাবরেটরি সহকারী, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান, মেকানিক্যাল ফোরম্যান, মিল অপারেটিভ, মিলরাইট, অপারেটর, সাইলো, অপারেটিভ, স্টেভেডর সরদার, ভেহিক্যাল মেকানিক
প্রবেশপত্র ডাউনলোড লিংক নিচে:
DGFOOD Admit card management System - Login Required
01/07/2025
বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে কী কী করতে হবে?
এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মোঃ নাঈম হালদার নাহিয়ান বিসিএস (অডিট এন্ড একাউন্টস) ক্যাডার, ৪৩ তম বিসিএস (সুপারিশপ্রাপ্ত)।
👉 ব্যাসিক ভালো করতেই হবে
👉 স্ট্র্যাটেজিকওয়েতে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে
👉 লেখার প্রেজেন্টেশন উন্নতমান ও রুচিসম্পন্ন হতে হবে
👉 স্ট্যান্ডার্ড ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং এর দক্ষতা অর্জন করতে হবে
👉 হাতের লেখা স্পস্ট হতে হবে এবং সুন্দর হলে তা পজিটিভ
বাংলাঃ ব্যাকরণ ও সাহিত্য অংশ ডেস্পারেটলি পড়ুন। বাকি অংশের জন্য স্টান্ডার্ড ফরমেট করায়ত্ত করে স্মার্ট ফ্রিহ্যান্ড রাইটিং এর দক্ষতা বাড়ান যাতে করে যেকোন সময় যেকোনে টপিকে বোম্বাস্টিং লেখা লিখতে পারেন। এই বিষয় পড়ার সময় সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিন। বাংলা পড়ায় মজা খুঁজে নেওয়ার চেস্টা করবেন। বাংলা লেখার মানে সাহিত্যভাব বজায় রাখতে হবে। লেখার সময় নিজেকে জীবনানন্দ বা রবীঠাকুর মনে করে লিখুন- তাতে ক্ষতি নেই বরং লাভ আছে।
ইংরেজিঃ এই বিষয়ে ন্যাচারালি ফ্লুয়েন্ট হতে হবে। ইংরেজিকে বিদেশি ভাষা বিবেচনায় ভয় পেলে হবেনা। লেখার মানে নিউজপেপার স্টাইলের আনয়ন ঘটাতে হবে যাতে করে আপনার ইংরেজি লেখা পড়ে যেন মনে হয় ইউ আর নট এ্যা কিড আফটার অল! নিজেকে ভোকাবুলারি দ্বারা প্রচুর রিচ করতে হবে। আর আপনি যত ইংরেজি পড়বেন, ভাববেন, লিখবেন তত আপনার সাবকন্শাচ মাইন্ডে গ্রামাটিক্যাল রুলস শিখে যাবেন। এর জন্য এক্সট্রা প্যানিক নেওয়ার দরকার হয়না। তাই ‘পড়ুন এবং লিখুন’ এই হল ইংরেজির সর্বোত্তম ঔষধ।
গণিত ও মানসিক দক্ষতাঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ ও উচ্চতর গণিত শেষ করে ফেলুন চোখ বুজে। ব্যাসিক খারাপ হলে তা সময় নিয়ে ডেভলপ করুন। এই বিষয়ে অনেকে পিছিয়ে যায় আর অনেকে এগিয়ে যায় যোজন-যোজন দূরত্ব। মানসিক দক্ষতার জন্য বিগত সব কোয়েশ্চেন সলভ করুন-ব্যাসসস।
বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকুন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সমাহারে নিজেকে সমৃদ্ধ করুন। বিশেষকরে সংবিধান আর মুক্তিযুদ্ধ অংশ এমনভাবে পড়ুন যেন আপনার মনে হয় আপনি এই অংশে বসসস।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ঘটমান সংবাদ প্রবাহে নজর রাখুন। ভু-রাজনৈতিক গতিবিধির সাথে নিজের পরিচয় ঘটান। আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষক হিসেবে নিজের প্রজ্ঞাকে সমুন্নত করে সমৃদ্ধ থাকুন।
বিজ্ঞানঃ নবম-দশম এর সাধারণ বিজ্ঞান বই ঝাঝরা করে ফেলুন। বিগত প্রশ্ন সব ভাজা ভাজা করে পড়ে ফেলুন। এর বাইরে কিছু না। তবে এটা প্রচুর পড়ুন।
আমার বিসিএস লিখিত প্রস্তুতির সারাংশ আজ তুলে ধরলাম। সময় সুযোগ করে কোন একদিন ফেইসবুক লাইভের মাধ্যমে এই প্রস্তুতির ভাবসম্প্রসারণ তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ যাতে করে এই স্বপ্নযাত্রার সারথীদের পথচলায় ন্যূনতম সহায়ক ভূমিকা হলেও তা রাখতে পারি।
৪৫ তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য আমার নিজের করা কিছু নোটস শেয়ার করলাম যাতে পরিমাণে নগন্য হলেও আমার এই সামান্য ভালোবাসায় সকলকে সিক্ত করতে পারি। প্রিয় সুহৃদ- আমিও আপনাদের সকলের ভালোবাসা ও দোয়াপ্রার্থী।
(সকলকে ধন্যবাদ)
মোঃ নাঈম হালদার নাহিয়ান
বিসিএস (অডিট এন্ড একাউন্টস) ক্যাডার
৪৩ তম বিসিএস (সুপারিশপ্রাপ্ত)
কুয়েট, ইউআরপি, ১৩ ব্যাচ