আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট, Nikkan Housing Society, Dewan Market, Kuturia, Rangpur.

তাবিজ-তুমার, শিরক কুফর মুক্ত পরিপূর্ণ কুরআন সুন্নাহভিত্তিক একটি বিশ্বস্ত শরঈ রুকইয়াহ চিকিৎসা কেন্দ্র—
✆ 01974-151654 (WhatsApp)

টেলিগ্রামেও আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন—
t.me/+iNLFEu-a42cyNjM9


“সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন”

22/06/2026

রুকইয়াহ হোম সার্ভিস এখন বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে!

যত দিন দেরি করবেন, সমস্যা তত বাড়বে!
তাই দেরি না করে এখনই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন..

আলহামদুলিল্লাহ!
আশ শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট নিয়ে এসেছে রুকইয়াহ হোম সার্ভিস ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলাতেই।
যেকোনো এলাকায় অভিজ্ঞ রাক্বী আপনার বাসায় এসে শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ করবেন ইনশাআল্লাহ।

কিভাবে বুঝবেন রুকইয়াহ দরকার?
দীর্ঘদিন ধরে এই লক্ষণগুলো থাকলে এবং ডাক্তারি চিকিৎসায়ও না সারলে সতর্ক হোন—
▪ শরীর হঠাৎ দুর্বল, মাথা ভার বা ব্যথা
▪ ঘাড়, কাঁধ, চোখ বা পায়ে অস্বস্তি
▪ ঘুমের সমস্যা, ভয়ংকর স্বপ্ন (সাপ, কবর, নদী)
▪ শরীর গরম, মেজাজ খিটখিটে
▪ ইবাদত, পড়াশোনা বা কাজে মন না বসা
▪ ব্যবসা-চাকরিতে অদ্ভুত বাধা
▪ শরীর খারাপ লাগলেও রিপোর্ট নরমাল
▪ পরিবারে অশান্তি, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া
▪ একাকিত্ব, ভয়, মন খারাপ বা হঠাৎ কান্না
▪ মনে হয় কেউ পেছনে আছে বা হাঁটার শব্দ শোনা
এগুলো প্রায়ই বদনজর, কালো জাদু বা জ্বিনের আছরের লক্ষণ হয়।

📖 রুকইয়াহ কী?
কুরআনের আয়াত, সহিহ হাদিসের দোয়া ও আল্লাহর সুন্দর নাম দিয়ে জ্বিন, জাদু, বদনজর ও শারীরিক মানসিক কষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়ার নামই হচ্ছে রুকইয়াহ শারঈয়াহ।

রুকইয়াহ বনাম কবিরাজি
❌ কবিরাজি / ভণ্ডামি
• হাবিজাবি মন্ত্র, তাবিজ-কবচ
• রোগীর নাম-মায়ের নাম নেওয়া
• জিন হাজির, বলি, জ্যোতিষ, হাত দেখা

রুকইয়াহ—
• শুধু কুরআন ও সুন্নাহ
• কোনো তাবিজ-শিরক নেই
• সম্পূর্ণ শরিয়াহসম্মত
📌 রুকইয়াহ চলাকালীন রিঅ্যাকশন
হাই ওঠা, মাথা ব্যথা, বুক ধড়ফড়, কান্না, শরীর কাঁপা, বমি ভাব, রাগ — এগুলো দেখা দিলে বুঝবেন সমস্যা আছে।
(প্রথম সেশনে না দেখা গেলেও পরে সেলফ রুকইয়াহ করলে প্রকাশ পায়)

আমরা কীভাবে রুকইয়াহ করি?
• সমস্যার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
• কুরআনের শক্তিশালী আয়াত দিয়ে রুকইয়াহ
• সেলফ রুকইয়াহ গাইড + অডিও
• সুন্নাহভিত্তিক উপকরণ (মধু, কালোজিরা, অলিভ অয়েল)
• প্রয়োজনে হিজামা পরামর্শ
• নিয়মিত ফলোআপ

📍 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন:
📞 WhatsApp: 01974-151654
🔎 ফেসবুক: আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

⚠️ মনে রাখবেন
জ্বীন, জাদু, বদনজর হলো শারীরিক রোগ-ব্যাধির মতোই।
সমস্যা আছে জেনেও চিকিৎসা না নেওয়া আপনারই ক্ষতি।
যত দিন যাবে, সমস্যা তত শক্তিশালী আকার ধারণ করবে।
তাই শুরুতেই চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
এখনই অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্ম করতে আপনার লোকেশন এবং সমস্যাগুলো লিখে, ভয়েসে বলুন অথবা আমাদের কল করুন।
পোস্টটি শেয়ার করুন — হয়তো কারো জীবন বদলে যাবে।
আল্লাহ তাআ'লা আমাদের সবাইকে অদৃশ্য বিপদ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।





#রুকইয়াহহোমসার্ভিস #আশশিফারুকইয়াহপয়েন্ট #জ্বিন #বদনজর #কালোজাদু #রুকইয়াহ #শিফা #রুকইয়াহ #রুকইয়াহ

20/06/2026

পেসেন্ট প্যারালাইজড এ আক্রান্ত রুকইয়াহ করেছেন এক রাক্বীর কাছে তো রুকইয়াহ করে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে তাকে দেওয়া হয়েছে ইচ্ছে মতো তেল মালিশ।
এর ফলে পেসেন্টের হাতের ২টি হাড়ের জয়েন্ট খুলে যায়। এখন এর দায় কে নিবে?

শুধু তিলাওয়াত করতে পারলেই কি রাক্বী হওয়া যায় ভাই?
কোন রোগীকে কি কি করা যাবে না এটার নূন্যতম ধারণা যদি না থাকে একদিন অনেক বড় বিপদে পরবেন।
উল্টা পাল্টা তাদমিরও আপনার জন্য ভয়ংকর বিপদের কারণ হতে পারে।
একজন রাক্বীকে অবশ্যই মানুষের দেহের এনাটমি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
কোন রোগীকে কি দেওয়া যাবে না এগুলো নিয়ে জানতে হবে ভাই
কোন বিষয়ে আমি অজ্ঞ এটা আমার থেকে ভালো আর কে যানে?
যার যার জায়গায় থেকে শেখার আগ্রহ আরও তীব্র করুন।
আল্লাহ তাআ'লা আপনাদেরকে উপকারী ইলেম বেশি বেশি দান করুন।

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন
আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট
01974-151654

14/06/2026

সোশাল মিডিয়ায় ভেল্কি দেখানো জাদুকর ধোঁকাবাজদের প্রতি অনেকে আকৃষ্ট হয়ে ধরা খায়ে পরে আফসোস করে।

13/06/2026

আগামীকাল
শরীয়তপুর এবং মাদারীপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন 01974-151654

10/06/2026

আগামীকাল থাকবো
খুলনা এবং বাগেরহাট

প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

06/06/2026

যাদুর অনেকগুলো প্রকার রয়েছে।
যেমন— সিহরুত তাফরীক বা বিচ্ছেদের যাদু,
সিহরুল জিনুন বা পাগল বানানোর যাদু,
সিহরুল মারাদ বা অসুস্থ বানানোর যাদু,
সিহরুন নাঝীফ বা রক্তক্ষরণের যাদু ইত্যাদি ইত্যাদি। পাশাপাশি যাদু কার্যকর করারও রয়েছে বিভিন্ন পদ্ধতি। যেমন— সিহরুল মা’কুল বা খাওয়ানোর মাধ্যমে করা যাদু,
সিহরুল মাশরুব বা পান করানোর মাধ্যমে করা যাদু,
সিহরুল মারশুশ বা ছিটানোর মাধ্যমে করা যাদু ইত্যাদি ইত্যাদি। ঠিক কোন পদ্ধতিতে ও কী উদ্দেশ্যে যাদু কার্যকর করা হয়েছে তা বুঝে (যদি সম্ভব হয়) সে অনুযায়ী “রুকইয়াহ” করা হলে চিকিৎসা সহজ হয় এবং আল্লাহ চাইলে দ্রুত সমাধানের আশা করা যায় ইনশাআল্লাহ।

তো যাদুতে আক্রান্ত হয়ে থাকলে ভালো হয় অভিজ্ঞ কোনো আলেম রাক্বীর শরাণাপন্ন হয়ে তার কাছে এক সেশন ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করে তার পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী আমল করা। একান্তই যাদের সরাসরি রুকইয়াহ করানোর সুযোগ নেই তাদের জন্য আজকের এই পরামর্শ। নিম্নে প্রদত্ত পরামর্শগুলো ফলো করে আপনি নিজে নিজেও যাদু নষ্ট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
(তবে সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই ভালো কোন রাক্বীর পরামর্শ গ্রহণ করুন)

১। ফজর ও মাগরিবের নামাজের পরে মাসনূন দোয়া পড়বেন । প্রবাদ আছে— “প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম” । যে কারণে প্রত্যেকটি মানুষেরই উচিত জ্বীন-যাদু বিষয়ক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পরে প্রতিকার না খুঁজে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা খোঁজা । আর জ্বীন-যাদু ইত্যাদি প্যারানরমাল সমস্যার প্রতিরোধমূলক দুর্ভেদ্য দুর্গ হচ্ছে— “সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন দোয়া” । হাদিসে এব্যাপারে ওয়াদা আছে যে, সেগুলো ফজরের পরে পড়া হলে মাগরিব পর্যন্ত আল্লাহ পাক সকল প্রকার অকল্যান থেকে হেফাজত করবেন এবং মাগরিবের সময় পড়া হলে পরবর্তী ফজর পর্যন্ত আল্লাহ পাক হেফাজত করবেন । কিছু দোয়া রয়েছে যা ঘুমানোর সময় পড়া হলে সারারাত আল্লাহ পাক তাকে ও তার পরিবারকে ফেরেশতা নিয়োজিত রেখে হেফাজত করবেন।
গুরুত্বপূর্ণ দোয়াগুলোর পোস্ট লিঙ্ক: https://www.facebook.com/61575894203555/posts/122179838024863140/?app=fbl

২। দৈনিক একবার বা কমপক্ষে প্রতি তিন দিনে একবার সূরা বাকারা তিলাওয়াত করবেন। যাদু নষ্ট করার সবচেয়ে কার্যকরী আমল হচ্ছে— সূরা বাকারার তিলাওয়াত। যেকারণে প্রত্যেক যাদুতে আক্রান্ত রোগীর উচিত প্রতিনিয়ত এই সূরা পুরোটি তিলাওয়াত করা। এক সাথে পুরোটা পড়া সম্ভব না হলে ভেঙ্গে ভেঙ্গে কয়েক ধাপে পড়লেও হবে। তাও সম্ভব না হলে তিন দিন মিলিয়ে একবার পুরো সূরাটি তিলাওয়াত করা। তিলাওয়াত শেষে যাদু নষ্টের নিয়তে নিজ শরীরে ফুঁ দেয়া, উভয় হাতে সামান্য থুথুর সাথে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীর মুছে নেয়া, পানিতে ফুঁ দিয়ে বেশি বেশি সে পানি পান করা এবং গোসলের পানিতে ফুঁ দিয়ে তা দিয়ে গোসল করা। একান্ত নিজে পড়া সম্ভব না হলে— অন্য কারো থেকে পূর্ণ সূরার তিলাওয়াত শোনা। সেটাও সম্ভব না হলে কমপক্ষে পূর্ণ সূরার রেকর্ডেড তিলাওয়াত হলেও শোনা। পাশাপাশি নিজে সূরা বাকারার নিম্নোক্ত দশ আয়াত তিলাওয়াত করা । এবং তিলাওয়াত শেষে উপরে দেয়া পরামর্শ ফলো করা । সূরা বাকারার দশ আয়াত—
১) প্রথম চার আয়াত ২) আয়াতুল কুরসি ও পরবর্তী দুই আয়াত ৩) শেষ তিন আয়াত

৩। প্রতি ফরজ নামাজের পরে এবং ঘুমের পূর্বে সূরা আরাফ, সূরা ইউনুস এবং সূরা ত্বহা সম্ভব হলে পূর্ণ সূরা বা এ সূরাগুলোর নির্ধারিত আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবেন । সূরা আরাফ, সূরা ইউনুস এবং সূরা ত্বহায় আল্লাহ পাক যাদুর ব্যাপারে আলোচনা করেছেন । যদিও সূরাহগুলো বেশ বড় বড়; তবুও কারো পক্ষে সম্ভব হলে সূরাহ বাকারার পাশাপাশি এই সূরাগুলোও পুরোটা পড়ার চেষ্টা করা। সেটা সম্ভব না হলে এই সূরাগুলোসহ কুরআনের অন্যান্য যে সকল সূরার মধ্যে আল্লাহ পাক যাদু সংক্রান্ত আলোচনা করেছেন— বাছাই করে করে কেবল যাদু সংক্রান্ত সে আয়াতগুলো বারবার তিলাওয়াত করবেন। যাদু সংক্রান্ত আয়াতগুলো যত বেশি বেশি তিলাওয়াত করা হবে— যাদুর ভিত কেঁপে উঠবে, যাদুর শক্তি দূর্বল ও নড়বড়ে হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
সবগুলো আয়াত পড়া সম্ভব না হলে প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে এবং ঘুমের পূর্বে কমপক্ষে হলেও নিম্নোক্ত আয়াতগুলো পড়ুন।
সূরা আরাফ ১১৭ থেকে ১২২
সূরা ইউনুস ৮১ ও ৮২
সূরা ত্বহা ৬৯

৪। প্রতি ফরজ নামাজের পরে এবং ঘুমের পূর্বে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিলাওয়াত করুন । কুরআন শরীফের সর্বশেষ তিনটি সূরা। ছোট হওয়ায় শতকরা ৯৫% মুসলামানেরই মুখস্ত এই সূরা তিনটি। রুকইয়াহ সংক্রান্ত অসংখ্য হাদীসে এই সূরা তিনটি পড়ার নির্দেশনা এসেছে। বিশেষ করে সূরা ফালাক ও নাস নাযিলই হয়েছে—
রসূলুল্লাহ (স.) এর যাদু নষ্ট করা প্রসঙ্গে । অতএব, যাদুতে আক্রান্ত রোগীগন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই সূরা তিনটি খুব বেশি বেশি পড়বেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে পড়বেন। বিশেষ করে ফজর ও মাগরিবের নামাজের পরে এবং ঘুমের পূর্বে অবশ্যই পড়বেন। সূরা তিনটি পড়ে উভয় হাতে সামান্য থুথুর সাথে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীর মুছে নিবেন । পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করবেন।
হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে— রসূলুল্লাহ (স.) বিভিন্ন কিছু পড়ে ‍রুকইয়াহ করতেন, যখন সূরা ফালাক ও নাস নাযিল হলো এরপর থেকে সবকিছু বাদ দিয়ে এই দুই সূরা দিয়ে রুকইয়াহ করতেন। সুনানে তিরমিযী (২০৫৮)

৫। যাদু নষ্টের গোসল । সাতদিন বা চৌদ্দ দিন যাদু নষ্টের গোসল করুন । পূর্ণ সূরা বাকারা তিলাওয়াত করে ফুঁ দেয়া পানি বা কমপক্ষে সূরা বাকারার নির্দেশিত দশ আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া পানি, যাদু সংক্রান্ত সকল আয়াত বা কমপক্ষে সূরা আরাফ, ইউনুস এবং ত্বহার বিশেষ আয়াতগুলো এবং সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে সে পানি দিয়ে গোসল করবেন। যেহেতু দরুদ শরীফ পড়া না হলে আমল আসমানে পৌঁছে না, সেজন্য শুরু ও শেষে একবার করে দরুদ শরীফ পড়ে নিবেন। দরুদে ইবরাহীম (নামাযে যে দরুদ পড়া হয়) পড়লে ভালো। সংগ্রহ করা সম্ভব হলে প্রতি দিনের গোসলের পানির সাথে সাতটি করে বরই পাতা বেটে মিশিয়ে নিবেন। পাশাপাশি জমজমের পানি, বৃষ্টির পানি মিশিয়ে নিতে পারলেও ভালো হয়।

৬। দিনের যেকোন সময় একবার এবং রাতের যেকোন সময় একবার যাদু নষ্টের অডিও রুকইয়াহ শুনুন। যারা তিলাওয়াত করতে পারেননা তারা যাদু সংক্রান্ত আয়াতগুলো তিলাওয়াতের পরিবর্তে কারো কাছ থেকে এর তিলাওয়াত শুনবেন। যেহেতু নিয়মিত তিলাওয়াত শুনানোর মতো ব্যক্তি পাওয়া কঠিন, সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে আয়াতগুলোর রেকর্ডেড তিলাওয়াত শুনতে পারেন। বিশেষ করে নামাজ বন্ধের দিনগুলোতে যেহেতু মহিলা রোগীদের কোন প্রকার তিলাওয়াতের সুযোগ থাকেনা, তারা এই সময়ে গুরুত্বের সাথে অডিও তিলাওয়াত শুনবেন।
যাদু নষ্টের রুকইয়াহ এটা শুনতে পারেন— https://youtu.be/t00tn4Khf0Q?si=eEqZTbzbrVztQ9-J

৭। সকালে খালি পেটে ও রাতে ঘুমানোর পূর্বে যাদু নষ্টের পড়া পানি পান করুন। আপনি যাদু নষ্টের জন্য সরাসরি রুকইয়াহ করে থাকলে রাক্বী কর্তৃক পড়ে দেয়া যাদু নষ্টের পানি পান করুন। অথবা নিম্নোক্ত লিংক ফলো করে পানি পড়া তৈরি করে সকালে খালি পেটে ও রাতে ঘুমানোর পূর্বে পান করুন।
https://www.facebook.com/61575894203555/posts/122162122412863140/?app=fbl

৮। হিজামা করুন। আপনার রাক্বী প্রয়োজন মনে করলে বা আপনাকে পরামর্শ দিলে তার নির্দেশিত পয়েন্টে হিজামা করুন। বিশেষত খাওয়ানো বা পান করানোর যাদু, মাথা কেন্দ্রিক করা যাদু, শরীরের নির্দিষ্ট পয়েন্টে যাদুর গিট থাকলে অবশ্যই হিজামা করা উচিত।

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন
01974-151654
আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

30/05/2026

কোন হুজুর, চিকিৎসক বা কবিরাজের মধ্যে এ সমস্ত লক্ষণ বা আলামতের কোন একটিও পাওয়া গেলে নিঃসন্দেহে বুঝা যাবে যে সে যাদুকর।
আলামতগুলি নিম্নরূপঃ

১। রুগীর নাম ও মায়ের নাম জিজ্ঞেস করা।

২। রোগীর কোন চিহ্ন গ্রহণ করা।
যেমনঃ চুল, নখ, লোম, কাপড়, টুপী, রুমাল ইত্যাদি।

৩। যবাই করার জন্য কোন নির্দিষ্ট জীব-জন্তু চাওয়া, এবং তা আল্লাহর নামে যবাই না করা। কখনও তার রক্ত ব্যথার স্থানে মাখান বা বিরান ঘর বা জায়গায় তা নিক্ষেপ করা।

৪। রহস্যময় মায়াজাল বা মন্ত্র লিখা।

৫ । অস্পষ্ট, তন্ত্ৰ-মন্ত্র ও মায়াজাল পাঠ করা।

৬। রোগীকে চতুর্ভূজ নক্সা বানিয়ে দেয়া, যাতে থাকে আরবি, উর্দু, অক্ষর বা নম্বর ইত্যাদি।

৭। রোগীকে এক নির্ধারিত সময় এক কক্ষে (যাতে আলো প্রবেশ করে না।) লোকদের অন্তরালে থাকার নির্দেশ দেয়া।

৮ । রোগীকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যা সাধারণত ৪০ দিন হয়ে থাকে পানি স্পর্শ করতে নিষেধ করা। মৃত্যু ব্যাক্তির বাড়িতে যাওয়া নিষেধ করে। গরুর গোস্তো খেতে নিষেধ করে ইত্যাদি... এ লক্ষণ দ্বারা বুঝা যাবে যে, যাদুকর যে জিন ব্যবহার করে সে খ্রিস্টান।

৯ । রোগীকে কোন জিনিস পুতে রাখতে দেয়া।

১০ । রোগীকে কিছু পাতা দিয়ে তা জ্বালিয়ে তা থেকে ধোয়া গ্রহণ করতে বলা ।

১১ । অস্পষ্ট, কালাম কথা দ্বারা তাবিজ বানিয়ে দেয়া।
(স্পষ্ট আয়াতের তাবিজ ব্যবহারও নাজায়েজ এবং শিরক)

১২। রোগীর নিজেই নাম, ঠিকানা ও সেই সমস্যা বলে দেয়া।

১৩। ছিন্ন-ছিন্ন অক্ষর লিখে রোগীকে নক্সা বা তাবিজ বানিয়ে দেয়া । বা কোন সাদা পাথরে লিখে দেয়া ও তা ধুয়ে পানি পান করতে বলা ইত্যাদি ইত্যাদি..

আপনি যদি এসব লক্ষণ জেনে বুঝতে পারেন যে, সে যাদুকর তবে আপনি অবশ্যই তার নিকট যাওয়া থেকে সতর্ক হয়ে যাবেন নচেৎ আপনার প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী প্রযোজ্য হয়ে যাবেঃ

(من أتى كا هنا فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل على محمد)

অর্থাৎ “যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে সে যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে অবশ্যই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা অস্বীকার করল।”

01974-151654
আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

29/05/2026

জিন শয়তান এর কথা শুনলে অধিকাংশ মানুষ ভয় পায়।
আর যখনই কোন মানুষ জ্বীন কে ভয় পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে, তখন জ্বীনেরা হাসাহাসি করে আর বলে "আল্লাহ নাকি মানুষকে সব থেকে উত্তম আকৃতিতে দামী মাখলুক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, আর সেই মাখলুক মানুষেরাই আমাদের ভয় করে"

আসলে কি জানেন?
শয়তান অত্যন্ত দুর্বল।
আপনি শুধুমাত্র আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা করে "আল্লাহ" শব্দটি উচ্চারণ করবেন, তাতেই দুষ্ট জ্বীন শয়তান আপনাকে ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে।

কিন্তু তারা মানুষের উপর বিজয়ী অর্জন করার জন্য
কি করে?
বিভিন্ন ইশারা ইঙ্গিতে মানুষের অন্তরকে আল্লাহর থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করে, বিভিন্ন আকৃতিতে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে, কিন্তু বাস্তবে তারা অত্যন্ত দুর্বল।

শয়তান কেমন দুর্বল একটু ধারণা:
কোন এক ব্যক্তির উপর শয়তান ভর করছে, এখন আমরা কোরআন তেলাওয়াত করছি, হাদিসে বর্ণিত দোয়া পাঠ করছি। আরবি/বাংলায় বলা শুরু করলাম, হে আল্লাহ এই ব্যক্তির শরীরে থাকা শয়তানকে আপনি ধ্বংস করে দিন।
তার শরীরে থাকা শয়তানের প্রভাব কে নষ্ট করে দিন। ইত্যাদি ইত্যাদি...
এতটুকু বলতেই খেলা জমে যাবে ইনশাআল্লাহ

বিষয় হলো এটা জাস্ট শুধু দোয়া করলাম আল্লাহর কাছে। আমাদের এই দোয়া কবুল হবে তারপর আল্লাহর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার উপর ফয়সালা কার্যকর হবে ইনশাআল্লাহ।

কিন্তু আমরা এতোটুকু আল্লাহকে বলতেই
শয়তান কি পরিমাণ ভয় পেল।

আপনিও যদি শয়তানকে এভাবে করে বলেন আর আল্লাহর উপর ভরসা রাখেন, তাহলে আপনাকেও শয়তান ভয় পেতে বাধ্য হবে ইনশাআল্লাহ।

শয়তান যখন কোন ব্যক্তির সঙ্গে পেরে ওঠে না
তখন সে কিছু পন্থা অবলম্বন করার চেষ্টা করে।
১. ভয়ংকর স্বপ্ন দেখানো।
২. খাওয়ানোর স্বপ্ন দেখানো।
৩. অন্তরের মধ্যে বিভিন্ন সন্দেহ সৃষ্টি করা।
৪. কোন কিছু সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া।
৫. যেকোনো উপায়ে আপনাকে উত্তেজিত করা। ইত্যাদি...

তাই আপনি যত বড়ই শয়তান এর সম্মুখীন হন না কেন
আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা করে নিজেকে মজবুত রাখার চেষ্টা করবেন। ভয় পেলেও তা প্রকাশ করবেন না।
দেখবেন শয়তান খুব শীঘ্রই আপনার সামনে দুর্বল হয়ে পড়বে ইনশাআল্লাহ।
ফরজ, ওয়াজিব ইবাদত পালন করবেন এবং সকাল সন্ধ্যা এবং ঘুমানোর আগের দোয়াগুলো অবশ্যই পড়বেন।

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন
01974-151654
আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট

29/05/2026

▪️ সকাল-সন্ধ্যার কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাসনূন আমল

১.
لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَہٗ لاَ شَرِيْكَ لَہٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ইউহ্‌ য়ী ওয়া ইউমীতু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর ।( দশ বার )

২.
আয়াতুল কুরসি, ১ বার।

৩.
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰه ِالتَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্ব। (৩ বার)

৪.
بِسْمِ اللّٰه ِالَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهٖ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ

বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম । (৩ বার)

৫.
حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ

হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম। ( ৭ বার)

৬. সূরা ইখলাছ, সুরা ফালাক ও সুরা নাছ তিনবার করে পড়বেন ।
অতিরিক্ত:
সূরা বাকারা এর ১-৫ নম্বর আয়াত।
সূরা বাকারা এর ২৮৪-২৮৬ নম্বর আয়াত।

▪️ ঘুমানাের সময়ের আমল

১.
অজু করে ঘুমানাে, তাহলে ফিরিশতারা হিফাজতের জন্য দুয়া করতে থাকে। ডান কাত হয়ে ঘুমানাে। এমনিতেও সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা সুন্মাত।

২.
শােয়ার পূর্বে কোন কাপড় বা ঝাড় দিয়ে তিনবার বিছানা ঝোড়ে নেয়া।

৩.
আয়াতুল কুরসি পড়া।

৪.
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া।

৫.
সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়ে হাতের তালুতে ফুঁ দিন, এরপর পুরা শরীরে হাত বুলিয়ে নিন।
(এটা তিনবার করুন)

৬.
বিছানার শােয়ার পর এই দোয়া পড়া:
بِاسْمِكَ رَبِّي وَضَعْتُ جَنْبِي ، وَبِكَ أَرْفَعُهُ ، فَإِن أَمْسَكْتَ نَفْسِي فَارْحَمْهَا، وَإِنْ أَرْ سَلْتَهَا فَاحْفَظْهَا ، بِمَا تَحْفَظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِينَ

উচ্চারণঃ বিসমিকা রব্বী ওয়াদ্বা'তু জাম্বী, ওয়াবিকা আরফা'উহু। ফাইন্ আম্সাকতা নাক্সী ফারহামহা, ওয়া ইন আরসালতাহা ফাহফাযহা বিমা-তাহফায়ু বিহী 'ইবা-দাকাস সা-লিহীন।

৭.
খারাপ স্বপ্ন দেখলে তিনবার হালকা করে থুতু ফেলুন, এরপর আল্লাহর কাছে ক্ষতি থেকে আশ্রয় চেয়ে পার্শ্ব পরিবর্তন করুন।

▪️ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কিছু দোয়া সমূহ—
১.
টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে দোয়া পড়া-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ'উযুবিকা, মিনাল খুবসি ওয়াল খবা-ইছ।

২.
স্ত্রী সহবাসের পূর্বে দোয়া পড়া।
بِسْمِ اللَّهِ ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنْبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ শাইত্বা-না, ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা রযাক্বতানা।

৩.
দৈনিক একবার হলেও মসজিদে প্রবেশের দোয়া পড়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণঃ আ'উযুবিল্লাহিল আযীম ওয়াবি ওয়াজহিহিল কারীম ওয়া সুলত্বানিহিল কারীম মিনাশ শাইত্বানির-রাজীম।

৪.
নতুন কোন যায়গায় বা বাড়িতে গেলে, অথবা কোন গা ছামছমে যায়গায় হাটলে পড়া:
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণঃ আ'উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্তা-ম্মা-তি, মিং-শাররি মা-খলাক্ক।

৫.
বাড়িতে প্রবেশের সময় "বিসমিল্লাহ” বলা। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পড়া:
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু 'আলাল্লাহি লা-হাওলা ওয়ালা-কুওওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ।

৬.
ঘুমের মাঝে ভয় পেলে বা অন্যসময় খারাপ অনুভূতি হলে এই দোয়াটি বারবার পড়া:
التَّامَّاتِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وشَرْ عِبَادِهِ ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ

উচ্চারণঃ আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত্তা-ম্মাতি মিন্ গাদ্বাবিহি ওয়া ইক্কা-বিহি ওয়া ওয়ামিন হামাযা-তিশায়া-ত্বীনি ওয়া আন ইয়াহদুরূন।

উক্ত আমলগুলো আপনাকে আল্লাহর রহমতে জ্বিন,যাদু ও বদনজর থেকে হেফাজত করবে।
কখনো কোনো অবস্থাতে এগুলো বাদ দেওয়া যাবে না।

সকাল সন্ধ্যা এবং ঘুমানোর আগের দোয়াগুলো অবশ্যই করুন।

এইটা আজকের যুগে ভীষণ জরুরী নিজের জন্য বাধ্যতামূলক করে নেন কোনো অপশক্তি ক্ষতি করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন—
01974-151654
আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট
Raqi M***i Abdul Malek
✆ 01974-151654

28/05/2026

যখন রোগী আরোগ্যের আশা হারিয়ে ফেলে তখন তিনি শুধু দায়মুক্তির জন্য চিকিৎসা নিয়ে থাকে, যেন তাকে কেউ বলতে না পারে তুমি তো চিকিৎসা নাও নি।

এমতবাস্থায় সে চিকিৎসককে বলে,
আপনি আমার জন্য আর কষ্ট করবেন না, আমার উপর যে জাদু হয়েছে, তা কখনও ধ্বংস হবেনা। আমার মধ্যে যে জিন রয়েছে, তা খুব শক্তিশালী। ইত্যাদি ইত্যাদি!

এর চেয়েও বড় সমস্যা,
যখন রোগীর মন ফেসবুক, ইউটিউব সহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথাকথিত রুকইয়াহ বিশেষজ্ঞদের ভুল ধারণায় ভরে যায়। এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো, সে এমন বিশ্বাস লালন করতে শুরু করে যা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামআতের আকীদার পরিপন্থী।
যেমন:- রুকইয়াহ দিয়ে আমি কখনোই সুস্থ হবো না। রুকইয়াহ দিয়ে মানুষ সুস্থ হয় না। আল্লাহ আমার উপরেই যুলুম করছে আর কাউকে তো করে না। ইত্যাদি।

আপনি জানেন কি?
আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়তো আপনি নিজেই!

★ চিকিৎসা শুরুর আগে করণীয় ★
• আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন এবং তিনিই আপনাকে সুস্থতা দান করবেন এই বিষয়ে বিশ্বাস রাখুন।

• দ্বীন সম্পর্কে এমন আলিমদের সোহবত গ্রহণ করুন, যারা সারাজীবন ইলমের পথে কাটিয়েছেন।

• সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত মতাদর্শ ও কল্পনাবিলাসী ধ্যান ধারণা থেকে দূরে থাকুন। (যেমন, আল্লাহ আমার প্রতিই কেন অবিচার করলেন।) এই ধরনের চিন্তা দূরে রাখুন।

• বিশ্বাস রাখুন, জাদু বা অন্য যে কোনো বিপদ আপনার জীবনের শেষ নয়। আপনার প্রচেষ্টায় আল্লাহ আপনাকে আপনার উচ্চতর পদে নিয়ে যাবে।
আল্লাহ সুরা আনকাবুতে বলেন,
الَّذِیۡنَ جَاهَدُوۡا فِیۡنَا لَنَهۡدِیَنَّهُمۡ سُبُلَنَا ؕ وَ اِنَّ اللّٰهَ لَمَعَ الۡمُحۡسِنِیۡنَ
যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, তাদেরকে আমি অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। আর নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সাথেই আছেন।

★ শয়তান আপনার দোয়া ও ইবাদতে কষ্ট পায় ★
• আপনার দোয়া, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, রুকইয়াহ এবং মাসনুন আমল শয়তানের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। শয়তান চায় আপনি গুনাহের সাগরে ডুবে থাকেন এবং আল্লাহর ইবাদত থেকে গাফিল হয়ে থাকেন।
তাই যখন আপনি ক্লান্তি অনুভব করেন, কুরআন পড়তে বা ইবাদতে অনাগ্রহ বোধ করেন, তখন বুঝে নিন আপনি সঠিক পথেই আগাচ্ছেন যার কারনে শয়তান আপনাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
এটাই সেই পথ, যেখানে শয়তান পরাস্ত হতে চলেছে। ইনশা-আল্লাহ দ্রুতই আল্লাহ আপনাকে সমস্ত রোগ ও বালা মুসিবত থেকে মুক্তি দেবেন।

★ ধৈর্য ধরুন ★
• যে বিপদেই থাকেন না কেন, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন।

• সব সময় আপনার জীবনের অসংখ্য আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামতের কথা গুলো নিয়ে ভাবুন।

• এই বিষয়ে বিশ্বাস রাখুন যে, একজন মুমিনের জন্য সব কিছুই আল্লাহ কল্যাণকর করে রেখেছেন।

• বিশ্বাস রাখুন আপনার উপর যে কোনো বিপদই আল্লাহ তরফ থেকে গুনাহ মাফ হওয়ার কারণ হতে পারে।

• চিকিৎসা চালিয়ে যান, কখনো হাল ছাড়বেন না ইনশাআল্লাহ।

• নিজের নফসও শয়তানের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকুন।

• এই বিষয়ে বিশ্বাস রাখুন, আল্লাহ সবর কারীদের সাথে আছেন।

★ সকল ভাই-বোনদের প্রতি কিছু আবেদন ★
• চিকিৎসা শুরুর আগে আল্লাহর দিকে নিজেকে ধাবিত করুন, কারণ আল্লাহই একমাত্র সমাধান।

• গোপন ও প্রকাশ্য গুনাহ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

• পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো ও জামায়াতের সাথে আদায় করুন।

• সকাল,সন্ধ্যার ও রাতের মাসনুন আমল গুলো করুন।

• বেশি বেশি করে কুরআন তিলাওয়াত করুন। বিশেষ করে সূরা বাক্বারা। (অন্তত প্রতি তিন দিনে একবার)

• কখনো আল্লাহ'র কাছে দোয়া ও প্রর্থনা ছাড়বেন না। কারণ এটি মুমিনের অস্ত্র। বিশেষ করে তাহাজ্জুদের ওয়াক্তে। আল্লাহ চায় ওই সময়ে আপনি আল্লাহ'র কাছে চান।

• দান-সদকা করুন। রাসুল (সা:) বলেন,
دَاوُوْا مَرْضَاكُمْ بِالصَّدَقَةِ
তোমরা ছাদাক্বার মাধ্যমে তোমাদের রোগীদের প্রতিষেধকের ব্যবস্থা কর।

• মনে রাখুন আল্লাহ কখনোই তার বান্দাকে নিরাশ করেন না। শুধু আমাদের তার দিক অনুসরণ করতে হবে।
আল্লাহ সকলকে হেফাজত করুন, আমিন।

আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে যোগাযোগ করুন
01974-151654
আশ-শিফা রুকইয়াহ পয়েন্ট
Raqi M***i Abdul Malek
✆ 01974151654

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Nikkan Housing Society, Dewan Market, Kuturia
Rangpur
1340

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00