10/04/2025
ের_করুন_সেই_সত্বার_জন্য_যিনি_সময়কে_সৃষ্টি_করেছেন।
স্কুল, কলেজ, ভার্সিটির ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পেশাজীবী ব্যবসায়ী কর্মব্যস্ত ও অবঃপ্রাপ্ত ভাইদের জন্য দ্বীনি ইলম শিক্ষা করার এক অনন্য আয়োজন নিয়ে এলো-
মারকাযুল হিদায়া মাদরাসা সাভার
(একটি স্বল্পমেয়াদি রাত্রিকালীন দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র)
▶️নৈশ মাদ্রাসা কি ও কেন?
অধিকাংশ মানুষ সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও তারা দ্বীন শেখার কোনো সুযোগ পায়নি। কর্মব্যস্ততার কারণে তারা নিয়মিত মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়না। দাওয়াত-তাবলীগ বা আলেম-ওলামাদের সংস্পর্শে ঈমান ও ইয়াকীন কিছুটা মজবুত এবং আমলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হলেও উলামায়ে একরামের কাছে ইলম শেখার নিয়মতান্ত্রিক কোন ব্যবস্থা না থাকায় তারা ঈমান- ইয়াকীনের স্বচ্ছতা অর্জন ও সহীহ ভাবে আমল করতে পারে না। অথচ এই ইলম তো সবার জন্য ফরজ। তাই প্রত্যেক মুসলমানকে দ্বীন শেখার সে সুযোগ করে দিতেই নৈশ মাদরাসা ও বয়স্ক শিক্ষার আয়োজন।
▶️বয়স্ক দ্বীনি শিক্ষা ও নৈশ মাদ্রাসাঃ নববী যুগে এর নমুনা
দ্বীনি শিক্ষা কোন বয়সের সাথে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। শিশুদের যেমন শিক্ষা জরুরী, তেমনি যারা শৈশবে দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করতে পারেনি তারা বয়স্ক হলেও তাদের দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করা জরুরি।
ইমাম বুখারী রহ. বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ বয়স্ক অবস্থায় ইলম অর্জন করেছেন। (বুখারী,১/১৭)
হযরত আনাস (রা) বলেন, কিছু লোক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলো, তারা বলল আমাদের সঙ্গে কিছু লোককে কোরআন-সুন্নাহ শিক্ষাদানের জন্য পাঠান। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৭০ জন আনসারিকে তাদের কাছে পাঠালেন। যাদেরকে কুররা বলা হত। তাদের মধ্যে আমার মামা 'হারাম' ও ছিলেন। তারা রাত্রে কোরআনে কারীম পড়তেন এবং শিক্ষা গ্রহণ করতেন। দিনের বেলায় তারা পানি এনে মসজিদে রাখতেন এবং কাঠ সংগ্রহ করে বিক্রি করতেন, তা দ্বারা আহলে সুফফা ও দরিদ্রদের জন্য খাদ্য ক্রয় করতেন।
(সহীহ মুসলিম, ২/১৪৯)
এতে বুঝা যায় বহু সাহাবায়ে কেরাম দিনের বেলা কাজ কর্মে ব্যস্ত থেকেও রাতের বেলা দ্বীন শিখতেন।
▶️ মারকাযুল হিদায়া মাদরাসার নৈশ বিভাগের বৈশিষ্ট্যঃ
★মাত্র পাঁচ বছরে দাওরায়ে হাদিস ক্লাসে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন।
★বিজ্ঞ আলেমদের দ্বারা, নৈশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।
★সন্ধ্যাকালীন ক্লাস হওয়ার ফলে কলেজ ভার্সিটির ছাত্র-শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, চাকুরীজীবী, পেশাজীবী ও কর্মব্যস্ত ভাইদের ক্লাসে অংশগ্রহণ এর সুবিধা।
★সন্ধ্যাকালীন ব্যাস্ত লোকদের জন্য ফজরের পর ক্লাসের সুবিধা।
★সপ্তাহে পাঁচ দিন ক্লাস।
★সেমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষাদান।
★দ্বীনী ভাষা হিসেবে আরবী ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান ও তা আয়ত্ত করার নিমিত্তে আরবী কথোপকথনের উপর জোর প্রদান।
★বিশুদ্ধ ইসলামী চিন্তা ধারায় প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাতিল-ফিরকা সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য সাপ্তাহিক/ পাক্ষিক/ মাসিক আলোচনা।
▶️বিভাগসমূহঃ
★ ফরজে আইন কোর্স। ( কুরআন মাজীদ শুদ্ধ করণ, মৌলিক আক্বিদা, মাসায়েল, দোয়া-দুরুদ ও জীবন ঘনিষ্ঠ বিষয়াবলী শিক্ষাদান।
★কিতাব বিভাগ ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষ (মিজান, নাহবেমীর ও হেদায়াতুন নাহু)
▶️ভর্তির জন্য শর্ত ও নিয়মাবলীঃ
# কিতাব বিভাগের জন্য ন্যূনতম এসএসসি পাশ হতে হবে।
# ফরজে আইন কোর্স সবার জন্য উন্মুক্ত।
# প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার সদিচ্ছা থাকা।
# নির্ধারিত ফরম পূরণ করে ভর্তির কার্য সমাধা করতে হবে।
▶️সার্বিক যোগাযোগঃ
আবু সালেহ মুহা: আব্দুল বাসেত
পরিচালক, মারকাযুল হিদায়া মাদরাসা সাভার।
ইমাম ও খতীব, জালেশ্বর জামে মসজিদ, সাভার, ঢাকা।
মোবাইল: 01317-842636