জমির দলিলে ব্যবহৃত গুরুতবপূর্ণ শব্দ জেনে নিন । এখানে এমন কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দ রয়েছে যার পূর্ন রূপ/অর্থ জানাটা খুব জরুরি!
১। মৌজা = গ্রাম।
২। জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩। ফর্দ = দলিলের পাতা।
৪। খং = খতিয়ান।
৫। সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়
৬। হাল = বর্তমান।
৭। বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
৮। নিং = নিরক্ষর।
৯। গং = আরো অংশীদার আছে।
১০। সাং = সাকিন/গ্রাম।
১১। তঞ্চকতা = প্রতারণা।
১২। সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩। এজমালী = যৌথ।
১৪। মুসাবিদা = দলিল লেখক।
১৫। পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬। বাস্তু = বসত ভিটা।
১৭। বাটোয়ারা = বন্টন।
১৮। বায়া = বিক্রেতা।
১৯। মং = মবলগ/মোট
২০। মবলক = মোট।
২১। এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।
২২। হিস্যা = অংশ।
২৩। একুনে = যোগফল।
২৪। জরিপ = পরিমাণ।
২৫। এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।
২৬। চৌহদ্দি = সীমানা।
২৭। সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।
২৮। দাখিলা = খাজনার রশিদ।
২৯। নক্সা = ম্যাপ।
৩০। নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।
৩১। নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২। পিং = পিতা।
৩৩। জং = স্বামী।
৩৪। দাগ নং = জমির নম্বর।
৩৫। এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।
৩৬। পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।
৩৭। স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।
৩৮। সমূদয় = সব কিছু।
৩৯। ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৪০। পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।
৪১। বিং = বিস্তারিত।
৪২। দং = দখলকার।
৪৩। পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৪। বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৫। মৌকুফ = মাপ। রোক = নগদ।
৪৬। দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।
৪৭। ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৪৮। দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
৪৯। দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫০। তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫১। খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
৫২। খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৩। জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৪। এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৫। অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৬। তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।
৫৭। নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৫৮। অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৫৯। আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬০। আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।
৬১। আসলি = মূল ভূমি।
৬২। আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।
৬৩। ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
৬৪। ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।
৬৫। ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।
৬৬। এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৬৭। ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৬৮। কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৬৯। কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার
৭০। কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭১। কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭২। কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৩। কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৪। কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।
৭৫। কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৬। কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।
৭৭। কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।
৭৮। খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৭৯। খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮০। খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮১। খিরাজ = কর, খাজনা।
৮২। খানে খোদা = মসজিদ।
৮৩। খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৪। গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।
৮৫। গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।
৮৬। গির্বি = বন্ধক।
৮৭। চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।
৮৮। জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।
৮৯। চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯০। চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।
৯১। চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।
৯২। চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৩। চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৪। জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।
৯৫। জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৬। জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
৯৭। জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।
৯৮। জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
৯৯। জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।
১০০। টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০১। টাভার্স = ঘের জরিপ।
১০২। ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৩। ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৪। তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
১০৫। তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৬। তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।
১০৭। তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।
১০৮। তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
১০৯। তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১০। তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১১। তরমিম = শুদ্ধকরণ।
১১২। তরতিব = শৃংখলা।
১১৩। তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।
১১৪। দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৫। দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।
১১৬। দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১১৭। দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
১১৮। দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৯। দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।
১২০। দরবস্ত = সমুদয়।
১২১। নথি = রেকর্ড।
১২২। দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৩। দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৪। দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।
১২৫। নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৬। নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।
১২৭। নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
১২৮। হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
১২৯। বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
১৩০। অধুনা = বর্তমান।
Bar Council Exam Preparation
Bangladesh Bar Council exam, which has two stages. Stage 1 is a preliminary multiple choice question.
Stage 2 consists of written questions covering the same legal topics, with candidates required to answer questions from each topic.
02/06/2025
জুলাই ২০২৬ থেকে ব্যক্তি কর হার।
#আয়কর #আইন #করবর্ষ
28/04/2025
আলহামদুলিল্লাহ।
পাসপোর্ট পেতে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না।
Agricultural income: এর অর্থ কৃষি আয়।
১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশের ২ (১) ধারায় কৃষি আয়ের সংজ্ঞা প্রদান করা হইয়াছে। উক্ত সংজ্ঞানুসারে-
(১) বাংলাদেশে অবস্থিত এবং কৃষিকার্যের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমি হইতে যে কোনো আয়:
(1) যাহা কৃষি কার্যের দ্বারা উৎপাদিত হইবে: বা
(II) ভূমি হইতে উৎপাদিত ফসলকে বিক্রয়যোগ্য করিবার জন্য সাধারণ প্রক্রিয়ার দ্বারা কৃষক যা আয় করে উহা বা
(III) কষক সাধারণ প্রক্রিয়া ব্যবহার না করিয়াও ভূমি হইতে উৎপন্ন ফসল বিক্রয় করিয়া যে আয় করে, উহা, বা
(IV) অন্যকে তাহার ভূমি ব্যবহার না করিবার জন্য স্বত্ব প্রদান করিয়া তাহার নিকট হইতে যে অর্থ প্রাপ্তি হয়, উহা; বা
(২) কোনো গৃহ হইতে আয়, যাহা-
(1) কৃষি কার্যের দ্বারা উৎপাদিত ফসল বিক্রয়যোগ্য করিবার প্রক্রিয়াকরণের কার্যে ব্যবহৃত হয়।
(II) কৃষি ভূমির উপরে অথবা সন্নিকটে অবস্থিত হয়; এবং
(III) গৃহটি ভূমির সহিত সম্পর্কবশত কৃষকের বসবাসের জন্য অথবা ফসল মজুতকরণের কার্যে কৃষকের বহিঃগৃহের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
আয়কর অধ্যাদেশের ২৬ ধারা অনুসারে কৃষি আয় গণনার ক্ষেত্রে ১৯ (১৭) এবং ১৯ (১৯) ধারায় বর্ণিত বিক্রিত কলকব্জার অতিরিক্ত মূল্য এবং চা ও রবার হইতে শিল্পজাত ক্ষেত্রের মুনাফা বাদ দিয়া কৃষিজাত হইতে যে মুনাফা আসে তাহাও কৃষি আয় বলিয়া গণ্য হইবে। কৃষি আয় খাতে কর যোগ্য কৃষি আয় নিরূপণে কি কি খরচ বাদ যাইবে তাহা আয়কর অধ্যাদেশের ২৭ (১) ধারায় বলা হইয়াছে।
#কৃষি #কৃষিআয় #আয়কর #আয়করঅধ্যাদেশ
Agricultural Land: কৃষিজাত ভূমি।
সাধারণত যে জমি চাষাবাদে ফসলাদী উৎপন্ন হয় অথবা বাগান হিসাবে ব্যবহার করা হয় তাহাকে কৃষি ভূমি বলা হয়। রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইনে কৃষি ভূমি সম্পর্কে এবং ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনে অকৃষি ভূমি সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হইয়াছে।
#কৃষিজাত #কৃষিজাতভূমি #প্রজাস্বত্ব
# একবার দেখতে পারেন #
বিষয় : দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮
১। আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত-ডিক্রি, ধারা-২(২)
২।দেওয়ানি মামলা আমলে নেওয়ার ধারা-৯ [ সম্পত্তি বা পদেের অধিকার]
৩।রেস সাবজুডিস,ধারা-১০
৪। Constructive Res Judicata-ধারা-১১(৪)
৫।বিবাদি একজন হলে ক্ষতিপূরণের মামলা- ১৯ ধারায়
৬। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন- হাইকোর্ট বিভাগে,ধারা-২৩
৮। সমন অমান্যের জরিমানা-৫০০ টাকা,ধারা-৩২
৯।দেওয়ানি মামলায় সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণমূলক খরচ-২০০০০ টাকা,ধারা-৩৫ক
১০।ডিক্রি জারির সর্বোচ্চ সময়- ১২ বছর,ধারা-৪৮
১১।টাকার ডিক্রিতে গ্রেফতার করা যাবে না কোনো- মহিলাকে,ধারা-৫৬
১২। ক্রোক করা যায়- জমি,দালান - কোঠা,টাকা,ধারা-৬০,ক্রোক করা যায না- কৃষকের ফসল,ধারা-৬১
১৩।ডিক্রি জারি কাজে বাঁধা দিলে জেল- ৩০দিন,ধারা-৭৪
১৪।কমিশনের কারণ-৪টি,ধারা-৭৫
১৫।নোটিশ না দিলে সরকার লিখিত জবাব দেওয়ার সময় পাবে- ৩মাস,ধারা-৮০
১৬।অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জরিমানা-১০০০০ টাকা, ধারা- ৯৫
১৭।সোল ডিক্রির বিরুদ্ধে চলে- রিভিশন,ধারা-৯৬(৩)
১৮।প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে চলে- আপিল,ধারা-৯৭
১৯। আদেশের বিরুদ্ধে আপিল -ধারা-১০৪+আদেশ-৪৩ বিধি-১[২৫টি]
২০। রিভিউ করা হয়- একই আদালতে,ধারা-১১৪,রি়ভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে প্রতিকার-আপিল,আর নামঞ্জুর করলে- রিভিশন,আদেশ-৪৭ বিধি-১
২১।শুধু আইনের প্রশ্ন চ্যালেঞ্জ করা হয়- রিভিশন, ধারা-১১৫,২য় রিভিশন -১১৫(৪) ধারা
২২।বিধি কমিটির সদস্য-৬ জন,ধারা-১২৩
২৩।প্রত্যর্পণ- ধারা-১৪৪, দরখাস্তের তামাদি-৩ বছর,অনুচ্ছেদ-১৮১
২৪।টাইম পিটিশন- ধারা-১৪৮
২৫। আদালতের সহজাত ক্ষমতার - সকল দেওয়ানি আদালতের, ক্ষেত্র-২টি,ধারা-১৫১
২৬। রায়, ডিক্রি ও আদেশ সংশোধন-ধারা-১৫২
২৭।প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার বিধান- আদেশ-১ বিধি-৮
২৮। প্লিডিংস অর্থ - আরজি বা লিখিত জবাব,আদেশ-৬,প্লিডিংস সংশোধন- আদেশ-৬ বিধি-১৭
২৯। আরজির বিষয় -৯টি,আদেশ-৭
৩০। লিখিত জবাব দেওয়ার সময় সর্বনিম্ন- ৩০ কার্যদিবস আর সর্বোচ্চ সময়-৬০ কার্যদিবস,আদেশ-৮
৩১। একতরফা ডিক্রির প্রতিকার নয়- রিভিশন,আদেশ-৯
৩২।প্রশ্নমালা প্রণয়ন-১০দিন,অদেশ-১১
৩৩। বিচার্য বিষয় গঠন-১৫দিন,আদেশ-১৪
৩৪। চূড়ান্ত শুনানির পূর্বে খরচছাড়া মুলতুবি- ৬বার,খরচসহ-৩বার,সর্বনিম্ন খরচ-২০০ টাকা,সর্বোচ্চ খরচ-১০০০টাকা,চূড়ান্ত শুনানির পর্যায়ে খরচছাড়া- একবারও নয়,খরচসহ- ৩বার,বাদি আবেদন করলে খরচ পাবে-বিবাদি,বিবাদি করলে- বাদি আর উভয় পক্ষ আবেদন করলে খরচ পাবে- রাষ্ট্র,আদেশ -১৭
৩৫।দৈনিক মামলা-৫টি,নিচে থাকলে আনতে হবে-৭০টি আর সর্বোচ্চ -১০০টি, আদেশ-১৮
৩৬। রায় ও ডিক্রি ঘোষণা- ৭দিন,আদেশ -২০
৩৭। ডিক্রি জারি- আদেশ-২১
৩৮। মামলায় পক্ষভুক্তির আদেশ-২২,সর্বোচ্চ খরচ-৩০০০টাকা,আবেদন -৬০দিন, [ ৯০দিন,অনুচ্ছেদ -১৭৬+১৭৭]
৩৯।মামলা প্রত্যাহারের আদেশ-২৩
৪০। কমিশন-আদেশ-২৯,Local Investigation- আদেশ-২৬ বিধি-৯
৪১। নিঃস্ব ব্যক্তির টাকা-৫০০০ এর কম,আদেশ-৩৩ [আপিলের আদেশ -৪৪]
৪২। Interpleader suit-ধারা-৮৮,আদেশ-৩৫
৪৩। Negotiable Instrument-আদেশ-৩৭
৪৪। রায়ের পূর্বে গ্রেফতার ও ক্রোক- আদেশ-৩৮
৪৫। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্যের জন্য জেল-৬ মাস,আদেশ-৩৯
৪৬। রিসিভার নিয়োগ- আদেশ-৪০
৪৭। মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল -আদেশ-৪১[ জেলা জজ- ৩০দিন,অনুচ্ছেদ -১৫২,হাইকোর্ট বিভাগে -৯০ দিন,অনু-১৫৬]
৪৮।আদশের বিরুদ্ধে আপিল - ধারা-১০৪,আদেশ-৪৩[ ২৫টি ]
৪৯।রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে প্রতিকার- আপিল আর নামঞ্জুর হলে- রিভিশন, আদেশ-৪৭ বিধি-১
৫০। শব্দে বাংলা বর্ণ স/শ থাকলে প্রতিকার-রিভিশন আর প বর্গের বর্ণ - আপিল,ধারা-১১৫,ধারা-৯৬-১১২,আদেশ:৪১-৪৫
বিষয় : সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭
১। ৯ ধারায় চলে-রিভিশন,বাকি ধারায়-আপিল,রিভিউ [ধারা-৮,১২,৩১,৩৫,৩৯,৪২,৫৪,৫৫]
২।বাধ্যতামূলক ক্ষমতার ধারা-৮+৯ কিন্তু বাকি ধারা- বিবেচনামূলক ক্ষমতা
৩। ৯ ধারায় কোর্ট ফি- মূল্যানুপাতিকের অর্ধেক আর ৪২ ধারায়- ৩০০ টাকা নির্ধারিত তবে আনুষঙ্গিক প্রতিকারসহ- মূল্যানুপাতিক কিন্তু বাকি ধারায় সব- মূল্যানুপাতিক
৪। সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের উপায় -৫টি[নিষেধমূলক-১টি আর আদেশমূলক-৪টি],ধারা-৫
৫।দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করতে পারে না-ধারা-৭
৬। ৮ধারায় তামাদি-১২ বছর,অনু-১৪২,৯ধারায়-৬মাস,অনু-৩,১০ধারায-৩ বছর,অনু-৪৯,
৮। চুক্তি প্রবল -১ বছর,অনু-১১৩,ধারা-১২
৯।দলিল সংশোধন-৩বছর,অনু-৯১
১০।ঘোষণামূলক মামলা,চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা -৬ বছর,অনু-১২০[মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ না থাকলে সব সময়-৬ বছর]
১১।ক্ষতিপূরণের মামলার ধারা-১৯,৩৮,৪১
১২। ১২ ধারার ক্ষেত্র-৪টি,২১ ধারার-৮টি,৫৬ ধারা-১১টি
১৩।দলিল সংশোধন করে- আদালত,ধারা-৩১
১৪।অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি কার্যকর - ১ জুলাই ২০০৫,ধারা-২১ক
১৫।Solatium নীতির প্রতিফলন-২২ ধারায়
১৬। প্রতারণামূলক বিক্রয়-২৭ ধারায়
১৭।চুক্তি রদ- ধারা-৩৫ [ তামাদি-১বছর,অনু-১১৪]
১৮। X নামের ব্যক্তি Y এর ৫ তলা বাড়ির পাশে ১০ তলা বাড়ি - বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা, ধারা-৫৫
১৯। খণ্ড-৩টি[প্রাসুনি],ধারা-১-৫৭
২০। সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের ধরন-৮টি[ দীপু কাঁদে রদ ঘোরিনি]
বিষয় : দণ্ডবিধি,১৮৬০
১। ভারতীয় উপমহাদেশের ১ম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান-থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে[৪জন কমিশনার]
২।Good Faith এর সংজ্ঞা-৫২ ধারায়
৩। common Intention এর ধারা-৩৪ আর Common object- ১৪৯
৪। অর্থদণ্ড ৫০ টাকা হলে কারাবাস- ২মাস,১০০ টাকা হলে- ৪মাস,১০০টাকার বেশি হলে-৬মাস,ধারা-৬৭
৫।অর্থদণ্ড আদায়-৬ বছর,ধারা-৭০
৬। নির্জন কারাবাস একটানা -১৪দিন,আর সর্বোচ্চ -৩ মাস,ধারা-৭৪
৮। সাধারণ ব্যতিক্রম- ৪র্থ অধ্যায়,ধারা-৭৬-৯৫
৯। Private Defence- ধারা-৯৬-১০৬
১০। দেহ রক্ষার ক্ষেত্র- ৬টি,ধারা-১০০
১১।সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্র-৪টি,ধারা-১০৩
১২। প্ররোচনার উপাদান-৩টি,ধারা-১০৭
১৩। মৃত্যুদণ্ডের ধারা-১২১,১৩২,১৯৪,৩০২,৩০৩,৩০৫,৩০৭,৩২৬ক,৩৬৪ক,৩৯৬
১৪।রাষ্ট্রদ্রোহিতা ধারা-১২৪ক,১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রট/ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল - হাইকোর্ট বিভাগ
১৫। বেআইনী সমাবেশের সর্বনিম্ন সদস্য- ৫ জন,ধারা-১৪১
১৬। Cognizable Offence- দাঙ্গা,ধারা-১৪৬
১৭।মারামারির সর্বনিম্ন সদস্য- ২ জন,ধারা-১৫৯
১৮। সরকারি কর্মচারির ঘুষ নেওয়ার ধারা-১৬১
১৯। বিচার বিভাগীয় কাজে মিথ্যা সাক্ষ্যের শাস্তি- ৭বছর,ধারা-১৯৩
২০। মিথ্যা মামলা,ধারা-২১১
২১। নিন্দনীয় নরহত্যার ব্যাখা -৩টি,ধারা-২৯৯
২২।খুনের শর্ত-৪টি,আর ব্যতিক্রম-৫টি,ধারা-৩০০[শাস্তি- DLF,ধারা-৩০২]
২৩। একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড-ধারা-৩০৩
২৪।গুরুতর আঘাত- ৮প্রকার,ধারা-৩২০[আরো দেখ-৩২৩,৩২৫,৩২৬]
২৫। অবৈধ বাঁধার জরিমানা-৫০০টাকা,ধারা-৩৩৯, অবৈধ আটকের-১০০০ টাকা,ধারা-৩৪০
২৬। আক্রমণ-ধারা-৩৫১
২৭।অপহরণ-২ প্রকার,ছেলের বয়স-১৪ মেয়ের ১৬ বছরের কম,ধারা-৩৫৯[অপবাহনে বয়স- বিবেচ্য নয়]
২৮। ধর্ষণের উপাদান-৫টি,ধারা-৩৭৫ [ সর্বোচ্চ শাস্তি- যাবজ্জীবন,ধারা-৩৭৬]
Unnatural Offence, ধারা-৩৭৭
২৯। চুরির উপাদান-৫টি,ধারা-৩৭৮[ T= 37710FB]
৩০। Extortion এ তাৎক্ষণিক ভয় থাকবে,ধারা-৩৮৩
৩১। রাজপথে দস্যুতার শাস্তি-১৪ বছর,ধারা-৩৯২
৩২।খুনসহ ডাকাতির ধারা-৩৯৬
৩৩। অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ- ধারা-৪০৩, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ-ধারা-৪০৫
৩৪। প্রতারণা-ধারা-৪১৫,৪১৬,৪২০
৩৫।অনিষ্ট সাধন-৪২৫
৩৬। অপথে গৃহে প্রবেশ-৬ ভাবে,ধারা-৪৪৫
৩৭। জালিয়াতির সজ্ঞা-৪৬৩
৩৮। মানহানির ব্যতিক্রম-১০টি,ধারা-৪৯৯
৩৯।অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের ধারা-৫০৩
৪০। ইভটিজিং -৫০৯
৪১। সর্বনিম্ন জরিমানা-১০ টাকা,ধারা-৫১০
৪২। পকেটে হাত ঢুকিয়ে টাকা না পেলেও চুরির উদ্যোগ হবে,ধারা-৫১১
বিষয় : ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
১। দায়রা আদালতের বিচারক-৩শ্রেণির,ধারা-৯
২।বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ সাজা দিতে পারে-৭ বছর,ধারা-২৯গ+৩৩ক
৩। কিশোরের বয়স-১৫ বছর, ধারা-২৯খ
৪। ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সমান মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
৫।যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ সাজা দিতে পারে-১০ বছর,ধারা-৩১
৬। ৩য় শেনির ম্যাজিস্ট্রেট সাজা দিতে পারে-২ বছর,ধারা-৩২
৮। মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়- ৩৫ক ধারা
৯। মহিলার দেহ মহিলা পুলিশ দিয়ে তল্রাশি- ৫২ ধারা
১০। বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার -৯ প্রকার, ধারা-৫৪
১১। থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করবে-৩ প্রকার,ধারা-৫৫
১২। বেসরকারি ব্যক্তি গ্রেফতার করতে পারে- ৫৯ ধারা
১৩। ২৪ ঘণ্টা,ধারা-৬১
১৪। সমন-৬৮ ধারা
১৫। Search Warrant, ধারা-৯৬
১৬। অশ্লীল পুস্তক বাজেয়াপ্ত-ধারা-৯৯ক
১৭।বস্তু তল্লাশির ধারা-৯৮
১৮। ব্যক্তি তল্লাশির ধারা-১০০
১৯। মুচলেকার সর্বনিম্ন সময়-১ বছর,সর্বোচ্চ -৩ বছর,ধারা-১০৬-১১০
২০। ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা বলবত-২ মাস,রিভিশন- দায়রা আদালতে, ধারা-৪৩৯খ
২১। পুলিশ মামলা আমলে নেয়-১৫৪ ধারায়
২২।আমলঅযোগ্য মামলার তদন্ত- ধারা-১৫৫
২৩। আমলযোগ্য মামলার তদন্ত-১৫৬ ধারা
২৪।পুলিশ আসামির জবানবন্দি নিতে পারে-১৬১ ধারায়
২৫। সর্বোচ্চ রিমান্ড-১৫দিন,ধারা-১৬৭(২)
২৬। তদন্তের সর্বোচ্চ সময়-১২০দিন,ধারা-১৬৭(৫)
২৭। Police Diary, ধারা-১৭২
২৮। Police Report -৫ প্রকার,ধারা-১৭৩
২৯। Inquest Report-ধারা-১৭৪
৩০। কবর থেকে লাশ উত্তোলনের ধারা-১৭৬ (২)
৩১। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলা আমলে নেন- ১৯০ ধারায়,নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-১৯০(৪) ধারায় আর দায়রা আদালত-১৯৩ ধারায়
৩২। নালিশকারীর জবানবন্দি-ধারা-২০০
৩৩। জিআর আর সিআর মামলা একসাথে চলার সময় সিআর মামলা থামাতে হবে,ধারা-২০৫ঘ
৩৪। চার্জে থাকে না-শাস্তি,ধারা-২২১-২৪০[উদাহরণ আসবে -১টি],চার্জ সংশোধন-ধারা-২২৭
৩৫। অব্যাহতি-ধারা-২৪১ক+২৬৫গ
৩৬। চার্জ গঠন, ধারা-২৪২+২৬৫ঘ
৩৭। সংক্ষিপ্ত বিচারে ২০০ টাকার বেশি না হলে- আপিল চলে না,ধারা-২৬০
৩৮। তরুণ অপরাধী- ধারা-৩৯৯
৩৯। দণ্ড স্থগিত,মওকুফ,ধারা-৪১০,৪০২,৪০২ক
৪০। Doctrine of Double jeopardy,ধারা-৪০৩
৪১। আপিলের ক্ষেত্র- মুজা অখাদ্য ক্রোক করা অবমাননা,ধারা-৪০৪-৪৩১,৪৭৬খ,৪৮৬
৪২। রিভিশন চলে- অমু না খাবা বিদোতুস,ধারা-৪৩৫-৪৪২ক
৪৩। হেবিয়াস কর্পাস রিট- ধারা-৪৯১
৪৪। অভিযোগ গঠনের আগে পিপি মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি পাবে- অব্যাহতি,আর পরে হলে- খালাস,ধারা-৪৯৪
৪৫। জামিন,ধারা-৪৯৬-৫০২
৪৬। অনিয়মিত কার্যক্রম-ধারা-৫২৯
৪৭। আদালতের সহজাত ক্ষমতা শুধু- হাইকোর্ট বিভাগের,ধারা-৫৬১ক [ ক্ষেত্র-৩টি]
বিষয় : সাক্ষ্য আইন,১৮৭২
১। সংজ্ঞার ধারা-৩
২। অনুমান- ৩প্রকার,ধারা-৪
৩। Res Gestae সংক্রান্ত ধারা-৬,৭,৮,৯,১৪
৪। Motive প্রাসঙ্গিক - ৮ ধারায়
৫।Ti Parade - ধারা-৯
৬।সাধারণ অভিপ্রায়,ধারা-১০
৭। Plea of Alibi,ধারা-১১+১০৩
৮। মনের অবস্থা,ধারা-১৪
৯। স্বীকৃতির সংজ্ঞা-ধারা-১৭
১০। স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয় তবে প্রমাণে বাঁধা হতে পারে,ধারা-৩১
১১। Dying Declaration এর ব্যক্তি- ৪শ্রেণির,ধারা-৩২(১),[ক্ষেত্র-৮টি]
১২। Doctrine of Double jeopardy, ধারা-৪০
১৩। Expert's opinion -১৫ টি,ধারা-৪৫
১৪। Judicial Notice-১১টি,ধারা-৫৭
১৫। মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই- প্রত্যক্ষ হতে হবে,ধারা-৬০
১৬। Primary Evidence- ধারা-৬২[দৈনিক পত্রিকা]
১৭।Secondary Evidence-ধারা-৬৩[ জাবেদা নকল,প্রতিলিপি... ]
১৮। সরকারি দলিল,ধারা-৭৪[আরজি,জন্ম সনদ]
১৯। Private Document, ধারা-৭৫[ প্রকাশিত কবিতা]
২০। Shall Presume,ধারা-৭৯,৮০,৮১,৮২,৮৩,৮৪,৮৫,৮৫ক-গ,১০৫
২১। May presume,ধারা-৮৬,৮৭,৮৮,৮৮ক,৮৯,৮৯ক,৯০,৯০ক,১১৪
২২।Conclusive Proofধারা-৪১,১১২
২৩। প্রমাণের ভার কার উপর বর্তাবে,ধারা-১০২
২৪।দণ্ডবিধির ব্যতিক্রম প্রমাণ-১০৫ ধারায়
২৫। Wife killing case,ধারা-১০৬
২৬। মৃত প্রমাণ,ধারা-১০৭
২৭। জীবিত প্রমাণ, ধারা-১০৮
২৮। মালিকানা প্রমাণ,ধারা-১১০
২৯। সন্তান বৈধ-২৮০দিন,ধারা-১১২
৩০। Feeding the grant by Estoppel,ধারা-১১৫
৩১। বোবা সাক্ষী, ধারা-১১৯
৩২। দুষ্কর্ম্মে সহযোগী আসামি,ধারা-১৩৩
৩৩। সাক্ষী -নির্দিষ্ট নয়,ধারা-১৩৪
৩৪।Leading Question করা যায় না-জবানবন্দি+ জেরার সময়,ধারা-~১৪১-১৪৩
৩৫। Hostile witness,ধারা-১৫৪
৩৬। Refreshing Memory,ধারা-১৫৯
বিষয় : তামাদি আইন,১৯০৮
১। তামাদির মেয়াদ শেষে মামলা-ধারা-৩
২। Condonation of Delay এর বিষয়-৫টি,ধারা-৫
৩। Legal Disability- নাবালক,উন্মাদ,জড়বুদ্ধি,ধারা-৬
৪। বিশেষ ব্যতিক্রম,ধারা-৮
৫। সময়ের অবিরাম চলন,ধারা-৯
৬। তামাদির মেয়াদ বাদ যাবে- ব্যয় বাহিরে ভুল কামু,ধারা-১২-১৬
৮। তামাদির মেয়াদ শুরু- মৃপ্রস্বী সুস্থ অবি,ধারা-১৭-২৪
৯। সুখাধিকার- ২০ বছর,বেসরকারি সম্পত্তি,৬০ বছর,সরাকারি সম্পত্তি,ধারা-২৬-২৭
১০। Adverse possession-ধারা-২৮[১২ বছর,অনুচ্ছেদ-১৪৪]
১১। চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি-১ বছর,অনু-১১৩
১২। দলিল সংশোধনের মামলা-৩ বছর,অনু-৯১
১৩। মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ না থাকলে তামাদির মেয়াদ -৬ বছর,অনু-১২০ কিন্তু দরখাস্ত দায়েরর তামাদির মেয়াদ না থাকলে -৩ বছর,অনু-১৮১
১৪। ডিক্রি জারির সর্বোচ্চ তামাদি-১২ বছর,অনু-১৮৩
১৫। জেলা জজ আদালতে আপিলের তামাদি- ৩০দিন,অনু-১৫২ আর হাইকোর্ট বিভাগে-৯০ দিন,অনু-১৫৬
১৬। বাক্যে পুনঃ শব্দ থাকলে তামাদির মেয়াদ-৩০দিন,অনু-১৬৯
১৭। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পিপি আপিল করবে- ৬মাস,অনু-১৫৭
১৮। ঘোষণামূলক মামলার তামাদি- ৬ বছর,অনু-১২০
১৯। তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়,ধারা-২৯
২০। অ্যাডভোকেটের খরচ -৩ বছর
বিষয় : বার কাউন্সিল আদেশ,১৯৭২
১। বার কাউন্সিল একটি- সংবিধিবদ্ধ / স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান,অনুচ্ছেদ -৩
২। সকল কমিটির সদস্য- ৫জন,কিন্তু আইন শিক্ষা কমিটির সদস্য -৯ জন,অনু-১১
৩। বার কাউন্সিল ট্রাইবুনালের সদস্য -৩ জন,অনু-৩৩
৪। ট্রাইবুনালের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল- ৯০দিন,অনু-৩৬
৫। লিঙ্গ বৈষম্য - অনু-২৮
৬। বার কাউন্সিলের কার্যাবলি,অনু-১০
৮। বার কাউন্সিলের সদস্য- ১৫জন,অনু-
৯। বার কাউন্সিল নির্বাচন- ৩১মে
১০। নির্বাচনী তফসিল -৪৫দিন পূর্বে
১১। Clients,not advocates,are the litigants- বিধি-৭,অধ্যায়-১ম
১২। একজন অ্যাডভোকেট বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না-বিধি-২,১ম অধ্যায়
১৩। অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্যতা,অনু-২৭
#বারকাউন্সিলসাজেশন #দেওয়ানি #ফৌজদারীকার্যবিধি #সুনির্দিষ্টপ্রতিকার #চুক্তিআইন #তামাদি #সাক্ষ্যআইন
একনজরে ৭ আছে যেখানে
> সাক্ষ্য আইনে ৭ টি ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় (ধারা ৬৫)।
> বার কাউন্সিলের অঞ্চলভিত্তিক সদস্য ৭ জন।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনকারী অপর পক্ষকে নািেটশ দিলে উক্ত নোটিশ বিনা জারিতে ফেরৎ।
> আসিলে তা পুনরায় ৭ দিনের মধ্যে আবার নািেটশ দিতে হবে।
> বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত নির্বাচিত আইনজীবী সদস্য ৭ জন
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে প্রশ্নমালা বাতিল/কর্তন/রদ ৭ দিনের মধ্যে।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরাধে নিষ্পত্তি হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবেন।
> বার কাউন্সিলের নািেটশের জবাব দিতে হবে ৭ দিনের মধ্যে। (বিধি-৪৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ৭ ধারায় স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত সম্পর্কে বলা আছে।
> বার কাউন্সিলের সাধারণ আসনের জন্য প্রত্যেক ভাটোর ভাটে দিবেন ৭টি। (বিধি-৪)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে রায় ঘাষেণা করতে হয় ৭ দিনের মধ্যে।
> বার কাউন্সিলের নির্বাচনী প্রস্তাব জমা ও বাছাইয়ের মধ্যে ৭ দিনের বিরতি থাকবে। (বিধি-৩)
> দওয়ানী কার্যবিধিতে ৭ আদেশে আরজি সম্পর্কে বলা আছে।
> সাক্ষ্য আইনে ৭ বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত প্রমাণের দায়িত্ব (ধারা ১০৮)।
> সাক্ষ্য আইনে ৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে আদালত অনুমান করবে (ধারা ৯০)।
> সাক্ষ্য আইনে ৩০ বছর ধরে জীবিত ব্যক্তির মৃত প্রমাণের দায়িত্ব (ধারা ১০৭)।
#বারকাউন্সিলসাজেশন #দেওয়ানি #ফৌজদারীকার্যবিধি #সুনির্দিষ্টপ্রতিকার #তামাদি #চুক্তিআইন #সাক্ষ্যআইন
একনজরে ৬ আছে যেখানে
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে বিধিমালা প্রণয়নে সদস্য থাকবেন ৬ জন (ধারা ১২৩)।
> দন্ডবিধি প্রকাশ পায় ৬ অক্টোবর।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে বার্ষিক খরচ ৬% (ধারা ৩৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১১ ধারায় ব্যাখ্যা আছে ৬টি।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে খরচ ছাড়া মুলতবির দোতরফা শুনানীর পূর্বে আবেদন ৬ বার (১ পক্ষের) আদেশ ১৭।
> দেওয়ানী কাৰগবিধিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৬ মাস দেওয়ানী কয়েদে আটক (আদেশ- ৩৯)।
> দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ধারায় আদালতের আর্থিক এখতিয়ার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
> দণ্ডবিধিতে অর্থদন্ড ১০০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড (ধারা ৬৭)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে রেজি:কৃত ডিক্রিজারীর জন্য তামাদির সময় ৬ বছর।
> দণ্ডবিধিতে অর্থদন্ড ৬ বছরের মধ্যে আদায়যোগ্য (ধারা ৭০)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে বার্ষিক খরচ ৬% (ধারা ৩৫)।
> দণ্ডবিধিতে দেহ রক্ষায় ৬টি ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যাবে (ধারা ১০০)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ৫০ টাকার উর্ধ্বে ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানী আটক ৬ মাস। (ধারা ৫৮)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ৫০ টাকার নিম্নে ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানী আটক ৬ সপ্তাহ। (ধারা ৫৮)
> দণ্ডবিধিতে কারাদন্ড ৬ মাস হলে নির্জন কারাবাস ১ মাসের বেশি হবে না (ধারা ৭৩)।
> দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ধারায় আদালতের আর্থিক এখতিয়ার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
> দণ্ডবিধিতে কারাদন্ড ৬ মাস এর বেশি হলে নির্জন কারাবাস ২ মাসের বেশি হবে না (ধারা ৭৩)।
> দণ্ডবিধিতে অপথে গৃহে প্রবেশ করা যায় ৬ ভাবে (ধারা ৪৪৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে খরচ ছাড়া মুলতবির দোতরফা শুনানীর পূর্বে আবেদন ৬ বার (১ পক্ষের) আদেশ- ১৭
> দণ্ডবিধিতে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ড সর্বোচ্চ ৬ মাস (ধারা ৬৭)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৬ মাস দেওয়ানী কয়েদে আটক (আদেশ- ৩৯)।
> দণ্ডবিধিতে পূর্বে ৬ প্রকার দণ্ডের বিধান প্রচলন ছিল।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১১ ধারায় ব্যাখ্যা আছে ৬টি।
#বারকাউন্সিলসাজেশন #দেওয়ানি #ফৌজদারীকার্যবিধি #তামাদি #সাক্ষ্যআইন #চুক্তিআইন #সুনির্দিষ্টপ্রতিকার
একনজরে ৫ আছে যেখানে
> দণ্ডবিধিতে ধর্ষণের উপাদান ৫টি (ধারা ৩৭৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ৫ আদেশ অনুসারে সমন জারি করতে হয়।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে ফাইনাল রিপার্টে ৫ প্রকার (ধারা ১৭৩)।
> তামাদি আইনের ৫ ধারার বিষয়বস্তু ৫টি।
> দণ্ডবিধিতে ১০৮ ধারায় ৫টি ব্যাখ্যা আছে।
> ফৌজদারী কার্যবিধি ৫ নং আইন।
> বার কাউন্সিলের দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলার তালিকার নোট থাকবে ৫টি করে।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ৫ হাজার টাকার কম সামর্থ্যের ব্যক্তিকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলা হয় (আদেশ- ৩৩)।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৫ম তফসিলে ফরমসমূহ রয়েছে।
> দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের উদ্দেশ্য ৫টি (ধারা ১৪১)।
> সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায় ২টি বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায় (বিচার্য বিষয়ে, প্রাসঙ্গিক বিষয়ে)।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে যুগ দায়রা জজ ৫ বছরের বেশী দণ্ড দিলে হাইকোর্টে আপিল হবে।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে তফসিল ৫টি।
> দণ্ডবিধিতে বেআইনী সমাবেশের সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন (ধারা ১৪১)।
> বার কাউন্সিলের মিথ্যা তথ্য দিলে ৫ বছরের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
> দেওয়ানী কার্যবিধি ৫ নং আইন।
> তামাদি আইনের অধ্যায় ৫টি।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এর জ্বর ৫টি (ধারা ৬)।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় ৫ ভাবে (ধারা ৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন মোকদ্দমা রাখবেন ৫টি। (আদেশ ১৮)।
> বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ ৫ বছর।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় ৫টি ক্ষেত্রে (ধারা ৫৪)।
> বার কাউন্সিলের সভার কোরাম সদস্য ৫ জন। (বিধি-৩৩),
> তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের বিধান রয়েছে।
> সাক্ষ্য আইনে বিশেষজ্ঞের মতামত ৫টি বিষয়ে প্রাসঙ্গিক (ধারা ৪৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে দেওয়ানী আদালত ৫ প্রকার।
> দণ্ডবিধিতে দাঙ্গার সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন (ধারা ১৪৬)।
> বার কাউন্সিলের নির্বাচনের বৈধতা সংক্রান্ত অভিযাগে দায়ের করতে পারে ৫ জন। (বিধি-২০),
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ডিক্রি জারি আদালতের ক্ষমতা ৫টি (ধারা ৫১)।
> দণ্ডবিধিতে দন্ড ৫ প্রকার (ধারা ৫৩)।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে তফসিল ৫টি।
দণ্ডবিধিতে ব্যভিচারের শাস্তি ৫ বছর (ধারা ৪৯৭)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে জেলা জজের আপীল এখতিয়ার ৫ কোটি টাকা।
> দণ্ডবিধিতে সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন (ধারা ১৪৯)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৫% অর্থ জমা দিতে হবে। (আদেশ ২১)
> সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারায় ৫ শ্রেণির ব্যক্তির বক্তব্য প্রাসঙ্গিক।
> দণ্ডবিধিতে খুনের ব্যতিক্রম ৫টি (ধারা ৩০০)।
> বার কাউন্সিলের সকল কমিটিতে সদস্য থাকবে ৫ জন (ব্যতিক্রম আইন শিক্ষা কমিটি ৯ জন।)
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ৫ বছরের অধিক কারাদন্ড দিতে পারে না (ধারা ৩২)।
> দণ্ডবিধিতে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন (ধারা ৩৯১)।
> বার কাউন্সিলের চাকুরী হতে সাজা প্রাপ্ত হলে অযোগ্য হবেন ৫ বছর।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৫ বছরের অধিক কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিকে বেত্রাঘাত দেওয়া যাবে না। (ধারা-৩৯৩)
> দণ্ডবিধিতে চুরির ব্যাখ্যা আছে ৫টি (ধারা ৩৭৮)।
> সাক্ষ্য আইনে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলতে ৫টি বিষয়কে অন্তর্ভূক্ত করে (ধারা ৬৩)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে সমন জারি করতে হবে (আদেশ-৫)।
> সাক্ষ্য আইনের ৩য় খন্ডে অধ্যায় আছে ৫টি (১০১-১১৪, ১১৫-১১৭, ১১৮-১৩৪, ১৩৫-১৬৬, ১৬৭)।
> ফৌজদারী কার্যবিধিতে ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ৫ হাজারের বেশি জরিমানা প্রদান করতে পারে না (ধারা-৩২)।
> তামাদি আইনের ৫ম অধ্যায়ে সংরক্ষণ রয়েছে।
#দেওয়ানি #ফৌজদারীকার্যবিধি #সাক্ষ্যআইন #তামাদি #চুক্তিআইন #বারকাউন্সিলসাজেশন
একনজরে ৪ আছে যেখানে-
> তামাদি আইনের ১২ ধারার বিষয়বস্তু ৪টি।
> দণ্ডবিধিতে মানহানির ব্যাখ্যা আছে ৪টি (ধারা ৪৯৯)।
> বার কাউন্সিলের ১ জন আইনজীবী শিক্ষানবীস নিবেন ৪ জন।
> সাক্ষ্য আইনের ২য় খন্ডে অধ্যায় আছে ৪টি (৫৬-৫৮, ৫৯-৬০, ৬১-৯০, ৯১-১০০)।
> দণ্ডবিধিতে শান্তির তত্ত্ব আছে ৪টি।
> সাক্ষ্য আইনে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা হরণ করা যায় ৪ ভাবে (ধারা ১৫৫)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে সমন ৪ ভাবে জারি করা যায় (আদেশ-৫)।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় ক্ষেত্র ৪টি।
> দণ্ডবিধিতে দস্যুতার সদস্য সংখ্যা সর্বোচ্চ ৪ জন (ধারা ৩৯০)।
> সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় অনুমানের কথা বলা আছে।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে কমিশন ৪টি কারণে নিয়োগ করা হয় (ধারা ৭৫, আদেশ ২৬)।
> বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণের অধ্যায় ৪টি।
> সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় ৪টি বিষয়ের কথা বলা আছে।
> দণ্ডবিধিতে অপরাধের স্তর ৪টি (ধারা ৪০)।
> তামাদি আইনে সুখাধিকার এর উপাদান ৪টি (ধারা ২৬) (আলো, বাতাস, পানি, পথ)।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার ক্ষেত্র ৪টি।
> দণ্ডবিধিতে ক্ষতির উপাদান ৪টি (ধারা ৪৮)।
> তামাদি আইনের ২৯ ধারায় ব্যতিক্রম আছে ৪টি।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার ৪টি।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে আদেশমূলক প্রতিকার ৪টি (ধারা ৫)।
> সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় ৪ ধরনের পরীক্ষার ক্রমের কথা বলা আছে (জবানবন্দী, জেরা, পুনঃজবানবন্দী, পুনাজেরা)।
> সাক্ষ্য আইনে সরকারি দলিল বলতে ৪ ধরনের দলিলকে বুঝায় (ধারা ৭৪)।
> দেওয়ানী কার্যবিধির ৪ আদেশ অনুসারে আরজির মাধ্যমে মাকোদ্দমা দায়ের করা হয়।
> দণ্ডবিধিতে অর্থদন্ড অনধিক ১০০ টাকার ক্ষেত্রে ৪ মাস কারাদন্ড (ধারা ৬৭)।
> সাক্ষ্য আইনে মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হবে ৪টি বিষয়ে (ধারা ৬০)।
> দণ্ডবিধিতে সম্পত্তি রক্ষায় ৪টি ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায় (ধারা ১০৩)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা ৪টি (ধারা ১০৭)।
> তামাদি আইনের ৪ ধারায় আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ যখন হয় তখনকার পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে।
> বার কাউন্সিলের কোন সদস্যের আসন শূণ্য হয় ৪টি কারনে। (বিধি ৯১)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে সমন অমান্যের দন্ড ৪টি (ধারা ৩২)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে জেলা জজের অধস্তন আদালত ৪ প্রকার।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে আরজি প্রত্যাখান হয় ৪ টি কারনে (আদেশ-৭, বিধি- ১১)।
> দেওয়ানী কার্যবিধিতে গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে শর্ত আছে ৪টি (ধারা ৫৫)।
> সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণির ব্যক্তির বক্তব্য প্রাসঙ্গিক।
> সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার ক্ষেত্র ৪টি।
> তামাদি আইনের ৪র্থ অধ্যায়ে রয়েছে দখলবলে মালিকানা অর্জন। (ধারা ২৬-২৮)
#চুক্তিআইন #ফৌজদারীকার্যবিধি #সাক্ষ্যআইন #তামাদি #দেওয়ানি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
B-22/17, Anandopur
Savar
1340