10/12/2021
ফেসবুক মার্কেটিং কি?
ফেসবুক মার্কেটিং হলো এমন একটি যোগাযোগ মাধ্যম যার দ্বারা ব্যবসার পণ্য এবং সেবার ব্যাপারে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে জানান দেয়া হয়ে থাকে। ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে বেশি সংখ্যক লোকের কাছে পণ্য সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয় এবং বেশি পরিমাণ পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করা হয়।🤩
👉ফেসবুক মার্কেটিং কত প্রকার?
👉ফেসবুক মার্কেটিং সাধারণত ২ প্রকারে হয়ে থাকে। আর তা হলো ফ্রি ফেসবুক মার্কের্টিং এবং পেইড ফেসবুক মার্কের্টিং। ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী ফ্রি এবং পেইড ফেসবুক মার্কের্টিং ব্যবহার করা হয়।
👉ফ্রি ফেসবুক মার্কের্টিং
সোজা কথায় বলা যায়, যে মার্কেটিং এর কোন পর্যায়ে অর্থ ব্যয় করতে হয় না তাই ফ্রি মার্কেটিং। অনলাইন তথা ডিজিটাল মার্কেটিং এ কোন অর্থব্যয় ছাড়া মার্কেটিং করা যায়। তারই ধারাবহিকতায় ফেসবুক মার্কেটিংও ফ্রি হয়ে থাকে। সেখানে ব্যবসা বা সেবা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং হয়ে থাকে। তাই বলা যায়, বিনা অর্থ ব্যয়ে ফেসবুকে যে মার্কেটিং করা হয় তাই ফ্রি ফেসবুক মার্কের্টিং। উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টা আরো সহজ হয়ে যাবে।😊
প্রথমে আমরা একটা ফেসবুক পেজ খুলতে পারি। প্রতিষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী পেজ এর নাম, কভার পিকচার, প্রোপাইল পিকচার দিয়ে সাজাতে পারি। তারপর যে পণ্য বিক্রি করতে চাই তার পরিপূর্ণ তথ্য দিয়ে পোস্ট দিতে পারি। সেটা ইমেজ আকারেও হতে পারে। অতপর আমাদের পরিচিত সবাইকে এই পেজ ফলো করার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারি। তারপর ফেসবুক পেজ এর পোস্টগুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে পারি। আমাদের পরিচিত ফেসবুক বন্ধুদেরকে শেয়ার দেয়ার জন্য অনুরোধ করতে পারি। এই প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে আমরা অধিক সংখ্যক লোকের কাছে আমাদের পণ্যের প্রচার বাড়াতে পারি কোন ধরণের অর্থ ব্যয় করা ছাড়াই। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ এ যোগদান করে আমাদের পেজ ও পণ্যের পোস্ট দিতে পারি। আর এটাই হলো ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং।
পেইড ফেসবুক মার্কেটিং
সাধারণত ফেসবুক নিউজ ফিডে যে পোস্টগুলো স্পনসরড লেখা থাকে সে সব পোস্টই হলো পেইড ফেসবুক মার্কেটিং। ছোট বড় সকল ব্যবসার প্রতিষ্ঠান এই মার্কেটিং ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে ফেসবুক এ মার্কেটিং করার নাম হলো পেইড ফেসবুক মার্কেটিং।
পেইড ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে একেবারে সিলেক্টিভ গ্রাহকের কাছে পৌছনো সম্ভব। যদি আমরা চাই আমাদের পণ্য শুধুমাত্র ঢাকা শহরের উত্তরায় বসবাসকারী নারী অথবা পুরুষরা দেখতে পাবে, পেইড ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে এটা সম্ভব। পেইড ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য ফেসবুক পেজ এবং পোস্টকে প্রমোট করা হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন আকারে পেজ এবং পোস্ট নির্ধারিত গ্রাহকের কাছে উপস্থাপন করে ফেসবুক। এটি ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে সম্ভব হয় না।
ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার উপায়💸💸
কি বলে ফেসবুক মার্কেটিং করে বলে টাকাও আয় করা যায়
হ্যা করা যায়
কিভাবে করা যায় জানতে হলে পড়ুন 👇👇
ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার নানা উপায় রয়েছে। বর্তমান অনলাইন দুনিয়ায় আয় করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। আপনি চাইলে আপনার পছন্দ ও দক্ষতা অনুযায়ী ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন অনায়াসে। ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার কয়েকটি উপায় আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো।
👉ফেসবুক মার্কেটিং থেকে আয় করার প্রথম ধাপ হলো আপনার পেজ এর প্রচুর পরিমাণে ফলোয়ার থাকতে হবে। বেশি ফলোয়ার মানে আপনার পোস্টটি বেশি সংখ্যক গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ ও পণ্যের প্রচারে সহায়তা করবে।
ফেসবুক পোস্ট এর ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করা যায়। আমরা সকলেই কোন না কোন সেলিব্রেটির ফেসবুক পেজ ফলো করে থাকি। তাদের পেজ এ পণ্যের প্রচারের জন্য মাঝে মাঝে পোস্ট দেয়া হয়। যেমন মেসি, রোনালদোর পেসবুক পেজ থেকে অ্যাডিডাস অথবা নাইকির নতুন কোন জুতো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়। প্রতিটি পোস্টের বিনিময়ে তারা লাখ লাখ টাকা পেয়ে থাকে। তেমনি ভাবে আপনার ফেসবুক পেজ থেকে কোন কোম্পানির পণ্যের পোস্ট দেয়ার বিনিময়ে আপনি কোম্পানি থেকে টাকা আয় করতে পারেন💵💵।
ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার অন্যতম আরেকটি উপায় হলো অনলাইন স্টোর এর প্রমোশন। কোন কোম্পানির অনলাইন প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য আপনি তাদের পেজ নিয়ে পোস্ট শেয়ার দিতে পারেন। যেমন আড়ং অথবা ইয়েলো পেজ এর প্রচারের মাধ্যমে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং করে টাকা আয় করতে পারেন💸💸।
ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করেও টাকা আয় করা যায়। আপনার ভিডিও কনটেন্ট থেকে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। সম্প্রতি ফেসবুক ভিডিও কনটেন্ট থেকে আয় করার সার্ভিস চালু করেছে। তবে তার জন্য নিদির্ষ্ট পরিমাণ ভিউয়ার এবং নির্দিষ্ট সময় ভিডিওটি দেখা লাগবে।
ফেসবুক পেজ বিক্রির মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। আপনার পেজ এ যদি লাখের উপরে ফলোয়ার হয় অনায়াসে ভালো দামে আপনার পেজটি বিক্রি করতে পারবেন।
আপনার ব্যবসা অথবা সেবার প্রচারণা করে ব্যাপকভাবে সেল বৃদ্ধি করতে পারেন, যাতে আপনি সরাসরি লাভবান হবেন। আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু ও পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধি পাবে।
তাই ঘরে বসে না থেকে ফেসবুক অযথা ব্যবহার না করে
ফেসবুককে টাকা আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহার করি
#হ্যাপিফ্রিল্যান্সিং