ফাতেমা করিম ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল এন্ড হেল্থ টেকনোলজি

  • Home
  • Bangladesh
  • Saturia
  • ফাতেমা করিম ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল এন্ড হেল্থ টেকনোলজি

ফাতেমা করিম ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল এন্ড হেল্থ টেকনোলজি প্রস্তাবিত ফাতেমা করিম ইন্সটিটিউট অব

28/05/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহ, দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মী ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম। (চেয়ারম্যান: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট এবং ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার - ডিআরসি)।

এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন:
"পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে বয়ে আনে ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও পরম সহমর্মিতার বার্তা। কোরবানি স্রেফ কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং তা হলো নিজের ভেতরের অহংকার, অন্যায় ও আমিত্বকে বিসর্জন দিয়ে মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন এবং সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠার এক মহান শিক্ষা।

মনের অশুভ অন্ধকার দূর করে সহজ, সরল ও অনাড়াম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করাই ঈদুল আজহার মূল তাৎপর্য। ইসলামের মূল সৌন্দর্যই হলো সাম্য ও সৌহার্দ্য। পবিত্র কোরবানির মাধ্যমে সমাজের বিত্তবান ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যকার সামাজিক দূরত্ব ঘুচে যায়। আমাদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে যদি একজন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো যায়, তবেই কোরবানির প্রকৃত সার্থকতা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎসব মানবজাতিকে সম্প্রীতির অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং সামাজিক অন্ধকার থেকে মানবিক আলোর ভূমিতে সমবেত করে। আসুন, ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই দিনে আমরা কায়েমী স্বার্থ পরিহার করে সমাজ ও রাষ্ট্রের অসহায়-নিরন্ন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।"
ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম পরিশেষে প্রার্থনা করেন, পবিত্র ঈদুল আজহা সকলের জীবনে বয়ে আনুক অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। ত্যাগের আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি হৃদয়।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তাপ্রবা প্রতিবেদকপ্রকাশ : ৪ মিনিট আগেআপডেট : ৩ মিনিট আগেবাং...
17/05/2026

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তা
প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৪ মিনিট আগে
আপডেট : ৩ মিনিট আগে

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশিষ্ট কলামিস্ট, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম।

ব্রুনাই হাইকমিশনে রবিবার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কূটনৈতিক বৈঠকের পর এক চিঠির মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ব্রুনাই হাইকমিশনার।

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিমকে সম্বোধন করে পাঠানো এক আধিকারিক বার্তায় হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান বলেন, “ঢাকাস্থ ব্রুনাই হাই কমিশনে আপনার এবং প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লেফট্যানেন্ট কর্নেল (অব.) প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সাথে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং ব্রুনাই-বাংলাদেশ সহযোগিতার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত অর্থপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে”।

বৈঠকে ব্রুনাই হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রোজাইমি আবদুল্লাহর অংশগ্রহণের প্রশংসা করায় ইঞ্জিনিয়ার করিমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

হাইকমিশনার তার চিঠিতে বলেন, “দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার মূল ভিত্তি হিসেবে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততা এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং উৎসাহব্যঞ্জক ছিল”।

বৈঠকে প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ “July Revolution: And Its Aftermath Politics” হাইকমিশনারকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

উপহারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে হাইকমিশনার বলেন, “বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক বিবর্তন এবং সামগ্রিক উন্নয়ন সম্পর্কে আরও বিশদ ধারণা পেতে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আমি আগ্রহের সাথে এটি পাঠ করব”।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (CHRHD) এবং ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টারের (DRC) চেয়ারম্যান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিমের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে গবেষণা, পারস্পরিক সংলাপ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন হাইকমিশনার।

চিঠির শেষাংশে হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের সুস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং আগামী দিনে ব্রুনাই দারুসসালাম ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে এই ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ “July Revolution: And Its Aftermath Politics” হাইকমিশনারকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

02/05/2026
21/03/2026

দক্ষিণ সাতুরিয়া খানবাড়ি জামে মসজিদে পবিত্র ঈদের নামাজ শেষে দেশবরেণ্য কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মানবাধিকার কর্মী ও রাজনীতিবিদ—ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং সমাজে ন্যায় ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এই সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য উপস্থিত সকলের মাঝে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে।

#ঈদুলফিতর #ঈদেরনামাজ #ঝালকাঠি #সম্প্রীতি #মানবিকতা

পঞ্চাশের মাইলফলকে এক আলোকবর্তিকা: ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমের জীবন ও দর্শনমানুষের জীবন কেবল বছরের সংখ্যা দিয়ে প...
21/02/2026

পঞ্চাশের মাইলফলকে এক আলোকবর্তিকা: ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমের জীবন ও দর্শন

মানুষের জীবন কেবল বছরের সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না; বরং জীবনের সার্থকতা নির্ভর করে মানুষের কর্ম, আদর্শ এবং সমাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতার ওপর। আজ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বাংলাদেশের দক্ষিণ জনপদের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম তাঁর জীবনের ৫০তম বছরে পদার্পণ করেছেন। এই মাহেন্দ্রক্ষণে তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের দিকে তাকালে আমরা এক অনন্য ব্যক্তিত্বের দেখা পাই—যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া মানবিক মূল্যবোধকে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

মানবিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের বেড়ে ওঠা এমন এক পরিবারে, যেখানে শিক্ষা ও মানুষের সেবা ছিল ইবাদতের সমতুল্য। তাঁর পিতা, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহ.) আজীবন মানুষকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। পিতার সেই অমিয় বাণী—“কারো উপকার করতে না পারলে, অন্তত কারো ক্ষতি কোরো না”—আজও রেজাউল করিমের জীবন ও রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাঁর পিতামহ হযরত মোসলেম আলী খান (রহ.) এবং পরিবারের অন্যান্য পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া মানবিক কাজগুলোকে তিনি বর্তমানে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা

পিতার হাত ধরে খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া রেজাউল করিম আজ আন্তর্জাতিকভাবে একজন শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিত্ব। লন্ডনের University of Westminster এবং The Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান থেকে আইন ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে তিনি নিজেকে শাণিত করেছেন। তাঁর এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও দেশ-বিদেশে ভ্রমণের জ্ঞান তাঁকে এক আধুনিক ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ হিসেবে গড়ে তুলেছে।

গবেষণা ও মননশীল রাজনীতি

বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখন গবেষণার অভাব প্রকট, তখন ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হিসেবে এক নতুন ধারার সূচনা করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শনে বিশ্বাসী এই মানুষটি রাজনীতির মাঠের চেয়ে টেবিল-টকশো এবং লেখনীতে বেশি প্রভাবশালী। তাঁর রচিত ‘জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় চিন্তা ও তারেক রহমানের ৩১ দফা’ কিংবা ‘জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি’ বইগুলো সমসাময়িক রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।

জন্মদিনের গভীর উপলব্ধি: একটি আত্মসমর্পিত হৃদয়

রেজাউল করিমের ৫০তম জন্মদিনের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো তাঁর ব্যক্তিগত দর্শন। তিনি এই দিনটিকে কোনো উৎসব হিসেবে নয়, বরং মহান স্রষ্টার পক্ষ থেকে পাওয়া একটি "বর্ধিত উপহার" (Extended Gift) হিসেবে দেখেন। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে এক গভীর আধ্যাত্মিকতা। তিনি যখন বলেন, “আমি তো বিশ্ব স্রষ্টার মহাপরিকল্পনারই একটা ক্ষুদ্র অংশ,” তখন বোঝা যায় তাঁর বিনয় কত অতল।

নিজের শৈশবে হারিয়ে যাওয়া বোনের স্মৃতি কিংবা সহপাঠীদের অকাল প্রয়াণের কথা স্মরণ করে তিনি যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তা একজন প্রকৃত মুমিনের পরিচয় দেয়। তাঁর বর্তমান চিন্তা কেবল দুনিয়াবি সাফল্য নয়, বরং স্রষ্টার কাছে একটি "বিশুদ্ধ হৃদয়" (Qalbun Saleem) নিয়ে হাজির হওয়ার আকাঙ্ক্ষা।

আমাদের প্রার্থনা

অর্ধশতকের এই পথচলায় ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম ব্যক্তি হিসেবে যতোটা সফল, আদর্শ হিসেবে তার চেয়েও বেশি অনুকরণীয়। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করি। ঝালকাঠি-১ ও পিরোজপুর-২ আসনসহ পুরো দেশের মানুষের কল্যাণে তিনি যেন আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেন, সেই প্রার্থনা রইল।

আপনি যেভাবে জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতি ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন, মহান আল্লাহ আপনাকে সেই তৌফিক দান করুন। সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের পথে আপনার এই যাত্রা হোক অবিচল।

শুভ জন্মদিন, ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম!

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমআসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।বাংলাদেশ...
25/01/2026

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতিতে যে কয়েকটি পরিবার প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে মানবকল্যাণ ও নৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এসেছে, ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম সেই ঐতিহ্যবাহী ধারার একজন যোগ্য উত্তরসূরি। তিনি একাধারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক, লেখক, সংগঠক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন পরীক্ষিত নেতা।

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং নিয়মিতভাবে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে জাতীয় রাজনীতি, গণতন্ত্র, নির্বাচন ও মানবাধিকার বিষয়ে বিএনপির নীতিগত অবস্থান তুলে ধরছেন।

পারিবারিক উত্তরাধিকার: মানবসেবার শিকড়

ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম এমন এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন, যেখানে সমাজসেবা ও শিক্ষা বিস্তার ছিল ইবাদতের অংশ।

তাঁর পিতামহ
হযরত মোসলেম আলী খান (রহ.) ও আব্দুর রব মোল্লা (রহ.),
পিতা
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ),
মাতা
আলহাজ্ব ফাতিমা করিম,
চাচা
আব্দুল জলিল খান,
এবং ভাই
হাফেজ শায়খ কে. এম. মোস্তফা কামাল (হাফিজাহুল্লাহ)—
এই পরিবার সম্মিলিতভাবে যে মানবিক উত্তরাধিকার গড়ে তুলেছে, তা আজও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয়।

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বর্তমানে তাঁদের প্রতিষ্ঠিত দাতব্য, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়নে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত।

আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহ.) : এক আলোকিত জীবন

১১ নভেম্বর ২০১৬, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ) ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

তিনি ছিলেন—
ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর থানাধীন সাতুরিয়া হামিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক
খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক
খিলগাঁও মডেল হাই স্কুল ও কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা
তিনি জীবদ্দশায় প্রতিষ্ঠা করেন—

সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ
জামিয়া ইসলামিয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা
শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট
বাইতুর রহমত জামে মসজিদসহ একাধিক মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ঘূর্ণিঝড় সিডর-পরবর্তী সময়ে মোসলেম আলী খান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে তাঁর ত্রাণ কার্যক্রম দক্ষিণাঞ্চলে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

তিনি বলতেন—
“কারো উপকার করতে না পারলে, অন্তত কারো ক্ষতি কোরো না।”
এই দর্শনই আজ ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের জীবনচলার মূল প্রেরণা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: দেশীয় শিকড়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয়
খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা-তে।
এরপর—
এসএসসি: সাতুরিয়া এম. এম. হাই স্কুল
Graduate Diploma in Law – University of Westminster (UK)
Bar Professional Training Course (BPTC) – BPP University
Legal Practice Course (LPC – LLM) – University of Westminster
Chartered Institute of Legal Executives (CILEX) – University of Westminster
তিনি Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর একজন গর্বিত সদস্য।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম শিক্ষা, গবেষণা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে ভ্রমণ করেছেন—
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, রাশিয়া;
এশিয়ার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া;
মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার;
দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ।
এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে করেছে বাস্তববাদী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।

রাজনৈতিক পথচলা

ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শনে বিশ্বাসী।

গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহ:

মনোনয়নপ্রার্থী, বিএনপি
ঝালকাঠি-১ ও পিরোজপুর-২ (২০০১, ২০০৬, ২০০৮, ২০১৮)
চেয়ারম্যান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র
সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য – যুবদল
সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক – জিয়া পরিষদ
সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি – বিএনপি আইনজীবী ফোরাম (যুক্তরাজ্য)
সাবেক সদস্য – যুক্তরাজ্য বিএনপি ও ঝালকাঠি জেলা বিএনপি
গবেষণা, লেখালেখি ও প্রতিষ্ঠান গঠন
তিনি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন—
শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট
জীবনানন্দ দাশ গবেষণা কেন্দ্র
সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট
ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার (DRC)

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় চিন্তা ও তারেক রহমানের ৩১ দফা
শহীদ জিয়াউর রহমান রচনাবলী
জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি
বহুমাত্রিক জীবনানন্দ
নির্বাচিত কলাম
আওয়ামী বাকশালিদের দুঃশাসনের খতিয়ান

ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন—তিনি একটি আদর্শের ধারক। শিক্ষা, মানবিকতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে তিনি আপসহীন। পিতৃপুরুষের মানবিক উত্তরাধিকারকে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বিশ্বাস করেন—
নৈতিক রাজনীতি, জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও মানবিক সমাজই পারে বাংলাদেশকে সত্যিকারের মুক্তির পথে নিয়ে যেতে।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা: রাজনৈতিক রহস্য, ক্ষমতার সমীকরণ ও এক নেত্রীর চরম অসুস্থতাবিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্র...
29/11/2025

তারেক রহমানের দেশে ফেরা: রাজনৈতিক রহস্য, ক্ষমতার সমীকরণ ও এক নেত্রীর চরম অসুস্থতা

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে তাঁর অবস্থান ঘিরে উদ্বেগে আচ্ছন্ন পুরো দেশ। এমন সংকটের মুহূর্তে একটি প্রশ্ন সবচেয়ে আলোচিত—ছেলে তারেক রহমান কোথায়? কেন তিনি এই মুহূর্তে মায়ের পাশে নেই?

এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করলে সামনে আসে এক জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ, নেপথ্যের শক্তি-প্রভাব আর রহস্যে ঘেরা এক অনিচ্ছুক প্রত্যাবর্তনের গল্প।

অগাস্ট-পরবর্তী রাজনীতির ধাঁধা

গত ৫ই অগাস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন—যেকোনো মুহূর্তে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, তাঁর অনুপস্থিতি ততটাই রহস্যজনক হয়ে উঠেছে।

শুরুতে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল—খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসা নিতে যাবেন, তাই তাদের একসঙ্গে দেশে আনা কঠিন। কিন্তু এই যুক্তি ছিল দুর্বল; পরে এটি আর কেউ গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারণও করেনি।
বর্তমান ব্যাখ্যা একটি—নিরাপত্তা ঝুঁকি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—এ ঝুঁকি কি সত্যিই এত বড়?

ড. ইউনূস, সেনাবাহিনী ও ক্ষমতার বাস্তবতা

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতায় রেখে একদিকে সংবিধান সংস্কার, অন্যদিকে ভারতবিরোধী অর্থনৈতিক প্রকল্প—সবই অগ্রসর হয়েছে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায়। এমনকি শেখ হাসিনাকেও নির্বিঘ্নে ভারতে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি কার্যত নির্বাসনে।

হাসিনার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় দ্রুত রায়—একটিতে মৃত্যুদণ্ড, অন্যটিতে ২১ বছরের সাজা—প্রমাণ করে যে এই রাষ্ট্রযন্ত্র এই মুহূর্তে ক্ষমতার কাঠামো পুনর্গঠনের কঠিনতম কাজও করছে।

সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্তপ্রসূত এ সব পদক্ষেপে কোনো বড় রাজনৈতিক বাধা দেখা যায়নি।

তাহলে প্রশ্ন জাগে—
যেখানে ড. ইউনূসকেও নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব, সেখানে তারেক রহমানকে কেন নয়?

তারেকের অনুপস্থিতি: নিরাপত্তা নাকি অন্য কোনো চাপ?

তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতার কথা বলে দেশে ফিরছেন না—এ দাবি অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও, অনেক তথ্যই এটিকে দুর্বল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরছে।

হোয়াইট হাউজের ব্রেকফাস্ট মিটিং—বিশ্ব কূটনৈতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ—সেটিতেও তিনি যাননি। তাঁর স্থলে গিয়েছিলেন জাইমা রহমান।

বিদেশি মাঠে নিজের উপস্থিতি জানানোর সুযোগ তিনি কেন হারালেন?
সেনাবাহিনীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার যেভাবে চলছে, তাতে তারেককে দেশে ফেরালে আইনি ঝুঁকি তেমন নেই বলেই বিশ্লেষকদের মত।

এ অবস্থায় অনিবার্যভাবে প্রশ্ন উঠছে—

তিনি কি আসলে কোনো আড়ালের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক বা গোয়েন্দা চাপের মুখে আছেন?

নাকি তাঁর দলীয় রাজনীতির ভেতরেই ‘মাইনাস’ করার একটি অদৃশ্য প্রচেষ্টা চলছে?

ক্ষমতার মাঠে পরিবর্তনের ঢেউ

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। অতীতে যাদের ‘ভারতের চাপ’-এর কারণে সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে—সেই জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন শিবির-এর জোট ডাকসু, জাকসু, রাকসু, চাকসু—সব গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রসংসদে বিস্ময়কর বিজয় পেয়েছে।
এটি দেখায়—

দেশে ধর্মভিত্তিক বা ইসলামিস্ট গ্রুপগুলোর প্রভাব বাড়ছে,
সেনাবাহিনী ও সরকার সেটি tacit approval দিচ্ছে,
রাষ্ট্রের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো এখন ভিন্ন পথ অনুসরণ করছে।
এই পরিবর্তনের মধ্যেও একটি মাত্র বিষয় অচলাবস্থায়—তারেক রহমানের দেশে ফেরা।

চূড়ান্ত প্রশ্ন: কেন তিনি ফেরেন না?

রাজনীতি কখনোই সম্পূর্ণ নিরাপদ স্থান নয়। মৃত্যুর হুমকি মাথায় নিয়েও নেতারা মাঠে থাকেন—এটাই রাজনীতির বাস্তবতা।
তারেক রহমানও যদি সত্যিই দেশের নেতৃত্ব নিতে চান, তবে—
নিরাপত্তা ড. ইউনূস দিতে পারবেন,
সেনাবাহিনীও দিতে পারে,
আইনগত সুরক্ষা তাঁর জন্য আগেই তৈরি আছে।
অথচ তিনি ফিরছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে জনগণের মনেও প্রশ্ন জাগছে—
একজন ভবিষ্যৎ নেতা কি সংকটময় সময়ে নিজের মায়ের পাশে থাকতে পারেন না?

এ প্রশ্নের রাজনৈতিক প্রতিফলন ভোটের মাঠ পর্যন্ত গড়াতে পারে।

আগামী নির্বাচন ও আসন্ন সময়ের গুরুত্ব

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন। প্রস্তুতি প্রায় শেষ। নির্বাচনে ব্যালট কারচুপির সম্ভাবনা এবার খুবই কম—এ তথ্য রাজনৈতিক বিশ্লেষণের নির্ভরযোগ্য অংশ। ভারত ও সেনাবাহিনীর দিকেও বিএনপি ঝুঁকেছে—এটিও এখন প্রকাশ্য।

এ অবস্থায় তারেক রহমানের অনুপস্থিতি শুধু দলের জন্য নয়, তাঁর নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যও মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শেষ কথা

এখনই সময়—তারেক রহমানের ফিরে আসার।
এটি শুধু একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব, পারিবারিক মানবিকতার দাবি এবং তাঁর নিজের নেতৃত্বের পরীক্ষার মুহূর্ত।

দলের ভেতরের বিভ্রান্তিকর পরামর্শ দূরে রেখে যদি তিনি দেশে ফেরেন—তাহলে নেতৃত্ব আরও শক্ত হবে। আর যদি না ফেরেন—তাঁর ভাবমূর্তি, গ্রহণযোগ্যতা, এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব—সবই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
দেশ, দল এবং তাঁর মা—সবাই এখন তাঁর অপেক্ষায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপ.....

Address

Saturia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফাতেমা করিম ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল এন্ড হেল্থ টেকনোলজি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category