16/04/2026
স্পেশাল স্টুডেন্টস কেয়ার পয়েন্ট
সু শিক্ষাই মানুষকে আলোকিত করে। সু শিক্ষা প্রদান করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। I'm very simple man.I want to lead my life honestly.
16/04/2026
15/01/2026
২০২৬ সালের মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময়সূচি।
02/01/2026
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ফোন নম্বরের মতো করে মনে রাখার কৌশল:
৪৪২২৩২২৩২১
30/12/2025
জরুরী নোটিশঃ
আগামীকাল বুধবারের (৩১ ডিসেম্বর) জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত। স্থগিত বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ৫ জানুয়ারি সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।
23/09/2025
এস এস সি ২০২৫ পরীক্ষার্থীদের জন্য তিন টা বিষয়ের নম্বর বিভাজন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ।
★★★ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপদেশঃ-
★★পড়াশোনার জন্য উপদেশ-
★নিয়মানুবর্তিতা ও অধ্যবসায়:
প্রতিদিনের কাজ সময়মতো শেষ করা এবং নিয়মিত পড়াশোনা করা জরুরি। এতে চাপ কমে এবং পড়া মনে থাকে।
★ভাষার দক্ষতা অর্জন:
যেকোনো বিষয়ে ভালো করার জন্য বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরীক্ষার খাতায় যা শিখবে তা শুদ্ধ ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে।
★মোবাইলের ব্যবহার সীমিত করুন:
সব সময় মোবাইল হাতে রাখলে বা ব্যবহার করলে তা আপনার সময় নষ্ট করবে এবং অন্যদের দ্বারা ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
★ব্যর্থতা থেকে শিখুন:
ব্যর্থতা একটি ঘটনা, ব্যক্তি নয়। ভুল হওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তাই ভুল থেকে শেখার মানসিকতা রাখতে হবে।
★★ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য উপদেশ-
★সুস্বাস্থ্য রক্ষা করুন:
মন ভালো থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ বসে। তাই নিয়মিত খেলাধুলা করা এবং শরীরচর্চা করা উচিত।
★ভালো মানুষ হোনঃ
ভালো ফল করা নয়, একজন ভালো মানুষ হওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
★নেতিবাচক সঙ্গ থেকে দূরে থাকুন:
মাদক, অ্যালকোহল এবং তামাক থেকে দূরে থাকা উচিত। সহকর্মীদের চাপের মুখেও এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
★সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তা:
নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন, যা আপনার ব্যক্তিত্বকে উন্নত করবে।
♦♦রিযিকের পেরেশানি আর মানসিক অশান্তি দুর হবে ৭ টি আমলেঃ
(১) প্রচুর পরিমানে দুরুদ শরিফ পাঠ করা। এটার কোন বিকল্প নাই। হাঁটতে চলতে দুরুদ পাঠ করা।
(২) প্রচুর পরিমানে ইস্তেগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) করা। ক্ষমা চাওয়া আল্লাহর কাছে।
(৩) পুরা দিনে যতবার ইচ্ছা ‘‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” পাঠ করা।
(৪) রাতে ঘুমানোর পূর্বে অজু সহকারে ঘুমানো।
(৫) মানুষকে আগে আগে সালাম দেয়ার চেস্টা করা।
(৬) অবশ্যই হালাল খাওয়া।
(৭) অবশ্যই অবশ্যই নামায কাযা না করা।
যাঁরা দেশের উন্নয়ন ও জনসেবার জন্য রাজনীতি করে তাঁদের উচিৎ সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা। রাজনীতি কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে এখানে বিনিয়োগ করা, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসীমূলক কাজ কর্ম করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না।
ঠিক তেমনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য যাঁরা রাজনীতি করে তাঁদের উচিৎ সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা। প্রচলিত রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে তাল মিলিয়ে চলা, যাচাই-বাছাই না করে কথা বলা, ভোট পাওয়ার আশায় অন্যায়কে সার্পোট দেওয়া এগুলো তো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমার মন্তব্য ভূল হলে সমালোচনা না করে ধরিয়ে দিবেন প্লিজ। আমি সবসময় নিজেকে সংশোধন করতে প্রস্তুত।
খেলাফতের প্রয়োজনীয়তাঃ
মুসলিম জাহান আজ চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন। শ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত আজ সর্বগ্রাসী অবক্ষয়ের শিকার হয়ে বিধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত। সমস্ত মুসলিম আজ শত শত বিভক্ত হয়ে পরস্পর ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর পরস্পরের মাঝেই নেই ঐক্য। মুসলমানদের এই অনৈক্যের কারণেই ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ সংঘাতে লিপ্ত হয়ে পড়তে দ্বিধাবোধ করছে না। সর্বত্রে মুসলমানরা আজ মার খাচ্ছে, এর কারণ কি? শ্রেষ্ঠ নবীর, শ্রেষ্ঠ উম্মতের এই চরম অধঃপতন ও বিপর্যয় তো কখনো কাম্য হতে পারে না। সমগ্র মুসলিম বিশ্বের এই চরম বিপর্যয়ের একমাত্র কারণ হলো তাদের আজ কোন ঐশী নেতা নেই। মুসলিম জাহান আজ নেতৃত্ব শূন্য অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে যার ফলেই এই অধঃপতন।
হযরত মুহাম্মদ মুস্তোফা (সা.) বিশ্ববাসীকে ধ্বংস ও পতন থেকে রক্ষা করে পূণ্যের পথে চালিত করার জন্যেই এই পৃথিবীতে এসেছিলেন। তিঁনি ঐশী নেতৃত্বের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্য স্বীকার করে একতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে ভ্রার্তৃত্বের সেতুবন্ধন সুদৃঢ়তর করে প্রগতির পথে চলতে বলেছেন। আজ সমগ্র মুসলিম জাহান কোন্ পথে চলছে? প্রিয় নবী (সা.) এর ওফাতের পর মুসলমানদের মধ্যে ঐশী খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল। সৎ কর্মশীল মু’মিনদের সঙ্গে মহান আল্লাহ এই খেলাফত ব্যবস্থা কায়েমেরই অঙ্গীকার করেছেন।
পবিত্র কুরআনের সুরা নূরের ৫৬ নং আয়াতে উল্লেখ মহান আল্লাহ খেলাফতের ওয়াদা করেছেন যে, যাঁরা ঈমান আনে ও পূণ্য কাজ করে তাদের মাঝে তিনি খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করবেন, যেমন তিনি খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে। আমরা জানি, মহানবী (সা.) এঁর লাশ মোবারকের দাফন কার্য সমাধা করবার পূর্বেই উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সম্মিলিতভাবে হযরত আবুবকর সিদ্দীক (রা.)কে খলীফা মেনে নিয়ে তাঁর হাতে বয়াত গ্রহণ করেছিলেন। এ আধ্যাত্মিক ঘটনা থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়, ইসলামে খেলাফতের গুরুত্ব কত ব্যাপক। মু’মিনদের জন্য নবুওয়াতের পর যে বিষয়টি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য তা হচ্ছে খেলাফত। ধর্মীয় ইতিহাস থেকে জানা যায়, আল্লাহ্ তা’লা সকল নবীর পরেই খেলাফত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খেলাফত ছাড়া ঐশী নবীর কাজ পরিপূর্ণতা লাভ করে না। তাই নবী-রাসূলরা যে মহান দায়ীত্ব নিয়ে এই পৃথিবীতে আগমন করেন, তাঁদের এই মহান দায়ীত্ব ও উদ্দেশ্যকে চূড়ান্ত বিজয়ে পৌঁছান আল্লাহ মনোনীত নবীর খলীফাগণ। পবিত্র কুরআন ও হাদীসের দিকে যদি আমরা লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাই, অগণিত স্থানে মহান আল্লাহ তা’লা এই খেলাফতের কথা উল্লেখ করেছেন। খেলাফত সম্পর্কে এত স্পষ্টভাবে বলা এটাও প্রমাণ করে ইসলামে খেলাফত একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। কারা মু’মিন এবং কারা মু’মিন নয় বা কারা সত্যিকারের ঈমানদার তা পরীক্ষা করার নিমিত্তে খেলাফত ব্যবস্থা একটি ঐশী মানদন্ড।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Khulna
Satkhira