নূরনগর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা,শ্যামনগর-সাতক্ষীরা

নূরনগর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা,শ্যামনগর-সাতক্ষীরা

Share

নূরনগরের মেয়েদের জন্য একটি আদর্শ শিক? নূরনগরে নারীদের মধ্যে ইসলামী শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটির ভুমিকা অগ্রগণ্য ।

12/12/2025

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

26/08/2025

সময়টা ছিল ১৮ জুন, ২০১৪ সাল। অসম্ভব গরম!

১৫ দিন ছিলাম মোট ২৪ জন বোন। এর মধ্যে তিনটা রোযাও পার করেছি। আল্লাহ ঐ সময়ে অন্তরগুলো জুড়ে দিয়েছিলেন। তা নাহলে প্রথম দিনে কাশিমপুরের খিচুড়ি খেয়ে সবার কলেরা হয়ে গিয়েছিল, একজন সেন্সলেস হয়ে গিয়েছিলেন। স্যালাইন পর্যাপ্ত হচ্ছিল না। এই বিভৎস গরমে কোন ফ্যান ছিল না। শুধু মশা না, কালো কালো কিছু ভয়ং-কর পোকা-মাকড় দিয়ে গোটা সেল এতো বিভৎ-স রুপ নিয়েছিল, সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।

মনে পড়ে সবাই ওড়না আর স্কার্ফ সেফটিপিন জোড়া দিয়ে মশারী বানানোর চেষ্টা করে শুয়েছিলাম, কিন্তু কারারক্ষীরা বল্লেন অনুমতি নাই, আবার খুলে ফেলা হল। এই যে নির্ঘুম রাতগুলো কেটেছে, এর মাঝেও কত প্রশান্তি আল্লাহ ঢেলে দিয়েছিলেন তা ভাবনার অতীত মনে হয়!

এতগুলা দিনের মাঝে যে তিনটা সেহরী আমরা ঐ কুঠুরিতে করেছি খাবারগুলো রোযা রাখার জন্য খুবই অপর্যাপ্ত ও আনহেলদি ছিল। এরপর এই অবস্থায় হাজিরা! অতঃপর গারদের দুর্বিষহ দ-ম-বন্ধ করা গরম। গায়ে কা-টা দিয়ে ওঠে ভাবতেই।

জানিনা কেন কারাগারের গায়ে লেখা থাকে - "রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ।"

সেটা ছিল নিরাপদে থাকা কতগুলো মানুষকে অন্ধকারের পথে নেয়ার চেষ্টা। আল্লাহ সে সময়েও আমাদের অভিভাবক ছিলেন, তিনি এখন ও আমাদের অভিভাবক। কিন্তু সত্যি এটাই বিপদ আসলেই কেবল আমরা তাঁকে মন-প্রাণ উজাড় করে স্মরণ করি!

যে আতং-ক আমাদের মনে থাকার কথা ছিল, একসাথে থাকার কারণে আল্লাহ সে আতংক দূর করে দিয়েছিলেন। তারপরও আত্মীয়-স্বজন বা দ্বীনি কোন বোন যে কোন একজন এর সাথেও দেখা করতে আসলে আমরা সবাই বিচলিত হয়ে উঠতাম। এই দেখাটা তখন চরম আকাংক্ষিত হয়ে উঠেছিল, সেজন্য হয়ত মাঝে মাঝে কারো কারো মনে উৎকন্ঠা উঁকি দিতো।

তবে কাশিমপুর থেকে ফেরার সময় একটা বিজয়ের আবেশ নিয়ে আমরা বের হয়েছি। একজন কারারক্ষী আর একজন আসামী গল্প করার সময় বলেছিল - "সবসময় তো আপনাদের ভার্সিটিতে দাওয়াত দেন। আমাদের তো কেউ দাওয়াত দেয়না। আল্লাহ আমাদের কাছে দাওয়াত দিতে আপনাদের পাঠাইছে।"

এটা একটা সুন্দর অনুভুতি ছিল। অনেককিছু ভুলে গিয়েছি, তবে এটা ভোলার মত না।

আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের এই কাফেলার অভিভাবকত্ব দান করেন সবসময়। যেভাবে এ যাবৎ করেছেন।

"এ কাফেলা হবে জয়ী জেনো নিশ্চিত
আল্লাহ সহায় তাঁর রাসূল যে ভিত!"

~ মারজানা মুনিয়া!

29/07/2025
18/07/2025

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের ছেলে সানভীর একজন বিবাহিত পুরুষ। তার স্ত্রী - সন্তান বিদ্যমান আছে। এমতাবস্থায় সে কাউকে বিয়ে করতে চাইবে না - এটা যে কোনো পাগল‌ও বুঝে। শুধু বুঝতে পারে না লোভাতুর মেয়েরা। এদের কাছে লাক্সারি লাইফস্টাইল, দামি ঘড়ি মোবাইল ইত্যাদির গুরুত্ব নিজের সতীত্ব থেকেও বহুগুণে বড়।

ভাবখানা এমন যেন, ইজ্জত গেলে যাবে তবুও লাভিশ, বিলাসবহুল জীবন দরকার। এতে এক বা একাধিক পুরুষের সাথে নিয়মিত যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে তারা দ্বিধা করে না।

যেহেতু তাদের টাকা দরকার, সেটা তো তারা পায়। অতঃপর বিয়ের প্রলোভনে বিছানায় যাওয়ার কথা বলে। এটা বলার কোনো অধিকার নাই।

মেয়েটির নাম কী জানি না। সেদিন রাতে খবরে দেখলাম সে লাইভে এসে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে তার পাশে দাঁড়াতে। সানভীরের বিরুদ্ধে তাকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে।

যখন সে বিলাসবহুল গাড়ি-বাড়ি ব্যবহার করেছিল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের ছেলের রাজকীয় লিঙ্গের স্বাদ নিয়েছিল তখন কি আমাদের জিজ্ঞেস করেছিল?

প্রেম করবে নিজের ইচ্ছায়, উপহার নেবে নিজের ইচ্ছায়, সালোয়ার খুলে চিত হয়ে পেট মোটা করবে নিজের ইচ্ছায় কিন্তু বিচার পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে দেশবাসীকে। হাউ ফানি।

বড়লোকের রক্ষিতা হিসেবে কাজ করবে আবার বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করতে যাবে এটা পুরোপুরি হাস্যকর।

এখনও হাজার হাজার মেয়ে বড়লোকের রক্ষিতা হিসেবে কাজ করছে। গ্রাম থেকে মা-বাবা তাকে লেখাপড়া করতে পাঠিয়েছে আর তারা এখানে রক্ষিতা হিসেবে কাজ করছে।

ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে মেয়ে আসে কোথা থেকে? এরা আসমান থেকে নামে না কিংবা জমিন ভেদ করে বেরিয়ে আসে না। এরা লেখাপড়া করতে আসা গ্রামের মেয়ে। হোটেলে চাকরি করে। ধনী ও প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জন করে।
যারা নিজেরা মিডিয়ার সামনে ব্যবিচারের স্বীকারউক্তি দিবে প্রচলিত আইনে তাদের বিচার করতে হবে।
কঠোর শাস্তির ব্যাবস্থা করতে হবে এই জন্য তাদের দেখে যেনো অন্যরা ভয়ে এহেন জঘন্যতম কাজে নিজেদের না জড়ায়।
সেলোয়ার খুলবে নিজের ইচ্ছায় বিচার চাইবে জনগণের কাছে হাস্যকর।

17/06/2025

নারী কোমল,আর সত্য প্রিয়। ❌
নারী ভয়ংকর অভিনেত্রী, ছলনাময়ী,প্রান ঘাতক বিষ। ✅

(কি সাংঘাতিক মিশনারী নারী গুপ্তচর)
ইরানের হৃদয়ে পৌঁছে যাওয়া নারী গুপ্তচর… স্ত্রীদের জিভে স্বামীদের মৃত্যুর ফাঁদ!

ক্যাথরিন পেরেজ শকদাম—একজন ফরাসি তরুণী।
ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, এবং নিজেকে শিয়াপন্থী বলে ঘোষণা করেছিলেন।
তিনি ইরানি বিপ্লবের প্রশংসা করেন, “বিলায়তে ফকিহ” এর সমর্থনে লেখালিখি করেন,
এমনকি তাঁর প্রবন্ধ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইয়ের ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়।

কিন্তু এই মুখোশের আড়ালে… ছিল মোসাদের নজরদারি।

ক্যাথরিন ছিলেন না কোনো সাধারণ গুপ্তচর।
তিনি ইরানে প্রবেশ করেছিলেন লেখিকা, সাংবাদিক ও চিন্তাবিদ হিসেবে।
রাজনীতিবিদদের ঘনিষ্ঠ হন, রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে বসেন,
এমনকি প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
“গবেষণার অজুহাতে” তিনি সংবেদনশীল অনেক এলাকাও পরিদর্শন করেন।

কিন্তু সবচেয়ে বিপজ্জনক ছিল নারী মহলে তার প্রবেশ।

তিনি উচ্চপদস্থ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের স্ত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
তাদের বিশ্বাস অর্জন করেন, যেন তিনিও তাদের একজন।
আর তারাই খোলামেলা বলতেন—স্বামীদের কাজ, থাকার স্থান, ভ্রমণের সময়সূচি, দৈনন্দিন জীবনযাপন সম্পর্কে।

প্রতিটি কথা রেকর্ড হতো,
প্রতিটি তথ্য পাঠানো হতো বাইরে।

এই তথ্যগুলোর ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হতো লক্ষ্যবস্তু,
তারপর একে একে সংঘটিত হতো হত্যাকাণ্ড…
নারীদের মুখে বলা নিষ্পাপ কথাগুলোই হয়ে উঠেছিল তাদের স্বামীদের মৃত্যুর কারণ।

যখন তার প্রতি সন্দেহ দেখা দেয়,
তিনি ইরান ছেড়ে চলে যান—ঠিক সময়ে, দরজা বন্ধ হওয়ার আগেই।
কিন্তু ততক্ষণে তিনি তার কাজ শেষ করে ফেলেছেন।
ইরানের ওপর ভয়ানক আঘাত হেনেছেন, যার রেশ এখনও রয়ে গেছে।

এই সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই
ইসরায়েল এখনো পরিচালনা করছে একের পর এক নিখুঁত অভিযান,
যার মূল উৎস—ক্যাথরিনের হাত ধরে ঘর থেকেই পাওয়া গোপন তথ্য।

এটা কেবল একটি গুপ্তচর কাহিনি নয়…
এটা একটি রাষ্ট্র-স্তরের নিরাপত্তা বিপর্যয়।

আজকের এই ছায়াযুদ্ধে—
গুলির আওয়াজ শোনা যায় না,
বরং হত্যা ঘটে—একটি নারীমহলের শান্ত আলাপচারিতায়।

তুমি কি মনে করো, ইরান এই ঘটনার অভিঘাত কাটিয়ে উঠতে পারবে?
আর আজ কি অন্য কোনো দেশের ভেতরেও নতুন কোনো “ক্যাথরিন” লুকিয়ে আছে?

18/05/2025

হঠাৎ খবর পাই পড়ে গিয়ে শাশুড়ির হাত ভে*ঙে গেছে। খাদিজার আম্মু খবরটা জানায়। কোনো কাজে তখন বাইরে ছিলাম। বললাম, তোমার কি যেতে হবে? বলল হ্যাঁ, বাড়িতে বাবা-ভাই আছে। এ অবস্থায় আম্মা রান্না করতে পারবে না, আমি না গেলে তাদের বিপদ হয়ে যাবে। আগ-পাছ না ভেবে বললাম রেডি হও, আমি এসে নিয়ে যাব।

ঘন্টা/দেড় ঘন্টা পর এসে দেখি খাদিজা রেডি না। ভাবলাম ওর মা সময় করে পারেনি, তাই আমিই মেয়েকে রেডি করে বেরিয়ে পড়লাম। ওদেরকে নামিয়ে দিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে দেখা করেই আবার বাসায় ব্যাক করলাম। দুপুর হয়ে গেছে। যেহেতু টুকটাক চালিয়ে নেয়ার মতো রান্না জানি, তাই খাব কী, তা নিয়ে ভাবিনি। আমার শ্বশুরের ঘটনা আবার উল্টো, উনি দীর্ঘ জীবনে কখনো রান্নাঘরে যাননি। ফলে শাশুড়ি কোথাও গেলে এই বান্দা না খেয়ে শুটকি হয়ে থাকে।

দুইটার দিকে ভাবছিলাম পান্ডায় অর্ডার করে দুয়েক বেলা চালাই। হাতে কিছু কাজ আছে, আজ রান্নাঘরে না যাই। অমনি খাদিজার মা ফোন করে বলল, তোমার জন্য গোরুর গোশত, চিংড়ি আর চিকেন রান্না করে ফ্রিজে রেখে আসছি। না খেয়ে থাইকো না। আমি যেন আসমান থেকে পড়লাম, বলো কী? এজন্যই তুমি খাদিজাকে রেডি করতে পারোনি?

ফ্রিজ খুলে দেখলাম প্রায় দশ বারোটা ছোটো ছোটো বাটিতে করে তরকারি রাখা। যেহেতু একা আছি, প্রতিবেলায় যেন একটা বাটি বের করলেই হয়ে যায়, সেজন্য এভাবে ভাগ ভাগ করে রেখে গেছে। চোখে যেন পানি চলে এলো। সরাসরি কখনো ধন্যবাদ জানানো হয় না, কিন্তু সেদিন দুপুরে পেট ভরে খেয়ে তাকে ফোন দিয়ে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারলাম না।

রাতে নিরিবিলি জিগ্যেস করলাম, এক-দেড় ঘন্টার মধ্যে এতকিছু না করলেও পারতে। তোমরা না থাকলে আমি সাধারণত বাইরেই খাই, কেন কষ্ট করতে গেলে? বাড়ি গিয়ে তো আবার তোমাকে রান্নাঘরেই ঢুকতে হয়েছে! বলল, আপনি যখন নির্দ্বিধায় নিজের কষ্টের কথা না ভেবে আমাকে বাড়ি পাঠাতে রাজি হয়ে গেলেন, তখন আপনার খাবারের কষ্ট হবে, ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছিলাম না। সেজন্য কাটাকুটির ঝামেলা নেই, এমন তিনটা আইটেম করে ফেললাম। এটা আমার মহানুভবতা নয়, আপনার আচরণের প্রতিদান মাত্র।

মা পড়ে গিয়ে হাত ভে*ঙেছেন, বাবা-ভাই না খেয়ে আছেন, কয়েকদিনের জন্য এই গরমে গ্রামে থাকতে হবে। তাও এবারের থাকাটা বেড়ানো নয়, বরং বাড়ির সব কাজ তার করতে হবে। এতকিছুর ভেতর মাত্র দেড় ঘন্টা সময় হাতে পেয়ে, ব্যাগ গোছানো বাদ দিয়ে একটা মেয়ে যখন স্বামীর আগামী কয়েকদিনের খাবারের কথা চিন্তা করে এবং তার জন্য রান্না করে এতগুলো বাটিতে আলাদা করে রেখে যায়, তখন তাকে মিস না করে উপায় আছে?

সাধারণত মেয়েকে বেশি মিস করি, এবার দুজনকেই করছি...


— সাদিক ফারহান (হাফি.)

Want your school to be the top-listed School/college in Satkhira?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Shaymnagar, Sathkira
Satkhira
9451

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00