Moinur Biswas

Moinur Biswas

Share

Hello! I'm Moinur Biswas.Assistant Teacher,Transformational Speaker & Motivator.I Hope!You Will Like My Contents & Work.

19/03/2025

✊✊✊
"ধর্মকে বাদ দিয়ে মানবতার দিকে তাকালেও-সবার ফিলিস্তিন বাসীর পক্ষেই থাকা উচিত"

19/03/2025

জীবনে কখনও হাল ছেড়ে দিতে নাই এই ছবিটি তারই প্রমাণ।
২৮৬ দিন পর‌ পৃথিবীতে ফিরলেন "সুনীতা উইলিয়ামস"।🥰

19/03/2025

আগামীকাল রোজা রাখার জন্য আমরা রাতেই প্রস্তুতি নেই। একটা প্রস্তুতি থাকেনা? ভোর রাতে উঠবো,রোজা রাখবো; এমন আরকি!🥲🥲
তেমনি এইভাবে প্রস্তুতি নিয়েই ঘুমাচ্ছিলো ফি**লি**স্তি***ন এর মানুষজন!🥲🥲
হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলো! খেয়াল করলো আশেপাশে অনেক র***ক্ত! কার জানেন? তাদের বাচ্চার! সেই বাচ্চাকে সাথে নিয়ে ঘুমিয়েছিলো, সেই বাচ্চা আর দুনিয়াতে নাই!
গতোকাল এমন ৩০০ বাচ্চা আর মহিলার জীবন শেষ হয়ে গেছে ঘুমন্ত অবস্থায়!🥲🥲

শুধু ঐ মুহুর্ত টা চিন্তা করেন!
আহা কি মর্মান্তিক মুহুর্ত তাই না

জেগে উঠো মুসলিম ✊👊
আরব শাসকদের কি ঘুম ভাংবে না?😢

19/03/2025

রাজধানীর খিলক্ষেতে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধ*র্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত-১৭ বছরের এক কিশোরকে পু'লি'শের গাড়ি থেকে নামিয়ে হ*ত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা!

19/03/2025

🥲ব্রেকিং নিউজ🥲

ইসরা'য়েলের হাম'লায় শহীদ হয়েছেন গাজা'র -প্রধানমন্ত্রী!

18/03/2025

মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে এক রাতেই!

#ফিলিস্তিন 😭😭

গাজাবাসি এভাবেই লাশ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছে😭😭 যে সময়ে অন্য দেশের মুসলিমরা কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।ইয়া আল্লাহ, আপনি ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, সিরিয়া, ইন্ডিয়া এবং সমস্ত বিশ্বের মুসলমানদের কাফের,মুশরিকদের হাত থেকে হেফাজত করুন।আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছে করলেই কাফের,মুশরিক দের সকল ষড়যন্ত্র কে এক নিমিষেই শেষ করে দিতে পারেন।সব কিছুই আল্লাহ তায়ালার পরীক্ষা।

18/03/2025

"মহিমা তোমার কতই খোদা তিলাওয়াতে ফীল
ইসরায়েলের আসমানে পাঠাও তুমি আবাবিল"🤲

18/03/2025

"কারো কাছ থেকে একবার সহযোগিতা পেলে আজীবন সহযোগিতা পাবো,এই অতি-প্রত্যাশা রাখা ঠিক নয়" 💯

Photos from Moinur Biswas's post 18/03/2025

বোনের দেওয়া সেরা গিফট-পান্জাবি🥰❤️🤲

18/03/2025

সালেহাকে বিয়ে করার ২৩ দিনের মাথায় বাহরাইন চলে যাই। বাহরাইনে থাকা অবস্থায় শুনি-সালেহা তার আগের প্রেমিকের সাথে চলে গেছে।

সালেহাকে আমার মা-বাবা পছন্দ করেছিল। পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও আমি তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছিলাম। সে-ই ছিল আমার জীবনের প্রথম নারী, আমার প্রথম ভালোবাসা।

সালেহার চলে যাওয়ার বিষয়টা আমি মেনে নিতে পারি নি। সেই কষ্টে দীর্ঘ ২৪ বছর আর দেশে ফিরি নি। পরবর্তীতে মেডিক্যালে আনফিট হয়ে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হয়।

দেশে ফিরে দেখি আমার দীর্ঘ প্রবাসজীবনের অর্জিত অর্থের সব কিছুই মা-বোন-ভাইয়েরা শেষ করে দিয়েছে। চার মাস বাড়ি থাকার পর রাগে-কষ্টে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের হই।

বাড়ি থেকে বের হয়েছি আজ সাড়ে পাঁচ বছর। তারপর থেকে মাজারে থাকি শুধু দুই বেলা ভাত খাওয়ার লোভে। এখন যাচ্ছি চট্টগ্রাম আমানত শাহ মাজারে, শুনেছি এই মাজারে নাকি খাবার পাওয়া যায়।

আজ বাইশটা দিন হেটে হেটে চাঁদপুর হাজীগঞ্জ থেকে কুমিল্লা স্টেশনে এসেছি। যাব চট্টগ্রাম আমানত শাহ-এর মাজারে। জীবনের কাছে আমার কোনো চাওয়া নেই, শুধু দুই বেলা ভাত খেতে পারলেই সুখী।

চোখ মুছতে মুছতে কথাগুলো বললেন আক্তার আলী।


#মঈনুর_বিশ্বাস
Moinur Biswas

17/03/2025

চরম সত্য কথা-২২৩💥💯
#মঈনুর_বিশ্বাস

17/03/2025

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা উদঘাটনঃ

এক জায়গায় পেলাম তাই শেয়ার করলাম।

আমি সবটা জানি। সেদিন রাত্রে কি ঘটেছিল। শুধু সে রাত্রে নয়। প্রতি রাত্রে কি ঘটেছে তোমার শশুর বাড়িতে। সেসব কথা আমি বলবো নাকি তুমি নিজেই বলবে?

এবার আফিয়া বসে পরে। অপরাজিতার পায়ে ধরে। আপা কিছু বলেন না। আমার ছোট বোনের জীবনতো শেষ হয়েছে। আমার জীবন নষ্ট হতে দিয়েন না।
উৎসুক জনতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ কি কথোপকথন হয়েছে যে, আফিয়া পল্টি খাইয়া গেল?

তাঁরদিকটা একবার দেখে নিল অপরাজিতা। তাঁরপর আফিয়ার দুই কাঁধে হাত রেখে উঠিয়ে নেয়।
তাঁরপর বলে, দুর পাগলী। তোমার কিছুই হবে না।
ধর্ষকরা তো ধরা পরেছে।
তাছাড়া যারা অপরাধ করেছে তাদের দোষ, তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছো কেন? আমি, আমরা সবাই, পুরো দেশবাসি তোমার পাশে আছি, তোমার সাথে থাকবো। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছড়বো না।
এবার ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে আফিয়া।
অপরাজিতা আফিয়ার মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিয়ে বলে, তুমি চাও না আছিয়া সঠিক বিচার পাক? অপরাধীরা শাস্তি পাক?
জী আপা চাই।
তাহলে মুখ খোল। সত্যি কথা বলে দাও। সবাই জানুক সত্য ঘটনা।
আফিয়া এবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা তারঁ দিকে তাকিয়ে আছে?।
আফিয়া আবার দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে।
অপরাজিতা বলে, কাঁদো। কেঁদে কেঁদে হাল্কা হও।নিজের মাধ্যে সাহস ফিরে আনো। শক্ত হয়ে দাঁড়াও। মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে উঠাও। চিৎকার করে বলো, আমি মানুষ। আমারও আছে ভালোভাবে বাঁচার অধিকার।
আফিয়া ওড়নার আঁচলে মুখ মুছে নেয়।তাঁরপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়।
সাংবাদিক ভাইদের বলে, শোনেন আমার ও আমার ছোট বোনের সাথে কি ঘটেছিল সেই রাত্রে।

আফিয়া নির্ভয়ে বলে, আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি।
বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কুনজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কারো উপস্থিতি বুঝতে পারছি। এটাও খেয়াল করি এখন যে আছে সে আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমার ছোট শরীর। স্বামীকে সহ্য করাই অসম্ভব। তাঁরপর আরেক জন। আমি ব্যাথায় কুকরে উঠি। চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে। মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এবার কন্ঠ চিনতে পারি। এ কন্ঠ আমার শশুরের কন্ঠ।
তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর। এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি।
পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি।
এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে।
আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে। ভুত প্রতি রাত্রে আসে আমার কাছে।
তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি। মা বিষয়টি বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে।
আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়।
সে আবার বলে, আছিয়াকে আমার শাশুড়ী সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি।
আছিয়া পাশে থাকা অবস্থায় ওই ঘটনার আগেন রাত্রে একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায়। তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে। স্বামীকে দেখাতে হবে এটা ভুত না, তাঁর বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন? আর এ অবস্থায় কেন?
তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে।
আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা।
আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে।

এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে না। তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা করে।

সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধ*র্ষ*ণ করতে যায়।
আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষ*ণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পো"প"না"ঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট।

সেজন্যে ধ*র্ষ"করা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গো'প"না"ঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর।

তারপর গো"প"না"ঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।

একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে।

আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।

এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম অবস্থায় ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে আছে, তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।'

তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধ"র্ষ"ণ করে আছিয়াকে। আর পর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি? আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই।
এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মে"রে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ।
আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত র"ক্ত"ক্ষ"রণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া ম'রে গেছে।
এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়া ধ"র্ষ"ণ করে। এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে। আফিয়া সাক্ষাৎ মৃ"ত্যু দেখে ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধ"র্ষ'ণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী।

সত্য ঘটনা হচ্ছে এই, শুধু আছিয়া ধ"র্ষ"নের স্বীকার হয়নি তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া ম"রে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও ম"রার মতো বেঁচে আছে।
(Copy)

Want your school to be the top-listed School/college in Satkhira?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Satkhira