Nalta High School Stars

Nalta High School Stars

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nalta High School Stars, School, Nalta Sharif, Satkhira.

Photos from Nalta High School Stars's post 20/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ ৫৪তম বার্ষিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ ক্রিকেটে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন। আগামী ২২/০১/২০২৬ খ্রি.তারিখ বৃহঃবার বরিশাল বিভাগ চ্যাম্পিয়ানের সাথে খুলনা বিভাগ চ্যাম্পিয়নের অর্থাৎ নলতা হাইস্কুলের ফাইনাল খেলা বরিশালে অনুষ্ঠিত হবে।

20/01/2026

আজ ২০/০১/২০২৬ খ্রী. তারিখ মঙ্গলবার সকাল ৮.০০ টায় জেলা স্টেডিয়াম,খুলনায় বিভাগীয় ফাইনাল (ক্রিকেট ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলার প্রতিনিধিত্বকারী দল নলতা হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ যশোর।

Photos from Nalta High School Stars's post 13/01/2026

৫৪তম বার্ষিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ (ক্রিকেট) নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন। আলহামদুলিল্লাহ। ❤️
ছাত্র এবং শিক্ষক সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন এবং শুভকামনা রইল।❤️👏🤲

Photos from Nalta High School Stars's post 31/12/2025

Happy New Year 2026! May it bring new hope and fresh beginnings ❤️🎊🎉

30/12/2025

বিএনপি চেয়ারপারসন ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ বাংলাদেশ সময় সকাল ৬ টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন।

29/12/2025

ছয় ক্লাসে ওঠার পর আব্বা ঠিক করেছিলেন, আমাকে বাড়িতে রাখলে, লেখাপড়া কিচ্ছু হবে না।

বাড়ি থেকে ছয় মাইল দূরে খুলনা জেলার নামকরা একটা স্কুল ছিল, নলতা বহুমুখী উচ্চ বিদ‍্যালয়। ঐ অঞ্চলের যেসব ছেলেদের বাবা মা নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন না, ভর্তি করে দিয়ে আসতেন সে বোর্ডিং স্কুলে। স্কুলটা ছিল দুরন্তদের ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করা এবং পড়াশোনায় ভালো ছাত্র বানিয়ে তোলার কারখানা।

শৃঙ্খলা শেখানো এবং সর্বস্তরে তার অনুশীলন, চর্চা করানো ছিল সে স্কুলের প্রথম ও প্রধান ভূমিকা।

স্কুলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হযরত খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ (র.) তাঁকে জ্ঞানতাপসও বলা হয়। তিনি ছিলেন আল্লাহর সাধক, ধর্মগুরু। তাঁর নামের আগে উচ্চারণ করা হয়, হযরত। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে তাঁর অজস্র ভক্ত, মুরীদ। এতকাল পরেও সব ধর্মের মানুষের কাছে তিনি, নলতায় তাঁর মাজার শরীফ সমান আগ্রহের হয়ে আছে।

তিনি পীর, ধর্মগুরু, দার্শনিক। এসবের পরে আরও এক বিশেষ পরিচয় জানতে পারলে তিনি কতটা উচ্চতর পর্যায়ের জ্ঞানী, বোঝা যায়। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা বিভাগের ডেপুটি ডাইরেক্টর। তিনি অনেকভাবে ছিলেন বিশেষ- বৃটিশ সরকার খান বাহাদূর উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন তাঁকে।

সোজা বানানোর জন‍্য আমাকে নলতা বহুমুখী উচ্চ বিদ‍্যালয়ে ভর্তি করানো হলো। হোস্টেলে থাকতে হবে। ভোরবেলা আজান দিলে উঠতে হবে, তারপর পুকুরঘাটে গিয়ে অজু করে যেতে হবে মসজিদে। নামাজ দিয়ে শুরু করতে হতো দিন।

সে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম দশ গ্রামের মানুষের সমীহের সাথে উচ্চারণ করতেন। মৌলবী দরবেশ আলী অসাধারণ এক শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে স‍্যারকে পাকিস্তান সরকার তমঘা-ই- খিদমাত সম্মানে ভূষিত করেছিলেন।

সে স্কুলে পড়া না পারলে বেত দিয়ে মার দেওয়ার রীতি ছিল। নামাজ না পড়াও ছিল বড়ো মাপের অপরাধ।

দুপুরে টিফিনের ঘন্টা বাজলে সবার জন্য মাঠের দিকের বড়ো গেটটা খুলে দেয়া হতো। সে গেট, মাঠ আমাদের জন‍্য ছিল না। খেলাধুলা করে আনন্দে সময় কাটাতে পারতো, অন‍্য ধর্মাবলম্বী ছাত্ররা।

আমাদের জন‍্য খুলে দেয়া হতো পুকুর ঘাট, মসজিদের দিকের গেটটা। মসজিদের গেটে হেড স‍্যার দাঁডিয়ে থেকে দেখতেন, কে এলো, কে এলো না। অত ছাত্রের মুখ তিনি কিভাবে মুখস্ত রাখতেন কে জানে!

টিফিন শেষ হয়ে গেলে ক্লাসে ক্লাসে বেত হাতে ঢুকতেন হেডস‍্যার।

নামাজ যারা পড়তে যায়নি, ক্লাসে স‍্যার ঢুকলে তারা দাঁড়িয়ে থাকবে- এটা ছিল নিয়ম। দাঁড়িয়ে থাকা কোন ছাত্রকে তিনি জিজ্ঞাসা করবেন না, কেনো নামাজ পড়তে যাওনি।

যার সামনে গিয়ে স‍্যার দাঁডাবেন, সে ছাত্রকে বেত্রাঘাত গ্রহনের জন‍্য হাত মেলে দিতে হবে। সবাই জানতো, স‍্যার দু ঘা দিয়ে শেষ করতে পারেন, মেজাজ যদি ঠিক না থাকে, কপালে চার পাঁচ ঘা ও জুটতে পারে।

নামাজ যে বা যারা পড়তে যায়নি, বসে থেকে স‍্যারকে ফাঁকি দেবার উপায় ছিল না। কেউ তেমন চেষ্টা করলে স‍্যার ধরে ফেলতে পারতেন এবং তা হতো অপরাধের উপরে অপরাধ। শাস্তি পেতে হতো দ্বিগুন।

মুখে কাঁচা পাকা দাড়ি, মাথায় সাদা টুপি, পরণে সাদা পাজামা, পান্জাবি আর পান্জাবির উপরে সাদা চাদর জড়ানো। মানুষটা চলা ফেরায় ছিলেন ধীর স্থির, চোখজোডা ছিল বড়ো কিন্তু খুবই ঠান্ডা ধরণের। সবাই যমের মতো ভয় পেতাম মানুষটাকে কিন্তু তিনি কখনো কারো সাথে রেগে কথা বলেননি।

হেড স‍্যার অন‍্যায় করা খুবই অপছন্দ করতেন এবং একটাই শাস্তি দিতে জানতেন- বেত্রাঘাত। বেত্রাঘাত দুইরকমের ছিল। হাত পেতে নেয়া এবং বেণ্চের উপর দাঁড়া করিয়ে দিয়ে শপাং শপাং মার খাওয়া।

তাঁর সে বেত ছিল বিশেষ। চারটে চিকন বেত একত্রে বাঁধা। স‍্যারের সন্তানেরাও সতর্ক থেকেছে, সে বেত্রাঘাতের শিকার যেনো না হতে হয়।

এতদিন পর আমার সে স্কুল, স্কুলের মহান প্রতিষ্ঠাতা, জ্ঞান অর্জনের নিয়ম কানুন, কোমল কিন্তু কঠিন হেড স‍্যার, তাঁর ভূমিকা নিয়ে ভাবছি কেনো? না ভেবে পারবো কি করে! সে প্রতিষ্ঠান, মহান মানুষেরাই তো এই জীবনের ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন। আজ পর্যন্ত সে ভিতের বাইরে পা বাড়াবার শক্তি ও সাহস কোনটাই হয়নি।

স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ (র.) এর জীবনদর্শন ছিল “স্রষ্টার ইবাদত, সৃষ্টির সেবা”। তার মাজার শরীফে সকল ধর্মের মানুষ গিয়ে প্রার্থনা করেন। সে অসাধারণত্ব দেখে শুনে ও বুঝে আমরা বড়ো হয়েছি। দেশে বিদেশে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত আহসানিয়া মিশন ধর্ম বেছে নয়, মানুষের কল‍্যান, শিক্ষাদান ও সেবায় রত আছে।

এখনো গ্রামের বাড়িতে গেলে সময় করে নলতা গ্রামের মাজার শরীফে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসি।

হেড স‍্যার তাঁর ছাত্রছাত্রীদের কখনই শেখাননি নিয়মিত নামাজ আদায়, ধর্ম পালন করলে বেহেস্তে যাওয়া যাবে।

তিনি বলতেন, দুনিয়া বেহেস্তের মত জায়গা হতে পারে, যদি লেখাপড়া এবং ধর্ম পালন উভয়ই মন দিয়ে করতে পারো। বলতেন, নামাজ আদায় হচ্ছে মানুষকে শৃঙ্খলায় রাখবার প্রক্রিয়া। নামাজের প্রতি আগ্রহ মানুষকে সচেতন, নিয়মের মধ‍্যে রাখে। দিনের নামাজগুলো পড়তে চাইলে, যে কোনো মানুষ সতর্ক, সাবধানে থাকে। এভাবেই ভালো থাকা হয়।

ছাত্রদের তিনি বোঝাতেন, অনেক অনেক মানুষের ভালো থাকবার এরকম চেষ্টায় পৃথিবী পরিচ্ছন্ন থাকে। অন‍্যায়, মন্দ কিছু করতে মনে ভয় তৈরি হয়। তাতে পৃথিবী, দেশ ও মানুষ ভালো থাকে।

নতুন কালের নতুন মানুষেরা অন‍্যরকম করে বলে। প্রায় পুরোটা জীবন তাহলে কি ভুল ধারণায় কেটে গেছে! নতুন কালের বয়ানে এই প্রাচীন মন বিপন্নবোধ বোধ করে। সামনে তাকিয়ে সুখ অনুভব করার চেয়ে পিছনে তাকিয়ে গৌরববোধ করতে হয়, এ বড়োই বেদনার কথা।

18/12/2025

ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো মহান বিপ্লবী ওসমান হাদী শুধু একটি নাম নন, তিনি একটি আদর্শ, একটি চেতনার প্রতীক। নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, সত্য ও ন্যায়ের পথে শহীদ হওয়াই সবচেয়ে বড় সম্মান। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ তায়ালা তাঁকে শহীদ হিসেবে কবুল করেছেন। ওসমান হাদীর আত্মত্যাগ ও অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি জোগাবে। 🤲🤲🤲

16/12/2025
Photos from Nalta High School Stars's post 30/11/2025
Photos from Nalta High School Stars's post 29/11/2025

শতবর্ষ উদযাপন ২০১৭

27/11/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Satkhira?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Nalta Sharif
Satkhira